Delhi: ধৃত পাক জঙ্গি আশরাফের টার্গেট দিল্লি পুলিশ কার্যালয়, জম্মুতে বিস্ফোরণ ঘটায়

Pakistani terrorist arrested in delhi

নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ধৃত জঙ্গি (Terrorist) আশরাফের স্বীকারোক্তি ২০০৯ সালে জম্মুর বাসস্ট্যান্ডে বিস্ফোরণে জড়িত পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সোমবার আশরাফকে পূর্ব দিল্লির লক্ষ্মীনগর থেকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল।

দিল্লি পুলিশের দাবি, জেরায় আশরফ স্বীকার করেছ শুধু জম্মু নয় ২০১১ সালের দিল্লি হাই কোর্টের বাইরে যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় তাতেও সে জড়িত। ঘটনাস্থল দেখে সবকিছু ঠিক করেছিল আশরাফ। দিল্লি পুলিশের প্রধান কার্যালয়েবিস্ফোরণের ছক করেছিল এই জঙ্গি।

সোমবার ডিসিপি স্পোশাল সেল প্রমোদ কুশওয়ার চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি জানান জঙ্গি আশরাফকে বাংলাদেশ থেকে শিলিগুড়ি হয়ে দিল্লিতে পাঠায় পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আশরাফ শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি আসে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাতে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল রাজধানীজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই তল্লাশি অভিযানে সোমবার রাতে দিল্লির রমেশ পার্ক ও লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে দুই সন্দেহভাজন পাক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে রমেশ পার্ক এলাকা থেকে ধৃত মহম্মদ আশরাফের জন্ম পাকিস্তানে। ভুয়ো পরিচয় পত্র নিয়ে সে দিল্লিতে বাস করছিল। লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে ওমরউদ্দিন নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। ওমরের কাছ থেকেও পাকিস্তানের পরিচয় পত্র মিলেছে। ধৃতদের কাছ থেকে একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল, হ্যান্ড গ্রেনেড, পিস্তল ও ৬০ রাউন্ড গুলি মিলেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মহম্মদ আশরাফ আদতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। সে কবে ভারতে ঢুকেছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। আশরফ আইএসআইয়ের মত পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয় আশরফের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণও আছে। পুলিশের অনুমান, রাজধানী ও সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য আশরফকে ভারতে পাঠানো হয়েছিল। ধৃত দুই জঙ্গি কোথা থেকে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করল তা জানার চেষ্টা চলছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তান তালিবানের দখলে যাওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার প্রবণতা বেশ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষত কাশ্মীরে। এরই মধ্যে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভারতের যেকোনও জায়গাতেই নাশকতা চালাতে পারে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে জানানো হয়েছিল। কার্যত গোয়েন্দাদের সেই সতর্কবার্তাই মিলে গেল সোমবার রাতের ঘটনায়। গোয়েন্দা সতর্কবার্তার কারণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিরাপত্তাবাহিনীকে গোটা দেশজুড়ে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

Delhi: ধৃত পাক জঙ্গি আশরফকে বাংলাদেশ থেকে শিলিগুড়ি দিয়ে ঢুকিয়েছিল ISI

Mohammad Ashraf, a Pakistani terrorist

নিউজ ডেস্ক: শারোদোৎসবে মাঝে দিল্লিতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করা হয়েছে। দুই পাক জঙ্গিকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র সমেত গ্রেফতারের পর ডিসিপি স্পোশাল সেল প্রমোদ কুশওয়ার চাঞ্চল্যকর দাবি, জঙ্গি আশরফকে বাংলাদেশ থেকে শিলিগুড়ি হয়ে দিল্লিতে পাঠায় পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই।

আশরফ শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি আসে। বাংলাদেশ থেকে গোপনে ভারতে ঢুকে আইএসআই ‘কোড নেম’ নাসির বলে বাকিদের সঙ্গে পরিচিত হয় আশরফ। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিসিপি আরও জানান, আশরফকে জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাতে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল রাজধানীজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই তল্লাশি অভিযানে সোমবার রাতে দিল্লির রমেশ পার্ক ও লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে দুই সন্দেহভাজন পাক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে রমেশ পার্ক এলাকা থেকে ধৃত মহম্মদ আশরাফের জন্ম পাকিস্তানে। ভুয়ো পরিচয় পত্র নিয়ে সে দিল্লিতে বাস করছিল। লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে ওমরউদ্দিন নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। ওমরের কাছ থেকেও পাকিস্তানের পরিচয় পত্র মিলেছে। ধৃতদের কাছ থেকে একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল, হ্যান্ড গ্রেনেড, পিস্তল ও ৬০ রাউন্ড গুলি মিলেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মহম্মদ আশরাফ আদতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। সে কবে ভারতে ঢুকেছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। আশরফ আইএসআইয়ের মত পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয় আশরফের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণও আছে। পুলিশের অনুমান, রাজধানী ও সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য আশরফকে ভারতে পাঠানো হয়েছিল। ধৃত দুই জঙ্গি কোথা থেকে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করল তা জানার চেষ্টা চলছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তান তালিবানের দখলে যাওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার প্রবণতা বেশ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষত কাশ্মীরে। এরই মধ্যে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভারতের যেকোনও জায়গাতেই নাশকতা চালাতে পারে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে জানানো হয়েছিল। কার্যত গোয়েন্দাদের সেই সতর্কবার্তাই মিলে গেল সোমবার রাতের ঘটনায়। গোয়েন্দা সতর্কবার্তার কারণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিরাপত্তাবাহিনীকে গোটা দেশজুড়ে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

Durga Puja 2021: দিল্লি কালিবাড়ির সেই মিলনোৎসবের অভাব টের পাচ্ছেন বাঙালি

festival in Delhi Kalibari

নিউজ ডেস্ক: শুরুটা হয়েছিল ব্রিটিশ সরকারের আমলে রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার সময়। কলকাতা থেকে যে সব বাঙালিরা পেশার তাগিদে দিল্লিতে এসে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন, তাঁদের হাত ধরেই।

১৯৩১ সালে শুরু হওয়া সেই পুজো, যা একদিন নিউদিল্লি দুর্গাপূজা সমিতির নামে শুরু হয়েছিল, সেটাই আজ নিউদিল্লি কালীবাড়ির পূজা নামে পরিচিত। একদিকে আরাবল্লি পর্বতের শুরু, অন্যদিকে রাইসিনা হিলস।মাঝের এই জায়গাটুকু ঘিরে গড়ে উঠেছে কালীমন্দির, সেখানেই হয় শারদীয়ার আবাহন।

দিল্লি চলে আসা বাঙালিরা নিজেদের বসবাসের জন্য এই জায়গাটিকেই বেছে নিয়েছিল। কারণ পার্লামেন্ট থেকে শুরু করে অন্যান্য সরকারি ভবন, সবই কাছাকাছির মধ্যে। বাঙালি আর দুর্গাপুজো তো সমার্থক।

festival in Delhi Kalibari

তবে অনেক আগে কিন্তু পুজো এরকম ছিল না। তখন আজকের নিউদিল্লি কালীবাড়ির পুজো নির্দিষ্ট এক জায়গায় হত না। পুজোর যিনি সম্পাদক হতেন, মায়ের পুজো হত তাঁর বসবাসের এলাকায়। এই অসুবিধা দূর করতে তখনকার ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন করা হয় মায়ের পুজোর জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা দেওয়ার। সেই সময় ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ‘উপহার’ হিসাবে পাওয়া ১ একর জমিতেই গড়ে উঠেছিল আজকের কালীবাড়ি । যেখানে এখন প্রতি বছর মহা সমারোহে পালিত হয় দুর্গাপুজো।

৯০ বছরের এই পুজো আজ হাতবদল হয়ে তৃতীয়, চতুর্থ প্রজন্মের হাতে। কিন্তু ফাঁকি নেই পুজোর নিয়মনিষ্ঠার। প্রত্যেক বছর ভক্তিভরে, নির্ঘণ্ট মেনে দেবীর আরাধনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং রকমারি বাঙালি খাবারের স্টল বসে এখানে। সেজে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। যদিও অতিমারির আবহে কাটছাঁট সব জায়গাতেই।

কমিটির তরফে স্বপন গাঙ্গুলি জানালেন, করোনাকালে পুজোর অনুমতি মিলেছিল গত বছরও। কিন্তু গত বছর কার্যত নিয়মরক্ষায় পুজো সারতে হয়েছিল। এ বছরেও মাত্র দশদিন আগে অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যেই দ্রুত প্রস্তুতি নিয়ে সম্পূর্ণ কোভিড বিধি মেনেই মায়ের পুজো হবে। প্রতিমা দর্শন, অঞ্জলি, ভোগ বিতরণ সবই থাকবে। তবে সব কিছুই হবে সরকারি নির্দেশিকা মেনে। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই এবারে কোনও পংক্তি ভোজন হবে না।

প্রত্যেকবারের মতো এবারও কৃষ্ণনগর থেকে এসেছে মূর্তি তৈরির কারিগর। বোলপুর থেকে এসে গিয়েছে ঢাকিরা। সবমিলিয়ে ১০ দিনের প্রস্তুতিতেই সেজে উঠেছে দিল্লি কালীবাড়ির দুর্গাপুজো। এক উদ্যোক্তা আক্ষেপের সুরে জানালেন, গোটা দিল্লিতে প্রায় তিনশোর কাছাকাছি দুর্গাপুজো হয়। আগে নিয়ম ছিল, রাজধানীর সমস্ত দুর্গাপ্রতিমা এখানে এসে জড়ো হবে।

তারপর এখান থেকে শোভাযাত্রা বের হবে। উদ্দেশ্য ছিল, দিল্লিবাসীকে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। কিন্তু বছর তিনেক আগে যমুনা দূষণের কারণে দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে এই নিরঞ্জন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই দিল্লিবাসী বাঙালিদের আক্ষেপ, কালীবাড়ি প্রাঙ্গণ দশমীর দিনে যে মিলনক্ষেত্রে পরিণত হতো সেটার অভাব এখন তাঁরা অনুভব করেন।

দিল্লি খতরে মে হ্যায়…আদালতে গুলির ঘটনায় রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

gangstar fight in delhi rohini court

নিউজ ডেস্ক: ভরা আদলতে ভয়াবহ হামলা। গুলি চলেছে। রক্তাক্ত পরিবেশ। খোদ রাজধানীতেই এমন ঘটনা নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। এ কী শুধু দুই সমাজবিরোধী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ? উঠছে প্রশ্ন।

শুক্রবার দুপুরে দিল্লির রোহিণীর আদালত চত্বরে ভয়াবহ হামলা মার্কিন মুলুকে বন্দুকধারীদের যে হামলা হয় সেরকমই। আদালত চত্বরে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে আনা হয়েছিল গ্যাংস্টার গোগীকে। সেখানেই তাকে গুলি করা হয়। আইনজীবীদের বেশেই যে ওই ভিড়ের মধ্যে গোগীর বিরোধী গোষ্ঠী টিল্লুর লোকেরা হাজির ছিল সেকথা উঠে এসেছে। গুলিতে মৃত্যু হয়েছে আরও দু জনের। তাদের দেহে আইনজীবীর পোশাক।

পুরো ঘটনাটা সিনেমার মতো। এজলাসে গুলি করে খুন। গ্যাংস্টার গোগীর বিরুদ্ধে একটি মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার। আদালতের ২০৭ নম্বর ঘরে সেই শুনানি চলছিল। বিচারপতি গগনদীপ সিংহের এজলাসে শুনানির মাঝেই হামলা হয়। পুলিশও গুলি চালায়।

এমন ঘটনা মারকাটারি বলিউড বা দক্ষিণী ছবির চিত্রনাট্যে বারবার দেখা গিয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশের ধারণা, সিনেমা থেকেই হামলার ছক করা হয়। তবে হামলার পিছনে দুই গ্যাংস্টার গোষ্ঠী সংঘর্ষ নাকি আর কোনও কারণ আছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ সাম্প্রতিক অতীতে এমন ঘটনার মুখে পড়েনি। আদালত চত্বরের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়ছে দিল্লি পুলিশ।

সিএএ বিরোধী আন্দোলনে দিল্লির জামিয়া নগরে গুলি চালানোর ঘটনায় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসা, কৃষক লং মার্চে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কৃষকদের উপর চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বারবার। দিল্লির লাগোয়া বিভিন্ন এলাকায় গুলির সংঘর্ষ ঘটেছে এর আগেও। রাজধানী জঙ্গি হামলার মুখেও পড়েছে।

কাবুল এয়ারপোর্টের সুইসাইড-বোম্বার গ্রেফতার হয় দিল্লিতে: চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

kabul airport blast

নিউজ ডেস্ক: গোয়েন্দা রিপোর্টে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এড়ানো যায়নি কাবুলের আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। ২৬ অগাস্ট ওই বিস্ফোরণের দায় যে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট। মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়ার পাঁচদিন আগে জোড়া আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল কাবুল বিমানবন্দরের বাইরের এলাকা। 

 

আরও পড়ুন Explained: আবদুল গণি বরাদার এবং তালিবান সরকারের অংশীদার হাক্কানি নেটওয়ার্কের বিরোধ

এবার প্রকাশ্যে এল আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আইএসআইএস-কে প্রোপাগান্ডা ম্যাগাজিনের (ISIS-K propaganda magazine) মতে, ২৬ আগস্ট কাবুল বিমানবন্দরে আমেরিকান সেনা সদস্য এবং আফগানদের উপর ওই আত্মঘাতী হামলা চালানো সন্ত্রাসবাদীকে পাঁচ বছর আগেও ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাও খোদ রাজধানী দিল্লি থেকে।

সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটি দাবি করেছে যে আবদুর রহমান আল-লোগরি নামের ওই জঙ্গি ২০১৬ সালে দিল্লি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেসময় আল-লোগরি দিল্লিতে একটি আত্মঘাতী হামলা চালানোর জন্যই এসেছিল বলে জানা গিয়েছে।

 

আরও পড়ুন আবদুল গণি বরাদার: তালিবান নেতা থেকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি

অন্যদিকে কাবুল বিমানবন্দরের আইএসআইএস-খোরাসান (ISIS-K) জঙ্গিগোষ্ঠীর আত্মঘাতী হামলার পরেই প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আমেরিকা। ‘সন্ত্রাসবাদীদের খুঁজে বের করে মারব’, জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তারপরেই আফগানিস্তানে অবস্থিত আইএসআইএস-খোরাসান জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটিতে হামলা চালায় আমেরিকা। 

হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৬৯ জন নিহত হন।  মৃতদের বেশিরভাগই সাধারণ আফগানি। যারা তালিবান শাসিত দেশ ছেড়ে পালাতে চাইছিলেন বিদেশে।

আরও পড়ুন পেনসিলভেনিয়ার বিলবোর্ডে তালিবানযোদ্ধা বাইডেন, আফগান-সমস্যার সমালোচনার মুখে প্রেসিডেন্ট

পাকিস্তানের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, তালিবানের পাশে পাকিস্তান যেভাবে দাঁড়িয়েছে তাতে আফগানিস্তানের তালিবান নেতৃত্ব খুব খুশি। তার প্রতিদানেই কাশ্মীর দখলে পাকিস্তানকে সাহায্য করবে তারা। কয়েকদিন আগেও ইসলামাবাদের প্রভাবশালী সংগঠন জমিয়ত-ই-উলেমা-ই-ইসলাম ও দিফা-ই-পাকিস্তান কাউন্সিল-এর প্রধান মৌলানা হামিদ-উল-হক হাক্কানি তালিবানের কাবুল জয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন। তালিবান ও লস্করের জঙ্গিদের জন্য চাঁদা সংগ্রহ করতেও দেখা গিয়েছিল সেদেশের বিভিন্ন সংগঠনগুলিকে।

আরও পড়ুন Afghanistan: ফতোয়ার কারণে ছাত্রী নেই, খুলেছে তালিবান শাসিত আফগান বিদ্যালয়

জমিয়ত-ই-উলেমা-ই-ইসলাম ও দিফা-ই-পাকিস্তান কাউন্সিল-এর প্রধান মৌলানা হামিদ সাংবাদিক সন্মেলনে জানিয়েছিলেনন, ‘বিশ্বের উচিত আফগানিস্তানে এক্ষুনি তালিবান সরকারকে মান্যতা দেওয়া।’ শুধু তাই নয়, আমেরিকা এবং ভারতের মদতেই এতদিন আফগানিস্তানে অশান্তি লেগে ছিল। এবার ইমরান খানের দলের নেত্রীর মুখেও একই সুর শোনায় আবার নতুন করে ভারতে জঙ্গিহামলার আশঙ্কা বেড়ে গেল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এবার এই ঘটনা সামনে আসায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত অফিসারদের কপালে। যদিও বেশ কয়েকদিন আগেই ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত জানিয়েছিলেন, “আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম কিভাবে আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদীরা ভারতে ঢুকতে পারে। এর জন্য আমাদের কন্টিনজেন্সি প্ল্যানিং চলছিল। এখন আমরা এর জন্য প্রস্তুত।”

🅱🅸🅶 🅽🅴🆆🆂: মুম্বই-ইউপি-দিল্লিতে নাশকতার ছক বানচাল, গ্রেফতার পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত জঙ্গি

Pakistan terror

নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল (Delhi Police Special Cel) পাকিস্তান পরিচালিত জঙ্গি মডিউলকে চক্রান্ত তছনছ করে দিল৷ দিল্লি পুলিশ ৬ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে৷ তারমধ্যে দু’জন পাকিস্তানি জঙ্গি রয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এই দুই জঙ্গি পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিল। এই সন্দেহভাজনদের উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

স্পেশাল সেলের অভিযানে কর্তৃক গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির নাম ওসামা এবং জিশান বাই। তথ্য অনুযায়ী, ধৃত জঙ্গিদের আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশ এটিএসের সহযোগিতায় প্রয়াগরাজে অভিযান চালানো হয়। স্পেশাল সেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াগরাজের কারেলি থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের হেফাজত থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের খবর রয়েছে।

পুলিশ জানাচ্ছে, ধৃত জঙ্গিদের মডিউলটি আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের বড় বড় শহরে বিস্ফোরণ এবং জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র করছিল। এই ষড়যন্ত্র চালানোর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংগ্রহ করা হয়েছিল। গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির ‘ ডি কোম্পানি’র সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

আরও বলা হচ্ছে, এই মডিউল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে। অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্ক ভারতের অনেক রাজ্যে ছড়িয়ে আছে। এই অভিযানের পরে মহারাষ্ট্রে বসবাসকারী একজন জঙ্গিকে কোটা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া দিল্লি থেকে দু’জন এবং উত্তরপ্রদেশ এটিএসের সহায়তায় তিনজন ধরা পড়ে।

পুলিশ-গোয়েন্দারা তদন্তে জানতে পেরেছে, জঙ্গিরা ২ টি দল গঠন করেছিল। আনিস ইব্রাহিম একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং তাদের তহবিল যোগর করার কাজ ছিল। ধৃত লালা আন্ডার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত৷ দ্বিতীয় দলের কাজ ছিল ভারতে উৎসব উপলক্ষে সারা দেশে বিস্ফোরণের জন্য শহরগুলি চিহ্নিত করা। তাদের পরিকল্পনা ছিল দিল্লি, উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো। রামলীলা এবং নবরাত্রির অনুষ্ঠানগুলি তাদের টার্গেট ছিল।

স্পেশাল সেলের স্পেশাল সিপি নীরজ ঠাকুর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা ৬ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছি৷ তার মধ্যে ২ জন প্রশিক্ষণ শেষে পাকিস্তান থেকে ফিরে এসেছে। এর মধ্যে ২ জন প্রথমে মাস্কাটে যান, তারপর তাদের নৌকায় করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও জানান, সেখানে থাকা ১৪ জন বাংলায় কথা বলতে পারে৷ পাকিস্তানে তাদের একটি খামার বাড়িতে ১৫ দিনের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।

‘বাংলার ইতিহাস বলছে তাঁরা চিরকাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে’, মমতার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বললেন জাভেদ আখতার

javed-akhtar-meets-mamata-with-shabana-azmi

নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য ২০২৪। সেই লক্ষ্যপুরণে রাজধানীতে পাড়ি দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের দিল্লী সফরে একের পর এক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সেই বৈঠকগুলিতে আলোচ্য বিষয় একই, অ- বিজেপি দল গড়ে তোলা।

এবার সেই লক্ষ্যেই শামিল হলেন বিনোদন জগতের দুই হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব- জাবেদ আখতার এবং শাবানা আজমি।দিদির দিল্লি সফরের শেষ বেলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে আসেন জাভেদ আখতার ও শাবানা আজমি।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাভেদ আখতারকে ‘খেলা হবে’ স্লোগান নিয়ে একটি গান লেখার অনুরোধও জানান।

বৈঠক শেষে জাভেদ আখতার ও শাবানা আজমিকে সঙ্গে নিয়ে বাইরে বের হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।।জাভেদ আখতার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “বাংলা চিরকালই পরিবর্তনের কান্ডারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় পরিবর্তন এনেছেন। এবার গোটা দেশেও পরিবর্তন চাই। পরিবর্তনের নেতৃত্ব কে দেবেন সেটা পরের বিষয়, কিন্তু আগে ঠিক করতে হবে কী রকম পরিবর্তন আমরা পেতে চাই।”

জাভেদ বলেন,” গোটা দেশেই খেলা হবে, তা নিয়ে কোনও প্রশ্নের অবকাশ নেই।তিনি আরও বলেন, “সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। তবে, বাংলার ইতিহাস বলছে তাঁরা চিরকাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। শিল্পীরাও তাতে অবদান রাখবেন, এ নিয়ে আশ্চর্যের কিছু নেই। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি এবার কেন্দ্রেও পরিবর্তন দরকার।” 

নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গে জাভেদ বললেন”কে নেতৃত্ব দেবেন সেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অগ্রাধিকারের বিষয় নয়। তিনি পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন। আসল ব্যাপার হল, আমরা কী ধরনের ভারতবর্ষ দেখতে চাই।”

দিল্লির মসনদ থেকে মোদী উৎখাতে মমতা-অরবিন্দ বৈঠক

After 'tea' with Sonia Gandhi, Mamata Banerjee meets Arvind Kejriwal in Delhi

নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ব্যাপক সাফল্যের পর তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবার টার্গেট দিল্লির মসনদ দখল৷ সেই লক্ষ্যে তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর দিল্লিতে ঘাঁটি করেছেন মমতা৷ মঙ্গল এবং বুধবার জাতীয় রাজনৈতিকস্তরে একের পর এক বৈঠক করছেন তিনি৷ প্রতিটি বৈঠকের পরেই মমতার চোখেমুখে ছিল দিল্লি দখল নেওয়ার দৃঢ় সংকল্প৷

বুধবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পর অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন বিকেলে অরবিন্দ কেজরিওয়াল তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান। তাঁদের মধ্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যথেষ্ট ইতিবাচক হয়েছে তাদের বৈঠক৷ আগামিদিনে এই বৈঠকের ভালো ফল আশা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো বলেও জানান সংবাদমাধ্যমকে৷ কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে দেশের সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে একত্র করতেই দিল্লি সফরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

MISSION PARLIAMENT: মমতার নেতৃত্বে রাজধানীতে হোমওয়ার্ক তৃণমূল সাংসদের

Mamata Banerjee meeting AITC MPs at Sukhendu Sekhar Roy's residence

নিউজ ডেস্ক: ২০২১ বিধানসভা ভোটে বাংলায় মোদী-শাহ অ্যান্ড কোম্পানিকে ধরাশায়ী করে তৃণমূল কংগ্রেসের এখন লক্ষ্য নয়াদিল্লি৷ আর সেই লক্ষ্যপূরণেই রাজধানীর রাজনীতির ময়দানে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ জাতীয় রাজনৈতিক স্তরে বিজেপিকে ঠেকাতে কার্যত ব্যর্থ সোনিয়া-রাহুলের কংগ্রেস৷ বাংলায় ব্যাপক জয়ের পর এখন কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা তাকিয়ে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই৷ তাই মমতার এবারের মমতার দিল্লি সফরকে বেশ গুরুত্ব দিয়েই দেখছে রাজনৈতিক মহল৷ গত কয়েকদিন নয়াদিল্লিকে মমতার ঠাসা কর্মসূচি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে৷

মঙ্গলবার রাজধানীতে সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদের বৈঠক হল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সংসদীয় বৈঠক হয়। এই বৈঠকের মূলত আগামিদিনের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করা হচ্ছে। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন এখন পাখির চোখ তৃণমূলের কাছে। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

তৃণমূল সুপ্রিমোর নেতৃত্বে এই বৈঠকে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামিদিনে সংসদে বিজেপির বিরুদ্ধে কোন কোন ইস্যু তৃণমূল সাংসদরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে, সেই বিষয় নিয়ে রূপরেখা তৈরি করে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে সূত্রের খবর।

২১ জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি দলগুলিকে একজোট হওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই লক্ষ্যেই৷ ইতিমধ্যেই জাতীয়স্তরে মমতার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে সিপিএম নেতা বিমান বসু৷ এনিয়ে বাংলার রাজনীতির ময়দানে বেশ শোরগোল পড়েছে৷ এদিকে, বুধবার বিকেলে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে মমতা-সোনিয়ার এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই বৈঠকের আগে দলের সাংসদদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসেছেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে সাইকেল চালিয়ে সংসদের সামনে প্রতিবাদ তৃণমূল সাংসদের

Trinamool MPs protest in front of the parliament by cycling

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সূর চড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে সংসদে অধিবেশনের প্রথম দিন তার অন্যথা হল না ।বৃষ্টিভেজা রাজধানীর পথে সোমবার সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্পিতা ঘোষ, নাদিমুল হক, শান্তনু সেনের মতো সাংসদরা।

অস্বাভাবিক পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার   দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের সদর দফতর থেকে সংসদ পর্যন্ত সাইকেল মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদরা। ‘গ্যাস প্রাইস লুঠ’ প্লাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে স্লোগান দিতে দিতে সংসদের বাদল অধিবেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তৃণমূল সাংসদরা। তবে তাদের সংসদে যাওয়ার পথের মাঝে একটি জায়গায় আটকে দেয় পুলিস।

তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন সংসদের বাইরে এবং সংসদের ভেতরে এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন। মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ কতটা সমস্যায় পড়ছেন সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা এই আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানান তিনি।

তৃণমূলের সংসদীয় দলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই প্রতিবাদ সবে শুরু হল। নরেন্দ্র মোদি সরকার পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার” ।আগামী দিনেও তাদের এই আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

দিল্লি থেকে নয়, বঙ্গেই মানুষের মাঝে ভরসা যোগাচ্ছেন অনির্বাণ গাঙ্গুলি

ডেস্ক: বঙ্গ বিজেপির নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য তিনি, হামেশাই যাতায়াত লেগে থাকে দিল্লিতে৷ ভোটের ফলপ্রকাশের পর আচমকা দিল্লি যাওয়া নিয়েও দলের অন্দরে কম সমালোচনা হয়নি। তবে এবার আর দিল্লি নয়, সশরীরে পশ্চিমবঙ্গে এসে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলি। আজ কুলতলি সংলগ্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত অভাবী মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি।

ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই শাসকদলের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যের দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর অত্যাচার, তাদের বাড়ি ভাঙচুর করার খবরও পাওয়া গিয়েছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতেই বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, আক্রান্ত কর্মীদের পাশে না দাঁড়িয়ে সটান দিল্লি চলে গিয়েছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে হাজারো সমালোচনার মাঝেও কোনও মন্তব্য করেননি অনির্বাণ। তবে, পরে জানা গিয়েছিল, দিল্লিতে বসেই অনির্বাণ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আক্রান্ত কর্মীদের দিকে। নিজের বিধানসভা আসন বোলপুরেও দলীয় কর্মীদের সাহায্য করেছেন তিনি।

তবে এবার আর দেশের রাজধানীতে থেকে নয়, সশরীরে উপস্থিত হলেন বঙ্গে। কুলতলি ও তার সংলগ্ন এলাকায় আক্রান্ত কর্মী ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে ভ্যানে চড়ে পৌঁছোলেন প্রত্যন্ত এলাকায়, কাঁচা রাস্তা দিয়েই হেঁটে দেখলেন গোটা এলাকা। অভাবী মানুষদের হাতে ত্রাণ তুলে দিতেও দেখা গেল তাঁকে।