Hema Malini : রাস্তাঘাট ‘ড্রিম গার্লে’র গালের মত মসৃণ করা শপথ মন্ত্রীর

Hema Malini

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই:  তিনি অভিনয় জগৎ থেকে সরে এসেছেন অনেকদিন আগেই। বয়সও হয়েছে রীতিমতো। কিন্তু বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনীর (Hema Malini) জনপ্রিয়তা এখনও যে এতটুকু কমেনি তার প্রমাণ মিলল শিবসেনা তথা মহারাষ্ট্রের জল সরবরাহ মন্ত্রীর করা মন্তব্যে।

শিবসেনা নেতা গুলাবরাও পাটিল (gulabrao patil) নিজের এলাকার রাস্তাঘাটের কথা বলতে গিয়ে টেনে আনলেন বলিউড অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ (bjp mp) হেমা মালিনীর (hema malini) কথা। যদিও এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে। শিবসেনা (shibsena leader) নেতা গুলাবরাও বলেছেন, তাঁর এলাকার রাস্তাঘাট হেমা মালিনীর গালের মতোই মসৃণ।

গুলাবরাওয়ের এই মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন দলের সাংসদ তথা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত। জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের বোদওয়াদ নগর পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে এক সভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন গুলাবরাও। সেখানেই তিনি নিজের এলাকার উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আমি এই এলাকার দীর্ঘ ৩০ বছরের বিধায়ককে চ্যালেঞ্জ করছি, দয়া করে একবার আমার জেলা জলগাঁওয়ে আসুন। দেখুন সেখানকার রাস্তাঘাট কেমন। জলগাঁওয়ের রাস্তাঘাট যদি হেমা মালিনীর গালের মত মসৃণ না হয় তবে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।

গুলাবরাওয়ের এই মন্তব্যের রীতিমত সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলেছেন, হেমামালিনী অনেকদিন আগেই অভিনয় ছেড়েছেন। তিনি যথেষ্ট প্রবীণ একজন নেত্রী। তাঁর সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য খুবই নিম্নরুচির পরিচয়। তবে সমালোচনা হলেও তা গায়ে মাখতে রাজি নন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তিনি পাল্টা বলেছেন, এটা হেমা মালিনীর প্রতি অশালীন নয় বরং একটি সম্মানজনক মন্তব্য। এই কথা আগেও বলা হয়েছে। এর আগে আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবও হেমা মালিনীর গাল নিয়ে একই মন্তব্য করেছিলেন। তাই এই মন্তব্যকে রুচিহীন বলার কোনও অর্থ নেই। বরং আমরা হেমা মালিনীকে সবদিক থেকেই শ্রদ্ধা করি।

বিষয়টি শোনার পর হেমা মালিনী বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত। শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার মুখে পড়ে গুলাবরাও তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন।

মোবাইল ‘কলড্রপ’ গোটা বিশ্বের সমস্যা, বললেন মন্ত্রী

State Minister for Communications Debangshu Singh Chauhan

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি মোবাইল গ্রাহকরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিককালে কলড্রপের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। এমনকী, কথা বলতে গিয়ে বারবার লাইন কেটে যাচ্ছে। সোমবার সংসদে এ বিষয়টি উত্থাপন করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জহর সরকার। তিনি জানতে চান, কি কারণে কলড্রপ এবং কল ডিসকানেকশনের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে? এই সমস্যা সমাধানে সরকারের পরিকল্পনা কি? কলড্রপের ক্ষেত্রে মোবাইল সংস্থাগুলি প্রত্যেকটি কলের জন্য আলাদা করে চার্জ কেটে নিচ্ছে বলে মানুষের অভিযোগ। এই অভিযোগ কি ঠিক? উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এই প্রশ্নের উত্তরে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী দেবাংশু সিং চৌহান বলেন, বিভিন্ন কারণে ‘কলড্রপ’ হতেই পারে। শুধু আমাদের দেশে নয় গোটা বিশ্ব জুড়েই ‘কলড্রপ’ একটি সাধারণ সমস্যা। তবে কলড্রপের জন্য সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হয় এটা ঠিক। সে কারণেই টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার বা টিএসপিগুলিকে কলড্রপ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য টেলিকম রেগুলেটরি অথোরিটি বা ট্রাইয়ের নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে। টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার বা টিএসপিগুলি এ ধরনের সমস্যা মেটাতে কী করছে সে বিষয়ে নজর রাখছে ট্রাই।

সাধারণত টিএসপিগুলি প্রতি তিন মাস অন্তর ট্রাইয়ের কাছে তাদের বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করে। সেই রিপোর্ট থেকেই ট্রাই বিষয়টি পর্যালোচনা করে। তবে টিএসপিগুলি কোনও একজন গ্রাহকের বর্তমান প্ল্যান অনুযায়ী প্রতিটি কলের ক্ষেত্রে পয়সা নিয়ে থাকে। বাড়তি কোনও খরচ নেয় না। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, টেলিকম যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন বা ডট বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। টেলিকমিউনিকেশন পরিকাঠামোকে আরও আধুনিক ও উন্নত করে তুলতে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে ডট।

Farmers’ Movement: মৃত কৃষকদের সাহায্যের প্রশ্নই ওঠে না, বললেন কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর

Narendra Singh Tomar

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: নরেন্দ্র মোদী সরকারের তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন (Farmers’ Movement:) করছেন কৃষকরা। আন্দোলন করতে গিয়ে ৭০০ কৃষকের (farmer) মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহল থেকে মৃত কৃষকদের পরিবারকে সাহায্যের দাবি জানানো হয়েছে।

কিন্তু বুধবার কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর (Narendra Singh Tomar) স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মৃত কৃষকদের আর্থিক সাহায্য করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। শুধু তাই নয়, কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, আন্দোলন করতে গিয়ে একজন কৃষকেরও মৃত্যু (farmers death) হয়েছে এমন কোনও তথ্য সরকারের কাছে নেই। অর্থাৎ এই বক্তব্যের মাধ্যমে মন্ত্রী তথা নরেন্দ্র মোদী সরকার (narendra modi government ) আন্দোলনরত কৃষকদের মৃত্যুর কথা পুরোপুরি উড়িয়ে দিলেন।

বুধবার অধিবেশন শুরু হলে বিভিন্ন বিরোধীদল একযোগে সরকারের কাছে জানতে চায়, গত এক বছরে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে কতজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে? কৃষকদের পরিবারকে কেন্দ্র আর্থিক সাহায্য দেবে কিনা? ওই প্রশ্নের উত্তরে কৃষিমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, আন্দোলন করতে গিয়ে কৃষকদের মৃত্যু হয়েছে এমন কোনও তথ্য সরকারের কাছে নেই। তাই মৃতদের সাহায্য দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যথারীতি কৃষিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা করেছেন বিরোধী দলের সাংসদরা। সব বিরোধী দলই এদিন কৃষিমন্ত্রীর জবাবের কড়া সমালোচনা করেছেন।

তাঁরা বলেছেন, গত এক বছরে মোদী সরকারের তিন কালা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ৭০০-রও বেশি কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গোটা দেশ এই মৃত্যুর খবর জানে। কিন্তু মোদী সরকার শুধু জানে না। এটা মোদী সরকারের চরম ব্যর্থতা। তবে সরকার জানতেন না পারলে এবার জেনে নেওয়ার চেষ্টা করুক। প্রশাসনের কাছে খোঁজ করলে অবশ্যই সেটা তারা জানতেও পারবে। মৃতের পরিবারকে অবিলম্বে আর্থিক সাহায্য এবং ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে মোদী সরকারকে।

উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপি’র বিক্ষুব্ধ সাংসদ বরুণ গান্ধীও মৃত কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করার দাবি জানিয়েছিলেন। বরুণ বলেছিলেন, কৃষি আইন যদি আগেই প্রত্যাহার করা হতো তাহলে ৭০০ জন কৃষকের প্রাণ অকালে যেত না। বরুণ মৃত কৃষকদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে বরুণ দাবি করেছিলেন, আন্দোলনরত বহু কৃষকের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওইসব মামলাও মোদী সরকারকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তবে বরুণের ওই সমস্ত দাবি নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি কেন্দ্রের তরফে।

রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ নয়, সীমান্তে অপরাধ ঠেকাতেই বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধি, দাবি মন্ত্রীর

BSF

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার (central goverment) বিজ্ঞপ্তি জারি করে পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাবের (west bengal and punjab) মত কয়েকটি রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিযুক্ত বিএসএফ-এর (bsf) আওতাধীন এলাকা অনেকটাই বাড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সংসদে (parliament) মোদী সরকারের কাছে বিষয়টি জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়।

তৃণমূল সাংসদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জানতে চান, পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্যে বিএসএফের সীমানা বৃদ্ধির ব্যাপারে কেন্দ্র কি ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করেছে? যদি করে থাকে তবে সরকার সে বিষয়টি সংসদে বিস্তারিত জানাক। বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কেন্দ্র কি সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করেছে? সরকার যদি রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করে থাকে সেক্ষেত্রে কি ফলাফল হয়েছে তা জানানো হোক।

সৌগতবাবু আরও জানতে চান, বিশেষজ্ঞরা কি বিএসএফের আওতা বাড়ানোর বিষয়ে কোনও সুপারিশ করেছিলেন? কারণ বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধির ফলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে একটা সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা কখনওই কাম্য নয়। কোনও রাজ্য কি বিএসএফের আওতাধীন এলাকার পরিধি বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে? যদি করে থাকে তবে সে বিষয়টি জানানো হোক। কেন্দ্র কি রাজ্যগুলির এই উদ্বেগ ও বিরোধিতার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে? রাজ্যগুলির দাবি মেনে কেন্দ্র কি তাদের ভুল সংশোধনের জন্য কোনও ব্যবস্থা নিয়েছে?

বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকার সীমানা বাড়ান সংক্রান্ত এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, সরকার ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করেছে। সেই সংশোধনের জেরেই বিএসএফের আওতাধীন এলাকা পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাবের মত রাজ্যে বাড়ান হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৬৮ সালের বিএসএফ অ্যাক্টের ১৩৯ (১) ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনে কেন্দ্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ক্ষমতা এবং তাদের দায়িত্ব বাড়াতে পারে।

একইসঙ্গে মন্ত্রী স্বীকার করে নেন, তাঁদের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাব। এই দুই রাজ্যে মনে করছে, বিএসএফের আওতাধীন এলাকার পরিধি বাড়ান রাজ্যের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ। কিন্তু রাজ্যগুলির এই ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। বরং সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্যগুলির সুরক্ষা বৃদ্ধির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অপরাধ বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ। রাজ্যগুলির অধিকারে হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

গণধর্ষণ মামলায় উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী ও তার দুই সঙ্গীকে আজীবন কারাদণ্ড

Former Uttar Pradesh minister Gayatri Prajapati

নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত গণধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী গায়ত্রী প্রজাপতিকে (Gayatri Prajapati) আজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। সমাজবাদী পার্টির এই নেতাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুই লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। প্রজাপতির দুই সঙ্গীকেও আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ।

আর কয়েক মাস পরেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। সমাজবাদী পার্টির একজন ডাকাবুকো নেতা হিসাবেই পরিচিত ছিলেন গায়ত্রী। তাই আদালতের এই নির্দেশ সমাজবাদী পার্টির (sp) পক্ষে ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে অখিলেশ যাদব মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী সদস্য গায়ত্রীর বিরুদ্ধে চিত্রকূটের এক মহিলা গণধর্ষণের (gang rape) অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। নির্যাতিতা মহিলা অভিযোগে বলেছিলেন, গায়ত্রী দুই সঙ্গীকে নিয়ে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। যদিও সে সময় গায়ত্রী এবং সমাজবাদী পার্টি এটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার বলে মন্তব্য করেছিল। দীর্ঘ টালবাহানার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শেষ পর্যন্ত গায়ত্রীকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। উল্লেখ্য, এই মামলায় বুধবার গায়ত্রী ও তার দুই সঙ্গীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বিচারক। শুক্রবার তাদের সাজা শোনানো হল

অন্যদিকে গোরক্ষপুরের হোটেলে পুলিশি অভিযানের সময় মৃত্যু হয়েছিল মণীশ গুপ্তা (manish gupta) নামে এক ব্যবসায়ীর। মণীশকে পিটিয়ে খুন করেছে পুলিশ, এমনই অভিযোগ করেছিল তাঁর পরিবার। ওই ঘটনায় ৬ পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করেছিল যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath) সরকার। কিন্তু ছয় পুলিশকে সাসপেন্ড করেও রেহাই পেল না যোগী সরকার।

এদিন মণীশ গুপ্ত খুনের মামলার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে সিবিআইয়ের (cbi) কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যোগী সরকারকে বিপাকে ফেলবে। কারণ বিরোধীরা অভিযোগ করেছিল, মণীশ গুপ্তা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের আড়াল করছে যোগী সরকার।

আরিয়ানকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নবাবের

Nabab malik

News Desk: শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানকে (ariyan khan)গ্রেফতার নয়, পরিকল্পনা করা হয়েছিল অপহরণ করার। মুম্বইয়ে প্রমোদতরী থেকে আরিয়ান খানের গ্রেফতারের গোটা ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পনা প্রসূত। বিপুল পরিমাণ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য আরিয়ানকে অপহরণ করার চেষ্টা হয়েছিল।

রবিবার এই অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা নবাব মালিক (nabab malik)। একই সঙ্গে মন্ত্রীর অভিযোগ, মাদক কাণ্ডের মূল চক্রী হলেন বিজেপি নেতা মোহিত কাম্বোজ (mohit kamboj)। উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় এই বিজেপি নেতা আরিয়ান খান মামলার মূল চক্রী হিসেবে সুনীল পাটিলের (sunil patil) নাম উল্লেখ করেছিলেন। সুনীল এনসিপি নেতা নবাব ও তাঁর দলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে মোহিত দাবি করেন।

দু’দিন আগেই নবাব বলেছিলেন, আরিয়ান মামলায় তিনি রবিবার আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করবেন। প্রতিশ্রুতি মত রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন নবাব। সেখানেই তিনি বলেন, আরিয়ানকে গ্রেফতার করার পর শাহরুখ খানকে (shaharuk khan) রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয়েছিল। শাহরুখ যাতে মুখ না খোলেন সেজন্য এখনও তাঁকে হুমকি দেওয়া চলছে। নবাব এদিন শাহরুখের কাছে আর্জি জানান, তিনি যেন অযথা না ভয় পান। বরং তার উচিত মুখ খোলা। আরিয়ান সম্পর্কিত প্রকৃত বিষয়টি সকলকে জানিয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে শাহরুখকে উদ্দেশ্য করে নবাব বলেন, নিজের ছেলেকে ছাড়িয়ে আনতে যদি মুক্তিপণ দিতে হয় তবে সেটা কোনও অপরাধ নয়।

নবাব আরও অভিযোগ করেছেন, এনসিবি অফিসার সমীর (samir) ওয়াংখেড়ের সঙ্গে বিজেপি নেতা মোহিতের যোগাযোগ রয়েছে। আরিয়ানাকে গ্রেফতারের পর সমীরের সঙ্গে গোপনে দেখা করেছেন মোহিত। সম্প্রতি মাদক মামলায় জামিন পেয়েছেন রিষভ সচদেবা নামে এক ব্যক্তি। নবাব অভিযোগ করেন, রিষভ হলেন মোহিতের জামাইবাবু। মাদক কাণ্ডের সঙ্গে রিষভ ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

একই সঙ্গে মোহিতের করা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নবাব বলেন, সুনীলের সঙ্গে তিনি কখনও দেখা করেননি। মোহিত যে সমস্ত ছবি প্রকাশ করেছেন তাতে সুনীলের সঙ্গে গুজরাতের কয়েকজন মন্ত্রীকেও দেখা যাচ্ছে। সুনীল প্রসঙ্গে নবাব আরও বলেন, আরিয়ান খান মামলা নিয়ে তাঁর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকের পরই সুনীল তাঁকে ফোন করেছিলেন। সুনীল জানিয়েছিলেন যে, মাদক মামলায় তাঁর কাছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য আছে। তিনও সে সব নবাবকে জানাতে চান। তবে ওই সমস্ত তথ্য পুলিশকে দেওয়ার জন্য নবাব সুনীলকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে, ওই সমস্ত তথ্য প্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য গুজরাতে তাকে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও সুনীল তাঁকে জানিয়েছেন।

প্রমোদতরীর পার্টি সম্পর্কেও এদিন মুখ খুলেছেন নবাব। মন্ত্রী বলেন, প্রমোদতরীর ওই পার্টির আয়োজন করেছিল ফ্যাশন টিভি ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাশিফ খান। নবাবের প্রশ্ন, এই মামলায় কেন কাশিফকে গ্রেফতার করা হয়নি? নবাবের স্পষ্ট কথা, আসলে গোটা ঘটনাটাই বিজেপি-এনসিবির ষড়যন্ত্র। মহারাষ্ট্র সরকারের গায়ে কালি সেটাতেই এই চক্রান্ত করা হয়েছে। তবে আগামী দিনে প্রকৃত সত্য অবশ্যই সামনে আসবে।

শাহরুখ বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁর ছেলেকে জেলে যেতে হত না, মন্তব্য মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীর

Sharuk khan-ariyan khan

News Desk: শাহরুখ খান যদি বিজেপিতে যোগ দিতেন তাহলে পরিস্থিতি এমনটা হত না। এই বলিউড তারকা গেরুয়া দলে যোগ দিলে মাদক কাণ্ডে তাঁর ছেলেকে হয়তো জেলে যেতেও হত না। শাহরুখ বিজেপিতে যোগ দিলে ড্রাগ তখন চিনির গুঁড়ো হয়ে যেত। শাহরুখ বিজেপিতে যোগ না দেওয়ায় তাঁর উপর প্রতিহিংসা মেটাতেই আরিয়ানকে জেলে ভরে দেওয়া হয়েছে। রবিবার এই মন্তব্য করলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা ছাগন ভুজবল।

উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের এক প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে চলতি মাসের ২ তারিখে আরিয়ানকে আটক করেছিল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। একটানা ১৬ ঘণ্টা জেরা করার পর ৩ অক্টোবর আরিয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকদিন এনসিবির হেফাজতে থাকার পর আরিয়ান এখন রয়েছেন মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে। ইতিমধ্যেই আরিয়ানের জামিনের আর্জি পাঁচবার নাকচ হয়ে গিয়েছে। বম্বে হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের আর্জির পরবর্তী শুনানি হবে আগামী মঙ্গলবার।

কিন্তু মাদক কাণ্ডে আরিয়ানের জড়িত থাকার ঘটনায় প্রথম থেকেই এনসিবি’র একাধিক নেতা ও মন্ত্রী বিজেপির কূটনৈতিক চাল দেখছেন। এদিন ভুজবল বলেন, আরিয়ান অল্প বয়সি ছেলে। হয়তো সে কোনও ভুল করেও থাকতে পারে। কিন্তু শাহরুখ যদি বিজেপিতে যোগ দিতেন তাহলে এই ভুলটা আদৌ সামনে আসতো না। যেমনটা হয়েছে গুজরাতের ক্ষেত্রে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে মুন্দ্রা বন্দর থেকে ১৯ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার হয়েছে।

কিন্তু এনসিবি বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের কোনও তদন্ত করছে না। একটি বাচ্চা ছেলের কাছে কী পাওয়া গিয়েছে তা নিয়েই এনসিবির বাঘা বাঘা অফিসাররা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আসলে তাঁদের মূল কাজ হল বলিউড তারকাদের হেনস্তা করা। বলিউড তারকারা সেভাবে বিজেপিকে সমর্থন করে না। সে কারণেই প্রতি হিংসা মেটাতে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা এ ধরনের আচরণ করছে। আরিয়ান আসলে বিজেপির প্রতি হিংসার বলি।

এর আগে আরিয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আর এক এনসিপি নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক। তিনি সরাসরি বলেছিলেন, বিজেপির ইশারাতেই এনসিবি আরিয়ান ও তার পরিবারকে হেনস্তা করছে। এই ঘটনায় যে বিজেপি জড়িত আছে সে ব্যাপারে তাঁর কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আছে। সময় মতোই তিনি সেগুলি প্রকাশ করবেন। এদিন ভুজবল এই মন্তব্য করলেও এনসিবির পক্ষ থেকে পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

এনসিবি কর্তা ও তাঁর পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগ মন্ত্রী নবাব মালিকের বিরুদ্ধে

Minister Nawab Malik

নিউজ ডেস্ক: ৩ অক্টোবর মুম্বইয়ে এক প্রমোদতরী থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান। আরিয়ানকে গ্রেফতার করেই খবরের শিরোনামে এসেছিলেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর তরুণ অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। এনসিবি তথা সমীরের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই তোপ দেগেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক।

তিনি বলেছেন এনসিবির তদন্তকারীরা শাহরুখ ও তাঁর ছেলেকে অকারণে হেনস্তা করছে। কিন্তু এবার মন্ত্রী নবাব মালিকের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করলেন ওই এনসিবি কর্তা। সমীরের অভিযোগ, তাঁকে কাজ করতে প্রতি পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকেও নানা ভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ওই এনসিবি কর্তা আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি নিশ্চিতভাবেই আইনি পদক্ষেপ করবেন।

মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে এনসিপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক অভিযোগ করেছিলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও ওয়াংখেড়ে মলদ্বীপে গিয়েছিলেন। সে সময় বহু বলিউড তারকাও মলদ্বীপে ছিলেন। মলদ্বীপে সমীর ওই সমস্ত বলিউড তারকাদের কাছ থেকে রীতিমতো তোলা আদায় করেন বলে সব নবাবের দাবি।

মন্ত্রীর আরও অভিযোগ করেন, এনসিবি অফিসার সমীর মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে এনসিবির মাদক মামলা কতটা ভিত্তিহীন। তবে শুধু মলদ্বীপে নয়, সমীর দুবাই থেকেও তোলা আদায় করেছেন বলে নবাবের অভিযোগ। মলদ্বীপ ও দুবাইয়ে সমীর কিভাবে তোলা আদায় করেছেন তার ছবিও তিনি শীঘ্রই প্রকাশ করবেন বলে নবাব জানান।

শুক্রবার নবাবের তোলা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন সমীর। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, মন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। আমি আমার পরিবার নিয়ে মলদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম। অফিসের কাছ থেকে রীতিমতো অনুমতি নিয়ে আমরা বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমি কারোও সঙ্গেই দেখা করিনি। গত ডিসেম্বরে আমি মুম্বইতেই ছিলাম। অথচ মন্ত্রীর অভিযোগ আমি দুবাই গিয়েছিলাম। মন্ত্রী পুরোটাই মিথ্যা বলছেন।

সমীর আরও বলেছেন, তিনি কারও সঙ্গে আপোস করতে রাজি নন। এনসিবির একজন অফিসার হিসেবে সত্য অনুসন্ধান করাই তাঁর কাজ। আর তিনি সেটাই করছেন। সে কারণেই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে। মন্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করায় তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন।

মুম্বই ক্রুজ কাণ্ডে পক্ষপক্ষপাতিত্ব করছে এনসিবি, সুপ্রিম কোর্টের শরণে শিবসেনা মন্ত্রী

ariyan-khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: শিবসেনার এক প্রবীণ নেতা সুপ্রিম কোর্টের কাছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো এবং বলিউড মেগাস্টার শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খানের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘনের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন সিটিং জজ কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নিয়ে সংবিধানের ৩২ নং ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন শিবসেনা নেতা কিশোর তিওয়ারি। প্রধান বিচাপতি এনভি রমনার কাছে e বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

প্রবীণ নেতা দাবি করেছেন যে বিগত কয়েক বছর ধরে কেবল জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মডেল ও নানা তারকাদের অসৎ উদ্দেশ্যে হেনস্থা করে চলেছেন। তিনি বলেছিলেন যে অনুচ্ছেদ 32 এর অধীনে, সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন সম্পর্কিত প্রতিটি বিষয়কে বিবেচনার জন্য বাধ্যবাধক, যেমন সংবিধানের তৃতীয় অংশের গ্যারান্টিযুক্ত, যা এনসিবি অমান্য করছে।

বিশেষ এনডিপিএস আদালত (মুম্বাই) আরিয়ান খান এবং অন্যান্য আসামির জামিন আবেদনের রায়কে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটির কথা উল্লেখ করে স্থগিত করার কথা উল্লেখ করে আবেদনে বলা হয়েছে যে এটি অভিযুক্তকে চূড়ান্ত অপমানের শিকার হতে হয়েছে এবং এভাবে অগণতান্ত্রিক উপায়ে ১৭ রাতেরও বেশি সময় ধরে কাউকে বন্দী করে রাখা অনৈতিক।

শিবসেনা নেতা মন্তব্য করেছেন যে, এটি সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে এবং ‘জামিনই আদর্শ, জেল হল ব্যতিক্রম’ প্রশ্ন, যা বহুবার সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বহাল এবং নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যেমন প্রাক্তন অ্যাটর্নি পুনরাবৃত্তি করেছেন ভারতের জেনারেল মুকুল রোহাতগী। ওয়াংখেড়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আবেদনে এও বলেছেন যে, অফিসারের স্ত্রী বলিউডে বড় হওয়ার চেষ্টা করছেন, আর সেই কারণেই শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নেতৃস্থানীয় নাম, তাদের পরিবার, জাতীয়-আন্তর্জাতিক মডেল, প্রযোজক-পরিচালককে এনসিবি লেন্সের আওতায় আনা হয়।

Chhatisgarh: চাপ কমাতে রাতে মদ খেয়ে পুরুষদের ঘুমোনোর পরামর্শ দিলেন নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী

drink-alcohol-and-sleep

নিউজ ডেস্ক: পুরুষদের ঘরে-বাইরে অনেক কাজ করতে হয়। এজন্য তাঁদের উপর প্রবল চাপ পড়ে। এই চাপ কমাতে বাড়ির পুরুষদের রোজ রাতে অল্প একটু মদ খেয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দিলেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অনিলা ভেদিয়া। তবে এ রাজ্যের মন্ত্রী নন, অনিলা ছত্রিশগড়ের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী।

ছত্রিশগড়ের প্রান্তিক ও গ্রামীণ এলাকাগুলিতে এমনিতেই দেশি মদের রমরমা। গ্রামীণ এলাকায় বহু গরিব পরিবারের আয়ের মূল উৎস দেশী মদ বিক্রি। বিশেষ করে গ্রামের মহিলারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। করোনা রুখতে গোটা দেশের সঙ্গে ছত্রিশগড়েও জারি করা হয়েছিল লকডাউন।

লকডাউনে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। একদিকে যেমন বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন তেমনি অন্যদিকে বেড়েছে মদ বিক্রির প্রবণতা। মদ খাওয়া নিয়ে প্রায় প্রতিটি পরিবারেই অশান্তির শেষ নেই। বিশেষত পুরুষরা মদ খেয়ে এসে পরিবারের সদস্য বিশেষ করে স্ত্রী ও সন্তানদের উপর অকথ্য অত্যাচার করে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মন্ত্রী পুরুষদের মদ খেতে বলায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। 

Chhatisgarh minister for women and child welfare Anila Bhediya

রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে আমজনতা কেউই বুঝতে পারছেন না, মন্ত্রী কোন উদ্দেশ্য সাধন করতে পুরুষদের মদ্যপানে উৎসাহিত করছেন। কয়েকদিন আগেই ছত্রিশগড় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, করোনার কারণে এবার সরকারের পক্ষ থেকে মদের হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী দল বিজেপি তীব্র সমালোচনা করেছিল। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রীর এই বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।

তবে মন্ত্রীর বক্তব্য, তিনি মদ খেতে বললেও কাউকে মদ্যপানে আসক্ত হতে বলছেন না। বরং মদের খারাপ দিকটাই তিনি বোঝাতে চাইছেন। তাই তিনি বলেছেন, পুরুষরা যেন বেশি মদ না খায়। মদ কম খাওয়াই ভাল। তাই তিনি বাড়ির মহিলাদের পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁরা যেন পুরুষদের বেশি মদ খেতে না বলেন। পরিবর্তে রাত্রে এক পেগ মদ খেয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দেন।