By Election: অ্যাই ধর ধর… চোর চোর…পালাচ্ছে ‘জাল ভোটার’কে তাড়া BJP প্রার্থীর

News Desk, Kolkata: হই হই কান্ড। গোলাপি জামা পরা এক যুবক দৌড়ে পালাচ্ছে। তার পিছনে দৌড়চ্ছেন খোদ প্রার্থী! তার পিছনে সংবাদ মাধ্যমের চিত্রগ্রাহকরা। অভিযোগ ওই যুবক জাল ভোটার।

খড়দহের উপনির্বাচনে সকাল থেকে পরপর ঘটনার ঘনঘটা। সেই ঘটনার একটি জাল ভোটার পাকড়াও মুহূর্ত। ঘটনাস্থল খড়দহ বিধানসভার তেঘরিয়ার শশীভূষণ বিদ্য়াপীঠ।

ভোট চলাকালীন এই বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়া এক যুবকের সন্দেহজনক আচরণে তেড়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তিনি একপ্রকার যুবককে জাপটে ধরে স্কুলের দেওয়ালে ঠেসে ধরলেন। ভোট কেন্দ্রের সামনে শুরু হল উত্তেজনা।

Kharda by election Fake voter

যুবক নিজেকে ভোটার বলে দাবি করে। তার ভোটার কার্ড দেখতে চান বিজেপি প্রার্থী। শুরু হয় বাদানুবাদ। সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নবাণে হতচকিত যুবক আবোল তাবোল বকতে শুরু করে। এক সময় সে দৌড়ে পালাতে যায়। পিছন পিছন দৌড়তে থাকেন বিজেপি প্রার্থী। ফের ধরা পড়ে ওই যুবক।

অভিযোগ, জাল ভোট দিতে এসেছিল যুবক। ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি প্রার্থী।

By election : মাথায় ইটের আঘাত, প্রাক্তন বাম বিধায়ক তন্ময় TMC কে দুষতে নারাজ

Tanmoy Bhattacharya

News Desk: উপনির্বাচনে হামলার মুখে পড়লেন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য (Tanmoy Bhattacharya)। তিনি দলের তরফে এদিন সকাল থেকেই খড়দহ বিধানসভার ভোট তদারকিতে আছেন। অভিযোগ, খড়দহ স্টেশন রোডে আক্রান্ত হন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। সেটি লেগে মাথা ফাটে প্রাক্তন সিপিএম বিধায়কের।

জখম তন্ময়বাবু দলীয় দফতরে আসতেই সাংবাদিকরা জানতে চান তিনি কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। উত্তর দমদম বিধানসভার প্রাক্তন বাম বিধায়কের স্পষ্ট জবাব, আমি কোনও দলকে দায়ি করছি না। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমার রাজনৈতিক সংস্কৃতি এমন নয় যে ব্যক্তিগত আক্রমণে যাব। তিনি বলেন, ২০১৬ বিধানসভা ভোটে আমি আক্রান্ত হয়েছিলাম। তখন অভিযোগ করেছিলাম তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এবার আমি আক্রান্ত হয়েছি কিন্তু দয়া করে আমার মুখ দিয়ে কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করাতে পারবেন না। কারণ, আমি হামলাকারীদের দেখতে পাইনি।

২০১৬ বিধানসভা ভোটে উত্তর দমদম থেকে জয়ী হয়েছিলেন তন্ময় ভট্টাচার্য। রাজ্যে তিনি সিপিআইএমের তরফে একজন পরিচিত নেতা। সম্প্রতি বিধানসভা ভোটে বামেদের বিরাট বিপর্যয় ও রাজ্যে শূন্য হয়ে যাওয়া নিয়ে দলীয় নির্বাচনী নীতির কড়া সমালোচনা করেন সোশ্যাল সাইট ও সংবাদ মাধ্যমে। এর জেরে সিপিআইএম রাজ্য কমিটির তরফে তন্ময়বাবুকে চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।