पश्चिम बंगाल में दुर्गा पूजा के त्यौहार के बीच पहुंचे केंद्रीय गृहमंत्री अमित शाह ने एक दिन पहले ही राज्य में भ्रष्टाचार के खिलाफ लड़ाई जारी रखने के लिए मां दुर्गा से आशीर्वाद मांगा था। अब एक दिन बाद मंगलवार को राज्यपाल डॉक्टर सी.वी. आनंद बोस ने भी उन्हीं के सुर में सुर मिलाया है। तृतीया के दिन उन्होंने कहा है कि बंगाल में भ्रष्टाचार और हिंसा के खिलाफ लड़ाई के लिए मां दुर्गा का आशीर्वाद मिले। उन्होंने कहा कि आइए दुर्गा मां को साक्षी मानकर शपथ लें, भ्रष्टाचार के खिलाफ हमारी लड़ाई जारी रहेगी। हिंसा के खिलाफ हमारा संघर्ष जारी रहेगा। राज्यपाल सी.वी. आनंद बोस ने सभी से हिंसा और भ्रष्टाचार के खिलाफ मिलकर लड़ने का आह्वान किया है।
राज्यपाल ने मंत्रियों और विधायकों के वेतन से जुड़े संशोधन बिल पर हस्ताक्षर नहीं किये
कोलकाता: मंत्रियों और विधायकों के वेतन से जुड़े संशोधन बिल पर राज्यपाल ने हस्ताक्षर नहीं किये. परिणामस्वरूप, राज्य (पश्चिम बंगाल) पूजा के दौरान एक दिवसीय विधानसभा सत्र बुलाने के बाद भी बिल पारित नहीं कर सका। बिल को विधानसभा में पेश किया गया, जिस पर भाजपा विधायकों ने विरोध जताया।बीजेपी विधायकों ने बिल फाड़कर विरोध जताया.
नियमों के अनुसार बिल को राज्यपाल की पूर्व सहमति की आवश्यकता होती है। विधानसभा सूत्रों के मुताबिक, प्रक्रिया का पालन करते हुए बिल को कई दिन पहले राज्यपाल के पास भेजा गया था. चूंकि सीवी आनंद बोस ने अभी तक विधेयक पर हस्ताक्षर नहीं किए हैं, इसलिए जटिलताएं पैदा हो गई हैं। ऐसे में क्या करना है, यह सोमवार को बीए कमेटी की बैठक में तय होगा. समाचार सूत्रों के मुताबिक अगर बिल पेश भी हुआ तो इस पर चर्चा नहीं होगी. गौरतलब है कि ‘दूसरे’ में राज्य विधानसभा का 1 दिवसीय विशेष सत्र बुलाया गया था. विधानसभा के आखिरी सत्र के आखिरी दिन मुख्यमंत्री ने मंत्रियों और विधायकों के वेतन में बढ़ोतरी की घोषणा की. एक साथ 40 हजार रुपए वेतन बढ़ोतरी की घोषणा की गई. उस दिन मुख्यमंत्री ने विधायकों का वेतन 10 हजार रुपये प्रति माह करने की घोषणा की थी. इसमें 50 हजार रुपये का इजाफा होगा. राज्य के मंत्रियों को 10 हजार 900 रुपए का मासिक वेतन मिलता था.
अब से उन्हें 50 हजार 900 रुपए मिलेंगे. अब तक पूर्ण मंत्रियों का वेतन 11 हजार रुपए प्रति माह था। यह बढ़कर 51 हजार रुपये हो गया.
State-Governor Conflict: বঙ্গের মত এবার কেরলেও রাজ্য-রাজ্যপাল সঙ্ঘাত চরমে
নিউজ ডেস্ক, তিরুঅনন্তপুরম: কেন্দ্রের প্রতিনিধি হলেও রাজ্যপাল (governor) একটি সাংবিধানিক পদ (constitutional post)। কিন্তু নিজেদের সেই পরিচয় শিকেয় তুলে রেখে বিভিন্ন রাজ্যে রাজ্যপালরা কার্যত কেন্দ্রের মোদি সরকারের এজেন্ট (agent) হিসাবে কাজ করে চলেছেন। তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য হল, বিজেপির ইশারায় বিভিন্ন রাজ্যকে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যায় ফেলা।
দায়িত্ব নিয়ে বাংলায় এসে প্রথম দিন থেকেই সেই কাজটি করে চলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এবার সেই একই ছবি দেখা গেল বামশাসিত রাজ্য কেরলে। বাংলার মতই এবার কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের (Arif Mohammad Khan) সঙ্গে দ্বন্দ্ব চরমে উঠল মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের (Pinarayi Vijayan)। অনেকটা ঠিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বনাম জগদীপ ধনকড়ের বিরোধের মতই।
রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ ও মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের মধ্যে বিবৃতি পাল্টা বিবৃতির পাশাপাশি চলছে পত্রাঘাত। বামশাসিত কেরলেও রাজ্যপাল বনাম সরকার সংঘাতের সূত্রপাত উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে।
সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী রাজ্য সরকারের নির্বাচিত কোনও প্রার্থীকেই রাজ্যপাল উপাচার্য হিসেবে আনুষ্ঠানিক নিয়োগের সম্মতি দিতে বাধ্য। কিছুদিন আগে বিধানসভা নির্বাচনের পর কেরলের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। নতুন উপাচার্যদের নাম নিয়েই আপত্তি করেছেন রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। তাঁর অভিযোগ, উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার রাজ্যপালের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। রাজ্য সরকার উচ্চশিক্ষায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন খর্ব করছে।
রাজ্য-রাজ্যপাল বিতর্কের জল এতটাই ঘোলা হয়েছে যে, আচার্যের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার হুঁমকি দিয়েছেন আরিফ মহম্মদ। যদিও রাজ্যপালের এই হুঁমকিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজয়ন সরকার। ফলে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত ক্রমশই বেড়ে চলেছে।
উল্লেখ্য, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে একই রকম সংঘাত শুরু হয়েছিল বাংলাতেও। এ ধরনের সংঘাত এড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইনের সংশোধন করে। ওই সংশোধনী মাধ্যমে আচার্য তথা রাজ্যপালের হাত থেকে সব ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সার্চ কমিটিতেও রাজ্যপালের ক্ষমতা কিছুটা কমিয়ে দেওয়া হয়।
তবে কেরলে এখনও পর্যন্ত আইন সংশোধনের পথে হাঁটেনি বিজয়ন সরকার। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের দেখানো পথে বিজয়ন সরকার যে হাঁটবে না তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। বরং পায়ে পা দিয়ে রাজ্যপালের ঝামেলা বাঁধানের এই চেষ্টা পাকাপাকি বন্ধ করতে বিজয়ন সরকারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই অনুসরণ করতে পারে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।
তালিবান-রাজ: বোরখা পরেই দেশ ছেড়েছেন আফগানিস্তানের মহিলা মেয়র
নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তান আমাদের ছিল, আমাদেরই থাকবে। এই ডাক দিয়েই দেশ ছেড়েছিলেন আফগানিস্তানের প্রথম মহিলা মেয়র জারিফা ঘাফারি। এই মুহূর্তে জার্মানিতে রয়েছেন তিনি। একইভাবে দেশ ছেড়েছেন আফগানিস্তানের চারকিন্ত জেলার গভর্নর ছিলেন সালিমা মাজারিও। আসাওরাফ ঘানি সরকারের তিন মহিলা মেয়রের মধ্যে অন্যতম জারিফা এবং সালিমা দু’জনেই জানিয়েছেন, ‘সাধারণ মানুষ কখনও তালিবানের বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি। এর জন্য দেশের নেতাদের পাশাপাশি দায়ী বিশ্বের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও।’
আরও পড়ুন আবদুল গণি বরাদার: তালিবান নেতা থেকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি
যদিও পঞ্জশিরের মতোই তালিবানরা যথেষ্ট বেগ পেয়েছেন বলখ প্রদেশ দখল করতে গিয়েও। তার অনেকটা কৃতিত্ব সালিমা মাজারির। আফগানিস্তানের একের পর এক প্রদেশ যখন তালিবানদের দখলে চলে যাচ্ছিল, তখন বলখ প্রদেশের রক্ষায় সালিমা হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। অস্ত্র হাতে তার ছবিও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল।

যদিও শেষপর্যন্ত বলখ প্রদেশ দখল করে নেয় তালিবানরা। একই সঙ্গে সালিমার চারকিন্ত জেলাও দখল করে নেয় তালিবানি যোদ্ধারা। অন্যদিকে বলখের প্রদেশের পতনের পর থেকে সালিমার খোঁজ মিলছিল না। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল, সালিমা তালিবানের হাতে ধরা পড়েছেন। আবার কারও দাবি ছিল, তিনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন উধাও বরাদর-আখুন্দজাদা: দুই তালিবান শীর্ষনেতার মৃত্যু সংবাদ ঘিরে জল্পনা
যদিও এবার জানা গিয়েছে, বলখ প্রদেশের পতনের পর নিরাপদেই দেশ ছেড়েছেন সালিমা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম টাইমের দুই সাংবাদিকের সহায়তায় স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সালিমা রওনা দেন আফগানিস্তান-উজবেকিস্তান সীমান্তের হয়রতনের দিকে। উজবেকিস্তান সালিমাকে আশ্রয় দিতে আপত্তি করে। পরে তিনি পরিবার নিয়ে কাবুল চলে আসেন। তালিবানিদের মাঝে বোরকা পরে লুকিয়ে থাকেন বেশ কিছুদিন। এরপর ২৫ আগস্ট সালিমার এবং তাঁর পরিবারকে নিয়ে আকাশে ওড়ে আমেরিকার উদ্ধারকারী বিমান। হাজারা সম্প্রদায়ের সালিমা ও তাঁর পরিবারকে প্রথমে কাতার এবং তার পর আমেরিকার একটি অজানা জায়গায় রাখা হয়েছে।
‘একবছর হয়ে গেল বাণিজ্য সম্মেলনের তথ্য চেয়েও পাইনি’, রাজ্যকে আক্রমণ ধনখড়ের
নিউজ ডেস্ক: ফের ‘অপমানিত’ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটারে অভিযোগ করলেন গত বছরের ২৫ আগস্ট বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের (Bengal Global Business Summit) বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এক বছর কেটে গেলেও রাজ্য এখনও তা পাঠায়নি। গত বছর রাজ্যে শিল্প সম্মেলনকে নিশানা করে টুইট করেন রাজ্যপাল। সেখানে তিনি জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে শুরু হওয়া বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের বিষয় অর্থ সচিবের কাছে জানতে চেয়েছি। অর্থসচিবের কাছ থেকে বিজনেস সামিট নিয়ে মোট ছটি বিষয় জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন ধনকড়।
আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার
বিষয়গুলি হল-২০১৬ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রতি বছর কত টাকা খরচ হয়েছে? কোন কোন সংস্থার মাধ্যমে এই টাকা খরচ হয়েছে? সংস্থাটি কি সরাসরি টাকা পেয়েছে নাকি, FICCI,-র মাধ্যমে পেয়েছে? প্রতি বছর কতগুলি মউ সই হয়েছে, লগ্নি ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে? প্রতি বছর আসলে কত বিনিয়োগ এসেছে, ক’জন কাজ পেয়েছেন?
আরও পড়ুন ত্রিপুরা: সন্তোষ মোহনের নেতৃত্বে বাম হটিয়ে কংগ্রেস সরকার গড়েছিল, সুস্মিতায় বাজি মমতার
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1433363778842738695?s=20
এক বছর কেটে যাওয়ার পরেও সেই তথ্য না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন রাজ্যপাল। টুইটারে লিখলেন, “২০২০ সালের ২৫ আগস্ট বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের ১২ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য চেয়েছিলাম। কিন্তু একবছর কেটে যাওয়ার পরে এখনও তা পাইনি।”
আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান
I would like to suggest @jdhankhar1 to read the series of PAGLA DASHU written by Sukumar Roy. Hope he will enjoy it and feel some kind of satisfaction. https://t.co/z8AkL0i2M8
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 2, 2021
ধনখড়ের এই অভিযোগের পরেই তাঁকেও আক্রমণ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। পালটা টুইট করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন তিনি লিখেছেন, “আমি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে পরামর্শ দিচ্ছি সুকুমার রায়ের পাগলা দাশু পড়ার। আশা করি উনি সেটা উপভোগ করতে পারবেন এবং ওনার ভালো লাগবে।””


