Maharashtra: হাসপাতালে আগুন, করোনা রোগীরা পুড়ে মারা গেলেন

maharashtra-covid-hospital-fire

News Desk: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর হাসপাতালে আগুন লেগে অন্তত ১০ করোনা রোগী পুড়ে মারা গেলেন। আরও বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

আহমেদনগর জেলা হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে আগুন ধরে যায়। ভিতরে থাকা রোগীদের বের করে আনার চেষ্টা হলেও দগ্ধ হন তাঁরা। কী করে এই কোভিড বিভাগে আগুন ধরেছিল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, আহমেদনগর জেলা হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডের এসি মেশিনের বিদ্যুত সংযোগ থেকে আগুন ছড়িয়েছে। আহমেদনগরের বিধায়ক এনসিপি নেতা সংগ্রাম জগতপ জানিয়েছেন, প্রশাসনিকস্তরে পুরো রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে ১৭ জন করোনা রোগী ছিলেন। আগুন ধরার পর কয়েকজনকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দগ্ধ করোনা রোগীদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখা হয়েছে।

Mumbai: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর ১৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

maharashtra deputy cm ajit pawar

News Desk, Mumbai: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের ১৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল আয়কর দফতর। জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মধ্যে আছে দক্ষিণ দিল্লির একটি ফ্ল্যাট, জরানদেশ্বরে একটি চিনির কারখানা, গোয়ায় একটি রিসর্ট এবং নির্মলা হাউসে একটি বড়সড় অফিস।

কিছুদিন আগেই আয়কর দফতর মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশকিছু বেনামি জমি উদ্ধার করেছিল। যার আনুমানিক মূল্য ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। বেনামি ওই সম্পত্তির মালিকও অজিত পাওয়ার বলেই খবর। বাজেয়াপ্ত হওয়া এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক তিনি নন, এটা প্রমাণ করার জন্য ৯০ দিন সময় পাচ্ছেন উপমুখ্যমন্ত্রী পাওয়ার।

আয়কর দফতরের পক্ষ থেকেই উপ-মুখ্যমন্ত্রী পাওয়ারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার এই খবর জানানো হয়েছে। এই কেন্দ্রীয় সংস্থা উপ-মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছে, এই সম্পত্তি যে তাঁর নয় সেটা তাঁকে প্রমাণ করতে হবে। উপ-মুখ্যমন্ত্রীর এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার খবরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

ইতিমধ্যেই শিবসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মহারাষ্ট্রে নির্বাচনে জিতে ক্ষমতা দখল করতে না পেরে ঘুর পথে তারা এ রাজ্যের ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। সে কারণেই শাসক দলের নেতা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করছে তারা। যার বেশিরভাগই ভিত্তিহীন। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কাজে লাগাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

তবে উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পাওয়ারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা নিয়ে কংগ্রেস এবং এনসিপি কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিজেপির তরফেও মেলেনি কোনও প্রতিক্রিয়া।

এর আগে শনিবার রাতেই রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখকে গ্রেফতার করেছে ইডি। অনিলের বিরুদ্ধেও আর্থিক তছরুপ-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মহারাষ্ট্রে যেভাবে শাসক জোটের একের পর এক নেতা ও মন্ত্রী দুর্নীতির ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছেন রাজ্য রাজনীতিতে তা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে এই রাজ্যে কংগ্রেস, এনসিপি ও শিবসেনার জোট সরকার চলছে। কিন্তু যেভাবে একের পর এক এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে তাতে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বিব্রত বোধ করছেন।

রাজ্যের বিভিন্ন নেতা ও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপির চক্রান্ত বলে চালানোর চেষ্টা করলেও সেটা যে সব সময় মানুষ মেনে নেবে তা নয়। বিষয়টি বুঝতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রীও। কিন্তু জোট সরকার টিকিয়ে রাখার কারণে মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা প্রধান শরিক দুই দলকে জোর গলায় কিছু বলতেও পারছেন না। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে উভয় সঙ্কটে পড়েছেন। একদিকে তাঁকে রাজ্যে সরকার টিকিয়ে রাখার কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে কিভাবে এই দুর্নীতির মোকাবিলা করা যায় তাও ভাবতে হচ্ছে।

Anil Deshmukh: দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা জেরার পর মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গ্রেফতার করল ইডি

Ex-Home Minister Anil Deshmukh

News Desk, New Delhi: একটানা ১২ ঘণ্টা জেরা করার পর মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এর আগে অনিলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার বার সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু তিনি সেই সমন এড়িয়ে গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, ওই সমন খারিজ করার জন্য বম্বে হাইকোর্টে আবেদনও করেছিলেন এই এনসিপি নেতা। যদিও শুক্রবার হাইকোর্ট সেই আরজি নাকচ করে দেয়।

হাইকোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সোমবার দেশমুখ ইডির দফতরে হাজির হন। ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁকে দীর্ঘ ১২ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু তদন্তে সেভাবে সহযোগিতা না করার কারণে শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতেই গ্রেফতার করা হয় অনিলকে। দেশমুখের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের পদস্থ পুলিশ কর্মীদের মাধ্যমে তোলা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং অর্থ তছরুপের অভিযোগও রয়েছে এই এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার কারণেই চলতি বছরের শুরুতে মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন দেশমুখ। যদিও তোলা আদায় এবং অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন তিনি। দেশমুখ এক ভিডিও বার্তায় পাল্টা দাবি করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির যে সমস্ত অভিযোগ করা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই।

একই সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি ইডির সঙ্গে অসহযোগিতা করছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা ভিত্তিহীন। বরং তিনি তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তদন্তে সহযোগিতা করলে কেন তিনি বারবার ইডির সমন এড়িয়ে যাচ্ছেন এই প্রশ্ন করা হলে অবশ্য রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কোনও উত্তর দেননি।

উল্লেখ্য, শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির বাড়ির কাছেই বোমাতঙ্কের ঘটনায় তদন্ত করছিলেন পুলিশ কর্তা পরমবীর সিং। পরমবীর অভিযোগ করেছিলেন, পুলিশের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেশমুখ প্রায় ১০০ কোটি টাকা তোলা আদায় করতেন। দেশমুখের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে চিঠি দিয়েছিলেন পরমবীর। উল্লেখ্য, অনিল আম্বানির বাড়ির সামনে বোমাতঙ্কের ঘটনার তদন্তভার পরমবীরের হাত থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তার পরই পরমবীর তৎকালীন মন্ত্রী দেশমুখের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ তোলেন। গ্রেফতারের আগে দেশমুখ বলেন, তিনি নির্দোষ। কিন্তু যারা প্রকৃত দোষী তারা অবাধে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যারা প্রকৃতই খুন-জখম, তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ পুলিশ করছে না। তবে আদালত ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাঁর পুরোদস্তুর আস্থা আছে। প্রকৃত সত্য একদিন অবশ্যই সামনে আসবে।

Maharashtra: বিজেপি করলে কোনও তদন্ত হয় না, বললেন গেরুয়া সাংসদ সঞ্জয় পাতিল

Maharashtra leader Sanjay Patil

News Desk: বিরোধীরা হামেশাই অভিযোগ করেন, সিবিআই, ইডির মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে তাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানো হচ্ছে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার এই সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিজেদের প্রয়োজনে বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে কাজে লাগাচ্ছে।

যদিও কেন্দ্র বিরোধীদের সেই অভিযোগ বারেবারে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু বিরোধীদের তোলা অভিযোগ যে এতটুকু ভিত্তিহীন নয় সেটাই প্রমাণ করে দেখালেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় পাতিল। রবিবার সঞ্জয় বলেন, এখন আমি বিজেপি সাংসদ। তাই সিবিআই বা ইডি কেউ আর আমার পিছনে আসবে না।

দিন কয়েক আগে হর্ষবর্ধন পাতিল নামে এক বিজেপি নেতাও একই কথা বলেছিলেন। হর্ষবর্ধন বলেছিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন। কারণ এখন আর তাঁকে কোনও ধরনের জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে পড়তে হচ্ছে না। যথারীতি বিজেপি সাংসদ ও এক নেতার এ ধরনের কথায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার সর্বদাই সিবিআই, ইডি, আয়কর বিভাগের মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বিরোধীদের পিছনে লাগিয়ে রেখেছে। বিরোধীদের নানাভাবে হেনস্তা করাই যে মোদি সরকারের একমাত্র লক্ষ বারেবারে এমন অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু সেই অভিযোগের সাপেক্ষে তেমন কোনও জোরালো প্রমাণ মেলেনি। এবার সেই প্রমাণ বিরোধীদের হাতে তুলে দিলেন মহারাষ্ট্রের এই বিজেপি সাংসদ সঞ্জয়।

সঞ্জয় পাতিল একমাত্র বিজেপি সাংসদ যিনি প্রথম প্রকাশ্যে এই মন্তব্য করলেন। শুধু সঞ্জয় একা নন, চলতি মাসে হর্ষবর্ধন পাতিল নামে এক বিজেপি নেতাও একই মন্তব্য করেছেন। ২০১৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে এসেছেন হর্ষবর্ধন। এই বিজেপি নেতা বলেন, কেউ যদি আমার কাছে জানতে চায় আমি কেন বিজেপিতে যোগ দিয়েছি, তবে আমি বলব নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য আমি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আমাকে আর এখন কারও কোনও প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে না। যথারীতি হর্ষবর্ধনের এই মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। হর্ষবর্ধন অবশ্য পাল্টা বলেন, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেছে সংবাদমাধ্যম। তিনি বলতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েও তাঁকে প্রার্থী করেনি। সে কারণেই তিনি কংগ্রেস ছেড়েছেন।

২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতা দখলের পরই বিজেপি বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বলে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে নিজেদের কাজে লাগানোর অভিযোগ তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এজন্যই বিজেপিকে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। নেত্রীর দাবি, বিরোধীদলে থাকলেই নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত হন। কিন্তু সেই দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারাই বিজেপিতে যোগ দিলে সব সাদা হয়ে যান। সে কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বলেন।

সম্প্রতি মুম্বইয়ের মাদক মামলায় শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এনসিবিকে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেছেন, যে যত দুর্নীতিগ্রস্ত হোক না কেন, বিজেপিতে যোগ দিলে তার বিরুদ্ধে চলতে থাকা সব তদন্তই ধামাচাপা পড়ে যায়। বিরোধীরা যে এতটুকু ভুল বলছেন না, সেটা প্রমাণ হয়ে গেল বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় পাতিলের মন্তব্যে। শুধু সঞ্জয় নন, হর্ষবর্ধনও একই কথা বলায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের তোলা অভিযোগ আরো মজবুত হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

শাহরুখ বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁর ছেলেকে জেলে যেতে হত না, মন্তব্য মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীর

Sharuk khan-ariyan khan

News Desk: শাহরুখ খান যদি বিজেপিতে যোগ দিতেন তাহলে পরিস্থিতি এমনটা হত না। এই বলিউড তারকা গেরুয়া দলে যোগ দিলে মাদক কাণ্ডে তাঁর ছেলেকে হয়তো জেলে যেতেও হত না। শাহরুখ বিজেপিতে যোগ দিলে ড্রাগ তখন চিনির গুঁড়ো হয়ে যেত। শাহরুখ বিজেপিতে যোগ না দেওয়ায় তাঁর উপর প্রতিহিংসা মেটাতেই আরিয়ানকে জেলে ভরে দেওয়া হয়েছে। রবিবার এই মন্তব্য করলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা ছাগন ভুজবল।

উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের এক প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে চলতি মাসের ২ তারিখে আরিয়ানকে আটক করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। একটানা ১৬ ঘণ্টা জেরা করার পর ৩ অক্টোবর আরিয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকদিন এনসিবির হেফাজতে থাকার পর আরিয়ান এখন রয়েছেন মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে। ইতিমধ্যেই আরিয়ানের জামিনের আর্জি পাঁচবার নাকচ হয়ে গিয়েছে। বম্বে হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের আর্জির পরবর্তী শুনানি হবে আগামী মঙ্গলবার।

কিন্তু মাদক কাণ্ডে আরিয়ানের জড়িত থাকার ঘটনায় প্রথম থেকেই এনসিবি’র একাধিক নেতা ও মন্ত্রী বিজেপির কূটনৈতিক চাল দেখছেন। এদিন ভুজবল বলেন, আরিয়ান অল্প বয়সি ছেলে। হয়তো সে কোনও ভুল করেও থাকতে পারে। কিন্তু শাহরুখ যদি বিজেপিতে যোগ দিতেন তাহলে এই ভুলটা আদৌ সামনে আসতো না। যেমনটা হয়েছে গুজরাতের ক্ষেত্রে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে মুন্দ্রা বন্দর থেকে ১৯ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার হয়েছে।

কিন্তু এনসিবি বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের কোনও তদন্ত করছে না। একটি বাচ্চা ছেলের কাছে কী পাওয়া গিয়েছে তা নিয়েই এনসিবির বাঘা বাঘা অফিসাররা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আসলে তাঁদের মূল কাজ হল বলিউড তারকাদের হেনস্তা করা। বলিউড তারকারা সেভাবে বিজেপিকে সমর্থন করে না। সে কারণেই প্রতি হিংসা মেটাতে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা এ ধরনের আচরণ করছে। আরিয়ান আসলে বিজেপির প্রতি হিংসার বলি।

এর আগে আরিয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আর এক এনসিপি নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক। তিনি সরাসরি বলেছিলেন, বিজেপির ইশারাতেই এনসিবি আরিয়ান ও তার পরিবারকে হেনস্তা করছে। এই ঘটনায় যে বিজেপি জড়িত আছে সে ব্যাপারে তাঁর কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আছে। সময় মতোই তিনি সেগুলি প্রকাশ করবেন। এদিন ভুজবল এই মন্তব্য করলেও এনসিবির পক্ষ থেকে পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Coal crisis: কয়লার অভাবে মহারাষ্ট্রে ১৩টি-সহ দেশে ২০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ হল

Coal crisis in Maharashtra 

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী আর কে সিং আশ্বাস দিয়েছিলেন কয়লার কোনও সমস্যা হবে না। সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবিলম্বে পৌঁছে যাবে চাহিদামত কয়লা। কিন্তু মন্ত্রীর কথা আর বাস্তবের মধ্যে ফারাক অনেকটাই। সোমবার কয়লার অভাবে মহারাষ্ট্রে ১৩টি-সহ গোটা দেশে ২০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ হয়ে গেল।

জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ১৩টি কেরলে চারটি এবং পাঞ্জাবে তিনটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র কয়লার অভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি খুব খারাপ কর্ণাটকেও। সেখানেও দু-একদিনের মধ্যে কয়লা পাঠানো না হলে বেশ কয়েকটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হবে বলে জানা গিয়েছে।

কয়লার এই সঙ্কটের জন্য পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র যথারীতি কেন্দ্রের দিকে আঙুল তুলেছে। পাঞ্জাব সরকারের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি অভিযোগ করেছেন, মোদি সরকার নিয়মিত পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে চলেছে। এখন তারা নেমেছে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর খেলায়। সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে নয় বরং কিভাবে বিপদে ফেলতে হয় সেটা মোদি সরকার ভালই জানে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, কয়লার অভাবের কারণে দিল্লিতেও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি ধুঁকছে। সমস্যা সমাধানে কেন্দ্র উদ্যোগী না হলে গোটা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। চলতি সমস্যা সমাধানের জন্য কেজরিওয়াল প্রধানমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার জন্য অনুরোধ করেছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বলেছেন, মোদি সরকার কোনও সমস্যাকেই সমস্যা বলে মনে করে না। তারা চোখ বন্ধ করে থাকে। সে কারণেই দেশে একের পর এক সমস্যা বেড়ে উঠছে। এখন কৃষকদের আন্দোলন থেকে নজর ঘোরাতেই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতেও অচলাবস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে।

চলতি পরিস্থিতিতে কিভাবে কয়লার জোগান বাড়ানো যায় তা নিয়ে সোমবার কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিভাবে রাজ্যগুলিতে চাহিদামত কয়লা দ্রুত সরবরাহ করা যায় সে বিষয়ে শাহর সঙ্গে কথা বলেন আরকে সিং। 

মহারাষ্ট্রের ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশন সোমবার জানিয়েছে, অস্থায়ীভাবে রাজ্যে ১৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে মহারাষ্ট্রে ৩৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হল। ফলে গোটা রাজ্যে লোডশেডিং বেড়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, যত শীঘ্র সম্ভব পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বিদ্যুতের জন্য জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির উপর কতটা নির্ভর করা যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মহারাষ্ট্র সরকারের আশঙ্কা, কয়লার অভাবে আগামী দিনে রাজ্যে আরও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গোটা রাজ্য এই উৎসবের মরসুমে অন্ধকারে ডুবে যাবে। চলতি সমস্যার সমাধানে গ্রাহকদের যতটা সম্ভব কম বিদ্যুৎ খরচ করতে বলা হয়েছে। অনুরোধ করা হয়েছে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেন বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেন।

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শুধু ভারত নয় গোটা দেশেই কয়লার মজুত ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে। তাই অবিলম্বে বিকল্প জ্বালানির উৎসের সন্ধান করা না গেলে প্রতিটি দেশকেই বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হবে

RSS: দুর্গাপূজার মাঝেই সংঘ সদরে পরাজয়ের বিষাদ সুর

RSS

নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মূখ্য কার্যালয়ে দুর্গাপূজার মাঝেই বাজছে বিষাদ সুর। মহারাষ্ট্রে ক্রমশ জমি হারাচ্ছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। খোদ সংঘ সদর কার্যালয় নাগপুর (Nagpur) জেলায় বিরাট ধস নেমেছে।
মহারাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নাগপুর জেলাতে আরএসএসের বোলবোলাও কমতি লক্ষনীয়। সেখানে ভাগ বসিয়েছে কংগ্রেস। নাগপুর জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ৯টি দখল করে নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে তিনটি। নাগপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পুর নিগমের জনসমর্থন ঢলতে শুরু করেছে কংগ্রেসের দিকে। 

নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বিজেপির সুপার হেভিওয়েট নীতীন গডকরি সাংসদ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাড়ি নাগপুরেই। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য, নাগপুরে আরএসএস কার্যালয় থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ জোট সরকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংঘ সদরে ভোটের ধস নেমে যাওয়ায় উল্লসিত কংগ্রেস শিবির। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের ধারণা, এই ধাক্কা দেখা যাবে উত্তর প্রদেশে।

বিজেপির অন্যতম ভরসার রাজ্য এখন কৃষক আন্দোলনে তপ্ত। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় প্রবল অস্বস্তিতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এই মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় শর্মার পুত্র আশিস শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ, তার নির্দেশে লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের রেশ এই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পড়তে চলেছে। এমনই আশঙ্কা সংঘ পরিবারের। তাৎপর্যপূর্ণ, সংঘ পরিবারও কৃষকদের উপর জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

খবর এও এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার পর পরই বিজেপিতে ধরে নামতে চলেছে। ডজন খানেক বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। বেশ কিছু সাংসদ দলত্যাগ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় বিজেপির ভাঙন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

🅱🅸🅶 🅽🅴🆆🆂: মুম্বই-ইউপি-দিল্লিতে নাশকতার ছক বানচাল, গ্রেফতার পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত জঙ্গি

Pakistan terror

নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল (Delhi Police Special Cel) পাকিস্তান পরিচালিত জঙ্গি মডিউলকে চক্রান্ত তছনছ করে দিল৷ দিল্লি পুলিশ ৬ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে৷ তারমধ্যে দু’জন পাকিস্তানি জঙ্গি রয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এই দুই জঙ্গি পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিল। এই সন্দেহভাজনদের উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

স্পেশাল সেলের অভিযানে কর্তৃক গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির নাম ওসামা এবং জিশান বাই। তথ্য অনুযায়ী, ধৃত জঙ্গিদের আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশ এটিএসের সহযোগিতায় প্রয়াগরাজে অভিযান চালানো হয়। স্পেশাল সেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াগরাজের কারেলি থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের হেফাজত থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের খবর রয়েছে।

পুলিশ জানাচ্ছে, ধৃত জঙ্গিদের মডিউলটি আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের বড় বড় শহরে বিস্ফোরণ এবং জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র করছিল। এই ষড়যন্ত্র চালানোর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংগ্রহ করা হয়েছিল। গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির ‘ ডি কোম্পানি’র সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

আরও বলা হচ্ছে, এই মডিউল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে। অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্ক ভারতের অনেক রাজ্যে ছড়িয়ে আছে। এই অভিযানের পরে মহারাষ্ট্রে বসবাসকারী একজন জঙ্গিকে কোটা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া দিল্লি থেকে দু’জন এবং উত্তরপ্রদেশ এটিএসের সহায়তায় তিনজন ধরা পড়ে।

পুলিশ-গোয়েন্দারা তদন্তে জানতে পেরেছে, জঙ্গিরা ২ টি দল গঠন করেছিল। আনিস ইব্রাহিম একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং তাদের তহবিল যোগর করার কাজ ছিল। ধৃত লালা আন্ডার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত৷ দ্বিতীয় দলের কাজ ছিল ভারতে উৎসব উপলক্ষে সারা দেশে বিস্ফোরণের জন্য শহরগুলি চিহ্নিত করা। তাদের পরিকল্পনা ছিল দিল্লি, উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো। রামলীলা এবং নবরাত্রির অনুষ্ঠানগুলি তাদের টার্গেট ছিল।

স্পেশাল সেলের স্পেশাল সিপি নীরজ ঠাকুর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা ৬ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছি৷ তার মধ্যে ২ জন প্রশিক্ষণ শেষে পাকিস্তান থেকে ফিরে এসেছে। এর মধ্যে ২ জন প্রথমে মাস্কাটে যান, তারপর তাদের নৌকায় করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও জানান, সেখানে থাকা ১৪ জন বাংলায় কথা বলতে পারে৷ পাকিস্তানে তাদের একটি খামার বাড়িতে ১৫ দিনের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।