Online Class: খোলা ল্যাপটপের সামনে বসানো ‘প্রক্সি’, পাশে অঘোরে ঘুমাচ্ছে ছাত্রী

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের দাপটে দুনিয়াজুড়ে লকডাউন। সাধারণ মানুষ ঘরবন্দি শিক্ষাঙ্গনে ঝাঁপ পড়েছে অনেক আগেই। ফলে বাড়ি থেকেই চলছে পঠনপাঠন। মোবাইল কিংবা ল্যাপটপেই উঠে আসছে গোটা ক্লাস। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্কুল শিক্ষায় ই-স্কুলের কার্যকারিতা নিয়ে খুব বেশি স্বপ্ন না দেখাই মঙ্গল। সে কথাই বুঝিয়ে দিল ছোট্ট একটি ছবি।

আরও পড়ুন অনলাইন নয়, অন সাইকেলে ক্লাস তিলাবনীর কমলাকান্ত স্যারের

সামনে খোলা ল্যাপটপে ক্লাস চলছে, কিন্তু ল্যাপটপের সামনে নেই পড়ুয়া। পাশেই খাটে শুয়ে আছে সে, শিক্ষকের হাত থেকে বাঁচতে ল্যাপটপের সামনে রেখে দিয়েছে প্রক্সি। প্রক্সি হিসেবে রাখা একটি পুতুলের মাথা। পুতুলের মুখে মাস্ক, চোখে সানগ্লাস। অনেকেই বলছেন, এভাবে শিক্ষককে বোকা বানানো সম্ভব? শিক্ষকই বা কেমন যে তিনি বুঝলেনই না ছাত্রী ল্যাপটপের সামনে নেই? অন্যদিকে অনেকে আবার বলছেন ল্যাপটপের ছোটো স্ক্রিনে বোঝা সম্ভব নয় যে কে ঠিক কী করছে।

INTERESTING ZOOM CLASS | ZIP103FM

যদিও সমস্যাটা অন্য জায়গায়। প্রথমত, ভারতের মতো বহু দেশেই অসংখ্য নিম্নবিত্ত পড়ুয়ার বিদ্যালয়মুখী হওয়ার একটা মূল কারণ দুপুরের খাবার বা ‘মিড ডে মিল’। ঠিক এই পরিস্থিতিতে দেশজোড়া অনলাইন ক্লাসের গল্প আদতে পরিহাস। দ্বিতীয়ত, যারা এই সুবিধা পাচ্ছেও, তারা তা কাজে লাগাতে পারছে না। মনোবিদরা বলছেন, হঠাৎ করেই গোটা ক্লাসরুম ভার্চুয়ালি ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে উঠে আসায় সমস্যায় পড়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা।

আরও পড়ুন অনলাইন ক্লাস করছে আপনার সন্তান, এই বিষয়গুলো নজরে রাখা জরুরি

এক তো কোভিড পরিস্থিতিতে ঘরবন্দী হয়ে ক্লাস করা তাদের মনের ওপর প্রভাব ফেলছে। এছাড়াও শিক্ষাদানে অনলাইনে শিক্ষাদান, ভিডিও লেকচার, টিভি বা রেডিওতে সম্প্রচার ইত্যাদির ব্যবহার এই সময় অত্যন্ত কম। এমনকি উচ্চশিক্ষার একেবারে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রেও উন্নত দেশগুলিতে এই ব্যবস্থা সেভাবে লাগু হয়নি। ফলে করোনা সংক্রমণের ফলে অনলাইনে শিক্ষাদান একমাত্র রাস্তা হলেও তার কার্যকারিতা নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠে গেল।

করোনায় বন্ধ প্রেক্ষাগৃহ: অতিমারীর সঙ্গে লড়াইয়ে হেরে গেল বাংলা চলচ্চিত্র

Cinema Hall

বায়োস্কোপ ডেস্ক: করোনা (Corona) সংক্রমন এবং লকডাউন। বাজার, অর্থনীতি, শিল্প শব্দগুলির সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করেছে। ভারতে বিনোদন মাধ্যম অতিমারীতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম। থিয়েটার (Cinema Hall) বন্ধ থাকার ফলে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এই ইন্ডাস্ট্রির। একই সঙ্গে অনেকের রোজগারের উপায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। শুধু বলিউড নয়, একইভাবে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে আঞ্চলিক ভাষার সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিগুলিও।

প্রবল ক্ষতির মুখে পড়েছে টলিউডও। জনপ্রিয় প্রযোজক ও পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ” পরিচালকদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা হলো চিন্তার প্রক্রিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা। স্বাভাবিক সময়ে, একটা ছন্দ থাকে। আপনি একটি চলচ্চিত্র করছেন, সেটা হলে মুক্তি পাচ্ছে, তারপরে আপনি পরবর্তী চলচ্চিত্রর ভাবনায় ঢুকছেন। কিন্তু এই সময়ে, একবার একটা চলচ্চিত্র আটকে গেলে, পুরো চিন্তার প্রক্রিয়াটা স্তব্ধ হয়ে যায়।” শুধু শিল্পীদের শৈল্পিক চিন্তাই নয়, এর ফলে আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে ভয়াবহ। ‘মহানন্দা’-এর পরিচালক অরিন্দম শীল বলেছেন, “গত দেড় বছর ধরে জিনিসগুলো আটকে পড়েছে। শুধু ক্ষতির পরিমাণই হয়েছে হাজার কোটি টাকা। শুধু অভিনেতারাই নন। প্রযুক্তিবিদ, বিক্রেতা, সরঞ্জাম সরবরাহকারী সবাই এর ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”।

তাঁর কথায় যদি একটি সিনেমার গড় খরচ হয় দু’কোটি টাকা, তাহলে ক্ষতি হয় একশো কোটি টাকা। রাজ্যের ৭৫০ টি সিনেমা হলের মধ্যে মাত্র ২৫০ টি কার্যত ব্যবহারের অবস্থায় রয়েছে। করোনা পরবর্তী সময়ে ১০০টি হল খোলা থাকলেও তা রীতিমতো আশীর্বাদ। কিন্তু ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র গড় খরচটাই তুলতে পারে না। এটাও মেনে নিতে হবে যে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বাংলা বিষয়বস্তুর তেমন চাহিদা নেই। পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে “হইচই” নামের জনপ্রিয় প্লাটফর্ম থাকলেও সেটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ। টলিউডের শিল্পী ফোরামের কার্যনির্বাহী সচিব শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “যারা দৈনিক ভিত্তিতে বা মাসিক ভিত্তিতে কাজ করেছেন তারাই সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন হলগুলিতে ৫০ শতাংশ থাকার ব্যবস্থা থাকলেও তারমধ্যেও অর্ধেক দর্শক নেই”।

জনপ্রিয় ‘প্রিয়া’ সিনেমা হলের মালিক অরিজিৎ দত্তের কথায়, “কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কোনো হল খুলছে না, তবুও কর্মীদের বেতন দিতে হয়। পিভিআর লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গৌতম দত্তও জানান যে দেশে লকডাউনের কারণে সিনেমা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ব্যবসা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। আট মাসে (মার্চ থেকে নভেম্বর, ২০২০) চলচ্চিত্র নামক শিল্প এখন দেউলিয়া হওয়ার মুখোমুখি। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মেকআপ শিল্পী সোমনাথ কুন্ডু একটি সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, “আগে আমি বছরে চার থেকে পাঁচটা ছবিতে কাজ করতাম। গত বছর আমি মাত্র দুটো ছবি করেছি। এ বছরও একই পরিস্থিতি। গত বছর আমার প্রায় পাঁচ থেকে ছ’লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।” যদিও হাল না ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে টলিউড।

কোভিডে মৃতদের চিতাভস্ম দিয়ে পার্ক তৈরি হচ্ছে ভোপালে

নিউজ ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই লাশের স্তূপ জমা হয়েছিল ভোপাল-সহ মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায়। শুধু মধ্যপ্রদেশই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গাতেও করোনায় মৃতদের অন্ত্যেষ্টি করতে রীতিমতো ঝক্কি পোহাতে হয়েছে পরিবার-পরিজনদের। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়, যে কবরস্থানে জায়গা সঙ্কুলান হচ্ছিল না। শ্মশানে দিন–রাত চুল্লি জ্বালিয়েও দাহ শেষ করা যায়নি। ১৯৮৪ সালে ঘটে যাওয়া ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার সঙ্গে যেই পরিস্থিতির ভয়ঙ্কর মিল রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দারা। অনেকেই জানিয়েছিলেন ভোপাল গ্যাস ট্রাজেডির পর এই প্রথম এভাবে সারি সারি মৃতদেহের শেষকৃত্য হচ্ছে।

আরও পড়ুন Center Alert: কোভিডের জাল ভ্যাকসিন সম্পর্কে রাজ্যকে সতর্ক করল নয়াদিল্লি

ভোপালের ভাদভাদা বিশ্রাম ঘাটে মার্চ থেকে জুন, এই তিন মাসে ৬ হাজার দেহ পোড়ানো হয়েছে। সেই সময় ভোপালের ভাদভদা শ্মশানের এক কর্মী জানিয়েছিলেন, প্রত্যেক দিন ১০০-১৫০ কুইন্টাল কাঠ কেটেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেন না তাঁরা। কাঠ কেটে হাতে ফোস্কা পড়ে গিয়েছে তাদের। ‘শারীরিক এবং মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। এত দেহ আসছে যে খাওয়ার সময় পর্যন্ত পাচ্ছেন না।’’ একইসঙ্গে অভিযোগ উঠেছিল, মধ্যপ্রদেশ সরকারের তরফে সেখানকার করোনা আক্রান্ত ও তাতে মৃত্যুর পরিসংখ্যান গোপন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন ভ্যাকসিন কাজ করবে না করোনার নতুন স্ট্রেনে, ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য


আরও পড়ুন আছে করোনা ভয়, তা থাক, সৈকত শহর দিঘার ডাকে স্পেশাল ট্রেনের বুকিং শুরু

অন্যদিকে অন্ত্যেষ্টির পর কোভিড বিধির কারণে অনেক পরিবারই চিতাভস্ম নিয়ে নিয়ে জলে ভাসাতে পারেনি। ভাদভাদা শ্মশানেই জমে রয়েছে প্রায় ২১ ট্রাক চিতাভস্ম। এই চিতাভস্মকেই এবার কাজে লাগাতে চায় মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন। সেই চিতাভস্মের সঙ্গে মাটি, গোবর, কাঠের গুঁড়ো, বালি মিশিয়ে কোভিডে মৃতদের স্মৃতিতে এবার তৈরি হবে পার্ক। মৃতের পরিবার চাইলে প্রিয়জনের স্মৃতিতে চারা রোপণ করতে পারবেন সেই পার্কে।

Center Alert: কোভিডের জাল ভ্যাকসিন সম্পর্কে রাজ্যকে সতর্ক করল নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক: ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮ কোটিরও বেশি মানুষকে কোভিড ভ্যাকসিনের (vaccine) প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউের উদ্বেগের মধ্যে সরকার টিকাকরণের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। একদিকে যেখানে দেশে মানুষকে দ্রুত করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে আন্তর্জাতিক বাজারে নকল ভ্যাকসিন সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় একটি নকল কোভিডশিল্ড ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে৷ যার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO) উদ্বেগ প্রকাশ করে সমস্ত দেশকে সতর্ক করেছে।

রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ভুয়ো ডোজ নিয়ে রাজ্যগুলিকে একটি চিঠি লিখেছে৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, টিকা দেওয়ার আগে তাদের অবশ্যই স্যাম্পল পরীক্ষা করতে হবে। মন্ত্রক আসল এবং নকল ভ্যাকসিন সনাক্ত করার জন্য মানদণ্ডের একটি তালিকা শেয়ার করেছে৷ এই তালিকা অনুসারে, কোভিশিল্ডের ভ্যাকসিনগুলি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মানদণ্ডে ভ্যাকসিনের লেবেল কী, তার রঙ, ব্র্যান্ডের নাম সম্পর্কে তথ্য, সনাক্তকরণের জন্য তিনটি ভ্যাকসিনে শেয়ার করা হয়েছে।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হাতে এসেছে৷ তাতে বলা হয়েছে, ভারতের প্রাথমিক কোভিড -১৯ (covid19) ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি এই দাবি করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দেশজুড়ে ধরা পড়েছে। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্যেই অসুস্থ মানসিকতার লোকদের কারণে অনেক জীবন বিপদে পড়ছে৷ যারা এই দুর্যোগেও সুযোগ নিচ্ছে৷ ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮.৪৬ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

ভ্যাকসিন কাজ করবে না করোনার নতুন স্ট্রেনে, ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে করোনার ‘সুপার ভ্যারিয়্যান্ট’ কোভিড-২২! ২০২২ সালে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এক বিশেষজ্ঞ। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা ও বিশ্বের অনেক দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন শনাক্ত করা গিয়েছে। এটি আরও বেশি সংক্রমণযোগ্য এবং ভ্যাকসিন থেকে পাওয়া সুরক্ষাও এড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনাভাইরাসের আরো নতুন স্ট্রেন ভবিষ্যতে আসতে পারে, সেই বিষয়ে আগেই সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তার উপর করোনার নতুন এই স্ট্রেনের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য বেড়েছে।

আরও পড়ুন করোনায় বিশ্বে শিশুমৃত্যুর এক তৃতীয়াংশ ভারতেরঃ বিশ্ব ব্যাংক

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজেসের (এনআইসিডি) বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বছরের মে মাসে দেশে প্রথম সি.১.২ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মেলে। এই ধরনের কোনো স্ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোকে আগে থেকে নতুন ভ্যাকসিন তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। যা এই ভ্যারিয়্যান্টটিকে সমূলে উচ্ছেদ করবে। নয়তো এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট বিপদের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এই ভ্যারিয়েন্টের অন্যান্য স্ট্রেনের থেকে আরও বেশি মিউটেশন হয়েছে।

আরও পড়ুন ভারতে ছাড়পত্র পেল ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাক্সিন জাইকোভ-ডি

এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, “এটি আরও সংক্রমণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। যেহেতু স্পাইক প্রোটিনে অনেকগুলি মিউটেশন রয়েছে, তাই এটি ভ্যাকসিনের ফলে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে রক্ষা পেতে পারে।” প্রসঙ্গত, দেশে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কমলেও বেড়েছে সক্রিয় কেসের সংখ্যা। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫০ জনের। আর করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ৩৬ হাজার ২৭৫ জন। তবে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। তা নিয়ে নতুন করে চিন্তিত স্বাস্থ্যমহল।

কোন পথে করোনা মুক্তি? উত্তর দিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান

Addressing a virtual community, Dr Tedros

নিউজ ডেস্ক, জেনেভা: মারণ ভাইরাস করোনার হাত থেকে মুক্তি মিলবে কবে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস জানিয়েছেন, বিশ্ববাসীর হাতেই রয়েছে করোনা-মুক্তির চাবিকাঠি। বিশ্বের সমস্ত দেশের নাগরিকরা যখন চাইবেন, তখনই শেষ হবে করোনার এই করাল কাল।

করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে মারণ ভাইরাস। এখনও একাধিক দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। করোনায় মৃত্যু মিছিল দেখছে একের পর এক দেশ। মারণ এই সংক্রমণ থেকে মুক্তি মিলবে কবে?বিশ্বজুড়ে এই একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে।

গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনার ডেল্টা স্ট্রেন। ভাইরাসের এই ধরনই এখন মাথাব্যথা বিশ্ববাসীর কাছে। অত্যন্ত সংক্রামক এই ডেল্টা স্ট্রেন। দ্রুত একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ঢুকে পড়তে পারে এই স্ট্রেন। এমনকী মানবদেহে তৈরি টিকার প্রাচীরও সহজেই ভেঙে ফেলতে সক্ষম করোনার এই নয়া ধরন।

বিশ্বের কমপক্ষে ১৩২ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার ডেল্টা স্ট্রেন। একের পর এক দেশ সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন, করোনার টিকার সম্পূর্ণ ডোজ নেওয়া থাকলে মাস্ক পরার দরকার নেই। কিন্তু করোনার ডেল্টা স্ট্রেনের আতঙ্কে তিনিও অবস্থান বদলেছেন। দেশবাসীকে আবারও মাস্ক পরতে জোর দিতে বলছেন মার্কিন প্রশাসন।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের মতে, সংক্রমণ রুখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই একমাত্র কর্তব্য। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে। এছাড়াও দ্রুতগতিতে টিকাকরণ, সংক্রমিতকে চিহ্নিত করে দ্রুত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককে চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এই বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

করোনা সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি ঘুম কেড়েছে কেরলের

Kerala Rise in Covid Cases

নিউজ ডেস্ক, তিরুঅনন্তপুরম: সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি কেরলে। দক্ষিণের এই রাজ্যে আবারও দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ২১ হাজারের কাছাকাছি। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৭৭২ জন। পিনারাই বিজয়নের রাজ্যে একদিনে করোনার বলি ১১৬। সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিশেহারা দশা কেরল সরকারের। সংক্রমণে লাগাম টানতে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে কেরল সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

দেশে করোনার প্রথম ঢেউ দারুণভাবে সামাল দিয়েছিল কেরল। গোটা দেশে কেরল একটি মডেল হয়ে উঠেছিল। সংক্রমণ মোকাবিলায় একের পর এক পদক্ষেপ কেরলকে বিশ্বের দরবারেও প্রশংসা এনে দিয়েছিল। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দক্ষিণের এই রাজ্যে। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে কেরলজুড়ে করোনায় সংক্রমিত হচ্ছেন। গত চারদিন কেরলের দৈনিক সংক্রমণ কুড়ি হাজারের উপরে রইল। বর্তমানে কেরলে সংক্রমণের হার ১৩.৬১ শতাংশ।

কেরালের মালাপ্পুরামে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৬৭০। একইভাবে সংক্রমণ বাড়ছে কোঝিকোড, এরনাকুলাম,আলাপুঝা-সহ একাধিক জেলায়।

এদিকে গোটা দেশেও করোনা উদ্বেগ জারি। ফের দৈনিক সংক্রমণ পেরিয়েছে ৪০ হাজারের গণ্ডি।একটানা চার দিন দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের ওপর। অস্বস্তি বাড়িয়ে বাড়ছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের , দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ৪১ হাজার ৬৪৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।একদিনে দেশে করোনার বলি ৫৯৩ । সব মিলিয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন কোটি ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৯৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৮১০ জনের।

করোনা: আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের বেশি

Coronavirus: Is the pandemic slowing down in India

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: একটানা চার দিন দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের ওপর। অস্বস্তি বাড়িয়ে বাড়ছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা। দেশের করোনা পরিস্থিতি কিছুতেই স্বস্তি দিচ্ছে না। এই আবহে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের তৃতীয় ধাক্কা।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের , দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ৪১ হাজার ৬৪৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।একদিনে দেশে করোনার বলি ৫৯৩ । সব মিলিয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন কোটি ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৯৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৮১০ জনের।

এই আবহে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের তৃতীয় ধাক্কা। বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মাঝে কোনও সময়ে দেশে নেমে আসতে পারে করোনার তৃতীয় ধাক্কা। তবে অন্য একটি অংশের মতে, আগস্ট মাসে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। দ্রুত গতিতে টিকাকরণের সওয়াল করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন্দ্রীয় সরকারও দেশজুড়ে টিকাকরণ কর্মসূচিতে গতি বাড়াতে তৎপরতা নিচ্ছে।

যদিও এখনো টিকা নিয়ে একাধিক রাজ্যের বিস্তর অভিযোগ। বিপুল চাহিদার নিরিখে অত্যন্ত কম পরিমাণ টিকার ডোজ পাঠাচ্ছে কেন্দ্র, এমনই অভিযোগে সরব বাংলা সহ একাধিক রাজ্য।

কেন্দ্র চায় অতিমারিকালে স্কুল চালু নিয়ে সিদ্ধান্ত নিক রাজ্যগুলি

Schools reopen after lockdown

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: করোনাকালে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাসের পর মাস স্কুল বন্ধের জেরে শিকেয় পঠন-পাঠন। অনলাইনে পড়াশোনায় দুর্বিপাকে পড়ুয়াদের একটি বড় অংশ। এই পরিস্থিতিতে ফের কবে খুলবে স্কুল? এ ব্যাপারে রাজ্যগুলির কোর্টেই বল ঠেলেছে কেন্দ্র।

করোনার সেকেন্ড ওয়েভ আছড়ে পড়তেই ফের তালা ঝুলে যায় স্কুল, কলেজগুলিতে। শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। মাসের পর মাস স্কুল বন্ধের বিপাকে শৈশব। স্কুলে না যেতে পেরে কচিকাচাদের মন খারাপ।

দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় একটা বড় অংশের পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে দারুন সংকট নেমে এসেছে। সেই কারণেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত ,স্কুল গুলি খুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে স্কুল খোলা নিয়ে তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চায় না কেন্দ্রীয় সরকার। শিশুদের টিকাকরণ সম্পূর্ণ না হলে স্কুল খোলা রীতিমতো ঝুঁকির হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগস্ট মাস থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে শিশুদের টিকাকরণ। তারও আগে সেপ্টেম্বর থেকে শিশুদের টিকাকরণ শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন AIIMS প্রধান ডক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।

তবে কেন্দ্রীয় সরকার নিজে থেকে স্কুল চালুর ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে স্কুল খোলার ব্যাপারে রাজ্য সরকারগুলির উপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ছেড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিকে, দেশের করোনা-গ্রাফ প্রতিদিন ওঠানামা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনা আক্রান্ত হলেন ৪৩ হাজার ৫০৯ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৪০ জনের। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৪৬৫ জন।

করোনার তৃতীয় ঢেউ রুখতে আসরে TMCP

tmcp of garulia fight against corona

নিউজ ডেস্ক: প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কা সামাল না দিতেই ভারতের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল দ্বিতিয় ঢেউ। অনেক চিকিৎসকদের মতে, মানুষের উদাসীনতার কারণেই ছড়িয়েছে দ্বিতীয় ঢেউ। এই অবস্থায় করোনার তৃতীয় ঢেউ রুখতে আসরে নাম রাজ্যের শাসকদলের ছাত্র সংগঠন।

করোনা মোকাবিলায় মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। ভ্যাকসিন নিলেও ওই দুই সামগ্রীর ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চললেই করোনা প্রতিরোধ সম্ভব। এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সচেতনতার প্রচার জারি রয়েছে। তথাপি সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা যায় উদাসীনতার ছবি।

আর সেই নিয়েই আসরে নামল উত্তর পরগণা জেলার নোয়াপাড়া পুরসভা এলাকার গারুলিয়া শহরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। গারুলিয়া পুরসভার ১৩ এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে লেনিননগর বাজারে মাস্ক এবং স্যানিটাইজার বিলি করল ঘাস ফুল শিবিরের ছাত্র সংগঠন। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা অনেকের মুখেই মাস্ক ছিল না। সেই সকল ব্যক্তিদের কাছে মাস্ক-স্যানিটাইজার বিলির পাশাপাশি করোনা সম্পর্কে সচেতনতার প্রচার চালানো হয়।

ওই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম, গারুলিয়া শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি প্রতীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, গারুলিয়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী পুরপিতা রবীন দাস এবং অন্যান্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী-সমর্থকরা।

ওই কর্মসূচির বিষয়ে নাজমুল ইসলাম বলেছেন, “অতিমারির শুরু থেকেই আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। এখন পরিস্থিতি অনেকটা ভালো হয়েছে, মানুষ ভালো আছেন। কিন্তু যাতে আবার পরিস্থিতি খারাপ না হয়ে যায় সেই বিষয়ে মানুষকে সতর্ক এবং সচেতন করতেই আমাদের এই প্রয়াস।” প্রতীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “সংক্রমণের হার কমলেও করোনা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। তাই আমরা মানুষকে সচেতন করতে পথে নেমেছি। গারুলিয়ার ১৩ এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাধ্যমে আমাদের অভিযান শুরু হল। অন্যান্য জায়গাতেও আমাদের কর্মসূচি জারি থাকবে।”