वन नेशन, वन इलेक्शन को लेकर हुई बैठक

2024 के चुनाव में वन नेशन, वन इलेक्शन को लागू करना मुमकिन नहीं है, लेकिन 2029 में इसको लागू किया जा सकता है. उससे पहले संविधान में संशोधन करना होगा. देश में वन नेशन वन इलेक्शन को लेकर नई द‍िल्‍ली में बुधवार को चल रही बैठक समाप्‍त हो गई है. मीट‍िंग खत्म होने के बाद केंद्रीय गृह मंत्री अमित शाह, पूर्व सॉल‍िसिटर जनरल हरीश साल्वे, जम्‍मू-कश्‍मीर के पूर्व सीएम गुलाम नबी आजाद, विध‍ि आयोग के चेयरमैन ऋतु राज अवस्थी बैठक से निकल गए हैं. बैठक की अध्‍यक्षता पूर्व राष्ट्रपति रामनाथ कोविंद ने की.

सम‍िति की पिछले माह पहली बैठक में मान्यता प्राप्त राष्ट्रीय राजनीतिक दलों, राज्यों में सरकार चला रहे राजनीतिक दलों और अन्य दूसरे मान्यता प्राप्त क्षेत्रीय राजनीतिक दलों को देश में एक साथ चुनाव कराने के मामले पर उनके सुझाव और विचार जानने को आमंत्रित करने का निर्णय लिया था. समिति ने इस मुद्दे पर अपने सुझाव देने के लिए भारत के विधि आयोग को आमंत्रित करने का भी निर्णय लिया गया था.

PM Modi : আজ কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

Narendra Modi  vaccination

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়াচ্ছে ওমিক্রন (Omicron) । এই পরিস্থিতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ভারতের বিশেষজ্ঞরা । তাঁদের একাংশের অনুমান, ফেব্রুয়ারিতে ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ (Third Wave) দেখা যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে অতিমারী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য আজ বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২১৩ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে দিল্লি। সেখানে নতুন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত ৫৭ জন। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র(৫৪) ও তেলাঙ্গানা(২৪)।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, থার্ড ওয়েভ আসলে তা এক মাসের মধ্যে হ্রাস পাবে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, আইআইটি হায়দরাবাদের এম বিদ্যাসাগর (M Vidyasagar of IIT Hyderabad) ন্যাশনাল কোভিড-১৯ সুপারমডেল কমিটির প্রধান বলেছেন, ‘ভারতে ওমিক্রনের তৃতীয় ঢেউ থাকবে। তবে এটি দ্বিতীয় তরঙ্গের চেয়ে হালকা হবে।’    

এদিকে ওমিক্রন(Omicron) উদ্বেগের মাঝে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর (Department of Health and Family Welfare – West Bengal)। আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রীদের (International Airlines Passenger) জন্য নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘বিমানবন্দরে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের (Genome sequencing) জন্য নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। করোনা আক্রান্তের (Covid19) হদিশ মিললে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন (Isolation) বাধ্যতামূলক। আরটিপিসিআর রিপোর্ট নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন থাকা বাধ্যতামূলক।’

Narendra Modi: সর্বদলীয় বৈঠকে অনুপস্থিত মোদী, ওয়াকআউট আম আদমি পার্টির

Narendra Modi did not attend the all-party meeting

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (winter season)। সেই অধিবেশন শুরুর আগে রবিবার সর্বদল বৈঠক (all party meeting) ডেকেছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী  (Narendra Modi) সরকার। এদিনের বৈঠকে ৩১ টি রাজনৈতিক দলের ৪২ জন নেতা অংশ নিয়েছিলেন। উপস্থিত থাকবেন বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত বৈঠকে দেখা মিলল না প্রধানমন্ত্রীর (prime minister)।

এদিন বৈঠকের শুরুতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (prahlad joshi) বলেন, এতদিন সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীরা থাকতেন না। সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকার এই নিয়ম মোদীই চালু করেছিলেন। কিন্তু বিশেষ কাজ থাকায় আজ তিনি এই বৈঠকে থাকতে পারলেন না। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও জোশী জানান।

জোশীর ওই কথায় কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন, তাঁরা আশা করেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে মোদী থাকবেন। কারণ কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর কাছে জানার ছিল। সেই সুযোগ আর হল না। এদিনের বৈঠকে প্রায় সবকটি বিরোধী দলই দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানীর মূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, পেগাসাস কাণ্ড, করোনার নতুন স্ট্রেনের মোকাবিলা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন।

আজকের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও কয়েকটি রাজ্যের নেতারা সীমান্তে বিএসএফের এলাকার পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন। এদিন সর্বদলীয় বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেন আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং। সঞ্জয়ের অভিযোগ, তিনি কৃষকদের দাবি মত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলােন। কিন্তু সরকার পক্ষ তাঁকে কথা বলতে দেয়নি। তাই এই বৈঠকে থাকার কোনও অর্থ হয় না। এরপরই সঞ্জয় সভা থেকে বেরিয়ে যান।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এবং লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির বিনিয়োগের বিষয়ে সরকারের বক্তব্য জানতে চান। বৈঠকে প্রায় সব রাজনৈতিক দলই ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে আইন করার জন্যও সরকারের কাছে অনুরোধ জানান।

বৈঠক শেষে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জোশী জানান, তাঁরা বিরোধীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ পেয়েছেন। সরকার সেগুলি নিয়ে সভায় আলোচনা করতে প্রস্তুত। বিরোধীরা সংসদ চালাতে ও গঠনমূলক আলোচনা করতে সরকারকে সাহায্য করবে বলে তাঁদের আশা।

Mamata Banerjee: সোনিয়াকে উপেক্ষা করার কারণ সম্পর্কে বিস্ফোরক মমতা

Mamata Banerjee meeting Sonia Gandh

Mamata Banerjee meeting with Sonia Gandhi
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: রাজধানীকে এলেই প্রতিবারই আমায় সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) সঙ্গে দেখা করতে হবে কেন? সংবিধানে কি এমন কোন নিয়ম আছে যে, দিল্লি আসলেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে হবে? সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে চাঞ্চল্যকর এই প্রশ্নটিই ছুড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বন্দ্যোপাধ্যায়।

চার দিনের সফরে সোমবার দিল্লি (Delhi) এসে পৌঁছেছেন মমতা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ (Aravind Kejriwal) বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি।

অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, মমতা দিল্লি আসলে অবশ্যই সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু এবারই তার ব্যতিক্রম ঘটলো। চার দিনের এই সফরে সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করার কথা উচ্চারণও করলেন না নেত্রী। তাই সংবাদমাধ্যম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চায়, আপনি কি এবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন না? তার উত্তরে মমতা স্পষ্ট বলেন, ওনারা এখন পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে খুব ব্যস্ত। তাই কিভাবে দেখা হবে। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী কিছুটা রাগত স্বরে বলেন, আমি দিল্লি এলে প্রতিবারই কেন সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করবো বলুন তো? এটা কি কোনও সাংবিধানিক নিয়ম নাকি?

মমতার এই কথার যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করার পরেই নিজের রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে তৃণমূল ক্রমশ জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে জায়গা করে নিচ্ছে। নিজের জায়গা করতে গিয়ে তৃণমূল মূলত কংগ্রেসেই ভাঙন ধরাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই উত্থান ও দল ভঙানোর নীতিতে বেজায় খাপ্পা কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে মমতার এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পাশাপাশি মমতা এবং তাঁর দলের কাজে বিরোধীজোটের ঐক্য নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।

মমতা এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে তাঁর দল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির পাশেই থাকবে। অখিলেশ চাইলে তিনি উত্তরপ্রদেশে প্রচার করতেও যাবেন। কারণ তাঁর একমাত্র লক্ষ্য হল বিজেপিকে ক্ষমতায় থেকে হঠানো। একই সঙ্গে মমতা জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর তিনি মুম্বই যাচ্ছেন। দেখা করবেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীদের অনৈক্যের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে এনসিপি, কংগ্রেস ও শিবসেনা জোট সরকার গঠন করেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের শরিকদের নিজের কাছে টানতে মমতা উদ্যোগী হয়েছেন, এমন কথাও উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি রাজনৈতিক মহল এই প্রশ্নও তুলেছে যে, কংগ্রেসকে বাদ রেখে কি কোন বিরোধী জোট করা সম্ভব? কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট করতে গেলে সব আঞ্চলিক দলকে মমতা কি নিজের পাশে পাবেন?

আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, কংগ্রেস যদি বিরোধী জোটে থাকে সেই জোটে কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদবের মতো নেতা কি সামিল হবেন!

পুলিশের সমস্যা জানতে ডিজি, আইজিদের সঙ্গে বৈঠক মোদি-শাহের

Modi-Shah meeting with DG, IG

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: আইনশৃঙ্খলাজনিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (DG) এবং ইন্সপেক্টর জেনারেলদের (IG) সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। মাওবাদী দমন, মাদক পাচার, জঙ্গি মোকাবিলা, বিভিন্ন সংশোধনাগারের সংস্কার, সাইবার অপরাধের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা চলছে। রবিবারও এই আলোচনা চলবে। এবার লখনউতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সদর দফতরে ৫৬ তম এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। দু’দিনের এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধানরা সশরীরে উপস্থিত থাকছেন।

পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ডিজি মনোজ মালব্য (Monoj Malabya)। বৈঠকে যোগ দিতে শুক্রবারই তিনি লখনউয়ে পৌঁছন।

Modi-Shah meeting with DG, IG

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক হচ্ছে হাইব্রিড ফরম্যাটে। এই ফরম্যাটে বেশ কয়েকটি রাজ্যের ডিজি এবং আইজিরা যেমন সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন তেমনই অনেকেই অনলাইনে (online) এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। এদিনের বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেলদের কাছ থেকে তাঁদের কাজের সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর থেকেই প্রতিবছরই প্রতিটি রাজ্যের পুলিশ প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি এই বৈঠককে যথেষ্ট গুরুত্বও দিয়ে থাকেন। ডিজি ও আইজিরা যাতে নির্ভয়ে এবং খোলা মনে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন সে ব্যাপারেও উৎসাহ দিয়ে থাকেন মোদি। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এই বৈঠক দিল্লিতে হত। কিন্তু মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এই বৈঠক দিল্লির বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে হয়ে থাকে। করোনাজনিত কারণে ২০২০ সালে এই বৈঠক হয়েছিল অনলাইনে।

এবারের বৈঠকে সাইবার অপরাধ দমনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আমজনতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য যাতে হ্যাকাররা কোনভাবেই হ্যাক করতে না পারে সে বিষয়টি নিয়ে সকলের সঙ্গে মত বিনিময় করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিনের বৈঠকে প্রায় প্রতিটি রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন মেদি। তবে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এদিন তিনি নিজে কোনও বক্তব্য রাখেননি। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার তাঁদের বক্তব্য রাখবেন।

ব্যর্থ হল বৈঠক, সীমান্ত থেকে সেনা সরাতে নারাজ চিন

China reluctant to withdraw troops from the border

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সীমান্তে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য রবিবার ভারত ও চিনের শীর্ষ সেনা কর্তারা ১৩ তম বৈঠকে বসেছিলেন। আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে ওই বৈঠক। কিন্তু বৈঠক শেষে কোন ফলাফলই মিলল না। সোমবার ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে সেনা সরানোর প্রস্তাবে রাজি নয়। 

তবে এই সমস্যা সমাধানে আগামীদিনেও যে ফের আলোচনায় বসা হবে এমন কোনও কথাও বলেনি বেজিং। দীর্ঘ আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা ওই বৈঠকে ভারতীয় সেনা কর্তারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ও সংলগ্ন এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিক প্রস্তাব দেন। কিন্তু জিনপিং সরকার ভারতের কোনও প্রস্তাবই মানতে নারাজ। এই আলোচনায় কোনো সমাধান সূত্র বের না হওয়ায় সেনাবাহিনীর এই বৈঠককে ব্যর্থ বলেই মনে করছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, চিন যদি কোনও রকম আগ্রাসন দেখানোর চেষ্টা করে তবে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। ভারত সব ধরনের সমস্যা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, চিন কেন ভারতের সঙ্গে কোনও রকম সমঝোতায় যেতে আপত্তি করছে। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, সম্প্রতি আফগানিস্থানে ক্ষমতার পালাবদলের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কাবুলে তালিবান সরকারকে সমর্থন করেছে বেজিং। চিনের মতোই তালিবানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। সীমান্ত নিয়ে ভারতের সঙ্গে এই দুই দেশেরই প্রবল মতবিরোধ রয়েছে। বিশেষ করে কাশ্মীর ও লাদাখ সীমান্ত নিয়ে ভারত পাকিস্তানের বিবাদ সর্বজনবিদিত। পাশাপাশি চিনের সঙ্গেও ভারতের সীমান্ত সমস্যা কম নয়।

এই পরিস্থিতিতে চিন ও পাকিস্তানের একযোগে তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তালিবান জঙ্গিদের সমর্থনে ইতিমধ্যেই কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি সংগঠন আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, ভারতে নাশকতা চালানোর জন্য জঙ্গিদের মদত জোগাতে চিন ও পাকিস্তান দুই দেশ হাতে হাত মিলিয়েছে। সে কারণেই চিন সীমান্ত নিয়ে ভারতের কোন শর্তই মানতে নারাজ। চিন ভাবছে ভারতকে তারা চাপে ফেলতে পারবে। তাদের এই কাজে সব ধরনের সহযোগিতা করবে পাকিস্তান ও তালিবান।

আন্তর্জাতিক মহল অবশ্য পাশাপাশি এটাও বলেছে যে, চিন যদি মনে করে ভারত আগের জায়গাতেই আটকে আছে তাহলে ভুল করবে। ভারতের অস্ত্র ভাণ্ডার যথেষ্ট ঈর্ষণীয়। তাই অযথা ভারতের সঙ্গে লাগতে গেলে তার পরিণাম ভুগতে হবে বেজিংকে