AMC Election: শিলিগুড়িতে ‘ঠ্যালা বুঝে’ আসানসোলে একলা চলো নীতি বামেদের

biman-basu

News Desk: জোট নয় একলাই লড়বে বামেরা। আসন্ন পুরনিগম ভোটের আসানসোল পুরনিগমে সেই ছবি দেখা গেল। ১০৬টি ওয়ার্ডের সবকটিতে বামফ্রন্ট লড়াই করছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলা বামফ্রন্টের তরফে সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলো। বাকি বাম শরিকদের জন্য নাম পরে জানানো হবে।

উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ি পুরনিগমের জোট জট চলছে। সেখানে বামেদের তরফে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা বলা হলেও কার্যত একতরফা প্রার্থী দিয়েছে বাম শিবির। এর পরেই কংগ্রেস বেঁকে বসেছে। এর প্রেক্ষিতে বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে সমর্থকদের প্রশ্নের ঠ্যালায় নেতারা  নিরাপদ পথ খুঁজছেন।

শিলিগুড়ির ঠ্যালার চোটে আসানসোলে জোট বা আসন সমঝোতার পথে গেলই না বাম শিবির। আসানসোল পুরনিগমের ভোটে বামফ্রন্ট, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেসের চতুর্মুুুখী লড়াই হচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়। তাৎপর্যপূর্ণ, বিরোধী দল বিজেপিকে টপকে বামফ্রন্ট বিরোধী হিসেবে ভোট নিরিখে উঠে এসেছে। কলকাতায় বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের কোনও জোট হয়নি। 

EC: রিগিং বিহীন পুরভোটের দাবি, গরম আন্দোলনে ‘শূন্য’ বামেরা চাঙ্গা হচ্ছে

News Desk: কলকাতা পুরনিগম ভোটে রিগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহল তীব্র আলোড়িত। আর কলকাতায় ভোটের নিরিখে বিরোধী তকমা পেয়ে তেড়ে ফুঁড়ে নামল বামফ্রন্ট। আসন্ন পুরনিগম ও পুরসভাগুলির ভোট নির্বিঘ্নে করানোর দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন অভিযানে শীতের বেলায় হাওয়া গরম।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর দাবি, তিনশোর বেশি কর্মী সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের গোলাম বলে কটাক্ষ করেছেন বাম নেতারা।

দুপুর থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে উত্তেজনা চরমে ছিল। ১৪৪ ধারা জারি থাকায়, পুলিস বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। বাম নেতাদের আটক করে পুলিশ।

এর রেশ ধরে বেলা গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বামেদের বিক্ষোভ। চলেছে মিছিল। বানফ্রন্টের অভিযোগ, কলকাতা পুরনিগমের মতো ভোট লুঠ করতে তৈরি শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন কেন তার ভূমিকা নেবেনা বলে প্রশ্ন তুলেছেন বাম নেতারা।

২২ জানুয়ারি হাওড়া, শিলিগুড়ি, আসানসোল, বিধাননগর ও চন্দননগর পুরনিগমের ভোট। এর পর ২৭ তারিখ অন্যান্য পুরসভার ভোট। তবে এখনও নির্দিষ্ট হয়নি হাওড়া পুরনিগমের ভোট কবে হবে।

SMC Election: কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট, শিলিগুড়িতে একলা লড়ার মুরোদ হারাল CPIM

CPIM

News Desk: কলকাতা পুরনিগমে একলা বামফ্রন্ট লড়ে ভোটের নিরিখে মূল বিরোধী ভূমিকায় চলে এসেছে। কলকাতায় যা সম্ভব তা হলো না বামেদের শক্তিশালী এলাকা শিলিগুড়িতে। আসন্ন শিলিগুড়ি পুরনিগম ভোটে জোট করেই ভোটে নামছে বামেরা। গতবারের মেয়র তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য দিচ্ছেন নেতৃত্ব।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফোন পেয়েই ভোটে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন অশোক ভট্টাচার্য। দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্টের তরফে প্রকাশিত শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রার্থী তালিকায় ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে লড়াই করছেন তিনি।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের মোট ৪৭টি ওয়ার্ড। পুর ভোটে বামফ্রন্ট প্রার্থী তালিকায় ৩৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্ট আহ্বায়ক জীবেশ সরকার বলেছেন, গত পুরভোটে যে ৪টি আসনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল সেখানে কোনও বাম প্রার্থী থাকবে না। তাঁর এই ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হয়ে যায় কলকাতার মতো ‘একলা চলো’ সূত্র শিলিগুড়িতে প্রয়োগ করল না বামপক্ষ।

শিলিগুড়ি পুরনিগমে ৪৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে চূড়ান্তভাবে কটি ওয়ার্ড কংগ্রেসকে ছাড়তে পারে বামফ্রন্ট, এই বিষয়ে দুই শিবিরে আলোচনা হবে। দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি প্রাক্তন বিধায়ক শংকর মালাকার জানিয়েছেন, জোটের আসন নিয়ে বৈঠকেই সব ঠিক হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজ্যে বাম জমানার পতনের পরেও শিলিগুড়িতে সিপিআইএমের ক্ষমতা বারবার দেখা গিয়েছে। উত্তর বঙ্গের রাজধানীতে প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য ফের জয়ী হন। বিধায়ক ছিলেন। সর্বশেষ বিধানসভার ভোটে পরাজিত হন। তিনি পুরনিগমের মেয়র ছিলেন। বিধানসভায় পরাজিত হয়েই পুর প্রশাসকের পদ থেকে সরে গিয়েছেন।

Kolkata: শীতের দুপুরে হাই তুলতে গিয়ে হেঁচকি খেলেন বাম নেতারা, বলি হচ্ছে কী!

CPIM

News Desk, Kolkata: ভাবা যাচ্ছে না, বুঝলেন! এটা কি স্বপ্ন নাকি! পূর্ব বর্ধমান থেকে বাঁঁকুড়়া, বীরভূমের রাঙা মাটি ছুঁয়ে মোবাইল তরঙ্গে সুদূর দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার জেলায় বাম নেতাদের যাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হলো, প্রায় সবাই চমকে গেছেন। ততক্ষণে বিশ্লেষণে আরও স্পষ্ট রাজধানীতে বিরোধী হয়েছে ভোটের ভাঁড়ে এতদিন মা ভবানী থাকা সিপিআইএম। রক্তক্ষরণ কিছুটা কম। 

কলকাতা পুরনিগমের ভোট ফলাফলে রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে লজ্জা পেল বিজেপি। ভোট প্রাপ্তি ও শতাংশের হারে তারা নেমেছে তিন নম্বরে। চমকে দেওয়া ফলাফল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস দুই শিবিরের। পুরনিগমের সবকটি বরো-তে বিজেপি বিরাট ধাক্কা খেল। ১৪টি বরোতে বামফ্রন্ট দ্বিতীয়। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম।

লোকসভা,বিধানসভা, ও বিধানসভা উপনির্বাচনে শূন্য হয়ে যে ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়েছিল রাজ্যের একদা সাড়ে তিন দশকের শাসক দল সিপিআইএম, পুর নিগমের ভোটে তাদের উত্থান।

বেলা গড়াতেই ভোট পরিসংখ্যানে বামেদের উত্থান ধরা পড়তে থাকে। হিসেব বলছে কলকাতা পুর নিগমে সিপিআইএমের ভোট বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। প্রধান বিজেপির ভোট কমেছে ২৩ শতাংশের মতো। শুধু তাই নয়, বরোগুলিতে বামেরা দ্বিতীয়। (বেলা ১.৪৫ পর্যন্ত)

পরিস্থিতি এমন দেখে সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে যেন ঝটকা লেগেছে। ২০১১ সালের পর থেকে শীতঘুমে চলে যাওয়া বাম নেতৃত্বের অভ্যাস মতো দুপুরের হাই তোলা বন্ধ। আধখানা হাই তুলেই যেন হেঁচকি উঠে আসছে। বলি হচ্ছে টা কী?এও কি সম্ভব নাকি। আড়মোড়া ভাঙা বাম নেতারা যেন খোলস ত্যাগ করতে চাইছেন।

এর পর কী হবে?
চটকা ভাঙা সিপিআইএম নেতাদের বেশিরভাগই বললেন শিলিগুড়িতে মমতা না ধাক্কা খান।

KMC: পুরভোটে লড়ছেন ‘কমরেডরা’, ক্ষীণ দৃষ্টি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে শুনলেন ‘হাল ছাড়া’ বুদ্ধবাবু

Buddhadeb Bhattacharya

News Desk: পারেননি ময়দান আগলে রাখতে। ২০১১ সালের পর সেই যে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ঘরে চলে গিয়েছেন আর ময়দানে নেই। সিপিআইএম শূন্য হয়েছে। জমানত বাঁচাতে পারেনা এমন অবস্থা। নোটা ভোটের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। এসবই শুনে নীরব থেকে নীরবতর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

বি়ধানসভার পর পুরভোটেও তিনি ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধদেববাবু। তাঁর এখন চোখের অবস্থাও একেবারেই ভালো নয়। দৃষ্টিশক্তি অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে গেছে,শয্যাশায়ী। এমনই জানিয়েছেন স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য।

বুদ্ধবাবু ক্রমে দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছেন। তিনি শয্যাশায়ী। এই দুটি তথ্য পুরভোটের ব্যাপক হাঙ্গামার মাঝে রাজনৈতিক মহলকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল।

সকাল থেকে বুথ দখল, ছাপ্পা ও সংঘর্ষ বোমাবাজির মাঝে নজর ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের দিকে। পরে মীরা দেবী জানান, চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পক্ষে বের হওয়া সম্ভব না আর।

২০১১ সালে বুদ্ধবাবুর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার বিধানসভায় লড়ে হেরে যায়। তিনি নিজেও পরাজিত হন। এরপর রাজনৈতিক মঞ্চে অল্প অল্প করে উপস্থিতি কমাতে থাকেন বুদ্ধবাবু। গত কয়েকবছর একদমই সংশ্রব ত্যাগ করেছেন। অসুস্থতার কারণে গৃহবন্দি। কে বলবে, তাঁর আমলেই সিপিআইএম সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল।

বাম মহলেই অভিযোগ আছে, পরাজয় মানতে না পারার যন্ত্রণা বুদ্ধবাবুকে একলা করে দিচ্ছিল। তিনি আসলে শক্ত ধাঁচের নেতা নন তাই সরে গিয়েছেন। তুলনায় উঠে আসে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কথা। সেখানেও টানা ২৫ বছর বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। তবে মানিকবাবু রাস্তায় আছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের যুক্তি, বুদ্ধবাবু পরাজয় মেনে নিয়ে ফের হাল ধরলে তাঁর দল রাজ্যে শূন্য হত না, বরং সরকারের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলত।

রাজ্যের বাম নেতাদের অনেকের অভিযোগ, পরাজয়ের পর হাল ছেড়ে দেওয়া মানসিকতা বুদ্ধবাবুর এতটাই প্রকট যে দলের উপর ধাক্কা ভয়াবহ। তবে নতুন প্রজন্মের ‘কমরেড’রা লড়ছেন। সেই খবর পান বুদ্ধবাবু।

Kolkata Municipal Election: টুম্পা নেচে শূন্য বামেদের ভরসা এবার কাদম্বিনী!

cpm-tumpa

News Desk, Kolkata: কাদম্বিনী আছেন ইতিহাস থেকে সমকালীন ডিজিটাল পোস্টারে। তিনি আছেন কলকাতা পুরনিগম ভোটে বামপন্থীদের প্রতিশ্রুতির প্রতীক হয়ে !

পুরনিগমের ভোটে বাম ইস্তেহার, নির্বাচনী প্রতুশ্রুতি প্রচার নিয়ে যথারীতি আলোচনার শীর্ষে সিপিআইএম। উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি থেকে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল পুরনিগমেও চলেছে চর্চা। সেইসঙ্গে বাম-অবাম দুই রাজনৈতিক মহলেই উঠে আসছে টুম্পা নেচে বিধানসভার ভোটে গোল্লা পেয়েছে সিপিআইএম। এবার টুম্পা উড়ে গেল! চলে এলেন কাদম্বিনী! এমন বুদ্ধিজীবী প্রচার কি পাব্লিক নিতে পারবে?

CPIM new generation

শুক্রবার কলকাতা পুরনিগমের ভোটে চমক তৈরি করেছে কলকাতা জেলা বামফ্রন্ট। রাজ্যে শাসক টিএমসি ও প্রধান বিরোধীদল বিজেপির আগে বাম শিবির প্রার্থী ঘোষণা করে। এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে বামেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক পরিষেবার চমকদার সব ঘোষণা। এই ঘোষণাগুলি কলকাতা ছাড়িয়ে দেশের অন্যান্য জায়গায় থাকা প্রবাসী বাঙালি বা বিদেশে থাকা প্রবাসীদের মধ্যেও সাড়া ফেলেছে। পুর পরিষেবার মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া পোস্টারটি হল ‘কাদম্বিনীর কলকাতা’।

কলকাতা নিবাসী মহিলাদের বিভিন্ন সামাজিক বিষয় , নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে কাদম্বিনীর কলকাতা নামে পরিষেবার ডিজিটাল পোস্টার।

কে এই কাদম্বিনী?
বিধানসভায় টুম্পা নেচে শূন্য হওয়া বাম বুদ্ধিজীবীদের ধারণা, পোস্টারে যদিও স্পষ্ট করা হয়নি। তবে এই নামে জড়িয়ে আছেন ভারতের দুই প্রথম মহিলা চিকিৎসকের একজন কাদম্বিনী গাঙ্গুলী। তিনি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। রক্ষণশীল সমাজের বিরুদ্ধে মহিলাদের লড়াইয়ের সদা উজ্জ্বল। কলকাতাতেই তিনি চিকিৎসা করতেন।

unique manifestos published by left front

টুম্পা ছেড়ে কিংবদন্তি চিকিৎসক কাদম্বিনী গাঙ্গুলী?
প্রশ্নের মুখে পড়ছে বাম মহল। নাগরিক পরিষেবা দিতে গিয়ে কেন এত আঁতেলমার্কা পোস্টার এমনও কটাক্ষ উড়ে আসছে।

তবে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বামফ্রন্টের আরও একটি পোস্টার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তীব্র আগ্রহ জনতার মনে। ‘সবুজ সিটি’ ও ‘গ্রীন অ্যাডমিন’ নামে দুটি পোস্টার সহ প্রতিশ্রুতি চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপ রেখেছে বামেরা। এতে বলা হয়েছে, ‘পরিবেশ বাঁচাতে চাই গণ উদ্যোগ। চালু হবে মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে আপনি নিজেকে অ্যাডমিন হিসেবে রেজিস্টার করুন। কোথাও গাছ কাটা, পুকুর ভরাট বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কিছু দেখলে ওই অ্যাপে তার ছবি তুলে আপলোড করুন। ছবি ও লোকেশন সাথে সাথে চলে যাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।’

প্রতিশ্রুতির পোস্টারগুলি তীব্র আলোড়ন ফেলেছে। কোনওটার নাম ‘রামধনুর অধিকার’- এটি তৃতীয় লিঙ্গের জন্য। এছাড়া আছে শ্রমিকের অধিকার, ফিট সিটি, কাজের কলকাতা, উঠোন পাঠশালা সহ আরও।

কলকাতা পুরনিগমের সর্বশেষ বামপন্থী মেয়র ছিলেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি এখন রাজ্যসভার সাংসদ। তবে বাম জমানাতেই মহানগরের পুরনিগম কার্যালয় অর্থাৎ ‘ছোট লালবাড়ি’ ( বড় লালবাড়ি মানে মহাকরণ) চলে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। সে ছিল এক যুযুধান পরিস্থিতি।

বাম জমানা শেষে রাজ্যে ভোট বাজারে বিধায়ক, সাংসদ সংখ্যার নিরিখে ডোডো পাখির ন্যায় অবলুপ্ত হয়েছে বামেরা। পরিস্থিতি এমন যে নামমাত্র কয়েকটি ওয়ার্ডে জয়ের ক্ষীণ আসা আর কিছু ওয়ার্ডে ‘ফাইট’ করা ছাড়া আর কোনও বড় আশা দেখছেন না বাম সমর্থক, কর্মী ও নেতারা।

Kolkata Corporation election : জামানত হারানো বামেদের ছোট লালবাড়ি দখলে পেশাদারি ঝলক

unique manifestos published by left front

Kolkata Corporation election
News Desk: রাজ্যে গত দশবছরে শাসন নেই। প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদাটুকু চলে গেছে গত ভোটে। শুধু তাই নয় একেবারে বিধানসভায় বাম শূন্য। দলীয় প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। আর নোটা ভোটের সঙ্গে লড়াই করেন। এই অবস্থায় কলকাতা পুর নিগমের ভোটে প্রার্থী ঘোষণা করে চমক দিল বামফ্রন্ট।

ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুর নিগমের ভোটে বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির থেকে এগিয়ে ও অভিনব প্রতিশ্রুতির ঝলক বামফ্রন্টের।

বাম প্রতিশ্রুতির ঝলক দেখে চমকে যাচ্ছে শাসক টিএমসি। বিরোধী বিজেপিরও একই অবস্থা। শাসক-বিরোধীদের বহু নেতার বক্তব্য, মারাত্মক রকমকের পেশাদারি চিন্তাভাবনা।

কলকাতা পুর নিগম ভোটে বামফ্রন্ট ইস্তাহার দেখলে যে কোনও ব্যক্তি চমকে যাবেন। এতে অত্যাধুনিক গ্রাফিক্স ও ডিজাইনের ঝলক রয়েছে।

পুর নির্বাচনে ‘সবুজ সিটি’ ও ‘গ্রীন অ্যাডমিন’ নামে দুটি পোস্টার সহ প্রতিশ্রুতি চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপ রেখেছে। বলা হয়েছে, ‘পরিবেশ বাঁচাতে চাই গণ উদ্যোগ। চালু হবে মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে আপনি নিজেকে অ্যাডমিন হিসেবে রেজিস্টার করুন। কোথাও গাছ কাটা, পুকুর ভরাট বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কিছু দেখলে ওই অ্যাপে তার ছবি তুলে আপলোড করুন। ছবি ও লোকেশন সাথে সাথে চলে যাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।’

শূন্য বামেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির পোস্টারগুলি তীব্র আলোড়ন ফেলেছে। কোনটার নাম ‘কাদম্বিনীর কলকাতা’- এটি মহিলাদের জন্য, কোনটার নাম ‘রামধনুর অধিকার’- এটি তৃতীয় লিঙ্গের জন্য। এছাড়া আছে শ্রমিকের অধিকার, ফিট সিটি, কাজের কলকাতা, উঠোন পাঠশালা সহ আরও।

বামফ্রন্টের দাবি, সবই সময় উপযোগী। আধুনিক চিন্তা মাথায় রেখে তৈরি। এরই মধ্যে আলোড়িত রাজনৈতিক মহল। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে পোস্টারগুলি মহানগরের জনজীবনে আলোচনার কেন্দ্রে।পুরভোটে অতি আলোচিত রেড ভলান্টিয়ার্সদের প্রার্থী করেছে বামফ্রন্ট শিবির।

RSS: মমতা-মোদীর দ্বৈরথে বঙ্গে আরও শাখা বিস্তার করতে মরিয়া সংঘ

rss to establish more branch in west bengal

News Desk: উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তেমন সাড়াশব্দ নেই। তিনি সরাসরি জোর দিয়েছেন গোয়া ও ত্রিপুরায়। রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, দিদির মোদী বিরোধিতাকে নরম চোখেই দেখছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (RSS)। দিদি-মোদী দ্বৈরথের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গে ব্লক ভিত্তিক শাখা সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে বিজেপির শিরদাঁড়া সংঘ পরিবার।

সূত্রের খবর, নাগপুর থেকে সংঘ কর্তার বার্তা এসেছে বঙ্গ সংঘীদের কাছে। বিধানসভা ভোটে সরকার গড়তে না পারা ও পরপর উপনির্বাচনে জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপির। আর বিশ্লেষকদের যুক্তি, তৃ়ণমূল কংগ্রেস নেত্রী যতটা মোদী-অমিত শাহ নেতৃত্বের বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করেন তার এক ছটাকও আরএসএসের বিরুদ্ধে বলেন না।

RSS

সূত্রের খবর, এই সুযোগটি নিতে মরিয়া সংঘ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে বিগত বাম জমানায় সংঘের অস্তিত্ব থাকলেও চরম বিপরীত শক্তি কমিউনিস্ট নেতৃত্বের হাতে রাজ্যের ভার ছিল। বাম জমানার আগে কংগ্রেস ও যুক্তফ্রন্ট সময়ে সংঘ সফল হয়নি, বামমুখী রাজনৈতিক ঝড়ে। সেই বঙ্গ এখন বাম বিমুখ। বিধানসভায় বামেদের শূন্য করে দিয়েছেন মমতা। আগামী সময়ে বামপন্থীরা যে দ্রুত শক্তি অর্জন করতে পারবে এমন আশা করছে না সংঘ। এই পরিস্থিতিতে শাখা সম্প্রসারণ গুরুত্ব পেয়েছে সংঘ নেতৃত্বের কাছে।

Modi Vs RSS

সূত্রের আরও খবর, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতাদের ভূমিকা নিয়ে বঙ্গ সংঘীদের বেশিরভাগই ক্ষুব্ধ। তাঁদের যুক্তি, এই রাজ্যের বিজেপি নেতদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব এতটাই যে ক্ষমতায় আসার লোভে বাছবিচার করা হয়নি। ফলে দ্রুত বিজেপি ভেঙে যাবে। সেই ভাঙন থেকে ফের বাম শক্তি বেড়ে উঠবে বলে মনে করছে সংঘ।

বঙ্গ সংঘী নেতা যাঁরা জেলার গ্রামাঞ্চলে কাজ করেন, তাঁদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, বামেদের পুনরায় উত্থান হতেই পারে। তাঁদের যুক্তি, জনসমর্থন হারালেও কমিউনিস্ট মতাদর্শের কোনও ক্ষতি হয়না। ঠিক যেভাবে সংঘ দীর্ঘ সময় পশ্চিমবঙ্গে ক্ষীণকায় ছিল কিন্তু টিকে ছিল।

<

p style=”text-align: justify;”>কিছু সংঘ নেতার স্পষ্ট দাবি, পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হিন্দি বলয়ের মানসিকতার সঙ্গে তুলনা করে বড় ভুল করেছেন নেতারা। তাঁদের দেখছেন না, একটা যে কোনও মিছিলে বামেদের ভিড়। সাংগঠনিক কারণে সেই ভিড়কে ভোটের দিকে ঠেলে আনতে পারছে না কমিউনিস্ট পার্টি। তবে দীর্ঘ বাম শাসনের ফলে রাজ্যবাসীর কাছে তারা পরিচিত। সেটি ফিরে যেতে পারে।

CPIM: নিধিরাম সর্দার হয়ে পুরভোটে জোটের ‘বগল বাজাচ্ছে’ বামেরা, একলা চলো দাবি

CPIM new generation

Political correspondent: বামফ্রন্ট শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লকের সিংহ গর্জন শুনতে পাচ্ছেন সিপিআইএম (CPIM)নেতারা। আসন্ন পুর নির্বাচনে ফের কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নাকি একলা বামফ্রন্ট এই নিয়ে শূন্য ভাঁড়ার পূর্বতন শাসক গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ বাড়ছেই।

আরও পড়ুন : ‘হাল ছেড়ে দেওয়া’ গৃহবন্দি বুদ্ধবাবু শুনলেন নব্যরা ফাইট করেছে

সূত্রের খবর, পুর ভোটকে সামনে রেখে বামফ্রন্টের বৈঠকে ফ.ব নেতারা সিপিআইএমকে একদম ধুনে দিতে তৈরি। এর জন্য ফরওয়ার্ড ব্লকের বাংলা কমিটি (রাজ্য কমিটি) বাছা বাছা বাক্য সংগ্রহ করে রেখেছেন। সেসব প্রয়োগ করা হবে বৈঠকে।

ফ.ব ইঙ্গিত দিয়েছে যদি জোট হয় তবে বামফ্রন্ট নাম ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়াত জ্যোতি বসুর সূত্র মেনে শরিকদলগুলির মিলিত শক্তিকেই বামফ্রন্ট মানতে রাজি ফরওয়ার্ড ব্লক।

এদিকে বামমহলে শুরু হয়েছে ভোট বেড়ে যাওয়ার আনন্দে ‘বগল বাজানো’। সম্প্রতি চার বিধানসভার উপনির্বাচনে একলা লড়াই করে বামফ্রন্ট তার ভোট ও ভোট শতাংশ দুটোই বাড়িয়ে নেয়। যদিও ঝুলি এখনও খালি। গত লোকসভা ভোট থেকে যে শূন্য কোঠা বামেদের জন্য বরাদ্দ করেছেন রাজ্যবাসী তাতে প্রলেপ দিয়েছেন জনতা।

আরও পড়ুন: হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

মহানগর থেকে মফস্বল সর্বত্র চর্চায় এসেছে একলা চলো রে নীতিতে বামেদের ভোট বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি। নিচু তলার নেতা কর্মীদের দাবি, এবার অন্তত কংগ্রেস বা কোনও জগাখিচুড়ি জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুন উঁচু তলার নেতারা। তা না হলে স্বল্প পুঁজি যা এসেছে তাও যাবে ভেসে।

এদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তাবড় নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের দাবি, লেজুড়বৃত্তি না করে চোখে চোখ রেখে কথা বললেই বাম ফের পুরনো ছন্দে ফিরবে। গুঞ্জন আসন্ন সিপিআইএম রাজ্য সম্মেলনে তিনি দলীয় অচলাবস্থার নীতিতে ‘বোমা মারা’র যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ‘সুশান্ত বচন’ যে কত কঠিন তা হাড়ে হাড়ে বোঝেন বাম নেতারা। একই পথে হাঁটতে চলেছেন উত্তরবঙ্গের তথা রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট নেতা অশোক ভট্টাচার্য ও সুন্দরবনের কিংবদন্তি নেতা কান্তি গাঙ্গুলী। তালিকায় নাম ক্রমে বাড়ছে।

<

p style=”text-align: justify;”>আর জেলায় জেলায় সমর্থকদের দাবি, দল আছে, ভোট পড়ছে, মিছিল হচ্ছে, তবে নেতাদের ভাবা দরকার একলা চলার নীতি। কোথায় আটকাচ্ছে তাঁদের। ‘জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুক দল’।

CPIM: পুর ভোটে বাম-কংগ্রেস জোট ? কী বললেন বিমান

biman-basu

News Desk: উপনির্বাচনে জোট করেনি বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। তাতে বামেদের ভোট বেড়েছে। গত লোকসভা নির্বাচন থেকে যে বাম ভোট রাম পক্ষে চলে গিয়েছে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তার উল্টো স্রোত। তবে এর পরেও আসন্ন পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে জল্পনা জিইয়ে রাখলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আলোচনা হবে।

বাম কংগ্রেস জোট গত নির্বাচনগুলিতে তেমন কোনও সফলতা পায়নি। সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে বাম কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে মিলে যে সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছিল তার মাত্র একজন বিধায়ক। ভোট শেষ জোট শেষ বলে দিয়েছেন সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণত সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

এর পরেও বঙ্গ বাম শীর্ষ নেতা বিমান বসুর মন্তব্যে পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে ইঙ্গিতবহুল বার্তা এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে পুর নির্বাচনে মূল লড়াই শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে হবে। তৃতীয়পক্ষ হিসেবে জোট থাকতে পারে। আর জোট না হলে চতুর্থ পক্ষ হবে কংগ্রেস।

উপনির্বাচনে জোটের বাইরে গিয়ে একলা বামফ্রন্ট লড়াই করে ভোট বাড়িয়ে নেওয়ায় সিপিআইএমের অভ্যন্তরে ও সমর্থকদের মধ্যে জোট বিরোধী অবস্থান আরও জোরালো হচ্ছে। পুর ভোটে জোট নিয়ে বাম অন্দরমহলে আগুন ছুটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। জেলায় জেলায় জোট বিরোধী হাওয়া বুঝেই সিদ্ধান্ত নেবেন বিমান বসু।

কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত এসেছে জোটের। তবে স্থানীয় ইস্যুতে জোট নিয়ে ধন্দে প্রদেশ নেতৃত্ব।

‘হাল ছেড়ে দেওয়া’ গৃহবন্দি বুদ্ধবাবু শুনলেন নব্যরা ফাইট করেছে

Buddhadeb Bhattacharya

News Desk: অসুস্থ বুদ্ধবাবু শুনলেন উপনির্বাচনে বামেদের বড়সড় লড়াই ও ভোট বৃদ্ধির খবরটি। বামফ্রন্টের নবীন প্রজন্ম লড়াই করছে। তবে তিনি নীরব। হয়ত মনের গভীরে এখনও পরাজয় মানতে না পারার ক্ষেদ রয়েছে। অনেক সিপিআইএম নেতার ক্ষোভ এভাবে তিনি হাল না ছেড়ে দিলে রাজ্যে ভোট রাজনীতিতে অনেক কিছুই হতে পারত। অন্তত দল শূন্য তো হতো না।

পরিবর্তন হয়েছিল ২০১১ সালে। টিএমসির কাছে পরাজয়ের পর আর বাহির মুখো হতেন না তেমন। পরবর্তী সময়ে যদিও বা কয়েকবার বেরিয়েছিলেন গত কয়েক বছর অসুস্থ হয়ে গৃহবন্দি। সিওপিডি পেশেন্ট প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মাঝে কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর অসুস্থতার সংবাদে রাজ্য জুড়ে চিন্তিত হন বহু বাম-অবাম সমর্থক।

এই গত কয়েক বছরে পরপর ভোটে রাজ্যে বামেদের শুধুই জামানত বাজেয়াপ্ত আর ভয়াবহ বিপর্যয় সংবাদ আসে গণনার দিন। সেসব শুনতেই অভ্যস্ত প্রবীন সিপিআইএম নেতা।

তাৎপর্যপূর্ণ গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে বামেরা রাজ্যে শূন্য হয়েছে। পরপর উপনির্বাচনেও একই ফল। তবে মঙ্গলবার খড়দহ, শান্তিপুর, গোসাবা, দিনহাটা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল আসতেই দেখা যায় শূন্য থাকলেও বামেদের ভোট বেড়েছে। গণনার এক পর্যায়ে খড়দহ কেন্দ্রে দ্বিতীয়স্থানে এসেছিল সিপিআইএম।

তবে ফলাফল শূন্যই। যে শূন্যতা লোকসভাতে তৈরি হয়েছে তা ভরাট করার জন্য নব্য নেতা ও প্রার্থীদের উপর জোর দিয়েছে সিপিআইএম। আসন্ন রাজ্য সম্মেলন ও পার্টি কংগ্রেসে এ ব্যাপারে শিলমোহর লাগবে।

সিপিআইএম সহ বামদলগুলির তো বটেই রাজ্যবাসীর কাছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তীব্র আলোচিত। তেমনই সমালোচনা হয় তাঁর পরাজয় না মানতে পেরে নিজেকে একলা করে নেওয়ার নীতি। সেই বুদ্ধবাবু শুনেছেন তাঁর দলেরই নতুন ধারার কর্মীরা লড়ছেন।

7th pay commission: কেন্দ্রের হারে রাজ্যকে ডিএ’র দাবি বামেদের

7th pay commission

#7th pay commission
নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের হারে রাজ্যকে ডিএ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে বামেরা। স্পষ্ট দাবি এই যে বাজারের দাম ব্যাপক হারে বাড়ছে সেই সময়ে কেন পরে থাকছে মহার্ঘ ভাতা। প্রতিশ্রুতি না দিয়ে তা এবার কার্যকরী করা এবং কেন্দ্রীয় হারে বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে তারা।

দুই সরকারের মহার্ঘ্য ভাতার হিসেব দিয়েছে বামেরা। সেখানে দেখা যাচ্ছে ৭ম বেতন কমিশন লাগু হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের প্রাপ্য মহার্ঘভাতা ১.৭.১৬ – ২%,১.১.১৭ – ২% ,১.৭.১৭ – ১%,১.১.১৮ – ২%,১.৭.১৮ -২%,১.১.১৯ – ৩%, ১.৭.১৯ – ৫%,১.৭.২১ – ১১% (১.১.২০ থেকে ১.১.২১ বকেয়া) ১.৭.২১ – ৩% । মোট ৩১%। ষষ্ঠ বেতন কমিশন দীর্ঘ টালবাহানার শেষে লাগু হওয়ার পর রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের প্রাপ্ত মহার্ঘভাতা ১.১.২১ – ৩%। মোট বকেয়ার পরিমাণ-(৩১%-৩%)=২৮%

তাঁদের দাবি, “যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া, পেট্রোপণ্যের মূল্যের সীমাহীন বৃদ্ধি সেই মুহূর্তে রাজ্য কর্মচারীদের প্রতিনিয়ত বেতনহ্রাস এবং পাহাড় প্রমাণ বণ্চনা। তাই আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে কেন্দ্রীয়হারে মহার্ঘভাতা দেওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি।”

রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটি সাধারণ সম্পাদক বিজয় শংকর সিংহ বলেন, “ইতিমধ্যে গত ৮ সেপ্টেম্বর , ২০২১ আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি(স্মারকলিপি) দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বকেয়া মহার্ঘভাতার পরিমাণ আরো ৩% বৃদ্ধি পেল। সুতরাং সরকার যদি এই প্রাপ্য বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার কোন সদিচ্ছা না দেখায় তাহলে সরকারী কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বেতনভুক কর্মচারীরা বৃহত্তর আন্দোলন সংগ্রামের পথে নামতে বাধ্য হবে।”