भाजपा चाहती है हर फैसला दिल्ली में हो, हम इसके खिलाफ :राहुल गांधी

कांग्रेस सांसद राहुल गांधी मिजोरम के आइजोल में भारतीय जनता पार्टी (भाजपा) पर जमकर निशाना साधा। उन्होंने कहा कि अधिकतर भाजपा नेताओं के बच्चे वंशवादी हैं। अमित शाह का बेटा तो क्रिकेट चला रहा है। वहीं, उन्होंने कहा कि वह विकेंद्रीकरण चाहते हैं, लेकिन भाजपा इसके खिलाफ है। कांग्रेस नेता ने कहा कि वह मिजोरम के लोगों को संदेश देना चाहते हैं, वो बहुत स्पष्ट है कि कांग्रेस पार्टी के पास एक कार्यक्रम है, एक रिकॉर्ड है।

राहुल गांधी ने आइजोल में कहा कि इंडिया गठबंधन देश के 60 फीसदी हिस्से का प्रतिनिधित्व कर रहा है। कांग्रेस नेता ने कहा कि हम विकेंद्रीकरण में विश्वास करते हैं। जबकि भाजपा का मानना है कि सभी फैसले दिल्ली में होने चाहिए।

Nagaland: নাগাল্যান্ড যাচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

Nagaland

নিউজ ডেস্ক : শনিবার রাতে অসম রাইফেলসের হাতে ১৩ জন গ্রামবাসী মারা যায়। এরপরই উন্মত্ত জনতা মন জেলার অসম রাইফেলস ক্যাম্পে ভাঙচুর চালালে এক জওয়ানের মৃত্যু হয়। এরই মধ্যে অসম রাইফেলসের গুলিতে নিহতদের ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আজ নাগাল্যান্ডের (Nagaland) মন জেলায় প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে তৃণমূল (TMC)।

দলের তরফে রাজ্যসভার সাংসদ ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন বিবৃতি দিয়ে এই ঘোষণা করেছেন। প্রতিনিধি দলে থাকছেন তৃণমূলের চার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরূপা পোদ্দার, সুস্মিতা দেব, শান্তনু সেন ও মিজোরামের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল বিশ্বজিত্‍ দেব।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে জঙ্গি দমন অভিযান চলাকালীন সেনাবাহিনীর গুলিতে ১৩ জন নিরাপরাধ গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। সংঘর্ষে নিহত হন এক জাওয়ানও। এই ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়। উত্তেজনা নিরসনে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগাল্যান্ডের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও। নিরীহ গ্রামবাসীদের মৃত্যুর সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি টুইট করেছেন, ‘নাগাল্যান্ডের খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। আমাদের অবশ্যই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে সকল ভুক্তভোগী যেন ন্যায়বিচার পান!’

প্রসঙ্গত, এই প্রথন নয়, এর আগেও দেশের নানাপ্রান্তে বিভিন্ন ঘটনার জেরে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে তৃণমূল। এনআরসির সময় অসমে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তাঁদের বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে দেওয়া হয়নি। পরে তিনসুখিয়ায় পাঁচ বাঙালির হত্যার ঘটনার পরও অসমে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। দিল্লি সীমানায় কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে গিয়েও দেখা করেছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ তৃণমূলের সাংসদ ও নেতারা। উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের পিষে দেওয়ার ঘটনার পরও সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল তৃণমূলের সাংসদের প্রতিনিধি দল। তবে সেখানে প্রিয়াঙ্কা-রাহুল সহ কংগ্রেস দল আটকে যান। এবার নাগাল্যান্ডে যাচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

Nagaland: ফের অসম রাইফেলসের গুলি চালানোর অভিযোগ, আরও মৃত্যু

Nagaland

News Desk: নাগাল্যান্ডের (Nagaland) পরিস্থিতির তীব্র উত্তেজনপূর্ণ। মন জেলার অসম রাইফেলসের বিরুদ্ধে ফের গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল। আরও দুই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর আসছে।গুয়াহাটি ও কোহিমার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর,মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬ জন। মৃতদের মধ্যে ১৫ জন নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি-ওটিং গ্রামের বাসিন্দা। মৃত এক অসম রাইফেলস জওয়ান।

পড়ুন: Nagaland: বড়দিনের আগেই রক্তাক্ত নাগাভূমি, নাগা পাহাড়ে ভয়ের মেঘ

জঙ্গি সন্দেহে গ্রামবাসী শ্রমিকদের উপর শনিবার গুলি চালায় অসম রাইফেলস। রক্তাক্ত পরিস্থিতির পর নাগাল্যান্ড সহ উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই ধিক্কার শুরু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে অসম রাইফেলস ‘ভুল’ করে গুলি চালিয়েছিল। এতে ক্ষোভ সামলানো যায়নি।

Mon district massacre

গ্রামবাসীদের গুলি করে মারার প্রতিবাদে রবিবার দুপুর থেকে নাগাল্যান্ডের মন জেলা তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। স্থানীয় অসম রাইফেলস ক্যাম্পে ভাঙচুর ও আউট পোষ্ট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্ট সামগ্রিক পরিস্থিতি নাগাল্যান্ড রাজ্য প্রশাসনের হাতের বাইরে।

গুয়াহাটির সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, আউট পোস্টে হামলা, আগুন ধরানো রুখতে শূন্যে গুলি চালায় অসম রাইফেলস। অভিযোগ এবারেও গুলি লেগে আরও দুই ব্যক্তি মারা গেছেন।

Nagaland Assam rifles

নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি-ওটিং সড়কের পাশে ওটিং গ্রামে রক্তাক্ত পরিস্থিতির প্রতিবাদে ক্ষোভ ছড়িয়েছে অসম, মেঘাল়য, মনিপুর, মিজোরামে। বিক্ষোভের আক্রোষে উত্তপ্ত পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চল।

দিল্লি সফর কাটছাঁট করে তড়িঘড়ি কোহিমা ফিরছেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও। তিনি ডিমাপুর হয়েই আসবেন। এদিকে ক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত ডিমাপুর। বিভিম্ন সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে ঘেরাও করার প্রস্তুতি চলছে। রাজধানী কোহিমা শহরেও তীব্র ক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সীমানা বিবাদে অসম-মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীরা সদর্থক, মিজোরাম নিয়ে চিন্তা

asham-meghalaya

News Desk: প্রতিবেশী রাজ্যের সঙ্গে অসমের সীমা বিবাদ দীর্ঘদিন চলছে। তারই রক্তাক্ত মুহূর্ত সম্প্রতি দেখা গিয়েছে। অসম ও মিজোরামের পুলিশ পরস্পর গুলির লড়াই চালিয়েছিল। পুলিশের গুলিতে পুলিশের মৃত্যুর এমন রক্তাক্ত পরিস্থিতি দেশে নজিরবিহীন। সেই সমস্যা কাটেনি।

শুধু মিজোরাম নয়, অসমের সঙ্গে প্রতিবেশি রাজ্য মেঘালয়ের সীমানা বিতর্ক রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান করতে অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় সরকারের তরফে। মঙ্গলবার অসম মেঘালয় সীমানার লাম্পি সফর করেন ওই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

অসমের কামরূপ জেলার বিবাদমান লাম্পিতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। প্রথমবারের জন্য এগিয়ে এসেছে ওই দুই রাজ্যের সরকার। ওই এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা ।সেইসঙ্গে সীমানা পরিদর্শন করেন।

mizoram border clash assam and Meghalya

অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান,সীমা বিবাদ মিটাতে এধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার গত ছয় মাস ধরে প্রতিবেশী রাজ্যটি সঙ্গে  সীমা বিবাদের  সমস্যা সমাধানের পথ বের করতে ব্যস্ত ছিল। আর আজ সেই পথ পেরিয়ে গেছে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বসবাস করা মানুষের মধ্যে ভাতৃত্বের  মানসিকতা, ঐক্য সম্প্রীতির মানসিকতা আমরা বের করতে হবে।  উভয়  রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এর জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। শুধু তাই নয়,এই সফর সীমা বিবাদ সমস্যা সমাধানে নতুন মাত্রা প্রদান করবে বলেও মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,

অসম সরকারের এখানে ইতিবাচক চিন্তাভাবনাকে ঐতিহাসিক বলেই মনে করেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। তিনি বলেন,সীমানা সমস্যা সমাধান নিয়ে আমাদের মধ্যে আগামী দিনে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সদিচ্ছার বার্তা ছড়িয়ে পড়বে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে  আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।

উল্লেখ্য অসম ও মেঘালয়ের মধ্যে বিতর্কিত ১২ টি বিবাদমান অঞ্চল আছে। এরমধ্যে প্রারম্ভিক পর্যায়ে ৬টি জটিল এলাকাকে নিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর কমিটিগুলো পর্যালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রীদের হাতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর শর্মা আরো জানান,প্রতিবদেন আমাদের টেবিলে আসার পর ফের আলোচনায় বসব।

<

p style=”text-align: justify;”>আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মেঘালয়ের সাথে সীমা বিবাদের সমস্যা মিটে যাবে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তবে ওই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আলোচনায় আগামী দিনে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, সেটা নিশ্চিত।

Assam: বিস্ফোরণের রেশ ধরে ফের গরম অসম-মিজো সীমানা, স্থানীয় বাঙালিরা আতঙ্কিত

aasam

News Desk: ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হাইলাকান্দি জেলার কচুরথল লাগোয়া অসম-মিজোরাম (Assam- Mizoram) আন্ত:রাজ্য সীমানা। শুক্রবার গভীর রাতে এই এলাকায় থাকা ভাইসেরা বিওপির সামনে দুষ্কৃতীরা আচমকা বিস্ফোরণ ঘটায়।

এই বিস্ফোরণে জিলেটিন স্টিক ব্যবহার করেছে বলে পুলিশ সন্দেহ করছে। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে মিজো আই আর ব্যাটেলিয়ানের এক জওয়ান। ধৃতের নাম হচ্ছে বার্ডেন থাঙমা।

ঘটনার জেরে শনিবার সকাল থেকেই হাইলাকান্দি জেলার অসম-মিজোরাম সীমানায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। ফলে সেখানে কর্মরত মিজোরামের নির্মাণ শ্রমিকরা আতংকিত হয়ে পালায়।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে একইস্থানে একটি সেতু নির্মাণ করেছিল মিজোরা। ঘটনায় এলাকাজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি হয়। দুই রাজ্য পুলিশের মধ্যে গুলি চলে ৬ অসম পুলিশ কর্মী মারা যান। আরও কয়েকজন জখম হন।

আন্ত:রাজ্য পুলিশ সংঘর্ষের এই রক্তাক্ত ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। অসমের বিজেপি সরকার ও মিজোরাম সরকার এনডিএ শরিক। কেন্দ্র সরকারের দুই শরিকদল দুই রাজ্যের সরকারে। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা পরস্পরকে ক্রমাগত দোষারোপ করতে থাকেন। রক্তাক্ত ঘটনার পরে আম্ত:রাজ্য সীমানায় মোতায়েন করা হয় আধা সেনা।

Mayanmar: Chin-Kachin সেনার মুখোমুখি হচ্ছে বর্মী বাহিনী, গণহত্যার প্রবল আশঙ্কা

myanmar-army

News Desk: টানা ৪৮ ঘন্টা ঘরে মুখোমুখি মায়ানমারের সামরিক সরকারের সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী পরিচালিত দেশটির চিন ও কাচিন প্রদেশের নিজস্ব বাহিনী।

রাষ্ট্রসংঘ আশঙ্কা করছে মায়ানমারের সেনা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নির্দেশে বর্মী সেমা ফের গণহত্যা চালাতে প্রস্তুত। যদিও www.ekolkata24.com বিশেষ সূত্র থেকে মিজোরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ড সীমান্ত লাগোয়া মায়ানমারের কিছু এলাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থার ছবি সংগ্রহ করেছে।

myanmar

দুই সেনার মুখোমুখি
বর্মী সেনা (Myanmar Army) বনাম চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) বাহিনীর সংঘর্ষ যে কোনও সময় বাঁধতে পারে। বহু বর্মী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের দিকে ঢুকেছেন, আরও আসছেন। পরিস্থিতি কেমন সেটা জানতে আগে চোখ রাখুন এলাকার মানচিত্রে।

myanmar 2

মানচিত্র
আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপারের ঘটনাবলী কেমন তা তুলে ধরছি আমরা। ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানে মায়ানমারে নির্বাচিত এনএলডি (NLD) সরকারকে উৎখাত করা হয়। সেই থেকে বন্দি মায়ানমারের সর্বচ্চো নেত্রী সু কি ও তাঁর সরকারের প্রেসিডেন্ট সহ বহু মন্ত্রী নেতারা। বর্মী জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। সেনা বাহিনীর গুলিতে মৃত এক হাজারের বেশি। শয়ে শয়ে বন্দি। দেশটির দুটি প্রদেশ চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) এর প্রাদেশিক সরকার বর্মী সেনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

myanmar 3

 

বিবিসি জানাচ্ছে, মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও রক্তাক্ত হতে পারে। কাচিন আর্মি ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স প্রত্যাঘাতের জন্য তৈরি। বোমা মেরে বিভিন্ন এলাকার সেতু ভেঙে দিয়েছে তারা।

myanmar 4

বর্মী সেনার ট্যাংক বহর দুটি প্রদেশেই প্রবেশ করতে শুরু করেছে। কয়েকটি এলাকায় হচ্ছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ।

myanmar 5

সীমান্তের এপারে মিজেরাম সরকার উদ্বিগ্ন। মিজোরামের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকে পড়া বর্মীরা শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন।

myanmar
আশঙ্কা করা হচ্ছে, সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল হ্লাইংয়ের নির্দেশ এলেই শুরু হবে চূড়ান্ত অভিযান। গণতন্ত্রী গোষ্ঠী বিশেষ করে মায়ানমার সরকারের বিরোধী সশস্ত্র চিন আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

Exclusive ছবি: মিজোরাম সীমান্ত রক্তাক্ত, ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পথে মায়ানমার

Chin defense force

বিশেষ প্রতিবেদন: গণতন্ত্র নাকি সামরিক শাসন এই প্রশ্নেই ফের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পথে মায়ানমার। এর ফলে ভারত সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। হাজার হাজার বর্মী ঢুকতে শুরু করেছেন মিজোরামে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।

কী অবস্থা এই সীমান্তের? www.ekolkata24x7.com উত্তর পূর্বভারতের একেবারে দুর্গম বিপদসংকুল আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কিছু ছবি প্রকাশ করল। এই ছবি পাঠিয়েছে মায়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকার বিরোধী গোষ্ঠি চিন ডিফেন্স ফোর্স।

Myanmar army
হামলার মুখে বর্মী সেনা

চিন জাতির প্রতিরোধ:
চিন প্রদেশের নাম এসেছে চিন জাতি থেকে। তারা মায়ানমারে দুটি প্রদেশ চিন ও কাচিনে থাকেন। মায়ানমারের চিন প্রদেশ ভারত লাগোয়া। আর কাচিন প্রদেশটি ভারত ও চিন দেশ উভয়ের নিকটস্থ।

myanmar border
মিজোরাম মায়ানমার সীমান্ত চেকপোস্ট

গত ১ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিয়ে রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করেছেন বর্তমান সেনা শাসক মিন অং হ্লাইং। ঠান্ডা মাথার সেনাপ্রধান তিনি। একের পর এক মামলায় জড়িয়ে সু কি কে বাকি জীবন জেলে রাখতে মরিয়া সামরিক সরকার।

Chin defense force
চিন গোষ্ঠীর অস্ত্র

মায়ানমারে সেনা শাসনের প্রতিবাদে সর্বাত্মক আহ্বান জানানো হয় সম্প্রতি। দেশটির নোবেলজয়ী বন্দি নেত্রী আউং সান সু কি (রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিতর্কিত অবস্থান)। তাঁকে রক্ষা করতে ও গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে অপসারিত সরকারের কয়েকজন আত্মগোপনকারী নেতা দিচ্ছেন সেনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন নেতৃত্ব।

Chin defense force
চিন গোষ্ঠীর হামলা প্রস্তুতি

গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে গণআন্দোলনে মায়ানমারের রাজধানী নেপিদ সহ বিভিন্ন প্রান্তে শয়ে শয়ে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। তবে সর্বাধিক রক্তাক্ত পরিস্থিতি মায়ানমারের চিন প্রদেশ।

অতি আগ্রাসী অঞ্চল বলে কুখ্যাত চিন প্রদেশ। এখানকার চিন জাতির মধ্যে বর্মী সেনা শাসনের তীব্র বিরোধিতা থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী বসে নেই। চলছে গুলি।  আন্তর্জাতিক সীমান্তের এদিকে মিজোরামের দুটি জেলা সাইহা ও লুংগলেই। সংঘর্ষের মাঝেই দুর্গম বন নদী পেরিয়ে মিজোরামের দিকে আসছেন মায়ানমারের চিন জাতির ঘরছাড়া, দেশহীন শরণার্থীরা।

Chin province
চিন ডিফেন্স ফোর্স চিহ্ন

পরিস্থিতি ভয়াবহ প্রতিবেশি দেশ মায়ানমারে। সে দেশের সামরিক সরকার বিরোধী গণতন্ত্রীদের সংঘর্ষ আর ‘গান্ধীগিরি’ পথ নিচ্ছে না। বরং এর উল্টো ছবিটা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। মায়ানমারে চিন প্রদেশ সরকার তাদের চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স নামিয়েছে। তাদেরই পাঠানো ছবিতে স্পষ্ট, গত কয়েকদিনে কীরকম অবস্থা সীমান্তের ওপারে।

Chin defense force
নদী পেরিয়ে মায়ানমার থেকে মিজোরামে আসছেন বর্মীরা।

মায়ানমারের চিন প্রদেশের থান্টলাং এলাকায় বর্মি সেনা ও সেদেশের গণতন্ত্রপন্থী মিলিশিয়াদের সংঘর্ষ চলছেই। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, বর্মী সেনার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণে যাচ্ছে মায়ানমারের দুর্গম এলাকায় সক্রিয় সরকার বিরোধী মিলিশিয়া চিন ডিফেন্স ফোর্স। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন মিলিশিয়া মৃত।
পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ চিন প্রদেশের থান্টলাংয়ে। বর্মী সেনারা থান্টলাং এলাকা বারবার হামলা চালায়। এর পরেই ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে আসতে শুরু করেন স্থানীয় চিন জাতির বাসিন্দারা। এমনই জানাচ্ছে উত্তর পূর্বের সংবাদমাধ্যমগুলি।

ওপারে বাড়ি জ্বলছে, রাস্তায় মৃতদেহ বর্মী সেনার ভয়ে হাজার হাজার শরণার্থী মিজোরামে

Myanmar Democratic force versus military clashes

নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে মায়ানমার। দেশটির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত, প্রধান নেত্রী আউং সান সু কি-কে বন্দি করার প্রতিবাদে বর্মী সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে নেমেছে গণতন্ত্রী মিলিশিয়া বাহিনী। দু তরফের সংঘর্ষে রক্তাক্ত মায়ানমারের চিন প্রদেশ।

বর্মী সেনার অভিযানে ঠিক কতজনের মৃত্যু তার হিসেব নেই। তবে প্রানভয়ে মায়ানমারের দিক থেকে ভারতে ঢুকে পড়া হাজার হাজার বর্মীর একটাই কথা, বাড়ি জ্বলছে রাস্তায় পড়ে বহু দেহ। বিবিসি, গার্ডিয়ানের এমন খবর।

মিজোরাম সরকার চিন্তিত। আইজলের সংবাদমাধ্যমের খবর, ভীত বর্মীরা মায়ানমারে চিন প্রদেশের বাসিন্দা। এই এলাকাটি আন্তর্জাতিক সীমান্তের মিজেরাম রাজ্য ঘেঁষা। ফলে হাজার হাজার বর্মীরা এখন মিজোরামের মাটিতে শরণার্থী। মিজোরাম সরকার কড়া চোখে রাখলেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অন্তত সাড়ে পাঁচ হাজার বর্মী নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মিজোরামে ঢুকে পড়েছেন।

মায়ানমারের চিন প্রদেশের থান্টলাং এলাকায় বার্মি সেনা ও সেদেশের গণতন্ত্রপন্থি মিলিশিয়াদের সংঘর্ষ চলছেই। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, বর্মী সেনার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণে যাচ্ছে মায়ানমারের দুর্গম এলাকায় সক্রিয় সরকার বিরোধী মিলিশিয়া চিন ডিফেন্স ফোর্স। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন মিলিশিয়া মৃত।

পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ চিন প্রদেশের থান্টলাংয়ে। বার্মী সেনারা থান্টলাং এলাকা বারবার হামলা চলায়। এর পরেই ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে আসতে শুরু করেন স্থানীয় চিন জাতির বাসিন্দারা। এমনই জানাচ্ছে উত্তর পূর্বের সংবাদমাধ্যমগুলি।

মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করে জিতেছেন সু কি এমন অভিযোগ তুলে দেশটির সেনাবাহিনী রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারকে অপসারিত করে। চলতি বছর  ১ ফেব্রুয়ারি বন্দি করা হয় সু কি সহ সরকারের সবাইকে। সেনা শাসন শুরু হয়। মায়ানমারের ক্ষমতা এখন সেনা বাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের নিয়ন্ত্রণে। গণতন্ত্র ফেরাতে তীব্র আন্দোলনে এর পর থেকে রক্তাক্ত হচ্ছে মায়ানমার।