সর্বভারতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন লাল-হলুদকে ভরসা জোগানো অ্যালভিটো

স্পোর্টস ডেস্ক: একসময় বিভিন্ন ম্যাচে ভরসা দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলকে। পেশাদার খেলা থেকে অবসর নিলেও খেলা তাঁকে ছাড়েনি। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হল আরেকটি নাম, ‘রাজনীতি’। গোয়ায় সর্বভারতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন অ্যালভিটো ডি কুনহা। 

আরও পড়ুন বার্সেলোনার নতুন ভরসা আনসু ১০ ফাতি

প্রাক্তন ফুটবলারের রাজনীতিতে আসায় গোয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন (২০১৪-২০১৮) প্রেসিডেন্ট গোমস জানিয়েছেন, ‘অ্যালভিটোর যোগদান কংগ্রেসের শক্তিকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে। আমি চাই কংগ্রেসে আরও ক্রীড়াবিদ যোগদান করুক।’

May be an image of 7 people, people standing and text that says "A PRADESH CONGRESS COMMITTEE OPPO F19 Pro+"

দীর্ঘ ১৭ বছরের কেরিয়ারে জাতীয় দলের পাশাপাশি একাধিক ক্লাবের জার্সিতে খেলেছেন অ্যালভিটো। সেলসেটে এফসি ক্লাব থেকে প্রাথমিকভাবে ফুটবলে হাতেখড়ি শুরু করেন। এরপর তিনি ১৯৯৭ সালে সেসা গোয়া ক্লাবে যোগ দেন। এর ২ বছর পর তিনি সালগাওকার এসসি ক্লাবে যোগ দেন। ২০০২ সালে আসেন ইস্টবেঙ্গলে। অ্যালভিটো গোয়ার প্রথম ফুটবলার হিসেবে কলকাতার কোনও ক্লাবে খেলেছিলেন। 

আরও পড়ুন মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

অবসর নিলেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে তিনি। দল গঠন কিংবা জুনিয়র ফুটবলারদের বাছা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল অ্যালভিটোর। লাল হলুদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও ছিলেন তিনি। এর আগে ময়দানের বহু ফুটবলার সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছেন। প্রসূন ব্যানার্জি, দীপেন্দু বিশ্বাস, বাইচুং ভুটিয়ারা তার বড় উদাহরন। রাজ্যের চলতি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে মানিকতলা কেন্দ্রে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন প্রাক্তন গোলকিপার কল্যাণ চৌবে। ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন অরিন্দম ভট্টাচার্যও। এবার রাজনীতির সেই তালিকায় যুক্ত হল অ্যালভিটোর নামও।

গোয়া প্রদেশ কংগ্রেসে যোগ দিয়ে অ্যালভিটো জানিয়েছেন, “আমি চেষ্টা করব, খেলাকে আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। ফুটবল ছাড়াও অন্য খেলাকেও আমি একইভাবে গুরুত্ব দেব। ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক উন্নয়নই আমার লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই রাজনীতিতে এসেছি।” পরবর্তী নির্বাচনেও তিনি কংগ্রেসের প্রতীকে অংশগ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন অ্যালভিটো।

ফাউলার পর্ব অতীত, বিদেশীও বেছে ফেলেছেন মানেলো দিয়াজ

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

আরও পড়ুন ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

বিদেশী নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন রবি ফাউলার। ঠিক ছিল তিনি দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

সেপ্টেম্বরের শেষে ফাউলারের দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথাও পাকা হয়ে গিয়েছিল। যদিও তারপরেই ফাউলারকেই ছেঁটে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাউলারের জায়গায় নতুন হেডস্যার হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব সামলানো মানেলো দিয়াজ। ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট জানিয়ে দেয়, দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী মরশুমে লাল-হলুদের কোচের পদে আর থাকছেন না রবি ফাউলার।

এর মধ্যেই বিদেশি বাছাই প্রায় চূড়ান্ত ইস্টবেঙ্গলে। ৪৮ ঘন্টা আগেই নতুন কোচের নাম ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁর সম্মতিতেই প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে লাল হলুদের ছয় বিদেশি। দু’জন ক্রোয়েশিয়ান, একজন নাইজেরীয়, একজন স্লোভাক, একজন ডাচ ফুটবলার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগের জন্য নির্বাচিত দলে।

চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছিলেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়ে দিয়ে ছিলেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’ প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

 

 

চলতি মাসের শেষেই লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিচ্ছে রবি ফাউলার

স্পোর্টস ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’

আরও পড়ুন শেষ প্রহরী নিশ্চিত, ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দম

অন্যদিকে  সেপ্টেম্বরের শেষদিকে ভারতে আসছেন রবি ফাউলার। ৩০ সেপ্টেম্বর আসতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। সরাসরি গোয়ায় শিবিরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তারপর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ড কাটিয়ে অক্টোবরের মাঝামঝিতে নেমে পড়বেন দলের প্র্যাকটিসে। 

ISL: We are not under pressure, says SC East Bengal coach Robbie Fowler |  Business Standard News

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা


আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। ইতিমধ্যেই পাঁচজন পছন্দের বিদেশির তালিকা ক্লাবকে পাঠিয়ে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। কর্মকর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে। তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

আরও পড়ুন বাতিল হয়ে গেল আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক

প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ইতিমধ্যেই দলে নিয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালরা। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। অরিন্দম ভট্টাচার্য, শুভ ঘোষ, আদিল খান, রোমিও ফার্নান্দেজ, নওরেম সিংহর মতো একঝাঁক খেলোয়াড় যোগ দিয়েছেন লাল-হলুদ শিবিরে। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

Durand Cup: প্রাচীনতম ডুরান্ড কাপ, সীমান্তরেখায় মিশে আছে ‘তালিবানিস্তান’ ও পাকিস্তান

Durand trophy

ওপারে আফগানিস্তান, এপারে পাকিস্তান। মাঝে রয়েছে এমন একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট-ডুরান্ড কাপ (Durand Cup), যাকে ঘিরে ফুটবল মক্কা কলকাতা হয় সরগরম।

The post Durand Cup: প্রাচীনতম ডুরান্ড কাপ, সীমান্তরেখায় মিশে আছে ‘তালিবানিস্তান’ ও পাকিস্তান appeared first on Kolkata24x7 | Bangla News | Latest Bengali News.

শেষ প্রহরী নিশ্চিত, ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দম

Arindam Bhattacharya

স্পোর্টস ডেস্ক: গতবার তেকাঠির তলায় সবুজ-মেরুনের অন্যতম ভরসা ছিলেন অরিন্দম ভট্টাচার্য (Arindam Bhattacharya)। ফাইনালে তাঁর ভুলে মোহনবাগান গোল খেলেও গোটা টুর্নামেন্টেই ধারাবাহিকতা দেখিয়েছিলেন এই বাঙালি গোলরক্ষক৷ গোল্ডেন গ্লাভসও উঠেছিল তাঁর হাতেই।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

তারপরেই আইএসএলেরই আরেক গোলরক্ষক অমরিন্দর সিংকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ফলে এএফসি কাপের প্রথম তিন ম্যাচে অ্যান্তোনীয় হাবাসের দলে জায়গা হয় নি অরিন্দমের। দলের শেষ প্রহরীর দায়িত্ব সামলেছেন অমরিন্দর। ফলে দল ছেড়েছিলেন অরিন্দম।  জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এসসি ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) পথেই পা বাড়ালেন তিনি।

আরও পড়ুন শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল


আরও পড়ুন মোহনবাগানেই আছি জানিয়ে দিলেন প্রবীর দাস

মোহনবাগান ছাড়ার পর থেকেই তাঁর ভবিষ্যতের দল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। তাঁর ভবিষ্যতের ক্লাব হিসেবে উঠে এসেছিল একাধিক নাম। শোনা গিয়েছিল তিনি কেরালা ব্লাস্টার্স কিংবা মুম্বই সিটি এফসিতেও যেতে পারেন। অন্যদিকে অরিন্দম মোহনবাগান ছাড়ার পরেই তাঁকে সই করাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু শ্রী সিমেন্ট তাঁর সঙ্গে একবছরের চুক্তির প্রস্তাব দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছিল অরিন্দমের পক্ষ থেকে। চুক্তির অঙ্ক নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে মতভেদ ছিল। অবশেষে সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিলেন তিনি। 

কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। দলবদলের ব্যাপারে লাল-হলুদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, সেই নিষেধাজ্ঞাও তারা তুলে নিয়েছে।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করিয়েছে দল। শুভ ঘোষ-আদিল খান-রোমিও ফার্নান্দেজরাও ইতিমধ্যে সই করে ফেলেছেন। এবার অরিন্দমকে দলে নিয়ে চমক দিল শতাব্দীপ্রাচীন ইস্টবেঙল (East Bengal)। 

 

বাতিল হয়ে গেল আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। গতবারও তাঁর উদ্যোগেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অংশ নিয়েছিল লাল-হলুদ বাহিনী। এবার বাংলার ফুটবলকে বাঁচাতে আইএফএ-র কর্তারাও দ্বারস্থ হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দুই প্রধানকে এবার কলকাতা লিগে খেলতে দেখা যাবে না। সেই ঘটনা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গেলেন ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা।

মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের কলকাতা লিগে না খেলা নিয়ে রবিবার আলোচনায় বসার কথা ছিল বাংলার ফুটবলের সর্বাধিক নিয়ামক সংস্থার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির। শোনা যাচ্ছিল কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে আইএফএ। কিন্তু বাতিল হয়ে গেল সেই সভা। ডুরান্ড উদ্বোধনের জন্য সভা পিছিয়ে দেওয়া হল। কলকাতা লিগের পাশাপাশি ডুরান্ডেও অংশ নিচ্ছে না কলকাতার দুই প্রধান। যদিও আইএফএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত লিখিতভাবে কিছু জানায়নি ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

মোহনবাগান পৌঁছে গিয়েছে এএফসি কাপের মূলপর্বে। তার উপর জাতীয় দলের হয়ে নেপালে খেলতে চলে গিয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। সেপ্টেম্বরে মূলপর্বের খেলা হওয়ায় দেশেও ফিরে গিয়েছেন দলের অনেক ফুটবলার। ফলে ঘরোয়া লিগে দল নামাবে না বলে অনেক আগেই আইএফএকে জানিয়েছিল ক্লাব। সৃঞ্জয় বোস জানিয়েছেন, “মেল করে আমরা জানিয়েছিলাম, আমাদের পক্ষে ঘরোয়া লিগে খেলা এবার সম্ভব নয়। এটাতো দেশের সম্মানের প্রশ্ন। তাই আমরা আইএফএ-র সহযোগিতা চেয়েছি। তাছাড়া এবার কোভিড পরিস্থিতির দরুন সেভাবে প্র্যাকটিসও হয়নি।”

অন্যদিকে সবে চুক্তি সমস্যা মেটার পর দলগঠনে নেমেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফলে প্র্যাকটিস ছাড়া দল নামাতে রাজি নন তারাও। লাল-হলুদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বরের আগে তাঁদের পক্ষে কলকাতা লিগে দল নামানো অসম্ভব। তারপর খেলতে তাঁদের আপত্তি নেই। যদিও কলকাতা লিগ চলাকালীনই হয়তো আইএসএলেরও খেলা পড়ে যাবে, ফলে আইএফএ কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের মাঠে না নামার বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত।

#ISL জিততে মরিয়া, তবুও বাজেট কমছে লাল-হলুদের

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)  হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের  (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। যদিও প্রথমবার ইণ্ডিয়ান সুপার লিগ জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল বাজেট কমছে বলে খবর।

সমর্থকেরা বলছেন, আইএসএল খেলা নিয়ে টানাপোড়েন থাকলেও স্রেফ টার্মশিটের ভিত্তিতেই মে-জুন মাস থেকে অনায়াসে এসসি ইস্ট বেঙ্গলের আধিকারিকরা ফুটবলার রিক্রুট করতে পারতেন। কিন্তু অত্যন্ত আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে ক্লাবের দখলদারি নেওয়াই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে এখন সেই টার্মশিটের ভিত্তিতেই দল গড়তে নেমেছেন লগ্নিকারী সংস্থাটির কর্তারা।

আরও পড়ুন: দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

তাই যত দিন যাবে ততই প্রমাণ হবে, মে-জুন মাসে টিম করার ক্ষেত্রে না নেমে চরম ভুল করেছেন তাঁরা। যার প্রভাব প্রবলভাবে পড়তে বাধ্য আইএসএলে। কারণ, ভালো খেলোয়াড়দের আইএসএলেত অন্যান্য দলগুলো আগেই নিজেদের দলে নিয়ে নিয়েছে।

সূত্রের খবর, আইএসএল খেলা নিশ্চিত হতেই আলোচনায় বসেছিলেন শ্রী সিমেন্টের আধিকারিকরা। এই সভায় বাজেট নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, এবার দল গঠনের বাজেট কমবে।

আরও পড়ুন:নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল AIFF, দলগঠনে নামল আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। মোহনবাগান থেকেও কয়েকজনকে নেওয়া হবে বলে খবর। প্রবীর দাস, অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করাতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। 

নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল AIFF, দলগঠনে নামল আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

আরও পড়ুন দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

আর দু’দিন পরেই স্বস্তির খবর লাল-হলুদের কাছে। দলবদলের ব্যাপারে লাল-হলুদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, বৃহস্পতিবার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। শুক্রবার থেকে ফুটবলার সই করাতে আর কোনও বাধা রইল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে।

আরও পড়ুন ISL নয়, কলকাতা লিগকেও পাখির চোখ করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

আগের মরশুমের বেতন সম্পূর্ণ মেটায়নি ইস্টবেঙ্গল, এই অভিযোগ জানিয়ে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিন ফুটবলার। পিন্টু মাহাত, রক্ষিত ডাগার ও আভাস থাপার অভিযোগে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন ইস্টবেঙ্গলের ওপর দলবদলের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই তিন ফুটবলারের মোট ১২ লাখ টাকা বাকি ছিল। ক্লাবকে জানানো হয়েছিল যতক্ষণ পর্যন্ত ওই তিন ফুটবলারের বকেয়া মেটানো না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নতুন ফুটবলার সই করানো যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএল খেলা নিশ্চিত হতে বৃহস্পতিবারই ওই ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।

যদিও হাতে সময় কম, ৩১ আগস্ট দলবদলের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। হাতে মাত্র ৫ দিন সময়, তার আগেই দলগঠন সম্পূর্ন করতে হবে লাল-হলুদকে। নয়তো বড় অঙ্কের ট্রান্সফার ফি দিয়ে অন্য দল থেকে ফুটবলার নিতে হবে। যদিও নতুন ফুটবলার নেওয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক কাজ কিছুটা সেরে ফেলেছেন ক্লাব অফিসিয়ালরা। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ফুটবলারকে প্রস্তাব দিয়েছেন ক্লাবের তরফ থেকে।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। মোহনবাগান থেকেও কয়েকজনকে নেওয়া হবে বলে খবর। প্রবীর দাস, অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করাতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। পিয়ারলেসের জার্সিতে ভাল পারফরম্যান্সের সৌজন্যেই ইস্টবেঙ্গল বছর তিনেক আগে তাঁকে সই করিয়েছিল। যদিও দার্জিলিং গোল্ড কাপে ভালো পারফর্ম্যান্সের পরেও দলে জায়গা হয়নি হীরার। এবার মহমেডানের হয়ে স্বপ্নের মরশুম কাটিয়ে ফের লাল-হলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন তিনি। সব ঠিকঠাক থাকলে শুক্রবারই হয়তো সই করবেন বাঙালি প্রতিভাবান এই সাইড ব্যাক।

ISL নয়, কলকাতা লিগকেও পাখির চোখ করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ-লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় বৈঠকে কাটল যাবতীয় জট। ফের একবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে আসন্ন আইএসএলে খেলবে লাল-হলুদ শিবির।

আরও পড়ুন সংবর্ধনা মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভারতের সোনার ছেলে

প্রসঙ্গত, ঠিক গত বছরের আইএসএলের আগেও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতাতেই মুশকিল আসান হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। সবথেকে বড় স্বস্তিটা পেয়েছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাদের প্রিয় ক্লাব যে আইএসএলে খেলবে, এটা শেষ মুহূর্তে ফের একবার নিশ্চিত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায়।

আরও পড়ুন আফগানিস্তানের মহিলাদের রোবোটিক্স টিমকে উদ্ধার করল মার্কিন মহিলা

অবশেষে চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’

আরও পড়ুন দেশ দখল করেছে তালিবানরা, আইপিএল খেলা নিয়ে সংশয়ে রশিদ-নবিরা

অন্যদিকে তড়িঘড়ি শক্তিশালী দল গড়ার কাজে ঝাঁপাতে চাইছে লাল-হলুদ শিবির। গতবারের মতো ভুল আর করতে চান না লাল-হলুদ অফিশিয়ালরা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু আইএসএলের জন্যই নয়, দল গড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে কলকাতা ফুটবল লিগকে সামনে রেখেও। এএফসি কাপে খেলার জন্য সম্ভবত আসন্ন কলকাতা লিগে দল নামাবে না মোহনবাগান। ফলে সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে লাল-হলুদ তাবুতে কাপ আনতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল।

ইস্টবেঙ্গলের কোর্টে বল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দিল শ্রী সিমেন্ট

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। তারমধ্যেই খেলা হবে দিবসের সন্ধেয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে পরিমার্জিত এবং চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠাল ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্ট। চুক্তিপত্র পাওয়ার পরই আইনজীবীদের কাছে তা পাঠিয়ে দেন ক্লাব কর্তারা।

গত বছর টার্মশিটে সইয়ের পর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করেনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। টার্মশিট আর চুক্তিপত্রের মধ্যে অসঙ্গতি থাকার দাবি তোলেন কর্তারা। মূলত দুটি শর্তে তাদের সমস্যা ছিল-

১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।

২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।

যদিও শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে৷ চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। সূত্রের খবর, চুক্তিপত্র পাঠানোর জন্য ক্লাব কর্তারা সরাসরি কথা বলেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধারের সঙ্গে৷ আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার পরই কার্যকমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ক্লাব। মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। কিন্তু এবারও ক্লাব যদি বেঁকে বসে তাহলে ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল।

সমর্থকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে আইএসএলে এখনও অনিশ্চিত লাল-হলুদ

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। শনিবারও এই নিয়ে দফায় দফায় কথা চলে দুই পক্ষের মধ্যে। শ্রী সিমেন্টের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনায় এখনও কোনো সমাধানসূত্র মেলেনি। শোনা যাচ্ছে মূলত দুটো ইস্যুতে সমস্যা-

১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।

২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।

ইস্টবেঙ্গল- আইএসএলের দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।

উপরোক্ত বিষয়গুলো না মিটলে চুক্তি জট আদৌ সমাধান হবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে ইনভেস্টরের দাবি, চুক্তি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। ক্লাব যদি এখন বেঁকে বসে তাহলে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো সম্ভব নয়। ফলে আসন্ন ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল। আগামী ১৬ অগাস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। ফলে তার আগে ঝামেলা না মিটলে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলা অনিশ্চিত।

শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে গত পাঁচদিন আগেই যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে । চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। ফলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা শর্ত শিথিল করার আর্জি জানালেও তা একপ্রকার অসম্ভব বলেই ধরে নেওয়া যায়।