Covid 19: করোনা সংক্রমণ রুখতে ফের মাইক্রো কনটেনমেন্টের পথে রাজ্য সরকার

Corona west bengal

News Desk, Kolkata: আশঙ্কা যা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা সেটাই বাস্তব হতে চলেছে। শারদোতসবের পর ও দীপাবলির আগে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতরের সতর্কতা মেনে জোর দেওয়া হচ্ছে নাইট কারফিউতে।

রবিবার রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃত ৩ জন করে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১৯,০৬৬ জন। তবে প্রায় সপ্তাহখানেক পর রবিবার রাজ্যে কমেছে অ্যাক্টিভ কেস। কিন্তু বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হার।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাইক্রো কনটেনমেন্ট এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আলিপুর সদর, বারুইপুর, ক্যানিং, ডায়মন্ডহারবার ও কাকদ্বীপ এই পাঁচটি মহকুমার ১৩টি থানা এলাকায় মোট ৪২টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত এবং ব্যারাকপুর মহকুমা এলাকায় মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করা হয়েছে। থাকবে পুলিশ পিকেটিং।

কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, কোথাও একটা, দুটো রোগী থাকলে গোটা এলাকাকে কনটেনেমেন্ট জোন করার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। এক্ষেত্রে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করা যেতে পারে।

শারোদোৎসবে ভিড় ও আসন্ন দীপাবলি উতসবের মাঝে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তিত রাজ্য সরকার। অভিযোগ, এই পরিস্থিতি হবে যেনেও সরকার শারদোৎসবের মাঝে নিয়মবিধি শিথিল করে।

এর পর আসছে চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন। তার জন্য চলছে প্রচার। ভোট ৩০ অক্টোবর। সোমবার রাজ্য সরকার জানায় আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

Alert: শতাধিক শিশুমৃত্যু, একইসঙ্গে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

diwali corona

নিউজ ডেস্ক: উৎসবের এখনও আরেকটি পর্ব অর্থাৎ দীপাবলি বাকি। তার আগেই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা মিলিয়ে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ‘অজানা জ্বর’ বলে প্রচারিত সংক্রমণে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা। শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গাপূজার আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল, কোভিড বিধি শিথিল করায় করোনা সংক্রমণ বাড়বে। তাই-ই হয়েছে। কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে। উড়ে গিয়েছিল দূরত্ববিধি। আর শারদোতসব মিটতেই এসেছে করোনা সংক্রমণের বড়সড় পরিসংখ্যান।

শুক্রবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪  ঘণ্টায় শহরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন। চালু করতে হতে পারে সেফ হোম। সোমবার থেকে সেফ হোম খুলতে পদক্ষেপ নিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণের খবর কলকাতা সংলগ্ন জেলা হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে আসছে। তেমনই মহানগর লাগোয়া শহরতলি এলাকায় বেড়েছে সংক্রমণ।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ‘অজানা জ্বর’ সংক্রমিত শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক ও চিকিত্‍সা পরিষেবা কর্মীরা। শুধুমাত্র শিলিগুড়িতে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়। মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান জেলা হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।

অভিযোগ, শিশুমৃত্যু ও করোনা সংক্রমণের বিষয়ে রাজ্য সরকারের নীরবতা নিয়েও। এরই মাঝে চলতি মাসে হবে চারটি বিধানসভার উপনির্বাচন। ভোটের প্রচার ও জনসভা থেকে সংক্রমণ আরও ছড়াবে বলেই আশঙ্কা।

WHO: করোনার হামলা ২০২২ সাল জুড়েই, এসেছে সতর্কতা

WHO: Corona attacks throughout 2022

নিউজ ডেস্ক: করোনা এখনই কমছে না। এই জীবাণু সংক্রমণের কারণে মহামারি চলবে ২০২২ সাল পর্যন্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এমন সতর্কতা দিয়েছে।  হু জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী করোনার টিকা পাচ্ছে না দরিদ্র দেশগুলো। এই কারণে এই মহামারি আগামী

বছরও গভীরভাবে বিদ্যমান থাকতে পারে।
হু কর্মকর্তা ব্রুস আইলওয়ার্ড বলেন, দরিদ্র দেশগুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা না পাওয়ার অর্থ করোনা সংকট অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ হতে চলেছে। তিনি বলেন, অর্থাৎ করোনা মহামারি ২০২২ সালেও থাকতে পারে। ডব্লিউএইচওর কর্মকর্তা বলেন, টিকাদানের ক্ষেত্রে আমরা সঠিক গতি পথে নেই। সএই কার্যক্রমকে গতিশীল করা দরকার।

হু রিপোর্ট ভিত্তি করে বিবিসি জানাচ্ছে,অন্যান্য মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ যেখানে টিকা পেয়েছেন, সেখানে আফ্রিকা মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশেরও কমসংখ্যক মানুষ এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় এসেছে। এই দেশগুলির অসংগতি মানুষ প্রবল করোনা সংক্রমণের মুখে রয়েছেন।

বিবিসি জানাচ্ছে, টিকার অভাবে থাকা দেশগুলিতে এক কোটির বেশি ডোজ টিকা সরবরাহ করেছে ইংল্যান্ডে।  মোট ১০ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

বিবিসি জানিয়েছে করোনা টিকার সিংহভাগ উচ্চসআয়ের দেশে চলে গেছে। বিশ্বব্যাপি করোনার টিকার মাত্র ২. ৬ শতাংশ পেয়েছে আফ্রিকা।

Indian Railway: করোনা সচেতনতা বাড়াতে স্কুইড গেমের ধারণা ব্যবহার করল ভারতীয় রেল

Indian Railway uses Squid Game content to spread awareness against COVID

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ওটিটি মাধ্যমে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই স্কুইড গেম ওয়েবসেরিজটি দেশজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এর পরেই কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার মিম এর মধ্যেই নয় বিভিন্ন কোম্পানি তাদের মার্কেটিং পদ্ধতি হিসেবেও ব্যবহার করেছে স্কুইড গেমের ধারণা। এবার ভারতীয় রেলের (Indian Railway) থেকেও করোনা নিয়ে সচতনতা বাড়াতে স্কুইড গেমকে অস্ত্র হিসেবে বেছে নেওয়া হলো।

কোরিয়ান নেটফ্লিক্স শো স্কুইড গেমের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। কোরিয়ান ওয়েবসেরিজের আইকনিক জায়ান্ট ডল ব্যবহার করে একটি অদ্ভুত সৃজনশীলতার সাহায্যে ভারতীয় রেল বিভাগ সকলকে কোভিড বিধিগুলো গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করার জন্য সতর্ক করেছে। ডিস্ত্রপিয়ান এই ওয়েবসিরিজে একটি ভয়ঙ্কর ভূমিকায় দেখা যায় সেই জায়ান্ট ডলকে যার ২ গজ দূরত্বে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় সমস্ত মুখোশধারী প্রহরীদের।

ভারতীয় রেল “কোভিড এর বিরুদ্ধে একটি ম্যাচ জিততে” তিনটি নিয়ম যুক্ত করেছে। ভারতীয় রেলের ওই বিজ্ঞাপনে শো -এর অতিথি তারকা গং ইয়ু, যিনি দাকজী খেলার জন্য পরিচিত, একটি লাল খামের সঙ্গে ‘আমি টিকা নিয়েছি’ লেখা পোস্টারে দেখা যায়। এটিতে সাধারণ মানুষকে সারিবদ্ধভাবে দেখানো হয়েছে এবং তাদের জনসমক্ষে মুখোশ পরার অনুরোধ করা হয়েছে।

শো এর শুরুতে দেখা যায় টাকার জন্য একটি ভয়ানক খেলা প্রথমে ৪৫৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে শুরু হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে খেলোয়াড়ের সংখ্যা কমতে থাকে এবং প্রতিযোগিতা আরো ভয়ানক হতে থাকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার জন্য। জায়ান্ট ডল সেই ভয়াবহ প্রতিযোগিতারই একটি অংশ।

এর আগে, মুম্বাই পুলিশও ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিতে স্কুইড গেম মেম ট্রেন্ডে যোগ দিয়েছিল। শো এর খেলা – লাল আলো, সবুজ আলো – উল্লেখ করে পুলিশ একটি সাধারণ নিয়ম প্রচার করেছিল যে কীভাবে কেউ নিজেকে দুর্ঘটনার করা থেকে বাঁচাতে পারে।

Red Volunteers: উৎসবে করোনার অট্টহাসি টের পেয়েই যুদ্ধে নামছে বামেদের রেড ভলান্টিয়ার্স

Red Volunteers

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ‘আমরা তৈরি আছি’, বার্তা দিয়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিরোধী সিপিআইএম সহ বামদলগুলির উদ্যোগে তৈরি বিখ্যাত রেড ভলান্টিয়ার্স (Red Volunteers)। অদৃশ্য জীবাণু ঘাতকের বিরুদ্ধে লড়তে দার্জিলিং থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা- সবকটি জেলার যত সদস্য রয়েছেন সবাইকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। কারণ, উৎসব শেষে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে চলেছে বলেই আশঙ্কা।

লোকসভার পর বিধানসভা ভোটে রাজ্যে বামেরা শূন্য হয়ে গেছে। কে বলবে সিপিআইএম এই রাজ্যে টানা সাড়ে তিন দশকের সরকার চালিয়েছে। এখন পরিস্থিতি এমন যে জামানত বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তার পরেও সিপিআইএমের মূল উদ্যোগে তৈরি রেড ভলান্টিয়ার্সদের ভূমিকা দেখেছেন রাজ্যবাসী। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, বিরোধী দল বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা নিজেদের মোবাইলে স্থানীয় রেড ভলান্টিয়ার্সদের নাম ও নম্বর সেভ করেছেন। দুই দলের বহু নেতার স্পষ্ট মতামত, বলা তো যায় না বিপদ কখন হয়। তখন আর কেই বা আছে !

Red Volunteers

রেড ভলান্টিয়ার্স মানেই করোনা সংক্রমণ সংকটে বিপদের বন্ধু। যেভাবে লকডাউনের মাঝে এই লাল স্বেচ্ছাসেবকরা এগিয়ে এসেছিলেন ‘সিংহের মতো সাহস ও বাজপাখির মতো চোখ’ নিয়ে তাতে রাজ্য দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রবল আলোচিত হয় সংগঠনটি। বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলির সদস্যদের নিয়ে তৈরি রেড ভলান্টিয়ার্স ফের সক্রিয়।

সোশ্যাল সাইটে রেড ভলান্টিয়ার্স গ্রুপে বারবার আবেদন জনানো হচ্ছে পরিস্থিতি বুঝে বাইরে বের হওয়ার। ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি যেতে শুরু করেছেন রেড ভলান্টিয়ার্স সদস্যরা। পৌঁছে যাচ্ছে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ওষুধ। উৎসব চলছে। যে যার মতো আনন্দ করছেন।

শারোদৎসবে প্রবল ভিড় ও উদাসীনতার কারণে করোনা সংক্রমণের বড়সড় আশঙ্কায় বুক কাঁপছে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের আশঙ্কা, অতি দ্রুত বড়সড় সংক্রমণ ঢেউ আসতে চলেছে। তাঁদের মতে এর কারণ উৎসবে উদাসীন হয়ে ঘোরা অন্যতম কারণ।

Red Volunteers

বিশেষজ্ঞদের অভিমত ও সতর্কতা পেয়েই রেডভলান্টিয়ার্স সদস্যরা আসন্ন যুদ্ধের জন্য তৈরি হয়েছেন। পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার তাঁদের ভূমিকা আরও জবরদস্ত হবে এমনই আশা করছেন সদস্যরা। উৎসবের মাঝেও চলছে করোনা আক্রান্তদের জন্য পরিষেবা।

অভিযোগ, রাজ্য সরকার বাইরে বের হওয়ার নিয়ম শিথিল করতেই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বিপদ ডেকে এনেছে। আসন্ন বিপদের সতর্কতা দিতে শুরু করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট। বলা হয়েছে, উৎসবের মাঝে দেশে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৯৮৭ জন। মৃত ২৪৬ জন। তবে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৮০৮ জন। করোনা আক্রান্তের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ সপ্তম স্থানে। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১৫,৭৮,৪৮২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,৯৩৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১,৮৯০জন।

Covid 19 : মণ্ডপে ঘুরে সেলফি তুলছেন গোগ্রাসে মোগলাই খাচ্ছেন, ‘তাতা থৈ থৈ’ নাচছে করোনা

selfie durga puja kolkata

নিউজ ডেস্ক: শারোদৎসবের আনন্দে হামলা করে দিয়েছে অদৃশ্য জীবাণু ঘাতক করোনা (Covid 19)। মৃত্যুদূত রয়েছে আপনার চারপাশে। আপনি মনের আনন্দে মন্ডপ থেকে মণ্ডপে ঘুরে সেলফি তুলছেন, গোগ্রাসে মোগলাই খাচ্ছেন সেই সুযোগে করোনা আপনার নাকের ডগায় আনন্দে ‘তাতা থৈথৈ’ নাচতে শুরু করেছে করোনাভাইরাস।

selfie durga puja kolkata sourav

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট দিচ্ছে অশনি সংকেত। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৯৮৭ জন। মৃত ২৪৬ জন। তবে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৮০৮ জন।

selfie durga puja kolkata

রিপোর্টে বলা হয়েছে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত ৩ কোটি ৪০ লক্ষ,২০,৭৩০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪,৫১,৪৩৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩,৩৩,৬২,৭০৯ জন। করোনা আক্রান্তের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ সপ্তম স্থানে। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১৫,৭৮,৪৮২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,৯৩৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১,৮৯০জন।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার মণ্ডপ দর্শনে যেভাবে উৎসাহ ও ভিড় দেখা যাচ্ছে সেটা রীতিমতো চিন্তার। এছাড়া দেশজুড়ে নবরাত্রি ও দশেরা পালিত হচ্ছে। এতেও সংক্রমণ বাড়ছে। উৎসব শেষ হলে ফের করোনা টেস্ট বাড়বে। তখনই সংক্রমিক রোগীর বড়সড় চিত্র সামনে আসবে।

Bangladesh: ঢাকায় হয়নি কুমারীপূজা, বন্ধ হচ্ছে বিসর্জন শোভাযাত্রা

bangladesh durga puja

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজার কিছু নিয়মাচারের ব্যাতিক্রম এবারেও থাকছে বাংলাদেশে। রাজধানী ঢাকার বিখ্যাত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও রামকৃষ্ণ মিশন সহ কোনও পূজা মন্ডপে হয়নি কুমারীপূজা।

জনসমাগম এড়াতে অষ্টমী তিথিতে ঢাকায় হচ্ছে না কুমারীপূজা। মূলত এবার উৎসব সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পরিহার করে সাত্ত্বিক পূজায় সীমাবদ্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।

জানানো হয়েছে, কোনও আরতি প্রতিযোগিতা হবে না, বসবে না মেলা। দশমীতে হবে না বিজয়ার শোভাযাত্রাও। তাই এবারের দুর্গোৎসবকে দুর্গাপূজা হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

পূজা উদযাপন পরিষদ জানায়, এবার প্রতিমা অন্যান্য বছরের মতো ঢাকেশ্বরী মন্দির এলাকায় জড়ো করা হবে না। প্রত্যেক মণ্ডপ থেকেই প্রতিমা নিয়ে বিসর্জন দেওয়া হবে। আগে প্রতি মণ্ডপ থেকে ট্রাকে করে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হতো বিসর্জনের জন্য। এবার একটি ট্রাকে করে বাড়তি লোক না নিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশ থাকছে।

মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে গত সোমবার শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব। বিজয়া দশমীতে দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আগামী ১৫ অক্টোবর দুর্গোৎসব শেষ হবে।

Covid 19 : উৎসবে ‘কমছে’ কোভিড টেস্ট, ভিড়ে করোনার অট্টহাসি

durga puja pandal hopping

নিউজ ডেস্ক: সরকারি দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি গেছে গোল্লায়। করোনার প্রকোপ কম এই খবরটুকুই যেন সবাইকে উদ্বেলিত করেছে। ফলে রাস্তায় ভিড়, আর মন্ডপ দর্শনের আকাঙ্খা টেনে নিয়ে আসছে বিপদ। ভিড়ের মাঝে করোনাভাইরাসের অট্টহাসি সাধারণ মানুষ না শুনতে পেলেও বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত। আশঙ্কা উৎসব শেষ হলেই বাড়বে এই ভাইরাস সংক্রমণ।

বিশেষজ্ঞরা কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখছেন, শারোদতসবের ছুটির আমেজে ক্রমাগত কমছে কোভিড টেস্ট। গত দু দিনে অর্থাৎ উৎসবের পঞ্চমী ও ষষ্ঠির দিনেই করোনা পরীক্ষা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। রিপোর্টে উঠে এসেছে রবিবার করোনা সংক্রমণ পরীক্ষা হয়েছিল ৩৬ হাজার। আর সোমবার পরীক্ষা হয় ২৬ হাজার। অর্থাৎ গত ৪৮ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা ১০ হাজার কমেছে।

durga puja pandal hopping

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, মঙ্গলবার থেকে বাকি চারদিন শারোদতসবের মূল অনুষ্ঠানের মাঝে করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা আরও কমে যাবে। এই প্রবণতা ভয়াবহ। কারণ সংক্রমণ পরীক্ষা কম হলে করোনা আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা আরও কম নথিভুক্ত হবে। সেটাই প্রকাশ হবে। সেই রিপোর্ট দেখে আরও উল্লসিত হয়ে দর্শনার্থীদের ঢল নামবে মন্ডপে। বিপদ এখানেই। এমনই আশঙ্কা।

করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন যারা তাদের স্বাভাবিক ধারণা, টিকা নিলে করোনা হবে না। বিপদ এখানেও। বিশেষজ্ঞরা বলছে, টিকা গ্রহীতা করোনায় আক্রান্ত হতেই পারেন। তবে তাঁর মৃত্যুর আশঙ্কা কম। সেই কারণে টিকা নেওয়া ব্যক্তি বেশি উদাসীন। তাঁর থেকেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে বেশি।

Covid 19: খেলেই মরবে করোনা, আসছে এমন ওষুধ

covid 19

নিউজ ডেস্ক: করোনায় আক্রান্তদের জন্য তৈরি খাওয়ার ওষুধ। অপেক্ষা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ছাড়পত্র। এই ওষুধ খেলে মরবে করোনা। দাবি গবেষকদের। পরীক্ষায় এসেছে সাফল্য।

বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনুপিরাভির নামের এই ওষুধ এক ধরণের ট্যাবলেট। অন্তবর্তীকালীন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি ব্যবহারে করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মার্ক তৈরি করেছে এই ট্যাবলেট। তবে শুরুর দিকে মোলনুপিরাভিরের ট্রায়াল বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফসি বলেছেন, ফলাফলের ব্যাপারটি খুবই ভালো খবর। বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনপিরাভির ছাড়পত্র পেলেই এটি হবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে খাওয়ার প্রথম ওষুধ।

২০২১ সালের শেষ নাগাদ এক কোটি রোগীর জন্য মোলনুপিরাভির উৎপাদন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাটি। অনুমোদন পেলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের মোলনুপিরাভির কিনবে বলে রাজি হয়েছে।

এপারে গড়িমসি, ওপার বাংলায় দেড় বছর পর খুলল স্কুল

Keeping Bangladesh's Students Learning During the COVID-19 Pandemic

নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিদ্যালয়ে (school) কলরব, করোনা (Coronavirus) ভয় কাটিয়ে বাংলাদেশি (Bangladesh) পড়ুয়ারা ছুটল। প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর ফের সচল বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। আছে ভয় আশঙ্কা। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে যখন স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল বাংলাদেশে।

শনিবার বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্বান্ত নেওয়া হতে পারে।

Keeping Bangladesh's Students Learning During the COVID-19 Pandemic

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিনে তিনটি করে ক্লাস হবে। এই সময়সূচি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হচ্ছে।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে আসবাবপত্র ও দেয়াল রাঙানো হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ধূলোর স্তূপ জমেছিল। আবার শিক্ষার্থীদের কলরব শুরু। গত ছয় মাসের অনুসন্ধান বলছে, গত দেড় বছরে প্রাথমিকের অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী দিনমজুর ও হকার হয়েছে। মাধ্যমিকের অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর এরই মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। সংসারের পাশাপাশি তারা আবারও শ্রেণিকক্ষে বসবে এমন ভাবনা নেই অধিকাংশের মধ্যে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও হয়তো অনেক পুরনো শিক্ষার্থীর দেখা মিলবে না শ্রেণিকক্ষে।

রবিবার সকালেই কলরব, করোনা ভয় কাটিয়ে বাংলাদেশে খুলছে বিদ্যালয়

bangladesh School

নিউজ ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর ফের সচল হতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। আছে ভয় আশঙ্কা। তবে রবিবার সকালে ফের কলরব হবে শিক্ষায়তনে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে যখন স্কুল-কলেজ বন্ধ বাংলাদেশে (Bangladesh)।

গত ছয় মাসের অনুসন্ধান বলছে, গত দেড় বছরে প্রাথমিকের অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী দিনমজুর ও হকার হয়েছে। মাধ্যমিকের অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর এরই মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। সংসারের পাশাপাশি তারা আবারও শ্রেণিকক্ষে বসবে এমন ভাবনা নেই অধিকাংশের মধ্যে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও হয়তো অনেক পুরনো শিক্ষার্থীর দেখা মিলবে না শ্রেণিকক্ষে।

Bangladesh School Open

শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্বান্ত নেওয়া হতে পারে।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে চলছে ধোয়ামোছার কাজ। পরিষ্কারের পাশাপাশি আসবাবপত্র ও দেয়াল রাঙানো হচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিনে তিনটি করে ক্লাস হবে। এই সময়সূচি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হচ্ছে। সেজন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। অপেক্ষার প্রহর গুনছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা

ভ্যাকসিন কাজ করবে না করোনার নতুন স্ট্রেনে, ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে করোনার ‘সুপার ভ্যারিয়্যান্ট’ কোভিড-২২! ২০২২ সালে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এক বিশেষজ্ঞ। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা ও বিশ্বের অনেক দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন শনাক্ত করা গিয়েছে। এটি আরও বেশি সংক্রমণযোগ্য এবং ভ্যাকসিন থেকে পাওয়া সুরক্ষাও এড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনাভাইরাসের আরো নতুন স্ট্রেন ভবিষ্যতে আসতে পারে, সেই বিষয়ে আগেই সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তার উপর করোনার নতুন এই স্ট্রেনের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য বেড়েছে।

আরও পড়ুন করোনায় বিশ্বে শিশুমৃত্যুর এক তৃতীয়াংশ ভারতেরঃ বিশ্ব ব্যাংক

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজেসের (এনআইসিডি) বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বছরের মে মাসে দেশে প্রথম সি.১.২ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মেলে। এই ধরনের কোনো স্ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোকে আগে থেকে নতুন ভ্যাকসিন তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। যা এই ভ্যারিয়্যান্টটিকে সমূলে উচ্ছেদ করবে। নয়তো এই নতুন ভ্যারিয়্যান্ট বিপদের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এই ভ্যারিয়েন্টের অন্যান্য স্ট্রেনের থেকে আরও বেশি মিউটেশন হয়েছে।

আরও পড়ুন ভারতে ছাড়পত্র পেল ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাক্সিন জাইকোভ-ডি

এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, “এটি আরও সংক্রমণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। যেহেতু স্পাইক প্রোটিনে অনেকগুলি মিউটেশন রয়েছে, তাই এটি ভ্যাকসিনের ফলে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে রক্ষা পেতে পারে।” প্রসঙ্গত, দেশে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কমলেও বেড়েছে সক্রিয় কেসের সংখ্যা। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫০ জনের। আর করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ৩৬ হাজার ২৭৫ জন। তবে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। তা নিয়ে নতুন করে চিন্তিত স্বাস্থ্যমহল।

ভারতে ছাড়পত্র পেল ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাক্সিন ‘জাইকোভ-ডি’

zydus vaccine

নিউজ ডেস্ক: এতদিন এম’আরএনএ (mRNA) ভিত্তিক ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছিল কোভিড-১৯ মোকাবিলায়। এবার প্রথমবার ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাকসিনের ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ভারত সরকার। জাইডাস ক্যাডিলার তৈরি তিন ডোজের কোভিড টিকা ‘জাইকোভ-ডি’কে ছাড়পত্র দিল ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)।

আরও পড়ুন জানতে চায় ভারত: আজব চুক্তি উপেক্ষা করে কেন ‘রিপাবলিক ভারত’ ছাড়তে চাইছেন কর্মীরা?

যদিও কেবলমাত্র আপতকালীন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যাবে এই ভ্যাকসিন। গুজরাতের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলা জানিয়েছে, ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবার জন্যই এই টিকা যথেষ্ট কার্যকর। এছাড়াও এতদিন যেই ভ্যাক্সিনগুলি প্রয়োগ করা হচ্ছিল সেগুলি দুটি ডোজের। যদিও প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে দুটি ডোজের মধ্যে সময়সীমা আলাদা আলাদা। ‘জাইকোভ-ডি’ ভ্যাক্সিনটি তিনটি ডোজের।

অন্যান্য টিকার মতো জাইকোভ-ডি সিরিঞ্জের মাধ্যমে দেওয়া হবে না। ভারতে এর আগে পাঁচটি সংস্থার কোভিড ভ্যাকসিন অনুমোদিত হয়েছে। সেগুলি হল ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন, সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড, রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি এবং আমেরিকার মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন। আহমেদাবাদের ভ্যাক্সিনপ্রস্তুতকারী সংস্থা জানিয়েছে বছরে ভ্যাক্সিনের ১০-১২ কোটি ডোজ তৈরি করবে তারা।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

জরুরি ভিত্তিতে জাইকোভ-ডি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে ১ জুলাই ডিসিজিআই-র কাছে আবেদন করেছেন জাইডাস ক্যাডিলা। সেই আবেদনেই সাড়া দিল ডিসিজিআই। ‘জাইকোভ-ডি’ হল ‘প্লাজমিড ডিএনএ’ টিকা। এটি বিশ্বের প্রথম ডিএনএ টিকা বলে দাবি করেছে সংস্থা। জাইডাস ক্যাডিলার ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার হার প্রায় ৬৬.৬ শতাংশ।

Media Kit - Downloads Corporate & Annual Reports | Zydus Cadila

একনজরে ‘জাইকোভ-ডি’

  • জাইকোভ-ডি (ZyCov-D) একটি ইনট্রা-ডারমাল ভ্যাকসিন, যা তিনটি ডোজে দেওয়া হবে।
  • এটি ফার্মাজেট ইনজেক্সন-ফ্রি সিস্টেমে দেওয়া হবে, ট্রপিস ব্যবহার করে প্রয়োগ করা হবে। যা যেকোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।
  • জাইকোভ-ডি (ZyCoV-D) ২-৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সংরক্ষণ করা হয়।
  • প্লাজমিড-ডিএনএ ন্যূনতম জৈব নিরাপত্তা প্রয়োজনীয়তাতে (বিএসএল-১) উত্পাদন করা যায়।
  • প্লাজমিড ডিএনএ ভ্যাকসিন জাইকোভ-ডি র(ZyCoV-D) ভেক্টর ভিত্তিক অনাক্রম্যতায় কোনো বিঘ্ন ঘটায় না।

গর্ভবতী অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত, সন্তানের কী কোনও ক্ষতি হতে পারে

covid 19

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মিলছে না স্বস্তি। একের পর এক ঢেউ-এর জেরে জেরবার সাধারণ মানুষের জীবন। যাঁরা ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের কাছে এই সংক্রমণের সংজ্ঞা এক, আবার যাঁরা দুটি ঢেউ-এর ধাক্কা সামলে এখনও নিজেকে সুস্থ রেখেছেন, তাঁদের কাছে এই রোগের সংজ্ঞা আরেক।

বছর ঘুরলেও তাই করোনা নিয়ে হাজার একটা প্রশ্নের সঠিক উত্তর অভিকাংশ মানুষের কাছেই নেই। যাকে বলে আড্ডার আসরে নানা জনের নানা মত। কেউ ভাবেন করোনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে সুস্থ হওয়া যায়, কেউ আবার ফিরে এসেছেন মৃত্যুর মুখ থেকে। আর যাঁরা আক্রান্ত হননি, তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টা দাঁড়ায় কেবলই উপদেশ।

ঠিক কি কি খাওয়ার ফলে হয়নি, কি কি না খেয়ে হয়েছে, ঘুম থেকে ওঠা থেকে ঘুম, সবটাই ছকে বাঁধা। আর আক্রান্ত যদি হয় গর্ভবতী, তাহলে, সেক্ষেত্রে সন্তানের ক্ষতির ঠিক কতটা সম্ভাবনা রয়েছে! কোনওভাবে কি সন্তান নষ্ট হতে পারে, বা তাঁর ক্ষতি হতে পারে। গাইডলাইন অনুসারে, করোনা হলে সন্তান নষ্টের কোনও সম্ভাবনা থাকে না। তাই অহেতুক ভয় পাওয়া নয়। যদিও এখনও এই নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চলছে, গর্ভে থাকা সন্তানের সেভাবে ক্ষতির কোনও রিপোর্ট এখনও সেভাবে সামনে না আসায়, ডাক্তারদের পরামর্শ অযথা প্যানিক না হয়ে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা করানো।