Sign of Good Luck: নারীদেহে কোথায় তিল থাকলে তা সৌভাগ্যের লক্ষণ

sign of good luck

নিউজ ডেস্ক: মানবদেহে নানা রকম জন্ম দাগ বা তিল থাকে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট কালো তিল আমাদের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। এই বিউটি স্পট বা ছোট তিলগুলো কোথায় থাকলে কি হয় (Sign of Good Luck), এমন অনেক ধরনের ব্যাখ্যা রয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশীয় পণ্ডিতদের কাছে ও জ্যোতিষদের গবেষণায়।

খনার বচনে বলা হয়েছে, পুরুষের শরীরে ডান দিকে ও মেয়েদের শরীরে বাঁ দিকে তিল থাকা শুভ৷ কোনও ব্যক্তির শরীরে ১২টার কম তিল থাকা শুভ লক্ষণ৷ মাথার মাঝখানে তিল থাকলে তা নির্মল ভালোবাসার প্রতীক বলে মনে করা হয়৷ মাথার ডান দিকের তিল থাকলে ধনী ও বুদ্ধিমান হয়

খনার বচনেও আরও বলা হয়েছে, যাদের ভ্রুতে তিল থাকে, তারা প্রায়ই ভ্রমণ করেন৷ আর ডান ভ্রুতে তিল থাকলে ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখী হয়৷ ডান চোখের মণিতে তিল থাকলে বিচার-বুদ্ধি ভালো থাকে৷ চোখের ডান পাতায় যাদের তিল থাকে তারা বেশি সংবেদনশীল৷

মুখমণ্ডলের আশপাশের তিল থাকলে, সুখী ও ভদ্র হওয়ার সঙ্কেত দেয়৷ যে মহিলার নাকে তিল রয়েছে, তারা সৌভাগ্যবতী হন বলেই উল্লেখ রয়েছে খনার বচনে৷ ঠোঁটে তিল রয়েছে মানে তাদের হৃদয়ে ভালোবাসায় ভরপুর৷ আর কানে তিল থাকা ব্যক্তি দীর্ঘায়ু হন

ডান কাঁধে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি দৃঢ়চেতা বলে উল্লেখ রয়েছে৷ মহিলাদের ডান দিকের বুকে তিল থাকা খুবই শুভ। এমন স্ত্রী খুব ভালো হয়৷ ডান হাতে তিল থাকলে, তারা শক্তিশালী হন।

শুধু ডান দিকেরগুলো উল্লেখ করা হল, কারণ বাঁদিকের তিলে সবগুলোই প্রায় নেতিবাচক হিসেবে দেখানো হয়েছে। এবার নিজেই দেখে নিন আপনার শরীরে কোথায় তিল রয়েছে, আর কয়টা বৈশিষ্ট্য মিলেছে। যদিও এসব ধারণাকে অনেকেই কুংসস্কার হিসেবে দেখেন। তবে কিছু তিল কিন্তু রোগেরও লক্ষণ৷ বড় তিল বা অনেক বেশি তিল থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ভিজিটিং কার্ড ফেরাতে পারে চকচকে ভাগ্য! জেনে নিন বাস্তুশাস্ত্রের মতামত

visiting card

গৃহস্তের শান্তি ফেরাতে বা শরীরের রোগব্যাধি দূর করতে কমবেশি সকলেই বাস্তুশাস্ত্রের পরামর্শ নেন। ঠিক তেমনভাবে জীবনে চলার পথে সঠিক দিক দেখতে বা বলা যেতে পারে উন্নতির শীর্ষে পৌঁছতে প্রয়োজন বাস্তু শাস্ত্রের মতামত। কাজের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু জানেন কি এই ভিজিটিং কার্ডই ফেরাতে পারে ভাগ্যের চাকা।

যে কোনও নতুন সম্পর্কের সেতুবন্ধন ঘটাতে ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করা হয়। বাস্তু মতে ও জ্যোতিষ বিচারের সাহায্যে এই ভিজিটিং কার্ড তৈরি করলে শুধু যে সুসম্পর্কের বিস্তার হবে তা নয়, এরই সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। নিজেকে খুব সংক্ষেপে অপরিচিত ব্যক্তির সামনে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করা একেবারেই সহজ কাজ নয়। স্বল্প স্থানে কিভাবে নিজের বর্ণনাকে আকর্ষনীয় ও দীর্ঘস্থয়ী করে তুলবেন তার হদিস দিতে পারে বাস্তুশাস্ত্রই। জেনে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতিগুলি-

vastu

১) বাস্তু মতে ভিজিটিং কার্ডের প্রতিটি কোণ ৯০ ডিগ্রী হাওয়া উচিত। বিষম কোণযুক্ত কার্ড সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দিতে পারে।

২) কার্ডের মাঝ বরাবর নিজের নাম লিখুন।

৩) টেলিফোনে নম্বর বা যোগাযোগের জন্য যা কিছু লেখার, তা উত্তর মধ্য বা বায়ুকোণ করে লিখুন।

৪) ভিজিটিং কার্ড তৈরির সময় তার আকার, রঙ এবং সাজসজ্জা নিয়ে বিশেষ সচেতন হতে হবে। কারণ, এই গুলির মাধ্যমে সম্পর্কে দৃঢ়তা আসে।