शुरुआती दो घंटे में ही चुनाव आयोग के पास जमा हुई 715 शिकायतें

कोलकाता : पश्चिम बंगाल में शनिवार को हो रहे अंतिम चरण के मतदान वाले दिन शुरुआती दो घंटे में 700 से अधिक शिकायतें दर्ज की गई हैं।

राज्य के मुख्य चुनाव अधिकारी के कार्यालय के सूत्रों ने बताया है कि सुबह 9:00 बजे तक 715 शिकायतें जमा हुई हैं। इसमें भाजपा की ओर से 25, माकपा की ओर से 46 और कांग्रेस ने छह शिकायतें दर्ज कराई है।

बाकी शिकायतें इवीएम और अव्यवस्था से संबंधित हैं जिनका निपटान किया जा रहा है।

प्र‍ियंका गांधी के ख‍िलाफ भाजपा ने चुनाव आयोग में की शिकायत

भाजपा प्रतिनिधिमंडल ने बुधवार को चुनाव आयोग से मुलाकात की और प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के कथित मंदिर दान पर उनके बयान के लिए कांग्रेस नेता प्रियंका गांधी के खिलाफ शिकायत दर्ज कराई। केंद्रीय मंत्री अर्जुन राम मेघवाल ने कहा कि आज हम चुनाव आयोग के सामने हैं, 20 अक्टूबर को कांग्रेस महासचिव प्रियंका गांधी वाड्रा ने भाषण के दौरान एक बयान दिया और आचार संहिता का उल्लंघन किया। पत्रकारों से बात करते हुए, मेघवाल और पुरी ने कहा कि उन्होंने मौजूदा कानूनों के अनुसार एक “अपराध” किया है।

मेघवाल ने कहा, “क्या प्रियंका गांधी कानून से ऊपर हैं? क्या वह किसी कानून में विश्वास करती है? वह वैमनस्यता फैलाने के लिए धार्मिक भावनाओं का इस्तेमाल कर रही है।चुनाव आयोग को दी गई बीजेपी की शिकायत में कहा गया है, प्रियंका गांधी के इस बयान ने प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी की व्यक्तिगत धार्मिक भक्ति का हवाला देकर स्वतंत्र और निष्पक्ष चुनाव के मूल आधार का उल्लंघन किया है।

Election 2022 : করোনা আবহে আজ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশ কমিশনের

election commission Of India Office

আজই ঘোষণা হতে চলেছে নির্বাচনের Election 2022) নির্ঘন্ট। সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজই দুপুর সাড়ে ৩ টের সময় ৫ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কমিশন। গোয়া (Goa), পাঞ্জাব (Punjab), মনিপুর (Manipur) , উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand) এবং উত্তর প্রদেশে (Uttar Pradesh) আসন্ন ভোট।

সূত্র মারফত খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের মার্চ মাসেই ওই ৫ রাজ্যে ভোট। অন্যদিকে উত্তর প্রদেশের ভোট প্রক্রিয়া শেষ করা হবে মে মাসের মধ্যেই। এদিকে করোনার তৃতীয় ঢেউ এসে হাজির হয়েছে দেশে, সেইসঙ্গে দোসর হয়েছে ওমিক্রন। একাধিক রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মী, প্রশাসনিক মহলের একাধিক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে বৃহস্পতিবার কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তারা বৈঠক করেন। সূত্র মারফত খবর, বৃহস্পতিবারের এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে যাতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে ভোটার ও ভোটকর্মীদের টিকাকরণ ১০০ শতাংশ হয়ে যায়। যদিও উত্তরপ্রদেশের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা নিয়ে এখনও অবধি জানা যায়নি। এলাহাবাদ হাইকোর্ট আশঙ্কা করছে যে, এই সভা-সমাবেশ-মিছিলের জেরে সংক্রমণ বাড়তে পারে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশও জানিয়েছেন, এখনই সতর্ক না হলে নতুন করে হানা দিতে পারে সংক্রমণের ঢেউ।

Election: সংক্রমণ বেড়ে চলায় অবিলম্বে সভা-সমাবেশ বন্ধ করার জন্য কমিশনকে পরামর্শ

দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধিতে রীতিমত উদ্বেগে রয়েছে কোভিড টাস্কফোর্স। আর কয়েক দিনের মধ্যেই দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Election) নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার কথা। কিন্তু ওই সমস্ত রাজ্যগুলিতে যাতে সব ধরনের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দিল টাস্কফোর্স। বৃহস্পতিবার টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনই যদি সভা-সমিতি, জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা না হয় তাহলে বিপদ আরও বাড়বে।

কয়েকদিন আগেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, মণিপুর, গোয়ায় নির্দিষ্ট সময়েই ভোট গ্রহণ হবে। সংক্রমণ বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই ভোট গ্রহণ করা হবে। আপাতত ভোট পেছানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। কারণ প্রতিটি রাজনৈতিক দলই চাইছে যথাসময়ে নির্বাচন হোক। তাই করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ৫ রাজ্যেই বুথের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এমনকী, ভোট গ্রহণের সময়সীমা বাড়ছে। কিন্তু জনসভা, মিটিং- মিছিলের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি কমিশন।

কিন্তু কমিশনের এই ঘোষণার পরই রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে চিকিৎসকরা। সকলের একটাই প্রশ্ন, করোনার হাত থেকে বাঁচতে যেখানে বারবার দূরত্ব বিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে সেখানে কী করে সভা সমাবেশকে ছাড়পত্র দিচ্ছে কমিশন।

এরই মধ্যে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কোভিড টাস্কফোর্সের প্রধান ভিকে পল নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দিয়েছেন, ভাইরাসের সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে হলে অবিলম্বে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে সবধরনের সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। যদি তা না হয় তবে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। যথাসময়ে ভোট করতে গিয়ে দেশকে ঠেলে দেওয়া হবে চরম বিপদের মুখে। তাই কমিশন যেন সবদিক বিবেচনা করেই নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

EC: রিগিং বিহীন পুরভোটের দাবি, গরম আন্দোলনে ‘শূন্য’ বামেরা চাঙ্গা হচ্ছে

News Desk: কলকাতা পুরনিগম ভোটে রিগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহল তীব্র আলোড়িত। আর কলকাতায় ভোটের নিরিখে বিরোধী তকমা পেয়ে তেড়ে ফুঁড়ে নামল বামফ্রন্ট। আসন্ন পুরনিগম ও পুরসভাগুলির ভোট নির্বিঘ্নে করানোর দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন অভিযানে শীতের বেলায় হাওয়া গরম।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর দাবি, তিনশোর বেশি কর্মী সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের গোলাম বলে কটাক্ষ করেছেন বাম নেতারা।

দুপুর থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে উত্তেজনা চরমে ছিল। ১৪৪ ধারা জারি থাকায়, পুলিস বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। বাম নেতাদের আটক করে পুলিশ।

এর রেশ ধরে বেলা গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বামেদের বিক্ষোভ। চলেছে মিছিল। বানফ্রন্টের অভিযোগ, কলকাতা পুরনিগমের মতো ভোট লুঠ করতে তৈরি শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন কেন তার ভূমিকা নেবেনা বলে প্রশ্ন তুলেছেন বাম নেতারা।

২২ জানুয়ারি হাওড়া, শিলিগুড়ি, আসানসোল, বিধাননগর ও চন্দননগর পুরনিগমের ভোট। এর পর ২৭ তারিখ অন্যান্য পুরসভার ভোট। তবে এখনও নির্দিষ্ট হয়নি হাওড়া পুরনিগমের ভোট কবে হবে।

বালি বিলের জটিলতার মধ্যেই সোমবার পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা!

The pre-poll schedule was announced on Monday amid the complexity of the sand bill!

News Desk: বহু প্রতীক্ষার পর পুরভোটের বাদ্যি বেজেছে। কিছুদিন আগেই কলকাতা পুরসভার ভোট শেষ হয়েছে। এরপর রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে কবে নির্বাচন করা যেতে পারে তা জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তরে ২২ জানুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট করা যেতে পারে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর সরকারিভাবে ঘোষণা হতে পারে।

পুরভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার মধ্যেই অব্যাহত বালি বিলের জটিলতা। তথ্য অনুযায়ী, পুরভোটের প্রথম দফায় রয়েছে হাওড়া এবং দ্বিতীয় দফায় রয়েছে বালি। এখানেই সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। এখনও বালি বিলের রাজ্যপালের স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে হাওড়া ও বালি আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বালি বিলের জটিলতা জিইয়ে রেখেই কি দুই পুরসভার ভোট হবে।

এদিকে সোমবার বিকেল ৪ টেয় নির্বাচন কমিশন একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছে। আগামীকালের বৈঠকে হাওড়া ও বালি ঘিরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হয় নাকি সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু হাওড়া ও বালি এখনও দুটি আলাদা পুরসভা হয়ে উঠতে পারেনি তাই আসন্ন পুরভোট থেকে বাদ যেতে পারে হাওড়া ও বালি।

KMC Election: ‘কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচন নয়’, সাফ জানাল কমিশন

suvendu adhikari

নিউজ ডেস্ক : বিরোধীদের দাবি খারিজ করে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিল, ‘কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচন নয়।’ কমিশন সূত্রে খবর, পুরভোটের প্রত্যেক বুথের তথ্যই খতিয়ে দেখা হয়েছে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি ছিল না। 

কলকাতায় পুরভোটে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ঘটতে দেখা যায়। বোমাবাজি-ছাপ্পাভোটের একাধিক অভিযোগ আসে বিরোধীদের। রাজ্যপালের কাছে নালিশই নয়, এদিন নির্বাচন কমিশনে গিয়েও ভোটের কারচুপির অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কমিশনের অফিস থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘আমরা কমিশনকে বলেছি, যদি দম থাকে তাহলে ভোট বাতিল করে পুর্ননির্বাচন করুন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ধুলো মিশিয়ে দিয়েছেন।’

কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও ল্যাবে ৬ হাজার বুথের সিসিটিভি ক্যামেরার ফরেন্সিক অডিট করারও দাবি জানান তিনি। এরআগে শুভেন্দু রাজ্যপালের কাছেও একই দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, চরম রিগিং হয়েথে। কলকাতা পুরনিগমে মাত্র ২০ শতাংশ ভোট হয়েছে। বাকি সব ভুয়ো ভোট। নির্বাচনকে প্রহসন করেছে তোলামূল পার্টি। বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ, বহিরাগতদের দিয়ে ভোট করিয়েছে শাসক দল। আদালতে ভিডিও দিয়ে প্রমাণ করা হবে কীভাবে রিগিং হয়েছে।

এদিকে পুরভোটে (KMC Election 2021) কলকাতায় রক্ত ঝরেছে। শিয়ালদহে বোমার আঘাতে জখম ভোটার। বুথে এজেন্টকে বসতে না দেওয়া, ধাক্কাধাক্কি-মারধর-হুমকির অভিযোগও এসেছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। খোদ বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের ‘পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া’ হয়। এলএলএ হস্টেলে ‘তালাবন্দি’ থাকতে হয় একদল বিজেপি বিধায়ককেও। শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে এদিন জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভও দেখান।

Tripura: নির্বাচন কমিশনের ‘চোখ বন্ধ’, পরপর হামলায় বিরোধী বাম প্রার্থীরা জখম

tripura

News Desk: ত্রিপুরায় (Tripura) আসন্ন পুর ও নগর পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় প্রায় ৩০ শতাংশ আসনে জয়ী শাসক বিজেপি। অভিযোগ, প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম সহ বাকিদেরকে মনোনয়ন জমা দিতেই দেয়নি শাসক দল। এই অবস্থায় আগরতলা পুর নিগমের ভোট ঘিরে রাজনৈতিক হামলায় জখম একাধিক বাম প্রার্থী। আরও অভিযোগ, গত লোকসভা, পঞ্চায়েত ভোটের মতো চোখ বন্ধ করে রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

যদিও বিজেপির দাবি, যে সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে তাতে দল জড়িত নয়। বিরোধী দলের এলাকাগত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির বিধায়কদের একটি অংশের আশঙ্কা দলের ভোটব্যাংকে বিরাট ধস নামছে।

আগামী ২৫ নভেম্বর আরতলা পুরনিগমের ভোট। রাজধানী শহরের পুর নিগম দখল করতে মরিয়া শাসক বিজেপি। আর গত পুর বোর্ড চালানো সিপিআইএম নেমেছে তেড়েফুঁড়ে। ভোটে আছে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুন: Tripura: আসন্ন পুর নির্বাচনে ‘প্রবল সন্ত্রাসে’ অভিযুক্ত BJP, বিনা ভোটেই বিপুল জয়

এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক হামলার মুখে পড়ছেন বিরোধী প্রার্থীরা। আক্রান্তের পরিসংখ্যানে বেশি আছেন সিপিআইএমের প্রার্থীরা। কিছুক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর হামলা হয়েছে।

শনিবার বিকেল থেকে নতুন করে রাজনৈতিক হামলায় আগরতলা পুর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক বাম প্রার্থীর ঘর ভাঙচুরে অভিযুক্ত বিজেপির বাইক বাহিনী, এমনই অভিযোগ।

সাম্প্রতিক আগরতলায় বিজেপির সমর্থকদের তাণ্ডবের কারণে দেশজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। আক্রান্ত হয় বিরোধী সিপিআইএম দলের রাজ্য কার্যালয়। তার আগে ধনপুরে বিরোধী নেতা মানিক সরকারের কনভয়ে হামলার জেরে সেখানকার বাম সমর্থকরা বিজেপি সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার রেশ ধরেই আগরতলায় বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল থেকে ‘আগুন জ্বলেছিল’। পরপর আক্রান্ত হয়েছিল সংবাদপত্র দফতর।

By election: জ্বালানির জ্বলুনিতে দেশ, ১৩টি রাজ্যে মোদী-শাহর পরীক্ষা

by election

News Desk, Kolkata: জ্বালানি মূল্যে আগুন। কৃষক বিক্ষোভ। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি সব কি উপনির্বাচনে প্রভাব ফেলব ১৩টি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে উপনির্বাচনে?

লোকসভা ও বিধানসভার মোট ৩২ টি আসনে উপনির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদী ফের পরীক্ষা দিতে চলেছেন। তেমনই বিরোধী কংগ্রেস ও আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে তৃ়ণমূল কংগ্রেসের পরীক্ষা।

লোকসভা উপনির্বাচন :
কেন্দ্রশাসিত দাদরা ও নগর হাভেলি।
হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি।
মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া।
বিধানসভা উপনির্বাচন :
অসমের ৫টি কেন্দ্র।
পশ্চিমবঙ্গের ৪টি কেন্দ্র।
মধ্যপ্রদেশ,হিমাচল প্রদেশ এবং মেঘালয়ে ৩টি করে কেন্দ্র।
বিহার, কর্ণাটক এবং রাজস্থানে ২ টি করে কেন্দ্র।

By Election: বিজেপি থেকে টিএমসি যাওয়া হিড়িক, উপনির্বাচনের যাঁতাকলে রাজ্য

bengal politics

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের যাঁতাকলে পড়েছে রাজ্য। বিরোধী দল বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে চলে যাওয়ার কারণে পরপর উপনির্বাচন নির্ঘণ্ট তৈরি হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। সূত্রের খবর, আরও এক ডজন বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করবেন।

সম্প্রতি শেষ হওয়া তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তিনটিতেই জয়ী হয় টিএমসি। এবার রাজ্যের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। চার জেলার চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ভোট হবে নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রে। গত বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা ও শান্তিপুরে জিতেছিল বিজেপি। গোসাবা ও খড়দায় জয়ী হয় তৃণমূল।
শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন।

মোট ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করেছে। পিআইবি জানাচ্ছে, বাহাত্তর কোম্পানি বাহিনী নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে ও বাকি আট কোম্পানি বাহিনী গণনা কেন্দ্র এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে এমনই জানানো হয়েছে।

জওয়ানরা স্পর্শকাতর এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছেন। ভোটের দিন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই বার্তা দিচ্ছেন।

Bangladesh: মমতার প্রিয় ‘খেলা হবে’ স্লোগান, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ‘না’

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকেই ধার করা ভোট স্লোগান ‘খেলা হবে’ পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সৌজন্যে জনগণের মুখে মুখে। আর বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়ে দিলেন ‘নির্বাচন নিয়ে খেলা হবে না’।

বিরোধীদের প্রতি বার্তায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তথা বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি নেতৃত্ব বারবার নির্বাচনে রিগিং অভিযোগ ও সুষ্ঠু ভোট পদ্ধতির দাবি তুলেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুঁশিয়ারি দেন, সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে এবার ‘নির্বাচন-নির্বাচন খেলা’ মানবে না বিএনপি। তিনি বলেন, বিএনপি এমন নির্বাচন চায় যেখানে জনগন ভোট দিতে পারবে। ইভিএম দিয়ে কারচুপি সহ ভোট জালিয়াতির জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বি়এনপি মহাসচিবের এই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, কোনও নির্বাচন নির্বাচন খেলা হবে না। নির্বাচনের মতোই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ যেহেতু শেষ হয়ে আসছে, রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিয়েই একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

‘খেলা হবে’ স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র আলোচিত। তবে এই শব্দকে একসময় তুমুল জনপ্রিয় করেছিলেন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। সেই স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে ঝড় তুলেছিল।

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপি যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের জনসভায় ‘খেলা হবে’ শব্দ ব্যবহার করেন। এর পরেই বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর নিজস্ব ভঙ্গীতে বলতে থাকেন ‘খেলা হবে’।

পরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রচারে গিয়ে পায়ে আঘাত পান। তাঁর প্লাস্টার করা পা-এর ছবি দেখিয়ে তৃণমূল প্রচার করেছিল ‘ভাঙা পায়ে খেলা হবে’। বিপুল ভোটে জিতে টিএমসি পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়েছে। এবার

উপনির্বাচনের আবহে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলছেন, ‘শুধু খেলা হবে না, ভয়ঙ্কর খেলা হবে’। তাঁর বাচন রীতি অনেকটা বাংলাদেশের এমপি শামীম ওসমানের মতো।

মমতার প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে মরিয়া কমিশন, ভবানীপুরের সমস্ত বুথে জারি ১৪৪ ধারা

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল রাজ্যের ৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। ভবানীপুর ছাড়াও একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। তবে এই ভোটগ্রহণপর্বে বিশেষ পর্বে অবশ্যই বিশেষ নজর ভবানীপুরে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুন ভবানীপুরের গুঞ্জন: মমতার বিরুদ্ধে লড়লেও দ্রুত TMC দরজায় প্রিয়াঙ্কা

ফলে জিততে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ভোটপ্রচার দেখে ইতিমধ্যেই বোঝা গিয়েছে, প্রেস্টিজ ফাইটে কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে মরিয়া তিনি। ভবানীপুরের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। কলকাতা হাই কোর্টের অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। সেই প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে উপনির্বাচনের আগে, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রসহ তিন আসনে সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ১৫ টি কোম্পানি মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। 

আসন্ন বাংলার উপনির্বাচনে সংঘর্ষের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। ফলে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে ভোটের দিন সমস্ত বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের সব বুথে কমিশনের তরফে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন ভবানীপুরে হিন্দি পোস্টারে Mamata, বাংলাপক্ষের গর্গকে মাঠে নামার আহ্বান তথাগতর

চার কোম্পানি বিএসএফ, দুই কোম্পানি এসএসবি এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) থেকে আইটিবিপি এবং সিআইএসএফ -এর প্রতিটিকে মোতায়েন করা হবে। ইতিমধ্যে, বিজেপি নির্বাচন কমিশনে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে যে সামরিক বাহিনী যথাযথ আধিপত্যের জন্য এলাকায় যেতে হবে, নয়তো গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই শাসকদলের স্থানীয় পুলিশ দ্বারা পরিচালিত হবে যারা রাজ্য সরকার অনুযায়ী কাজ করবে।