তালিবানি জমানায় আফগানিস্তান যেন সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর হয়ে না ওঠে বললেন মোদী

Narendra Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: তালিবানি জমানায় আফগানিস্তান যেন সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘরে পরিণত না হয় সে বিষয়ে সকলকেই খেয়াল রাখতে হবে। গোটা দুনিয়া দেখছে, তালিবান কাবুলের ক্ষমতা দখলের পরেই সে দেশে মানবিক পরিষেবা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। তাই আফগান নাগরিকদের জন্য যাতে জরুরি ও মানবিক পরিষেবাগুলি পুরোপুরি বজায় থাকে সেটা নিশ্চিত করা দরকার। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে নিজের ভাষণে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

করোনাজনিত কারণে প্রধানমন্ত্রী এদিন ভার্চুয়াল বক্তৃতা দেন। সেখানেই তিনি বলেন, আফগানিস্তানে ক্ষমতা চলে গিয়েছে জঙ্গিদের হাতে। আর এই জঙ্গিগোষ্ঠীকে মদত জুগিয়ে চলেছে আমাদের প্রতিবেশী এক দেশ। প্রতিবেশী এই দেশ যে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর, সন্ত্রাসবাদীরা সেখানে নিরাপদে থাকে এটা সবাই জানে। কাজেই এই দুই দেশ যদি জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় তাহলে শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয় গোটা বিশ্বের পক্ষেই সেটা এক ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াবে। সরাসরি নাম না করলেও প্রতিবেশী দেশ বলতে মোদি পাকিস্তানকেই নিশানা করেছেন বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, আফগানিস্তানের মানুষ যাতে তাঁদের সমস্ত অধিকার বজায় রাখতে পারেন সে বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার আফগানিস্তানের উন্নয়নে একটি উদারপন্থী ও গণতান্ত্রিক সরকার গঠন খুবই জরুরি।

আমাদের মনে রাখতে হবে, কোনও প্রতিবেশী যদি দুর্বল ও অনুন্নত হয়ে পড়ে তবে পড়শিরাও খুব সুখে শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই দুর্বল প্রতিবেশীকে সবল করে তোলা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমাদের সকলকেই লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে আফগানিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়। জঙ্গিরা যাতে না সে দেশের মাটি ব্যবহার করে অন্য কোনও দেশে নাশকতা চালাতে পারে। সকলেরই মনে রাখা উচিত, সন্ত্রাসবাদীদের কোন জাত হয়না। তাদের মধ্যে কোন ভাল মন্দ হয় না। তাদের একটাই পরিচয়, তারা শুধু ধ্বংস করতে পারে। তাই সন্ত্রাসবাদীদের যদি রমরমা হয় সেটা শুধু আফগানিস্তানের জন্য নয় গোটা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেবে জঙ্গিরা ।

সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবান ও আইএস খোরাসান জঙ্গি গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। আইএস (কে) তালিবানের চেয়েও অনেক বেশি উগ্র। দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর এই লড়াইয়ে প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ আফগানবসীর। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জি-২০ মঞ্চে মোদির ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছে গোটা দুনিয়া। আমেরিকার পক্ষ থেকেও সন্ত্রাসবাদ নিয়ে একই রকম উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

Lakhimpur Kheri: মোদী-‘ঠোঙ্গি’ সবেতেই ‘বকওয়াস’, কৃষক খুনে নীরব, কংগ্রেসি কানহাইয়ার হামলা

Lakhimpur Kheri Modi jogi-kanahya kumar

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সিপিআই (CPI) ছেড়েছেন। এর পরেই ঘটেছে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘খুন’ ইস্যু। বর্তমান কংগ্রেস (INC) নেতা কানহাইয়া কুমারের (Kanhiya Kumar) যুক্তি ও প্রশ্ন হামলার মুখে পড়তে শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একের পর এক টুইট হামলায় মোদীকে জর্জরিত করতে শুরু করেছেন কানহাইয়া।

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া ও মোট ৯ জনের মৃত্যুর জেরে গোটা দেশ উত্তাল। কানহাইয়া কুমার তাঁর বর্তমান দলনেতা রাহুল গান্ধী, দলনেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সমর্থনে প্রশ্লবাণে মোদী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিজেপি সরকারকে যুক্তি জালে ঘিরতে শুরু করলেন।

কংগ্রেস নেতা কানহাইয়ার যুক্তি, সব বিষয়ে ‘বকওয়াস’ (অযৌক্তিক কথা) করা প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের মৃত্যুর পর নীরব। তাঁর নীরব থাকার রহস্য হয় তিনি কৃষকদের অন্ন খান না। বা তিনি বেইমানির কমিশন খান।

উত্তর প্রদেশের (UP) মু়খ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কটাক্ষ করে কানহাইয়ার টুইট, ‘ঠোঙ্গি জী’ যতটা শক্তি দেখিয়ে বিরোধীদের আটকাচ্ছেন, ততটা শক্তি দিয়ে বিজেপির অহঙ্কারি মন্ত্রী ও তার গোল্লায় যাওয়া পুত্রের গাড়ি আটকাতেন তাহলে নির্দোষ কৃষকদের জীবন যেত না। নিজের দেশের কোথাও যেতে পাসপোর্ট লাগবে নাকি ? কানহাইয়া কুমারের টুইট রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কার টুইটের চেয়েও ঝড়ের গতিতে দেশ জুড়ে ছড়াতে শুরু করেছে। পরপর টুইটে আক্রমণ শুরু করেছেন কানহাইয়া।

কৃষক একতা মঞ্চ, সারা ভারত কৃষক সভা (AIKS) ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের দাবি, নিহতদের পকিবার পিছু আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা সরকারি চাকরি দিয়ে এই ক্ষত মেটানো যাবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় কেন আশিস মিশ্রকে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি প্রশ্ন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র জানান, তাঁর পুত্র ঘটনাস্থলে ছিল না। এদিকে ভাইরাল ভিডিওতে উঠে এসেছে আশিস মিশ্রর গাড়ি কৃষকদের পিছন থেকে পিষে মারছে।

Politics: নেহরু থেকে কানহাইয়া, কংগ্রেসের ‘বাম’ নেতারা বরাবর সুপারহিট

Kanhaiya Kumar joins the Congress party

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: সুভাষবাবু কংগ্রেস ত্যাগ করে যেদিন ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করলেন সেদিনই ইতিহাসের কিছু নির্দেশ লেখা হয়ে ছিল। কংগ্রেসের প্রথম বড় ধাক্কা কিন্তু সুভাষচন্দ্র বসুর দলত্যাগ। ভারতীয় রাজনীতির দলত্যাগের এই নজির এখনও সমান জ্বলজ্বলে।  সুভাষবাবু বামপন্থী ছিলেন, তাঁর দলের পতাকা, নীতি আদর্শের দিকটি স্পষ্ট। কংগ্রেস তাহলে কী?

কংগ্রেস তখনও বৃহত্তম রাজনৈতিক মঞ্চ, এখনও। জাতীয় কংগ্রেস বকলমে ইন্দিরা কংগ্রেস বহুধা বিভক্ত হয়েছে, জুড়েছে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসের গর্ভগৃহ হিসেবে কংগ্রেসকে অস্বীকার করা যাবেনা। তবে কংগ্রেস ঘোষিত দক্ষিণপন্থী দল। আবার এই দলে বাম মনস্কদের সমাহার কম নয়। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (CPI) ত্যাগ করে জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন কানহাইয়া কুমার। কংগ্রেসের আদর্শে এখন তিনি চলবেন। যে কংগ্রেস জওহরলাল নেহরুর মতো সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন, সেই কংগ্রেসে সামিল আধুনিক ভারতের সমাজতান্ত্রিক তথা কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া কুমার। কানহাইয়ার দলত্যাগ ভারতের অন্যতম কমিউনিস্ট মনোভাবাপন্ন বিপ্লবী নেতা ভগত সিংয়ের জন্মদিনেই। তবে দলীয় পতাকার রং পাল্টে গেল। সিপিআই জাতীয় পরিষদ, বিহার রাজ্য পরিষদের নেতারা জানতেন কানহাইয়া যাচ্ছেন। বস্তুতপক্ষে সিপিআই কেন্দ্রীয় নেতাদের কিছুই করার ছিলনা। কানহাইয়ার মতো প্রবল জনপ্রিয়, তার্কিক নেতার কাছে দলের বাকি নেতারা তুচ্ছ তা স্পষ্ট হয়েছে মোদী জমানাতেই।

কানহাইয়া কুমারের সিপিআই ত্যাগ ইতিহাসের কয়েকটি দিক ফের দেখতে বাধ্য করছে। জাতীয় কংগ্রেসের সমাজতান্ত্রিক ও বাম মনস্ক নেতার অন্যতম নেহরু। বস্তুত নেহরু প্রায় ঘোষিত বাম ঘেঁষা নেতা ছিলেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমাজতান্ত্রিক শিবিরের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ। সেই প্রভাবে দেশের শিল্প পরিকাঠামো গড়া, কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে চলা সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্যে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।

নেহরু পরবর্তী ইন্দিরা জমানায় কংগ্রেসের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত। বাবার পথেই দেশীয় শিল্প, আর্থিক কাঠামোর জাতীয়করণে ইন্দিরা পুরোপুরি সোভিয়েত অনুগামী হন।  নেহরু-ইন্দিরার পরিচিত ও বন্ধুবলয়টি আরও লাল তারকা খচিত। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এম এন রায়, কমিউনিস্ট মার্কসবাদী নেতা জ্যোতি বসু, এস এ ডাঙ্গে, মোহন কুমারমঙ্গলম, ভূপেশ গুপ্ত, অজয় ঘোষ, পার্বতী কৃষ্ণান-কে নেই। একেবারে লাল তারার ঘেরাটোপে থেকেও নিজের মতো ছিলেন পিতা-পুত্রী।

১৯৬২ সালে ভারত-চিন সংঘর্ষের পর সিপিআই ভেঙে ১৯৬৪ সালে সিপিআইএম তৈরি হয়। নেহরু পরবর্তী জমানায় ক্ষমতা ধরে রাখতে সিপিআইএমের(CPIM) সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে সরাসরি সংঘর্ষে গেলেও সিপিআইয়ের(CPI) সঙ্গে কংগ্রেসের সংযোগ ছিল নিবিড়। সে কারণেই ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের জরুরি অবস্থা ঘোষণাকে সমর্থন করে সিপিআই। পরে অবস্থান বদলেছে এই দলটি। জরুরি অবস্থার বিরোধী নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ কংগ্রেসের মধ্যে চরম সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন। পরে তিনিই দেশের প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার গঠনের রূপকার হন।

জরুরি অবস্থার সময় দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় ছাত্র বর্তমান সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। তিনিও কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ। আর মোদী জমানাকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ বলা জেএনইউ প্রাক্তনী কানহাইয়া কুমার এখন বৃহত্তর মোদী বিরোধী মঞ্চ কংগ্রেসে সামিল। কংগ্রেসের অন্যতম আলোচিত নেতা মনিশংকর আইয়ার তাঁর বাম নীতির জন্য আলোচিত। যতটা আলোচিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তাঁর মার্কসীয় অর্থনীতির জন্য। এরা সবাই কংগ্রেসের ‘বামপক্ষ’।

সেই তালিকায় আরও এক তুখোড় ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমার এলেন। কংগ্রেসের ভাষণ দেওয়া নেতার অভাব মিটল। ক্ষয়িষ্ণু সিপিআই-তে থেকে মোদীর মুখোমুখি হওয়া আর কংগ্রেসে গিয়ে সর্বভারতীয় স্তরে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মধ্যে বিরাট পার্থক্য। যারা ময়দানি রাজনীতি করেন তারা জানেন বড় দলে খেলার সুবিধা। জার্সি বদলে সেই সুবিধা নিলেন কংগ্রেসের কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া কুমার।

মানিকের সেই “মাইনাস জিরো পারফরম্যান্স বিজেপির” মন্তব্যে তীব্র শোরগোল

Manik Sarkar

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পরিবেশ ত্রিপুরায় (Tripura)। আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম। বিজেপি জোট সরকার তীব্র বিতর্কে। ‘মাইনাস জিরো বিজেপি’ এখন ত্রিপুরা ছাড়িয়ে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে শোরগোল ফেলেছে।
মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে দলেরই পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার  (Manik Sarkar) সাংবাদিক সম্মেলন থেকে ফের ‘মাইনাস জিরো বিজেপির পারফরম্যান্স’ মন্তব্য করেন। মানিকবাবুর সেই মন্তব্য সর্বপ্রথম প্রচার করে ekolkata24.com বাংলা ওয়েব সংবাদ মাধ্যম।

পডুন গত ৮ সেপ্টেম্বরের সেই খবর

দিল্লিতে মানিক সরকার ফের একই মন্তব্য করার পরেই দিল্লির রাজনীতি উত্তপ্ত। তাঁর ভাইরাল মন্তব্যটি নিয়ে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা সরব হতে শুরু করেছেন। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়াবেন দ্রুত।

জানা গিয়েছে, বাম শাসিত কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন, কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়, পাঞ্জাব, ডিএমকে বাম কংগ্রেস জোট শাসিত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীরাও মোদী সরকারকে বিঁধতে তৈরি।

দিল্লিতে সর্বভারতীয় সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরার রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে মানিকবাবু জানান, রাজ্যটিতে আরএসএস ভয়ঙ্কর নীতির প্রয়োগশালা করার চেষ্টা করছে। ত্রিপুরা হলো আরএসএস বিজেপির রাজনৈতিক স্বৈরাচারী শাসনের গবেষণাগার।

গত ৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।সেদিন রাজনৈতিক আগুনে ত্রিপুরা জ্বলছিল। আগরতলা, উদয়পুর সহ এই রাজ্যের সর্বত্র বিরোধী দল সিপিআইএমের একের পর এক কার্যালয়ে আগুন ধরানো হয়। এমনকি আগরতলায় দলটির রাজ্য দফতর দশরথ দেব ভবন সহ দুটি সংবাদ প্রতিষ্ঠান দফতরে ভাঙচুর হয়। অভিযোগ প্রতিক্ষেত্রে পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রেখে সরকারে থাকা বিজেপির সমর্থকরা হামলা চালায়। দলীয় পতাকা নিয়ে তাদের হামলার ছবি ও রাজপথে ভীত মানুষের পালানোর দৃশ্য দেশ জুড়ে ভাইরাল হয়েছে।

হামলার নেপথ্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সম্প্রতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী নেতা মানিক সরকারের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিপিআইএম কর্মীদের আক্রমণ। নিজের বিধানসভা ধনপুরে যেতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন মানিকবাবু। তাঁর উগ্র মূর্তিতে উৎসাহী হয়ে বাম সমর্থকরা হামলা চলায় ঘেরাওকারী বিজেপি সমর্থকদের উপরে। রনে ভঙ্গ দেয় বিজেপি।

বাম সমর্থকদের হামলার প্রতিবাদে ত্রিপুরা জুড়ে ৮ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছিল প্রদেশ বিজেপি। অভিযোগ সেই সব মিছিলে বারবার হামলা চালায় সিপিআইএম সমর্থকরা। আচমকা দুপুরের পর থেকে বিজেপির সমর্থকরা উগ্রমূর্তি নেন। জ্বলতে থাকে ত্রিপুরা।

সন্ধে নাগাদ বিরোধী নেতা মানিক সরকার দাবি করেন, রাজ্যে শাসক দলের পায়ের তলায় মাটি সরে গেছে। তাদের পারফরম্যান্স ‘মাইনাস জিরো’।

সাইড লাইনে ইয়েদুরাপ্পা, বিপ্লব? বেঙ্গালুরু-আগরতলায় শোরগোল

Bjp may change cm of karnataka and tripura

নিউজ ডেস্ক: আচমকা গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে বিজয় রুপানির পদত্যাগ, তাঁর জায়গায় নতুন মুখ ভূপেন্দ্র প্যাটেল। মোদী সরকারের আমলেই তিনবার মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদলে গেল গুজরাটে। অথচ বিজেপি (BJP) সেখানে টানা ক্ষমতায়। কেন গুজরাটেই এতবার মুখ্যমন্ত্রীর বদল? নীরব সংঘ ও বিজেপি।

গুজরাটে মুখ্যমন্ত্রী বদল অপর দুই বিজেপি শাসিত রাজ্য কর্নাটক ও ত্রিপুরায় তীব্র আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। কারণ দক্ষিণ ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের দুই রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদলের দাবি উঠেছে। মনে করা হচ্ছে, কর্নাটকে যে কোনও সময় বদল করা হবে মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পাকে।

Read More: সাত বছরে সর্বাধিক কংগ্রেস নেতা-বিধায়ক-সাংসদের বিজেপি যোগ: রিপোর্ট

তবে এর আগে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর পদে তিনজন মুখ্যমন্ত্রী বদল করেছে বিজেপি। অসমের মুখ্যমন্ত্রী পদে সর্বানন্দ সোনোয়ালের বদলে আনা হয়েছে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে। অসমের প্রতিবেশি রাজ্য ত্রিপুরায় বিজেপির অন্দরমহলে তীব্র আলোড়ন। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে নিয়েই বিক্ষোভ তুঙ্গে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনেই বিক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়করা বারবার ক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাঁদের দাবি বিধানসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদল না করলে ত্রিপুরায় দলের বিলীন হওয়া নিশ্চিত।

ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির অভ্যন্তরে ক্রমে দীর্ঘ হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী গোষ্ঠী সুদীপ রায় বর্মণের ছায়া। আগরতলায় গুঞ্জন বিভেদ এমন যে যে কোনও সময় সুদীপবাবুর নেতৃত্বে অন্তত ১৬ জন বিধায়ক দলত্যাগ করবেন। তাঁরা ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যেতে পারেন। সরকার পড়েও যেতে পারে। গত বিধানসভা ভোটের আগে বিরোধী দল কংগ্রেস ছেড়ে তৃ়নমূল কংগ্রেস হয়ে শেষপর্যন্ত বিজেপিতে এরা এসেছিলেন। নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সিপিআইএম এখন প্রধান বিরোধী দল।

ত্রিপুরায় আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে নতুন করে হাজির তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার সরকার গড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি ত্রিপুরায় শক্তি জাহির করতে মরিয়া। টিএমসি সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট দাবি করেন, চাইলে যে কোনও মুহূর্তে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার ফেলে দিতে পারেন। তিনি ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রীরই ঘনিষ্ঠ মন্ত্রীরা তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া।

দলে বিক্ষোভ থামাতে গুজরাট, উত্তরাখণ্ড, অসমের মতো এবার কি কর্নাটকে ইয়েদুরাপ্পা ও ত্রিপুরায় বিপ্লবকে সাইডলাইনে ঠেলবে বিজেপি? বেঙ্গালুরু ও আগরতলায় চলছে রাজনৈতিক জল্পনা।

তালিবান ইস্যু: লক্ষ্য ভারতীয়দের উদ্ধার, ধীরে চলো নীতি মোদীর

all-party meet jaisahnkar

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন। সর্বদলীয় বৈঠকের পর কেন্দ্র সরকারের অবস্থান ব্যাখা করতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর আরও জানালেন, সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য আফগানিস্তানে আটকে থাকা ভারতীয়দের দ্রুত ফেরত আনা।

তবে বিদেশমন্ত্রকের সূত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে, আফগানিস্তানে তালিবান (Taliban) নিয়ন্ত্রণের পর নয়াদিল্লি খুবই ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশ বার্তা দিতে শুরু করেছে তালিবানকে। তাদের বার্তায় এসেছে সমর্থন ইঙ্গিত।

দিল্লিতে সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বিরোধী দলের নেতৃত্বের দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী আফগান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। ব্যাখ্যা করেন পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে। বিরোধী নেতা কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ অন্যান্য দলগুলির নেতৃত্ব ছিলেন।

আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালিবানদের একপ্রকার মান্যতা দিয়েছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক একমাত্র তালিবান। আর বিকল্প নেই। পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ টেলিফোনিক আলোচনার পরেই সর্বদলীয় বৈঠক স্থির হয়।

তালিবান সরকার: রাজনৈতিক জীবনে কঠিনতর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন মোদী

Narendra Modi wore an army uniform

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক হতে চলেছে। বৈঠকে আফগানিস্তানে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফেরানো, তালিবান (Taliban) ক্ষমতা দখলের মধ্যে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি বিচার করা হবে।
সূত্রের খবর, তালিবান জঙ্গিরা দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানে সরকার গঠনের পর ভারত সরকারের কী পদক্ষেপ হবে সেটা অন্যতম আলোচিত বিষয়।

আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালিবানদের একপ্রকার মান্যতা দিয়েছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক একমাত্র তালিবান। আর বিকল্প নেই।

পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ টেলিফোনিক আলোচনার পরেই সর্বদলীয় বৈঠক স্থির হয়েছে। বৈঠকে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট জানতে চাইবে বিরোধী দলগুলি।

গোটা বিশ্ব মুখিয়ে আফগান ইস্যুতে ভারতের ভূমিকার দিকে। রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে আফগান তালিবান ইস্যুর উপর সিদ্ধান্ত খুব গুরুত্বপূর্ণ।

তালিবান সরকার ইস্যু: পুতিন-মোদী আলোচনার পর প্রশ্ন ‘সমর্থন ইঙ্গিত’

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে তালিবান নিয়ন্ত্রণ হলেও এখনও জঙ্গিরা সরকার গড়েনি। দ্রুত সরকার গড়ার কাজ শেষ হবে জানিয়েছে তালিবান। কাবুল এখন বিশ্ব রাজনৈতিক ঘনঘটার কেন্দ্র। আফগানিস্তানে এই জঙ্গি তালিবান সরকারের প্রতি আগেই প্রচ্ছন্ন সমর্থন ইঙ্গিত দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে, আফগানিস্তানে এখন তালিবানই নিয়ন্ত্রক, এই বাস্তবতা মানছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। তবে ক্রেমলিন চায় আফগানিস্তানে যেন দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হোক।

এদিকে পুতিনের ইঙ্গিতপূর্ণ সমর্থন আসতেই কাবুলে তালিবান জঙ্গি নেতৃত্বের মধ্যে উল্লাস ছড়ায়। রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের অন্যতম চিন ও রাশিয়া ক্রমে নিকট হচ্ছে তালিবানের।

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আফগান ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুজনের মধ্যে দীর্ঘ টেলিফোনিক আলোচনা তৈরি করেছে বিশ্বজোড়া কৌতূহল। আন্তর্জাতিক মহলের প্রশ্ন ভারত কি আফগানিস্তানে সরকার গড়তে চলা তালিবানকে সমর্থন দেবে ?

Modi with putin

প্রধানমন্ত্রী মোদী আফগানিস্তান ইস্যুতে ২৬ অগাস্ট বৃহস্পতিবার সকালে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, বৈঠকে লোকসভা ও রাজ্যসভার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

আফগানিস্তানের টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের উপর আর্থিক চাপ বিরাট। কারণ বিদেশে ভারতের সর্বাধিক বিনিয়োগের খাতায় আফগানিস্তান অন্যতম। বিদেশমন্ত্রক জানাচ্ছে, আফগানিস্তানে পরিকাঠামো নির্মাণে ভারত ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। আসন্ন তালিবান সরকারের আমলে আফগানিস্তানে সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান কী হবে, তা নিয়েও সর্বদলীয় বৈঠকে আলোচনা হবে।

সরকারে বিজেপি। তালিবান যখন ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত প্রথমবার আফগানিস্তানে জঙ্গি নাশকতার সরকার কায়েম করেছিল সেই সময় ঘটেছিল কান্দাহার বিমান অপহরণের মতো মারাত্মক ঘটনা। ১৯৯৯ সালের সেই ঘটনার সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। চাপের মুখে জঙ্গি নেতা মাসুদ আজহারের মুক্তির বিনিময়ে ভারতীয় যাত্রীদের জীবন বাঁচানো হয়।

ভারতে এখন এনডিএ সরকার। ক্ষমতার কেন্দ্রে বিজেপি। আফগানিস্তানে ফের তালিবান নিয়ন্ত্রণ শুরু। ফলে বাজপেয়ী জমানার সঙ্গে মোদী জমানার কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েও চলছে আলোচনা।

মোদীর আহ্বানে সর্বদলীয় বৈঠকে সরকারপক্ষ বিজেপি ছাড়া বিরোধীদের মধ্যে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকে, সিপিআইএম, সিপিআই সহ বিভিন্ন দল থাকবে। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা থাকছে। তিনি কী বার্তা দেবেন মোদীকে সেটি বিশেষ আলোচিত। তেমনই জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। কারণ তালিবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গি সংগঠনগুলি তৎপরতা বেড়েছে।

তবে এই ধরণের আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির বার্তা বিশেষ গুরুত্ব দেয় কেন্দ্র। ইউপিএ বা এনডিএ যে কোনও সরকারের আমলেই বিদেশ সংক্রান্ত নীতির উপর বারবার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্ম সমালোচনা করেন ইয়েচুরি।

কংগ্রেস কী বার্তা দেয় তাও লক্ষ্যনীয়। ইউপিএ আমলেই আফগানিস্তানে বড়সড় বিনিয়োগের সূত্রপাত হয়। ফলে রাহুল গান্ধীর অবস্থান নিয়েও চলছে আলোচনা।

এদিকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে এখনও অনেক ভারতীয় আটকে রয়েছেন। তাদের ফিরিয়ে আনতে দিল্লি থেকে কাবুল পর্যন্ত বিশেষ বিমান পরিষেবা চালু করেছে সরকার।

করোনায় বিশ্বে শিশুমৃত্যুর এক তৃতীয়াংশ ভারতেরঃ বিশ্ব ব্যাংক

Narendra-Modi

নিউজ ডেস্কঃ বিশ্বজোড়া করোনা সংক্রমণ পরিসংখ্যান দাখিল করা ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, সোমবার পর্যন্ত কোভিড ১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় ভারত দ্বিতীয়। প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওয়ার্ল্ডোমিটার রিপোর্টে সোমবার পর্যন্ত ভারতে করোনায় মৃত ৪ লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশি। আর বিশ্বব্যাঙ্ক রিপোর্টে এসেছে করোনায় সোমবার পর্যন্ত ভারতে প্রায় এক লক্ষ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা হামলায় ১২৮টি দেশে প্রায় ২ লক্ষ ৬৭ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর এক তৃতীয়াংশ ভারতের। আরও বলা হয়েছে, করোনার কারণে বিশ্বের অর্থনৈতিক গতি ১৭ শতাংশ সংকুচিত।এর ফলে শিশু মৃত্যুর হার প্রায় ৭ শতাংশ বেড়েছে।

কেন এত শিশুমৃত্যু? প্রশ্নে জর্জরিত কেন্দ্র সরকার। যদিও বিজেপি নেতৃত্বে চলা নরেন্দ্র মোদীর সরকার দাবি করেছে, করোনা নিয়ন্ত্রণে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। তবে অভিযোগ আন্তর্জাতিক স্তরের। সেক্ষেত্রে সরকার অস্বস্তিতে। বিশ্বে করোনায় শিশু মৃত্যের খতিয়ানে এক তৃতীয়াংশ ভারতেই এটি চরম উদ্বেগের বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ভারতের থেকে কম উন্নয়নশীল দেশেও এভাবে করোনায় শিশুমৃত্যু হয়নি।

করোনায় শিশু মৃত্যুর পরিসংখ্যান আসতেই কেন্দ্রীয় সরকারের মুখ পুড়ল। বিশ্ব ব্য়াংকের রিপোর্ট নিয়ে বিরোধী দলগুলি বলছে মুখ পুড়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। 

জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দ্রুত এগোচ্ছেন মমতা

Mamata is moving fast in the race to become the Prime Minister

নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদী। দেশের জনপ্রিয়তম রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম। মাত্র সাত বছর আগে তাঁর জনপ্রিয়তার ঝড়ে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। তাঁর একক দক্ষতাতেই কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তাঁর নামই সকলের আগে। কিন্তু গত এক বছরে দ্রুতগতিতে সমর্থন কমছে তাঁর। উল্টোদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হোক, অনেকেই তা চাইছেন। গত বছরের আগস্টেও ৬৬ শতাংশ মানুষ নরেন্দ্র মোদীকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছিলেন, সেখানে এবারের আগস্টে এসে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ২৪ শতাংশে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এই ছবি। কিন্তু কেন রাতারাতি এতটা কমেছে মোদির জনপ্রিয়তা? গত ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও বিপুল সংখ্যক আসন পেয়েছিল পদ্মশিবির। এবং তাতে অন্যতম কারণ ছিল মোদী-ক্যারিশমা। কিন্তু তারপর থেকেই বিতর্কে জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাধারণ জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া, পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরী করে ফেলেছে, রান্নার গ্যাসের দামেও আগুন। এই সমস্যা ছাড়াও মনে করা হচ্ছে এর পিছনে অন্যতম ফ্যাক্টর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। বছরের শুরুতে সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে দেশে আছড়ে পড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। অতিমারী সামলাতে কেন্দ্রের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলতে থাকে বিরোধীরা।

অন্যদিকে রাজ্যের বিধানসভা ভোটে জিতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দিল্লির দিকে ছুটছেন। উত্তরপ্রদেশ ভোটেও তাঁকেই বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ করার আর্জি জানিয়েছেন অনেক বিরোধী নেতাই। শুধু দেশীয় রাজনীতিতেই নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। গত আগস্টে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছিলেন ২ শতাংশ মানুষ। জানুয়ারিতে তা বেড়ে ৪ শতাংশ হওয়ার পরে এবারের আগস্টে সেটা এসে দাঁড়িয়েছে ৮ শতাংশ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে চার নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।

‘এক ভাঁড় ১৫ লক্ষ টাকা’, মোদীকে ঠুঁকলেন চা-বিক্রেতা মদন

Madan mitra

নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্র মানেই আন লিমিটেড বিনোদন! ভোটে জেতার পর প্রথমদিন বিধানসভায় গিয়েছিলেন খোদ দুবাই থেকে আমদানী করা জুতো পা’য়ে দিয়ে। দিনকয়েক আগেই পেট্রোপণ্যের মূল্যবূদ্ধির প্রতিবাদে হাতে টানা রিকশা চালিয়েছিলেন। তারপর পেগাসাস ইস্যুতে পক্ষীরাজের আদলে সাজানো ঘোড়া নিয়ে চোখে কালো কাপড় বেঁধে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন। চলতি সপ্তাহের রবিবারও তেমনই সবাইকে চমকে দিলেন তিনি।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমানের তৃণমূল বিধায়ক রবিবাসরীয় দুপুরে নিজের পাড়া ভবানীপুরে চা বিক্রি করলেন। যার এক ভাঁড়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। চা বানাতে বানাতে দুকলি গানও গাইলেন বাংলার ক্রাশ। তাঁর পিছনে তখন অনুগামীরা সবাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ পরে দাঁড়িয়ে।

২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে বিদেশ থেকে কালো টাকা এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদরদাশ মোদী। আর তা হলে প্রত্যেক দেশবাসীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেবেন, এমনটাও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার সাত বছর পরের দেশে ফেরেনি কালো টাকা। উল্টে জ্বালানি-রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস আমজনতার। বহুদিন আগেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছে পেট্রোলের দাম। সেই সমস্ত কিছুর প্রতিবাদেই অভিনব পন্থা নিলেন মমতার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

এদিন মদন মিত্রের গলায় স্লোগান ছিল, “এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। এমন চা আমেরিকার রাষ্ট্রপতিও খাওয়াতে পারেননি। যা নরেন্দ্র মোদী আমাদের খাওয়াচ্ছেন।” অন্যদিকে ভোটে জেতার জন্য নিজের চা-বিক্রেতা ইমেজকেও হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ইমেজকেও ঠুঁকে দিলেন বাংলার এই রসিক রাজনীতিবিদ।

কাঁপছে পাকিস্তান: ভারতের নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ

Modi in UNA

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: আজ থেকে পুরো অগস্ট ভারত হতে চলেছে বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী দেশ৷ স্বাধীনতার এই একমাস বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সংস্থা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কমান্ড ভারতের হাতে চলে এসেছে। আজ পয়লা অগস্ট থেকে ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে৷

এই এক মাসে সমুদ্র নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষী মহড়া এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী আক্রমণ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মোদী হাতে থাকা ভারত। তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভারতের হাতে আসতেই বেশ চিন্তায় পড়েছে পাকিস্তান৷ কারণ, সন্ত্রাসবাদকে কঠোরভাবে আঘাত করার ক্ষেত্রে ভারতের দৃঢ় সংকল্পে ভীত পাকিস্তান৷ তাদের শঙ্কা ভারত তার শাসনকালে নিরপেক্ষভাবে কাজ করলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়বে পাকিস্তান৷

পাকিস্তানি ওয়েবসাইট ডন রিপোর্ট অনুসারে, শনিবার পাকিস্তান বিদেশ মন্ত্রক আশা প্রকাশ করেছে, ভারত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার মাসব্যাপী মেয়াদকালে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহিদ হাফিজ চৌধুরী ডনের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পাকিস্তান মনে করে ভারত তার মেয়াদকালে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির আচরণ পরিচালনার জন্য প্রাসঙ্গিক নিয়ম মেনে চলবে।

কাশ্মীরের ক্ষোভ ফের তুলে ধরে পাকিস্তানি বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, যেহেতু ভারত চেয়ারম্যানের এই পদটি দখল করেছে, আমরা তাকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জম্মু ও কাশ্মীরের উপর বাস্তবায়ন করছেন। প্রস্তাবগুলি পাকিস্তানের এই ভীতির কারণ,

ভারত যখন একমাস সভাপতিত্বের পদে থাকবে, তখন কাশ্মীর নিয়ে তারা আর প্রচার কাজ করতে পারবে না। এছাড়াও পাকিস্তানের ভয়ের একটি কারণ হল, আফগানিস্তানে তালিবানদের সমর্থন করে পাকিস্তান৷ যেখানে ভারত সবসময় সেখানে রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার কথা বলেছে এবং শান্তির পক্ষে ছিল। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান আশঙ্কা করছে, ভারত তার শাসনাকালে আফগানিস্তানে তার ঘৃণ্য প্রচেষ্টা সম্পন্ন করতে দেবে না।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হিসেবে ভারতের প্রথম কর্মদিবস সোমবার অর্থাৎ 2 আগস্ট হবে। তিরুমূর্তি জাতিসংঘ সদর দফতরে কাউন্সিলের মাসব্যাপী কর্মসূচির বিষয়ে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলন করবে৷ সেখানে বেশ কিছু লোক সেখানে উপস্থিত থাকবে এবং অন্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযোগ করতে পারবে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রকাশিত কর্মসূচী অনুযায়ী, তিরুমূর্তি জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলিকেও কাউন্সিলের সদস্য নয় এমন কাজের বিবরণ প্রদান করবে।

নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের দুই বছরের মেয়াদ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল। ২০২১-২২ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে এটিই ভারতের প্রথম সভাপতিত্বের পদ। আগামী বছরের ডিসেম্বরে ভারত আবার নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করবে।

জাতিসঙ্ঘের সভাপতিত্বের সময় ভারত সামুদ্রিক নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষা এবং সন্ত্রাস দমনের মতো বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করবে৷ এই বিষয়গুলিতে উচ্চ-স্তরের কর্মসূচির সভাপতিত্ব করবে এবং একটি কংক্রিট কৌশল তৈরির উপর জোর দেবে। তিরুমূর্তি বলেন, কাউন্সিলের অভ্যন্তরে এবং বাইরে ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার ওপর জোর দিচ্ছে।

হপ্তার মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের পথে মোদী

নয়াদিল্লি: সাত-আট মাসের মধ্যেই ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। এই পাঁচ রাজ্যের তালিকায় রয়েছে উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড রয়েছে৷ এই দুই রাজ্যে জয় পাওয়া গেরুয়া শিবিরর কাছে রাজনৈতিকভাবে বেশ গুরুপূর্ণ। সেই লক্ষ্যেই এবার বহু প্রতীক্ষিত মন্ত্রিসভার রদবদল সেরে নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

গেরুয়া শিবির সূত্র জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর এবার বড় আকারে বদল হতে পারে। আর এটাই হবে মোদীর দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম রদবদল।

ইতিমধ্যে কিছু রাজ্যের থেকে বিজেপি নেতাদের দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল রয়েছেন৷ তিনি দিল্লি এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তীরথ সিং রাওয়াতকেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হতে পারে। মাত্র চার মাস আগে তাকে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি লোকসভার সাংসদ। নিয়মানুসারে ছয় মাসের মধ্যে তাকে বিধানসভার উপনির্বাচনে জিতে আসতে হবে।

বেশ কয়েকটি রাজ্যে কিছু বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন বাকি আছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না-হলে কমিশন উপনির্বাচন করাবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। দুই মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হলে, রাওয়াত মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন। না হলে তাকে সরতে হবে। এই অবস্থায় তাকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে উপনির্বাচন হলে এবং তাতে জিতলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকতেই পারেন। রাওয়াতের সঙ্গে অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার কথা হয়েছে। তারপর তিনি উত্তরাখণ্ড ফিরে গিয়েছেন। উত্তরাখণ্ডের অজয় ভাট বা অনিল বালুনিও কেন্দ্রে মন্ত্রী হতে পারেন।

অন্যদিকে মনে করা হচ্ছে, বাংলায় বিজেপির শক্তি বাড়াতে মোদী নজর দিতে পারেন৷ সেই লক্ষ্যেই বাংলার বেশ কয়েকজনকে এবার তাঁর মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে৷ সেই কারণে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সঙ্গে একপ্রস্ত আলোচনাও সেরে নিয়েছে মোদী-শাহ অ্যান্ড কোম্পানি৷ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যের তালিকারও তৈরি করা হয়েছে, যাঁদের মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হবে৷ এই সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সামনে রেখে মোদী সরকারের উন্নয়মূলক কাজ করে বাংলার মানুষের মন জয় করতে চায় নয়াদিল্লি সরকার৷

অন্য দিকে, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি যোগ দেওয়ার সময় তাকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই প্রতিশ্রুতি পালন করা হতে পারে। উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন বলে যোগীর রাজ্য থেকে একাধিক মন্ত্রী নেওয়া হতে পারে। বরুণ গান্ধীসহ একাধিক নাম নিয়ে জল্পনা রয়েছে। আপনা দল নেত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল মন্ত্রী হতে পারেন। তার সঙ্গে আগে অমিত শাহের কথা হয়েছে। বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, নারায়ণ রানে, হরিয়ানার ভূপেন্দ্র যাদবের মতো নেতার নামও হবু মন্ত্রী হিসাবে শোনা যাচ্ছে।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দলও এবার মন্ত্রিসভায় আসতে পারে। তবে তিনি সংযুক্ত জনতা দলের থেকে দুইজনকে মন্ত্রিসভায় পাঠাতে চান। রামবিলাস পাসোয়ানের ভাই পশুপতি পরস সম্প্রতি চিরাগ পাসোয়ানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে পুরো দলের দখল নিয়ে নিয়েছেন। চিরাগ একা হয়ে গিয়েছেন। নীতীশ চাইছেন পশুপতি মন্ত্রী হোন।

বর্তমানে নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রিসভায় ৫৩ জন আছেন। আইন অনুযায়ী, আরও ২৮ জনকে নিতে পারেন মোদী। তবে একসঙ্গে অতজনকে তিনি হয়তো নেবেন না। গত একমাস ধরে মোদী বর্তমান মন্ত্রীদের সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব নিয়েছেন। তারপর রদবদল করা হচ্ছে। তাই বর্তমান মন্ত্রীদের দফতর বদলের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।