Bangladesh: পূজামণ্ডপে কোরান রেখে হামলায় ধৃত বেগম খালেদার দলনেতা

Bangladesh

News Desk: কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরান রেখে হামলার ঘটনায় এবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরশেনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পিএস (ব্যক্তিগত সহকারী) মঈনুদ্দিন আহমেদ বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে পলাতক ছিল। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের বাড়ির কাছেই ছিল সেই দুর্গাপূজা মণ্ডপ। বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির দখলে এই কর্পোরেশন। দলটির নেত্রী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার নানুয়াদিঘী এলাকায় অস্থায়ী পূজা মন্ডপে কোরান উদ্ধারের পর হামলাকারীদের মধ্যে ছিল কর্পোরেশনের মেয়রের সহকারী মইনুদ্দিন বাবু। ভিডিও ফুটেজে হামলাকারীদের সাথে তাকে চিহ্নিত করা হয়। পরে তাকে নানুয়া দীঘিরপাড় অস্থায়ী মণ্ডপ ও ঠাকুরপাড়া কালিগাছতলা কালী মন্দিরে হামলা মামলায় আসামী করা হয়।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান ঘটনার এক দিন পর মইনুদ্দিন তালা ঝুলিয়ে পরিবার নিয়ে আত্মগোপন করে।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে ধরা গিয়েছে।

শনিবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ির একটি রিসর্ট থেকে আটক করা হয় মইনুদ্দিনকে। দুটি মণ্ডপে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার কুমিল্লার আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে তাকে জেলে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে দুর্গাপূজার সময় সাম্প্রদায়িক হামলা হয় কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরান পাওয়া নিয়ে। সেই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা ব্যক্তি ইকবাল হোসেন ধৃত। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোয় ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জেলে পাঠানো হয়েছে।

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লার ঘটনার জেরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলায় রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে পাঁচ হামলাকারী মারা যায় চাঁদপুরে। নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম দুই সংখ্যালঘু প্রাণ হারান। রংপুরে সংখ্যালঘু মহল্লায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলার বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে

bangladesh durga puja violence

News Desk: বাংলাদেশে দুর্গাপূজার সময় পাঁচ জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাসস্থান ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। বিচারপতি মহ. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহ. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

গত ২১ অক্টোবর সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাসস্থান ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ দোষী সরকারি কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ চাওয়া হয়।

রিট আবেদনে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে এমন সব ধরনের পোস্ট ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার সাহা ও মিন্টু চন্দ্র দাস এই রিট দায়ের করেন।

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে হামলা ছড়ানো হয়েছিল। এর জেরে পাঁচটি জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা হয়। হামলা রুখতে পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে ৫ হামলাকারী মারা গেছে। হামলায় খুন হয়েছেন দুই সংখ্যালঘু।

তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করেছে পূজামণ্ডপে কোরান রেখে হামলা ছড়ানো ব্যক্তি ইকবাল হোসেনকে। আর ভুল ভিডিও দেখিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোর অভিযোগে জেলে পাঠানো হয়েছে ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দুর্গাপূজায় হামলা পূর্ব পরিকল্পিত। দোষী কেউ ছাড় পাবে না।

হাইকোর্টে রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি সচিব, সমাজ কল্যাণ সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ফেনীর জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ ১৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার ছক হয় লন্ডনে, খালেদা পুত্রকে জড়িয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

bangladesh-information-minister-said-durga-puja-violence-plot-organized-by-bnp-leaders

News Desk: বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তাঁর অভিযোগ, দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলায় বিএনপি-জামাত ইসলামি জড়িত। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান সবকিছুর পরিকল্পনা করে।

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি দলের প্রধান নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দীর্ঘদিন দেশছাড়া। নাশকতা ও ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত। তাকে পলাতক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। তারেক লন্ডনে থাকেন। সেখান থেকেই দল পরিচালনা করেন।

মঙ্গলবার রাজশাহীতে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী ড হাছান মাহমুদ বনেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনায় সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর পরিকল্পনা হয়েছে সুদূর লন্ডনে বসে। দীর্ঘ একমাস ধরে এই পরিকল্পনা চলে। তিনি বলেন, সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট। এই উদ্দেশ্যে দুর্গাপূজার সময় পূজামণ্ডপে হামলা পরিচালনা করেছে তারা।

দুর্গাপূজা চলাকালীন কুমিল্লায় একটি পূজা মণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে হামলা ছড়ানো হয়েছিল। এর জেরে বাংলাদেশে পরপর আক্রান্ত হয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি, দোকান। হামলাকারীদের রুখতে পুলিশ গুলি চালায়। ৫ জন মারা যায়। আর হামলাকারীদের হাতে দুই সংখ্যালঘু খুন হন। দুর্গা মণ্ডপে কোরান রাখার অভিযোগে ইকবাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি ধৃত। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোয় ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জেলে পাঠানো হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে খুঁজে বের করা হবে। এদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা সবকিছুতে ব্যর্থ
হয়ে এবার দুর্গাপূজায় হনুমানের মূর্তির কাছে কোরান শরিফ রেখে আসে। কারা রেখেছে? যে রেখেছে, তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে তো আসলে রাখেনি। সে কারও নির্দেশে সেখানে রেখে এসেছে। কারা এর পেছনে আছে, সেটি খুব সহসা বের হবে। খুবই স্পষ্ট যে, কারা এগুলো ঘটিয়েছে।

তিনি বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি-জামায়াত, ধর্মান্ধ-উগ্রবাদীরা। বাংলাদেশের কোনও সম্প্রদায়ের লোক অপরের ধর্মগ্রন্থ অবমাননা করার মানসিকতা পোষণ করেন না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এটি করেছে এবং তাকে যারা প্ররোচনা দিয়েছে, তারা আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করেছে। একইসঙ্গে হিন্দু ধর্মকেও অবমাননা করেছে। এই দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে। তাদেরকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।এই যুবককে কারা প্ররোচিত করেছে, কারা অর্থ দিয়েছে, কারা পালিয়ে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পাঠিয়েছে- সবকিছুই বের হবে।

বাংলাদেশে দুর্গাপূজায় হামলার ঘটনায় সরকার ঘটনার পর ১০২টি মামলা করেছে। সাতশোর মতো দুষ্কৃতকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কঠোর হস্তে সরকার এটি দমন করেছে।

Bangladesh: ভুয়ো ভিডিওতে ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে জেলে গেলেন অধ্যাপিকা রুমা সরকার

Ruma sarkar

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লায় যে মণ্ডপে কোরান শরিফ রাখা নিয়ে সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানো হয়, সেই সময় ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে ভিডিও বার্তার কারণে অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত। রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী এই আদেশ দেন।

ঢাকার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলার পরিবেশ তৈরি করার জন্য কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে আসে স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন। সেই ছবি দেখে হামলা শুরু হয়। তার জেরে বাংলাদেশে চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও রংপুরে একের পর এক মন্ডপে হামলা ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি লুঠ হয়েছে। পুলিশের গুলিতে ৫ হামলাকারী মৃত। আর হামলায় নিহত দুই সংখ্যালঘু।

দুর্গাপূজার মহাষ্টমীর দিন হামলা শুরু হয়। কুমিল্লায় হামলা চলাকালীন ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের অধ্যাপিকা রুমা সরকার সোশ্যাল সাইটে লাইভ শুরু করেন। নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা মৃত সংখ্যালঘু যতন সাহার প্রসঙ্গ টেনে অন্য একটি খুনের মামলার নৃশংস ভিডিও দেখিয়ে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করে আরও পরিস্থিতি উত্তেজিত করেছিলেন রুমা সরকার।

তদন্তে নেমে পুলিশ অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে রুমা সরকারকে আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তাকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সাম্প্রদায়িক হামলার মামলায় ইকবাল হোসেনকে আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার কারণে দীপাবলি উৎসব বয়কট বাংলাদেশি হিন্দুদের

bangladeshi-hindus-boycott-diwali-festival

নিউজ ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজায় ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ (Bangladesh) পূজা উদযাপন পরিষদ সারা দেশে আসন্ন দীপাবলি উৎসব বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিল।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। ‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নারকীয় তাণ্ডব’ ও ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতা’র কারণে আগামী ৪ নভেম্বর শ্যামাপূজায় দীপাবলির উৎসব বর্জন হবে। এমনই জানিয়েছেন পূজা উদযাপন পরিষদের সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী।

পরিষদ জানায়, চার দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। তবে দীপাবলি উৎসব বর্জন করলেও শ্যামাপূজা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানোর কারণে, ইকবাল হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই যুবক কুমিল্লার দুর্গামন্ডপে কোরান রেখে এসেছিল। তার জেরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় আক্রান্ত হয় সংখ্যালঘু হিন্দুরা। পুলিশের গুলিতে ৫ হামলাকারীর মৃত্যু হয়। দুজনকে খুন করে হামলাকারীরা।

একই ঘটনায় সাম্প্রদায়িক গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আটক হয়েছেন ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকার। তাঁকেও জেরা করা হচ্ছে।

Bangladesh: দুর্গামণ্ডপে কোরান রেখে সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়িয়ে গ্রেফতার ইকবাল

CCTV footage established main culprit of bangladesh communal violence

নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রাখার যে ঘটনা থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh) বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত থেকে পুলিশ আটক করে। তাকে জেরা করা হচ্ছে। উস্কানিমূলক বার্তা দিয়ে পুলিশের জেরার মুখে পড়েছেন ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকার।

গত ১৩ অক্টোবর হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গাপূজার সময় কুমিল্লার একটা পূজামণ্ডপে কোরান পাওয়া যায়। এরপরই বাংলাদেশের কয়েক স্থানে সংঘর্ষ এবং পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়েছে সিসিটিভি। কুমিল্লার নানুয়ারদিঘি পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে আসার ফুটেজ পেয়েছে পুলিশ। সেই ফুটেজ দেখেই চক্রান্তকারীদের একজন ইকবাল হোসেন চিহ্নিত হয়।

সিসিটিভি থেকে প্রমাণ হয়েছে, ইকবাল সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানোর মতলব নিয়েই দুর্গামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে এসেছিল। তার বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে। তার বাবার নাম নুর আহমেদ আলম। বাড়ি কুমিল্লার সুজানগরে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক জানিয়েছেন, কুমিল্লার নানুয়ারদিঘি এলাকায় দুর্গামণ্ডপে কোরান রেখে হামলার পরিবেশ তৈরি করার চক্রান্তকারীদের গ্রেফতারে সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, কুমিল্লার ঘটনাটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাজানো হয়েছে।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার ‘উস্কানিমূলক ভিডিও’ ছড়ানোয় জেরা হবে অধ্যাপিকা রুমা সরকারের

Bangladesh ruma sarkar

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে দুর্গাপূজা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় উস্কানি দেওয়ার মামলায় কলেজ শিক্ষিকা রুমা সরকার রিমান্ডে নিয়ে জেরা করবে পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি ঢাকার বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা।

এর আগে বুধবার বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেফতার করেছে কুমিল্লার দুর্গাপূজা প্যান্ডেলে কোরান শরিফ রেখে আসা ব্যক্তি ইকবাল হোসেনকে। কুমিল্লা থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ায়। এর জেরে নোয়াখালীতে হামলার মুখে পড়েন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজারী যতন সাহা। তাঁকে খুন করা হয়। সেই ঘটনার বিবরণ ফেসবুক লাইভে দিতে গিয়ে অভিযুক্ত রুমা সরকার অন্য একটি ঘটনার ছবি ও প্রসঙ্গ আনেন। তাঁর মন্তব্য থেকে আরও উত্তেজনা ছড়ায় বলে অভিযোগ।

তদন্তে নেমে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রমনা থানায় রুমা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ র‌্যাব বাহিনী। আটক করা হয় রুমা সরকারকে। ব়ৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম।

পুরনো একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ধর্মীয় উস্কানি ও অপপ্রচারের অভিযোগে বদরুন্নেসা কলেজের অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে দু দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।  বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান এই আদেশ দেন।বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, দুর্গাপূজার সময় সোশাল মিডিয়ায় ‘অপপ্রচার’ চলেছে

Bangladesh: এই CCTV ফুটেজই ধরিয়ে দিল দুর্গামণ্ডপে কোরান ফেলে হামলার চক্রী ইকবালকে

CCTV footage established main culprit of bangladesh communal violence

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজায় বাংলাদেশে (Bangladesh) পরপর হামলায় রক্তাক্ত পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার পিছনে রয়েছে কোরান শরিফ অবমাননার অভিযোগ। তদন্তে নেমে কুমিল্লার সেই পূজামণ্ডপে গিয়েই পুলিশ বুঝতে পারে সবই সাজানো। বাংলাদেশ সরকার পুরো ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে চিহ্নিত করে।

কী সেই পরিকল্পনা? যার জেরে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের দুজনকে খুন হতে হয়েছে, পরপর মন্ডপ ও দোকান, বাড়ি লুঠ হয়েছে। অস্থির পরিবেশ দেখা দিয়েছে। কড়া হাতে হামলা থামাতে পুলিশে গুলি চালাতে হয়েছে। ৫ হামলাকারীর মৃত্যু হয়েছে।

CCTV footage established main culprit of bangladesh communal violence

তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়েছে সিসিটিভি। কুমিল্লার নানুয়ারদিঘি পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে আসার ফুটেজ পেয়েছে পুলিশ। সেই ফুটেজ দেখেই চক্রান্তকারীদের একজনকে চিহ্নিত করতে পেরেছে পুলিশ। ধৃতের নাম ইকবাল হোসেন।

এই সংক্রান্ত আগের খবরটি পড়ুন: Bangladesh Police: দুর্গামণ্ডপে কোরান রেখে হামলার উস্কানিদাতার নাম ইকবাল হোসেন

সিসিটিভি থেকে প্রমাণ হয়েছে, ইকবাল নাম্বার এই ব্যক্তি সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানোর মতলব নিয়েই দুর্গামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে এসেছিল। তার বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে। তার বাবার নাম নুর আহমেদ আলম। বাড়ি কুমিল্লার সুজানগরে।

CCTV footage established main culprit of bangladesh communal violence

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক জানিয়েছেন, কুমিল্লার নানুয়ারদিঘি এলাকায় দুর্গামণ্ডপে কোরান রেখে হামলার পরিবেশ তৈরি করার মূল সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারে সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। আর ইকবাল হোসেন কোথা থেকে ওই কোরান শরিফটি সংগ্রহ করে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাও বের করা হয়েছে।

কুমিল্লায় দুর্গামণ্ডপে হামলার রেশ ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় পরপর হামলা হয় মন্দির ও সংখ্যালঘুদের মহল্লায়। চাঁদপুরের পরিস্থিতি সর্বাধিক রক্তাক্ত। এখানে পুলিশের গুলিতে ৫ জন হামলাকারী মৃত। নোয়াখালী, চট্টগ্রামে আর হামলাকারীরা দুজনকে খুন করেছে। রংপুরে গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, কুমিল্লার ঘটনাটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাজানো হয়েছে। ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল কেএম আজাদ জানান, কুমিল্লা থেকে যেহেতু হিংসার সূত্রপাত, তাই সেখানে কারা কীভাবে এর সঙ্গে জড়িত, তা বের করার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে এমন দুই-একজনকে শনাক্ত করেছি, যাদের ধরতে পারলেই অনেক রহস্য উন্মোচিত হবে। আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় ‘পরিকল্পিত’ হামলায় দ্রুত অ্যাকশনের নির্দেশ শেখ হাসিনার

sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজায় বাংলাদেশে পরপর পরিকল্পিত হামলায় সংখ্যালঘু হিন্দুরা বিপর্যস্ত। বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় যারা জড়িত তাদের অবশ্যই ধরতে হবে এমন উল্লেখ করে যত দ্রুত সম্ভব অ্যাকশনের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে নির্দেশ দিয়েছেন মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ড খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে বলেছেন তিনি। ধর্ম নিয়ে কেউ যাতে বাড়াবাড়ি না করেন এমনই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোশ্যাল সাইটে ধর্ম নিয়ে কিছু লিখলেই সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানানো থেকেও বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরান রাখা আছে, এই ছবি থেকে ধর্মীয় উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়েছিল সোশ্যাল সাইটে। তার জেরে শুরু হয় পরপর দুর্গামণ্ডপ ভাঙচুর।

কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, রংপুরে পরপর হামলা হয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি, মন্দিরে। ঢাকাতেও বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে উত্তেজিত জনতাকে পুলিশ বেধড়ক পেটায়। চাঁদপুরে পুলিশ গুলি চালায়। কয়েকজন হামলাকারী মৃত্যু হয়। এছাড়া হামলায় মারা যান দুজন সংখ্যালঘু হিন্দু। কয়েকজন জখম।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেই জানান, এই ঘটনা পরিকল্পিত। প্রশাসনিক কাজে ঢিলেমির অভিযোগে বিভিন্ন জেলার পুলিশ কর্তাদের বদলি করা হয়েছে।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার প্রতিবাদে মাশরাফির পোস্ট ‘আল্লাহ আপনি আমাদের হেদায়েত দিন’

Communal-tension

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পরপর সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার জেরে বিতর্কিত পরিস্থিতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক তথা সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তাজা লিখলেন আবেগঘন পোস্ট। তাঁর পোস্ট ইতিমধ্যেই ভাইরাল।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান ক্রিকেটার মাশরাফি লিখেছেন, “কাল দুইটা হার দেখেছি, একটা বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, যেটায় কষ্ট পেয়েছি। আর একটি পুরো বাংলাদেশের, যা হৃদয় ভেঙ্গে চুরমার করেছে। এ লাল সবুজ তো আমরা চাইনি। কতো কতো সপ্ন,কতো কষ্টার্জিত জীবন যুদ্ধ এক নিমিষেই শেষ। আল্লাহ আপনি আমাদের হেদায়েত দিন।”

মাশরাফির ফেসবুক পোস্টে দুটি ‘হার’ কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথম হার অর্থাৎ আইসিসির সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয়। আর দ্বিতীয় ‘হার’ রংপুরের পীরগঞ্জের হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক হামলা। দুটি ঘটনাই দাগ কেটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তাজার। দুটি ‘হারে’ হৃদয়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে বলে লিখেছেন তিনি।

mashrafe-bin-mortaza

মাশরাফি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নড়াইল-২ কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। তাঁর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে প্রবল চর্চা চলছে বাংলাদেশ সহ আন্তর্জাতিক মহলে।

পরপর সাম্প্রদায়িক হামলার জেরে বিব্রত বাংলাদেশ সরকার। দুর্গাপূজায় কুমিল্লার একটি মণ্ডপে ‘পরিরল্পিত’ ভাবে কোরান রাখা নিয়ে তীব্র উস্কানিমূলক বার্তা থেকে হামলা শুরু হয়। এর জেরে বাংলাদেশের চাঁদপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীতে একের পর এক দুর্গামণ্ডপে হামলা, সংখ্যালঘু হিন্দু মহল্লায় লুঠতরাজ, খুন সবই হয়েছে। চাঁদপুরে হামলাকারীদের রুখতে গুলি চালায় পুলিশ। সংঘর্ষে চাঁদপুরেই মৃত চার। সবমিলে মোট ৬ জন মৃত রবিবার নতুন করে হামলা হয় রংপুরে। এখানকার পীরগঞ্জে সংখ্যালঘুদের মহল্লায় আগুন ধরানো হয়।

Bangladesh: ‘কেন দুর্গাপূজা আসে গো’…হামলায় পোড়া বাড়ি থেকে আসছে ভয় মেশানো কান্না

Rangpur violence Durga puja violence minority hindu

বিশেষ প্রতিবেদন, ঢাকা: রাতভর হামলা চলেছে বাংলাদেশের রংপুরের বিভিন্ন সংখ্যালঘু হিন্দুপল্লীতে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক বাড়িতে। সোমবার সকাল হতেই ভয়াবহ পরিস্থিতি কতটা তার টের পাচ্ছে বাংলাদেশবাসী।

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মাঝি পাড়ায় পরপর বাড়িতে আগুন ধরানো হয়েছে। দুটি গ্রামে ৫০ থেকে ৬০ টি হিন্দু বাড়ি ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে।

পুড়ে যাওয়া বাড়ির সামনে কাঁদছেন মহিলারা। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ছে সেই দৃশ্য। কাঁদতে কাঁদতে এক মহিলারা চিৎকার কেন দুর্গাপূজা আসে গো…!

রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার, ফেনীর পুলিশ সুপার সহ ৭ কর্মকর্তাকে বদলি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, হামলাকারীদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।
রংপুরে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পিছনেও সেই ধর্মীয় উস্কানি। অভিযোগ, পীরগঞ্জের স্থানীয় এক কিশোর ফেসবুক পোস্ট করে ধর্মীয় অবমাননা করেছে। এই উস্কানিতেই রবিবার রাতে পীরগঞ্জে পকপর হিন্দু মহল্লায় হামলা হয়। রাতেই জেলা প্রশাসনিক কর্তারা ঘটনাস্থলে যান। বিরাট পুলিশ বাহিনী যায়। হামলাকারীরা পালায়। পরে ফের তারা হামলা চালায়।

দুর্গাপূজায় পরপর হামলার কারণে বাংলাদেশে বিষাদময় পরিবেশ। কোরান শরিফ অবমাননার অভিযোগে কুমিল্লা থেকে শুরু হয়েছিল সাম্প্রদায়িক হামলা। দুর্গাপূজার মধ্যেই চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীতে পরপর হামলা চালানো হয়। ধর্মীয় গ্রন্থ অবমাননার অভিযোগে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ গুলি চালায় কয়েকজন মারা যান। আর হামলাকারীদের হাতে খুন হন দুজন। সবমিলে ৬ জন মৃত। এসবের মধ্যেই রংপুরে হিন্দু পল্লীতে হামলার ঘটনা আরও বিতর্ক উস্কে দিয়েছে।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের অবরোধ, তীব্র যানজট

bangladesh student

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে পরপর হিন্দু মন্দির, পুজামণ্ডপ ও হিন্দু মহল্লায় হামলার জেরে বাংলাদেশ সরকার প্রবল বিতর্কে। নিরাপত্তার কথা বলা হলেও রক্ষীরা হামলার সময় ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা অবস্থান বিক্ষোভে সরকারের কাছে পূর্ণ তদন্ত ও হামলাকারীদের চরম শাস্তির দাবি করেছেন। ঢাকার শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। অবরোধের কারণে ঢাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

bangladesh student

আন্দোলনকারীরাদের দাবি, প্রতিবার হামলার পর আশ্বাস দিলেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

bangladesh student

পড়ুয়াদের দাবি, হামলার শিকার সব মন্দির দ্রুত সংস্কার করতে হবে। বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করারও দাবি করেন তারা। সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রক ও কমিশন গঠন করতে হবে। জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখতে হবে।

Bangladesh: পূজামণ্ডপে হামলার পর সংখ্যালঘু হিন্দুপল্লীতে আগুন, রংপুরে জ্বলছে গ্রাম

Communal-tension

নিউজ ডেস্ক:  কোরান অমাননার মতো ভুয়ো অভিযোগ ও গুজবকে কেন্দ্র করে দুর্গামণ্ডপে হামলার রেশ ধরে বাংলাদেশে ফের আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। এবার রংপুরে একটি গ্রাম জ্বালিয়ে দিল হামলাকারীরা। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা হয়েছে। প্রশাসন প্রায় নির্বিকার।

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মাঝি পাড়ায় পরপর বাড়িতে আগুন ধরানো হয়েছে। দুটি গ্রামে ৫০ থেকে ৬০ টি হিন্দু বাড়ি ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে।

Communal-tension

রংপুরের জেলা শাসক আসিফ আহসান জানান ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে করিমগঞ্জ গ্রামে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার খবর পেয়ে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে ছুটে যাই এবং পরিস্থিতি শান্ত করি। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে দুর্বৃত্তরা পীরগঞ্জের কয়েকটি গ্রামের কিছু হিন্দু বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় কোরান ‘অবমাননা’ করা হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা চলছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামে পরপর দুর্গা প্রতিমা, মন্দির ও স্থানীয় সংখ্যালঘুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে মোট মৃত ৬ জন। মৃতদের বেশিরভাগই চাঁদপুরের হামলাকারী বলে বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানান,সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে।

Bangladesh: পূজামণ্ডপে হামলা, খুনের অভিযোগে ৪ হাজার ‘আসামি’ বাংলাদেশে!

Security heightened across Bangladesh for Durga Puja celebrations

নিউজ ডেস্ক: হাজার হাজার আসামি। সবার যে নাম আছে তাও নয়। বাংলাদেশ সরকার তদন্ত করছে পূজামণ্ডপে পরপর হামলা, খুনের পিছনে কারা জড়িত। বিবিসি জানাচ্ছে, কুমিল্লায় একটি পূজামণ্ডপে কোরান পাওয়ার পর ওই ঘটনার জের ধরে বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা হয়েছে। এই সংখ্যা চার হাজারের অধিক।

ঢাকা, কুমিল্লা, ফেনি, কিশোরগঞ্জ, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও পূজামণ্ডপে হামলা, পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বিবিসি জানাচ্ছে পূজামণ্ডপগুলিতে হামলায় জড়িত সন্দেহে করা হাজার হাজার মামলায় কারও কারও নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর অজ্ঞাতনামা হিসাবে শতাধিক থেকে শুরু করে কয়েক হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। গত বুধবার দুর্গাপূজার সময় থেকে শুরু হওয়া হিংসাত্মক ঘটনায় ৬ জন নিহত। জখম হয়েছেন কয়েকশো।

ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে কুমিল্লায় পূজামণ্ডপ ভাঙার পর চাঁদপুর হয়েছে রক্তাক্ত। সেই রেশ ধরে ঢাকায় পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় আসামি চার হাজারের বেশি। বিবিসি জানাচ্ছে, গত শুক্রবার ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে মিছিল বের করে বিক্ষোভকারীরা। তাদের বাধা দেয় পুলিশ। এর পরেই সংঘর্ষে জড়ায় মিছিলকারীরা।পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ার সেল ও শটগানের গুলি ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসব মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাংলাদেশে দুর্গাপূজা মণ্ডপে পরপর হামলা, খুন,পুলিশের গুলি চালনা সবমিলে পরিস্থিতি তীব্র বিতর্কিত। সরকার কেন নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলেও কিছু ব্যবস্থা করেনি এই অভিযোগ বড় করে উঠে আসছে।

প্রবল চাপের মুখে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন ‘কোনও কারণ ছাড়া পূজামণ্ডপগুলোতে অস্থিরতা হয়নি। এর পেছনে নিশ্চয় কোনও কারণ আছে’। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যারা এর সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। দুর্গাপূজায় হামলা ও মৃত্যুর ঘটনায় তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

Bangladesh: মণ্ডপে হামলার কারণ খুঁজছে বাংলাদেশ সরকার, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

Bangladesh Puja Udjapan Parishad

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে দুর্গাপূজা মণ্ডপে পরপর হামলা, খুন,পুলিশের গুলি চালনা সবমিলে পরিস্থিতি তীব্র বিতর্কিত। সরকার কেন নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলেও কিছু ব্যবস্থা করেনি এই অভিযোগ বড় করে উঠে আসছে। প্রবল চাপের মুখে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানালেন ‘কোনও কারণ ছাড়া পূজামণ্ডপ গুলোতে অস্থিরতা হয়নি। এর পেছনে নিশ্চয় কোনও কারণ আছে’।

রবিবার ঢাকায় আসাদুজ্জামান খান জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যারা এর সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। দুর্গাপূজায় হামলা ও মৃত্যুর ঘটনায় তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে কিনা,সেটাও তদন্তের মাধ্যমে বের করা হবে। তিনি বলেন, এরইমধ্যে কুমিল্লার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রকৃত দোষীদেরও খুঁজে বের করা হবে।

দুর্গাপূজা প্যান্ডেল ও মন্দিরে হামলার মামলায় এজাহারে ৮৪ জনের পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাংলাদেশে আসন্ন নভেম্বর মাসে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জেরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। ভোট হবে হাজারের বেশি কেন্দ্রে। ক্ষমতায় থাকা দল আওয়ামী লীগের অভিযোগ, দেশ ও সরকারকে হেয় করতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে কিছু গোষ্ঠী। অনেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার সরাসরি দাবি, এভাবে সাম্প্রদায়িক উস্কানিতে বিএনপি ও জামাত ইসলামির প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির দাবি, দেশে অরাজক পরিস্থিতি চলছে। তবে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সবকিছু থেকে দূরত্ব রেখেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, ঘটনার সূত্রপাত কুমিল্লায়। স্থানীয় একটি পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রাখার ভিডিও থেকে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়। এরপর হামলা চলে। পরপর পূজামণ্ডপ ভাঙা হয়। পুলিশ গুলি চালালে কয়েকজন জখম হয়। সেই ভিডিও থেকে চাঁদপুর জেলায় শুরু হয় মন্দিরে হামলা। পুলিশ গুলি চালায়। সংঘর্ষে মারা যায় কয়েকজন হামলাকারী। এর রেশ ধরে নোয়াখালীতে হামলা চলে। মৃত্যু হয় এক পূজারী ও আরও দুজনের। চট্টগ্রামের একাধিক মণ্ডপে হামলা হয়। কয়েকজন ধর্ষিত হন বলে অভিযোগ। হামলা হয়েছে ইসকন মন্দিরেও। প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সমাবেশ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের স্থানীয় শাখা। বিবিসি জানাচ্ছে, এই সমাবেশে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

Bangladesh: দুর্গাপূজা মণ্ডপে ভাঙচুর, হামলাকারীরা খুন করেছে পূজারীসহ তিনজনকে

Puja pandal attack bangladesh

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কুমিল্লায় দুর্গাপূজা ঘিরে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে পরপর হামলা ভাঙচুর, হামলাকারীদের রুখতে পুলিশের গুলি, মৃত্যু সবই ঘটে চলেছে। এই তালিকায় জুড়ল সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজনের নাম।

এবার অভিযোগ, নোয়াখালীর চৌমুহনীতে পূজা মণ্ডপে হামলার পর এক পূজারীকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। নিহতের নাম যতন সাহা। চাঁদপুর জেলায় দুর্গামণ্ডপে হামলার সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মানিক সাহাকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর এসেছে আরও একজন মৃত। চট্টগ্রাম থেকে বেশ কয়েকটি ধর্ষণ ও হামলার অভিযোগ এসেছে। কয়েকটি পূজামণ্ডপে ভাঙচুর হয়।

দুর্গাপূজায় বাংলাদেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বুধবার থেকে। সেদিনই কুমিল্লায় একটি পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রাখার ছবি দেখে সোশ্যাল সাইটে উত্তেজনা ছড়ানো হয়। এরপরেই হামলাকারীরা পরপর ভাঙতে থাকে মন্ডপ। শুক্রবারও কিছু উগ্র বার্তায় ফের পরিস্থিতি হয় উত্তপ্ত রাজধানী ঢাকায়। হামলাকারীদের রুখতে পুলিশের গুলি চালায় ফের।

বিবিসি জানাচ্ছে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ।নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে কয়েকটি পূজামণ্ডপে হামলা হয়েছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটেছে। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে হামলা রুখতে পুলিশ গুলি চালায়। সংঘর্ষে কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এরা সবাই হামলাকারী।

বিবিসি জানাচ্ছে, নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে একাধিক দোকানও বাড়িঘরে হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামে কয়েকটি মণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা রানা দাশগুপ্ত।

দুর্গাপূজা ঘিরে পরপর হামলার ঘটনার পিছনে রয়েছে ষড়যন্ত্র। দোষীদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেবে। জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশাদুজ্জামান খান কামাল জানান, কোনও অবস্থায় সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করতে দেওয়া হবেনা।