Leopard: কলেজে চিতাবাঘ! কামড়ে জখম এক পড়ুয়া

leopard-in-aligarh-chaudhary-nihal-singh-inter-college

নিউজ ডেস্ক, আলিগড়: উত্তর প্রদেশের আলিগড়ের কলেজে ক্লাস চলাকালীন আচমকা ঢুকে পড়ল চিতাবাঘ। বুধবার চৌধুরী নিহাল সিং ইন্টার কলেজে (Chaudhary Nihal Singh Inter College) ঢুকে চিতাবাঘটি (leopard) এক পড়ুয়াকে আক্রমণ করে। 

এরপরই আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করে দেন পড়ুয়ারা। ফাঁকা ক্লাসরুমে বেশ খানিকক্ষণ টহল দেয় চিতাবাঘটি। আচমকা সামনে এসে পড়ায় এক পড়ুয়াকে আক্রমণ করে। জখম পড়ুয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এদিকে আচমকা চিতাবাঘের আক্রমণের কথা শুনে কলেজ জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জখম ছাত্রকে দেখতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আতঙ্কে চিৎকার করে ছুটে আসেন। কলেজ গেটের কাছে বেরনোর জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তাতে পায়ের চাপে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। বন দফতরের কর্মীরা প্রায় ৯ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালায়।

ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে একটি বাঘ নিঃশব্দে নিকটবর্তী একটি বন থেকে একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে এক ছাত্রকে থাবা মারে। ওই ছাত্রের পিঠে ও হাতে গুরুতর চোট লাগে। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। চিতাবাঘটি একটি শ্রেণিকক্ষে লুকিয়ে থাকায় অন্যান্য ছাত্র এবং শিক্ষকরা উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকেন। কলেজের অ্যালার্ম বাজতে শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে কলেজ ম্যানেজমেন্ট তখনই পুলিশ ও বন কর্মকর্তাদের জানায়। অবশেষে ওয়াইল্ডলাইফ এসওএস নামে একটি এনজিও কর্মীদের সহায়তায় চিতাবাঘটিকে ধরা হয়।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে একই এলাকার একটি শিশুর ওপর হানা দেয় চিতাবাঘ। এর আগে বারাউলি গ্রামের একটি স্কুলে ঢুকে এক ১৫ বছর বয়সী ছেলেকে আক্রমণ করে চিতাবাঘ।

Jhargram: রাতভর লুকিয়ে ভয় ছড়িয়ে ফের ঘরমুখো চিতা মামা

নিউজ ডেস্ক: রাতটা ভয়ে ভয়ে কেটেছে ঝাড়গ্রামবাসীর। এই বুঝি চিতা এসে ঘাড়ের উপর লাফ মারল। সতর্কবার্তা ছড়িয়ে সবাইকে সাবধান করা হয়। বৃহস্পতিবার ভয়ের রাত কাটিয়ে শুক্রবার বেলা গড়াতে স্বস্তি ঘরমুখো হয়েছে চিতা মামা।

যে চিতা ঝাড়গ্রাম মিনি জু থেকে পালিয়েছিল সেটি ফের চিড়িয়াখানার ভিতরেই ঢুকেছে। অথচ রাতে তার টিকি দেখা যায়নি। পালিয়ে যাওয়ার প্রায় ১৭ ঘন্টা পরে তাকে দেখা গেল।

ঝাড়গ্রাম মিনি জু চত্বরের বাঘের এনক্লোজার থেকে বেরিয়ে সেই চিতা চিড়িয়াখানার ভেতরে ঘুরছে। চিড়িয়াখানায় পৌঁছে তাকে দেখেন বনদফতর কর্মীরা

বৃহস্পতিবার যখন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, তখন ঝাড়গ্রাম শহরের রাস্তায় ভিড়। সকলেই ব্যাস্ত উৎসবের কেনা কাটি করতে। এই সময় চিতা পালিয়ে যাওয়ার সতর্কতায় আতঙ্কিত হন সবাই। চিতার খাঁচায় ক্যামেরা থাকলেও তাতে ধরা পড়েনি কিছুই।

ঝাড়গ্রামের জঙ্গল এলাকা দিয়ে চিতা চলে যেতে পারে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়। চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ডিয়ার পার্ক সংলগ্ন এলাকার দোকান এবং গ্রামেও আতঙ্ক ছড়ায়। চিড়িয়াখানা থেকে মাত্র অল্প দূরে জেলা বন দফতর অফিস। সেখান থেকে শুরু হয়েছিল অনুসন্ধান।

দার্জিলিং: চিতা এসে ঘুরঘুর করছিল ঘরে!

leopard

নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন ধরেই আনাগোনা করছিল পাহাড়ি চিতা। শনিবার একেবারে ঘরে ঢুকে বসে পড়ল। তবে অদ্ভুতভাবে কারোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েনি। ঘরভর্তি সবার সামনে বসে পড়ে। কেউ কেউ গায়ে হাত বুলিয়ে দেন। ঘটনাস্থল দার্জিলিং জেলার সোনাদা।

সোনাদার কাছেই মুন্ডা চা বাগানের বস্তি থেকে চিতাটি বন বিভাগের জোড়বাংলো রেঞ্জের কর্মীরা ধরেন। তার জন্য খাঁচা তৈরি করা হয়। তবে চিতা খাঁচা বন্দি করার সময় একজনকে অল্প জখম করেছে।

বনকর্মীরা জানান, এই পাহাড়ি চিতা ক্রমে হিংস্র হয়ে উঠত। কারণ এর চরিত্রে মানুষখেকো লক্ষণ আসছিল। কিন্তু স্থানীয় বস্তির যে বাড়িতে চিতা ঢুকেছিল তাদের সঙ্গে পোষ্যর মতো আচরণ করে। এমনই দেখা যাচ্ছে ভিডিওতে। চিতাটি উদ্ধার করে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে জানিয়েছেন বনকর্মীরা।

দার্জিলিং জেলার পার্বত্যাঞ্চলে চিতাকটিয়াদী সংখ্যা কটি তার পুরো হিসেবে নেই বনবিভাগের কাছে। তবে চিতার সংখ্যা ডুয়ার্সের জঙ্গল ও ভুটান সংলগ্ন নদী তীরবর্তী জঙ্গলে বেশি দেখা যায়। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলার বনেও মিলেছে চিতা ও ব্ল্যাক প্যান্থার।