অতিমারির বিধিনিষেধকে ঠেঙ্গা দেখিয়ে বহাল তবিয়ৎ’এ চলছে ISL

Sports desk:কোভিড -১৯’র নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের থাবায় বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (BCCI) ঘরোয়া ক্রিকেটের ২০২১-২২ মরসুমে রঞ্জি ট্রফি, কর্ণেল সিকে নাইডু ট্রফি এবং সিনিয়র উইমেনস টি২০ লিগ সাময়িকভাবে স্থগিত করে দিয়েছে,প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে।

অন্যদিকে, ২০২১-২২ মরসুমে আই লিগ কলকাতায় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহুর্তে লিগ কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের বাড়বাড়ন্তের কারণে আই লিগ (I-League) সাময়িক ভাবে স্থগিত করার।

সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে’র(AIFF) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত জানান, AIFF লীগ কমিটির সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আই লিগ সাময়িক ভাবে স্থগিত করার।

কোভিড-১৯’র নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের বাড়বাড়ন্তের আবহে ভারতের মাটিতে চলছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ(ISL)। এই টুর্নামেন্টের সংগঠক সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে’র(AIFF) এবং ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (FSDL)। গত শনিবারের ঘটনা, ATK মোহনবাগানের একজন ফুটবলারের কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয় এবং ওই টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর জেরে গত শনিবারের ম্যাচ, যা মোহনবাগান বনাম ওডিশা এফসি’র মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার ছিল তা, স্থগিত হয়ে যায়। ম্যাচ স্থগিতকরণের বিষয়টি টুইটারে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হয়।

অতিমারির ভয়াল আতঙ্কে যেখানে সংক্রমণের গতি ক্রমেই ওপরের দিকে পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে নতুন করে নাইট কাফিউ এবং লকডাউনের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে,জনজীবন স্বাভাবিক ছন্দে এগোতে পারছে না কোভিড-১৯ প্রটোকলের বিধিনিষেধের জন্য। এমন এক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েও দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে এবং চরম উদাসীনতার পরিচয় রেখে চলেছে AIFF এবং FSDL কর্তৃপক্ষ।

টুর্নামেন্টে চলাকালীন ATK মোহনবাগানের ফুটবলার কোভিড-১৯ পজিটিভ চিহ্নিত হওয়ার পরেও আইএসএল (ISL) বহাল তবিয়ৎ’এ চলছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপরে কোনও ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের একক, চরম, চূড়ান্ত ক্ষমতা নেই। ভারত রাষ্ট্রের নির্দেশ মেনেই BCCI এবং আই লিগ কমিটি টুর্নামেন্ট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

তাহলে কোন ক্ষমতা বলে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) এবং ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (FSDL) ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) টুর্নামেন্ট স্থগিত না করে তা আয়োজিত করে চলেছে। রবিবার সন্ধ্যে ৭.৩০ মিনিটে আইএসএলের ম্যাচ রয়েছে,কেরালা ব্লাস্টার্স বনাম হায়দরাবাদ এফসি’র মধ্যে।

মানুষের জীবন জীবিকা কোভিড-১৯’র নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের দাপটের মুখে পড়ে ওষ্ঠাগত, আর নির্বোধের মতো ভারতের মাটিতে চলছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL)। দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রক,ক্রীড়া মন্ত্রক,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কারোর কোনও হেলদোল নেই, অতিমারির আবহে ISL টুর্নামেন্ট স্থগিতকরণ নিয়ে।

ISL: করোনার জেরে ATK মোহনবাগান- ওডিশা এফসি ম্যাচ স্থগিত

ATK Mohun Bagan-Odisha FC match postponed due to corona

আজ, শনিবার চলতি আইএসএলে (ISL) ATK মোহনবাগানের (ATK Mohun Bagan) খেলা ছিল ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে। কিন্তু এই স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আইএসএলের টুইটার পোস্টে এই ঘোষণা করা হয়েছে।
অসমর্থিত সূত্রে খবর, ATK মোহনবাগানের এক ফুটবলারেরা কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয় এবং ওই টেস্টের ফল পজিটিভ আসে এরপর তড়িঘড়ি আইএসএলের ৫৩ তম ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই ম্যাচ স্থগিতের জেরে ATK মোহনবাগান নিজেদের টুইটার হ্যাণ্ডেলে পোস্ট করেছে, “হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) ফাতোর্দার পিজেএন স্টেডিয়ামে আজ, 8 জানুয়ারী, 2022, শনিবার, ATK মোহনবাগান এবং ওড়িশা FC-এর মধ্যে ম্যাচ নম্বর 53 স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই স্থগিত ম্যাচের পরবর্তী তারিখের ফিক্সচারটি পুনরায় নির্ধারণ করা হবে”।

আইএসএল টুইটার হ্যান্ডেলের পোস্টে বলা হয়েছে, “ATK মোহনবাগানের একজন খেলোয়াড়কে কোভিড -19 টেস্ট করা হয় এবং ওই টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরে লীগের মেডিকেল টিমের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওই টুইট পোস্টে এও বলা হয়েছে,”লিগ স্কোয়াডের সমস্ত খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফ এবং জড়িত অন্যান্যদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হবে”।

জানা গিয়েছে, ATK মোহনবাগানের একজন খেলোয়াড় কোভিড -19 টেস্টে পজিটিভ আসার পর লীগের মেডিকেল টিমের সাথে পরামর্শ করে এই ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২৬ ডিসেম্বরের টেস্ট ম্যাচকে কেন “Boxing Day” টেস্ট ম্যাচ বলা হয়

Boxing Day Test match

Sports desk: ক্রিসমাসের একদিন পরে, ২৬ ডিসেম্বর তারিখ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং কানাডা সহ অনেক কমনওয়েলথ দেশে বক্সিং দিবস (Boxing Day) হিসাবে পালিত হয়।

একটি সংস্কার অনুসারে, এটি গির্জার ভিক্ষা বাক্স বা দরিদ্র বাক্সগুলিকে বোঝায় যেগুলি বড়দিনের পরের দিন খোলা হত। কিন্তু এখন অন্যান্য সংস্কার রয়েছে যা বিশ্বাস করে, যে ভৃত্যরা ক্রিসমাসের দিন কাজ করে থাকে এবং পরের দিন তাদের উপহার দেওয়া হয়,ওই বাক্স থেকে উপহার খুঁজে নিয়ে ।

আসলে এটা ঘোড়ার পৃষ্ঠপোষক সেন্ট স্টিফেনের উৎসবের দিনও। নির্দিষ্ট এই কারণে, ওই দিনে বেশ কয়েকটি ক্রীড়া ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কমনওয়েলথ সদস্যভুক্ত দেশগুলিতে যা দক্ষিণ গোলার্ধে’র মধ্যে পড়ে এবং তাই ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং গ্রীষ্মের মাসেও।

অস্ট্রেলিয়ায়, আইকনিক মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (MCG) প্রতি বছর ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ান দল এবং সেই নির্দিষ্ট সফরে থাকা যেকোনো দলের মধ্যে বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করে। প্রথম বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচটি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫০ সালে। ভারত ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১১, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচ খেলেছে।

এবার ভারত ২০২১ সালে সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্টস পার্কে ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলবে,যা “বক্সিং ডে” টেস্ট নামে দুনিয়াতে জনপ্রিয়। ২০১৩ সালে “বক্সিং ডে” টেস্ট ম্যাচ দেখার জন্য মেলর্বোন ৯১,১১২ জন দর্শক উপস্থিত হয়েছিল, যা একটি রেকর্ড। কিন্তু ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে প্রথম টেস্ট ম্যাচ দর্শকশূন্য থাকার সম্ভাবনা ক্রমেই জোড়ালো হচ্ছে।কারণ, কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রনে’র বাড়বাড়ন্ত কোভিড প্রোটকলকে কড়াভাবে প্রয়োগে বাধ্য করেছে। ভারতীয় ক্রিকেট দল প্রোটিয়ার্স সফরের আগে মুম্বই এবং জোহানসবার্গ এসে কঠিন বায়ো বাবোল কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের আওতায় প্রবেশ করে। বাবোল টু বাবোল প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে এখনও আসন্ন সিরিজের গোটা প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

ISL: “বাগানে” কুঁড়ি এলেও ফুল ফুটল না

Mohun Bagan Bangalore match report in ISL

Sports desk: বৃ্হস্পতিবার এটিকে মোহনবাগান চলতি আইএসএলের (ISL) ৬ নম্বর খেলায় জেতা ম্যাচ ড্র করলো বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে, ৩-৩ গোলে।

নিজের ৫০ তম আইএসএল ম্যাচে অফ ফর্ম থেকে ছন্দে ফিরে এসে পেনাল্টি থেকে গোল ফিজিয়ান স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণ’র। সবুজ মেরুন সমর্থকরা “জয় শ্রী কৃষ্ণা🙏🙏🙏☝️💪” ধ্বনিতে আবেগের বাঁধনছাড়া উচ্ছ্বাসে গা ভাসিয়ে দিলেও রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই মুখ পানসে হয়ে গেল প্রিয় দলের হার দেখে মেরিনার্সদের। আসলে ৭২ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের ফুলের বাগানের ফুল মাঠে মাড়িয়ে দিয়ে গোল বেঙ্গালুরু এফসির কঙ্গোনিজ ফুটবলার প্রিন্স ইবারার। ১৩ মিনিটে শুভাশিস বোস,৩৮ মিনিটে হুগো বৌমাস এবং ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রয় কৃষ্ণ’র গোল “বাগানে” ফুল ফুটিয়ে তুলেছিল, কিন্তু ডিফেন্সিভ ল্যাপস ৭২ মিনিটে ইবারার গোল “বাগানে” ফুল ফুটেও! ফুটলো না।

হতাশ সবুজ মেরুন সমর্থকরা বুঝে গিয়েছে চলতি আইএসএল মরসুম তাদের জন্য না। এদিন প্রিয় দলের ডিফেন্সিভ ল্যাপস দেখে সমর্থকরা কপাল চাপড়াচ্ছে আর মেনে নিয়েছে “ভাগ্য এবার প্রচুর খারাপ আছে”।

বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ছিলেন না সুসাইরাজ,লেনি রদ্রিগেজ, ডেভিড উইলিয়ামস, যা নিয়ে এটিকে মোহনবাগান হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ফুটবল বোধ নিয়ে সবুজ মেরুন সমর্থকরা অসন্তুষ্ট। মিডিও নিনগোম্বা সিং’কে প্রথম একাদশ কেন,রির্জাভ বেঞ্চেও বসতে দেওয়ার জায়গা দেয় নি হাবাস। চলতি আইএসএলে জামশেদপুর এফসি’র বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকেই দলের টিম নির্বাচন নিয়ে হাবাস নিজেই বিভ্রান্তির শিকার,এমনটাই মত সমর্থকদের একাংশের।

আইএসএলে শেষ জয়ের মুখ দেখেছিল এটিকে মোহনবাগান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে, ম্যাচের ২৩ মিনিটেই হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচের রঙ সবুজ মেরুন, ৩-০ গোলে জিতে। টানা তিন ডার্বি ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিতা ধরে রেখে। নিজেদের প্রথম এনকাউন্টারে কেরালা ব্লাসার্সের বিরুদ্ধেও দাপুটে জয়,৪-২ গোলের। ব্যস ওই পর্যন্তই।

এরপর মুম্বই সিটি এফসি’র কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে ৫-১ গোল হজম সবুজ-মেরুন শিবিরের, হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচ জয়ের আফটার এফেক্ট। জামশেদপুর এফসি ২-১ গোলে হারিয়ে দেয় আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের টিমকে।এই হার আইএসএলের লিগ টেবিলে সবুজ মেরুন শিবিরের কাছে বড় ধাক্কা, লিগ টেবিলে ৪ নম্বর পজিশন হারায়। নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দু’বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করে এটিকে মোহনবাগান।

৬ ম্যাচে প্রথম দুই ম্যাচে জয় চলতি আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানের, দুই ড্র ম্যাচ, হারের মুখ ২ ম্যাচে,লিগ টেবিলে ছ’নম্বরে। হতাশ সবুজ মেরুন সমর্থকরা।

চলতি আইএসএলের ১১ তম রাউন্ডে এটিকে মোহনবাগানের হাতে পড়ে রয়েছে চার ম্যাচ। এই চার ম্যাচ ২১ ডিসেম্বর নর্থইস্ট ইউনাইটেড, ২৯ ডিসেম্বর এফসি গোয়া, হায়দরাবাদ এফসি ৫ জানুয়ারি, ৮ জানুয়ারি ওডিশা এফসি।এই চার ম্যাচ থেকে জয় পেলেই এটিকে মোহনবাগান আবার আইএসএলের লিগ টেবিলের চার নম্বরে উঠে আসবে।আর এই উঠে আসার বেনিফিট তোলার দরজা খুলতে পারলে চলতি আইএসএলের ফাইনালে যাওয়ার একটা সুক্ষ রেখাপথ তৈরি হতে পারে।

কেননা আন্তোনিও লোপেজ হাবাস ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচের আগের দিন নিজের দলের পড়তি গ্রাফরেখা প্রসঙ্গে ২০১৯ আইএসেএলে চেন্নাইন এফসি’র পিছিয়ে থেকে ফাইনালে গিয়ে সেকেন্ড পজিশন উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তাই ATKMB হেডকোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে নিয়ে সবুজ মেরুন সমর্থকদের অন্য অংশ এখনও আশাবাদী প্রিয় দল জয় পাবে এবং লিগ টেবিলে ৪ নম্বরে উঠে পাল্টা লড়াই ছুঁড়ে দেবে টুর্নামেন্টে অন্য টিমগুলোকে।

বর্ণবিদ্বেষের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে প্রথম ডার্বি ম্যাচ জয়ের “সোনালি কুড়ির দশক” মোহনবাগানের

Mohun Bagan against East Bengal

Sports desk: ব্রিটিশ শাসিত ভারতে মোহনবাগান ক্লাব ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সেনাদল ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড জিতেছিল,এই রেকর্ড সকলেরই জানা। কিন্তু পালতোলা নৌকোর বিজয় রথ কিন্তু এরপরেও থেমে থাকে নি, পালেতে হাওয়া লেগে তরতর করে বয়ে গিয়েছে,যা এখনও অব্যাহত।

সেরকমই ১৯২০ দশক মোহনবাগান ক্লাবের গৌরবময় ইতিহাসের আর এক মাইলস্টোন। কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় কলকাতা এফসি ১৯২০ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এই ফুটবল দল আইএফএ শিল্ড টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালেও উঠেছিল, কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে কুমারটুলি ক্লাবের কাছে ১-২গোলে হেরে গিয়েছিল।

সালটা ১৯২১ ব্রিটিশ ভারতে মুক্তির দাবিতে ধোঁয়া উঠেছে। উত্তাল এই সময়ে মোহনবাগান ক্লাব ডালহৌসি ক্লাব থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট পিছিয়ে কলকাতা লিগে রানার্স আপ হয়। এরপরেই চলে আসে মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন কলকাতার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে প্রথম ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল, ১৯২১’র ৮ আগস্ট কোচবিহার কাপের সেমিফাইনালে। ওই ম্যাচ গোলশূন্যতে ড্র হয়। ১০ আগস্ট রিপ্লে ম্যাচে মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ভারতীয় ফুটবলে এক নতুন অধ্যায় অভিযানের সূচনা করে।

১৯২২ সালে মোহনবাগান দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতীয় ফুটবলারদের একটি দলকে কয়েকটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে আমন্ত্রণ জানায়। আমন্ত্রণী ওই প্রীতি ম্যাচের একটি জিতেছিল এবং অন্যটি হেরেছিল সবুজ মেরুন শিবির। ওই বছর ইস্টবেঙ্গলকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোচবিহার কাপ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান ক্লাব।

১৯২৩ সালে, মোহনবাগান আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে পৌঁছেছিল, কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কাদা মাঠে কলকাতা ফুটবল ক্লাবের কাছে ০-৩ গোলের হারের জন্য মোহনবাগান ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতাছাড়া করে বসে। ওই বছরেই অর্থাৎ ১৯২৩ সালে মোহনবাগান রোভার্স কাপে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিল। রোভার্সে মোহনবাগান দুরন্ত ফুটবল খেলে ফাইনালে ওঠে। অথচ দুর্ভাগ্যবশত রোভার্স কাপের ফাইনালে ডারহামের লাইট ইনফ্যান্ট্রির কাছে ৪-১ গোলে হেরে গিয়েছিল, কিন্তু এই টুর্নামেন্টে মোহনবাগান ক্লাবের পারফরম্যান্স ব্যাপক সমর্থন আর প্রশংসার ঝুলিতে ভরে উঠেছিল।

১৯২৪ সাল মোহনবাগান ক্লাবের ইতিহাসে প্রশাসনিক স্তরে এক বড় দুঃসময় নেমে আসে। ক্লাব তার একজন বড় শুভাকাঙ্ক্ষী প্রথম ক্লাব সভাপতি ভূপেন্দ্র নাথ বসুকে হারায়। প্রথম ক্লাব সভাপতির প্রয়াণের পর স্যার রাজেন্দ্র নাথ মুখোপাধ্যায় মোহনবাগান ক্লাবের নতুন সভাপতি হন। দ্বিজেন্দ্র নাথ বসু এবং ডিএন গুইনকে ক্লাবের অনারারি জয়েন্ট সেক্রেটারি নির্বাচিত করা হয়।

১৯২৫ ডুরান্ড কাপে খেলার জন্য প্রথম ভারতীয় ফুটবল ক্লাব দল হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়ে মোহনবাগান ক্লাব আরও একটি ইতিহাস তৈরি করেছিল। ব্রিটিশ শাসিত ভারতে, শুধুমাত্র ব্রিটিশ সামরিক দলগুলোরই ডুরান্ড কাপে অংশগ্রহণের একমাত্র অধিকার ছিল। মোহনবাগান ক্লাব প্রথম রাউন্ডে রয়্যাল বার্কশায়ার রেজিমেন্টকে, দ্বিতীয় রাউন্ডে ইয়র্ক ল্যাঙ্কাস্টার রেজিমেন্টকে এবং তৃতীয় রাউন্ডে এসেক্স রেজিমেন্টকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। ডুরান্ডের সেমি-ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইতে

সেরউড ফরেস্টের কাছে হেরে যায়, মোহনবাগান। ওই বছরেই ক্লাব কলকাতা লিগে কলকাতা এফসি থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। দ্বিজেন্দ্র নাথ বোস ক্লাবের সাম্মানিক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ১৯২৫’এ।

১৯২৬ সালে আইএফএ শিল্ডের তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছেছিল মোহনবাগান ক্লাব। কিন্তু শিল্ডে ফের শক্ত গাট সেরউড ফরেস্টের কাছে হেরে যায় এবং ডারহামের লাইট ইনফ্যান্ট্রির কাছে ডুরান্ড কাপও হেরে যায়।

শুধুমাত্র ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় বিপর্যয় সময়েও মোহনবাগান ক্লাব প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতাকে এড়িয়ে যায় নি, উল্টে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল দুর্গত মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়ে প্রতিকূল রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে ঝুঁঝে।

১৯২৭ সালে গুজরাত এক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল এবং গুজরাটের জনগণকে সহায়তা করার জন্য একটি বন্যা ত্রাণ তহবিল তৈরি করেছিল ওই সময়ে মোহনবাগান ক্লাব পরাধীন ভারতে। এই বিপর্যয়ে তহবিল সংগ্রহের জন্য মোহনবাগান ক্লাব তৎকালীন বোম্বেতে বর্তমানে মুম্বই’তে কয়েকটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলে। ওই বছরে ক্লাব হাজারীবাগের গভর্নর কাপ জিতেছিল। কিন্তু সিমলায় আয়োজিত হওয়া ডুরান্ড কাপে

সামাদ, বলাইদাস চ্যাটার্জির মতো কিছু দুর্দান্ত খেলোয়াড়ের উপস্থিতিতেও আশানুরূপ পারফরম্যান্সের ছাপ ফেলতে পারেনি গঙ্গা পাড়ের ক্লাব। ওই বছর, মোহনবাগান আইএফএ শিল্ড টুর্নামেন্টে উইল্টশায়ার রেজিমেন্টের কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়েছিল।

১৯২৮ সালে, মোহনবাগান প্রথমবারের মতো পাওয়ার লীগ, চতুর্থবার কোচবিহার কাপ এবং তৃতীয়বারের মতো লক্ষ্মীবিলাস কাপ জিতেছিল। সবুজ মেরুন শিবির কলকাতা ফুটবল লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। লিগের প্রথম দিকে সবকটি ম্যাচ জিতে শুধুমাত্র ডালহৌসি এসি’র কাছে হেরে যায়, ১৯২৮ লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ডালহৌসি এসি। ওই একই বছরে আইএফএ শিল্ডেও ডালহৌসি এসি’র বাধা টপকাতে পারেনি মোহনবাগান।শিল্ডেও একই ক্লাবের কাছে হেরে গিয়েছিল মোহনবাগান ক্লাব।

ব্রিটিশ ভারতে, ১৯২৯ সালে ডালহৌসি ক্লাব এবং মোহনবাগান ক্লাবের মধ্যে কলকাতা লীগের ম্যাচে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, বর্ণ বিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রায় সমস্ত ভারতীয় ক্লাব দল আইএফএ এবং কলকাতা লীগ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়৷

কিন্তু ওই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি থেকে তৈরি হওয়া বিবাদের জল বেশি দূর গড়ায়নি। একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সমঝোতার মধ্যে দিয়ে সমস্ত ক্লাব দল সম্মতিতে হ্যাপি এন্ডেডিং ঘটেছিল ঘুমোট আবহাওয়ার। ভারতীয় ক্লাব দলগুলো আইএফএ কাউন্সিলে ইউরোপীয় ক্লাবগুলির সাথে সমান প্রতিনিধিত্ব অর্জন করেছিল। কেননা ব্রিটিশ ভারতে আইএফএ’র গর্ভনিং বডির সদস্যদের সংখ্যাগোরিষ্ঠতা ছিল গোরাদের (ব্রিটিশদের)।

ভারতীয় ক্লাবগুলি তাদের নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়ে পরবর্তী আইএফএ শিল্ড এবং কলকাতা লীগে অংশগ্রহণ করে।

লীগ প্রতিযোগিতায় মোহনবাগান দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে, ডালহৌসি এসি চ্যাম্পিয়ন হয়। মোহনবাগান ক্লাব আইএফএ শিল্ডের চতুর্থ রাউন্ডে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী দল রয়্যাল আইরিশ ফুসিলিয়ার্সের কাছে হেরে গিয়েছিল। মোহনবাগান ডুরান্ড কাপে অংশ নিলেও স্যান্ডেমানিয়ানদের কাছে হেরে যায়।

SC East Bengal: কেরালা ম্যাচের আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

JOSE MANUEL DIAZ

Sports Desk: চলতি আইএসএলে রবিবার এসসি ইস্টবেঙ্গল (SC East Bengal) নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচ খেলতে নামছে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে লাল হলুদ হেডকোচ হোসে মানুয়েল দিয়াজ মনে করেন আগামী ম্যাচ তাঁর দলের পক্ষে বেশ কঠিন হতে চলেছে।

এখন পর্যন্ত একটিও ম্যাচ জিততে পারেনি লাল হলুদ শিবির আইএসএলে। ম্যাচে তিন পয়েন্টই দিয়াজের টার্গেট কথায় পরিষ্কার ম্যাচের আগে প্রেস মিটে।স্প্যানিশ কোচের কথায়,’সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও উন্নতি দরকার।’

এসসি ইস্টবেঙ্গল হেডকোচ হোসে মানুয়েল দিয়াজের বিস্ফোরক বয়ান প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে, “শুধু ফিটনেস নয়। ফিজিক্যাল, টেকনিক্যাল, ট্যাকটিক্যাল—সব কিছু নিয়েই ভাবতে হবে আমাদের। কোনও দিক দিয়েই আমরা এখন ভাল জায়গায় নেই।”

দলের খেলোয়াড়দের ফিটনেস প্রসঙ্গে আপডেট দিতে গিয়ে দিয়াজ বলেন, “নতুন করে কারও কোনও চোট হয়নি। জ্যাকিচন্দ ও ড্যারেন সিডোলের চোট রয়েছে। জ্যাকি সুস্থ হয়ে উঠছে। তবে এখনও পুরো ট্রেনিং সেসন করার মতো অবস্থায় নেই। ড্যারেনের হ্যামস্ট্রিং সমস্যা রয়েছে। ওকে সময় দিতে হবে। এই ধরনের চোটগুলো নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। “

প্রতিপক্ষ কেরলা ব্লাস্টার্স নিয়ে দিয়াজ জল মাপতে গিয়ে বলেছেন, “ওরা সঙ্ঘবদ্ধ দল। ওদের দলে লড়াকু ফুটবলাররা রয়েছেন। ওদের হারানো কঠিন। ৯০ মিনিট ধরে ওরা ভাল ফুটবল খেলতে পারে। ম্যাচটা আমাদের পক্ষে বেশ কঠিন হতে চলেছে।”

হতাশা ঝড়ে পড়ে খানিকটা লাল হলুদের স্প্যানিশ কোচের মুখে। দিয়াজের কথায়, “আমরা মাত্র ৫ টা ম্যাচ খেলেছি। তবে অনেক গোল খেয়েছি আমরা। কয়েকটা ম্যাচ আমরা জেতার জায়গায় ছিলাম। এখন আমাদের লক্ষ্য তিন পয়েন্ট পাওয়া।”

লাল হলুদ সমর্থকদের আশ্বস্ত করতে গিয়ে স্প্যানিশ কোচ বলেন, “গোলকিপার অরিন্দমের চোট রয়েছে,তবে রিকভারি স্টেজে রয়েছে। তিন পয়েন্ট আমাদের লক্ষ্য, সমর্থকদের আবেগ বুঝতে পারছি, তবে আমাদের উন্নতির চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। “

অন্যদিকে, কেরালা ব্লাস্টার্সের কোচ ইভান ভুকোমানোভিচ প্রি ম্যাচ প্রেস মিটে বলেন,”সমস্ত ম্যাচই বিভিন্ন রকমের হয়। কোন ম্যাচ কোথায় শুরু হবে আর কোথায় শেষ হবে, কেউ জানে না। আমাদের সবসময়ই ফোকাসড থাকতে হবে, প্রতি মুহূর্তে মনোনিবেশ করতে হবে। আমরা বিভিন্ন ধরনের আক্রমণ ও রক্ষণের স্টাইল নিয়ে চর্চা করেছি। বিভিন্ন প্রতিপক্ষের জ্ন্য সেগুলো প্রয়োগ করছি।”

এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রসঙ্গে ইভান ভুকোমানোভিচের পরিষ্কার কথা, প্রতিপক্ষ ভাল দল। ওরা লিগ টেবলে যে জায়গায় রয়েছে, ওই জায়গায় ওদের থাকার কথা নয়। তবে এটাই ফুটবল। আমরা একটা ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছি এবং এটা আমাদের কঠিনতম ম্যাচ হতে চলেছে।” লাল হলুদ সমর্থকরা এবং অফিসিয়ালরা এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে। ইতিমধ্যে ক্লাবের সাধারণ সচিব কল্যাণ মজুমদার বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে, দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ইস্যুতে।

ISL: ইস্টবেঙ্গল-চেন্নাইয়ন সিটি এফসি ম্যাচ গোলশূন্য

ISL

Sports desk: গোয়ার তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে আইএসএল টুর্নামেন্টে এসসি ইস্টবেঙ্গল বনাম চেন্নাইয়ন সিটি এফসি ম্যাচ গোলশূন্যতে ড্র। এই ড্র’র ফলে টানা তৃতীয় ম্যাচে জয় হাতছাড়া করে বসলো চেন্নাই এর দল। ড্র’র সুবাদে দুই দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়েছে। এসসি ইস্টবেঙ্গল ১ পয়েন্ট লাভ করেছে।

টানা তিন ম্যাচে ১০ গোল বদহজমের রোগে লাল হলুদ রুক্ষণ। চতুর্থ ম্যাচ ঘরের বাঁধন আটোসাটো করে আক্রমণে যাওয়ার কৌশল হোসে মানুয়েল দিয়াজের।

টুর্নামেন্টে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচের ৭৪ মিনিটে লাল হলুদ শিবির গোলের দুরন্ত সুযোগ হাতছাড়া করে। রাজু গায়কোওয়াড় বক্সের ভিতরে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পায়, ডারভিসেভিচের ফ্রিকিক থেকে, বল মাটিতে পড়ে যায় এবং বল বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

দুই দলই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই লড়েছে। কিন্তু গোলের লকগেট কেউই খুলতে পারেনি। ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড পেরোসেভিচও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। চেন্নাইয়ন সিটি এফসিও গোলের সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারে নি।

তলানিতে ঠেকে যাওয়া আত্মবিশ্বাস থেকে আজকের ম্যাচ ড্র তবুও সাত্ত্বনার, গোল হজম করতে হয়নি। এদিনও ম্যাচে নিঃস্পৃহ চিমা। নামেই চিমা, ঝাঁঝ নেই সমর্থকদের সাফ কথা।

আগামী মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ, তিলক ময়দানেই লাল হলুদের। আজকের ড্র ম্যাচ, টুর্নামেন্টে অন্ততপক্ষে ভাল পজিশনে তুলে আনতে পারবে আগামী দিনে দলকে, এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে লাল হলুদ সমর্থকদের মধ্যে। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ ধরে এগোলে এখনও রাউন্ড ১১’তে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাতে ম্যাচ পড়ে রয়েছে ৬ ম্যাচ।

হাইভোল্টেজ ম্যাচে দিল্লিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলা

bangla women team

Sports desk: বিসিসিআই আয়োজিত ঘরোয়া ওয়ান ডে টুর্নামেন্টের কোয়াটার ফাইনালে দিল্লিকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলা। প্রথম দিকে বাংলার উইকেট দ্রুত পড়তে থাকলেও পরবর্তীতে দুর্দান্তভাবে খেলা ধরেন ধারা গুজ্জর (৭৫) এবং জুমিয়া খাতুন(৩৬)। বাংলা এই দুই জুটির কাঁধে চেপে দিল্লির দেওয়া ১৮৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা এক উইকেট বাকি থাকতে তুলে নেয়।

বেঙ্গালুরুতে টসে জিতে বাংলা বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। দিল্লির হয়ে প্রিয়া পুনিয়া ৯০, লক্ষী যাদব ২৪,আয়ূসী সোনি ৫২ নট আউট,নেহা চিল্লর ৩ রানে অপরাজিত থাকে। ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে দিল্লি ১৮৫ রান তোলে। বাংলার হয়ে রুমেলি ধর ২, সাইকা ২,গৌহর সুলতানা ১ উইকেট নেয়।

gujjar

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলা দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলে। ফলে ব্যাকফ্রুটে চলে যায় বাংলা। ভ্যানিথা ভি আর (১০),মিতা পাল ৮,রুমেলি ধর (০),পিপি পাল (১),পি বালা(১০),মমতা(১৬), গৌহর সুলতানা (৬) রানে আউট হয়ে যায়।

bangla-team

একদিকে যখন বাংলা দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলছে, অন্যদিকের উইকেটে ধারা গুজ্জর মাটি কামড়ে ক্রিজে পড়েছিল। ধারা গুজ্জর এবং জুমিয়া খাতুন বাংলার ইনিংস গোছানোর কাজে মন দেয়। ধারা গুজ্জর ১২০ বলে ৭৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়ন ফিরে আসেন।

জুমিয়া খাতুন ৪৫ বলে ৩৬ রানের এক ধৈহ্যশীল ইনিংস খেলে আউট হন।সাইকা ৮ বলে ১৪ রান এবং সুকন্যা পরিধা রানের খাতা না খুলেও অপরাজিত থেকে দিল্লির মুঠো থেকে ম্যাচ জিতিয়ে আনে। বাংলা ১ উইকেটে জিতে সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করে।

<

p style=”text-align: justify;”>দিল্লির হয়ে সোনি যাদব, মঞ্জু, সিমরন দিল বাহাদুর ২,পারুনিকা সিসোদিয়া এবং নেহা চিল্লর একটি করে উইকেট নিয়েছে।

T20 World Cup: স্কটদের বিরুদ্ধে রান-রেট চেক করার ক্ষেত্রেও অশ্বিনের স্পেলে ভরসা ভারতের

Team India

Sports Desk: শুক্রবার দুবাইতে, চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) সুপার ১২ ম্যাচে ভারত স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। ভারত তাদের সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখার জন্য স্কটিশদের হারিয়ে আরেকটি বড় জয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে।

বুধবার আফগানিস্তানকে ৬৬ রানে হারিয়ে ভারত স্কটদের বিরুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে মুখিয়ে রয়েছে। ভারত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে এবং পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারার পর, বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারত এই টুর্নামেন্টে শেষ চারে সরু সুতোর ওপর ট্র‍্যাপিজের খেলায় ভারসাম্য রেখে ঝুলে চলেছে।

চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বড় স্কোরিং রান রেট বজায় রেখে ভারতকে অবশ্যই তাদের বাকি দুই ম্যাচ জিততে হবে এবং সেমিফাইনালে যাওয়ার ক্ষীন প্রত্যাশায় নামিবিয়া বা আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডকে একটি ম্যাচ হারতে হবে, এমনই এক অদ্ভুত পরিসংখ্যান এখন টিম বিরাটের ললাটে লিখে রয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত উইনিং কম্বিনেশনে বদল না ঘটিয়ে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে, একই লাইন আপ ধরে রাখতে পারে।রবিচন্দ্রন অশ্বিন সাদা বলের সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সাড়ে চার বছর পর ভারতের হয়ে মাঠে নামেন এবং আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দুটি উইকেট নেন। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে রান-রেট চেক করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন।

ভারতের নেট রান-রেট (NRR) বর্তমানে +0.073, যা আফগানিস্তানের +1.481 এবং নিউজিল্যান্ডের +0.816 থেকে কিছুটা পিছিয়ে।

সেমিফাইনালে ভারতকে যোগ্যতা অর্জনের জন্য নিউজিল্যান্ডকে তাদের একটি ম্যাচ হারতে হবে, কোহলির নেতৃত্বাধীন দল একটি জিনিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তা হল তাদের (ভারত) এনআরআর (NRR)।

এই কারণেই ভারত বড় জয়ের খোঁজে রয়েছে স্কটদের বিরুদ্ধে, যাতে নিউজিল্যান্ডের একটি ম্যাচ হারার সর্বোচ্চ সুযোগকে ব্যবহার করে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লাইফলাইন পায়।

T20 World Cup: চলতি বিশ্বকাপে ভারত প্রথম স্কোরবোর্ডে ২০০ রানের গণ্ডি টপকাল

India-Afghanistan match in T20 World Cup

Sports Desk: চলতি টি -২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে খাদের কিনারায় ভারত,অনিশ্চিত শেষ চারে যাওয়ার ভবিষ্যৎ। এমন আবহে বুধবার, আবুধাবি’র জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোহিত শর্মা ওপেনিং করতে নেমে চলমান বিশ্বকাপে অর্দ্ধশতরান করলো। আফগানিস্তান টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়।

৪৭ বলে ৭৪ রান করে হিটম্যান রোহিত শর্মা করিম জানাতের বলে মহম্মদ নবির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন, ভারতের স্কোর ছিল ১৪.৪ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান।

ভারত নিজেদের সুপার ১২ নক আউটে প্রথম ম্যাচ খেলেছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ১০ উইকেটে বাবর আজমের পাকিস্তান ভারতের কাছ থেকে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নেয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রোহিত শর্মা এক বল খেলে রানের খাতা না খুলেই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু’র জালে জড়িয়ে পড়ে আউট হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচ ভারতের নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। কিউইরা ৮ উইকেটে জেতে, টিম ইন্ডিয়াকে হারিয়ে। ওই ম্যাচে হিটম্যান ১৪ বলে ১৪ রান করে সোধির বলে মার্টিন গুপ্টিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন।

তৃতীয় ম্যাচে সুপার ১২ নক আউটে ভারতের ওপেনার কে এল রাহুল করেছেন অর্দ্ধশতরান, আফগানদের বিরুদ্ধে থেমেছেন ৬৯ রানে,৪৮ বল খেলে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৮ রান ব্যাট থেকে বেরিয়ে এসেছিল কেএল রাহুলের। ১৪৭ রান ২উইকেটে কেএল রাহুল আউট হতে ভারতের স্কোর দাঁড়ায়।
ক্রিজে জুটি বাধে ঋষভ পহ্ন আর হার্দিক পান্ডিয়া। ঋষভ ১৩ বলে ২৭ এবং পান্ডিয়া ১৩ বলে ৩৫ রান করে এবং দুজনেই নট আউট থাকেন। ২০ ওভারে ভারত তোলে ২১০ রান, দুই উইকেট হারিয়ে।

চলতি টি -২০ বিশ্বকাপে সুপার ১২ নক আউটে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ভারতের স্কোরবোর্ড ২০০ রানের গণ্ডি টপকে গেল, ভারত থামলো ২১০ রানে। আফগানিস্তানের হয়ে গুলবাদিন নবি এবং করিম জানাত একটি করে উইকেট নিয়েছে।

কপিল দেবের ম্যাচ পরবর্তী মন্তব্যের জন্য বিরাট কোহলির নিন্দায় মুখর

kapil-virat

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক কপিল দেব স্বীকার করেছেন যে তিনি রবিবার চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলির “আমরা যথেষ্ট সাহসী নই” মন্তব্যে অবাক হয়েছেন।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড ভারতকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে, এটি ‘মেন ইন ব্লু’র দ্বিতীয় হার। ম্যাচের পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ব্ল্যাকক্যাপসের কাছে পরাজয়ের বিষয়ে বলেছেন, “বেশ উদ্ভট। সামনে খুব সৎ এবং আগামীতে নৃশংস হতে হবে, আমি মনে করি না যে আমরা ব্যাটিং বা বোলিং’এ যথেষ্ট সাহসী ছিলাম।”

একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলে কপিল দেব কোহলির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “অবশ্যই, বিরাট কোহলির মতো উচ্চতার একজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে এটি একটি খুব দুর্বল বক্তব্য। আমরা সবাই জানি যে তার দলের জন্য গেম জেতার খিদে এবং আকাঙ্ক্ষা দুই’ই রয়েছে। কিন্তু, যদি ক্যাপ্টেনের শারীরিক ভাষা এবং চিন্তা ভাবনা দলের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে ছাপ মেলে ধরতে না পারে, তাহলে ড্রেসিংরুমের ভিতরে খেলোয়াড়দের তাঁতিয়ে তোলা খুব কঠিন।”

কপিল দেব ১৯৮৩ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, টিমকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ রবি শাস্ত্রী এবং মেন্টর এমএস ধোনির অভিজ্ঞতা ব্যবহার করার জন্য এবং দলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন যে দলের সমালোচনা ন্যায়সঙ্গত, এবং খেলোয়াড়দের এটি মোকাবিলা করা উচিত।

টিম ইন্ডিয়া এখন সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অন্য দলের পারফরম্যান্সের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তাদের বাকি খেলা জিততে হবে এবং আশা করি বিশ্বকাপের অন্যান্য দলের ফলাফল তাদের (ভারতের অনুকূলে) পথে যাবে।
রবিবার ভারতের টপ অর্ডার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে কারণ নিউজিল্যান্ডের পেসারদের কতকগুলি উচু মানের ডেলিভারির মুখে ভারতীয় দল ২০ ওভারে ১১০ রান তোলে ৭ উইকেটের বিনিময়ে। ভারতের বোলিংও কিউইদের সমমানের নিচে ছিল, কারণ শুধুমাত্র জসপ্রিত বুমরাহ ব্ল্যাকক্যাপসদের বিপক্ষে কয়েকটি উইকেট (২) নিতে পারে। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল ভারত।

মরুরাজ্যের বিরুদ্ধে বাইশ গজে বাংলার মহিলাদের দাপট

jhulan goswami

Sports Desk: মহিলাদের সিনিয়র একদিনের ক্রিকেটে বাংলা নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছে বেঙ্গালুরুতে, রাজস্থানের বিরুদ্ধে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড(বিসিসিআই) পরিচালিত এই টুর্নামেন্টে বাংলা এলিট স্তরে গ্রুপ ‘এ’তে রয়েছে। একই গ্রুপে অন্ধ্র, হিমাচল প্রদেশ,পাঞ্জাব এবং হায়দরাবাদ টিম রয়েছে।

রাজস্থানের বিরুদ্ধে বাংলার অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী টসে জিতে ফ্লিডিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই টস ফ্যাক্টর ৫০ ওভারের ম্যাচে ক্লিক করে। রাজস্থান ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০৬ রানে গুটিয়ে যায়। রাজস্থানের টপ অর্ডার এদিন বাংলার বোলিং লাইন আপের মুখে পড়ে কার্যত মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি।

তবে মরুরাজ্যের অধিনায়ক জাসিয়া আখতার মাটি কামড়ে পড়ে থেকে সেঞ্চুরি করেন,১২৬ বলে ১০৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে রুক্মিণী রায়ের বলে প্রতিভার হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

রাজস্থান দল যখন কোণঠাসা বাংলার মহিলা বোলারদের দাপটে ওই সময়ে জাসিয়া আখতারকে যোগ্য সঙ্গ দেয় বিএন মিনা। ৬২ বলে ৪০ রান করে সুকন্যা পারিদা রান করতেই প্যাভিলিয়ন ফিরে আসেন মিনা। মিনা যখন রান আউট হয় রাজস্থান তখন ৪১.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলেছে। জাসিয়া আখতার এবং মিনার জুটি মরুরাজ্যের স্কোরবোর্ডকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এরপরে যখন ১৭০ রান স্কোরবোর্ডে রাজস্থানের, এমন সময়ে অধিনায়ক জাসিয়া আখতারের উইকেট হারায় মরুরাজ্য। শেষের দিকে ঝড়ো ইনিংস খেলে এস এস সিধু, ২৩ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং এসপি শর্মা নট আউট ৯ রানে।

রাজস্থানের হয়ে ওপেনার পিবি শর্মা ব্যক্তিগত ৭ রানের মাথায় বাংলার অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামীর বলে ক্যাচ দিয়ে বসে পিপি পালের হাতে। এদিনের ম্যাচে ঝুলন ৫ ওভারে, তিনটে মেডেন ওভার, ৯ রান দিয়ে এক উইকেট পেয়েছে। বাংলার হয়ে সুলতানা এবং রুক্মিণী রায় দুটি করে এবং ধর ও সুকন্যা পারিধা ১ টি করে উইকেট পেয়েছে।

রাজস্থানের এস আর জাঠ (৪), উইকেটরক্ষক প্রজাক্তা(৬), গর্গ রানের খাতা না খুলেই আউট হয়েছে। টিনি বৈষ্ণব (১) এবং এসএল মিনা তিন রান করেছে।

AFC U23: ভারত ন্যায্য পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত, দুরন্ত গোলকিপিং ধীরাজ সিংয়ের

India and Kyrgyzstan match update

স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথমার্ধে AFC U23 এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জনের খেলার ফলাফল গোলশূন্য ছিল। ভারত ফাস্ট হাফের ৪৩ মিনিটে ন্যায্য পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয়। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর ৪৯ মিনিটে অফ টার্গেট কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের। গোলের বিশাল সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ। বোরুবায়েভ বাঁ দিক থেকে বল পায়ে শট। ইগুলভ মাকসাটের বক্সের ভিতরে হেডার, কিন্তু বল বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ৫৪ মিনিটে শুকুরভের দূরপাল্লার শট। কিন্তু ভারতীয় গোলকিপার ধীরাজ সিং বল শট ধরে ফেলে।

ম্যাচের ৬১ মিনিটে ধীরাজ সিং এর একক প্রচেষ্টায় ভারত বিপদ কাটিয়ে উঠলো।কিরগিজ প্রজাতন্ত্রর বাঁ দিক থেকে ক্রস আসে। বলটি তাপায়েভের কাছে পড়ে যিনি বলকে চেস্ট করেন এবং বক্সের ৬ গজ থেকে একটি শক্তিশালী শট নেন। ধীরজ সিং লম্বা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে এবং বলটি তার বুকে এসে লাগে এবং ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত গোলকিপিং ধীরাজের। ৬৪ মিনিটে ধীরাজের দুরন্ত সেভ। গোটা ম্যাচে এদিন তাপায়েভ ভারতীয় ডিফেন্সকে স্বস্তির দম ফেলতে দিচ্ছে না। তাপায়েভ ডান দিক থেকে কেটে তার বাঁ পায়ে বলে শটে নেয়। শট ধীরজের হাতে জমা পড়ে। গোলশূন্য খেলার ফল।

৬৯ মিনিটে দারুণ প্রচেষ্টা ভারতের। দীপকের সাইকেল কিক নেয়, তবে কিরগিজ গোলরক্ষক তার বাঁ দিকে নিচু হয়ে একটি ভাল সেভ করেন। ভারত কিরগিজ প্রজাতন্তের বিরুদ্ধে ম্যাচে লড়ছে,কিন্তু গোল পায়নি, গোলশূন্য স্কোরলাইন।

৮৪ মিনিটে এরনাজ ভারতীয় বক্সের ভিতরে জায়গা খুঁজে পায়, এবং আনমার্ক আর্লেনের কাছে স্কোয়ার করে বল, কিন্তু ধীরাজ সিং ভারতীয় গোলকিপার আরেকটি সেভ তৈরি করে।

৮৯ মিনিটে সুরেশ কিরগিজ বক্সে ফ্রি কিক মারেন। ওই শট কিরগিজ ডিফেন্স হেড পায়, কিন্তু বল রিবাউন্ড হয়ে দীপক টাংরির কাছে পড়ে, টাংরি ভলি করে, কিন্তু কিরগিজ গোলকিপার ওই ভলি রক্ষা করে। ৯০ মিনিটে খেলার ফলাফল গোলশূন্য। খেলা অতিরিক্ত সময়ে ৫ মিনিটের জন্য গড়ায়। অতিরিক্ত সময়েও ভারত এবং কিরগিজ প্রজাতন্তের মধ্যে ম্যাচের ফলাফল গোলশূন্য থাকে।

পাক-আফগান ম্যাচ ঘিরে তদন্তের নির্দেশ, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার পাঠ আইসিসি’র

Pak-Afghan match

Sports desk: প্রতিবেশি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাই-প্রোফাইল ম্যাচে হাজার হাজার টিকিটবিহীন আফগান ক্রিকেট ভক্ত দুবাই স্টেডিয়ামে জমায়েত হয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশের চেষ্টা করে। আফগানিস্তানের অধিনায়ক মহম্মদ নবী শুক্রবার টি-২০ বিশ্বকাপের পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। খেলার জন্য সমস্ত টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল।

কিন্তু বিশৃঙ্খলা করে অনেক আফগান ক্রিকেট ভক্ত যারা টিকিট কিনেছিলেন তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল। নবী আফগান ভক্তদের টুর্নামেন্টে দলের বাকি ম্যাচ দেখার জন্য টিকিট কিনতে বলেছেন। পাকিস্তানের কাছে পাঁচ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর নবী বলেছেন,”আফগান সমর্থকেরা অনুগ্রহ করে একটি টিকিট কিনে স্টেডিয়ামে আসুন। এটির পুনরাবৃত্তি করবেন না। এটা ভালো নয়।”

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বৈধ টিকিটধারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে যারা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারেনি। আইসিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে খেলার জন্য ১৬,০০০টিরও বেশি টিকিট ইস্যু করা হয়েছিল। “তবে, হাজার হাজার টিকিটহীন আফগান ক্রিকেট ভক্ত অনুষ্ঠানস্থলে ভ্রমণ করেছিলেন এবং তারপরে স্টেডিয়ামে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। “দুবাই পুলিশ এবং নিরাপত্তা কর্মীরা স্টেডিয়ামের ভিতরের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ভিড়কে ছত্রভঙ্গ করতে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা এনেছে।” “আইসিসি, বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড) এবং ইসিবি (এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড) বৈধ টিকিট সহ যে কোনও ভক্ত স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারেনি তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে।”

আইসিসি ইসিবিকে গোটা ঘটনাগুলির একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে বলেছে, এই ঘটনা থেকে শিক্ষার পাঠ শিখতে এবং ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।” শুক্রবারের ঘটনাগুলি লিডসে দুই দলের মধ্যে ২০১৯’র ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের সংঘর্ষের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।

#indvpak: ইতিহাসের চাকা ঘোরাতে মাটি কামড়ে পাক ওপেনার জুটি, ভারত উইকেটের খোঁজে

latest update of the India-Pakistan match

Sports Desk: বিশ্বকাপের পরিসংখ্যা ১৩-০।ইতিহাসের মোড় ঘোড়াতে পাকিস্তানের দুই ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান২৭ অধিনায়ক বাবর আজম ১৮ রানে ক্রিজে। ভারত উইকেটের খোঁজে ঘাম ঝড়াচ্ছে। ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির কপালে চিন্তার ভাঁজ।

বিরাটের কপালের বলিরেখা গাঢ় থেকে গাঢ়তম হয়ে যাচ্ছে, বল যত গড়াচ্ছে। পাকিস্তান কোনও উইকেট না খুঁইয়ে৭.৩ ওভারে ৪৯ রান। ভুবনেশ্বর কুমার, মহম্মদ শামি,বুমরাহ, জাডেজা, বরুণ চক্রবর্তী কেউই উইকেট পায়নি। অথচ ভারত ৫.৫ ওভারে মাত্র ৩১ রান তুলেছিল ৩ উইকেট হারিয়ে।

পাক অধিনায়ক বাবর আজম ভারতের বিরুদ্ধে ইতিহাস স্রোত ঘোড়ানোর কথা বলেছিলেন ম্যাচের অনেকদিন আগেই। ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপে দুবাই’র ক্রিজে গেড়ে দাঁড়িয়ে (বসে)নতুন ইতিহাস গড়তে চাইছে রিজওয়ান বাবর আজম জুটি৷ ভারতের বিরুদ্ধে জেতার জন্য ৬৩ বলে ৮৩ রান দরকার পাকিস্তানের ৷

#indvpak: শাহিন ঝড়ে কবলে পড়ে ভারতের ব্যাটিং’এ বিরাট ব্যর্থতা

india-pakistan-match

Sports Desk: টসে জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের বোলিং’র সিদ্ধান্ত কাজে দিল। বাহাতি ফাস্ট মিডিয়াম পেসার শাহিন আফ্রিদি ৪ ওভারব ৩১ রান দিয়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট, বলা ভালো ভারতের কোমড় দুমড়ে মুচড়ে দিলেন।

india-pakistan

ভারতের দুই ওপেনার কে এল রাহুল, রোহিত শর্মা আর ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির উইকেট শিকারি শাহিন আফ্রিদি। ‘হিটম্যান’ রোহিত শর্মা রানের খাতা না খুলে এলবিডব্লু, কেএল রাহুল বোল্ড আউট (৩) বিরাট কোহলি ৪৯ বলে ৫৭ রান শাহিন আফ্রিদির টার্গেট ক্লিয়ার। সূর্যকুমার যাদব(১১) ঋষভ পহ্ন(৩৯) রবীন্দ্র জাডেজা (১৩) হার্দিক পান্ডিয়া (১১) ভুবনেশ্বর কুমার ৫ রান এবং মহম্মদ শামি রানের খাতা খোলেননি কোন বল খেলতে না পারায়, ভুবি আর শামি দুজনেই অপরাজিত ছিলেন।২০ ওভারে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ টি-২০ বিশ্বকাপের নক আউটে ৭ উইকেটে ১৫১ রান তুলেছে। শাহিন আফ্রিকা ৩,হাসান আলি ২, শাদাব খান ও হারিস রউফ ১ টি উইকেট পেয়েছে।

#indvpak: শাহিন আফ্রিদি স্পেলে বেসামাল বিরাটের ভারত

latest update of India-Pakistan cricket match

Sports Desk: ইতিহাস হচ্ছে ইতিহাস, আমরা নিশ্চিত এবার আমরা ভারতকে হারাবো,পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম আগেই বলেছিলেন। ১৯ রান ২ উইকেট শাহিন আফ্রিদির, বাহাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলারের। রোহিত শর্মা এবং কে এল রাহুল আফ্রিদির শিকার।

হিটম্যান রোহিত শর্মা রানের খাতা না খুলেই এলবিডব্লু আর রাহুল (৩) বোল্ড আউট,২.১ ওভারে ভারত তখন দুই উইকেট খুঁইয়ে স্কোরবোর্ডে ৬ রান। খাঁদের কিনারা থেকে তোলার জন্য মাঠে অধিনায়ক বিরাট কোহলি আর সূর্যকুমার যাদব। জুটি গড়ে উঠেছিল দুজনের,কিন্তু৫.৪ ওভারে হাসান আলির বলে সূর্যকুমারের বিদায়১১ রানে। ভারত তিন উইকেটে ৩১ রান। ক্রিজে ঋষভ পহ্ন।

১৩-০ বিশ্বকাপের রেকর্ড পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এবার কি ইতিহাসের স্রোত উল্টো খাতে বইতে চলেছে। ক্যাপ্টেন কোহলি ক্রিজে ২৫ রানে, পহ্ন ১৩। ভারতের সর্বশেষ স্কোর তিন উইকেটে ৫৯ রান

#indvpak: ‍‘বিরাট’ তাস খেলবে টি-২০ বিশ্বকাপের মাস্ট উইন ম্যাচে

ekolkata india pak match

Sports Desk: কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা! টি-২০ বিশ্বকাপের নক আউট স্টেজ সুপার ১২ মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত-পাকিস্তান,দুবাই’র মাটিতে। এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচের আবহে বরুণ চক্রবর্তীর পুরোপুরি ফিট না হওয়ার খবর গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভেসে আসছিল। এখন জানা গিয়েছে যে তিনি টি -২০ বিশ্বকাপের সব খেলায় অংশ নেবেন না। 

বরুণ চক্রবর্তী ভারতের বোলিং আক্রমণে নিখুঁত ধার এনেছেন এবং আইপিএল ২০২১ দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। কেকেআরে’র হয়ে খেলতে গিয়ে হাঁটুর চোটের সমস্যার কবলে পড়েন।

ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে খবর আসছে, টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সব খেলায় বরুণ চক্রবর্তী অংশ নেবেন না, কারণ এতে চোট আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সূত্রে খবর,তিনি কেবলমাত্র টুর্নামেন্টে মাস্ট উইন ম্যাচ, কিংবা বড় ম্যাচে খেলবেন।

হ্যাঁ, ঠিক এটাই ধারণা ( টুর্নামেন্টে তাকে দলের বাইরে রাখার বিষয়ে)। দল যতটা সম্ভব তার পরিষেবা পেতে চাইছে, এটা স্পষ্ট যে তার হাঁটু ১০০ শতাংশ ফিট নয়। তাই টুর্নামেন্টের চাহিদা অনুযায়ী তাকে ব্যবহার করা হবে। “যদি মাস্ট উইন বা বড় ম্যাচ হয়, তাহলে আপনি বল হাতে (বরুণ চক্রবর্তী) তার জাদু দেখবেন। টুর্নামেন্টে দল যদি ভাল পজিশনে থাকে, সেক্ষেত্রে তার হাঁটুকে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়ার সাহস দল করতে পারে। তবে হ্যাঁ, এমএস ধোনি এবং রবি শাস্ত্রী এমন পরিস্থিতিতে কোহলি এবং রোহিত শর্মাকে গাইড করার জন্য ঠিক সেখানে থাকবেন,” সূত্রে এমনই খবর উঠে এসেছে।

“তিনি নি:সন্দেহে এই ফর্ম্যাটে একজন ম্যাচ-বিজয়ী(Match winner) এবং নেতৃত্ব জানে টি-২০ বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে চার ওভার বলতে কী বোঝায়। মেডিকেল টিম তার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং বরুণকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহার করা হবে। তিনি একটি তুরুপের তাস এবং বিরাট কোহলি এবং দলের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক তাকে ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করতে চাইছে, ” সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য ‘মহারাজ’ সৌরভের

Sourav Ganguly

স্পোর্টস ডেস্ক: বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারতের মাটিতে পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে এক বড় বয়ান সামনে এসেছে।

দুবাইতে রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে ভারত মুখোমুখি হতে চলেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ভারতে ম্যাচ আয়োজন করা কঠিন, কারণ টিকিটের চাহিদা বেশি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজন করা সহজ।

দাদার কথায়,”আমি প্রথমবার সিএবি’র ( ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল) সভাপতি হয়েই ২০১৬ সালের বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রশাসক হিসেবে এটি ছিল আমার প্রথম ম্যাচ। টিকিটের ব্যাপক চাহিদার কারণে ভারতে পাকিস্তানের সাথে ম্যাচ আয়োজন করা খুবই কঠিন। ওখানে (ভারতে) ম্যাচের ওপর অনেক বেশি মনোযোগ(Attention) ছিল যা এখানে নেই(UAE)।”

এরই সঙ্গে বিসিসিআই সভাপতি তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আশা প্রকাশ করেছেন যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে, এই সংখ্যাটি এখন ১৩-০ হতে পারে।

হ্যাঁ, ১৩-০ এর একটি বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভারত এই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের অপরাজিত ধারাবাহিকতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এই ভারতীয় দলের সকল খেলোয়াড়ই বাস্তবে ম্যাচ বিজয়ী (Match winner) এবং এই দলটি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জেতার জন্য আমাদের ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে পারে, বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এমনটাই বলেন।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, পাকিস্তানও একটি ভালো দল। এক বা দুইজন খেলোয়াড় ক্লিক করলে যা কিছু ঘটতে পারে। মানসিক লড়াই জেতা জরুরী। আমি মনে করি এটি একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ হবে।

পাকিস্তান ম্যাচের আগে অলরাউন্ডার ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে ফেরত পাঠানো নিয়ে বিতর্ক

Controversy over the return of all-rounder Venkatesh Iyer before the Pakistan match

স্পোর্টস ডেস্ক: বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলকে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড এবং নামিবিয়ার সাথে আইসিসি পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২১ র গ্রুপ ২’এ রাখা হয়েছে। ২৪ অক্টোবর দুবাইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে দ্য মেন ইন ব্লু তাদের সুপার ১২ যাত্রা শুরু করবে। শুধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ ম্যাচই নয়,গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে ষষ্ঠ বোলিং অপশন নিয়ে হাহাকার দেখা দিয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টে।

এদিকে ভারত তাদের চার নেট বোলারকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে পৌঁছে যাওয়া বোলাররা হলেন চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে) স্পিনার কর্ণ শর্মা, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর (আরসিবি) স্পিনার শাহবাজ আহমেদ, চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে) স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) অলরাউন্ডার ভেঙ্কটেশ আইয়ার।

ভেঙ্কটেশ আইয়ারের দেশে ফিরে আসা অনেক ভক্তদের কাছে অবাক করে দেওয়ার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অনেকেই ভেবেছিলেন আইয়ার অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার সম্ভাব্য বিকল্প খেলোয়াড়।যিনি এখন পর্যন্ত কোন নেট সেশনে বোলিং করেননি।

একবার টুর্নামেন্ট শুরু হলে খুব বেশি নেট সেশন হবে না – এমন মন্তব্য করেছেন বিসিসিআই’র এক আধিকারিক। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের এক সিনিয়র আধিকারিক (বিসিসিআই) নিশ্চিত করেছেন যে সুপার ১২ পর্ব শুরু হওয়ার সাথে সাথে ভারতে খুব বেশি সেশন হবে না। এদিকে, বোলারদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে যাতে তারা সৈয়দ মুসতাক আলী টি-২০ টুর্নামেন্ট খেলতে পারে, এই টুর্নামেন্ট ক্রিকেটারদের উপকারে লাগবে।

“হ্যাঁ, টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পরে খুব বেশি নেট সেশন হবে না। জাতীয় নির্বাচকরা মনে করেন যে সব স্পিনার বিশেষ করে উপকৃত হবে যদি তারা দেশে ফিরে যায় এবং নিজের রাজ্যের হয়ে সৈয়দ মুসতাক আলী ট্রফি খেলে। তাদের ম্যাচ অনুশীলন দরকার। ” “এছাড়াও অতিরিক্ত অনুশীলনের সাথে এই গরমে, আমাদের এত স্পিনার লাগবে না,” নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিসিআইয়ের একজন সিনিয়র আধিকারিকের সংবাদ সংস্থা পিটিআই’কে দেওয়া এমন মন্তব্য ঘিরে তোলাপাড় দেশের ক্রিকেট মহল।

এদিকে, ভারত তাদের সব নেট বোলারকে দেশে ফেরত পাঠায়নি। কারণ চারজন ফাস্ট বোলার আছে, যাদেরকে থাকতে বলা হয়েছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলার আবেশ খান, লুকমান মেরিওয়ালা, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH) পেসার উমরান মালিক এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২১’র শীর্ষস্থানীয় উইকেট শিকারী RCB পেসার হর্ষল প্যাটেল বিশ্বকাপে অনুশীলন সেশনে ভারতকে সাহায্য করবে।