Omicron: মহারাষ্ট্র কাঁপছে, ভারতে আক্রান্ত ৩০০ পার

40,000 infected daily, the recovery rate is declining in the country

News Desk: ওমিক্রনের দাপটে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। ভারতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই একদফা বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যগুলিকে নয়া নির্দেশিকা জারি করে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু যে হারে প্রতিনিয়ত অমিত্র আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে বাড়ছে তাতে চিন্তার ভাঁজ সরকার থেকে শুরু করে চিকিৎসামহলে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬৫০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সর্বমোট ৩,৪৭,৭২,৬২৬ জন। একদিনে করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৭,০৫১ জন, যার ফলে দেশের সর্ব মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ৩,৪২,১৫,৯৭৭ জনে। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭৪ জনের। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭৭,৫১৬ জন।

একদিনে এক লাফে বেড়েছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ জন,‌মঙ্গলবার যে সংখ্যাটা ছিল সর্বোচ্চ ৪৪ জন।করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ জনে। দেশের মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে মহারাষ্ট্র। এখনো পর্যন্ত সেখানে ৮৮ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন,যেখানে দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ জন। এরমধ্যে ১১৪ ওমিক্রনে আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

WHO: বুস্টার ডোজ নিলেই ওমিক্রন থেকে বাঁচবেন, এমনটা নয় 

News Desk: বুস্টার ডোজ নিলেই যে ওমিক্রনের (omicron) হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে তা মোটেই নয়। কেউ যদি মনে করেন, তিনি বুস্টার ডোজ (buster dose) নিয়েছেন তাই তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তিনি অনায়াসেই উৎসবের আনন্দে মেতে উঠতে পারেন। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বড় ধরনের ভুল করবেন। বুধবার এই মন্তব্য করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (world health organisation) প্রধান।

সাংবাদিক সম্মেলনে অ্যাডহোম (adhome) বলেন, গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যু প্রতিরোধ করতে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বে প্রতিদিন যে পরিমাণ টিকা দেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে ২০ শতাংশ বুস্টার ডোজ। অভিজ্ঞতা বলছে, প্রথম বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলির কাছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বাড়তি টিকা আছে। কিন্ত গরিব ও অনুন্নত দেশগুলিতে বেশিরভাগ মানুষই এখনও টিকার একটি ডোজও পাননি। উন্নত দেশগুলি যদি মনে করে, বুস্টার ডোজ দিলেই তারা করোনার হাত থেকে রেহাই পাবে তবে তারা ভুল করছে। বরং সেক্ষেত্রে করোনার সংক্রমণ আরও দ্রুত ছড়াবে।

তাই যে সমস্ত দেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনও টিকা পায়নি সবার আগে সেই সমস্ত দেশগুলিতে টিকা পৌঁছে দেওয়া দরকার। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, করোনার কারণে যে সমস্ত মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন বা প্রাণ হারাচ্ছেন তাঁদের অধিকাংশই টিকা পাননি। তাই বুস্টার ডোজ নিয়ে মাতামাতি না করে বরং যারা করোনা টিকার একটি ডোজও পাননি তাঁদের টিকাকরণের উপর জোর দেওয়া দরকার। 

হু প্রধান আরও বলেন, বর্তমানে করোনার যে টিকাগুলি চালু আছে সেগুলি ওমিক্রন ও ডেল্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। তাই ওমিক্রন ঠেকাতে যে বুস্টার ডোজ দিতেই হবে তার কোন অর্থ নেই। বরং যত শীঘ্র সম্ভব বিশ্বের অন্ততপক্ষে ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া দরকার। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের কমপক্ষে ৭০ শতাংশ মানুষকে যাতে টিকা দেওয়া যায় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। গোটা বিশ্বের ৭০ শতাংশ মানুষ টিকা পেলে তবেই এই ভাইরাস প্রতিরোধের কাজ অনেকটাই এগিয়ে যাবে।

একাধিকবার টিকা বৈষম্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন হু প্রধান। বুধবার তিনি বলেছেন, আর এক সপ্তাহের মধ্যেই বড়দিন ও নববর্ষের মত দুটি বড় ধরনের উৎসব রয়েছে। কিন্তু মানুষ যেন উৎসবে অবাধ মেলামেশা না করেন। বরং বাড়ি থেকেই উৎসব পালন করতে মানুষকে পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাডহোম। 

যারা ওমিক্রন আক্রান্ত বা সন্দেহজনক আক্রান্তের কাছাকাছি যাবেন তাঁরা যেন অবশ্যই সবধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন। বিশেষ করে তাঁদের অবশ্যই মেডিকেল মাস্ক পড়তে হবে। বদ্ধ জায়গায় এন-৯৫ জাতীয় মাস্ক পড়লে অনেকটাই নিরাপদ থাকা যাবে।

Haryana: করোনা টিকা নিয়ে কঠোর সরকার, হই হই কাণ্ড 

News Desk: করোনার ভ্যাকসিনের (corona vaccine) দু’টি ডোজ নেওয়া না হলে আর কেউ জনসমক্ষে আসতে পারবেন না। কোনও বড় জমায়েত বা অনুষ্ঠান, বিয়েবাড়ি বা অন্য যেকোনও ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানেও (social ceremony) উপস্থিত হতে থাকতে পারবেন না তাঁরা। এমনই নির্দেশ জারি করল হরিয়ানা সরকার (hariyana goverment) এই নিয়ম কার্যকর হবে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ (anil viz) এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন।

 স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাঁরা করোনার টিকার দু’টি ডোজ নেননি তাঁরা কোনও সরকারি-বেসরকারি অফিসে যেতে পারবেন না। বাস-ট্রেনে উঠতে পারবেন না। বিয়ে বা অন্য কোনও ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান, হোটেল, রেস্তোরাঁতে আসতে পারবেন না। অর্থাৎ যাঁরা ভ্যাকসিন নেননি তাঁরা গনপরিবহণ ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারবেন না। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ডেল্টা এবং ওমিক্রন দুই ধরনের ভাইরাস থেকে মানুষকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মনে রাখতে হবে, দেশে শীত পড়ছে। শীতেই করোনার বাড়বাড়ন্ত হয়। তাই করোনা প্রতিরোধ করতেই এই নতুন নির্দেশিকা। প্রত্যেককে এই নির্দেশ মেনে চলতে হবে। যাঁরা এই নির্দেশ অমান্য বা উপেক্ষা করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 অনিল এদিন বলেন, সরকার কোনও স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই নির্দেশিকা জারি করেনি। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই নির্দেশ জারি করা হল। এখনও পর্যন্ত হরিয়ানায় ওমিক্রন সংক্রমণের কোনও খবর নেই। তবুও মন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার ওমিক্রনের মোকাবিলা করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভিজ এদিন আরও বলেন, আমরা সকলেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মুখোমুখি হয়েছি। আমরা দেখেছি ওই দ্বিতীয় ঢেউয়ে কিভাবে মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আমরা চাই না, নতুন করে আরও মানুষের মৃত্যু হোক। সে কারণেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকও ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট প্রতিরোধে রাজ্যগুলিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, ওমিক্রন ডেল্টার থেকে তিনগুণ বেশি সংক্রামক। তাই উপযুক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না নিলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই মিলবে না। প্রতিটি রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবকে চিঠি পাঠিয়ে এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।

Omicron: দিল্লিতে বড়দিনের বিধিনিষেধ, জমাটি ভিড়ে দিল দরিয়া কলকাতা

Omicron: Christmas restrictions in Delhi, Darya Kolkata crowded the deposit

News Desk: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। দিল্লিতে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার পর্যন্ত রাজধানীতে মোট ৫৭ জনের শরীরে এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ওমিক্রন ঠেকাতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল দিল্লির বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদ। ফলে বড়দিনের উৎসবে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ হচ্ছে।

দিল্লি বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদ নির্দেশিকার মাধ্যমে বড়দিন এবং নতুন বছরের উদযাপনে অধিক জমায়েতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানও। নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরই প্রশাসনের আধিকারিক এবং দিল্লি পুলিশকে এই নির্দেশিকা পালন করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। দিল্লির সাধারণ মানুষেরা যাতে করোনা বিধি মেনে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমণ রুখতে আগামীদিনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিব এবং বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।

দিল্লিতে বিধিনিষেধ হলেও কলকাতা কিন্তু দিল দরিয়া। আসছে বড়দিন। রাজপথে ভিড় বাড়বে। জমাটি ভিড়ে মত্ত হচ্ছে কলকাতা।

Omicron: উদ্বেগ বাড়ছে, বৈঠকে মোদী

Modi

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রন। সারা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনে আক্রান্ত‌‌ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৩ জন। ওমিক্রনের আশঙ্কায় কোভিড বিধি কঠোর করা হয়েছে ইউরোপের নানা দেশে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ব্রিটেন। ওমিক্রনের ধাক্কায় কাবু ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী লাফতালি বেনেট ইতিমধ্যেই প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা ও ৬০ বছরের উর্ধ্বে সকলকে টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই দেশের ওমিক্রণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০০ পার করেছে। দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের বাড়বাড়ন্তকে মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামিকাল দেশের কোভিড পরিস্থিতির সম্পর্কিত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গত ২ ডিসেম্বর ভারতে প্রথম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্বের কথা জানা যায়। ধীরে ধীরে দেশের একাধিক রাজ্য ছড়িয়ে পড়ছে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। দেশে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২১৩ জন। যার মধ্যে দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ জন এবং মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ জন। ৯০ জন‌‌ রোগী ওমিক্রনে আক্রান্ত হলেও চিকিৎসার‌পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

 

করোনার‌ প্রথম ও‌ দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা পেয়েছে দেশ। তাই দেশজুড়ে ওমিক্রনর চোখরাঙানির‌ আগেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে দেশ।মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি লিখে বলেছেন, ‘গবেষণায় জানা গিয়েছে, ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্ট ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের তুলনায় অন্তত তিনগুণ বেশি সংক্রামক। যুদ্ধকালীন তত্‍পরতায় ওমিক্রন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিতে হবে। পরিস্থিতি যাতে কোনোভাবেই হাতের নাগালের বাইরে না চলে যায় তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে,নতুন ভাবে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

 

বুধবার এইমস দিল্লির ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, ওমিক্রন অন্যান্য ভ্যারিয়ান্টের চেয়ে বেশি ছোঁয়াচে। কোভিডের নতুন ভ্যারিয়ান্ট ঠেকানোর দু’টি পদ্ধতি আছে। যত ‌শীঘ্র সম্ভব ভ্যাকসিন নিতে হবে‌ এবং কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে কোভিড বিধি, তাহলেই ওমিক্রনকে ঠেকানো সম্ভব। তিনি আরও জানান,” আমাদের কাছে এখন সেকেন্ড জেনারেশনের ভ্যাকসিন রয়েছে। কিন্তু নতুন ভ্যারিয়েন্ট মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। চলতি ভ্যাকসিনের সামান্য পরিবর্তন করে ওই ভ্যারিয়েন্টের মোকাবিলা করা যায়। ভ্যাকসিনের বেশকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব‌ যা নিয়ে পরীক্ষা চলছে এবং চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে বাইভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন অর্থাৎ যে ভ্যাকসিন একইসঙ্গে ডেল্টা ও বিটা ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে সক্ষম, এইরকম ভ্যাকসিন তৈরি করা যায়।”

ক্লাস ওয়ানের কবে ক্লাস শুরু? খবর নেই শিক্ষা দফতরের কাছে

নিউজ ডেস্ক: করোনার প্রভাব কাটিয়ে ক্রমশই সুস্থ হয়ে উঠছে দেশ তথা রাজ্য। প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হচ্ছে তাতে এটা স্পষ্ট, বর্তমানে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এই মারণ ভাইরাস। দীর্ঘ ২০ মাস পর নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হলেও এখনও বন্ধ প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের অফলাইন ক্লাস।

কিছুদিন আগে শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল নতুন বছরেই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য স্কুলের দরজা ফের একবার খুলতে চলেছে। এমনকি পড়ুয়াদের অভিভাবকদের হাতে মিড ডে মিলের সামগ্রী তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ওমিক্রণের বাড়বাড়ন্তে সিদ্ধান্ত বদল শিক্ষা দফতরের। জানুয়ারি মাসে প্রাথমিক স্তরে স্কুল খোলার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হবে না। ওমিক্রণের সংক্রমণ এড়াতে ধীরে চলো নীতিতেই আস্থা রাখছে রাজ্য সরকার।

পুস্তক সপ্তাহ পালন নিয়ে বিকাশ ভবন নতুন করে নির্দেশিকা জারি করেছে। বিকাশ ভবনে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে যেহেতু অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকছে তাই রাজ্যের স্কুলগুলিকে সব শ্রেণির পড়ুয়াদের জানুয়ারির ৭ তারিখের মধ্যে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দিতে হবে। সুতরাং,জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে না প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস।

অন্যদিকে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুল খোলার দাবিতে অনড় রয়েছেন শিক্ষক সংগঠনগুলি। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস যত শীঘ্র সম্ভব শুরু হওয়ার দাবি অটল রয়েছেন শিক্ষক সংগঠনগুলি। তবে তাদের দাবি মতো এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়নি রাজ্য শিক্ষা দফতর। কবে থেকে আবার স্কুল যেতে পারবে প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়ারা; তা নিয়ে জটিলতা ক্রমশ আরও জোরালো উঠছে।

WHO: দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন

Omicron spreading rapidly in many country

News Desk: মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্কে পুরো বিশ্ব। এই ধরনটি অধিকাংশ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। জেনেভায় সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন হু প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুস।

বিবিসি জানিয়েছে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭৭টি দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে হু প্রধান বলছেন, এই সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে এবং তা নজিরবিহীন হারে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওমিক্রনের সংক্রমণের ঊর্ধ্ব হারের কারণে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বড় চাপের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা। যদি ধরনটি শরীরে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি নাও করে, তবু এমনটা হবে।

হু প্রধান বলেন, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মারাত্মক শারীরিক জটিলতা বা মৃত্যুর কম ঝুঁকিতে রয়েছেন এমন ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ আপাতত না দেওয়াটাই উচিত। নয়তো যারা সরবরাহের ঘাটতির কারণে এখনো প্রাথমিক ডোজ পাননি তাদের জীবন হুমকির মুখে পড়বে।

Omicron: ব্রিটেনে প্রথম ওমিক্রন শিকার, জরুরি অবস্থা জারি

Experts,  suggestions,  central government, Omicron

News Desk: প্রথম শিকার ব্রিটেনে। মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) আক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনে একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  রবিবার বিবৃতিতে ওমিক্রন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ব্রিটেন সরকার।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ওমিক্রনের একটি উত্তাল ঢেউ আসছে। আর এটা নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। সেটি রোধে এই সপ্তাহ থেকে ইংল্যান্ডে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হবে।

ব্রিটেনে জারি হয়েছে ওমিক্রন সতর্কতার ৪ নম্বর পর্যায়। লেভেল চার মানে করোনার উচ্চ বা ক্রমবর্ধমান ট্রান্সমিশন। গত মে মাসে এরকম সতর্কতা ছিল।

বরিস জনসন বলেছেন আমি ভয় পাচ্ছি যে, আমরা  ওমিক্রনের সঙ্গে যুদ্ধে একটি জরুরি অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছি। সুরক্ষার জন্য কেবল ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ যথেষ্ট নয়। তবে বিজ্ঞানীরা আত্মবিশ্বাসী যে তৃতীয় ডোজ বা একটি বুস্টার ডোজ দিয়ে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

Omicron: বাংলাদেশ থেকে ফিরে প্রৌঢ়ের সংক্রমণ, রাজ্যে ওমিক্রন ঢুকল?

Omicron virus has been found in India

News Desk: পশ্চিমবঙ্গেও কি ওমিক্রন (Omicron) ঢুকে গেল? আশঙ্কা এমনই। বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসা এক ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সেই ব্যক্তি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত কিনা তা নিয়ে চিন্তা।

আক্রান্ত ব্যক্তি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বাসিন্দা। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসেন। সীমান্তে তাঁর পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্টে ধরা পড়েছে তিনি করোনা পজিটিভ।আপাতত তিনি বেলেঘাটার আইডি হাসপাতালে আছেন।

একইভাবে ইংলিশ থেকে আসা এক তরুণীর দেহে মিলেছে করোনাভাইরাস। তিনিও কি ওমিক্রন সংক্রমিত? চিকিৎসকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। বাংলাদেশ থেকে আলা ব্যক্তি বা ইংল্যান্ড থেকে আসা তরুণী সেরকম সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষার ফলাফলে নিশ্চিত হবে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

ঢাকার সংবাদ মাধ্যমের খবর, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল জিম্বাবোয়ে সফর শেষে ফিরতেই দুই ক্রিকেটারের দেহে ওমিক্রন সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। পুরো দলটিকে বিশেষ নজরে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের স্থানান্তর জাহিদ মালিক জানান, দেশে ওমিক্রন ঢুকেছে।

বিদেশ বা অন্যান্য রাজ্য থেকে যারা পশ্চিমবঙ্গে আসছেন তাদের নিয়েই চিন্তা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কর্নাটক সহ আসছেন বহুজন। বিমান বন্দরে সতর্কতা থাকলেও সড়ক ও রেলপথের যাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ বেশি।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ছড়াতে শুরু করেছে বিশ্বজুড়ে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।

Omicron: ভারতের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি এখন সুস্থ

Omicron virus has been found in India

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: দেশের প্রথম ওমিক্রন (omicron) আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল মহারাষ্ট্রে (maharastra)। সম্প্রতি সেই ৩৩ বছর বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁকে হাসপাতাল থেকেও ছেড়ে দেওয়া হলেও এই মুহূর্তে ৭ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। 

এদিকে, এশিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) পর ইউরোপেও (Europe) প্রবল গতিতে করোনা বাড়ছে। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) তরফে জানানো হয়েছে, ইউরোপের দেশগুলি থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে শিশুদের সংক্রমণ বৃদ্ধি। হু (WHO) জানিয়েছে, ৫-১৪ বছর বয়সি শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই বয়সের শিশুরাই সংক্রমণের সর্বোচ্চ হারের জন্য দায়ী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের রিজিওনাল ডিরেক্টর ডাঃ হান্স ক্লুজ জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনে (Omicron) মৃত্যুর হার আগের থেকে অনেক কম। তবে মধ্য এশিয়া সহ ৫৩ টি অঞ্চলে গত দুই মাসে করোনা কেস এবং মৃত্যু দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে হু ইউরোপের সদর দফতর থেকে তিনি বলেন, ‘ডেল্টা ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়া জুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছিল। তবে ভ্যাকসিন এই রোগ রুখে মৃত্যু কমাতে কার্যকর হয়েছে। এখনও দেখা বাকি আছে যে ওমিক্রন অনেক বেশি সংক্রমণ বাড়বে। আরও গুরুতর হতে পারে। ইউরোপে শিশুদের মধ্যে অনেকটাই আক্রান্ত বাড়ছে। কিছু জায়গায় গড় জনসংখ্যার তুলনায় অল্পবয়সী শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের ঘটনা দুই থেকে তিনগুণ বেশি।

এদিকে, রেনবো চিল্ড্রেন্স হাসপাতালের চিকিৎসক, ডাঃ নীতিন ভর্মা বলেন, ‘শিশুরা দ্রুত সংক্রমিত হতে পারে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন এসেছে। তা ছড়িয়েও যাচ্ছে দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে শিশুরাই সবচেয়ে বেশি সংক্রামিত হতে পারে। তাই তাদের সাবধানে রাখা এবং শিশুদের দ্রুত ভ্যাকসিনেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।’ 

Omicron: ওমিক্রন ডেল্টার চেয়েও সংক্রামক: প্রধানমন্ত্রী জনসন

boris johnson

নিউজ ডেস্ক, লন্ডন: করোনাভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্স ওমিক্রন (Omicron) সারা বিশ্বজুড়ে চিন্তা বাড়িয়েছে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের গলায় উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটেছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের জনসন বলেছেন, করোনার ওমিক্রমন ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অনেক বেশি সংক্রামক। বর্তমানে ব্রিটেনে বেশি সংখ্যায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের খবর সামনে এসেছে। এরমধ্যে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, জনসন  বলেছেন যে, কোভিড-১৯ এর নয়া প্রজাতির ব্যাপকতর প্রভাব সম্পর্কে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না। তবে প্রাথমিক যে ইঙ্গিত মিলেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ওমিক্রন ডেল্টার তুলনায় বেশি সংক্রামক। এরইমধ্যে ব্রিটেনে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে মঙ্গলবার ১০১ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। সবমিলিয়ে ব্রিটেনে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৭।

এর আগে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ সোমবার পার্লামেন্টে বলেন, দেশে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের গোষ্ঠী পর্যায়ে সংক্রমণ ছড়ানোর সূত্রপাত হয়েছে। হাউস অফ কমন্সে জাভেদ জানান যে, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টে ৩৩৬ জনের সংক্রমণ সামনে এসেছে। এরমধ্যে ৭১ জন আক্রান্ত স্কটল্যান্ডে এবং ওয়েলসে ৪ জন। তিনি আরও জানান, এমন কিছু সংক্রমণ ঘটেছে, যেগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক যাতায়াতের কোনও সম্পর্ক নেই। এই সংক্রমণগুলি স্থানীয়ভাবেই ঘটেছে। তাই বলা যেতে পারে, ব্রিটেনের অনেক জায়গায় গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। 

ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফ্রিকার অন্যান্য দেশের ওপর যাতায়াত সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ আরোপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি এ ধরনের সিদ্ধান্তকে কঠোর, অবৈজ্ঞানিক ও ভণ্ডামি বলে মন্তব্য করেছেন।

প্যানডেমিকে জন্ম নেওয়া শিশুরা মধ্যমেধার? বলছে চাঞ্চল্যকর গবেষণা

নিউজ ডেস্ক: গত বছর থেকেই ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনা সংক্রমণ। ফলে প্রায় দেড় বছর ধরে আমূল পাল্টে গিয়েছে সকলের জীবন। যার প্রভাব পড়ছে আট থেকে আশি সকলের উপরে। আমেরিকার এক সংস্থার গবেষণা বলছে, এই প্যানডেমিকের প্রভাব সব চেয়ে বেশি পড়েছে শিশুদের উপরে। যার প্রভাব শুধু মানসিক নয়, শারিরীকও। শরীরের আভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক, দুই বৃদ্ধিতেই প্রভাব ফেলেছে প্যানডেমিক।

আরও পড়ুন শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ৭ উপায়, মেনে দেখুন ম্যাজিক

যারা এই সময়টায় জন্ম নিয়েছে তাদের IQ লেভেল প্যানডেমিকের আগে জন্মানো বাচ্চাদের থেকে কম। কারণ জন্মের পরই প্রথম কয়েক বছর বাচ্চাদের জ্ঞান বিকশিত হয়। এই পর্যায়ে বাইরের জগতের সঙ্গে মেলামেশা অত্যন্ত জরুরি বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। কিন্তু করোনার জেরে সেই জিনিসটাই বন্ধ। ফলে বাড়ির চার দেওয়ালই হয়ে উঠেছে বাচ্চার জগত। যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে তার মস্তিষ্কে, মানসিকতায়।

Babies are Big Business - SmallBizDaily

প্যানডেমিকের আগে জন্ম নেওয়া ৩ মাস থেকে ৩ বছরের বাচ্চাদের উপরে একটি সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তাদের ন্যূনতম IQ (Intelligence Quotient) স্কোর আসছে ১০০-র কাছাকাছি। কিন্তু করোনাকালে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তা ৭৮ পেরোচ্ছে না।

আরও পড়ুন যশের ছেলেকে আদরে ভরিয়ে দিলেন নুসরত!

যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডের ৬৭২ জন শিশুর উপর এই সমীক্ষাটি চালানো হয়। যাদের মধ্যে ১৮৮ জনের জন্ম হয়েছে ২০২০ সালের জুলাই মাসের পর। ৩০৮ জনের জন্ম হয়েছে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে এবং ১৭৬ জনের জন্ম হয়েছে ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সিয়ান দেওনি বলছেন, প্যানডেমিক পরিস্থিতিতে বাড়িতে বন্দী থাকায় এবং বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকায় বাচ্চাদের কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট অনেকটাই কম। যদিও বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যতদিন না বাচ্চা প্রাপ্তবয়স্ক হচ্ছে, ততদিন এই IQ স্কোর কম হও য়ার বিষয়টি বোঝা যাবে না। অর্থাৎ, করোনার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে চলেছে তাদের ওপর।

Omicron: বিপদ বাড়িয়ে ভারতেও ঢুকে পড়ল করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট

Omicron also entered India

নিউজ ডেস্ক, বেঙ্গালুরু: করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) রুখতে সময় থাকতেই একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হল না। ভারতেও ঢুকে পড়ল ওমিক্রন। এখনও পর্যন্ত কর্নাটকের (Karnataka) দুই ব্যক্তির শরীরে ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের হদিশ মিলেছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব লব আগরওয়াল এই খবর জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: Covid 19: আতঙ্কের নতুন নাম omicron কেমন ‘খতরনাক’, জেনে নিন

ওমিক্রন প্রতিরোধ করতে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে আসা যাত্রীদের উপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছিল। ওই সমস্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জেনোম সিকোয়েন্সিংয়ের উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। জেনোম সিকোয়েন্সিংয়েই দুজনের শরীরে ওমিক্রনের সন্ধান মিলেছে। আক্রান্ত দুইজনের একজনের বয়স ৪৬ অন্য জনের ৬৬। তবে নিরাপত্তার কারণে ওই দুইজন কোথা থেকে এসেছেন এবং তাঁদের পরিচয় জানায়নি স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

আরও পড়ুন: Omicron: আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রন, দাবি বিশেষজ্ঞদের

লব আগরওয়াল এদিন জানিয়েছেন, আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে মৃদু উপসর্গ রয়েছে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তবে এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে প্রত্যেককেই করোনাবিধি মেনে চলতে হবে। যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে ভিড়। অন্যদিকে করোনা সংক্রান্ত টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভিকে পল জানিয়েছেন, ওমিক্রন রুখতে নতুন করে আর কোনও বিধি-নিষেধ তৈরি করার কথা এখনই ভাবা হচ্ছে না। তবে যে নিয়মগুলি বর্তমানে চালু রয়েছে সেগুলি মানুষকে মেনে চলতে হবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ওমিক্রনকে উদ্বেগজনক ভাইরাস বলে চিহ্নিত করেছে। যে সমস্ত দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেই দেশগুলিকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র। ওমিক্রন রুখতে দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

Omicron: টিকা নিতে নারাজ ইউরোপবাসীকে বাগে আনতে কড়া হুঁশিয়ারি

vaccination incentives

News Desk: নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়াচ্ছে হু হু করে। করোনার মৃত্যু আহ্বানের আমন্ত্রণ এসেছে। অথচ প্রচলিত টিকাগুলি নিতে অস্বীকার করছেন ইউরোপের বেশ কিছু দেশের বাসিন্দারা। শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের ধনী দেশগুলির এই চরম অবৈজ্ঞানিক মানসিকতার কারণে বিশ্ব বিপদের মুখে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

করোনা প্রতিরোধের টিকা নিতে নারাজ বেশকিছু দেশের বাসিন্দারা। হচ্ছে জ্বলন্ত প্রতিবাদ। এই অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে শোরোগোল পড়ল। টিকা বিরোধী জনতার বিক্ষোভ আরও জ্বলন্ত হবে বলেই আশঙ্কা।

বিবিসি জানাচ্ছে, টিকা নেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন। বেলজিয়ামের রাজধানী
ব্রাসেলসে সাংবাদিকের সম্মেলনে তিনি বলেন, টিকা বাধ্যতামূলক করা নিয়ে ঠিক কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা জরুরি। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। আমি মনে করি আলোচনাটা শুরু হওয়া দরকার।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান বলেছেন, ব্যাপক মাত্রায় সংক্রমণে সক্ষম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট রুখতে টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে ওমিক্রন ভয়ে ভীত হয়ে কড়া অবস্থান নিলঅস্ট্রিয়া সরকার। ফেব্রুয়ারি থেকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক হবে এমন ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। গ্রিসে টিকা না নেওয়া ষাটোর্ধ্বদের প্রতি মাসে ১০০ ইউরো করে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

টিকা গ্রহণের শতাংশে জার্মানির অবস্থান নিম্ন সারিতে। দেশটিক পরবর্তী চ্যান্সেলর হতে যাওয়া ওলাফ শলজ জানিয়েছেন, তিনি টিকা বাধ্যতামূলক করার পক্ষে। তিনি বলেন, গত মার্চ থেকেই টিকা বাধ্যতামূলক চেয়ে আসছি। একই সঙ্গে দ্রুতগতির বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রম জরুরি।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত ২২ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন শনাক্ত হয়। ২৪ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) একে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন বা উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে। এর নামকরন করে ওমিক্রন।

অনলাইন নয়, অন সাইকেলে ক্লাস তিলাবনীর কমলাকান্ত স্যারের

kamala kanta Hembram

তিমিরকান্তি পতি বাঁকুড়া: সাইকেল নিয়েই ক্লাস করাচ্ছেন স্যার। এমন ধরা অন সাইকেল ক্লাস চলছে বাঁকুড়ার (Bankura) তিলবনীতে (Tilaboni forest)।কেমন সেই ক্লাস?

চলতি করোনা আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ সমস্ত ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তরফে ‘অনলাইন ক্লাসে’র মাধ্যমে পড়াশনার কাজ চালিয়ে যাওয়া হলেও গ্রামীণ খেটে খাওয়া পরিবার গুলির ছেলে মেয়েরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এই অবস্থায় নিজের সীমিত ক্ষমতার মধ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন বাঁকুড়ার হীড়বাঁধের তিলাবনী হাই স্কুলের শারিরিক শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক কমলাকান্ত হেমব্রম।

kamala kanta Hembram

গরীব ছাত্র ছাত্রীদের কথা ভেবে বাড়িতে বসে ‘ছুটি’ কাটাতে মন চায় চায়নি এই শিক্ষকের। খাতড়ার কদমবেড়া গ্রাম থেকে সাইকেল চালিয়ে প্রায় প্রতিদিন তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন হীড়বাঁধের বেলকানালী, কাজলভোবা, বাউরীডিহা, তিরশুলিয়া, চিতরুঘুটু সহ বেশ কিছু গ্রামে। মূলতঃ এই গ্রাম গুলির ছাত্র ছাত্রীরাই তিলাবনী হাই স্কুলে পড়াশুনা করে। গ্রামের পৌঁছেই একজায়গায় সব ছাত্র ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে তুলে দিচ্ছেন প্রশ্নপত্র। সঙ্গে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাগজ, কলম সহ অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী। পরের সপ্তাহে সেই উত্তর পত্র সংগ্রহ করে ভুল ভ্রান্তি ধরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রশ্নপত্র তুলে দিচ্ছেন তাদের হাতে। এইভাবে বিশেষ ‘টাস্কে’র মাধ্যমে পড়াশুনার মধ্যে ছাত্র ছাত্রীদের রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই শিক্ষক।

kamala kanta Hembram

হীড়বাঁধের তিলাবনী হাই স্কুলে ৪৫০ জন ছাত্র ছাত্রী। যার একটা বড় অংশ খেটে খাওয়া পরিবার থেকে উঠে আসা প্রথম প্রজন্মের সন্তান যারা হাই স্কুলমুখী হয়েছে। কমলাকান্ত হেমব্রম ইন্দাসের শাসপুর হাই স্কুল থেকে বদলি নিয়ে ২০০৭ সালে এখানে আসেন। তখন থেকেই গ্রামের এই ছাত্র ছাত্রীরাই তাঁর কাছে সব। তাদের পড়াশুনার সার্বিক উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থেকেছেন।

কমল স্যারের এই উদ্যোগে খুশি গ্রামের ছাত্র ছাত্রী থেকে অভিভাবক সকলেই। এবিষয়ে শিক্ষক কমলাকান্ত হেমব্রম বলেন, অনলাইন ক্লাস করানোর সুযোগ নেই। স্কুল বন্ধ, তাই ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশুনাও লাটে উঠতে বসেছিল। তাই আর বাড়িতে বসে থাকতে পারিনি। বারবার ছুটে আছে এদের কাছে।

Bhutan: করোনায় মৃত ৩ জন ! ওমিক্রন রুখতে নামলেন ড্রাগন রাজা

Bhutan government starting to prevent covid 19

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: শুরু হয়ে গিয়েছে যুদ্ধ প্রস্তুতি। রক্ষা করতে হবে করোনা বিরোধী শক্তিশালী দুর্গকে। যে দুর্গের বিখ্যাত ড্রাগন দরজা পেরিয়ে অদৃশ্য জীবাণু ঘাতক হামলা করলেও গত দু বছরে তেমন কিছু ক্ষতি করতে পারেনি। এমনই দুর্গ-ভুটান (Bhutan) ফের তৈরি। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত জেলা, মফস্বল, প্রবল ঠান্ডায় কুঁকড়ে থাকা গ্রামাঞ্চলেও চলছে প্রতিরোধের ছক চলছে।

বিশ্ব কাঁপতে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আতঙ্কে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সেটি। বিশেষজ্ঞেররা বলছেন, এই ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার থেকেও ভয়াবহ। করোনাভাইরাস হামলা রুখেছে গুটিকয়েক দেশ। তাদের অন্যতম লাওস, ভিয়েতনাম। তাদেরই সঙ্গে এক সারিতে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশি দেশ ভুটান।

ভুটানের সংবাদ সংস্থা ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি জানাচ্ছে, রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুকের নির্দেশে সরকার সংগ্রহ করছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সর্বশেষ তথ্য। চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ও তাঁর সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেচেন ওয়াংমোর আধুনিক জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে বিশ্বজোড়া প্রশংসিত।

ড্রাগন রাজার ফরমান সরকারের মাধ্যমে ‘ড্রাগনভূমি’র সর্বত্র ছড়িয়েছে। এই ফরমানে বলা হয়েছে, যে অরেঞ্জ ফাইটাররা কোভিড লকডাউন পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করেছিলেন তাদের পরবর্তী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। কারণ, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট আরও ভয়াবহ আকার নিতে চলেছে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

থিম্পুর রাজবাড়ি থেকে নির্দেশ আসতেই ভুটান জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল ব্যস্ততা। নির্দেশ এসেছে, করোনা মোকাবিলায় বিখ্যাত কমলা যোদ্ধাদের (ডি সুং বা ডি সুপ) পরবর্তী ব্যাচগুলিকে দেশের ২০টি জেলাতেই নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে। বিশেষত ভারত লাগোয়া জেলাগুলিতে নজর দিতে বলা হয়েছে।

ভারত ও চিনের মাঝে ছোট দেশ ভুটান। উত্তরে চিনের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা থেকে দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে ভারত লাগোয়া এলাকা নিয়েই চিন্তা ভুটান সরকারের। সড়কপথে বিশ্বের সঙ্গে এদিক দিয়েই সংযোগ রক্ষা করে ভুটান সরকার। ভারত সংলগ্ন ভুটানের জনবহুল জেলাগুলির অন্যতম চুখা, সমদ্রুপ জংখার।

পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, অসম, অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে ভুটানের সীমান্ত। পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জেলা জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারের সঙ্গে ভুটান সংলগ্ন। এখানেই আছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম স্থলপথ বাণিজ্যকেন্দ্র ফুন্টশোলিং-জয়গাঁ সীমান্ত। ভুটানের চুখা জেলার ফুন্টশোলিং ও ভারতের দিকে আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গাঁর মাঝে বিখ্যাত ‘ভুটান গেট’।

করোনা লকডাউন পর্বে এই বিখ্যাত ভুটান গেট বন্ধ করে বিশ্ব থেকে স্থলপথে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল ভুটান। এরপর দেশব্যাপী শুরু হয়েছিল করোনা প্রতিরোধ। সীমান্তের এপারে যখন পশ্চিমবঙ্গে করোনায় মৃত্যু মিছিল চলছিল তখন ওপারে ভুটানের এলাকায় সংক্রমণ রুখতে মরণপণ চেষ্টা চালায় দেশটির সরকার। সেই কাজে তাদের সফলতা দেখে চমকে গিয়েছে দুনিয়া। অদৃশ্য জীবাণু ঘাতকদের হামলা রুখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে বিস্ময় নাম এখন ভুটান। তারা ফের তৈরি।

Covid 19: আতঙ্কের নতুন নাম omicron কেমন ‘খতরনাক’, জেনে নিন

omicron is dangerous

News Desk: বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের কারণ,করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট – ওমিক্রন (omicron)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে সতর্কতা নিতেই হবে।

করোনার সর্বশেষ ‌এই ভ্যারিয়েন্ট কোভিড জীবাণুর সবচেয়ে বেশি মিউটেট হওয়া সংস্করণ। এর মিউেটশনের তালিকা এত দীর্ঘ যে কিছু বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানী একে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর। ওমিক্রন তার যাত্রা শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে।ধারণা করা হচ্ছে এটি অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে।

Experts,  suggestions,  central government, Omicron

বিশ্বজুড়ে মূলত তিনটি প্রশ্ন,
(১)ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট কত দ্রুত ছড়াতে পারবে?
(২)ভ্যাকসিনের সুরক্ষাকে ভেদ করতে পারবে?
(৩)এর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) নতুন এই করোনা ভ্যারিয়েন্টের নাম দিয়েছে ওমিক্রন। বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভ্যারিয়েন্টটি তার রূপ পরিবর্তন করেছে অনেকভাবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সেন্টার ফর এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশনের পরিচালক অধ্যাপক টুলিও ডি অলিভিয়েরা বলছেন, এই ভ্যারিয়েন্টটি অনেক অস্বাভাবিকভাবে মিউটেট করেছে এবং এখন পর্যন্ত অন্য যেসব ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে তার চেয়ে এটি অনেকখানিই আলাদা। তিনি বলেছেন, বিবর্তনের জন্য এটা বড় বড় ধাপ পার হয়েছে। কোভিড জীবাণুতে আমরা সাধারণত যে ধরণের মিউটেশন দেখি এর মধ্যে সেটা অনেক বেশি।

বিবিসি জানাচ্ছে, কোভিডের অনেক ভ্যারিয়েন্ট গবেষণাগারে বিপজ্জনক বলে মনে হলেও পরে তা ভুল প্রমাণিত হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে বেটা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সবাই দুর্ভাবনায় ছিলেন। কারণ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেদ করতে এর কোনও জুড়ি ছিল না। কিন্তু পরে দেখা গেছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এর চেয়েও দ্রুত গতিতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেটা ভ্যারিয়েন্ট শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভেদ করতে পারতো। আর কিছু না। ডেল্টার সংক্রমণ ক্ষমতা ছিল বেশি। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, ওমিক্রন দুই দিক থেকেই সমান পারদর্শী।

Australian Open champion: কোভিড ১৯ টিকাকরণ নিয়ম শিথিল না হলে খেলবেন না নোভাক জোকোভিচ

Australian Open champion Novak Djokovic

Sports desk: নয়বারের চ্যাম্পিয়ন সার্বিয়ান টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে (Australian Open champion) খেলার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা কালো মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। নোভাক জোকোভিচের বাবা সেরাজান জোকোভিচ বলেছেন, কোভিড -১৯ টিকাকরণের নিয়ম শিথিল না করা হলে খেলার সম্ভাবনা নেই।

টিকাবিহীন খেলোয়াড়দের ২০২২ ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না এবং ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ এই ইস্যুতে এখনও নিজের অবস্থান খোলসা করেনি। নোভাক জোকোভিচের বাবা সেরাজান জোকোভিচ সংবাদমাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কোভিড-১৯ টিকাকরণ ইস্যুতে বলেছেন, “এটি ব্ল্যাকমেল এবং শর্তের অধীনে, তিনি সম্ভবত (খেলাবেন না)।” জোকোভিচের বাবার দাবি,”আমি তা করব না। এবং সে আমার ছেলে, তাই আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।”

সেরাজান জোকোভিচের কথায়, “যতদূর ভ্যাকসিন এবং অ-টিকাকরণ সম্পর্কিতবিষয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অধিকার যে আমরা টিকা দেব কি না।” সঙ্গে এও বলেছেন নোভাক জোকোভিচের বাবা,”আমাদের ঘনিষ্ঠতায় প্রবেশ করার অধিকার কারও নেই।”

বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন নয়বার চ্যাম্পিয়ন, এটা একটা রেকর্ড। রজার ফেডেরার এবং রাফায়েল নাদালের সাথে ২০ টি গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের সমান।

অন্যদিকে, স্প্যানিয়ার্ড রাফায়েল নাদাল বলেছেন যে তিনি টুর্নামেন্টে খেলার পরিকল্পনা করছেন, যা মেলবোর্নে ১৭-৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে। তবে রজার ফেডেরার হাঁটুর অস্ত্রোপচার থেকে সুস্থ হয়ে রিহ্যাবিলিটেশন স্টেজের প্রটোকল মেনে ইভেন্টটি মিস করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টুর্নামেন্টের পরিচালক ক্রেগ টাইলি বলেছেন, ৮৫% পেশাদার খেলোয়াড়দের টিকা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি আশা করেন যে ইভেন্টের সময় এই সংখ্যা “৯০-৯৫ % এর মধ্যে হবে” যেখানে অনুরাগী এবং কর্মীদেরও টিকাকরণ না দেওয়া হলে টুর্নামেন্টে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

Omicron: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক

Omicron: Passengers from South Africa must stay in quarantine

New Desk, New Delhi: দক্ষিণ আফ্রিকায় (south africa) করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের (Omicron) খোঁজ মিলেছে সবেমাত্র। কিন্তু এই ভাইরাস এতটাই সংক্রামক ও মারাত্মক যে ওমিক্রনকে (omicron) প্রতিরোধ করতে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল মহারাষ্ট্র (maharastra)। তাই এই রাজ্যে ওমিক্রনকে ঠেকাতে তৎপরতাও সবচেয়ে বেশি। মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর (kishore pednekar) জানিয়েছেন করোনার নতুন ভাইরাসের খবরে মুম্বইয়ের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাই এই ভাইরাসকে ঠেকাতে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আগত যাত্রীদের কোয়ারান্টাইনে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হল।

শুধু তাই নয়, মুম্বই বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আগত যাত্রীদের জেনোম পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের সকলকে মাস্ক পরা, দূরত্ব বৃদ্ধি মেনে চলার মত সাধারণ করোনা সতর্কতা বিধিগুলি মেনে চলতে পরামর্শ দিয়েছেন মেয়র।

তবে শুধু মুম্বই নয়, নতুন ভেরিয়েন্টকে রুখতে একই রকমভাবে সক্রিয় হয়েছে গুজরাত সরকারও। গুজরাত সরকার জানিয়েছে, ব্রিটেন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউরোপ, বাংলাদেশ, চিন নিউজিল্যান্ড এবং জিম্বাবোয়ে থেকে যে সমস্ত যাত্রীরা ফিরবেন তাঁদের বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক। কারণ তাঁরা কোন ঝুঁকি নিতে চান না। করোনার নতুন প্রজাতি যাতে কোনওভাবেই রাজ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

গুজরাত, মুম্বই, পাঞ্জাবের বহু ছাত্রছাত্রী এবং কর্মসূত্রে অনেকেই দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে থাকেন। বড়দিন বা ক্রিসমাসের ছুটিতে ওই সমস্ত পড়ুয়া এবং কর্মরতরা অনেকেই দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। ডিসেম্বর মাস পড়লে দেশে ফেরার এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে। ওই সমস্ত মানুষের মাধ্যমেই ওমিক্রন এদেশে ঢুকে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণেই ওমিক্রনের হাত থেকে বাঁচতে এই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে মুম্বই ও গুজরাত সরকার। করোনা ভাইরাস সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছিল মুম্বইয়ে। বাদ যায়নি গুজরাতও।

সে কারণেই এই দুই রাজ্য ওমিক্রনকে রুখতে প্রথমেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওভাবেই ঝুঁকি নিতে রাজি নন। তাই তাঁরা আগে থাকতেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এই নতুন প্রযুক্তির ভাইরাসকে রুখতে ইতিমধ্যেই জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই পথে হেঁটে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

Covid 19: করোনার নতুন মুখোশ ওমিক্রন ভয়ে স্থগিত WTO সম্মেলন

Covid 19

News Desk: করোনাভাইরাসের (Covid 19) নতুন ধরণ ধরা পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এর নাম ওমিক্রন। এই ধরণটি ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বিপজ্জনক। ফলে বাতিল হয়ে গেল বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক।

আগামী সপ্তাহে হতে চলা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর এই সম্মেলন শুরুর কথা ছিল।

ডব্লিউটিএর মহাপরিচালক নোজি ওকোনজো ইওয়েল বলেন, দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া খুব সহজ বিষয় ছিল না। কিন্তু সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে সব অংশগ্রহণকারী, মন্ত্রী, প্রতিনিধিদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তাই আমার কাছে প্রধান অগ্রাধিকার।

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’কে ইতোমধ্যে ‘উদ্বেগজনক’ বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। ‘ওমিক্রন’কে এখন পর্যন্ত পাওয়া করোনার ভয়াবহ ধরনগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে করোনার এই ধরণটির নাম রাখা হয়েছিল বি.১.১.৫২৯।

দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও বতসোয়ানা, ইজরায়েল ও হংকং, বেলজিয়ামে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি দেশের ওপর ফ্লাইট চলাচলে জরুরিভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ব্রিটেন।