Pritam Kotal: মোহনবাগানকে উপেক্ষা করে কেরালায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা প্রীতমের

বর্তমানে ভারতীয় ফুটবল মহলে অন্যতম জনপ্রিয় তারকা ডিফেন্ডার প্রীতম কোটাল (Pritam Kotal)। ভারতীয় দলের জার্সিতে একাধিকবার নিজের জাত চেনানোর পাশাপাশি বিগত কয়েক মরশুম ধরে হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ও যথেষ্ট প্রভাব ফেলে আসছেন এই তারকা ফুটবলার। প্রথমদিকে এটিকে দলের হয়ে ময়দান কাঁপানোর পর শেষ কয়েক বছর এটিকে মোহনবাগান দলের হয়ে খেলেন এই তারকা। শেষ মরশুমে […]

Mohammedan SC: সাদা-কালো ব্রিগেডে সই করলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা

গতকাল দলের একাধিক ফুটবলারদেরকে রিলিজ করেছিল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব (Mohammedan SC)। তারপর আজকেই চমক। বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তরুণ আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে সই করাল কলকাতার এই ক্লাব। তিনি অ্যালেক্সিস নাহুয়েল গোমেজ। গত কয়েকমাস ধরেই এই তারকা ফুটবলার কে দলে টানতে অল আউট ঝাঁপিয়েছিল মহামেডান। অবশেষে আজ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সুখবর নিয়ে আসল সাদা-কালো ব্রিগেড। আগামী মরশুমের […]

Mohun Bagan: ফেরেন্দোর সঙ্গে চুক্তি বাড়াচ্ছে বাগান, কত বছর থাকবেন তিনি?

গত ফুটবল মরশুমের শুরুটা খুব একটা ভালো না হলেও ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। যারফলে, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো দলকে হারানোর পর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি কলকাতার এই প্রধান। তারপর নক আউটে ওডিশা এফসিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে মোহনবাগান। সেখানে ট্রাইবেকারে হায়দরাবাদ এফসি কে পরাজিত করে ফাইনালে উঠে যায় প্রীতমরা। সেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

Sunil Chhetri: নাওরেম মহেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছেত্রী, কি বলছেন অধিনায়ক?

Sunil-Chhetri-Naorem-Mahesh

চলতি ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের শুরু থেকেই যথেষ্ট দাপট দেখিয়ে আসছে ভারতীয় ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে মাঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছিল সুনীল (Sunil Chhetri) ব্রিগেড। সেই ম্যাচে দলের অধিনায়ক গোল না পেলেও সেই স্থান পূরন করে দেন সাহাল আব্দুল সামাদ ও ছাংতে। তাদের হাত ধরেই প্রথম ম্যাচে উঠে এসেছিল জয়। সেই পারফরম্যান্স বজায় থাকল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে। […]

সংবাদিটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন- Sunil Chhetri: নাওরেম মহেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছেত্রী, কি বলছেন অধিনায়ক? appeared first on Kolkata 24×7 | Bangla News | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Breaking News| Kolkata News |Political News | Entertainment News | Sports News | Lifestyle News.

আসন্ন ফুটবল মরশুমে রেনবো এফসিতে গেলেন এই সবুজ-মেরুন তারকা

জুন মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই এবার শুরু হতে চলেছে কলকাতা ফুটবল লিগ। দেখতে গেলে হাতে মাত্র আর কটা দিন। তারপরেই শুরু নতুন ফুটবল মরশুম। তাই এই শেষ মুহূর্তে দলবদলের বাজার থেকে খেলোয়াড় তুলে চমক দিতে মরিয়া ময়দানের প্রত্যেকটি ক্লাব। যদিও এক্ষেত্রে বাকিদের টেক্কা দিয়ে অনেক আগে থেকেই দল নিয়ে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে ভবানীপুর। তবে […]

সংবাদিটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন- আসন্ন ফুটবল মরশুমে রেনবো এফসিতে গেলেন এই সবুজ-মেরুন তারকা appeared first on Kolkata 24×7 | Bangla News | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Breaking News| Kolkata News |Political News | Entertainment News | Sports News | Lifestyle News.

East Bengal FC bounced back: পুরোনো ছন্দে লাল-হলুদ ব্রিগেড

East-Bengal-FC

গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসিকে ১-৩ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ২০২২-২৩ ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (ISL) প্রথম জয় পেল ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal FC)। টানা দুম্যাচ হেরে খাঁদের কিনারায় থাকা একটা দল যেন জ্বলে উঠলো মশাল হাতে। আর এই জয়ের সঙ্গেই গুটি কয়েক লাল হলুদ সমর্থক,যারা অনেক আশা নিয়ে পাহাড়ে পা রেখেছিলেন আজ তাদের […]

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন East Bengal FC bounced back: পুরোনো ছন্দে লাল-হলুদ ব্রিগেড

ISL: এফসি গোয়ার কাছে হেরে গেল ইস্টবেঙ্গল

East Bengal lost to FC Goa

ISL: ঘরের মাঠে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে হোম অ্যাডভান্টেজ নিতে পারলো না ইস্টবেঙ্গল এফসি। ১-২ গোলে হেরে গেল লাল হলুদ ব্রিগেড।

৭ মিনিটে ব্র‍্যান্ডন ফার্নান্ডেজের গোলে এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া ব্র‍্যান্ডনের ডান পায়ের শট ইস্টবেঙ্গলের জালে জড়িয়ে যায়।৬৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল পেনাল্টি পায় এবং ক্লেইটন সিলভার গোলে ইস্টবেঙ্গল এফসি ১-১ গোলের সমতাতে ফিরে আসে।৯৫ মিনিটে এদু বেইতিয়ার গোলে শেষ মুহুর্তে গোল করে এফসি গোয়া ম্যাচ জিতে যায়।

এফসি গোয়া কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাল হলুদ সমর্থকদের সামনে থেকে তিন পয়েন্ট পকেটে পুরে নিলেও প্রচুর গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেছে।এদিনের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে এফসি গোয়ার স্কোরার ব্র‍্যান্ডন, রিডিম ত্লাং, আইবনভা দোহলিং , নূহ সাদাউই প্রত্যেকেই গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।অন্যদিকে, ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাল হলুদ সমর্থকদের নিরাশ করেছে ইস্টবেঙ্গল এফসির ফুটবলারেরা। অ্যালেক্স, সুমিত পাসি, জর্ডন, ক্লেইটন সিলভারা গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে।যা দেখে স্বভাবতই হতাশ লাল হলুদ ভক্তরা।

East Bengal: জর্ডন ও’ডোহার্টি সমর্থকদের উদ্দ্যেশে টুইট পোস্ট

jordan-odoherty

ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal) বুধবার, আইএসএলে ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। আইএসএলের ওপেনিং ম্যাচ কোচিতে স্টিফেন কনস্টাটাইনের ছেলেরা ৩-১ গোলে হেরে যায় কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে।

গত আইএসএলের ‘লাস্ট বয়’রা ঘরের মাঠ যুবভারতীতে টাইটেলশিপ খেতাবি দৌড়ে ফিরে আসতে পারে কিনা তা নিয়েই লাল হলুদ সমর্থকরা এখন যুবভারতী মুখী।এফসি গোয়া কোচ কার্লোস পেনা প্রি ম্যাচ প্রেস মিটে আগেই বলেই দিয়েছেন,”ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাল হলুদ সমর্থকদের সামনে পারফর্ম করাটাই চ্যালেঞ্জিং”

লাল হলুদ কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন বুধবারের ম্যাচ নিয়ে সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা দিয়েছেন,মাত্র চার সপ্তাহের প্রস্তুতিতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) খেলতে নেমেছে,তাই পাশে পেলে তিনি অনেক ভাল কিছু করে দেখাতে পারেন এবং ইস্টবেঙ্গলের হৃত গৌরব ফিরিয়েও আনতে পারেন। কিন্তু সে জন্য সমর্থকদের ধৈর্য্যশীল হতে হবে।

লাল হলুদ সমর্থকরাই বুধবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হতে চলেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই বুধবার ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইটার হ্যান্ডেলে একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের ভিডিওতে লাল হলুদ খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ার জর্ডন ও’ডোহার্টি সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা ছুঁড়ে দিয়ে বলেন,”আমি লাল হলুদ সমর্থকদের বিষয়ে অনেক কিছু শুনেছি এবং আপনাদের সমর্থনের বিষয়ে অনেক কিছু শুনেছি।এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে আইএসএলের ম্যাচে আপনাদের দেখার জন্য আমি তাকিয়ে আছি।”

প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয় ফুটবলার জর্ডন সেন্ট্রাল মিডফিল্ড ছাড়া অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার এবং লেফট উইংয় পজিশনে খেলতে পারেন।

Stephen Constantine: গোয়া ম্যাচের আগে সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা ইস্টবেঙ্গল কোচের

stephen constantine

গত ISL’র ‘লাস্ট বয়’ ইস্টবেঙ্গল মাত্র চার সপ্তাহের প্রস্তুতিতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) খেলতে নেমেছে,তাই পাশে পেলে তিনি অনেক ভাল কিছু করে দেখাতে পারেন এবং ইস্টবেঙ্গলের হৃত গৌরব ফিরিয়েও আনতে পারেন। কিন্তু সে জন্য সমর্থকদের ধৈর্য্যশীল হতে হবে।

মঙ্গলবার প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে এসে এমনটাই শোনালেন স্টিফেন কনস্টাটাইন (Stephen Constantine)। বুধবার,২০২২-২৩ ISL মরসুমে প্রথম ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামছে লাল হলুদ ব্রিগেড, প্রতিপক্ষ এফসি গোয়া।

ইতিমধ্যেই, এফসি গোয়া কোচ কার্লোস পেনা বলেই দিয়েছে,যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাল হলুদ সমর্থকদের সামনে পারফর্ম করাটাই চ্যালেঞ্জিং। কতকটা একই সুর শোনা গেল লাল হলুদ কোচের মুখে। বুধবারের ম্যাচে লাল হলুদ জনতা এক্স ফ্যাক্টর হতে চলেছে তা প্রতিপক্ষ দু’দলের কোচের কথাতেই পরিষ্কার।

ইস্টবেঙ্গল এফসি’র ব্রিটিশ কোচ স্টিফেন কনস্টান্টাইন প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে এসে সমর্থকদের উদ্দ্যেশে স্পষ্ট বার্তা ছুঁড়ে দিয়ে বলেন,”গত চার সপ্তাহ ধরে আমরা একসঙ্গে আছি। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ৭০ মিনিটের কথা ভাবছি। ওরা তো গত দু’বছর ধরে একসঙ্গে খেলছে। আমার মনে হয় আমরা ভালই খেলেছি। অন্য দল হলে হয়তো আত্মসমর্পণ করত ও চার-পাঁচ গোল খেয়ে নিত। কিন্তু আমাদের দল সে রকম নয়। তা ছাড়া আমাদের তুহীন দাস ও লালচুঙনুঙ্গা এই প্রথম আইএসএল খেলছে।”

লাল হলুদের বৃটিশ কোচের কথায়, ” দু’সপ্তাহের মধ্যে একটা দল তৈরি করে ফেলা ঠিক নয়। সব বিভাগেই উন্নতি করতে হবে আমাদের। প্রতি ম্যাচেই উন্নতি করতে হবে আমাদের। আমাদের দলটা এখন নতুন করে তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে চলছে। গত দুবছরে লিগ তালিকার একেবারে নীচের দিকে ছিল আমাদের দল। এ বারে আমাদের ছেলেদের বুঝতে হবে, ওদের কী করতে হবে। আমাদের ছ’জন ভাল বিদেশি রয়েছে এবং একঝাঁক প্রতিভাবান ভারতীয় ফুটবলার আছে। ওরা সবাই কঠিন পরিবেশের মধ্যে পরিশ্রম করে চলেছে। এটা আমাদের করে যেতেই হবে। কারণ, আমাদের নিজেদের প্রমাণ করতে হবে।”

টিমের প্রতি সমর্থকদের ভরসা অনেকটাই ঠুনকো, এই স্কোয়াড চলতি ISL টুর্নামেন্টে কতটা দৌড়তে পারবে তা নিয়ে লাল হলুদ সমর্থকদের মধ্যেও সংশয় রয়েছে। এমন অবস্থায় দলের প্রতি আস্থা বজায় রাখার প্রেক্ষিতে ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন বলেন,”আশা করি, কাল এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে আমরা তিন পয়েন্ট পাব।”

গত ISL’র লাস্ট বয় ইস্টবেঙ্গল এফসি, বুধবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে যথেষ্ট চাপে রয়েছে এবং ঘরের ভিতর থেকে উঠে আসা চাপ সামলাতে নাজেহাল অবস্থা। এই কারণে কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন এফসি গোয়া ম্যাচের আগে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে এসে ঠারেঠোরে বলেই দিয়েছে,সমর্থকদের কাছে সময় চান তিনি।

East Bengal: মাঠে দর্শক টানতে অভিনব উদ্যোগ লাল-হলুদ শিবিরের

East-Bengal

ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal) বনাম এফসি গোয়া (FC Goa) ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব দর্শকদের জন্য কিছু আয়োজন করেছে। প্রতিটি দর্শককে একটি করে হ্যান্ড ফ্ল্যাগ, একটি করে হেড ব্যান্ড এবং ফেস কালার, একটি করে হুইসেল,প্রতিটি দর্শকদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকছে এবং তা থাকছে বিনামূল্যে। এরই সঙ্গে প্রতিটি র‍্যাম্পে একটি করে ডেডিকেটেড ভলেন্টিয়ার থাকবে, তাদের কাছ থেকে ওই ম্যাচ কিটিসগুলো সংগ্রহ করা যাবে।

মঙ্গলবার, এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে প্রি ম্যাচ প্রেস মিটে এসে লাল হলুদ হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন বলেন,”ঘরের মাঠে হোক বা বাইরে, আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই মাঠে নামব। এই ম্যাচে জেতার জন্যই নামব আমরা।” সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল টিমের হেডকোচের সাফ কথা “মাত্র চার সপ্তাহের প্রস্তুতিতে বিশাল কিছু করে দেখানো তাঁর দলের পক্ষে সম্ভব নয়। সমর্থকদের কাছে সময় চান তিনি।”

সব মিলিয়ে, ইস্টবেঙ্গল টিম এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে প্রস্তুত ,অন্যদিকে লাল হলুদ জনতাও প্রিয় দলের খেলা ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দেখতে মুখিয়ে রয়েছে। এদিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন কানায় কানায় ভরে উঠবে তা বলাই চলে।

লিগের প্রথম খেলাতে গোলশূন্য ড্র ইস্টবেঙ্গলের

East Bengalরবিবার কলকাতা লিগের সুপার সিক্স পর্বে নিজেদের রিজার্ভ দলকে খিদিরপুর স্পোটিং ক্লাবের বিরুদ্ধে মাঠে নামিয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। গোলশূন্য স্কোরলাইনে শেষ হল এই ম্যাচের ফলাফল। খেলার প্রথমার্ধে ইমামি ইস্টবেঙ্গল গোলের সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। খিদিরপুর স্পোটিং’র গোলকিপার প্রিয়ন্ত সিং’র দুরন্ত পারফরম্যান্সের সামনে পড়ে জেসিন টিকে,মহিতোষ রায়,দীপ সাহারা গোলের লকগেট খুলতে পারেনি।৩০ মিনিটে […]

The post লিগের প্রথম খেলাতে গোলশূন্য ড্র ইস্টবেঙ্গলের appeared first on Kolkata24x7 | Get Bengali news updates, Bengali News Headlines , Latest Bangla Khabar, Kolkata Bengali News from West Bengal, India and World.

East Bengal: কথা বলছে ইতিহাস, দেখিয়ে দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল, বাকিরা শিখবে কবে?

আইএসএল-এ (ISL) এখনও জয় আসেনি বটে। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) দেখিয়ে দিচ্ছে এভাবেও লড়াইয়ে ফিরে আসা যায়। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরেও ফের লড়াই। ইস্টবেঙ্গলের ইতিহাস ঘাঁটলে এমন উদাহর

মিলবে অনেক। ঘুরে দাঁড়ানোর প্রবল ইচ্ছা। তাও একজন স্বদেশী কোচের হাত ধরে।

মুম্বই সিটি এফসির (Mumbai City FC) বিরুদ্ধে হাইপ্রোফাইল ম্যাচে গোলশূন্য ড্র। এসেছে এক পয়েন্ট। শতবর্ষ প্রাচীন ক্লাবের জন্য এই ফলাফল অবশ্যই গৌরবের। কিন্তু চলতি মরশুমের নিরিখে অবশ্যই বলার মতো। ভাঙাচোরা টিম নিয়েও অরিন্দমরা রুখে দিয়েছেন লিগ টেবল টপারদের।

দলের জঘন্য ফর্ম, দল গঠন নিয়ে প্রশ্ন, কোচ-ফুটবলারের মধ্যে দুরত্ব ইত্যাদি সমস্যায় জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল। সামনেএ মরশুমে ইনভেস্টর থাকবে কি না জানা নেই। এতোকিছুর মধ্যে নিজের কাজটুকু করে চলেছেন রেনেডি সিং। মানালো দিয়াজের ফেলে যাওয়া ভগ্নাংশের মধ্যেও যিনি কষে চলেছেন অংক। দলের মধ্যে বাঁধার চেষ্টা করছেন সুর। তথকথিত ফ্লপ ফুটবলারদের নিয়ে করতে চাইছেন বাজিমাত। আপাতত তিনি সফল। রেনেডির দায়িত্বে খেলা দু’টি ম্যাচ থেকেই পয়েন্ট পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রতিটা বলের জন্য ঝাঁপানোর চেষ্টা করছেন ফুটবলাররা৷ ম্যাচের পর ম্যাচ বেঞ্চে বসে থাকা আদিল খান এদিন বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে নেওয়া হয়েছে দলে। ড্যানিয়াল চিমার মতো বিদেশেকেও সামালাচ্ছেন রেনেডি। কে বলে ভারতীয় কোচ পারবেন না?

সুব্রত ভট্টাচার্য, সুভাষ ভৌমিকরা বারংবার সওয়াল করেছেন স্বদেশী কোচের কাঁধে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করলে তো? কর্পোরেট ফুটবলের জমানায় কলকাতা ময়দানেও বিদেশি কোচেদের রমরমা। রিয়াল মাদ্রিদের মানালো দিয়াজ যে কাজটা করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, সেখান থেকেই নতুন করে কাজ শুরু করে করেছেন রেনেডি সিং। যিনি একজন ভারতীয় কোচ।

লাল হলুদ জার্সি গায়ে বেইতিয়ার মাঠে নামার জোরালো সম্ভাবনা

ফিফার জানুয়ারি সেকেন্ড ট্রান্সফার উইন্ডো এখন চলছে। বিশ্বের প্রতিটি ক্লাব দল এই সময়ে ওৎপেতে থাকে নিজেদের স্কোয়াডের খামতি পূরণের লক্ষ্যে। বাদ যাচ্ছে না চলতি আইএসএলের লাস্ট বয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্প্যানিয়ার্ড আক্রমণাত্মক মিডফ্লিডার জোসেবা বেইতিয়ার দিকে ঝুকে রয়েছে লাল হলুদ শিবির।

আত্মঘাতী গোল মঙ্গলবার সৌরভ দাসের,বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। শয়নে স্বপনে লাল হলুদ ফুটবলার সৌভিক দাস হয়তো আজীবন আফসোস করেই যাবে। ২৮ মিনিটে হাওকিপের গোলে এগিয়ে গিয়ে, নিজের গোলেই বল জালে জড়িয়ে দিয়ে সৌভিক দাস এখন ‘খলনায়ক’, লাল হলুদ সমর্থকদের কাছে।

১১ তম রাউন্ডে ৯ ম্যাচের পরেও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সে স্কোয়াড মেরামতি করতে তাই জানুয়ারি ফিফা ট্রান্সফার উইন্ডোকে কাজে লাগিয়ে বেইতিয়াকে তুলে হালে পানি ফেরাতে চাইছে।

২০১৯-২০ আই লিগ মরসুমে সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে ১৬ ম্যাচে ৩ গোল জোসেবা বেইতিয়ার। ২০২০ সালে রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাবের হয়ে বেইতিয়া ১৬ ম্যাচে ২ গোল করে।

জোসেবা বেইতিয়াকে নিয়ে ভারতীয় ফুটবলে হইচই করার অন্যতম কারণ একটাই। তা হল বেইতিয়া রেয়াল সোসিদাদের ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের ফসল এবং রেয়াল সোসিদাদ হল রেয়াল মাদ্রিদের সিস্টার কনসার্ন অর্থাৎ রেয়াল মাদ্রিদের ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফুটবল পরিকল্পনা
রেয়াল সোসিদাদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আর তাই ভারতীয় ফুটবলে জোসেবা বেইতিয়াকে নিয়ে ক্লাব দলগুলোও টানাহ্যাঁচড়া করে থাকে।

East Bengal: ‘খারাপ ফুটবলার’দের দায়িত্বও একজন কোচের, মন্তব্য রেনেডির

বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে নামতে চলেছে শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। তার আগে যথারীতি একগুচ্ছ প্রশ্ন দলকে কেন্দ্র করে। লাল-হলুদের অন্তর্বর্তী কোচের ভূমিকায় এখন রেনেডি সিং। প্রি-ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ‘খারাপ ফুটবলার’দের প্রসঙ্গ।

লিগ ক্রম তালিকার একেবারে তলানিতে ইস্টবেঙ্গল। আট ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহে মাত্র ৪ পয়েন্ট। ড্র হয়েছে চারটি ম্যাচে এবং চারটি ম্যাচে পরাজয়। চলতি আইএসএলে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি শতবর্ষ প্রাচীন এই ক্লাব। হেড কোচের পদ থেকে বিদায় নিয়েছেন মানালো ডিয়াজ৷ পরিবর্তে এখন দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রেনেডি সিং। কিছু দিন পরেই ইস্টবেঙ্গল ডাউ-আউটে দেখা যাবে মারিও রিভেরাকে। আপাতত রেনেডিকেই সামলাতে হচ্ছে প্রশ্নবাণ।

সাংবাদিক সম্মেলনে রিনেডি বলেছেন, ‘আগামী তিন থেকে চারটি ম্যাচের দায়িত্বে আমি রয়েছি। ছেলেরা কঠিন পরিশ্রম করছে। ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আমরা বদ্ধপরিকর। আশা করছি ভালো কিছু করে দেখাতে পারব।’

‘রাতারাতি আমি সবকিছু ঠিক করতে পারব না। সাধ্যমত চেষ্টা করছি। মারিও রিভেরার সঙ্গে আমার এখনো কথা হয়নি। আমার দায়িত্বে থেকে ম্যাচগুলো আগে শেষ হোক। মারিওর সঙ্গে যাবতীয় কথা বলবো।’

ইস্টবেঙ্গলের হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্য অনেকেই আঙুল তুলছেন খেলোয়াড় রিক্রুটমেন্ট এর দিকে। ‘খারাপ ফুটবলার’ শব্দদুটি ঘুরছে কলকাতার ময়দানে। সে সম্পর্কে অন্তবর্তী কোচ জানিয়েছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় সেদিকেই এখন আমাদের ফোকাস। লোকে যে ফুটবলারদের ‘খারাপ’ বলছেন তাদেরকে সঙ্গে করেই আমাদের এই কাজ করে দেখাতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, ফুটবলার যেমনই হোক তার দায়িত্ব একজন কোচের।’

“মাস্টারস্ট্রোক” এসসি ইস্টবেঙ্গলের “হেডস্যার” হোসে মানুয়েল দিয়াজের

East Bengal Club

Sports desk: বৃ্হস্পতিবার চলতি আইএসএলের লাস্ট বয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ শক্তিশালী হায়দরাবাদ এফসি’র বিরুদ্ধে। মানালো মার্কেজের ছেলেরা দুরন্ত ফর্মে রয়েছে, লিগ টেবিলে এখন সাপ লুডোর লড়াই। প্রতি ম্যাচেই রঙবদল,কোনও টিমেরই বিশেষত লিগ টেবিলে প্রথম পাঁচ দলের ওঠানামা এখন টানাটান উত্তেজনায় ভরপুর। সুপার ডুপার হিট ইন্ডিয়ান সুপার লিগ(ISL)।

টানা সাত ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি হোসে মানুয়েল দিয়াজের এসসি ইস্টবেঙ্গল। অষ্টম ম্যাচে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামার আগে লাল হলুদ শিবির জুড়ে এবার কি হবে,এমনই ঘুমোট অস্বস্তিকর পরিবেশ-পরিস্থিতি।

অষ্টম ম্যাচে ঘড়ির কাটা সময় মতো মেলাতে পারবে?তিন পয়েন্ট কি আসবে হায়দরাবাদ এফসি’র বিরুদ্ধে? কপাল চাপড়াচ্ছে এতসত চিন্তা করে লাল হলুদ সমর্থকরা।

অন্যদিকে, স্প্যানিশ কোচ হোসে মানুয়েল দিয়াজ বোমা ফাটিয়েই চলেছেন খেলোয়াড় এবং ক্লাবের পরিবেশ নিয়ে মুখ খুলে,ঠাণ্ডা মাথায়, রীতিমতো অঙ্ক কষে।দলের ফুটবলারদের মাঠে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতায় নিজের অসন্তুষ্টির সঙ্গে গত বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ক্লাবের পরিবেশ নিয়েও তোপ দাগেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ।

কেন এই তোপ ধ্বনি? কেন এমন টাইমিং? পরিবেশ আর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে নিজের মুখে প্রশ্ন তুলে লাল হলুদ টিমের হেডস্যার হোসে মানুয়েল দিয়াজের এটা কৌশলী পদক্ষেপ। টিম ম্যানেজমেন্ট, ক্লাব অফিসিয়াল এবং বিনিয়োগকারি শ্রী সিমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দর কষাকষির খেলা।

নিজে থেকে কোচিং পদ না ছেড়ে, বল অন্যের কোর্টে পাঠিয়ে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ আদায়ের পথ মসৃণ করে তোলা। নিজে থেকে দিয়াজ এসসি ইস্টবেঙ্গলের হেডকোচিং পদ ছাড়লে ক্ষতিপূরণের ইস্যু আসবে না। তাই খেলোয়াড় এবং ক্লাব পরিবেশকে টার্গেট করে বিরুদ্ধ বয়ান লাগাতার, হোসে মানুয়েল দিয়াজের।

দেওয়াল লিখন স্পষ্ট পড়তে পেঁড়েছেন অভিঞ্জ স্প্যানিশ কোচ দিয়াজ। অভিঞ্জতা শুধু খেলার নয়,সঙ্গে দর কষাকষি’রও, আগামী দিনে নিজের বাজার দর বজায় রাখার তাগিদেই এমন “মাস্টারস্ট্রোক” খেলেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল টিমের “হেডস্যার” হোসে মানুয়েল দিয়াজ।

SC East Bengal: লাল-হলুদ সমর্থকদের আকুতি! এসসি ইস্টবেঙ্গল “কবে তিন পয়েন্ট পাবে”?

SC East Bengal

Sports desk: চলতি আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গল (SC East Bengal) নিজেদের ৬ নম্বর ম্যাচ খেলে নিয়েছে,কিন্তু তিন পয়েন্টের ভাড়ার শূণ্যে ভরা। আইএসএল লিগ টেবিলে চোখ রাখলে এসসি ইস্টবেঙ্গল এখন “লাস্ট বয়”।

৬ ম্যাচ খেলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি হোসে মানুয়েল দিয়াজের এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই ছয় ম্যাচে তিন ম্যাচে ড্র,তিন ম্যাচে হারের মুখ দেখে হতাশ লাল হলুদ সমর্থকরা। সমর্থকদের মধ্যে এখন আকুতি একটাই! “প্রিয় দল কবে তিন পয়েন্ট পাবে”?

টানা তিন ডার্বি ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ATK মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। রুক্ষণ আর মাঝমাঠের মিসিং লিঙ্ক গোটা দলকে ভোগাচ্ছে পয়েন্ট দখলের লড়াইতে। এগিয়ে থেকেও গোল হজম করা, জেতা ম্যাচ বিপক্ষের সঙ্গে ড্র কিংবা হার এটাই এখন লাল হলুদ সমর্থকদের ললাটে লিখন।

লাগাতার ছয় ম্যাচে টিম কম্বিনেশনে ফের বদল। সঙ্গে হেডকোচ দিয়াজের কেরালা ব্লাসার্স ম্যাচের আগে বিস্ফোরক বয়ান,”শুধু ফিটনেস নয়। ফিজিক্যাল, টেকনিক্যাল,ট্যাকটিক্যাল- সবকিছু নিয়েই ভাবতে হবে। কোনও দিক দিয়েই আমরা ভাল জায়গায় নেই”। প্রতি ম্যাচে বিপক্ষের শক্তি, তাদের পারফরম্যান্সের নিরিখে টিম কম্বিনেশনে বদল ঘটলেও, বিপক্ষ দল যখন বল পায়ে আক্রমণে তখন চারের বিরুদ্ধে এক পজিশনেও লাল হলুদ শিবিরের ডিফেন্স জুড়ে গেল গেল রব।

নিস্পৃহ ড্যানিয়েল চিমা, চিমা ওকোরি নামের সামান্য ছোঁয়াও অমিল।ভরসা পেরোসেভিচ।হাওকিপ থাকলেও পেরোসেভিচের সঙ্গে তালমেলে খুঁত।

ছয় ম্যাচ হয়ে গেল আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ফরোয়ার্ড সিদ্ধান্ত সিরোকদার ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রয়েছে প্রথম একাদশে সুযোগের অপেক্ষায়।

কেরালা ব্লাসার্সের বিরুদ্ধে ড্র করে হোসে মানুয়েল দিয়াজের প্রথম প্রতিক্রিয়া, “আমাদের পারফরম্যান্স আমাদের জেতাতে যথেষ্ট ভাল নয়”। আবার গত ম্যাচে অধিনায়ক টমিস্লাভ মির্সেলা ম্যাচ শেষে সেটপিস মুভে দলের আরও বেশি উন্নতি করার ওপরে বয়ান দিয়েছেন।

ইতিমধ্যে আবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্মসমিতি আইএসএলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান শ্রী সিমেন্টকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ক্লাবের সাধারণ সচিব কল্যাণ মজুমদার ওই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে।

লাল হলুদ সমর্থকদের আকুতি চিঠি চালাচালি করতে করতে আইএসএলের ১১ তম রাউন্ড শেষের পথে,হাতে আর চার ম্যাচ পড়ে রয়েছে,১৭ ডিসেম্বর নর্থইস্ট ইউনাইটেড, ২৩ ডিসেম্বর হায়দরাবাদ এফসি,৪ জানুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসি এবং ৭ জানুয়ারি মুম্বই সিটি এফসি।

যদিও বাংলার সন্তোষ ট্রফি টুর্নামেন্টে কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য এখনও আশাবাদী জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারে ইস্টবেঙ্গল, যদি ডিফেন্স আর মাঝমাঠের মিসিং লিঙ্ক জুড়ে দিতে পারে।

যদিও নাছোড়বান্দা আবেগের আকুতি কোনও পরিসংখ্যান কিংবা স্ট্যাটিস্টিককে ঘেঁষতে না দিয়ে প্রিয় দল “কবে তিন পয়েন্ট পাবে”?

বর্ণবিদ্বেষের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে প্রথম ডার্বি ম্যাচ জয়ের “সোনালি কুড়ির দশক” মোহনবাগানের

Mohun Bagan against East Bengal

Sports desk: ব্রিটিশ শাসিত ভারতে মোহনবাগান ক্লাব ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সেনাদল ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড জিতেছিল,এই রেকর্ড সকলেরই জানা। কিন্তু পালতোলা নৌকোর বিজয় রথ কিন্তু এরপরেও থেমে থাকে নি, পালেতে হাওয়া লেগে তরতর করে বয়ে গিয়েছে,যা এখনও অব্যাহত।

সেরকমই ১৯২০ দশক মোহনবাগান ক্লাবের গৌরবময় ইতিহাসের আর এক মাইলস্টোন। কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় কলকাতা এফসি ১৯২০ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এই ফুটবল দল আইএফএ শিল্ড টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালেও উঠেছিল, কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে কুমারটুলি ক্লাবের কাছে ১-২গোলে হেরে গিয়েছিল।

সালটা ১৯২১ ব্রিটিশ ভারতে মুক্তির দাবিতে ধোঁয়া উঠেছে। উত্তাল এই সময়ে মোহনবাগান ক্লাব ডালহৌসি ক্লাব থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট পিছিয়ে কলকাতা লিগে রানার্স আপ হয়। এরপরেই চলে আসে মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন কলকাতার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে প্রথম ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল, ১৯২১’র ৮ আগস্ট কোচবিহার কাপের সেমিফাইনালে। ওই ম্যাচ গোলশূন্যতে ড্র হয়। ১০ আগস্ট রিপ্লে ম্যাচে মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ভারতীয় ফুটবলে এক নতুন অধ্যায় অভিযানের সূচনা করে।

১৯২২ সালে মোহনবাগান দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতীয় ফুটবলারদের একটি দলকে কয়েকটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে আমন্ত্রণ জানায়। আমন্ত্রণী ওই প্রীতি ম্যাচের একটি জিতেছিল এবং অন্যটি হেরেছিল সবুজ মেরুন শিবির। ওই বছর ইস্টবেঙ্গলকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোচবিহার কাপ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান ক্লাব।

১৯২৩ সালে, মোহনবাগান আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে পৌঁছেছিল, কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কাদা মাঠে কলকাতা ফুটবল ক্লাবের কাছে ০-৩ গোলের হারের জন্য মোহনবাগান ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতাছাড়া করে বসে। ওই বছরেই অর্থাৎ ১৯২৩ সালে মোহনবাগান রোভার্স কাপে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিল। রোভার্সে মোহনবাগান দুরন্ত ফুটবল খেলে ফাইনালে ওঠে। অথচ দুর্ভাগ্যবশত রোভার্স কাপের ফাইনালে ডারহামের লাইট ইনফ্যান্ট্রির কাছে ৪-১ গোলে হেরে গিয়েছিল, কিন্তু এই টুর্নামেন্টে মোহনবাগান ক্লাবের পারফরম্যান্স ব্যাপক সমর্থন আর প্রশংসার ঝুলিতে ভরে উঠেছিল।

১৯২৪ সাল মোহনবাগান ক্লাবের ইতিহাসে প্রশাসনিক স্তরে এক বড় দুঃসময় নেমে আসে। ক্লাব তার একজন বড় শুভাকাঙ্ক্ষী প্রথম ক্লাব সভাপতি ভূপেন্দ্র নাথ বসুকে হারায়। প্রথম ক্লাব সভাপতির প্রয়াণের পর স্যার রাজেন্দ্র নাথ মুখোপাধ্যায় মোহনবাগান ক্লাবের নতুন সভাপতি হন। দ্বিজেন্দ্র নাথ বসু এবং ডিএন গুইনকে ক্লাবের অনারারি জয়েন্ট সেক্রেটারি নির্বাচিত করা হয়।

১৯২৫ ডুরান্ড কাপে খেলার জন্য প্রথম ভারতীয় ফুটবল ক্লাব দল হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়ে মোহনবাগান ক্লাব আরও একটি ইতিহাস তৈরি করেছিল। ব্রিটিশ শাসিত ভারতে, শুধুমাত্র ব্রিটিশ সামরিক দলগুলোরই ডুরান্ড কাপে অংশগ্রহণের একমাত্র অধিকার ছিল। মোহনবাগান ক্লাব প্রথম রাউন্ডে রয়্যাল বার্কশায়ার রেজিমেন্টকে, দ্বিতীয় রাউন্ডে ইয়র্ক ল্যাঙ্কাস্টার রেজিমেন্টকে এবং তৃতীয় রাউন্ডে এসেক্স রেজিমেন্টকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। ডুরান্ডের সেমি-ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইতে

সেরউড ফরেস্টের কাছে হেরে যায়, মোহনবাগান। ওই বছরেই ক্লাব কলকাতা লিগে কলকাতা এফসি থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। দ্বিজেন্দ্র নাথ বোস ক্লাবের সাম্মানিক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ১৯২৫’এ।

১৯২৬ সালে আইএফএ শিল্ডের তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছেছিল মোহনবাগান ক্লাব। কিন্তু শিল্ডে ফের শক্ত গাট সেরউড ফরেস্টের কাছে হেরে যায় এবং ডারহামের লাইট ইনফ্যান্ট্রির কাছে ডুরান্ড কাপও হেরে যায়।

শুধুমাত্র ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় বিপর্যয় সময়েও মোহনবাগান ক্লাব প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতাকে এড়িয়ে যায় নি, উল্টে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল দুর্গত মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়ে প্রতিকূল রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে ঝুঁঝে।

১৯২৭ সালে গুজরাত এক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল এবং গুজরাটের জনগণকে সহায়তা করার জন্য একটি বন্যা ত্রাণ তহবিল তৈরি করেছিল ওই সময়ে মোহনবাগান ক্লাব পরাধীন ভারতে। এই বিপর্যয়ে তহবিল সংগ্রহের জন্য মোহনবাগান ক্লাব তৎকালীন বোম্বেতে বর্তমানে মুম্বই’তে কয়েকটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলে। ওই বছরে ক্লাব হাজারীবাগের গভর্নর কাপ জিতেছিল। কিন্তু সিমলায় আয়োজিত হওয়া ডুরান্ড কাপে

সামাদ, বলাইদাস চ্যাটার্জির মতো কিছু দুর্দান্ত খেলোয়াড়ের উপস্থিতিতেও আশানুরূপ পারফরম্যান্সের ছাপ ফেলতে পারেনি গঙ্গা পাড়ের ক্লাব। ওই বছর, মোহনবাগান আইএফএ শিল্ড টুর্নামেন্টে উইল্টশায়ার রেজিমেন্টের কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়েছিল।

১৯২৮ সালে, মোহনবাগান প্রথমবারের মতো পাওয়ার লীগ, চতুর্থবার কোচবিহার কাপ এবং তৃতীয়বারের মতো লক্ষ্মীবিলাস কাপ জিতেছিল। সবুজ মেরুন শিবির কলকাতা ফুটবল লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। লিগের প্রথম দিকে সবকটি ম্যাচ জিতে শুধুমাত্র ডালহৌসি এসি’র কাছে হেরে যায়, ১৯২৮ লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ডালহৌসি এসি। ওই একই বছরে আইএফএ শিল্ডেও ডালহৌসি এসি’র বাধা টপকাতে পারেনি মোহনবাগান।শিল্ডেও একই ক্লাবের কাছে হেরে গিয়েছিল মোহনবাগান ক্লাব।

ব্রিটিশ ভারতে, ১৯২৯ সালে ডালহৌসি ক্লাব এবং মোহনবাগান ক্লাবের মধ্যে কলকাতা লীগের ম্যাচে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, বর্ণ বিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রায় সমস্ত ভারতীয় ক্লাব দল আইএফএ এবং কলকাতা লীগ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়৷

কিন্তু ওই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি থেকে তৈরি হওয়া বিবাদের জল বেশি দূর গড়ায়নি। একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সমঝোতার মধ্যে দিয়ে সমস্ত ক্লাব দল সম্মতিতে হ্যাপি এন্ডেডিং ঘটেছিল ঘুমোট আবহাওয়ার। ভারতীয় ক্লাব দলগুলো আইএফএ কাউন্সিলে ইউরোপীয় ক্লাবগুলির সাথে সমান প্রতিনিধিত্ব অর্জন করেছিল। কেননা ব্রিটিশ ভারতে আইএফএ’র গর্ভনিং বডির সদস্যদের সংখ্যাগোরিষ্ঠতা ছিল গোরাদের (ব্রিটিশদের)।

ভারতীয় ক্লাবগুলি তাদের নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়ে পরবর্তী আইএফএ শিল্ড এবং কলকাতা লীগে অংশগ্রহণ করে।

লীগ প্রতিযোগিতায় মোহনবাগান দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে, ডালহৌসি এসি চ্যাম্পিয়ন হয়। মোহনবাগান ক্লাব আইএফএ শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী দল রয়্যাল আইরিশ ফুসিলিয়ার্সের কাছে হেরে গিয়েছিল। মোহনবাগান ডুরান্ড কাপে অংশ নিলেও স্যান্ডেমানিয়ানদের কাছে হেরে যায়।

ISL: ইস্টবেঙ্গল-চেন্নাইয়ন সিটি এফসি ম্যাচ গোলশূন্য

ISL

Sports desk: গোয়ার তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে আইএসএল টুর্নামেন্টে এসসি ইস্টবেঙ্গল বনাম চেন্নাইয়ন সিটি এফসি ম্যাচ গোলশূন্যতে ড্র। এই ড্র’র ফলে টানা তৃতীয় ম্যাচে জয় হাতছাড়া করে বসলো চেন্নাই এর দল। ড্র’র সুবাদে দুই দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়েছে। এসসি ইস্টবেঙ্গল ১ পয়েন্ট লাভ করেছে।

টানা তিন ম্যাচে ১০ গোল বদহজমের রোগে লাল হলুদ রুক্ষণ। চতুর্থ ম্যাচ ঘরের বাঁধন আটোসাটো করে আক্রমণে যাওয়ার কৌশল হোসে মানুয়েল দিয়াজের।

টুর্নামেন্টে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচের ৭৪ মিনিটে লাল হলুদ শিবির গোলের দুরন্ত সুযোগ হাতছাড়া করে। রাজু গায়কোওয়াড় বক্সের ভিতরে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পায়, ডারভিসেভিচের ফ্রিকিক থেকে, বল মাটিতে পড়ে যায় এবং বল বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

দুই দলই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই লড়েছে। কিন্তু গোলের লকগেট কেউই খুলতে পারেনি। ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড পেরোসেভিচও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। চেন্নাইয়ন সিটি এফসিও গোলের সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারে নি।

তলানিতে ঠেকে যাওয়া আত্মবিশ্বাস থেকে আজকের ম্যাচ ড্র তবুও সাত্ত্বনার, গোল হজম করতে হয়নি। এদিনও ম্যাচে নিঃস্পৃহ চিমা। নামেই চিমা, ঝাঁঝ নেই সমর্থকদের সাফ কথা।

আগামী মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ, তিলক ময়দানেই লাল হলুদের। আজকের ড্র ম্যাচ, টুর্নামেন্টে অন্ততপক্ষে ভাল পজিশনে তুলে আনতে পারবে আগামী দিনে দলকে, এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে লাল হলুদ সমর্থকদের মধ্যে। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ ধরে এগোলে এখনও রাউন্ড ১১’তে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাতে ম্যাচ পড়ে রয়েছে ৬ ম্যাচ।

আইএসএলে জামশেদপুরে সঙ্গে ড্র করল ইস্টবেঙ্গল

ISL

Sports desk: চলতি আইএসএলের মহাডার্বি ম্যাচ নভেম্বরের ২৭ তারিখ। টুর্নামেন্টের অষ্টম সংস্করণে নিজেদের প্রথম এনকাউন্টারে এসসি ইস্টবেঙ্গল ১-১ গোলে ড্র করলো জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। ম্যাচ ড্র’র কারণে তিন পয়েন্টের বদলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিল দুই দল।

রবিবার তিলক ময়দানে এক্কেবারে নতুন সেটআপ নিয়ে নামা এসসি ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ শুরুর দিকে আগোছালো ছিল। ১৭ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ান স্টপার ফ্রানিও পর্চের ব্যাকভলিতে করা গোলে লাল হলুদ শিবির ১-০ গোলের লিড নেয়। রেহনিশের হাত-ফেরৎ বলে গোলের সামনে বাঁদিক থেকে ব্যাকপাস করেন পেরোসেভিচ। সেই ঠিকানা লেখা পাস থেকে গোল করেন স্টপার ফ্রানিও পর্চে।

east-bengal

গোল দেওয়ার পরে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে একটা নতুন উদ্যম ধরা পড়ে, লিড বাড়ানোর তাগিদ দেখা যায়। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে ‘মেন অফ স্টিল’ জামশেদপুর এফসির ‘আনমার্কড’ ফুটবলার তথা অধিনায়ক পিটার হার্টলে তাঁর দলকে ১-১ গোলের সমতা এনে দেয়। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত ৪৩ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল মাথা ছুঁইয়ে গোলের সামনে বাঁ দিকে হার্টলেকে দেন নেরিয়ুস ভাল্সকিস। অরক্ষিত হার্টলের বুকে লেগে বল ঢুকে যায় লাল হলুদের জালে।

দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ পেলেও কোনও দলই গোলের লকগেট খুলতে পারেনি। তিলক ময়দানে হতাশ করলেন ড্যানিয়েল চিমা, কিন্তু আন্তোনিও পেরোসেভিচের পারফরম্যান্সে আশার আলো ফুটেছে লাল হলুদ সমর্থকদের। প্রথম ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট লাল-হলুদের। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ হোসে মানুয়েল দিয়াজের সমস্ত ফোকাসড এখন শনিবাসরীয় ডার্বি ম্যাচ ঘিরে।

অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগান ৪-২ গোলে কেরলা ব্লাস্টার্সকে হারিয়ে প্রথম ম্যাচ থেকে পুরো তিন পয়েন্ট ঘরে তুলেছে। জয়ের আনন্দ থাকলেও কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস তিরি’র হাঁটুর চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায়। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ ডার্বিতে তিরি’র সার্ভিস পাওয়া নিয়ে আশঙ্কায় প্রহর গুনতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগানের হেডস্যার হাবাসকে।

মোহনবাগানকে জেতাতে লাল হলুদের মাঠে বসে খেলা দেখতেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়

Subrata Mukherjee

Special Correspondent, Kolkata: ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট কাটাতে লাল হলুদ তাঁবুতে গিয়ে ইস্ট-মোহন ম্যাচ দেখতেন কট্টর মোহনবাগান সমর্থক তথা সদ্য প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

লাল হলুদের এই পয়েন্ট কাটানোর কথা জানিয়েছেন দেবব্রত সরকার ওরফে লাল হলুদের নিতু দা। তিনি বলেন, “এই গল্প জআমি খুব ছেলেবেলা থেকে ময়দানে আসতাম। এসে দেখতাম পল্টুদার সাথে সুব্রতদার একটা মধুর সম্পর্ক। এটাও শুনতাম সুব্রতদা নাকি আপাদমস্তক মোহনবাগানের সমর্থক, কিন্তু ভালো লাগতো ওনাকে দেখে যে তিনি আমাদের ম্যাচ গুলোর সময় ঠিক পল্টুদার পাশে বসে ম্যাচ উপভোগ করতেন।

আসলে একজন কট্টর মোহনবাগানী আরেকজন কট্টর ইস্টবেঙ্গলি দুই বন্ধু, ম্যাচ দেখার নাম করে একে অন্যের টিমের খেলা থাকলেই তাদের মাঠে চলে যেতেন, এটা আসলে একটা তুক-তাক, অন্যের টিমের পয়েন্ট কাটার লক্ষ্যে। সুব্রতদা যেমন আমাদের খেলা থাকলে আমাদের মাঠে আসতেন তেমনি আবার পল্টুদা রাও মোহনবাগানের খেলা থাকলে চলে যেতেন তাদের মাঠে, পয়েন্ট কাটবার জন্য। এ ছিল এক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। সুব্রতদা আমাদের মাঠে আসলে ওনার পাশে থাকতেন পল্টুদা, জীবনদা, প্রদীপ ঘোষ – এই প্রদীপ ঘোষ ওনার রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন আর ছিলেন আদ্যোপান্ত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। মাঠে একটা সুন্দর সমাবেশ থাকতো।”

একইসঙ্গে তিনি বলেন, “সবসময় ওনাকে দেখেছি, যে, কোনো মানুষ কোনো কাজের জন্য তার কাছে গেছে, তিনি পরিষ্কার কথাটা পরিষ্কার করে বলেছেন। আমি কোনো রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে বলছি না, আমাদের ময়দান কেন্দ্রিক কোনো কিছু নিয়ে তার কাছে কেউ গেলে তিনি পরিষ্কার কথাটা পরিষ্কার ভাবে তাকে বুঝিয়ে বলতেন। পল্টুদা ওনার থেকে বয়েসে বড় হলেও তার সাথে সুব্রতদার অদ্ভুত একটা সুসম্পর্ক ছিল এই স্পোর্টসকে কেন্দ্র করে। কখনো আই.এফ.এ.’র রাজনীতি, কখনো সি.এ.বি.’র রাজনীতি বা অন্যান্য আসোসিয়েশনের যেকোনো সমস্যায় তিনি পল্টুদার সাথে আলোচনা করতেন।

আবার পল্টুদা যেমন মাঝে মাঝে সুব্রতদার বাড়িতে যেতেন সেরকমই পল্টুদা বাড়িতে থাকলে তিনি চলে আসতেন পল্টুদার বাড়িতে। পল্টুদা চলে যাওয়ার পর আমাকে আর স্বপনদাকে উনি খুব স্নেহ করতেন। মাঝে মাঝে আমরাও যেতাম ওনার কাছে। সুব্রতদা যখন মেয়র হলেন, আমি আর স্বপনদা ওনার কাছে গিয়ে বললাম, “বড় ক্লাবগুলোতে তো কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই, তুমি যদি একটু করে দাও, ভালো হয়”। সুব্রতদা বললো, “দেখ আমি তো পুরো করতে পারবো না, বেশ খানিকটা করে দিচ্ছি, বাকিটা তোদের দেখতে হবে”। আমি বললাম, “ঠিক আছে”। সাথে সাথে স্বপনদা বললো, “মোহনবাগান তো চায় নি, তা তুমি দেবে তো?” তার উত্তরে খুব সুন্দর ভাবে তিনি বলেছিলেন, “মোহনবাগান তো আমার কাছে চায় নি, তোরা চেয়েছিস, তোদের দিচ্ছি”।

একজন আদ্যোপান্ত মোহনবাগানী হয়েও স্পোর্টস এর উন্নতিতে সবসময়ই এগিয়ে আসার মানসিকতা সুব্রত দার মধ্যে দেখতে পেয়েছিলাম। এরকম একজন ময়দান প্রিয় মানুষ চলে গেলো, আমরা খুবই শোকাহত। তিনি যেমন মোহনবাগানের সদস্য ছিলেন, তেমনি আমাদের সদস্য ছিলেন। প্রত্যেক বছরের বার্ষিক চাঁদা দিয়ে উনি কার্ড নবীকরণ করাতেন। ওনার সহকর্মী দেবুদার সাথে কথা বলে আমিই সেটা পাঠিয়ে দিতাম সুব্রতদার কাছে। আর হয়তো কার্ড রিনিউ করে পাঠাতে হবেনা, সুব্রতদার চলে যাওয়া ময়দানে এক অনন্ত শূন্যতার সৃষ্টি হলো। একজন ফুটবল প্রেমী ব্যক্তিত্বকে হারালাম আমরা। ওনার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। ওনার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই।
সুব্রতদা এক বর্ণময় চরিত্র, রাজনীতির আঙিনার মতো ময়দানেও তিনি অমর হয়ে থাকবেন।”