Covid19: দৈনিক আক্রান্ত ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই, দেশে কমছে সুস্থতার হার

40,000 infected daily, the recovery rate is declining in the country

করোনার প্রকোপ বাড়ছে দেশজুড়ে। প্রতিদিনের আক্রান্তের সংখ্যা তার আগের দিনের পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭,৩৭৯। দৈনিক মৃত্যু রয়েছে ১০০-র ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একদিনে করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১,০০৭ জন।

এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৪৯,৬০,২৬১, করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৮২,১৭, এখনও পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৪৩,০৬,৪১৪ জন। দেশে এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১,৭১,৮৩০।

ভারতে সক্রিয়তার হার ০.৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সুস্থতার হার আরও কমে দাঁড়িয়েছে ৯৮.১৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকাকরণ প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। একদিনে করোনা টিকাকরণের সংখ্যা ৯৯,২৭,৭৯৭। দেশে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১,৪৬,৭০,১৮,৪৬৪।

Covid 19: ঊর্ধ্বমুখী করোনার গ্রাফ, দেশে লাফিয়ে বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা

Covid 19: Upward Corona Graph, Number of Active Patients Rising in the Country

News Desk: ভারতে করোনা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে বেড়ে চলেছে দৈনিক সংক্রমণ। তবে একদিনে করোনায় মৃত্যু কমে এসেছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৬৪ জন এবং করোনায় মৃতের সংখ্যা ২২০।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭ হাজার ৫৮৫ জন। ভারতে সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৮.৩৬ শতাংশ। অন্যদিকে, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৩৬১ জন।

দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮০৪, মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৮০। করোনা পর্বে করোনা জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৪২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৬৩।

শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬৬ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৯০। ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা টিকাকরণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৪ কোটি ৫৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৭১৪।

একলাফে ৯ হাজার পেরোল দেশের দৈনিক সংক্রমণ, একদিনে মৃত ৩০২

Corona latest updates

News Desk: করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত গোটা দেশ। এমন সময় দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ বেড়ে ৯ হাজারের গন্ডি পার করল।‌ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা বুলেটিন অঅনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ১৯৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় মৃত ৩০২।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭ হাজার ৩৪৭ জন। এই মুহূর্তে দেশে সুস্থতার হার ৯৮.৪০ শতাংশ। করোনা আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ২ জন।

বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা টিকাকরণের সংখ্যা ৬৪ লক্ষ ৬১ হাজার ৩২১। এখনও পর্যন্ত ভারতজুড়ে মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৪৩ কোটি ১৫ লক্ষ ৩৫ হাজার ৬৪১।

স্টুডেন্টস আইডি কার্ড দেখিয়ে ভ্যাকসিনের জন্য নাম লেখাতে ১৫-১৮ বছর বয়সিরা

15-16 year olds to register for the vaccine by showing the student ID card

প্রতিবেদন, ২৫ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) জানিয়েছেন, আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের জন্য টিকা দেওয়া শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বেশিরভাগ অভিভাবক চিন্তিত ছিলেন কিভাবে তাঁরা ছেলেমেয়েদের জন্য টিকা নেওয়ার আবেদন করবেন! সোমবার সেই কৌতূহলের নিরসন করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (health ministry)।
সোমবার (monday) মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিরা ১ জানুয়ারি থেকে নিজেদের নাম নথিভুক্ত (name registration) করতে পারবে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

কো-উইন অ্যাপের প্রধান আর এস শর্মা বলেছেন, এখনও পর্যন্ত ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের অনেকেরই আধার কার্ড নেই। সেক্ষেত্রে নাম নথিভুক্ত করতে গেলে হয়তো তারা সমস্যায় পড়তে পারে। কিন্তু এতে চিন্তার কিছু নেই। যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের আধার কার্ড নেই তারা স্কুল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া আইডি কার্ডের সাহায্যে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবে। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের অনেকেরই যে আধার কার্ড নেই এটা জানার পরেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে জন্য কো-উইন অ্যাপে বেশ কিছু পরিবর্তনও করা হয়েছে।

আর এস শর্মা আরও বলেছেন অনেক অভিভাবকই তাঁদের ছেলেমেয়েদের আধার কার্ড না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর সরকার এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাই যেসমস্ত ছাত্রছাত্রীর আধার কার্ড তৈরি হয়নি তাদের মা-বাবার দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ তাঁরা স্টুডেন্টস আইডি কার্ড দেখিয়েই কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। যদি কোন ছাত্র-ছাত্রীর স্কুলের আইডি কার্ড না থাকে তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত একটি প্রশংসাপত্র নিয়ে তার মাধ্যমেও নাম নথিভুক্ত করতে পারবে। ৩ জানুয়ারি থেকেই ছোটদের জন্য ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ গোটা দেশেই শুরু হয়ে যাবে বলে শর্মা জানান।

মোদীর ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বললেন এইমসের মহামারী বিশেষজ্ঞ

AIMS epidemiologist calls Modi's decision to vaccinate children unscientific

প্রতিবেদন, ২৫ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, ৩ জানুয়ারী থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ (vaccination) শুরু হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলে মন্তব্য করলেন এইমসের মহামারী বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় কে রাই (sanjay k rai)। এই বিশেষজ্ঞ স্পষ্ট জানালেন, শিশুদের টিকা দিয়ে আদৌ কোনো লাভ হবে না।

বড়দিনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে (speech to the nation) প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বেশিরভাগ রাজ্যেই স্কুল-কলেজ খুলে গিয়েছে। তাই ছোটদের টিকা দেওয়া দরকার। কারণ টিকা দেওয়া হলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে দেশের যে সমস্ত প্রবীণ মানুষ কোমর্বিডিটির সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু শিশুদের টিকা দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি অবৈজ্ঞানিক বলে জানিয়ে দিলেন এইমসের এই বিশিষ্ট চিকিৎসক। রবিবার মহামারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাই বলেন, ছোটদের টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করার আগে সরকারের উচিত ছিল অন্য দেশগুলির দিকে দেখা। এই মুহূর্তে বেশ কিছু দেশে ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেওয়া চলছে। ওই সব দেশের পরিস্থিতি কী তা আগে পর্যালোচনা করা উচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন বিষয়ে যথা সময়ে ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়ে থাকেন। কিন্তু ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটি একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে আমি যথেষ্ট ব্যথিত। ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন চিকিৎসক রাই। নিজের ট্যুইটে পিএমওকে ট্যাগ করেছেন তিনি।

প্রশ্ন হল কী কারণে এই মহামারী বিশেষজ্ঞ ছোটদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলছেন। এ বিষয়ে রাই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, টিকা নেওয়ার পরেও সংক্রমণ আটকানো যাচ্ছে না। টিকা নিয়েছেন এমন বহু মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। ব্রিটেনে রোজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অর্থাৎ অভিজ্ঞতা বলছে, ভ্যাকসিন নিলে সংক্রমণ ঠেকানো যায় না, তবে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায় অনেকটাই। তাই বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে এত তাড়াহুড়োর কিছু ছিল না। বরং উচিত ছিল আগে বড়দের প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা। প্রয়োজনে বুস্টার ডোজ দেওয়া। তাতে মৃত্যুর হার অনেকটাি কমবে। বাচ্চারা করোনা আক্রান্ত হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু বাচ্চাদের এই রোগ বিশেষ কাবু করতে পারছে না। তাই কেন্দ্রের উচিত ছিল, আগে দেশের প্রতিটি মানুষকে টিকা দেওয়া। প্রয়োজনে প্রবীণদের বুস্টার ডোজ দেওয়া। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারছি না।

PM Modi: আগামী বছর থেকেই বুস্টার ডোজ, জানালেন মোদী

vaccination incentives

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: শনিবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, ষাটোর্ধ্ব স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনাযোদ্ধারা সতর্কতামূলক ডোজ পাবেন। ১০ জানুয়ারি থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শের ভিত্তিতে ষাটোর্ধ্বদের জন্য করোনার প্রিকশন ডোজ চালু হবে। 

এদিন মোদী বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ বাড়ছে। ভারতেও বেশ কয়েকজন ওমিক্রন আক্রান্ত। তবে ওমিক্রন নিয়ে অযথা ভয় পাবেন না, সতর্ক থাকবেন। দেশে এই মুহূর্তে ১৮ লক্ষ আইসোলেশন বেড আছে। ১ লক্ষ ৪০ হাজার আইসিইউ বেড আছে দেশে। সবাইকে কোভিড বিধি মানতে হবে। ৬১ শতাংশের বেশি ভারতবাসী ভ্যাকসিনের ডবল ডোজ পেয়েছেন। ৯০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ভারতবাসী প্রথম ডোজ পেয়েছেন। দেশে খুব দ্রুত ন্যাজাল ভ্যাকসিন, ডিএনএ ভ্যাকসিন আসবে। গত ১১ মাস ধরে ভারতে ভ্যাকসিনেশনের প্রক্রিয়া চলছে। করোনা কিন্তু এখনও যায়নি, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর আরও ঘোষণা, আগামী বছর প্রথম সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে ১৮ বছরের নীচে করোনার টিকা৷ ঠিক তার পরের সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে প্রথম দফার করোনার বুস্টার ডোজ৷ মোদীর বক্তব্য, চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে ভ্যাকসিনেশন শুরু করার পর থেকে প্রায় ১৪১ কোটি দেশবাসীকে এখনও পর্যন্ত করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে।