Covid 19: মানবদেহে প্রয়োগ হবে বাংলাদেশের করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্স

bonvax

News Desk: বাংলাদেশের তৈরি করোনাভাইরাসের (Covid 19) ভ্যাকসিন বঙ্গভ্যাক্স মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার।

এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ প্রাণিদেহে সফল হয়েছে। এর পরেই টিকা মানব দেহে প্রয়োগের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি)। সংস্থার পরিচালক ডা. রুহুল আমিন বলেন, ফেজ-১ পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মার সহযোগী গ্লোব বায়োটেক বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের মহামারি শুরুর পর গত বছরের ২ জুলাই করোনা টিকা তৈরির কাজ শুরুর কথা জানায়।

বানরের দেহে বঙ্গভ্যাক্স টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলাফল গত ১ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি) জমা দেয়।

করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এবার পরবর্তী পরীক্ষার মুখে। সংস্থার ব্যবস্থাপক ড. মহম্মদ মহিউদ্দিন জানান, যে কোনও টিকা তৈরির পর ধাপে ধাপে নানা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সর্বশেষ মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তা নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সফলতার মুখ দেখলে তা টিকা হিসাবে স্বীকৃতি পায়।

Covid 19: লকডাউন বিরোধী তুমুল সংঘর্ষ, জ্বলছে নেদারল্যান্ডস, পুলিশের গুলি

netherlands

News Desk: একদিকে প্রবল করোনা সংক্রমণে অসহায় সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে লকডাউন জারি করে আরও সমস্যায় জড়াল দেশটির সরকার। সাধারণ ডাচ নাগরিকরা লকডাউন বিরোধী সমাবেশ থেকে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করলেন। ভাঙচুর, হামলা রুখতে পুলিশের গুলি চলল। ঘটনার কেন্দ্র আন্তর্জাতিক শহর দ্য হেগ।

সরকারি নির্দেশে শনিবার থেকে তিন সপ্তাহের আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে নেদার‍ল্যান্ডসে। রাত ৮টায় পানশালা ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পুরোপুরি দর্শকশূন্য থাকবে সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন।

সরকারের ঘোষণার পরেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্য হেগ শহরের সড়কে সার সার সাইকেলে আগুন ধকিয়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় হামলা। রটারডাম শহরে বিক্ষোভ প্রবল রূপ নিলে পুলিশ গুলি চালায়। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

netherlands

পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আদালতের সদর কার্যালয়ের শহর দ্য হেগ। এই শহরের হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের বিক্ষোভের রেশ ছড়াতে শুরু করেছে ইউরোপের অন্যান্যদের দেশে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার ফলে নতুন করে লকডাউনসহ কড়াকড়ির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও ইটালিতে। স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার প্রতিবাদ করছেন সেসব দেশের জনগন।

এদিকে পরিসংখ্যানে উঠে আসছে, শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে চরম অবৈজ্ঞানিক মনোভাবের কারণে টিকা নেওয়ার হার খুবই কম। এর ফলে করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে দ্রুত। ইউরোপের অনেক দেশে নতুন করে করোনা বেড়ে যাওয়ায় সেসব দেশের সরকার নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করছে। কয়েকটি দেশে এক দিনে রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানাচ্ছে, ইউরোপে করোনা পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। হু আঞ্চলিক কর্মকর্তা ড. হ্যান্স ক্লুগ আশঙ্কা করেন, ইউরোপে কড়াকড়ি না করা হলে আগামী বসন্তের আগে পর্যন্ত আরও পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু দেখতে হবে। কোভিড সংক্রমণে এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

সোমবার থেকে ২০ দিনের লকডাউনে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। এর প্রতিবাদে রাজধানী ভিয়েনায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে করোনার টিকা বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে অস্ট্রিয়া সরকার। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে টিকা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে এই দেশ। বিবিসি জানাচ্ছে ক্রোয়েশিয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে রাজধানী জাগরেব শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে করোনা, তরতরিয়ে কমছে তেলের দাম

petrol prices

News Desk: যেভাবে ইউরোপে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে তাতে আসন্ন বড়দিনের আগেই না গোটা মহাদেশটাই লকডাউনে চলে যায় এমনই আশঙ্কা প্রবল। বিশেষত শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির টিকা দানের হার সর্বনিম্ন হওয়া চরম অবৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার কড়া বাস্তবে অট্টহাসি হাসছে কোভিড ঘাতক।

ইউরোপ জুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় লকডাউন শুরু করছে বেশকিছু দেশ। এর ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর গতি কিছুটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে তেলের দাম স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগকারীরা চাইছেন অপরিশোধিত তেলের বড় মজুদকারী দেশগুলো যেন নিজেদের কাছে থাকা তেল ছেড়ে দেয়।

petrol prices

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের মজুত তেল ছাড়ার সংবাদে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় তিন শতাংশ কমে শুক্রবার ব্যারেল প্রতি ৮০ মার্কিন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। টানা চার সপ্তাহ পরিশোধিত এবং কিছুটা পরিশোধিত তে দুই ধরনের তেলেরই দর পতনের ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের মার্চের পর এমন ঘটনা এই প্রথম বলে জানাচ্ছে বিবিসি।

ভয়াবহ সংক্রমণ অবস্থা জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায়। এদের লাগোয়া দেশগুলিতে সংক্রমণের গতি হাওয়ার বেগে ফের ছড়াতে পারে। পরিস্থিতি বুঝে লকডাউনের পথে অস্ট্রিয়া। জার্মানিতেও জনজীবন বিপর্যস্ত হতে চলেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া এই প্রথম পূর্ণ লকডাউন লকডাউন জারি করতে যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯১ লাখ মানুষের দেশ অস্ট্রিয়ায় টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার তিন ভাগের দুই অংশ। পশ্চিম ইউরোপে যে কয়েকটি দেশ বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সেসবের মধ্যে অস্ট্রিয়া অন্যতম।

প্রতিবেশি দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের রেকর্ড সৃষ্টি হলো। একদিনে ৬৫ হাজার ৩৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অবনতি হলো।

Covid 19: শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপে টিকাদান সর্বনিম্ন, অট্টহাসি করোনার

covid19

News Desk: শীতে কি করোনা অট্টহাসি করে? নভেম্বরেই ইউরোপ কাঁপছে করোনায়। জার্মানিতে একদিনে ৬৫ হাজার সংক্রমণ রেকর্ড হলো। প্রতিবেশি দেশ অস্ট্রিয়া লকডাউনের পথে। ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে করোনা সংক্রমণের বিরাট ছায়া ভারতের দিকে আসার আশঙ্কা প্রবল।

করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আবারও পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে অস্ট্রিয়ায়। আগামী সোমবার থেকে এই লকডাউন কার্যকর হবে। এর আগে, ২০২০ সালে ইউরোপে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার সময় লকডাউন জারি করেছিল অস্ট্রিয়ার সরকার। কিন্তু দৈনিক সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ফের লকডাউন জারি করতে হচ্ছে বলে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার শ্যালেনবার্গ।

covid-19-who-alert-on-europe-and-asia

বিবিসি জানাচ্ছে, শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া এই প্রথম পূর্ণ লকডাউন লকডাউন জারি করতে যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯১ লাখ মানুষের দেশ অস্ট্রিয়ায় টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার তিন ভাগের দুই অংশ। পশ্চিম ইউরোপে যে কয়েকটি দেশ বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সেসবের মধ্যে অস্ট্রিয়া অন্যতম।

প্রতিবেশি দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের রেকর্ড সৃষ্টি হলো। একদিনে ৬৫ হাজার ৩৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অবনতি হলো।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে টিকা দেওয়ার হার সবচেয়ে কম। দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬৭ শতাংশ মানুষ সম্পূর্ণরূপে টিকা গ্রহণ করেছেন৷ এছাড়া ৩৩ শতাংশ নাগরিক ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো সুরক্ষাই গ্রহণ করেনি।

Covid 19: দেড় বছর পর মঙ্গল প্রভাতে বিদ্যালয়ে কলরব শোনা যাবে

school reopen in west bengal

News Desk: করোনা সংক্রমণের ধাক্কায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পরে মঙ্গলবার তথা ১৬ ই নভেম্বর রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে। যদিও বিভিন্ন রাজ্যে আগেই খুলেছে বিদ্যালয়। পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণের পরিস্থিতি দেখে শারদোতসবের পর রাজ্য সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের স্বাগত জানিয়ে একটি কলম অথবা ফুল তুলে দেওয়া হবে। যদিও এর আগে রাজ্যে স্কুল কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় তখনই কোনও পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্য সরকার।

school reopen in west bengal

তবে বিশেষজ্ঞরা চিন্তুিত করোনা সংক্রমণের সাম্প্রতিক গতি নিয়ে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, অভিভাবকরা নিজেদের ইচ্ছায় পড়ুয়াদের স্কুলে পাঠাতে পারেন। স্কুলে না আসলে কোন রকম অ্যাটেনডেন্স সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগতে হবে না পড়ুয়াদের।

শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, করোনা বিধি মেনেই স্কুলগুলিকে খোলা হবে। বলা হয়েছে স্কুলে প্রবেশের সময় পড়ুয়াদের মধ্যে চার থেকে পাঁচ ফুটের ব্যবধান রাখতে হবে। স্যানিটাইজার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পড়ুয়ারা মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করছে কিনা সেদিকে রাখা হবে নজর।

সরকারি নির্দেশে প্রতিটি স্কুলের গেটে থার্মাল গান এবং স্প্রে স্যানিটাইজার রাখতে হবে। শ্রেণীকক্ষে পড়ুয়াদের মধ্যে তিন ফুটের দূরত্ব রাখতে হবে। প্রত্যেক বেঞ্চে একজন পড়ুয়া বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

অনুমোদন পেতে চলেছে কোভিড পিল মলনুপিরাভির

Covid-pill

News Desk, New Delhi: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফের এল সুখবর। জানা গিয়েছে, দুই-একদিনের মধ্যেই জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমতি পেতে চলেছে কোভিড পিল (covid-19 pil) ‘মলনুপিরাভির’ (molnupiravir)। এই বিশেষ পিল ভারতে তৈরি হয়েছে। কোভিড স্ট্র্যাটেজি গ্রুপের চেয়ারম্যান চিকিৎসক রাম বিশ্বকর্মা এই খবর জানিয়েছেন।

বিশ্বকর্মা (ram bishkarma) জানিয়েছেন, মলনুপিরাভির নামের এই কোভিড পিল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী হবে। সঙ্কটাপন্ন কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এই ওষুধ যে বিশেষ কার্যকর সেটা ইতিমধ্যেই প্রমাণ হয়েছে। গোটা বিশ্ব জুড়ে এই পিলের ট্রায়াল রান হয়েছে এবং তার ফলাফল যথেষ্টই আশাব্যঞ্জক। তাই দু-একদিনের মধ্যেই জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমতি পেতে চলেছে এই কোভিড পিল।

covid 19

একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, মার্কিন সংস্থার ফাইজারের (physer) পিল ‘প্যাক্সলোভিড’ও জরুরী ভিত্তিতে বাবহারের ছাড়পত্র পেতে চলেছে। তবে ফাইজারের পিলকে ছাড়পত্র দিতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।

চিকিৎসক বিশ্বকর্মা আরও জানিয়েছেন, এই দুটি ওষুধ বাজারে এলে করোনার চিকিৎসা ব্যবস্থা আমূল পাল্টে যাবে। এমনকী, টিকাকরণও (vaccination) সে ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছনের দিকে চলে যাবে। তার থেকেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই দুই ওষুধের ব্যবহার। করোনার যে ভয়ঙ্কর শক্তি আমরা দেখছি সেটা আর থাকবে না। পাশাপাশি এই ওষুধ সহজেই মানুষ খেতে পারবেন। ইনজেকশন নিলে যে ব্যথা হয় এক্ষেত্রে সেটাও থাকছে না।

<

p style=”text-align: justify;”>বিশ্বকর্মা আরও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ভারতের হাতে প্রচুর পরিমাণ মলনুপিরাভির মজুত আছে। সরকার বা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (dcgi) ছাড়পত্র মিললেই এই ওষুধের ব্যবহার শুরু হবে। দেশের ৫ টি সংস্থা এই ওষুধ উৎপাদনের জন্য একেবারে প্রস্তুত আছে। ছাড়পত্র মিললেই শুরু হবে উৎপাদন। খুব শীঘ্রই মলনুপিরাভির ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাবে বলে বিশ্বকর্মা জানিয়েছেন।

Singapore: রাখে করোনা মারে কে ! শেষ মুহূর্তে ফাঁসি স্থগিত

nagendra

News Desk: সব ঠিক। মরে যাবে আসামী। হবে তার চরম দণ্ড। তখনই এলো করোনা পজিটিভ রিপোর্ট। একেবারে শেষ মুহূর্তে কোভিড আক্রান্ত ফাঁসির আসামীর শাস্তি রদ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের (Singapore) ঘটনা।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আপাতত আয়ু পেয়েছে নগেনদ্রন ধর্মলিঙ্গম নামে এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী। মাদক মামলায় তার ফাঁসির সাজা হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বুধবার  সকালেই নগেনন্দ্রন ধর্মলিঙ্গমকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলানোর সব প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছিল।  আসামীকে সেই বার্তা দেওয়া হয়। এরপর খেল দেখিয়ে দিল করোনা ভাইরাস।

যেহেতু আসামী অসুস্থ। তাই তাকে ফাঁসি দেওয়া যাবে না। এই নিয়মে মৃত্যুদণ্ড সাময়িক রদ করেছে সিঙ্গাপুর সরকার।  আদালত জানায়, মানবতার খাতিরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শাস্তি স্থগিত করা হলো।

৩৩ বছর বয়সী নগেনন্দ্রন ধর্মলিঙ্গম ভারতীয় বংশোদ্ভুত  মালয়েশিয়ার নাগরিক। ২০০৯ সালে মাদক মামলায় সিঙ্গাপুরে গ্রেফতার করা হয় তাকে। তার কাছে ৪২. ৭২ গ্রাম হেরোইন মিলেছিল। এরপর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় সিঙ্গাপুরের আদালত। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই মামলা চলছে। সম্প্রতি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেয় আদালত।

মাদক মামলায় নগেন্দ্রনের ফাঁসির ইস্যুটি আন্তর্জাতিক মহলে এসেছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সহ অনেকেই সিঙ্গাপুর সরকারের কাছে এই মৃত্যুদণ্ড শাস্তি রদ করার অনুরোধ করেন। তবে অনড় ছিল সিঙ্গাপুর সরকার।

ফাঁসির আসামীর আইনজীবীর দাবি, তার মক্কেল মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন। মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হোক। 

UK: চালু ‘ডগ টিভি’ সম্প্রচার, কুকুরদের কেরামতি দেখতে বিপুল আগ্রহ

Dog TV

News Desk: টেলিভিশনে বিনোদনমূলক চ্যানেল নতুন কিছু নয়। শুধুমাত্র বাড়ির পোষ্য সারমেয়দের জন্য একটি বিনোদনমূলক চ্যানেল চালু হল। তবে ভারতে নয়, এই ডগ টিভির (Dog Tv) সম্প্রচার ব্রিটেনের (Britain)।

সম্প্রচারের প্রথম দিনেই রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে এই নতুন চ্যানেল। হঠাৎ করে পোষ্যদের জন্য এধরনের একটি চ্যানেলের ভাবনা চিন্তার কথা মাথায় এল কীভাবে?

ব্রিটেনের এই টেলিভিশন চ্যানেলটি জানিয়েছে, গত দেড় বছরে বহু মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন হাসপাতালে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন। বেশ কিছুদিন প্রভুকে বাড়িতে দেখতে না পেয়ে সারমেয়েদের মানসিক অবস্থাও বদলে গিয়েছিল। সারমেয়রাও ভুগছিল মানসিক অবসাদে। একটানা কয়েকদিন মালিককে দেখতে না পেয়ে পোষ্যরাও হয়ে উঠেছিল অস্থির। অনেকই বন্ধ করে দিয়েছিল খাওয়া-দাওয়া। কেউ কেউ বিনিদ্র রজনীও কাটিয়েছে। অনেকের চোখ দিয়ে রীতিমত জল গড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে। প্রভুর খোঁজে কয়েকটি সারমেয়কে শিকল ছিঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেতেও দেখা গিয়েছে।

পোষ্যদের এই নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই দিতেই তাদের জন্য এই বিনোদনমূলক চ্যানেল তৈরির ভাবনা। এই চ্যানেলে সারমেয়দের উপযুক্ত করেই বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে। সারমেয় বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। প্রথম দিনের অনুষ্ঠানেই রীতিমতো সাড়া পড়ে গিয়েছে বলে চ্যানেল কর্তৃপক্ষের দাবি। তাদের আশা, আগামী দিনে বহু মালিক তাঁর পোষ্যের জন্য এই চ্যানেলটি দেখার ব্যবস্থা করবেন।

Maharashtra: হাসপাতালে আগুন, করোনা রোগীরা পুড়ে মারা গেলেন

maharashtra-covid-hospital-fire

News Desk: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর হাসপাতালে আগুন লেগে অন্তত ১০ করোনা রোগী পুড়ে মারা গেলেন। আরও বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

আহমেদনগর জেলা হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে আগুন ধরে যায়। ভিতরে থাকা রোগীদের বের করে আনার চেষ্টা হলেও দগ্ধ হন তাঁরা। কী করে এই কোভিড বিভাগে আগুন ধরেছিল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, আহমেদনগর জেলা হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডের এসি মেশিনের বিদ্যুত সংযোগ থেকে আগুন ছড়িয়েছে। আহমেদনগরের বিধায়ক এনসিপি নেতা সংগ্রাম জগতপ জানিয়েছেন, প্রশাসনিকস্তরে পুরো রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে ১৭ জন করোনা রোগী ছিলেন। আগুন ধরার পর কয়েকজনকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দগ্ধ করোনা রোগীদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখা হয়েছে।

Covid 19: এশিয়া ও ইউরোপের ৫৩টি দেশকে করোনা সতর্কতা দিল হু

covid-19-who-alert-on-europe-and-asia

News Desk: করোনা (coronavirus) মহামারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি বরং ভাইরাস নতুন করে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। এভাবেই এশিয়া ও ইউরোপে সতর্কতা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। 

হু জানাচ্ছে,গত বছর যে সময় করোনার (coronavirus) দ্বিতীয় ঢেউ গোটা বিশ্বে আছড়ে পড়েছিল, ঠিক তেমনই এক সময়ের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি। বিশেষ করে ইউরোপ (europe) ও এশিয়ার (asia) কমপক্ষে ৫৩ টি দেশ এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। এই দেশগুলিতে করোনাভাইরাস যে কোন সময় মহামারীর রূপ নিতে পারে।

শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের ডিরেক্টর হ্যান্স ক্রুজ (Hans cruz) বলেন, এই মুহূর্তে ইউরোপ এবং এশিয়ার ৫৩টি দেশে সংক্রমণের হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওই সমস্ত দেশগুলির বাস্তব পরিস্থিতি বিচার করে আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০২২-এর ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরও অন্তত পাঁচ লক্ষ মানুষ করোনায় প্রাণ হারাতে পারেন। করোনার নতুন স্ট্রেন যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ। এই গতিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে করোনা।

ক্রুজ আরও বলেন গোটা বিশ্ব এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। অনেক দেশেই সংক্রমণের হার ফের রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে। এই অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে ইউরোপের একাধিক দেশকে আরও অনেক সতর্ক হতে হবে। হতে হবে পরিশ্রমী। একই কথা প্রযোজ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রেও। এশিয়া ও ইউরোপের ওই সব দেশ যদি সংক্রমণে রোধে অবিলম্বে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেয় তবে সভ্যতা এক চরম বিপদের সামনে গিয়ে পৌঁছবে।

হু-র এই আশঙ্কা যে আদৌ অমূলক নয়, ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ মিলেছে। রাশিয়া-সহ একাধিক দেশে সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলাই একমাত্র পথ। মানুষ যদি সেই নিষেধাজ্ঞা না মানে তবে নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনবে।

ইউরোপ ও আমেরিকায় শীত আসছে। এই শীতে সংক্রমণ আরও দ্রুত ছড়ায়। তাই মানুষকেও আরও অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। অন্যথায় করোনা মানুষের জীবনে এক দুর্বিষহ অভিশাপ হিসেবে দেখা দেবে।

Covid 19 : ইউরোপে ফের করোনা মহামারির আশঙ্কা করছে হু

modi-mask

News Desk: ইউরোপ আবারও করোনাভাইরাস মহামারির কেন্দ্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বা হু। ইউরোপ জুড়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন আশঙ্কা করা হয়েছে। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

সাংবাদিক সম্মেলনে হু ইউরোপ বিষয়ক প্রধান হ্যান্স ক্লুজ জানান, আসন্ন ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইউরোপে আরও ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি বলেন বিভিন্ন দেশে টিকার ব্যবহার সমান নয়। হ্যান্স ক্লুজ বলেছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে অবশ্যই কৌশল পরিবর্তন করতে হবে।

বিবিসি জানাচ্ছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপ জুড়ে টিকা দেওয়ার হারে গতি কমেছে। অবশ্য স্পেনের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষকে ২ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানিতে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৬৮ ও ৬৬ শতাংশ। তবে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশে এ হার এখনো অনেক কম।

হু জানাচ্ছে, গত চার সপ্তাহে ইউরোপ জুড়ে ৫৫ শতাংশ সংক্রমণ বেড়েছে। পর্যাপ্ত টিকা ও করোনাভাইরাসের চিকিৎসাসামগ্রী থাকা সত্ত্বেও এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, রাশিয়ার করোনা সংত্রমণের গতি চিন্তার। তবে রুশ সরকার প্রয়োজনী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ধনী দেশগুলি যে পরিমাণ টিকা কিনে মজুত করেছে তাতে অনেক গরিব দেশ পর্যাপ্ত টিকা পায়নি। টিকা গ্রহীতার করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর আশঙ্কা খুবই কম। কিন্তু ইউরোপের কিছু অংশে টিকা নেওয়ার হার তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। একইভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও টিকা বিহীন মানুষের সংখ্যা বেশি

দেশের করোনা পরিস্থিতি প্রকাশ্যে আনায় মৃত্যুর মুখে বন্দি চিনা সাংবাদিক

Chinese journalist jailed over Covid reports 'close to death'

News Desk: ২০১৯-এর ডিসেম্বর মাসে চিনের ইউহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল। কিছুদিনের মধ্যেই গোটা ইউহানে সংক্রমণ মাত্রা ছাড়া হয়েছিল। করোনা সংক্রমণের ওই খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন ঝ্যাং ঝান নামে চিনের এক মহিলা সাংবাদিক। দেশের করোনা পরিস্থিতি প্রকাশ করার অভিযোগে ওই মহিলা সাংবাদিককে জেলবন্দি করে চিনের জিনপিং সরকার। শুধু বন্দি নয়, আদালত ওই মহিলা সাংবাদিককে চার বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। প্রশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে জেলের ভিতরেই আমরণ অনশন শুরু করেন ওই মহিলা সাংবাদিক। একটানা অনশনের জেরে জেলের ভিতরে ওই মহিলা সাংবাদিক মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বলে খবর।

জানা গিয়েছে ৩৮ বছরের ঝ্যাং ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে চিনের করোনা নিয়ে খবর করেছিলেন। ওই সময় চিনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছিল এই মারণ ভাইরাস। নিজের ফোনে করোনা আক্রান্তদের ছবি তুলে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। একই সঙ্গে তাঁর লেখা থেকেই জানা গিয়েছিল জিনপিং সরকার করোনার ধাক্কা সামলাতে কিভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের এই ব্যর্থতা প্রকাশ করায় ২০২০-র মে মাসে ঝ্যাংকে আটক করা হয়। প্রায় ছয় মাস বিচার চলার পর ডিসেম্বরে ঝ্যাংকে চার বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত।

ঝ্যাং সাংবাদিকতা করলেও তিনি একজন আইনজীবী। তবে বর্তমানে আইনি পেশা ছেড়ে তিনি সাংবাদিকতা করছিলেন। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে আমরণ অনশন শুরু করেছেন তিনি। এক টানা কয়েকদিন অনশন করার পরই তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। জেল কর্তৃপক্ষ জোর করে ঝ্যাংকে তরল খাবার খাওয়ালেও তাঁর শরীর একেবারে ভেঙে পড়েছে। তিনি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, হাঁটাচলা তো দূরের কথা হাত-পাও নাড়াতে পারছেন না।

ঝ্যাংয়ের ভাই জু বলেছেন, তাঁর দিদির সার্বিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে আসন্ন শীতে তাঁর পক্ষে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন হতে পারে। তাঁর দিদি যদি অবিলম্বে অনশন ভঙ্গ না করেন তবে তিনি হয়তো আর বেশি দিন বাঁচবেন না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝ্যাংয়ের শারীরিক অবস্থার খবর প্রকাশ হতেই আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইতিমধ্যেই ওই মহিলা সাংবাদিকের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। জু বলেছেন, তাঁর দিদি কোন খারাপ কাজ করেননি। একজন সাংবাদিকের কর্তব্য হল প্রকৃত খবর সামনে আনা। সেটাই করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে অকারণে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন সংগঠন ও আন্তর্জাতিক মহল ঝ্যাংকে মুক্তি দেওয়ার দাবি তুললেও জিনপিং সরকার বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি।

Covid 19: ট্রেনে থিকথিক ভিড়ে অট্টহাসি করোনার, আশঙ্কায় চিকিৎসকরা

Coronavirus local train

News Desk, Kolkata: সপ্তাহ শুরু হলো সংক্রমণের জেট গতি দিয়ে। লোকাল ট্রেনের থিকথিকে ভিড় দেখে এমনই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। প্রবল ভি়ড়ের চাপে করোনা বিধি উড়ে গিয়েছে। আর এই ভিড় দেখে অট্টহাসি শুরু করেছে করোনাভাইরাস।

দুর্গাপূজার ভিড় সংক্রমণ ছড়িয়েছে তার প্রমাণ প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যার হার বাড়ছে। এবার লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় সংক্রমণ গতি আরও বাড়তে চলল।

৫০ তাংশ যাত্রী নিয়ে রবিবার থেকেই চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ৷ রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে রেলযাত্রীরা খুশি। কারণ ট্রেনে যাতায়াত সস্তাজনক ও দ্রুত। কিন্তু ভিড়ের ঠেলায় করোনা ছড়ানোর আশঙ্কা প্রবল।

সোমবার সেই ছবি স্পষ্ট হয়েছে। নতুন করে ট্রেন চালু হতেই, হাওড়া কর্ড ও মেন শাখা, শিয়ালদহের সব শাখা, শহরতলির চক্ররেলেপ কামরা ভিড় আগের মতো। একইভাবে বর্ধমান আসানসোল শাখাতেও ভিড়। লোকাল ট্রেনে বাদুড়ঝোলা হয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছেন। খুলে যাচ্ছে মাস্ক। তাতে নো পরোয়া।

G 20: মাস্ক বিহীন মোদীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা আন্তর্জাতিক মহলে

modi-mask

News Desk: একের পর এক ছবি। কখনও রাষ্ট্রপ্রধান, তো কখনও পোপ সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এমন কোভিডবিধি লঙ্ঘন ঘিরে বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

বিশ্বনেতাদের আলিঙ্গনের মুহূর্তে মাস্ক ছাড়া ছবিতে বিতর্কের মুখে নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন, ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মগুরু পোপের সঙ্গে সাক্ষাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মাস্ক কেন ছিল না। উঠছে এই প্রশ্ন।

জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ইতালি এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন রাষ্ট্র নেতাদের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে দেখা যাচ্ছে। কেন এমন করছেন তিনি? প্রশ্ন বিশ্বজুড়ে। অথচ মোদীর সফরে থাকা

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের মুখে মাস্ক ছিল। অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানরা মাস্ক পরেছিলেন।

ভারতে ফের বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। আর ভারত থেকেই জি ২০ তে যোগ দেওয়া মোদীর কোভিড বিধি না মেনে চলার অভিযোগ ঘিরে সরগরম আন্তর্জাতিক সম্মেলন মঞ্চ।

Covid 19: জীবাণু বোমা নয় করোনা, চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

Director of National Intelligence Avril Haines

News Desk: করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পিছনে কোনও জীবাণু বোমার প্রয়োগ নয়, এটির সংক্রমণ পরিবেশগত কারণেই। এমনই জানিয়ে দিল ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ওডিএনআই)।

মার্কিন গোয়েন্দাদের আরও দাবি, করোনার উৎপত্তি সম্ভবত কখনোই জানা যাবে না। তবে ভাইরাসটি জীবাণু অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হয়নি।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংখ্যাগুলির রিপোর্টে লেখা আছে, করোনা ছড়ানোর ক্ষেত্রে একটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ এবং ল্যাব লিক দুটোই যুক্তিযুক্ত অনুমান। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে কোভিড-১৯ প্রাথমিক প্রাদুর্ভাবের আগে ভাইরাসটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা ছিল না চিনা কর্মকর্তাদের।

বিবিসি আরও জানাচ্ছে, ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্টে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভাইরাসটির সম্ভাব্য উৎস নিয়ে বিভক্ত। চারটি গোয়েন্দা সংস্থার দাবি একটি সংক্রমিত প্রাণি বা অন্য কোনও ভাইরাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর।।

চিন থেকেই এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়েছে। মৃত্যু মিছিল চলেছে। আপাতত টিকা প্রয়োগ চলছে। এতে মৃত্যুর হার কমানো গিয়েছে।

তবে করোনা সংক্রমণের প্রথমদিকে এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তৎকালীন প্রেসিডেন্সি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত চিনকে দোষারোপ করেছিলেন। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল চিন। করোনা নিয়ে চিন-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) পড়ে যায় মাঝখানে। ট্রাম্প সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কিছুটা কম। জীবাণু হামলার দু বছরের মাথায় এসেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্ট। এতে চিনকে দায়ভার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য আগামী এক বছরে ২ হাজার ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এর জন্য সংস্থাটি জি-২০ গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদানের আহবান জানিয়েছে।

‘হু’ প্রধান জানান, করোনা মহামারিতে দীর্ঘ সময় ধরে গরিব দেশগুলিকে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখতে পারবে না ধনী দেশগুলি। এর জন্য জি-২০ নেতারা এগিয়ে আসুন।

Covid 19: শুনশান সোনারপুর, করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ শুরু

sonarpur lockdown

News Desk: পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুর-সোনারপুর পুর এলাকায় করোনা সংক্রমণ রুখতে শুরু হয়েছে বিধিনিষেধ। তিনদিনের বিধিনিষেধের প্রথম দিনই শুনশান হয়ে গেল রাজ্যের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাটি। কলকাতার কাছাকাছি এই এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার শারোদতসবের পর থেকে চিন্তাজনক।

পরিস্থিতি উদ্বেগের। তাই আগে থাকতেই পুর প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি জারি করে বৃহস্পতিবার থেকে তিনদিন এলাকাবাসীকে বাইরে বের হতে নিষেধ করে। পুরসভার তরফে বিজ্ঞপ্তিতে রাজপুর – সোনারপুর এলাকায় করোনা সংক্রমিত ওয়ার্ডগুলি চিহ্নিত করে মাইক্রো কনটেন্টমেন্টের পোস্টার সাঁটানো হয়।

মঙ্গলবার রাজ্য সরকার রাজপুর-সোনারপুরে ১৯টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করে। সংশ্লেষণ এলাকাগুলিতে কারোর ঢোকা ও বেরিয়ে আসায় কড়াকড়ি জারি হয়। প্রশাসনিক নির্দেশে ২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর এই তিন দিন পুর এলাকার সমস্ত বাজার এবং দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ওষুধ সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে।

এদিকে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা আফশোষ করছেন। তাঁদের বক্তব্য, শারদোতসবের সময় ভিড় ছিল লাগামছাড়া। অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনকে বারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু উৎসবের সময় করোনা বিধির শিথিলতা করায় সংক্রমণ ফের ছড়াতে শুরু করেছে।

দুর্গাপূজার পর থেকেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। কলকাতার নিকটস্থ সোনারপুরের জনঘনত্ব বেশি। এর ফলে সংক্রমণের হার বাড়বে এমন আশঙ্কা বড় করে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতায় করোনা পজিটিভ রেট বেড়েছে। কলকাতার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে রাজ্য সরকারকে বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, দীপাবলি উৎসবের আগেই করোনার কালো ছায়া লম্বা হবে।নবান্ন সূত্রে খবর, করোনা সংক্রমণের কারণে বিভিন্ন জেলা হাসপাতালে ফের তৈরি হয়েছে ফের কোভিড ওয়ার্ড।

পূর্ব বর্ধমান, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ টি করে বেড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৬ টি জেলা এবং মহকুমা হাসপাতালেও ১০০ টি করে কোভিড বেড বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম মহকুমা হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে ৫০ শয্যার কোভিড ওয়ার্ড। দুই জেলার আরও ১০ টি ব্লকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও ২০ শয্যার কোভিড ওয়ার্ড তৈরি হচ্ছে।

Covid 19: দীপাবলির আগেই করোনার কালো ছায়া, বিভিন্ন জেলায় কোভিড ওয়ার্ড

corona-diwali

News Desk: দীপাবলি উৎসবের আগেই করোনার কালো ছায়া লম্বা হচ্ছে রাজ্যে। সংক্রমণের গতি উর্ধমু়খী। নবান্ন  সূত্রে খবর, করোনা সংক্রমণের কারণে বিভিন্ন জেলা হাসপাতালে ফের তৈরি হয়েছে ফের কোভিড ওয়ার্ড।

পূর্ব বর্ধমান, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ টি করে বেড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৬ টি জেলা এবং মহকুমা হাসপাতালেও ১০০ টি করে কোভিড বেড বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।

পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম মহকুমা হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে ৫০ শয্যার কোভিড ওয়ার্ড। দুই জেলার আরও ১০ টি ব্লকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও ২০ শয্যার কোভিড ওয়ার্ড তৈরি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার থেকে অঘোষিত লকডাউন সোনারপুরে

কলকাতা ও সংলগ্ন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর-রাজপুর পুরসভা এলাকা। বৃহস্পতিবার থেকে এখানে চালু হচ্ছে এলাকা ভিত্তিক মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন।

আরও পড়ুনCovid 19: এই বুঝি করোনা হয়! ভয় নিয়ে দিন শুরু সোনারপুরে

উদ্বেগের কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরকে নিয়ে। শারদোতসব মিটতেই এই ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়েছে করোনা। প্রশাসনিক নির্দেশে ২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর এই তিন দিন পুর এলাকার সমস্ত বাজার এবং দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ওষুধ সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার রাজপুর-সোনারপুরে ১৯টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করে। সংশ্লেষণ এলাকাগুলিতে কারোর ঢোকা ও বেরিয়ে আসায় কড়াকড়ি জারি।

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা আফশোষ করছেন। তাঁদের বক্তব্য, শারদোতসবের সময় ভিড় ছিল লাগামছাড়া। অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনকে বারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু উৎসবের সময় করোনা বিধির শিথিলতা করায় সংক্রমণ ফের ছড়াতে শুরু করেছে।

দুর্গাপূজার  পর থেকেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে।  কলকাতার নিকটস্থ সোনারপুরের জনঘনত্ব বেশি। এর ফলে সংক্রমণের হার বাড়বে এমন আশঙ্কা বড় করে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতায় করোনা পজিটিভ রেট বেড়েছে। কলকাতার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে রাজ্য সরকারকে বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ।

Covid 19: এই বুঝি করোনা হয়! ভয় নিয়ে দিন শুরু সোনারপুরে

Covid 19-ekolkata24

News Desk, Kolkata: দিন শুরু হয়েছে ভয় নিয়ে। কেউ একটু কাশলেই পাশের জন চমকে চমকে উঠছেন। চারদিকে ভয় এই বুঝি করোনা হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার অত্যন্ত জনবহুল সোনারপুর-রাজপুর পুর এলাকা একপ্রকার অঘোষিত লকডাউনের আওতায়। বুধবার সকাল থেকে এমনই ছবি সোনারপুরের সর্বত্র।

মঙ্গলবার রাজ্য সরকার রাজপুর-সোনারপুরে ১৯টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে কারোর ঢোকা ও বেরিয়ে আসায় কড়াকড়ি জারি।

বাড়তে থাকা করোনা রোগীর সংখ্যা সোনারপুরে এমনই যে প্রশাসনিক নির্দেশে ২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর এই তিন দিন পুর এলাকার সমস্ত বাজার এবং দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ওষুধ সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে।

Corona sonarpur

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা আফশোষ করছেন। তাঁদের বক্তব্য, শারদোতসবের সময় ভিড় ছিল লাগামছাড়া। অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনকে বারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু উৎসবের সময় করোনা বিধির শিথিলতা করায় সংক্রমণ ফের ছড়াতে শুরু করেছে।

দুর্গাপূজার পর থেকেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় পুরসভায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৫ থেকে ২০ মধ্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন এই পুরসভার ১০টি ওয়ার্ডের ১৯টি এলাকায় মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন চিহ্নিত করেছে।

কলকাতার নিকটস্থ সোনারপুরের জনঘনত্ব বেশি। এর ফলে সংক্রমণের হার বাড়বে এমন আশঙ্কা বড় করে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতায় করোনা পজিটিভ রেট বেড়েছে। কলকাতার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে রাজ্য সরকারকে বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ।

China: ফের করোনা হানা, ৪০ লক্ষ জনবসতির শহরে লকডাউন করল চিন

China Puts City Of 4 Million Under Lockdown Due To Spike In Covid Cases

News Desk: ফের এসেছে করোনা। সংক্রমণ বেড়ে গেল হু হু করে। চিনে নতুন করে সংক্রমণের কারণে ঘোষিত হলো লকডাউন। বিবিসি জানাচ্ছে লানঝউ শহরে কড়া লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

চিনের সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, সংক্রমণ রুখতে কড়া ভূমিকা নিয়েছে প্রশাসন। লানঝাউ শহরে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানে শুধু যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ওই শহরের বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হওয়াতে জারি নিষেধাজ্ঞা। একপ্রকার গৃহবন্দি তারা।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিনের উহান শহর থেকেই প্রথম করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছিল। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই জীবাণু সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় গোটা দুনিয়া থমকে গিয়েছিল। আপাতত সংক্রমণের হার কমের দিকে বিভিন্ন দেশে। এর মাঝে চিন থেকেই এসেছে ভয়াল খবর।

মঙ্গলবার থেকে চিনের উত্তর পশ্চিম শহর লানঝউয়ে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহরে করোনার একটি স্থানীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। সম্প্রতি চিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু হয়।

চিন সরকার করোনা সংক্রমণের কথা জানাতেই বিশ্বজুড়ে পড়েছে শোরগোল। তবে কড়া লকডাউন নিয়ম দ্রুত চালু হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাচ্ছে। এমনই জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা।

নতুন করে করোনা সংক্রমণ বিভিন্ন দেশে হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা টিকা নেওয়ার পরেই সংক্রমণের বিষয়ে উদাসীন ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। তারা মনে করছেন আর কিছু হবে না। এরাই অজান্তে করোনা ছড়াচ্ছেন। তবে টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর হার দ্রুত গতিতে নিম্নগামী হচ্ছে।

Covid 19: লকডাউনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

assam corona vaccine

News Desk: কোনও অবস্থায় আর লকডাউন হবে না। তবে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিতে হবে টিকা। জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সম্প্রতি বিভিন্ন মহল থেকে প্রচারিত হয় অসমে লকডাউন চালু হচ্ছে। সেসব উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,’রাজ্যে ফের লকডাউন হবে না। অসমে আর লকডাউন চাইনা’।

সোমবার মরিয়নি বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে কোনও ভাবেই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিরা দ্বিতীয় ডোজ নিতে ভুলবেন না। কেননা আমরা সকলেই করোনা মহামারী থেকে বাঁচতে হবে। তাই করোনা থেকে রক্ষা পেতে ভ্যাকসিন নেওয়াটা খুবই জরুরি। সেইসঙ্গে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন ,গতবছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি অব্দি করোনা ছিল না। যদিও আচমকা এপ্রিলে আবার করোনা এসে গিয়েছে। তাই এবছর যেন কোনও কারণেই কোভিড আসতে না পারে তারজন্য সবাইকে ভ্যাকসিন নিতে হবে। করোনা নিয়ে এর নতুন বিধি আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিধি অনুযায়ী ১৭ থেকে ১৮ বছরের ছেলেমেয়েকে প্রদান করা হবে ভ্যাকসিন। এ দিল্লি থেকে ইতিমধ্যে নির্দেশ এসেছে। তাই এবয়সের ছেলে মেয়েদের এখন থেকেই ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু সবাই বেঁচে থাকতে হবেই। নিজের দৈনন্দিন জীবন চালিয়ে যেতে হবে।

কোভিড ভ্যাকসিন যারা নেয়নি ,তাদের প্রতি বার্তা ছুড়ে দিয়ে এদিন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত বলেন ,ভ্যাকসিনের দুই ডোজ না নেওয়া সুবিধাপ্রাপকরা পাবেন না কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। রাজ্য সরকারের তরফে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন ,সরকারি প্রকল্প পাওয়ার জন্য ভ্যাকসিনের দুই ডোজ নেওয়াটা বাধ্যতামূলক।ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দেখলেই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। এমনকি রেশন দোকান ,পেনশনারের এক্ষেত্রেও এই বিধি মেনে চলতে হবে।আগামী নভেম্বর থেকেই রাজ্যে এই নয়া বিধি লাগু হবে।