Weather Update: উধাও শীত, বাড়ল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

Weather Updates

নিউজ ডেস্ক: বড়দিন কাটতেই ফের ঊর্ধ্বমুখী পারদ। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তুরে হাওয়া বাধা পাওয়ায় আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়বে।

হাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে যথাক্রমে ২৬ ও ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা হতে আকাশ পরিষ্কার হবে। 

প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগেই রাজ্যজুড়ে শীতের দাপট দেখা গিয়েছিল। কিন্তু পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শীতের কনকনে ভাব উধাও। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উত্তুরে হাওয়া বাধা পাচ্ছে। যার ফলে পূর্ব ভারতে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে না। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটলেই সে রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা।

এদিকে মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২৬ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, সিকিম, ওড়িশায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ রাজ্যের উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং-সহ ৮ জেলায় মঙ্গল ও বুধবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বিক্ষিপ্তভাবে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায়ও বৃষ্টি হতে পারে।

তবে বছরের শেষে এসে ধীরে ধীরে শক্তি বাড়াবে উত্তর-পশ্চিমী হাওয়া। সেই কারণেই আগামী কয়েকদিন জেলাগুলিতে ঠান্ডার রেশ বাড়তে পারে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার ওঠানামা থাকবে। তবে জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নতুন করে পারদ নামার সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে ফের রাজ্যজুড়ে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা পড়তে পারে।

Omicron: ভয়ে কাঁপছে ইউরোপ, জৌলুস হারালো বড়দিন

Omicron: Europe is trembling with fear, Christmas is lost

News Desk: করোনার প্রকোপ সামলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে হেঁটেছে গোটা বিশ্ব। জাঁকজমকের সাথেই পালন হয়েছে নানা উৎসব। কিন্তু বর্তমানে ওমিক্রন আতঙ্কে বিধ্বস্ত ইউরোপ। এরই মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছে বড়দিন এবং কয়েকদিন পরেই বর্ষববরণ। এই উৎসবের আমেজে ওমিক্রন সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে প্রশাসন।

আজ বড়দিন। ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে কার্যত ফিকে হয়ে পড়েছে ইউরোপের বড়দিনের উৎসব। বড়দিনের পর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওমিক্রনের জেরে স্বাস্থ্য কাঠামো আরও ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে হু।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমণ থেকেই এখনও সামলে উঠতে পারেনি ইউরোপ। এরই মাঝে উঠে আসছে ডেলমিক্রনের নাম। কিন্তু কি এই ডেলমিক্রন? অনেকেই মনে করতে পারেন এটি ওমিক্রনের নতুন মিউটেশন। কিন্তু তা নয়। জানা গিয়েছে, ডেলমিক্রন শব্দটি এসেছে ডেল্টা ও ওমিক্রনের সংমিশ্রণে। করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রন এবং পুরনো প্রজাতি ডেল্টার মিলিত কোপে বড় মাত্রায় বাড়তে পারে সংক্রমণ। তাই বলা যায়, গোটা বিশ্ব যেখানে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে সেখানে ভয় কাঁপছে ইউরোপ।

X Mas: হঠাৎ প্ল্যান করেই কাটিয়ে আসুন বড়দিনের বিকেল

park-street-christmas-festival

News Desk: আজ বড়দিন। আজকের দিনটি কীভাবে কাটানো যাবে তা প্ল্যান করে নিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু এখনো যারা প্ল্যান করেননি তাঁরা আর দেরি না করে ভেবে নিনি আজকের বিকেল কোথায় কীভাবে কাটাবেন।

২৫ ডিসেম্বরের বিকেলে আউটিং-এর জন্য রয়েছে কয়েকটি জায়গার নাম-

সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল: চৌরঙ্গী রোডের বিশপস প্যালেসের ঠিক উল্টোদিকে অবস্থিত এই চার্চে একবার গিয়ে মেতে উঠতে পারেন বড়দিনের আমেজে। এই চার্চের এক দিকে এমপি বিড়লা তারামন্ডল, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, অন্যদিকে নন্দন। আজকের আউটিং-এ পরিবার কিংবা বন্ধুদের সাথে ঘুরে আসতে পারেন।

পার্ক স্ট্রীট: বড়দিন এবং নতুন বছর উদযাপনে প্রতি বছরই আলোয় ঝলমল করে ওঠে পার্ক স্ট্রীট। অ্যালেন পার্কের নানারকম অনুষ্ঠানে ফুরফুরে হয়ে উঠবে আপনার মন। রয়েছে বহু খাবার স্টলও।

বো ব্যারাক: বো ব্যারাকের ওয়াইন ও কেক কলকাতা বিখ্যাত। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রতি বছর সেজে ওঠে বো ব্যারাক। এখানে মূলত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বাস বেশি। তাঁরাই বড়দিন পালন করতে এক সপ্তাহ ধরে নিজেদের মত করে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সেখানকার বাসিন্দাদের বড়দিন পালন করার ধরন জানতে গেলে একবার ঘুরে আসা যায়।

রেস্তোরাঁ: খেতে ভালোবাসেন এমন মানুষেরা বড়দিনের বিকেলে চলে যেতে পারেন কোনো রেস্তোরাঁয়। পরিবার, বন্ধু কিংবা কাছের মানুষের সাথে বাইরে কোথাও সেরে নিন আজকের ডিনার।

রাত পোহালেই বড়দিন, বড় চমক দিতে প্রস্তুত পার্কস্ট্রীট

Christmas night, Park Street ready to give a big surprise

News Desk: রাত পোহালেই বড়দিন। আর বড়দিন মানেই পার্কস্ট্রীটে আলোর রোশনাই। উৎসবের আমেজে মেতে উঠবে শহরবাসী। করোনা আবহে গতবছরের ক্রিসমাস একেবারেই ফিকে হয়ে পড়েছিল। তাই এবারে এক বড় চমক দিতে প্রস্তুত পার্কস্ট্রীট।

এবছর পার্কস্ট্রীটে ঝলমলে আলোর পাশাপাশি দেখা যাবে ৫৪ ফুট লম্বা ক্রিসমাস ট্রি। অ্যালেন পার্কের কিছুটা দূরেই আলোয় সজ্জিত এই ক্রিসমাস ট্রির দেখা মিলবে। তবে এখানেই শেষ নয়। ৫৪ ফুট লম্বা ক্রিসমাস ট্রিয়ের পাশেই দাঁড়িয়ে রয়েছে ৭ ফুট লম্বা সান্টাক্লজ এবং ৭ ফুট লম্বা পরী। তাদের সামনে পড়ে রয়েছে বহু উপহারের বাক্স।

বৃহস্পতিবার এই চমকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে। দর্শকদের কথা মাথায় রেখে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত রাখা হবে এই ক্রিসমাস ট্রি।

বড়দিন টু বর্ষবরণ: মহানগরী দাপিয়ে বেড়াবে ডাবল ডেকার

News Desk: বড়দিনে‌ তিলোত্তমার রাস্তায় দেখা যাবে লন্ডনের রাস্তার এক টুকরো চিত্র। বড়দিনের মজা দ্বিগুণ করতে মহানগরী রাস্তায় নামল দোতলা বাস। বড়দিন থেকে বর্ষবরণ, শহরের রাস্তায় ছুটে বেড়াবে নীল-সাদা রং এর ডাবল ডেকার। কলকাতায় দোতলা বাস ফিরেছে ঠিকই কিন্তু তা সবার জন্য নয়, পর্যটন প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে পর্যটকদের এই শহরে দাপিয়ে বেড়াবে এই বাস।

 

উৎসবের মরসুমে নিত্য যাত্রী পরিবহনের চেয়ে পর্যটন শিল্প প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার। এর জন্যই রাজ্য পর্যটন দফতরের তরফ থেকে পর্যটকদের জন্য দোতলা বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটাতে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা খরচ করে বাস তৈরির বিশেষজ্ঞ সংস্থা জামশেদপুরের ‘বিবিকো’ কে দিয়ে ভারত স্টেজ-৪ গোত্রের ৪৫ আসনের দুটি ডাবল ডেকার বাস তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগম। যেহেতু এই বাস তৈরিতে স্টেজ বদল করা হয়েছে তাই এতে নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে। এখন দুটি বাস পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগমের ঝুলিতে থাকলো ধীরে ধীরে মোট ১০ টি বাস নেবে রাজ্য সরকার।

 

লন্ডনের সিটি ট্যুরের ধাঁচে কলকাতায় পর্যটনের ক্ষেত্রে এই বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পরিবহন নিগমের আধিকারিকরা। সাক্ষীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বাসের ভিতরে থাকছে বেশ চওড়া সিঁড়ি। বাস দুটি আপাতত হুডখোলা বা ছাদবিহীন। তবে অস্থায়ী ছাউনির ব্যবস্থা করা যায় কিনা এই নিয়ে নির্মাণ সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং‌ সংস্থা জানিয়েছে এ ক্ষেত্রে বিশেষ এক ধরনের শিট ব্যবহার করা যাবে। তবে বড়দিন থেকে বর্ষবরণ পর্যন্ত খোলা বাসই কলকাতার রাস্তায় ছুটবে।

Weather Update: বাধা পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, শহরে ফের চড়ছে পারদ

Kolkata Winter

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়া ঢোকায় বাধা। তার জেরে ফের ঊর্ধ্বমুখী পারদ। আপাতত শীতের লম্বা ইনিংস থমকে সেই কারণেই। হাওয়া অফিসের পূর্বভাস মতো গত ২ দিনে শীত খানিক কমেছে। উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমতেই আবহাওয়ার এই পরিবর্তন। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও গত ২ দিনের থেকে বেড়ে সাড়ে ১৩ ডিগ্রি পার করেছে। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বেড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আবহবিদেরা।

উত্তর-পশ্চিম ভারতের পশ্চিমী ঝঞ্ঝা শৈত্যপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছে। যার জেরে গত কয়েকদিনে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতে তাপমাত্রা বেড়েছে। তার কিছুটা প্রভাব পড়ছে আমাদের রাজ্যেও। কিন্তু উত্তুরে হাওয়া যখন ফের বাধাহীনভাবে বইতে শুরু করবে, তখন ফের ঠান্ডা বাড়বে।

আজ কলকাতার (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে বড়দিন থেকে শীতের আমেজ অনেকটাই কমবে। ঝঞ্ঝা বিদায় নিলে বাধাহীনভাবে বইবে উত্তুরে হাওয়া। তার হাত ধরে ফের জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা।

আদুরে রোদের বড়দিন, গির্জা-কথা জেনে নিন

News Desk: বড়দিনের আমেজ গায়ে মেখে নিয়েছে কলকাতা। ক্রিসমাস ট্রি আর আলোর মালায় সেজেছে পার্ক স্ট্রিটও। বড়দিন মানেই দেদার মজা, দিনভর বেড়ানো আর কেটে খাওয়া। 

 

কলকাতায় এই বড়দিনের উৎসব ঠিক কবে থেকে শুরু হয়েছিল, তা অনুমান করা না গেলেও খ্রিস্ট ধর্মালম্বীরা এদেশে আসার পর থেকে উপাসনার জন্য চার্চ বা গির্জা নির্মাণ করেন। আর ধীরে ধীরে বঙ্গ সংস্কৃতিতে ঢুকে পড়ে চার্চ ভ্রমণের রীতি। আবারও বড়দিন আসছে, তাহলে দেখে নেওয়া যাক শহর কলকাতার বিখ্যাত চার্চগুলির ইতিহাস আর ঠিকানা। 

 

সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চ : কলকাতার ক্যাথিড্রাল রোগে অবস্থিত  সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল তৈরির কাজ শুরু হয় ১৮১৯ সালে, তৎকালীন বাংলার গভর্নর জেনারেল মারকুইসের নির্দেশে। পরে আর্থিক সংকটে থমকে যায় কাজ। পরবর্তীতে আবার ১৮৩২ সালে এই চার্চের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৭একর জমির ওপর ইন্দো-গথিক রিভাইভাল শৈলিতে তৈরি হয় চার্চ। যদিও আধুনিক রীতির আইরন ফ্রেম ওয়ার্কের কাজও লক্ষ্য করা যায় চার্চের নকশাতে। ৮ অক্টোবর ১৮৪৭ সালে এই চার্চের দরজা খুলে দেওয়া হয় ইংরেজদের জন্য। সেইসময় রানি ভিক্টোরিয়া এই চার্চের জন্য ১০টি রুপোর প্লেট উপহার স্বরূপ পাঠিয়েছিলেন। 

 

সেন্ট জনস চার্চ: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, শহর কলকাতায় রাজত্ব কায়েম করার শুরুর দিকে জনসাধারণের জন্য প্রথম যে ‘পাবলিক বিল্ডিং’ তৈরি করেছিল, সেটাই আজকের সেন্ট জনস চার্চ। একসময়ে ইংরেজদের বারুদের কারখানাই আজকের ডালহৌসির ব্যস্ত অফিসপাড়ার মধ্যে ইতিহাসের নানা আকর বুকে নিয়ে সবুজ মরুদ্যানের মত দাঁড়িয়ে। এই চার্চের জমি দান করেন রাজা নবকৃষ্ণ দেব। চার্চের বাগানে শায়িত রয়েছেন কলকাতার তথাকথিত প্রতিষ্ঠাতা জোব চার্নক। রয়েছে বাংলা তথা তৎকালীন বম্বের গভর্নর লর্ড ব্রেবোর্ন-এর সমাধি। লেডি ক্যানিং-এর সুসজ্জিত স্মৃতিসৌধ আছে চার্চের উত্তরের বারান্দায়। তারই মাঝখানে বাগানের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে ডোরিক থামের বারান্দা, স্টেনড গ্লাসের জানলা আর পিরামিডের মত বেলটাওয়ার নিয়ে হলুদ রঙের সেন্ট জনস চার্চ। একসময় এই চার্চকে স্থানীয়রা বলছেন ‘পাথুরে গির্জা’। আজও চার্চের প্রতি কোণায় সেই ব্রিটিশ কলকাতার ইতিহাস যেন বড়ই জীবন্ত। 

 

খ্রিস্ট দ্য কিং চার্চ : শহর কলকাতার বুকে আরও এক অনবদ্য চার্চ এটি। বহুদিন ধরে কলকাতার চরাই উতরাই দেখে এই চার্চটি। বড়দিন উপলক্ষ্যে এখানেও ভক্তরা প্রার্থনা করতে উপস্থিত হন। সইয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউর এই চার্চ খোলা থাকে ভোর ৬ টা ১৫ মিনিট থেকে সন্ধে ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।  

 

আর্মেনিয়ান চার্চ: এই চার্চটি প্রতিষ্টিত হয়েছিল ১৭২৫ সালে। এটি কলকাতার সব থেকে পুরনো চার্চ। এই চার্চে পুরনো দিনের অনেক পেইন্টিং সংরক্ষণ করা রয়েছে। আর্মেনিয়ান স্ট্রিটের এই চার্চটিও সেজে ওঠে বড়দিন উপলক্ষ্যে। 

 

সেন্ট থমাস চার্চ : পার্কস্ট্রিটের এই চার্চটি রোমান ক্যাথসিক চার্চ। কলোনিয়াল আকৃতির এই গির্জা কলকাতার অন্যতম গির্জার মধ্যে এটি একটি। এখানেই শায়িত ছিলেন মাদার টেরেজা। এই চার্চটিও বড়দিনে সেজে ওঠে অনবদ্য লুকে। 

 

সেন্ট অ্যান্ড্রেউ চার্চ:  ব্রাবন রোডে অবস্থিত কলকাতার এটি একটি জনপ্রিয় চার্চ। ১৮১৮ সালে তৈরি করা হয় চার্চটি। 

 

বড়দিনের সকালে একবার সেই সময়ের কলকাতার ইতিহাসকে চাক্ষুষ করতে এই চার্চগুলিতে ঘুরে আসতেই পারেন আপনি।

বড়দিনের ভিড় সামলাতে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ছে তিনটি মেট্রো স্টেশন

Three metro stations are wrapped in safety blankets to cope with the Christmas crowd

News Desk: মাঝে একদিন। এরপরই বড়দিনের আনন্দে মেতে উঠবে শহরবাসী।‌ রাস্তায় রাস্তায় দেখা যাবে জমায়েত। আর এই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে কয়েকটি মেট্রো স্টেশন চত্বরে। জানা গিয়েছে, পার্ক স্ট্রিট এলাকা সংলগ্ন তিনটি মেট্রো স্টেশন এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট এবং ময়দান স্টেশন চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মহিলা এবং শিশুদের নিরাপত্তা দিতে থাকছে আরপিএফের বিশেষ বাহিনী। এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান চত্বরে মোতায়েন করা হবে আরপিএফের মহিলা বাহিনী। সকাল ১১ টা থেকে রাতের শেষ মেট্রো পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন তাঁরা। এছাড়াও, কেবল পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে চার সদস্যের একটি সশস্ত্র দল মোতায়েন করা হচ্ছে বলে খবর। একই নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যাবে বর্ষবরণেও।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বড়দিন এবং বর্ষবরণ উপলক্ষে মেট্রো সংখ্যা বাড়িয়েছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, উৎসবের দিনে বাস পরিষেবা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।‌

হাওয়া মোরগ কুঁকড়ে নেই, শীত কমছে বড়দিনে

kolkata winter

News Desk: হাড় কাঁপা শীত একেবারে উধাও এই বছরে। ডিসেম্বরের প্রায় শেষ, নতুন‌ বছর আসতে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন, তবুও কনকনে শীতের আমেজ পাচ্ছেনা রাজ্যবাসী। এমনকি শীত প্রায় উধাও। বরং রাতের দিকে দুই বঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ছে। আজ কলকাতা-সহ সংলগ্ন জায়গার তাপমাত্রা প্রায় বুধবারের মতই থাকছে।

কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস,যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্ৰি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকছে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্ৰি কম। মোটের ওপর আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের কোন সম্ভাবনা নেই।

অন্যদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের দেওয়া আপডেট অনুযায়ী, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তরে হাওয়া প্রবেশে বাধা প্রাপ্ত হচ্ছে এবং ভারত মহাসাগরের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে আগামি ১-২ দিনে তাপমাত্রা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সুতরাং বড়দিনে শীতের আমেজ অনুভব করতে পারবেনা রাজ্যবাসী। বড়দিনের পর কলকাতা-সহ তৎসংলগ্ন জায়গায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উপরে উঠতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

Omicron: দিল্লিতে বড়দিনের বিধিনিষেধ, জমাটি ভিড়ে দিল দরিয়া কলকাতা

Omicron: Christmas restrictions in Delhi, Darya Kolkata crowded the deposit

News Desk: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। দিল্লিতে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার পর্যন্ত রাজধানীতে মোট ৫৭ জনের শরীরে এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ওমিক্রন ঠেকাতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল দিল্লির বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদ। ফলে বড়দিনের উৎসবে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ হচ্ছে।

দিল্লি বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদ নির্দেশিকার মাধ্যমে বড়দিন এবং নতুন বছরের উদযাপনে অধিক জমায়েতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানও। নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরই প্রশাসনের আধিকারিক এবং দিল্লি পুলিশকে এই নির্দেশিকা পালন করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। দিল্লির সাধারণ মানুষেরা যাতে করোনা বিধি মেনে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমণ রুখতে আগামীদিনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিব এবং বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।

দিল্লিতে বিধিনিষেধ হলেও কলকাতা কিন্তু দিল দরিয়া। আসছে বড়দিন। রাজপথে ভিড় বাড়বে। জমাটি ভিড়ে মত্ত হচ্ছে কলকাতা।

X Mass: আসছে স্যান্টা, ওর সঙ্গেই বড়দিনে ঘুরুন

X Mass: Santa is coming, hang out with him at Christmas

News Desk: বড়দিন এলেই উৎসবের আমেজে মেতে ওঠে সকলে। ওই দিনটি কীভাবে কাটানো হবে তা আগে থেকেই প্ল্যান করা হয়। এই বছর ২৫ ডিসেম্বর পড়েছে শনিবার। সেক্ষেত্রে পরের দিন আবার রবিবার। ফলে উৎসবের আমেজ কাটিয়ে উঠতে হাতে থাকবে আরও একটি ছুটির দিন। তাই কোনোদিকে না তাকিয়ে কাছেপিঠেই কোথাও একটি ‘শর্ট ট্রিপ’ প্ল্যান করা যেতেই পারে।

কোথায় যাওয়া যায়, একদিনের জন্য খরচ কত পড়বে, সেখানকার পরিবেশ কেমন সেই সংক্রান্ত কিছু তথ্য দেখে নিন। 

ইটাচুনা রাজবাড়ি- একটু শান্তিতে মনোরম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে ঘুরে আসুন ইটাচুনা রাজবাড়ি। হুগলীর খন্যানে রয়েছে এই রাজবাড়ি ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এখানে ৮,০০০ পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

সুন্দরবন গেটওয়ে রিসর্ট- একদিনের ট্রিপ উপভোগ করতে অন্যতম সেরা ঠিকানা সুন্দরবনের এই রিসর্ট। একই ছাদের তলায় মিলবে সুন্দর ও নিরিবিলি পরিবেশ এবং স্বুস্বাদু খাবার। এখানে আসতে হলে অবশ্যই করাতে হবে অনলাইন বুকিং। এই রিসর্টে একদিনের জন্য ৭,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়তে পারে।

ইকোপার্ক রিসর্ট- বড়দিনে কলকাতার বাইরে যেতে না চাইলে শহরের মধ্যেই রয়েছে বহু পরিচিত ঠিকানা ইকোপার্ক। ঘোরার সাথে সাথেই ব্যবস্থা রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবারেরও। অর্থাৎ সারাদিন মনোরম পরিবেশ উপভোগের পাশাপাশি হয়ে যাবে ভুরিভোজ। তবে রাত্রে থাকতে হলে অবশ্যই আগে থেকে কথা বলে বুকিং করে নিতে হবে। ইকোপার্ক রিসর্টে আসতে হলে খরচ পড়বে প্রায় ৬,৫০০ টাকা।

Kolkata Weather Update: বড়দিনের আগেই কমল শীতের দাপট

winter

নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন জাঁকিয়ে শীতের পর বুধবার ফের ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ। প্রায় ২ ডিগ্রি বেড়ে এদিন কলকাতার তাপমাত্রা হল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। ফলে বড়দিনের সময় স্বাভাবিকের থেকে বেশি হতে পারে তাপমাত্রা।

গত কয়েকদিন ধরে উত্তর ভারতে প্রবল শৈত্যপ্রবাহের কারণে কলকাতা ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে শীতের দাপট দেখা যাচ্ছে। উত্তর ভারত থেকে কনকনে ঠান্ডা বাতাস বাংলায় ঢোকার জেরে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যায়। দিল্লির মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে উত্তর-পশ্চিম ভারতের শৈত্যপ্রবাহের রেশ কিছুটা কমবে। ফলে উত্তর ও পূর্ব ভারতে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। তাই জাঁকিয়ে শীত কিছুটা ধাক্কা খাবে।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকালের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তামপাত্রা থাকবে ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৪ ডিগ্রি কম। সকালে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হবে।

পাশাপাশি পশ্চিমের জেলাগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমানের তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। তবে ২ দিনের মধ্যেই এসব জেলায় পারদ চড়বে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে রাজ্যে প্রবেশ করা উত্তুরে হাওয়া আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাধা পাবে। ফলে কলকাতা তথা রাজ্যের সমস্ত জেলার তাপমাত্রা বাড়বে। তাই বড়দিনের আগে রাজ্যে শীত কিছুটা কমবে।

বড়দিনে পড়ুয়াদের স্মার্টফোন দেবে সরকার

smartphones-to-students-at-

News Desk: আগামী বছরেই রয়েছে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। ভোট ব্যাঙ্ক ভর্তি করতে রাজ্যের যুবভোটারদের মন জয়ের উদ্যোগ আগেই নিয়েছিল যোগী সরকার। এবার আরও চমক। শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট দেবে যোগী সরকার। প্রায় এক কোটি ছাত্রছাত্রীকে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন যোগী। সেই কাজই শুরু হতে চলছে অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকী দিন থেকে।

আগামী ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন। আর ওই দিনেই রয়েছে বিজেপি নেতা তথা দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকী। সেই দিনেই যোগী আদিত্যনাথের সরকার বি টেক, বিএ, বি এসসি, এমএ, আইটিআই, এমবিবিএস, এমডি, এম টেক, পিএইচডি অর্থাত্ স্নাতক এবং তার উপরে স্তরে পাঠরত শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট দেওয়া শুরু করতে চলেছে৷ লখনউয়ের একনা স্টেডিয়াম থেকে শিক্ষার্থীদের প্রায় এক লক্ষ স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট বিতরণ করা হবে। উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে, এই পদক্ষেপটি তরুণদের কাছে দলের প্রচার বাড়ানোর জন্যই করা হচ্ছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

যোগী আদিত্যনাথের সরকার এক কোটি যুবকদের বিনামূল্যে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট সরবরাহ করবে যাতে তারা ‘প্রযুক্তিতে আরও প্রখর’ হয়ে উঠতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের অধীনে প্রথম পর্যায়ে ৬০ হাজার স্মার্টফোন এবং ৪০ হাজার ট্যাবলেট বিতরণ করবেন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণীকে বিনামূল্যে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, যোগী সরকার জিইএম পোর্টালে লাভা, স্যামসাং এবং এসারের মতো কোম্পানিগুলিকে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট সরবরাহের জন্য সবচেয়ে বড় অর্ডার দিয়েছে।