Dinesh Karthik: প্রোটিয়ার্সদের বোলিং লাইন আপ টিম ইন্ডিয়ার কাছে চ্যালেঞ্জিং

Dinesh Karthik

Sports desk: ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করার পর, ভারত সেঞ্চুরিয়নে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরকারী দলের প্রস্তুতি এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রাক্তন ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান দীনেশ কার্তিক (Dinesh Karthik) বলেছেন যে “এটি ভারতের জন্য সেরা সুযোগ” প্রোটিয়াদের তাদের ঘরে হারানোর।
কার্তিক এই নিয়ে বলেছেন,”অবশ্যই, শতভাগ, ভারতের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের ঘরের কন্ডিশনে মোকাবেলা করার এটাই সেরা সুযোগ এবং সম্ভবত এটি জিততে এবং বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে জিতে যেতে পারে। আমি বলছি কারণ ভারতের একটি শক্তিশালী ফাস্ট বোলিং লাইনআপ রয়েছে এবং তাদের কাছে খুব ভালো সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি খুব ভালো ব্যাটিং লাইনআপ রয়েছে”। নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার সাইমন ডলের সঙ্গে একটি চ্যাটারে দীনেশ কার্তিক একথা বলেছেন।

কার্তিক দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণেরও প্রশংসা করে বলেছেন, তাদের ব্যাটিং লাইনআপ “অরক্ষিত” এবং তারা কিছু খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল।

প্রসঙ্গত, শেষবার যখন ভারত ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেছিল, তারা প্রতিটি খেলায় কঠিন লড়াই করেছিল। কিন্তু তিন টেস্টে মাত্র একটি খেলায় জিতেছিল।ভারত কখনও দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি।

দীনেশ কার্তিক চ্যাটারে বলেছেন “অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার খুব ভালো বোলিং লাইন আপ রয়েছে, বিশেষ করে ফাস্ট বোলাররা- (কাগিডো) রাবাদা, (অ্যানরিচ) নর্টজে, (ডোয়াইন) প্রিটোরিয়াস এবং তাদের পছন্দ। তবে যখন তাদের ব্যাটিংয়ের কথা আসে তখন এটি বেশ দুর্বল, তারা ফায়ার করার জন্য এক বা দুইজন খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীল। তাদের বাকিদের কাছে ভারতের মতো উচ্চমানের বোলিং লাইন আপ পরিচালনা করার মতো অভিজ্ঞতা বা উপায় নেই। সুতরাং, অবশ্যই, এই পর্যায়ে আমার অর্থ ভারতে থাকবে।”

প্রাক্তন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক আরও বলেছেন, বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলের ব্যাটসম্যানরা কীভাবে শীর্ষ শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান বোলিং’র বিরুদ্ধে যাবে তা দেখা আকর্ষণীয় হবে।

ওই চ্যাটারে দীনেশ কার্তিক প্রোটিয়ার্সদের বোলিং লাইন আপ নিয়ে নিজের মত রেখে বলেছেন, “আমি মনে করি যে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার সময় চ্যালেঞ্জ ধরে কারণ তাদের আত্মবিশ্বাস বেশি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটিং কীভাবে রূপ নেয় তা দেখা সত্যিই আকর্ষণীয় হবে, এটি একটি বড় বিষয়। ভারত যদি পার্টনারশিপ সেলাই করার উপায় খুঁজে পায়(ব্যাটিং জুটি গঠন ম্যাচে) এবং প্রতিবার যখন কেউ ব্যাট করতে যায় তখন দুয়েকটি শতরান করে, তবে আমি মনে করি ভারত অস্ট্রেলিয়ায় যা অসাধারণভাবে করেছে, তা করার পথে ভাল হবে।”

ক্রিকেটের ইতিহাসের পাতা ঘাটলে দেখা যাবে, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজে কেবলমাত্র তিনটে দল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা প্রোটিয়ার্সদের হারাতে পেরেছে।

Eileen Ash: প্রয়াত ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রবীণ মহিলা টেস্ট ক্রিকেটার

Eileen Ash

নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রবীণ মহিলা টেস্ট ক্রিকেটার ও বিশ্ব ক্রিকেটের দিদা নামে পরিচিত এলিন অ্যাশ (Eileen Ash)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১১০ বছর। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ও বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির পক্ষ থেকে শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।

১৯১১ সালের ৩০ অক্টোবর তাঁর জন্ম হয় লন্ডনে। ১৯৩৭ সালে তার টেস্ট অভিষেক হয় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ও পরে সবমিলিয়ে তিনি মোট সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন। মূলত ডানহাতি মিডিয়াম পেসার ছিলেন। ৭টি টেস্টে ২৩ গড়ে ১০টি উইকেট পান। তিনি ১৯৪৯ সালে অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেন। ২০১৭ মহিলা বিশ্বকাপের ফাইনালে লর্ডসে বেল বাজিয়ে তিনি শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। ২০১৯ সালে তাঁকে এমসিসির আজীবন সদস্যপদ দেওয়া হয়। ইসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে টুইটারে তাঁর মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ক্রিকেট বিশ্ব।

এলিন ১৯৩৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক করেন। ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার ৭ টি ম্যাচে ১০ টি উইকেট নেন এবং ১৯৪৯ সালে তিনি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলে ক্রিকেটকে বিদায় জানান। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি সিভিল সার্ভিস, মিডলসেক্স এবং সাউথ অফ ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন। শুধু তাই নয় এই মহিলা দেশের হয়েও কাজ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি গুপ্তচরের দায়িত্বও পালন করেছেন।ব্যক্তিগত জীবনে মাত্র ১৮ বছর বয়সে সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রায় ১১ বছর গোয়েন্দা সংস্থা এমআই সিক্সের হয়ে কাজ করেছিলেন। তবে পরবর্তীকালে ফের ক্রিকেট জগতে ফিরেছিলেন তিনি।

সবচেয়ে বেশি বছর বয়স হওয়ার জন্য ক্রিকেট দুনিয়ার কাছে তিনি ছিলেন ‘দিদা’। আইসিসি বিবৃতিতে লিখেছে, ‘১১০ বছর বয়সে অ্যাশের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। ১৯৩৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাশের জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল। তিনি একজন অসাধারণ মহিলা, যিনি এক দুরন্ত জীবনযাপন করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে এবং পরে সব মিলিয়ে সাতটি টেস্টে তিনি দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ১৯৪৯ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেছিলেন।’ ইসিবি-র তরফ থেকেও দেওয়া হয়েছে শোক বার্তা। লেখা হয়েছে, ‘ইংল্যান্ড ক্রিকেট তাদের পরিবারের এক প্রবীণ সদস্যকে হারাল। চলে গেলেন এলিন অ্যাশ। মৃত্যুকালে সময় হয়েছিল ১১০।’

Courtney Walsh: ভারতীয় উপমহাদেশের অ্যাওয়ে সিরিজে রুপকথার নায়ক

Courtney Walsh

Sports desk: ইতিহাসে কোনো ফাস্ট বোলার কোটনি ওয়ালশের (Courtney Walsh) মতো অ্যাওয়ে সিরিজে উইকেট পাননি। ২৭৪ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গ্লেন ম্যাকগ্রা। জেমস অ্যান্ডারসন ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দ্রুত বোলার-এই তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন, তার মাত্র 36% ডিসমিসাল হোম থেকে এসেছে।

200 টিরও বেশি উইকেট নেওয়া দশজন দ্রুতগতির বোলারদের মধ্যে ওয়ালশের গড় 25.03 এবং স্ট্রাইক রেট 57 মার্শাল, অ্যামব্রোস, হ্যাডলি এবং ম্যাকগ্রার চেয়ে খারাপ, তবে ওয়ালশ ওয়াসিম আক্রম এবং ওয়াকার ইউনিসের সাথে আছেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে থেকে এগিয়ে অ্যান্ডারসন এবং জাহির খান থেকে।

এশিয়ায় মহাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে দ্রুতগতির বোলারদের জন্য সবচেয়ে কঠিন ছিল – ওয়ালশ সমস্ত তর্ককে ব্যাকফ্রুটে ঠেলে দিয়ে সেরা সফরকারী ফাস্ট বোলার ছিলেন; তার 20.53 গড় (76 উইকেট) এবং 45 এর স্ট্রাইক রেট ওয়েস হলের সংখ্যার চেয়ে (সামান্য) খারাপ, মহাদেশের পিচে 54 উইকেট নিয়েছিলেন,এমন সময়ে যখন অনাবৃত পিচ ঢেকে রাখা হতো না কভার দিয়ে।

মার্শাল এবং ডেল স্টেইন – যাঁরা উভয়েই এশিয়াতে আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, এবং যাদের রেকর্ডে তাদের মুকুটে রত্ন রয়েছে – ওয়ালশের তুলনায় এশিয়ার গড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যদিও স্টেইনের স্ট্রাইক রেট ভাল।
কোটনি ওয়ালশকে বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ফর্মে দেখা গিয়ছিলো। তার কেরিয়ারের বেশিরভাগ সময় এশিয়ার সেরা দুই দলের বিরুদ্ধে (ভারত -পাকিস্তান) দেশে ২৯টি ইনিংসে চার বা তার বেশি উইকেট নিয়েছিলেন।

কোটনি ওয়ালশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের সোনালি সময়ের প্যাকের মাঝখানে অনেকটা জায়গা জুড়ে, সমসাময়িক অন্যান্য দ্রুতগতির বোলারদের

স্পষ্ট পারফরম্যান্সের পার্থক্যের দিক দিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ালশের বাইশ গজের সার্ভিস কেরিয়ারে এশিয়াতে জিতেছে এমন চারটে টেস্ট ম্যাচ ( সাতটি হেরেছে এবং ছয়টি ড্র করেছে), এই সময়ে ওয়ালশ 16.04 গড়ে 21 উইকেট শুধুমাত্র এশিয়া মহাদেশের পিচে।

ক্যারিবিয়ানদের জয়ের ক্ষেত্রে তার সেরা পারফরম্যান্স ১৯৮৬ লাহোর টেস্ট ম্যাচ, যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে 7 উইকেট ওই সময়ে এককথায় দুরন্ত পাকিস্তান দলকে উড়িয়ে দিয়েছিল এবং 1987 সালে দিল্লি টেস্ট, যেখানে ওয়ালশ দ্বিতীয় ইনিংসে 5 উইকেট নিয়ে একটি সিরিজ নির্ধারণ জয়ের অসামান্য নজির স্থাপন করেছিলেন।

1994 সালে মোহালিতে তার 5 উইকেট শিকার এবং প্রথম ইনিংসে ভারতের হয়ে শতরান করা মনোজ প্রভাকরের নাক ভাঙতে ওয়ালশের দুর্ধর্ষ লিফটার ক্রিকেটের ইতিহাসে ভয়ঙ্কর সত্য সঙ্গে পড়তে পড়তে উত্তেজনার মোড়কে নির্মম বাস্তব।

এছাড়াও 1980 সময়ে ফিরে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের দীর্ঘ অপরাজিত সিরিজের ধারাটি ভাঙতে বাধা দেয় কোটনি ওয়ালশ। পরের বছর অস্ট্রেলিয়া অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অপরাজিত থাকার বাধা টপকে ক্যারিবিয়ানদের ক্রিকেটের বাইশ গজে দাপুটে রাজত্বর সমাপ্তি ঘটায়।

এমন এক যুগ সন্ধিক্ষণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের দাপুটে পতনের মাঝের সময়েও কোটনি ওয়ালশ শুধুমাত্র নিজের খেলাকে তুলে ধরেন এমন এক আঙ্গিকে, যেখানে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট সাম্রাজ্যের চরম পতন বাইশ গজে একপ্রকার সময়ের অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

এই ৬ ক্রিকেটার বিয়ে করেছেন তাদের আত্মীয়কে

cricketers-wife

অফবিট ডেস্ক: কিছুদিন আগে পাকিস্তানি ক্রিকেটার বাবর আজম তার দূরসম্পর্কের বোনের সাথে বাগদান সারার পর গোটা বিশ্বে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাকে।

আবার অনুরাগীদের এক অংশ তাদের সুখময় ভবিষ্যত এর কামনা করে শুভেচ্ছাবার্তাও জানিয়েছেন। তবে তিনিই প্রথম বেক্তি নয় যিনি পরিবারের মধ্যে বিয়ে সারতে চলেছেন। এই তালিকায় রয়েছে বীরেন্দ্র সেহবাগ থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের নাম। জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু ক্রিকেটারের গল্প যারা নিজেদের আত্মীয় বা দূরসম্পর্কের বোনকে বিয়ে করেছিলেন:

virender-sehwag-with-wife

১. বীরেন্দ্র সেহবাগ
প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার ২০০৪ সালে আরতি আহলাওয়াতের সাথে বিয়ে করেছেন। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে আরতি সেহওয়াগের আত্মীয়ের মেয়ে, এবং সম্পর্কে একপ্রকার বোন। সেহবাগ এবং আরতি তিন বছর ধরে একে অপরকে ডেট করার পরে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Shahid-Afridi-with-wife

২. শাহিদ আফ্রিদি
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি ২০০০ সালের ২২ অক্টোবর নাদিয়াকে বিয়ে করেন, যিনি সম্পর্কে তার মামার মেয়ে। বর্তমানে এই দম্পতি ৫ কন্যা সন্তানদের নিয়ে সুখে সংসার করছেন।

Saeed-Anwar-with-wife

৩. সাঈদ আনোয়ার
পাকিস্তানের প্রাক্তন ওপেনার সাঈদ আনোয়ার ১৯৯৬ সালে তার চাচাতো বোন লুবনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ২০০৩ সালের বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক অবসর গ্রহণ করেন।

Mustafizur-Rahman-with-wife

৪. মুস্তাফিজুর রহমান
২০১৯ সালের বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমান তার মামাতো ভাই সামিয়া পারভিনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী।

Mosaddek-Hossain-with-wife

৫. মোসাদ্দেক হোসেন
বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন ২০১২ সালে তার চাচাতো বোন শারমিন সামিরার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর।

Babar-Azam-wife

<

p style=”text-align: justify;”>৬. বাবর আজম
পাকিস্তানের বর্তমান অধিনায়ক বাবর আজম তার দূরসম্পর্কের বোনের সাথে বাগদান সারলেন ২০২১ এর জুলাই মাসে। সামনের বছর তাদের বিয়ে হওয়ার কথা আছে।

প্রয়াত কিংবদন্তী অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন টেস্ট তারকা ক্রিকেটার অ্যাশলে ম্যালেট

Australia Ashley Mallett

Sports Desk: প্রাক্তন টেস্ট স্পিনার অ্যাশলে ম্যালেট ক্যান্সারের সাথে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে ৭৬ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন, শনিবার। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া একজন নম্র মানুষ হিসাবে স্মরণ করা হয় অ্যাশলে ম্যালেটকে। শান্তভাবে কথা বলার স্বভাবের মানুষ অ্যাশলের ডাকনাম ছিল “রাউডি”, এই ডাকনাম তার স্বভাবের একেবারে বিপরীত ছিল।

অ্যাশলে ম্যালেট ১৯৬৮ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তার অভিষেক ঘটে। গোটা ক্রিকেট কেরিয়ারে ৩৮ টি টেস্ট খেলে ২৯.৮৪ গড়ে ১৩২ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭২’র অ্যাডিলেডে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫৯ রানে ৮ উইকেট অস্ট্রেলিয়ায় ফিঙ্গার স্পিনারের হিসেবে অ্যাশলের পারফরম্যান্স আজও প্রশংসিত।

কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে পারফরম্যান্সকে অ্যাশলে ম্যালেটের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিসংখ্যান হিসেবে ধরা হয়। ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজে ১৯৬৯-৭০ ভারত সফরে, অ্যাশলে ২৮ উইকেট নিয়েছিলেন ভারতের বিরুদ্ধে, যা আজও অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফরে অ্যাশলে ম্যালেটের এই পারফরম্যান্সকে একটি বিরল সিরিজ জয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে আলোচিত হয়ে আসে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান রিচার্ড ফ্রয়েডেনস্টাইন বলেছেন, “অ্যাশলে ম্যালেট একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়, প্রশংসিত সাংবাদিক এবং অত্যন্ত প্রশংসিত লেখক ছিলেন।” “তিনি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে শুধুমাত্র একজন খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, একজন অসাধারণ লেখক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যিনি সকল সময়ে মানুষের উপভোগ করার জন্য গেমের সেরা কিছু স্মৃতি এবং মুহূর্তগুলোকে সংরক্ষণ করেছিলেন। “অ্যাশলে একজন নম্র স্বভাবের মানুষ ছিলেন যা তার কাজগুলোকে তাঁর সংরক্ষিত ব্যক্তিত্ব জীবনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।”
অ্যাশলে ম্যালেট তার ক্রিকেট কেরিয়ার শেষ হওয়ার পর অনেক তরুণ স্পিনারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন, স্পিন অস্ট্রেলিয়া প্রোগ্রাম এবং শ্রীলঙ্কায় স্পিন একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রয়াত অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তী ক্রিকেটার অ্যাশলে ম্যালেট ব্যাটিং গ্রেট ভিক্টর ট্রাম্পার এবং সহযোগী স্পিন উইজার্ড ক্ল্যারি গ্রিমেটের জীবনী সহ অসংখ্য বই লিখেছেন।

ক্রিকেট খেলতে গিয়েই চাকরি হারিয়েছিলেন সর্বাধিক সময় টেস্ট খেলা ক্রিকেটার

Emglish Rhodes

Special Correspondent, Kolkata: সবথেকে বেশীদিন টেস্ট খেলার রেকর্ড আছে তাঁর। ১৮৯৮ থেকে ১৯৩০ পর্যন্ত টেস্ট খেলেন। তাঁর টেস্টে অভিষেক হয় ভিক্টর ট্রাম্পারের সাথে, যা ডব্লু জি গ্রেসের জীবনের শেষ টেস্ট। ৫৩ বছর বয়সে যখন রিটায়ার নিচ্ছেন তখনও বল হাতে চরম কৃপণ। সেই তাঁকেই ক্রিকেট খেলার জন্য হারাতে হয়েছিল চাকরি। এক ভয়ঙ্কর ভুল করেছিলেন যে উইলফ্রেড রোডস।

ইংলিশ রোডসের জন্ম ইয়র্কশায়ারের কার্কহিটনে, ১৮৭৭ সালে। টেস্ট ক্রিকেটের জন্মও সে বছরই। বাবার নাম ছিল আলফ্রেড রোডস, কার্কহিটন ক্রিকেট দলের দ্বিতীয় একাদশের ক্যাপ্টেন ছিলেন তিনি। সন্তান উইলফ্রেডকেও ক্রিকেটার হতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন, কিনে দিয়েছিলেন ক্রিকেটের সরঞ্জামও। উইলফ্রেডের বয়স যখন ১৬ বছর, তখন ক্রিকেটটাকে গুরুত্বের সাথে খেলতে শুরু করেন, কিছুদিনের মধ্যে ঢুকেও যান কার্কহিটনের দ্বিতীয় একাদশে। সেই সাথে একটা চাকরি নিতে হয় স্থানীয় রেলওয়েতে। ভালোই সামলাচ্ছিলেন দু’দিক। কিন্তু একদিন সঠিক সময়ে মাঠে পৌঁছানোর জন্য রেলের ঘণ্টা বাজাতে ভুলে যান, ফলে চাকরিটা হারাতে হয় তাঁকে।

এটাই শাপে বর হয়েছিল তাঁর। একটা খামারে কাজ নেন তিনি, ক্রিকেটে আরও বেশি মনোযোগ দিতে সক্ষম হন। এদিকে মাঠের খেলায় ক্রমেই উন্নতি করছিলেন, যার ফলে কার্কহিটনের প্রথম একাদশে ঢুকে যান। শুরু হয় উইলফ্রেড রোডসের উত্থান।

পেশাদার ক্রিকেট জীবন শুরু হয় স্কটল্যান্ডের গালা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে। সে সময় ব্যাটিংয়ে ওপেন করতেন তিনি, ডান হাতে ব্যাট করতেন। আর বল করতেন বাঁ হাতে, মিডিয়াম পেস বোলার ছিলেন। প্রথম মৌসুমে নেন ৯২ উইকেট। সে সময় নিজের বলের কার্যকারিতা লক্ষ্য করে পেস বোলিং থেকে স্পিনে সরে আসেন। পরের মৌসুমে উইকেট কম পেয়েছিলেন বটে, তবে গড়ের চেহারাটা ভালো হয়েছিল আগের চেয়ে। এরপর আর গালা ক্রিকেট ক্লাবে থাকার মানে হয় না। এমসিসির একজন সদস্যের পরামর্শে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে খেলার জন্য চলে আসেন ইংল্যান্ডে।

Emglish Rhodes

চেষ্টা করেন ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবে।খেলার। কিন্তু অর্থ সমস্যার কারণে তারা ফিরিয়ে দেয় উইলফ্রেডকে। বাধ্য হয়ে উইলফ্রেড যান ইয়র্কশায়ারের দরজায়। সে সময় ববি পিলের বদলি হিসেবে একজন বাঁহাতি স্পিনার খুঁজছিল ইয়র্কশায়ার। একটা ট্রায়াল ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে যান উইলফ্রেড। কিন্তু সেই ম্যাচে তার পারফরম্যান্স হলো জঘন্য। ফলাফল, ইয়র্কশায়ার নিতে রাজি হলো না তাকে।

উইলফ্রেডের কপাল খোলে ১৮৯৮ সালে। হেডিংলি’র নেটে বল করার জন্য ডাকা হলো তাকে, সেখান থেকে সুযোগ পেয়ে গেলেন কিছু প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলার। সেই বছরেরই ১২ মে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হলো তার। সুযোগ পেয়েই চমক দেখালেন, প্রথম ম্যাচেই তুলে নিলেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠলেন, ৪৫ রানের বিনিময়ে নিলেন ১৩ উইকেট। মৌসুম শেষ করলেন ১৫৪ উইকেট নিয়ে, যে কারণে ১৮৯৯ সালে যে পাঁচজন ‘উইজডেন ক্রিকেটার অফ দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হলেন, তাদের একজনের নাম উইলফ্রেড রোডস। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি।

৫৮ টি টেস্টে ২৩২৫ রান (২ টি শতরান সহ) ও ১২৭ টি উইকেট তাঁর নামে আছে। সর্বোচ্চ ১৭৯ ও সেরা বোলিং ৮/৬৮। ৩২ বছরের প্রথম শ্রেণির কেরিয়ারে ম্যাচে ৫৮ খানা শতরান সহ ৩৮,৯৬৯ রান করেন। সর্বোচ্চ ২৬৭ অপরাজিত। ১৯৭ খানা অর্ধশতরান ও করেন তিনি। বল হাতে প্রথম শ্রেণির খেলায় ৪২০৪ টি উইকেট পান যা এখনো প্রথম শ্রেণিতে সর্বোচ্চ। ২৮৭ বার প্রথম শ্রেণিতে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেন তিনি। ম্যাচে ১০ উইকেট নেন ৬৮ বার। সেরা বোলিং ২৪ রানে ৯ উইকেট। ক্যাচ ধরেছেন ৭৬৪টা, যা সপ্তম সর্বোচ্চ। ৩০,০০০ রান আর ২,০০০ উইকেটের যে এলিট ক্লাব আছে, তার সংখ্যা মাত্র ৪ জন। একজন উইলফ্রেড রোডস, বাকি তিনজন জর্জ হার্স্ট, ফ্রাঙ্ক উলি এবং ডব্লিউ জি গ্রেস। সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার দখলে, খেলেছেন ১,১১০ ম্যাচ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্রাঙ্ক উলি, তিনি খেলেছেন ৯৭৮ ম্যাচ। এবং রোডস হচ্ছেন ক্রিকেট ইতিহাসের একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের এক মৌসুমে ১০০০ রান করেছেন এবং ১০০ উইকেট নিয়েছেন ১৬ বার!

ভারতে কোয়াড্রাঙ্গুলার খেলেছেন, খেলেছেন মঈন-উদ্-দৌল্লাতে। ভিজির দলেও খেলেছেন। ক্রিকেটের এত গুলো রেকর্ড যাঁর পকেটে তিনি ঢাকা পড়েছেন টি২০ ক্রিকেটের আড়ালে।

ক্রিকেটারদের ঝোঁক কেন রুপোলি পর্দার নায়িকাদের প্রতি?

cricketers-are-married-to-B

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ক্রিকেট এবং সিনেমা ভারতের সবচেয়ে বিনোদনমূলক দুটি ক্ষেত্র। এ দেশে এই দুটি পেশার সাথে জড়িত মানুষদের সাধারণত একটি বিশাল সংখ্যক অনুরাগী হয়।

ভারতে বহুবার এই দুই ক্ষেত্রের মেলবন্ধন হতে দেখা গিয়েছে বিয়ের পিঁড়িতে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে এমন অনেক উদাহরণ দেখা যায় যারা বলিউড অভিনেত্রীকে বিয়ে করেছেন।

virat-kohli-and-anushka-sha

১. বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা
অবশ্যই, তাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলেন বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মা। দুজনের প্রথম দেখা একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের সেটে এবং পরে কয়েক বছর একে অপরের সাথে ডেটিং করেছিলেন। কয়েক বছর আগে, দুজনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। এই দম্পতি ২০২১ এর শুরুতে ভামিকা নামে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।

Yuvraj-Singh-and-Hazel-Keec

২. যুবরাজ সিং ও হ্যাজেল কিচ
যুবরাজ সিং বরাবরই মহিলা মহলে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। তার সাথে বেশ কয়েকজন বলিউড অভিনেত্রীর প্রেম বহুবার চর্চায় থেকেছে। কিন্তু কয়েক বছর আগে যুবরাজ সিং হ্যাজেল কিচকেই তার প্রেমিকা হিসেবে ঘোষণা করেন। তারা বছর দুয়েক আগে বিয়েও করেছেন।

Harbhajan-Singh-and-Geeta-B

৩. হরভজন সিং ও গীতা বাসরা
হরভজন সিংও একজন ক্রিকেটার যারা বলিউড অভিনেত্রীকে বিয়ে করেছেন। পাঞ্জাবের এই স্পিনার ২০১৫ সালে বলিউড অভিনেত্রী গীতা বসরার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রাথমিকভাবে, দুজন কয়েক বছর ধরে ডেটিং করছিলেন এবং পরে তাদের সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যান।

Zaheer-Khan-and-Sagarika-Gh

৪. জাহির খান ও সাগরিকা ঘাটগে
জহির খানকে ভারতের সর্বকালের সেরা একজন বাঁহাতি শিমার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাহির চাক দে ইন্ডিয়া খ্যাত সাগরিকা ঘাটগেকে বিয়ে করেছেন, যিনি এই ছবি ছাড়াও বেশ কয়েকটি হিন্দি এবং মারাঠি ছবিতে অভিনয় করেছেন। ২০১o সালে দুজনের বিয়ে হয়।

Hardik-Pandya-and-Natasa-St

৫. হার্দিক পন্ডিয়া ও নাতাশা স্ট্যান্কোভিচ
হার্ডিক পান্ডিয়া এই তালিকায় যোগ হওয়া সর্বশেষ ক্রিকেটার। আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে দুর্দান্ত করার পর, হার্দিক ভারতীয় দলের টিকিট পেয়েছিলেন। ২০১৯ সালে হার্দিক পন্ডিয়া ও নাতাশা স্ট্যান্কোভিচ তাদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন। আগস্ত নামে তাদের একটি পুত্র সন্তানও আছে।

পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার ডাক ক্রিকেটার ঈষাণ পোড়েলের

Ishan Porel

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্ব উষ্ণায়ন (গ্লোবাল ওয়ামিং) নিয়ে চিন্তিত বিশ্বের সব দেশ। সচেতনতার বার্তা সঙ্গে শিল্পায়ন এবং নগরায়ণের জোয়ারে সবুজ বনানীর ধ্বংস সাধন না ঘটে জোর দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ভাবে। কিন্তু গ্লোবাল ওয়ামিং এখন মানব সভ্যতার সামনে অসুর রুপে এসে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে সমাজের কৃতিরা গ্লোবাল ওয়ামিং’র বিপদ এবং সবুজের বিশাল বিস্তৃতি নিয়ে জোর সওয়াল করে থাকে। এবার বাংলার ক্রিকেটার ঈষাণ পোড়েলও ওই একই পথে হাটলেন। পরিবেশ সচেতনতার ডাক দিয়ে নিজের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে।

সামাজিক মাধ্যমে নিজের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে ঈষাণ পোড়েল লিখেছেন,”কিছু বাস্তব সমস্যা রয়েছে,ছবিতে মুখ প্রকাশের পর”। বাংলার ডানহাতি মিডিয়াম পেসার ঈষাণ পোড়েল যে ছবি পোস্ট করেছেন সেই পোশাকে টবের মধ্যে ছোট ছোট গাছের ছবি রয়েছে,যা ঈষাণের পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার ডাককে তুলে ধরে।

Ishan Porel

ঈষাণ পোড়েলের কেরিয়ার গ্রাফের দিকে তাকালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২২ ম্যাচের ৩২ ইনিংসে ৬১ উইকেট নিয়েছেন, এই স্তরে সেরা বোলিং ৩২ রানে ৫ উইকেট। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটার হিসেবে ৩০ ম্যাচে ৩০ ইনিংসে ৪৭ উইকেট ঝুলিতে, সর্বোচ্চ ৩৪ রানে ৬ উইকেট। টি-২০ ফর্ম্যাটে ২০ ম্যাচে ২০ ইনিংসে ৩০ উইকেট সর্বোচ্চ ২৪ রানে ৪ উইকেট চন্দননগর এক্সপ্রেসের ভাঁড়ারে। ২০১৮ সালে ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব -১৯ দলে খেলা ঈষাণ পোড়েল ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট পাকিস্তান অনূর্ধ্ব -১৯ দলের বিরুদ্ধে সেরা রেকর্ড। ওই একই বছর নিউজিল্যান্ড’র মাটিতে ভারতের হয়ে ঈষাণের তাক লাগানো পারফরম্যান্স,১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট।

বাংলার হয়ে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে প্রথম ঈষাণ পোড়েলকে দেখা যায় বিদর্ভের বিরুদ্ধে, ২০১৭ সালে। ঘরোয়া ক্রিকেটে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টে ২০১৯ হরিয়ানার বিরুদ্ধে বাইশ গজে নামেন ঈষাণ। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ( আইপিএলে) কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে ঈষাণ পোড়েল রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ৩৯ রান দিয়ে ১ উইকেট পান। বাংলার হয়ে টি- ২০ ফর্ম্যাটে কলকাতায় হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২৪ রানে ৪ উইকেট সর্বোচ্চ।

Sports Special: দুর্ভাগ্যের ওপর নাম শরবিন্দুনাথ

Sarobindu Nath Banerjee

বিশেষ প্রতিবেদন: একেই বলে দুর্ভাগ্য। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দূর্ভাগ্যের শিকারে পরিণত হওয়া ভারতীয় ক্রিকেটারদের লম্বা তালিকায় খুব সম্ভবত তাঁর নাম শীর্ষে অবস্থান করবে তাঁর। না হলে শেষে ব্যাট করতে নেমে যিনি সাড়ে তিন হাজারের বেশি রান সহ চারশোর কাছাকাছি উইকেট নিয়েছেন তাঁর ভারতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছিল মাত্র একটি। তিনি শরবিন্দুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sarobindu Nath Banerjee @ Shute)।
বুঝতে পারছেন না তো? ভাবছেন এ আবার কোন বাঙালি ক্রিকেটার। আচ্ছা , শুট বন্দ্যোপাধ্যায়। তাও পারলেন না! 

শরবিন্দুনাথ শুট বন্দ্যোপাধ্যায়? এবারও চেনা গেল না তো? স্বাভাবিক। তিনি তো বেশি পরিচিত শুটে ব্যানার্জী নামে। জন্ম ৩ অক্টোবর আজকের দিনেই। ওভালে সারে দলের বিপক্ষে দলের সংগ্রহ ২০৫/৯ । এমন অবস্থায় চান্দু শরতের সাথে বিশাল জুটিতে উঠল ২৪৯ রান। শরৎ অপরাজিত ১২৪ ও তিনি ১২১ রান কার? শুটে ব্যানার্জীর। ত্রিশের দশকের ওই রেকর্ড ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে শেষ উইকেট জুটিতে ২৪৯ রান দ্বিতীয় সর্বাধিক রান ছিল।

Sarobindu Nath  Banerjee

অন ও অফ – উভয় দিকেই স্যুইং করাতে পারতেন শুটে। ১৯৩৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম সফরের পর ইনসুইঙ্গারের উন্নতি ঘটান। মাঝেমধ্যেই আউট সুইঙ্গার করতেন ও লেগ ব্রেকের আদলে স্লোয়ারও দিতেন। খেলোয়াড়ী জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন অবস্থানে ব্যাটিং করেছেন। সচরাচর, নিচেরসারিতেই ব্যাটিংয়ে নামলেও মাঝেমধ্যে ইনিংসের ওপেন করতেও নামতেন তিনি। কারণ প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে বাংলা, হিন্দু, মধ্যপ্রদেশ ও নয়ানগর দলের প্রতিনিধিত্ব করা শুটে ব্যানার্জী দলে মূলত অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন যে। ১৩৮টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলে রান করেছেন ৩৭১৫, সর্বোচ্চ রান ১৩৮, উইকেট নিয়েছিলেন ৩৮৫টি , সেরা বোলিং ২৫ রানে ৮ উইকেট, বোলিং গড় ২৬.৬৮ , ক্যাচ নিয়েছিলেন ৭৪টি । এবার ভাবুন।

১৯৩১-৩২ থেকে ১৯৫৯-৬০ পর্যন্ত শুট ব্যানার্জী’র প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন । তার মধ্যে ১৫ বছর বিহার দলকে রঞ্জী ট্রফিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। উনিশ বছর বয়সে শুট ব্যানার্জী’র প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ১৯৩৩-৩৪ মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) ভারতে আসে। সফরকারী দলের বিপক্ষে ভারতীয় ও অ্যাংলো-ভারতীয়দের নিয়ে গড়া দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

১৯৩৫-৩৬ জ্যাক রাইডারের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দল সিলন ও ভারত সফর করে। বাংলা ও আসামের খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া যৌথ দলের সদস্যরূপে খেলে তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান ৫/৫৩। এরপর তৃতীয় অনানুষ্ঠানিক খেলায় একই দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। তবে, এরজন্যে তাকে বাংলা দলের পক্ষে প্রথমবারের মতো রঞ্জী ট্রফি খেলা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছিল। ১৯৩৬ সালে ভারত দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড যান। কিন্তু, মোহাম্মদ নিসার, অমর সিং ও জাহাঙ্গীর খানের ন্যায় ফাস্ট বোলারদের অংশগ্রহণের কারণে তাকে কোন টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। ভারত ক্রিকেট ক্লাবের সদস্যরূপে লর্ড টেনিসন একাদশের বিপক্ষে খেলার জন্যে আমন্ত্রিত হন। ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম খেলায় তিনি ৬ উইকেট পান।

Sarobindu Nath  Banerjee

১৯৪৫-৪৬ অস্ট্রেলিয়ান সার্ভিসেস একাদশের বিপক্ষে একটি অনানুষ্ঠানিক টেস্টে অংশ নেন ও আট উইকেট পান। ফলশ্রুতিতে, ১৯৪৬ সালে ইংল্যান্ডে যাওয়া ভারতীয় দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ১৯৩৬ সালে ভারত দলে বেশ কয়েকজন ফাস্ট বোলারের উপস্থিতি থাকলেও ১৯৪৬ সালে এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। দলে কেবলমাত্র শুট ব্যানার্জী ও রঙ্গ সোহনী’র অংশগ্রহণ ছিল। তবে, সোহনী দুই টেস্টে অংশ নিলেও শুট ব্যানার্জীকে এবারও সুযোগ পাননি।

অথচ সফরের প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নিয়ে ৩১৫ রান ও ৩১ উইকেট পেয়েছিলেন। ল্যাঙ্কাশায়ার ও মিডলসেক্সের বিপক্ষে চার উইকেট পেয়েছিলেন এবং উভয় ক্ষেত্রেই ভারত দলের বিজয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৪৮-৪৯ ভারতের মাটিতে পূর্ব অঞ্চলের সদস্যরূপে সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশের মুখোমুখি হন। এলাহাবাদের ম্যাটিং উইকেটে তিনি ৭ উইকেট পেয়েছিলেন। এরপর, জয়সূচক রান তুলে দলকে দশ উইকেটে জয় এনে দেন। এ সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এটিই একমাত্র পরাজয়ের ঘটনা ছিল। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩৭ বছর বয়সে সিরিজের শেষ টেস্টে তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে মুম্বইয়ে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। একমাত্র টেস্টে তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান ১/৭৩ ও ৪/৫৪। এরপরের তিন বছর ভারতীয় দলে কোন টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। এরফলে, শুট ব্যানার্জী’র আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবনেরও সমাপ্তি ঘটে।

এমন উজ্জ্বল কেরিয়ার নিয়েও ভারতীয় দলের হয়ে খেলা হয়নি। ষাটের কাছাকাছি বয়সে ভিলাইয়ে চলে যান ও ১৯৫৯-৬০ মধ্যপ্রদেশের থাকতেন। ১৪ অক্টোবর, ১৯৮০ তারিখে ৬৯ বছর বয়সে কলকাতা এলাকায় শুট ব্যানার্জী’র দেহাবসান ঘটে।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে প্রাক্তন নিউজিল্যান্ড তারকা

নিউজ ডেস্ক: কয়েকমাস আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পরপর দু’বার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি, হয়েছিল অস্ত্রোপচারও। বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল একজন খেলোয়াড় তাঁর শারীরিক সক্ষমতার শীর্ষে থাকেন।

আরও পড়ুন এবারে রান্নার মসলায় কমবে ওজন, প্রতিদিন রান্নায় ব্যবহার করুন এই ৬ টি মশলা

৪৯ বছর বয়সী সৌরভ খেলা ছাড়লেও রীতিমতো ফিটনেস ফ্রিক। তাঁর কোনও আগাম শারীরিক সমস্যা ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তায় পড়েছিল সকলে। তারপরেই ইউরো কাপ চলাকালীন মাঠেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েছিলেন ডেনমার্কের খেলোয়াড় এরিকসেন।

আরও পড়ুন অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

এবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ক্রিস কেয়ার্ন্স। গত সপ্তাহে ক্যানবেরায় তাঁর হৃদযন্ত্রের মূল ধমনীতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি লাইফ সাপোর্ট ইউনিটে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটা অপারেশন হয়ে গেলেও চিকিৎসায় বিশেষ সাড়া দিচ্ছেন না তিনি।

Report: Ex-Black Caps all-rounder Chris Cairns on life support

আরও পড়ুন অভাবের সংসারে হাল ধরতে সবজি বিক্রি করছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

৫১ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ১৯৮৯ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬২ টেস্ট ম্যাচ, ২১৫টি একদিনের ম্যাচ এবং জোড়া টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন।

আরও পড়ুন ভারতের সবচেয়ে বড় পতিতালয়ের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে ঠাকুরবাড়ির নাম

টেস্ট এবং ওডিআই, দুটি বিভাগেই ২০০-এর ওপর উইকেটের মালিক তিনি। মিডল অর্ডারে ব্যাট করে পাঁচদিনের খেলায় তাঁর সংগ্রহ ৩,৩২০ রান। ওডিআই’তে করেছেন ৫,৯৫০ রান।

আরও পড়ুন অভাবে বন্ধ স্বপ্ন দেখা, অলিম্পিকে মশাল হাতে দৌড়ানো পিঙ্কি এখন চা-বাগানের শ্রমিক

বহুদিন ধরেই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ক্যানবেরায় বসবাস করছেন কেয়ার্ন্স। সেখানে স্মার্টস্পোর্টস নামে একটি সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী পদে ছিলেন তিনি। প্রাক্তন এই ক্রিকেটারের বাবা ছিলেন নিউজিল্যান্ডের প্রবাদপ্রতিম খেলোয়াড়, ল্যান্স কেয়ার্ন্স।