মেয়েদের বিয়ের বয়স সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

marriage of girls

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার (nda government)। কী কারণে তাঁর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশের (utterpradesh) প্রয়াগরাজে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী (prime minister)। হাতে গোনা কয়েক দিন পরেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে।

নির্বাচনের আগে মঙ্গলবার এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনের মেয়েরা অল্প বয়সে বিয়ে করতে চায় না। তারা চায় আরও বেশি পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে। তাদের সেই লক্ষ্য যাতে পূরণ হয় সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকার সব ধরনের সাহায্য করতে চায়। সে কারণেই মেয়েদের বিয়ের বয়স (marriage age) ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এদিনের সভায় মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁদের লক্ষ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহিলারা আর শুধুমাত্র ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে থাকতে চান না। তাঁরা চান আরও বেশি লেখাপড়া করে স্বাবলম্বী হতে। মেয়েদের সেই স্বপ্নপূরণে তাঁর সরকার সব ধরনের সাহায্য করবে। তবে মহিলাদের বিয়ের বয়স বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে দেশের একাধিক রাজনৈতিক দল।

বিরোধীদের এই আচরণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন হুমকির সুরে বলেন, মহিলারা কিন্তু সব নজর রাখছেন। আগামী দিনে তাঁরাই এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী আজ বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে এক হাজার কোটি টাকা দেওয়ার কথাও বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর দাবি তাঁর এই প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় ১৬ লক্ষ মহিলা উপকৃত হবেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই প্রকল্প চালু করতে গিয়ে মোদী কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথেই হেঁটেছেন। গত মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা রাজ্যে চালু করেছিলেন লক্ষী ভান্ডারের মত প্রকল্প। মোদী কার্যত সেই প্রকল্পকেই নকল করেছেন। উল্লেখ্য, রাজ্যের মহিলাদের মন পেতে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি-সহ সব রাজনৈতিক দলই সচেষ্ট হয়েছে। এবার সেই প্রতিযোগিতায় সামিল হলেন নরেন্দ্র মোদীও।

Katwa: প্রেমিককে চুম্বন করে গুলি চালাল প্রেমিকা

shoot-lover

নিউজ ডেস্ক : বিয়ে করতে অস্বীকার করায় প্রেমিককে লক্ষ করে গুলি চালাল প্রেমিকা। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় প্রেমিক লাল চাঁদ শেখ। বুধবার সন্ধ্যায় প্রেমিকা মনীষা খাতুন ফোন করে প্রেমিক লাল চাঁদ শেখকে ডাকে দেখা করার জন্য।  কাটোয়া (Katwa) শহরের সার্কাস ময়দান অঞ্চলে দেখা করার কথা ছিল তাঁদের। সেখানে দেখা হওয়ার পরে প্রথমে লাল চাঁদকে চুম্বন করে মনীষা। এরপরই ওয়ান শাটার বন্দুক প্রেমিকের বুকে ঠেকিয়ে গুলি করার চেষ্টা করে সে। বুঝতে পেরে মনীষাকে ধাক্কা মেরে পালানোর চেষ্টা করলে পিছন থেকে গুলি চালায় প্রেমিকা। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে প্রেমিকের জ্যাকেট ফুটো করে পেট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। অল্পের জন্য রক্ষা পায় লাল চাঁদ। 

স্থানীয় সূত্রের খবর, কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়ার যুবক লাল চাঁদ শেখের সঙ্গে বাগানে পাড়ার মনীষা খাতুনের প্রায় ৩ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু প্রেমিক লালচাঁদ বিয়ে করতে রাজি হয়নি। এরপরেই কাটোয়া ছেড়ে চলে যায় প্রেমিকা মনীষা। মঙ্গলবার ঝাড়খন্ড থেকে কাটোয়ায় ফিরে আসার পরেই লাল চাঁদকে ফোন করে সে।

লালচাঁদের অভিযোগ, বুধবার রাত সাড়ে আটটার সময় মনীষা তাঁকে সার্কাস ময়দানের কাছে একটি গলিতে দেখা করতে বলে। সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। 

এদিকে মনীষার বাড়ির লোক জানিয়েছে, কর্মসূত্রে ঝাড়খণ্ড চলে যাওয়ার পরে বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না তার। কিছু বছর বাদে ফিরে এসে এই ঘটনা ঘটায় সে। মনীষাকে ফোনের টাওয়ার লোকেশন দেখে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কাটোয়া থানায় নিয়ে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

মনীষা ওই ওয়ান শাটারটি কোথা থেকে পেয়েছেন সে বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে পুলিশ। যদিও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়েই লাল চাঁদকে মারার পরিকল্পনা করেছিল মনীষা।

Sayantani Ghosh: বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী ঘোষ

Sayantani Ghosh

নিউজ ডেস্ক: এবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সায়ন্তনী ঘোষ (Sayantani Ghosh)। দীর্ঘদিনের প্রেমিক অনুরাগ তিওয়ারির সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করলেন। বেশ কিছু বছর হিন্দি ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ সায়ন্তনী। বাঙালি মেয়ের বিয়ের আসর বসে কলকাতায়। একেবারেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আত্মীয়দের উপস্থিতিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন অভিনেত্রী।

https://www.instagram.com/p/CW-knE-NQ3p/?utm_source=ig_web_copy_link

https://www.instagram.com/p/CXGGw3avDbU/?utm_source=ig_web_copy_link

https://www.instagram.com/p/CXG5vfuNmTf/?utm_source=ig_web_copy_link

রবিবারই বাগদানের ছবি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সঙ্গে শাঁখা পলা পরা হাতের ছবি দিয়েও লেখেন, ‘অনেক দিনের স্বপ্ন শাঁখা পলা পরব। অবশেষে সেই দিন এসে গেল।’ সাত পাকে বাঁধা পরার পর বিয়ের ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন ‘নাগিন’ খ্যাত অভিনেত্রী সায়ন্তনী ঘোষ। ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আর এভাবেই আমি মিস থেকে মিসেস হলাম’। 

জানা গেছে, স্বামী অনুরাগ তিওয়ারি অবাঙালি হলেও, বাঙালি কন্যা সায়ন্তনীর বিয়ে হয় একেবারে বাঙালি নিয়ম কানুন মেনে। এদিন লাল বেনারসি শাড়িতে অনুরাগীদের সঙ্গে বিয়ের ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। সায়ন্তনীর স্বামী অনুরাগকেও দেখা গিয়েছে বাঙালি পোশাকে। ধুতি এবং ডিজাইনার কুর্তায় সেজেছিলেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে সায়ন্তনী বলেন, ‘যে মুহূর্তে আমি শাঁখা পলা পরি, তখন ভিতর থেকে অন্যরকম কিছু অনুভব করছিলাম। নিজের মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন অনুভব করছিলাম। এর আগেও অভিনয় করতে গিয়ে চরিত্রে প্রয়োজনে আমি শাঁখা পলা পরেছি। কিন্তু এবারের ব্যাপারটা আলাদা। আমার মনে হয় লাল বেনারসিতে সব বাঙালি মেয়েদেরই দেখতে খুব সুন্দর লাগে। তার সঙ্গে শাঁখা পলা, চন্দনের সাজ, মাথায় সিঁদুর, সব মিলিয়ে অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, টলিউডে বেশ কয়েকটি ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন সায়ন্তনী ঘোষ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে তাঁকে কিছু ছবিতে দেখা যায়। এছাড়াও তিনি ‘কুমকুম- পেয়ার সা বন্ধন’, ‘নাগিন ৪’, ‘নামকরণ’-র মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।

ঐন্দ্রিলাকে বিয়ের বার্তা দিলেন অঙ্কুশ

Love birds Ankush Hazra and Oindrila Sen

বায়োস্কোপ ডেস্ক: অঙ্কুশের একটি পোস্টে তোলপাড় নেটপাড়া। কারণ, সেই পোস্টের ইঙ্গিত যেদিকে, তার অর্থ বোঝায়- খুব শিগগিরিই তাঁর পরিবারের অংশ হতে চলেছেন ঐন্দ্রিলা। দশ বছরের প্রেম কি তাহলে এবার ছাতনাতলা অবধি গড়াচ্ছে? শেষমেশ সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা? সেই গুঞ্জন তো অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। তবে এবার ইনস্টাগ্রামে এক গুগলি পোস্ট করে সেই জল্পনাকে যেন আরও একধাপ উসকে দিলেন অভিনেতা।

অতঃপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নের ঝড় বয়ে গিয়েছে যে- কবে বিয়ে করছেন? কোন মাসের কত তারিখ?… ইত্যাদি ইত্যাদি। কেউ বা আবার আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়ে রেখেছেন অঙ্কুশের একটি পোস্টে তোলপাড় নেটপাড়া। কারণ, সেই পোস্টের ইঙ্গিত যেদিকে, তার অর্থ বোঝায়- খুব শিগগিরিই তাঁর পরিবারের অংশ হতে চলেছেন ঐন্দ্রিলা। দশ বছরের প্রেম কি তাহলে এবার ছাতনাতলা অবধি গড়াচ্ছে? শেষমেশ সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা? সেই গুঞ্জন তো অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। তবে এবার ইনস্টাগ্রামে এক গুগলি পোস্ট করে সেই জল্পনাকে যেন আরও একধাপ উসকে দিলেন অভিনেতা।

Oindrila Sen

গত নভেম্বরে অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েও নিজের বিয়ের ঈঙ্গিত দিয়েছিলেন অঙ্কুশ। এবারও তাই। তা ইনস্টা পোস্টে কী এমন লিখেছেন অঙ্কুশ, যা নিয়ে এত জল্পনা? লিখেছেন, “অবশেষে এত দীর্ঘ অপেক্ষার পর সে আমার পরিবারের সদস্য হতে চলেছে.. স্বপ্ন সত্যি হল।” এই ‘সে’-টি কে? তা নিয়ে অঙ্কুশকে প্রশ্ন করা হলে, এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, “যে যা ভাবছে ভাবুক।” তবে প্রশ্ন শুনে হাসলেও বিয়ের জল্পনা কিন্তু ওড়াননি অভিনেতা। তাঁর কথায়, “কেউ তো একটা হবেই। আর ডিসেম্বরে যখন বিয়ের কথা ছিল, তখন তা তো হতেই পারে।” অতঃপর অঙ্কুশ ঠিক খোলসা করে বলেননি যে, কে তাঁর পরিবারের সদস্য হতে চলেছে এত অপেক্ষার পর। তবে নেটিজেনরা দুয়ে দুয়ে চার করে প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের কথাই ধরে নিয়েছেন।