Farm Law: ক্ষুব্ধ ‘দাম্ভিক’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের তর্কাতর্কি

তিন কৃষি আইন (Farm Law) ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার করেছে নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সরকার। কিন্তু কৃষি আইন নিয়ে বিতর্ক যেন আর শেষ হচ্ছে না। রবিবার হরিয়ানার (Hariyana) দাদরিতে এক অনুষ্ঠানে কৃষি আইন নিয়ে মুখ খুললেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল (Governor) সত্যপাল মালিক। সেখানেই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে দাম্ভিক বলেও মন্তব্য করেন।

সত্যপাল (Satyapal Malik) বলেন, কিছুদিন আগে তিনি কৃষকদের সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ইতিমধ্যেই আন্দোলন করতে গিয়ে ৫০০ জন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তাই সরকারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। তাঁর এই বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উত্তেজিত হয়ে তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আমার জন্যই কি কৃষকদের মৃত্যু হয়েছে?’ প্রধানমন্ত্রী এই প্রশ্নের উত্তরে সত্যপাল বলেন, ‘আপনি হলেন দেশের প্রধান। তাই এই মৃত্যুর দায় আপনার ঘাড়েই বর্তায়।’ এরপরই প্রধানমন্ত্রী প্রবল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এমনকী তাঁর সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করেন।

‘সবশেষে তিনি আমাকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে বলেন।’ সত্যপাল অভিযোগ করেন, একটি সামান্য কুকুর মারা গেলেও প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি সমবেদনা জানান। কিন্তু এতজন কৃষক আন্দোলন করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন, তাঁদের জন্য প্রধানমন্ত্রী একটি শব্দও খরচ করলেন না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এ থেকেই বোঝা যায় মোদী কতটা অহংকারী একজন ব্যক্তি।

সত্যপাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে তিনি অমিত শাহর সঙ্গেও দেখা করেন এবং কৃষকদের সমস্যার বিষয়টি তাঁকে জানান। শাহ বিষয়টি শুনলেও অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি। বরং এই কৃষি আইনের দায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর ঘাড়েই ঠেলে দেন।

মেঘালয়ের রাজ্যপাল মনে করেন, কৃষকদের কথা ভেবে অনেক আগেই সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পায় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা দরকার। সত্যপাল পরিষ্কার জানিয়েছেন, কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা দায়ের হয়েছিল সেগুলি তুলে নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে সত্যপাল বলেছেন, মোদী যদি ভাবেন কৃষকদের আন্দোলন শেষ হয়ে গিয়েছে তাহলে ভুল ভাবছেন। আপাতত কৃষকরা আন্দোলন স্থগিত রেখেছেন। কেন্দ্র যদি ফের কৃষকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে তাহলে তাঁরা ফের আন্দোলনের রাস্তায় ফিরবেন। তিনি নিজে কৃষকদের পাশে ছিলেন আছেন এবং থাকবেন বলেও সত্যপাল জানিয়েছেন।

Meghalaya: মমতা পেলেন বড়দিনের উপহার! প্রধান বিরোধী দল TMC

mamata banerjee

News Desk: ধোপে টিকল না মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেসের আপত্তি। দলত্যাগী ১২ জন বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মেনে স্বীকৃতি দিল্ন বিধানসভার অধ্যক্ষ মেটবাহ লিংডো। এর পরেই এই রাজ্যে আনুষ্ঠানিক প্রধান বিরোধী দল হলো তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের কাছে এটাই বড়দিন উপহার !

স্পিকারের স্বীকৃতির ফলে ৬০ সদস্যের মেঘালয় বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা হাতছাড়া হল কংগ্রেসের।

পশ্চিমবাংলায় (westbengal) নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দখলের পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, গোয়ার মত ছোট রাজ্যগুলির দিকে অগ্রসর হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন রাজ্যে রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের দল ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন।

সম্প্রতি মেঘালয়ে কংগ্রেসকে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। মুকুল সাংমা বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের এই পরিষদীয় দলকে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান।

অন্যদিকে কংগ্রেস বিধায়ক আম্পারিন লিংডো দাবি করেন, তাঁরাই প্রধান বিরোধী দল। তৃণমূল কংগ্রেসকে যেন কোনওভাবেই এই স্বীকৃতি দেওয়া না হয়। কংগ্রেসের ওই আবেদনের পর স্পিকার মুকুল সাংমা সহ কংগ্রেস বিধায়কদের কাছে জানতে চান, কেন তাঁদের বিধানসভা থেকে সরানো হবে না।

স্পিকারের ওই প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেস ত্যাগী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল-সহ অন্য বিধায়করা স্পষ্টভাবে জানান, দলের ১২ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছে। অধিকাংশ সদস্যই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় এই দলটিকেই প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হোক। কংগ্রেস সেই আবেদনে তীব্র আপত্তি জানালেও শেষ পর্যন্ত তা ধোপে টিকল না।

বৃহস্পতিবার অধ্যক্ষ কংগ্রেসের করা আবেদন খারিজ করে দেন। তৃণমূল কংগ্রেসকে মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের ভিত্তি ও সংগঠন আরও মজবুত করার পরই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁরা এবার গোয়া, মেঘালয়, ত্রিপুরার মত ছোট রাজ্যগুলিতে বাড়তি নজর দেবেন।

আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল এই রাজ্যে নিজেদের পায়ের তলার মাটি অনেকটাই শক্ত করেছে বলে দাবি। চলতি মাসেই তৃণমূল নেত্রী গোয়া সফরে গিয়েছিলেন। তৃণমূল নেত্রী গৃহলক্ষী প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেছেন।

একই সঙ্গে দক্ষিণ ভারতেও পা রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা। তামিলনাড়ুতে তামিল মানিলা কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। ওই দলকে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।

Meghalaya: তুষারে ঢাকল শিলং, আসছে স্যান্টা বুড়ো

News Desk: দার্জিলিংয়ে এখনও বরফ পড়েনি। তবে সিকিমে পড়েছে। এবার পাল্লা দিল মেঘালয়। রাজধানী শহর শিলং জুড়ে বরফের চাদর। আসন্ন বড়দিনের আগে এমন পরিস্থিতিতে খুশি উত্তর পূর্বের এই রাজ্যবাসী।

বুধবার বৃষ্টির সঙ্গে গুঁড়িগুঁড়ি তুষারপাত হয় শিলং শহরে। জমজমাট পুলিশ বাজারের সর্বত্র বরফের প্রলেপ পড়েছে। এছাড়া শহরের সর্বত্র তুষারে ঢেকেছে রাস্তা,বাড়ির উঠোন।

আসছে স্যান্টা বুড়ো। বড়দিনের আগেই তার আগমণ উপলক্ষে জমজমাট উত্তর পূর্বের মেঘালয়। রাজ্যটিতে সংখ্যাগুরু খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। ফলে এখানে বড়দিনের উৎসবের আলাদা আমেজ আসে।

পর্যটন নগরী শিলং। কোভিড বিধি মেনেই মেঘালয়ে ঢুকতে পারছেন পর্যটকরা। আছে ওমিক্রন আতঙ্ক। তবে সবকিছু দূরে রেখে আপাতত তুষারপাতের আনন্দে মাতোয়ারা শিলংবাসী।

রাজ্যের পূর্ব ও পশ্চিম খাসি হিলসের বিভিন্ন জায়গায় হয়েছে তুষারপাত।

Meghalaya: তৃণমূলকে রুখতে মেঘালয়ে বিজেপির ‘সঙ্গী’ এবার কংগ্রেস!

Mukul Sangma

নিউজ ডেস্ক: গোয়া- ত্রিপুরার পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের রাজ্য মেঘালয়েও (Meghalaya) নিজেদের রাজনৈতিক জমি শক্ত করছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তৃণমূলকে ঠেকাতে এবার নতুন মোড় নিল মেঘালয়ের রাজনীতি। রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা তৃণমূল কংগ্রেসের (trinamul congress) মোকাবিলায় বিজেপির কাছাকাছি চলে এল কংগ্রেস (congress)।

এমন বেনজির কাণ্ডই ঘটেছে উত্তর পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে। মেঘালয় কংগ্রেসের ৫ জন বিধায়ক বিজেপি-এনপিপি জোট সরকারকে ইস্যুভিত্তিক সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছেন। ফলস্বরূপ সরাসরি না হলেও বাইরে থেকে মেঘালয়ের বিজেপি জোট সরকারের ‘সঙ্গী’ হয়ে উঠল কংগ্রেস।

এ প্রসঙ্গে কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেত্রী আমপারিন লিংডো জানিয়েছেন, আমরা বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিঃশর্ত সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছি। আমাদের মনে হয়েছে, মেঘালয়ের স্বার্থের কথা ভেবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারকে সমর্থন করা দরকার। অর্থাৎ কংগ্রেসের তরফে স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হত এবং অন্ধ বিরোধিতা করা হত তা আর করতে চায় না মেঘালয় কংগ্রেস। এক্ষেত্রে রাজ্যের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার সাফাই দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কংগ্রেসের রাজনৈতিক দ্বিচারিতার কড়া নিন্দা করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মেঘালয়ের জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা মুকুল সাংমা। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কংগ্রেস যে মেঘালয়ের মানুষের বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে ব্যর্থ, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ওরা বিশ্বাসঘাতক। মেঘালয়ের মানুষের দেওয়া দায়িত্ব পালন না করে ক্ষমতার লোভে ছুটছে কংগ্রেস। বিজেপির জোটকে মদত দিতেও অসুবিধা নেই এদের। ২০১৮ সালের বিধানসভা ভোটের পরেও এভাবেই সরকার গড়ার চেষ্টা করেছিল তারা।

একইসঙ্গে জাতীয় স্তরে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় কংগ্রেস নেতারা বলছেন, তাঁরা সরাসরি মেঘালয়ের সরকারে যোগ দিচ্ছেন না, বা মেঘালয় সরকারকে বাইরে থেকেও সমর্থন করছন না। বিরোধী শিবিরে থেকেই সরকারের কাজে সহযোগিতা করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। যদিও সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার সঙ্গে দেখা করে তাঁকে পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়ে এসেছেন কংগ্রেস নেতারা। এমনকী, সাংমাকে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে ইউপিএতে যোগ দেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে মেঘালয়ে সাংমার নেতৃত্বে মেঘালয় ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট অর্থাৎ এমডিএফ-র সরকার চলছে। যা কিনা বৃহত্তম এনডিএরই অংশ। কারণ বিজেপির দুই বিধায়কও এই সরকারে আছেন। এঁদের মধ্যে একজন মন্ত্রীও রয়েছেন। সে কারণে কংগ্রেস সরাসরি এই জোটে যোগ দিতে না পারলেও কনরাডের সঙ্গে আগামী দিনে জোটের রাস্তা খোলা রাখতে সক্রিয় হচ্ছে।

Meghalaya: দেখা যাবে ভোটে কত খেলতে পারেন, মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ

Mamata Banerjee Meghalaya

News Desk: কংগ্রেস ভাঙিয়ে রাজ্যে ঢুকেছে, ভোটের সময় দেখা যাবে খেলার কত ক্ষমতা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে এমনই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন মেঘালয়ের (Meghalaya) মন্ত্রী জেমস সাংমা।

তাৎপর্যপূর্ণ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি নেত্রী রবিবার গোয়ায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে যাওয়ার আগেই মেঘালয় থেকে এসেছে চ্যালেঞ্জ।

পশ্চিমবঙ্গের বাইরে একমাত্র মেঘালয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত অবস্থান। উত্তর পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যের বিরোধী দল টিএমসি। সম্প্রতি কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়করা দলত্যাগ করেন। তাঁরা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। মেঘের রাজ্যে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬০ সদস্যের মেঘালয় বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ক আছেন।

মেঘালয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দল হলেও তাদের তেমন পাত্তা দিতে নারাজ সরকারে থাকা দল এনপিপি। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য তথা বিদ্যুৎমন্ত্রী জেমস সাংমা জানিয়েছেন, আচমকা কংগ্রেস ভাঙিয়ে প্রচারে আসা এক বিষয়, কিন্তু ভোটে জেতা সম্পূর্ণ অন্য খেলা।

তৃণমূল কংগ্রেস কি সরকারের কাছে চ্যালেঞ্জ? শিলংয়ে সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন করা হয়। মন্ত্রী জেমস সাংমা সরাসরি এর উত্তর দেননি। তিনি বলেন, এনপিপি নিজের শক্তি বৃদ্ধিতে নজর রাখছে।

Mamata Banerjee: এ মাসেই অসম-মেঘালয়ে মমতা ও অভিষেক

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : চলতি মাসে অসম, মেঘালয় ও গোয়া সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে যাবেন দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সূত্রের খবর, আগামী ২০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী অসমে (Assam) যাবেন। তবে ওই রাজ্যে এখনও তাঁর কোন দলীয় কর্মসূচি নেই। ওইদিন গুয়াহাটিতে কামাখ্যা মন্দিরে (Kamakhya temple) পুজো দিয়ে তারপর দিন অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর সেখান থেকে সড়ক পথে শিলং (Shilong) যাবেন। সেখানে সংগঠনের কাজ খতিয়ে দেখার পর সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো।

এদিকে আগামী ১৩ ডিসেম্বর আবার গোয়া (Goa) যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে দুজনেই গোয়ায় রাজনৈতিক সফর করেছেন। আগামী সপ্তাহে গোয়ায় ফের তাঁদের ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর সদলবলে তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা (Mukul Sangma)-সহ ১২ জন বিধায়ক। এ রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞার উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন তাঁরা। আর তাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

অন্যদিকে, মেঘালয়ে সম্প্রতি যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ১২ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মমতা এই প্রথম মেঘালয়ে গিয়ে সেখানকার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। দলীয় সূত্রে খবর একটি জনসভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সবমিলিয়ে, তৃণমূল নেত্রীর শিলং সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

Manipur: বিরোধী আসন দখলে মমতার অভিযান, কংগ্রেস কাঁপছে মনিপুরে

TMC

News Desk: মেঘের দেশ মেঘালয়ে কংগ্রেসকে শেষের কবিতা পড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা। সে রাজ্যে টিএমসি প্রধান বিরোধী দল। এবার কোন রাজ্য ?

সূত্রের খবর, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর নজর পড়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্য মনিপুরে (Manipur)। এই রাজ্যে বিরোধী আসন দখলে জন্য মেঘালয়ের মতো ঝড়ের বেগে অপারেশন শুরু করছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে ভোটকুশলীরা পরিকল্পনা তৈরি করেছেন।

মনিপুরে বিজেপি সরকারে। বিরোধী দল কংগ্রেস। আর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর লক্ষ্য তারাই। এই বিপদের আঁচ করেছে কংগ্রেস। কীভাবে সম্ভব ভাঙন রোখা তার সূত্র খুঁজছেন কংগ্রেসের ক্রাইসিস ম্যানেজাররা। মনিপুরে বিরোধী আসনে থাকা কংগ্রেস বিধায়করা ‘উড়ু-উড়ু’। তাঁদের কাছে টাটকা উদাহরণ মেঘালয়।

এক নজরে মনিপুর বিধানসভার অঙ্ক
বিধানসভার মোট আসন ৬০
সরকারপক্ষে রয়েছেন ৩৫ জন বিধায়ক।
বিজেপি ২৪
এনপিপি ৪
এনপিএফ ৪
নির্দল ৩

বিরোধী আসনে মোট ১৮ জন বিধায়ক
প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের ১৭ জন
তৃণমূল কংগ্রেস ১
৭টি আসন খালি।

সূত্র মারফত kolkata24x7.in জানতে পেরেছে মেঘালয়ের বিরোধী নেতা মুকুল সাংমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই মনিপুরের বিরোধী দল কংগ্রেসকে ভাঙাতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনিপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের যিনি বিধায়ক সেই থংব্রাম রবীন্দ্র সিং তৈরি বাকিদের বোঝাতে।

উত্তরপূর্বাঞ্চলের দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনীতিক মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা। তাঁর হাতেই মনিপুরে ঘাঁটি তৈরির ভার ছেড়েছেন মমতা। সেই লক্ষ্যে মুকুল সাংমা পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে মনিপুরকেই বেছে নিয়েছেন।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতে আচমকা তৃণমূল কংগ্রেস বিশেষ আলোচনায়। পশ্চিমবঙ্গের তিনবারের শাসকদল এখন মেঘালয়ে বিরোধী আসনে। আবার ত্রিপুরায় পুর নির্বাচনে ভোটের হার ০.৩ শতাংশ থেকে ১৬.৩৯ শতাংশে পৌঁছে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর পূর্বের এই বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য দখলে আগামী বিধানসভা ভোটে সর্বশক্তি নিয়ে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।