Deltacron : করোনার নতুন উপপ্রজাতিতে বিদ্যমান ডেল্টা এবং ওমিক্রনের বৈশিষ্ট্য

ডেল্টা, ওমিক্রনের পর করোনার আরও একটি উপপ্রজাতির খোঁজ মিলেছে৷ যার নতুন নাম ‘ডেল্টাক্রন’ (Deltacron)। যদিও এই প্রজাতির উদ্ভাবন নিয়ে কিছু সন্দেহ রয়েছে বৈজ্ঞানিক মহলে।

আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক মহলের একাংশের অনুমান, ল্যাবে পরীক্ষানিরীক্ষার সময় কিছু ভুলের কারণে ডেল্টাক্রনের জন্ম হয়েছে। যদিও তা মানতে নারাজ সাইপ্রাসের এক বিজ্ঞানী। তিনি দাবি করেছেন, করোনার এই নয়া উপপ্রজাতি ল্যাবে সৃষ্ট নয়। স্বাভাবিক নিয়মেই মিউটেশন হচ্ছে করোনা ভাইরাসের। ডেল্টা এবং ওমিক্রন উভয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে ডেল্টাক্রনে।

যারা কোভিডে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছেন তাঁদের শরীরের মধ্যে এই ভেরিয়েন্টটি বিদ্যমান। ডেল্টাক্রনের জেনেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড করোনার ডেল্টা প্রজাতির মতো। আবার মিউটেশন ওমিক্রনের মতো।

ভাইরাল জিনগুলি প্রোটিনের ফর্মগুলি নির্ধারণ করে যা বেশ কয়েকটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। ওমিক্রন এবং ডেল্টা প্রত্যেকের স্পাইক প্রোটিনে মিউটেশন রয়েছে যা তাদের মানব কোষে প্রবেশের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে, এর ফলে ওমিক্রন আরও সংক্রামক হয়ে ওঠে। নিক লোমান নামের এক বিজ্ঞানীর মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর অনেক রূপ আরও প্রকাশ্যে আসবে।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ২৫ জনের শরীরে এই নতুন সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোভিড নিয়ে হাসপাতালে যাঁরা ভর্তি হচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে ‘ডেল্টাক্রন’-এর আশঙ্কা কিছুটা বেশি। 

অন্যদিকে সাইপ্রাসের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও বিষয় নেই।

ATK Mohun Bagan : সন্দেশের সঙ্গে করোনার আগমন সবুজ-মেরুন তাবুতে

ATK Mohun Bagan

এটিকে মোহনবাগানে (ATK Mohun Bagan) করোনা (Covid19) সংক্রমণ। শনিবার স্থগিত হয়েছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ম্যাচ। খেলা ছিল ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। জৈব বলয়ে থাকা সত্বেও শিবিরে কী করে করোনা প্রবেশ, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

ওড়িশার বিরুদ্ধে ম্যাচ আপাতত স্থগিত৷ লিগ আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পরে দেওয়া হবে বিকল্প তারিখ। কিন্তু বাগানে করোনা এলো কী করে, এই প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজছেন ক্রীড়াপ্রেমীদের একাংশ৷ আইএসএল- এর প্রতিটা দল রয়েছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে। সংক্রমণ এড়াতে ফাঁকা মাঠে হচ্ছে খেলা। দর্শক প্রবেশ নিষিদ্ধ। তবুও ফুটবলাররা আক্রান্ত হলেন করোনায়।

কেউ কেউ অনুমান করছেন সন্দেশ ঝিঙ্গানের (Sandesh Jhingan) সঙ্গে সবুজ-মেরুন তাঁবুতে করোনা আগমণ। সুদূর ক্রোয়েশিয়া থেকে এসেছেন সন্দেশ। দক্ষিণ ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় এই ডিফেণ্ডারের করোনা রিপোর্টও পজিটিভ। সেখান থেকেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বাকিদের দেহে। রয় কৃষ্ণা, শুভাশিষ বসু, কার্ল ম্যাকহিউ-রা আক্রান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

দলের ডিফেন্স মজবুত করতে নিয়ে আসা হয়েছে সন্দেশকে। গত মরশুমে কলকাতার ক্লাবেই ছিলেন তিনি। সেখান ভাগ্য পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন ক্রোয়েশিয়ায়। নতুন টিমের সঙ্গে গা ঘামালেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না তিনি। চোট সমস্যাও যথেষ্ট ভুগিয়েছে তাঁকে। অন্য দিকে লোপেজ হাবাসের অন্যতম ইউএসপি শক্তপোক্ত রক্ষণভাগ। এবার কাজে আসছিল তা কোচের এই পরিকল্পনা। দল যেমন বিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে, তেমনই হজমও করেছে। ফলত এখনও শেষ চার নিশ্চিত করতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। হাবাস বিদায় নিয়েছেন। নতুন কোচ হিসেবে আনা হয়েছে জুয়ান ফেরান্দোকে। তিনিও ডিফেন্স নিয়ে চিন্তিত। তাই ভাবা হয়েছিল সন্দেশের কথা।

Omicron: চিনে এবার ওমিক্রন গোষ্ঠী সংক্রমণ

Omicron

চিনে ফের গোষ্ঠী সংক্রমণ। তিয়ঞ্জিন প্রদেশে অনেকেই ওমিক্রনে (Omicron) আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। শক্ত হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে চিনা (China) সরকার।

প্রথম থেকে অতিমারি পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কড়া মনোভাব শি জিন পিং- এর সরকার। প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছিল পরীক্ষা৷ সাধারণ মানুষের দেহে কর্ণ ভাইরাস প্রবেশ করেছে কি না, তা খোঁজ করতে চলেছে লাগাতার টেস্ট। ধারাবাহিক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের র‍্যাডারে ওমিক্রণ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চিনের শুরু হয়েছে ওমিক্রনিক গোষ্ঠী সংক্রমণ।

বন্দর শহর তিয়ঞ্জিনে খোঁজ মিলেছে ওমিক্রণ আক্রান্তের। এখনও পর্যন্ত দু’জনের শরীরে করোনার এই উপপ্রজাতি প্রবেশ করেছে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নির্দিষ্ট কোন জায়গা থেকেই সংক্রমনের সূত্রপাত। যদিও এ ব্যাপারে পোক্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও উপনীত হতে পারেনি চিন সরকার। আপাতত ভাবনার কেন্দ্র বিন্দুতে তিয়ঞ্জিন শহর।

জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে অতিমারির বিরুদ্ধে অনমনীয় চিন। সংক্রমণ লাগামছাড়া হলে ফের লকডাউনের সম্ভাবনা। ব্যহত হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্য। যা যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পক্ষে নেতিবাচক৷ তিয়ঞ্জিন বন্দর শহর হওয়ায় আরও উদ্বিগ্ন চিন সরকার। ব্যবসার চাকা সচল রাখতে মরিয়া বেজিং।

Mamata Banerjee : করোনা আক্রান্তদের ঝুড়ি ভর্তি সুস্থতার বার্তা পাঠাচ্ছেন মমতা

Mamata Banerjee

অভিনব উদ্যোগ শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যজুড়ে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে নবান্ন। পাঠানো হচ্ছে উপহার। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বার্তা।

করোনা (Covid19)  আক্রান্তদের সুস্থতা কামনায় প্রস্তুত করা হয়েছে ফলের ঝুড়ি। ফলের সঙ্গে থাকছে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘গেট ওয়েল শুন’। অর্থাৎ, সুস্থ হয়ে উঠুন তাড়াতাড়ি। ইতিমধ্যে এমন ১০,০০০ ফলের ঝুড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে সংবাদমাধ্যম সূত্রে। প্রাথমিকভাবে শহর কলকাতা রমধ্যে নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ। গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর। উপহার যাতে সঠিক প্রাপকের হাতে পৌঁছায়, সে ব্যাপারে তদারকি করতে হবে কাউন্সিলরদের।

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেওয়া হবে উপহার। যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেখানে প্রবেশ করবেন না প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। বাড়ি কিংবা অ্যাপার্টমেন্টের গেটের বাইরে রেখে আসবেন ফলের ঝুড়ি। উপহার পৌঁছে দেওয়ার পর ফোন করে তাঁরা জানাবেন প্রাপকদের। প্রাথমিক স্তরে এভাবেই নেওয়া হচ্ছে উদ্যোগ।

বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এখনও পর্যন্ত ২ হাজার ৭৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে মোট ৪০৩ টি কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে রাজ্যে। পজিটিভি রেট ২৩.১৭ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.১৮ শতাংশ এবং ১৯ হাজার ৫১৭ টি বেড এখনও খালি রয়েছে। আন্তঃরাজ্য যাতায়াতের জন্য আবশ্যক করে দেওয়া হয়েছে আরটি-পিসিআর টেস্ট। ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে আগামী ১৫ দিন। প্রয়োজনে আরও বাড়তে আরে বিধিনিষেধ। আভাস দিয়ে রেখেছেন মমতা।

 

Election: সংক্রমণ বেড়ে চলায় অবিলম্বে সভা-সমাবেশ বন্ধ করার জন্য কমিশনকে পরামর্শ

দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধিতে রীতিমত উদ্বেগে রয়েছে কোভিড টাস্কফোর্স। আর কয়েক দিনের মধ্যেই দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Election) নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার কথা। কিন্তু ওই সমস্ত রাজ্যগুলিতে যাতে সব ধরনের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দিল টাস্কফোর্স। বৃহস্পতিবার টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনই যদি সভা-সমিতি, জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা না হয় তাহলে বিপদ আরও বাড়বে।

কয়েকদিন আগেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, মণিপুর, গোয়ায় নির্দিষ্ট সময়েই ভোট গ্রহণ হবে। সংক্রমণ বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই ভোট গ্রহণ করা হবে। আপাতত ভোট পেছানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। কারণ প্রতিটি রাজনৈতিক দলই চাইছে যথাসময়ে নির্বাচন হোক। তাই করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ৫ রাজ্যেই বুথের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এমনকী, ভোট গ্রহণের সময়সীমা বাড়ছে। কিন্তু জনসভা, মিটিং- মিছিলের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি কমিশন।

কিন্তু কমিশনের এই ঘোষণার পরই রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে চিকিৎসকরা। সকলের একটাই প্রশ্ন, করোনার হাত থেকে বাঁচতে যেখানে বারবার দূরত্ব বিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে সেখানে কী করে সভা সমাবেশকে ছাড়পত্র দিচ্ছে কমিশন।

এরই মধ্যে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কোভিড টাস্কফোর্সের প্রধান ভিকে পল নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দিয়েছেন, ভাইরাসের সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে হলে অবিলম্বে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে সবধরনের সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। যদি তা না হয় তবে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। যথাসময়ে ভোট করতে গিয়ে দেশকে ঠেলে দেওয়া হবে চরম বিপদের মুখে। তাই কমিশন যেন সবদিক বিবেচনা করেই নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

Covid19: ওমিক্রন, ইহু…আশঙ্কিত হু

করোনার (Covid19) নতুন ভেরিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’কে ঘিরে আতঙ্কের শেষ নেই মানুষের। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মাসখানেক আগে আসা এই ভেরিয়েন্টটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) থেকে শুরু করে তাবড় তাবড় দেশের রাজনেতাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হু হু করে বাড়ছে ওমিক্রনে সংক্রমিতের সংখ্যা। এদিকে ইউরোপের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার ফলে করোনার একটি নতুন রূপ বিপজ্জনক চেহারা ধারণ করতে পারে। ওমিক্রন বিশ্বজুড়ে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে, এটি প্রাথমিকভাবে আশঙ্কার চেয়ে অনেক কম গুরুতর বলে মনে হচ্ছে এবং আশা জাগিয়ে তুলেছে যে মহামারিটি থেকে দ্রুত সকলে কাটিয়ে উঠতে পারবেন এবং জীবন আরও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসতে পারে।

করোনাভাইরাসের পরপর ধরণ ডেল্টা, ডেল্টা প্লাস, ওমিক্রন, ডেলমিক্রন এবং নবতম সংযোজন ইহু যেমন এসেছে, তেমনই এসেছে ভিন্ন জীবাণু ফ্লোরনা। কর্পোরেট প্রচার সমালোচক বিশেষজ্ঞরা বলছেন জীবাণু আগেও ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিনিয়র ইমার্জেন্সি অফিসার ক্যাথরিন স্মলউড সতর্কবার্তা দেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের হার বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে। যত বেশি ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়বে, তত বেশি সংক্রামিত হবেন মানুষ। এছাড়া সংক্রমণের হাড় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলে আরও একটি নতুন ভেরিয়েন্টের জন্ম হতে পারে। তিনি জানান, ওমিক্রন মারাত্মক, এটি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ওমিক্রনের প্রভাব হয়তো ডেল্টার চেয়ে কিছুটা কম, কিন্তু পরবর্তী ভেরিয়েন্টটি কী করতে পারে তা কে বলতে পারে।

প্রসঙ্গত, মহামারির শুরু থেকে ইউরোপে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি কোভিড মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং ২০২১ সালের শেষ সপ্তাহে ৫ মিলিয়নেরও বেশি ঘটনা সামনে এসেছে। এ বিষয়ে স্মলউড বলেন, “অতীতে আমরা যা দেখেছি তা এখনকার তুলনায় কম ছিল।” তাহলে প্রশ্ন উঠছে, আরও কোনও ভয়ঙ্কর মহামারী বা অতিমারীর সাক্ষী থাকতে চলেছে বিশ্ব?

China: মাত্র তিন করোনা রোগী! ১১ লক্ষ জনবসতির চিনা শহরে লকডাউন

উপসর্গহীন মাত্র তিনজন করোনা রোগী চিহ্নিত। তাতেই ১১ লক্ষ জনবসতির শহরে লকডাউন করে দিল চিন (China)। এই নিয়ে চিনের দ্বিতীয় শহরে লকডাউন হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, হেনান প্রদেশের ইউঝৌ শহরটির গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং নিত্যপণ্য ছাড়া সব দোকানপাট রাতারাতি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

রাজধানী বেজিং থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে ইউঝৌ শহরের সব বাসিন্দাকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যারা স্বাস্থ্য পরিষেবা কাজে নিযুক্ত, তারা বাইরে বের হতে পারবেন।

করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হওয়ার দেশ চীনে এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত ৪ হাজার ৮৪৯ জন। চিনের ৮৬. ৩৮ শতাংশ মানুষ পূর্ণডোজ টিকা পেয়েছেন।

Vaishno Devi: অতিমারি পরিস্থিতি সত্বেও কেন প্রবেশে অনুমতি? মর্মান্তিক মৃত্যুর পর উঠছে প্রশ্ন

বর্ষবরণের রাতেই জম্মু-কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবীর (Vaishno Devi) মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ১২ জন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়। শনিবারই মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির কারণেই এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ কী তা জানতে ইতিমধ্যেই তিন সদস্যের এক তদন্তকারী দল (investigation team) গঠন করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে কমিটিকে তাদের রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে।

তবে বিভিন্ন মহল থেকে বছরের প্রথম দিনের এই ঘটনার জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষের গাফিলতির দিকে আঙুল উঠেছে। সকলেই অভিযোগ করেছেন, গোটা দেশজুড়ে করোনা (corona) ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। জম্মু-কাশ্মীরও তার ব্যতিক্রম নয়। এমনকী, ভূস্বর্গেও ছড়িয়েছে ওমিক্রনের সংক্রমণ। প্রশ্ন হল তার পরেও কিভাবে বৈষ্ণোদেবী মন্দির কমিটি ৫০ হাজার ভক্তকে মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দিল? সাধারণত বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরের ৩৫ হাজার পুণ্যার্থীকে যথাযথ জায়গা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু অতিরিক্ত এই পুণ্যার্থীদের মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি কিভাবে দিল মন্দির কর্তৃপক্ষ?

শুধু তাই নয়, মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল নিতান্তই ঢিলেঢালা। সে কারণেই দুই দল মানুষ যখন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে তখন মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে কাউকেই সেই বিবাদ মেটানোর জন্য এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষ গতকালের ঘটনার জন্য দুই দলের ঝগড়াকে দায়ী করলেও এটা মেনে নেওয়া যায় না।

সকলেই অভিযোগ করছেন, করোনাজনিত কারণে এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে মন্দিরে প্রবেশ করতে দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ সংক্রমণ ছড়ানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে। রাজ্য প্রশাসন ও কেন্দ্রের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এটা কিভাবে করা যেতে পারে?

উল্লেখ্য, স্বরাষ্ট্র দফতরের মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি শনিবারের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান হলেন রাজ্যের লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ সিনহা। লেফটেন্যান্ট জেনারেল তদন্ত উপর বিশেষ নজর রাখছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনায় যারা দোষী সাব্যস্ত হবে তারা কেউই পারবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Omicron: ওমিক্রন চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি মিলল গবেষণায়

Omicron

News Desk: বর্তমানে ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব।‌ অন্যান্য দেশের পাশাপাশি ভারতেও ছড়িয়ে পড়ছে করোনার এই নতুন প্রজাতি। এই সময় এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে ওমিক্রন আক্রান্ত হলে জ্বর, সর্দি-কাশির মত প্রাথমিক উপসর্গ ছাড়াও আরও একটি উপসর্গ রয়েছে।‌

গবেষণায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ওমিক্রন আক্রান্ত হন তাহলে তার ত্বকের সমস্যা দেখা যেতে পারে। এমনকি কেবল ত্বকের কোনো সমস্যা‌ দেখা দিলেও সেই ব্যক্তি ওমিক্রন সংক্রমিত হতে পারেন।

Omicron spreading rapidly in many country

করোনা আক্রান্ত হলে এখন অনেকেরই পায়ে বা আঙুলে গুটি গুটি ঘামাচির মতো ফুসকুড়ি দেখা যাচ্ছে। জ্বালা ও চুলকানির ফলে লাল হয়ে পড়ছে ওই জায়গাটি। এই উপসর্গ দেখা দিলে ওমিক্রন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ওমিক্রনের প্রভাবে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জ্বর বা সর্দি-কাশি হলেই ওই ব্যক্তিকে ওমিক্রনের সন্দেহভাজন হিসেবে গণ্য করা হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>চিকিৎসকদের পরামর্শ, শীতকালে ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচতে হবে। করোনা বিধি মেনে চলতে হবে এবং যতটা সম্ভব ভিড় এলাকা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

ওমিক্রন আতঙ্কের মাঝে স্বস্তির খবর, একসাথে অনুমোদন পেল দুটি ভ্যাকসিন

News of relief amid the Omicron panic, two vaccines approved simultaneously

News Desk: দেশে ওমিক্রন সংক্রমণ বাড়তেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সময় করোনার এই নতুন প্রজাতির মোকাবিলায় একইসাথে করোনার দুটি ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়া হল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মান্ডব্য টুইট করে একথা জানিয়েছেন।

সিডিএসসিও অর্থাৎ সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন ভারতে করোনা প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য কর্বেভ্যাক্স ও কোভোভ্যাক্স ভ্যাকসিন দুটিকে অনুমোদন দিয়েছে। পাশাপাশি, জরুরীভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি ভাইরাল ড্রাগ মলনুপিরাভিরও অনুমোদন পেয়েছে।

হায়দ্রাবাদের বায়োলজিক্যাল-ই সংস্থার তৈরি করোনার ভ্যাকসিন কর্বেভ্যাক্স ভারতে তৈরি প্রথম আরবিডি প্রোটিন সাব-ইউনিট ভ্যাকসিন। একইসাথে কর্বেভ্যাক্স ভারতে তৈরি তৃতীয় ভ্যাকসিন।

অপর ভ্যাকসিন কোভোভ্যাক্সের নির্মাণকারী সংস্থা পুনের সিরাম ইনস্টটিউট অফ ইন্ডিয়া। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অ্যান্টি ভাইরাল ড্রাগ মনুপিরাভির দেশের ১৩ টি সংস্থা তৈরি করবে।

ওমিক্রন আতঙ্কের মাঝেই একসাথে দুটি ভ্যাকসিন এবং একটি অ্যান্টি ভাইরাল ড্রাগের অনুমোদন নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তিকর ঘোষণা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

Omicron: সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া নির্দেশিকা নবান্নের

Covid 19: 6 thousand infected in one day in the country, 351 deaths in Corona

News Desk: বিশ্বজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ব্রিটেনে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখের গণ্ডি পেরিয়েছে। ভারতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যেও‌ বিদেশ ফেরত দুজনের শরীরে মিলেছে ওমিক্রনের হদিশ। রাজ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন। পরিস্থিতির নাগালের মধ্যে রাখতে করা গাইডলাইন প্রকাশ রাজ্য সরকারের। গোটা দেশজুড়ে ওমিক্রন সংক্রমণ ঠেকাতে ছটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

রাজ্য সরকারের প্রকাশিত নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে এরাজ্যে এলে ১৪ দিনের আইসোলেশনে থাকতেই হবে যাত্রীদের। বিমান যাত্রীদের ক্ষেত্রে rt-pcr টেস্ট বাধ্যতামূলক। এই টেস্টের জন্য প্রি বুকিং করতে হবে যাত্রীদের। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, হায়দরাবাদ এবং বেঙ্গালুরুতে সোমবার থেকেই যাত্রীদের সুবিধার্থে সরকারের তরফ থেকে “এয়ার সুবিধা” নামে অনলাইন পোর্টালে প্রি-বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশনে রাখার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নয়া নিয়মের কথা বলা রয়েছে এই গাইডলাইনে।

 

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ ফেরত যাত্রীদের rt-pcr টেস্ট করাতে হবে এবং রিপোর্ট পজিটিভ হলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রোটোকল মেনে চিকিৎসা হবে সেখানে এবং তাদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থাও করা হবে। বিদেশ ফেরত যাত্রীদের নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। রিপোর্ট আসা পর্যন্ত যাত্রীদের আলাদা ঘর বা আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকতে হবে। সংক্রমনের সামান্য উপসর্গ থাকলেও একই নিয়ম লাগু হবে। করোনাই আক্রান্ত যাত্রীদের জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে শুরু করে টয়লেট ও বাথরুম সবই থাকবে আলাদা। পিপিই কি করে তবেই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ঢুকতে পারবেন চিকিৎসক ও কেয়ারগিভাররা।

 

কোনভাবেই যাতে সংক্রমণ না ছড়ায় তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আগেভাগেই গ্রহণ করতে হবে। ১৪ দিন আইসোলেশনের থাকার পর ফের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা করা হবে রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেই তবে রোগীকে তার গন্তব্যস্থানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। অমিক্রণ এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। সেক্ষেত্রে সংক্রমণ কমে গেলে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি রিয়েল টাইম rt-pcr টেস্ট করা হবে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তবেই যাত্রীকে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করা হবে।

১২-১৮ বয়সিদের জন্য একাধিক সংস্থার তৈরি ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্বের পরীক্ষা চলছে

vaccine

Kolkata24x7 Desk: করোনার হাত থেকে বাঁচতে টিকাকরণই একমাত্র পথ, এটা বারেবারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণ চললেও ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের এখনই টিকাকরণের কোনও খবর নেই।

এ বিষয়টি উত্থাপন করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মালা রায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে জানতে চান, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণের জন্য সরকার কি বিশেষ কোনও পরিকল্পনা নিয়েছে? এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সি শিশুর সংখ্যা কত? ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের উপর ভ্যাকসিনের যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে তার ফলাফল কি? এখনও পর্যন্ত কত জনের উপর এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে? ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের উপর টিকাকরণের জন্য দেশে কি কোনও ভ্যাকসিন প্রস্তুত হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে শিশুদের টিকাকরণের জন্য সরকার কি ভ্যাকসিন আমদানি করার কোন পরিকল্পনা করেছে? কতদিনের মধ্যে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু হতে পারে?

মালা রায়ের এই প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ডঃ ভারতী প্রবীণ পাওয়ার জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত একমাত্র ক্যাডিলা হেলথ কেয়ারের তৈরি জাইকভ-ডি ভ্যাকসিনকে জরুরি ভিত্তিতে শিশুদের শরীরে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে।

ওই পরীক্ষার অন্তর্বর্তী রিপোর্ট সংস্থার পক্ষ থেকে ডিসিজিআইয়ের কাছে পেশ করা হয়েছে। একইভাবে ২ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের জন্য সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার তৈরি টিকা কোভোভ্যাক্সের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। পাশাপাশি জনসন এন্ড জনসন এবং বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেডের মতো কয়েকটি সংস্থার তৈরি ভ্যাকসিনেরও তৃতীয় পর্বের পরীক্ষা চলছে। ওই সমস্ত সংস্থার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট এসে পৌঁছনোর পর তা খতিয়ে দেখা হবে। যদি ওই রিপোর্ট সন্তোষজনক হয় তাহলে শিশুদের টিকাকরণের অনুমতি দেবে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া।

মন্ত্রী আরও জানান, এই মুহূর্তে শিশুদের টিকাকরণের জন্য ভ্যাকসিন আমদানি করার তেমন কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। তবে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি শিশুদের উপর প্রয়োগের জন্য ভ্যাকসিন আমদানির বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। এই মুহূর্তে গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি শিশুর সংখ্যা ১৪ কোটি ৫২ লাখ ১৪ হাজার বলে মন্ত্রী জানান।

Delhi High Court: বুস্টার ডোজ সরকার দেবে না কেন, কেন্দ্রের কাছে জবাবদিহি আদালতের

covid booster shot

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: করোনার মতো মারণব্যাধি প্রতিরোধ করতে কেন বুস্টার ডোজ (booster dose) দেওয়া হবে না, কেন্দ্রের কাছে তার জবাব চাইল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court )। শুক্রবার আদালত স্পষ্ট জানায়, আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে কখনওই বুস্টার ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বুস্টার ডোজ সংক্রান্ত বিষয়ে যত শীঘ্র সম্ভব কেন্দ্রীয় সরকারকে (central goverment) তার মতামত জানাতে বলল হাইকোর্ট।

করোনা প্রতিরোধ করতে ইতিমধ্যেই আমেরিকা (America) ও ইউরোপের (Europe) কয়েকটি দেশে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, ভারত সরকার চাইছে চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে টিকার দু’টি ডোজ দিতে। যদিও সরকার নিজের ঠিক করা সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। চলতি পরিস্থিতিতে বুস্টার ডোজ নিয়ে মোদী সরকারকে নিজেদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে জানাতে বলল দিল্লি হাইকোর্ট।

এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি বিপিন সিংঘি এবং বিচারপতি জসমীত সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চে করোনা সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয়। এই মামলায় দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বুস্টার ডোজ নিয়ে বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের মতামত খতিয়ে দেখেন। বেঞ্চ এদিন বলে, বুস্টার ডোজের বিষয়ে ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা কোনও জোরদার সওয়াল করেননি। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে রোগ প্রতিরোধ করতে হলে বুস্টার ডোজ আবশ্যিক।

আমরা জানি, বুস্টার ডোজ দেওয়া যথেষ্টই ব্যয়বহুল। তবে দেশের মানুষের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সকলকেই একেবারে বিনামূল্যেই বুস্টার ডোজ দিতে হবে। দেশের খুব কম মানুষই আছেন যারা এই বুস্টার ডোজ কিনবেন। সরকারের উচিত নয়, মানুষের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখে বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। যেহেতু বুস্টার ডোজ দেওয়ার খরচ অনেকটা বেশি সম্ভবত সে কারণেই সরকার এখনই বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে না। যদিও এটা একেবারেই ঠিক নয়।

কারণ আমরা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা দেখেছি। নতুন করে আমরা ফের এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চাই না। সে কারণেই বুস্টার ডোজ দেওয়া আবশ্যিক। তাই সরকার জানাক, বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে তারা কী ভাবনাচিন্তা করছে।

একইসঙ্গে বেঞ্চ এদিন বলে, ভ্যাকসিনের বহু ডোজ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সেই সমস্ত ভ্যাকসিনের মেয়াদও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। তাই আরও জোর গতিতে টিকাকরণ করতে হবে।

শিশুদের টিকাকরণ নিয়েও দুই বিচারপতির বেঞ্চ এদিন মুখ খুলেছে। বিচারপতিরা বলেন, বিশ্বের বহু দেশে ইতিমধ্যেই শিশুদের টিকাকরণ চলছে। আমাদের দেশেও স্কুল-কলেজ খুলে গিয়েছে। তাই শিশুদের টিকাকরণও দ্রুত শুরু হওয়া দরকার। এ বিষয়ে সরকার কী ভাবছে তা আমাদের জানা দরকার।

Covid19: সংক্রমণ রুখতে বুস্টার ডোজ আবশ্যিকতার কোনও প্রমাণ মেলেনি: আইসিএমআর ডিরেক্টর

covid

নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid19) প্রতিরোধ করতে ইউরোপ ও আমেরিকায় (america) ইতিমধ্যেই বুস্টার ডোজ (booster dose) দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে এখনও পর্যন্ত ১০০ শতাংশ মানুষ টিকার দুটি ডোজ পাননি।

তাই আলোচনা শুরু হলেও বুস্টার ডোজ নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের সেভাবে উদ্যোগী হয়নি। এরই মধ্যে বুস্টার ডোজ নিয়ে মুখ খুললেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (ICMR) প্রধান চিকিৎসক বলরাম ভার্গব (Balaram Bhargav)।

ICMR-Director
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (ICMR) প্রধান চিকিৎসক বলরাম ভার্গব

আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর বলেন, করোনা প্রতিরোধ করতে বুস্টার ডোজ আবশ্যিক এমন কোনও বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ মেলেনি। তাই সরকার এখনই বুস্টার ডোজ নিয়ে বিশেষ কিছু ভাবছে না। বরং দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে করোনার টিকা দেওয়াকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। সবার আগে দেশের প্রতিটি মানুষকে টিকার দুটি ডোজ দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

সম্প্রতি ভারতেও বিভিন্ন মহলে বুস্টার ডোজ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। চলতি সপ্তাহেই বুস্টার ডোজ এবং শিশুদের টিকাকরণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সরকারের সর্বোচ্চ সংস্থা ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসারি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশনের জরুরী বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকের প্রাক্কালে আইসিএমআর-এর ডিরেক্টরের এই মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট-সহ অনেকেই কেন্দ্রের কাছে বুস্টার ডোজ শুরু করার অনুমতি চেয়ে ছিলেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য জানান, সরকারের কাছে পর্যাপ্ত টিকা মজুত আছে। তবে বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে সরকার কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। আইসিএমআর যদি বুস্টার ডোজ দেওয়ার কথা বলে তখন সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ করবে। উল্লেখ্য ভারতে এখনও পর্যন্ত ৮৩ শতাংশ মানুষ টিকার একটি ডোজ এবং ৪৩ শতাংশ মানুষ দুটি ডোজ পেয়েছেন।

ভ্যাকসিন না হলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের পর মিলবে না রেশন

vaccine

নিউজ ডেস্ক: ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রমাণপত্র দাখিল করতে না পারলে উপভোক্তারা আর ভর্তুকি মূল্যে রেশন (ration) পাবেন না। ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে অর্থাৎ ২০২২-এর ১ জানুয়ারি থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে ভর্তুকি মূল্যে রেশন নিতে গেলে গ্রাহককে অবশ্যই করোনার দু’টি টিকা নেওয়ার শংসাপত্র দেখাতে হবে। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নয়, মধ্যপ্রদেশ সরকার (madhyapradesh) এই নির্দেশ জারি করেছে।

মধ্যপ্রদেশের খাদ্য দফতরের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক গ্রাহককে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ অবশ্যই নিতে হবে। টিকা নেওয়া হলে তবেই তাঁরা আগামী বছর রেশন পাবেন। বর্তমানে অবশ্য গণবণ্টন ব্যবস্থায় টিকা নেওয়া হোক বা না হোক সকলকেই রেশন দেওয়া হয়। তবে শুধু গ্রাহকদের জন্য নয়, রেশন ডিলারদের (ration dealer) জন্যও একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে মধ্যপ্রদেশ সরকার।

vaccines

সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রেশন ডিলারদের সুনিশ্চিত করতে হবে যে, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি গ্রাহকের ভ্যাকসিন (vaccine) নেওয়া হয়েছে। সে কারণে প্রতিটি রেশন ডিলারকে নিজেদের দোকানের সামনে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত সর্বশেষ যাবতীয় তথ্য টাঙিয়ে রাখতে হবে। যারা রেশন নিচ্ছেন তাঁরা যে সকলেই ভ্যাকসিন পেয়েছেন সে বিষয়টিও নিশ্চিত করার দায়িত্ব রেশন ডিলারের। যদি কোনও গ্রাহকের ভ্যাকসিন না হয়ে থাকে তবে তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থাও করতে হবে রেশন ডিলারকে। প্রতি সপ্তাহে নিকটবর্তী হাসপাতালের কাছে রেশন ডিলারকে যাদের ভ্যাকসিন নেওয়া হয়নি তাদের নামের তালিকা জমা করতে হবে।

রাজ্যের খাদ্য ও গণবণ্টন দফতরের মুখ্য সচিব ফয়েজ আহমেদ কিদোয়াই (kidoai) বলেছেন, উপভোক্তা ও দোকানদার উভয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, বেশকিছু রেশন ডিলার সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন। তাই সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না। সংক্রামিত ডিলারের মধ্যে যেমন গ্রাহকরা আক্রান্ত হতে পারেন তেমনই গ্রাহকদের থেকেও রেশন ডিলাররা সংক্রমিত হতে পারেন। সে জন্যই এই কড়াকড়ি। তাছাড়া টিকা নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে।

<

p style=”text-align: justify;”>৩১ ডিসেম্বরের (december) পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। মানুষ যাতে করোনার ভ্যাকসিন নিতে এগিয়ে আসেন সে কারণেই ‘নো ভ্যাকসিন নো রেশন’ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য মধ্যপ্রদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্যের ১০০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তবে বিরোধী কংগ্রেসের দাবি, রাজ্য সরকারের যে লক্ষ্যের কথা বলেছে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে উৎসাহী করতে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তাই এখন সরকার নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে রেশন ডিলারদের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে।

টিকা নিলেই মিলবে ফ্রিজ-ওয়াশিং মেশিন-কালার টিভি: অভিনব উদ্যোগ পুরসভার

vaccination incentives

News Desk, Mumbai: বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন করোনা প্রতিরোধ করতে ভ্যাকসিনই শেষ কথা। কিন্তু তারপরেও বহু মানুষ ভ্যাকসিন এড়িয়ে যাচ্ছেন। যদিও দেশে করোনা এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এমন নয়। তাই মানুষ যাতে টিকা নিতে আরও বেশি করে এগিয়ে আসেন সেজন্য এক বিশেষ কর্মসূচি নিল পুরসভা। পুরপ্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে করোনার টিকা নিলে কালার টিভি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্রিজের মতো বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হবে। এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর পুরসভা ( chandrapur municipality)।

বৃহস্পতিবার পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের ১২ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে পুরসভা একাধিক টিকাকরণ শিবির করবে। এই শিবিরে যারা টিকা নেবেন তাদের জন্য থাকবে বিশেষ লাকি ড্র। এই লাকি ড্রয়ের মাধ্যমে টিকা প্রাপকরা রঙিন টিভি, ওয়াশিং মেশিন, মিক্সার গ্রাইন্ডার, ফ্রিজের মতো একাধিক আকর্ষণীয় পুরস্কার পাবেন।

পুরসভার মেয়র সঞ্জয় কাঞ্চারলাওয়ার (sanjay kancharalawar) পুরসভার এই বিশেষ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। পুরসভার কমিশনার রাজেশ মোহিত (rajesh mohit) সাধারণ মানুষকে পুরসভার টিকাকরণ শিবিরে টিকা নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেছেন।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী বিভিন্ন ব্যক্তি, দোকানদার এবং ব্যবসায়ীরা যদি করোনার ভ্যাকসিন না নিয়ে থাকেন তবে তাঁদের শহরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। সবজি বিক্রেতা বা যে সমস্ত ব্যক্তি শহরের বাজারে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করেন তাঁদেরকেও বাধ্যতামূলকভাবে টিকা নিতে হবে। কারণ তাঁরা প্রতিদিন বহু মানুষের সংস্পর্শে আসেন। শুধু ঠিকা নেওয়াই নয় সঙ্গে রাখতে হবে টিকা নেওয়ার শংসাপত্রও (certificate)।

উল্লেখ্য, বুধবার চন্দ্রপুর জেলায় নতুন করে কয়েকজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। তবে মৃত্যুর কোনও খবর নেই। এ ঘটনায় পুরসভার পক্ষ থেকে টিকাকরণে মানুষকে উৎসাহ দিতে এই অভিনব পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হল। জানা গিয়েছে, চন্দ্রপুর শহরে এখনও পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ মানুষ টিকার একটি ডোজ পেয়েছেন। এক লাখ মানুষ পেয়েছেন টিকার দু’টি ডোজ। কিন্তু এই শহরের মোট জনসংখ্যার তুলনায় টিকাকরণের হার যথেষ্টই কম। মানুষ যাতে টিকা নিতে আরও বেশি করে এগিয়ে আসেন তার জন্যই এই অভিনব উদ্যোগ চন্দ্রপুর পুরসভার।

Covaxin : দীপাবলির সকালে আরও এক সুখবর শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

Covaxin

News Desk: দীপাবলীর সকালেই আরও এক সুখবর শোনালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে ভারতীয় সংস্থা ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে হু। বৃহস্পতিবার সকালে হু-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাচ্চাদের টিকা করণের জন্য খুব শীঘ্রই ছাড়পত্র দেওয়া হবে কোভ্যাকসিনকে।

বৃহস্পতিবার হু-র শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন বলেন, শিশুদের উপর কোভ্যাকসিনের পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। শিশুদের উপর কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা অত্যন্ত ভালো বলে প্রমাণ হয়েছে। এখন শুধুমাত্র ড্রাগ কন্ট্রোলারের অনুমতির অপেক্ষা। ড্রাগ কন্ট্রোলারের অনুমতি মিললে শিশুদের শরীরে কোভ্যাকসিন প্রয়োগে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। উল্লেখ্য, দেশে শিশুদের উপর কোভ্যাকসিনের পরীক্ষা বেশ কিছুদিন আগেই শুরু করেছিল ভারত বায়োটেক।

আমেরিকার সংস্থা ফাইজারের টিকাও শিশুদের জন্য উপযুক্ত। কিন্তু ফাইজারের টিকা শুধুমাত্র ১২ বছরের উর্ধ্বে থাকা শিশুরাই পেয়ে থাকে। শেষ পর্যন্ত হু যদি ছাড়পত্র দেয় তবে ২ বছর থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য কোভ্যাকসিন শীঘ্রই আসতে পারে দেশের বাজারে। তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে।

এদিন টিকা নির্মাতা সংস্থা ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিন ভাগে ভাগ করে তারা শিশুদের উপর কোভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালিয়েছে। প্রথম ধাপে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সি, দ্বিতীয় ধাপে ৬ থেকে ১২ এবং তৃতীয় ধাপে ২ থেকে ৬ বছর বয়সিদের টিকা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে যত জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে তাদের সকলের শরীরেই তৈরি হয়েছে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। এ থেকেই প্রমাণ হচ্ছে যে শিশুদের উপরেও কোভ্যাকসিন যথেষ্ট কার্যকর।

এখন গোটা দেশ তথা বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে হু-র দিকে। কারণ যত তাড়াতাড়ি হু-র ছাড়পত্র মিলবে তত তাড়াতাড়ি শিশুদের টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন করানোর তৃতীয় ঢেউ শিশুদের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। সে কারণে খুব তাড়াতাড়ি শিশুদের টিকা দেওয়ার কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ভারত বায়োটেকের দাবি, তারা যে সমস্ত শিশুদের উপর টিকা প্রয়োগ করেছিল তাদের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রায় ৭৯ শতাংশই কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি টিকা দেওয়ায় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়নি।

Covid 19: কোভ্যাকসিনকে অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃতি

Covaxin

News Desk, New Delhi: শেষ পর্যন্ত কোভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দিল অস্ট্রেলিয়া। সোমবার অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, ১২ বছর বা তার বেশি বয়সিরা যদি কোভ্যাকসিন টিকা নিয়ে থাকেন তাহলে তারা অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন।

করোনাজনিত পরিস্থিতিতে গত দেড় বছর ধরে বিদেশি পর্যটকদের আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল অস্ট্রেলিয়া সরকার। এবার সেই কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল করা হল।

অস্ট্রেলিয়ায় সরকার এদিন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এবার থেকে কোনও অস্ট্রেলিয় নাগরিক বিদেশ থেকে ফিরলে তাঁকে আর কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না। কোভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দেওয়া ভারতের পক্ষে উল্লেখ্যযোগ্য খবর বলা যায়। ভারত ইতিমধ্যেই প্রতিবেশি বহু দেশকে কোভ্যাকসিন পাঠিয়েছে। তাই যে সমস্ত দেশের নাগরিকরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদেরও অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে আর কোনও সমস্যা হবে না। অস্ট্রেলিয়ার সরকারের এই সিদ্ধান্তে বহু বিদেশি ছাত্র, দক্ষ কর্মী ও পর্যটক সেদেশে যেতে পারবেন।

গত সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু কোভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি না দিলেও চলতি সপ্তাহেই এই স্বীকৃতি মিলতে পারে বলে খবর। ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা ভারত বায়োটেক হুকে তাদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর জানিয়েছে। সব ধরনের নথিপত্রও পেশ করেছে।

হুর সহকারী ডিরেক্টর জেনারেল মারিয়ানগেলা সিমা জানিয়েছেন, ভারত বায়োটেকের কাছ থেকে তাঁরা সমস্ত তথ্য পেয়েছেন। এই সমস্ত তথ্য তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। যদি তাদের সব প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হয়ে যায় তবে খুব শীঘ্রই তাঁরা কোভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দেবেন। হুর স্বীকৃতি মিলে কোভ্যাকসিনের চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

২-১৮ বছর বয়সিরাও পাবে করোনার টিকা, কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই

corona vaccine

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দুর্গাপুজোর পুণ্য লগ্নে কেন্দ্রের কাছ থেকে দেশবাসীর জন্য এল এক সুখবর। করোনাজনিত কারণে এবার উৎসবের আনন্দ অনেকটাই ম্লান। এখন গোটা দেশ করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় প্রহর গুনছে। এরই মধ্যে মহাসপ্তমীর দিন দুপুরে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানাল, ২ থেকে ১৮ বছর বয়সিরাও এবার করোনার টিকা পাবে। এ জন্য জরুরি ভিত্তিতে ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া বা ডিসিজিআই।

শিশুদের জন্য এই ছাড়পত্র আসার খবরে অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তির ছোঁয়া। এদিন ডিসিজিআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা দেওয়ার জন্য কোভ্যাকসিনকে জরুরিভিত্তিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই দেশজুড়ে শিশুদের টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে। করোনার তৃতীয় ঢেউ ও রুখতে এই সিদ্ধান্ত বিশেষ কার্যকরী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণের জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই জাইকোভ -ডি ও কোভ্যাকসিনকে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেলের কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। খবর ছিল শিশুদের কথা মাথায় রেখে এই দুটি ভ্যাকসিনকেই ছাড়পত্র দেওয়া হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেকের ভ্যাকসিন ডিসিজিআইয়ের অনুমতি আদায় করে নিল।

এদিন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কিছু বলা না হলেও অনুমান করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়ার খবর সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

কয়েক দিন আগেই এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সঞ্জয় রাই বলেছিলেন, ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি কোভ্যাকসিনের মত ছোটদের জন্য কোভ্যাকসিনও শিশুদের পক্ষে যথেষ্ট নিরাপদ, সুরক্ষিত ও কার্যকর। তাই শিশুদের জন্য তৈরি কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিলে কোনও সমস্যা হবে না।

মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ভারত বায়োটেক শিশুদের জন্য তৈরি টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা পর্ব শেষ করার পর তার ফলাফল জমা দিয়েছিল ডিসিজিআইয়ের কাছে। একই সঙ্গে সংস্থা জরুরিভিত্তিতে টিকা ব্যবহারের ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য আবেদনও জানিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ওই সমস্ত পরীক্ষার রিপোর্ট ও সংস্থার দাবি খতিয়ে দেখে ড্রাগনকন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিল। এই এই ছাড়পত্র মেলায় খুব শীঘ্রই শিশুদের টিকাকরণ শুরু হবে বলে অনুমান। যা অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা দূর করতে অনেকটাই সহায়ক হবে।

Center Alert: কোভিডের জাল ভ্যাকসিন সম্পর্কে রাজ্যকে সতর্ক করল নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক: ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮ কোটিরও বেশি মানুষকে কোভিড ভ্যাকসিনের (vaccine) প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউের উদ্বেগের মধ্যে সরকার টিকাকরণের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। একদিকে যেখানে দেশে মানুষকে দ্রুত করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে আন্তর্জাতিক বাজারে নকল ভ্যাকসিন সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় একটি নকল কোভিডশিল্ড ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে৷ যার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO) উদ্বেগ প্রকাশ করে সমস্ত দেশকে সতর্ক করেছে।

রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ভুয়ো ডোজ নিয়ে রাজ্যগুলিকে একটি চিঠি লিখেছে৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, টিকা দেওয়ার আগে তাদের অবশ্যই স্যাম্পল পরীক্ষা করতে হবে। মন্ত্রক আসল এবং নকল ভ্যাকসিন সনাক্ত করার জন্য মানদণ্ডের একটি তালিকা শেয়ার করেছে৷ এই তালিকা অনুসারে, কোভিশিল্ডের ভ্যাকসিনগুলি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মানদণ্ডে ভ্যাকসিনের লেবেল কী, তার রঙ, ব্র্যান্ডের নাম সম্পর্কে তথ্য, সনাক্তকরণের জন্য তিনটি ভ্যাকসিনে শেয়ার করা হয়েছে।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হাতে এসেছে৷ তাতে বলা হয়েছে, ভারতের প্রাথমিক কোভিড -১৯ (covid19) ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি এই দাবি করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দেশজুড়ে ধরা পড়েছে। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্যেই অসুস্থ মানসিকতার লোকদের কারণে অনেক জীবন বিপদে পড়ছে৷ যারা এই দুর্যোগেও সুযোগ নিচ্ছে৷ ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮.৪৬ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।