উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নে কোনও নজরই দেয়নি আগের সরকার: মোদি

Purvanchal Expressway

News Desk: দেশের বৃহত্তম পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (narendra modi)। উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নে পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে (purbanchal expressway) বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও জানালেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যথারীতি কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করলেন। বললেন, রাজ্যের ও কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকার দেশের বৃহত্তম রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লি থেকে বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে চেপে সরাসরি পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের উপর এসে অবতরণ করেন মোদি। পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনের করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিন বছর আগে আমি এই প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলাম। তখন কেউই ভাবেনি যে, তিন বছর পর আমি বিমানে চেপে এই এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করতে আসব। পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরপ্রদেশ নির্মাণের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেবে। আজ এই এক্সপ্রেসওয়ে দেশবাসী তথা উত্তরপ্রদেশের মানুষের হাতে তুলে দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।

Purvanchal Expressway

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) আগে প্রধানমন্ত্রী যথারীতি কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছেন। পাশাপাশি প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (yogi adityanath)।

মোদি বলেন, আগের সরকারের আমলে উত্তরপ্রদেশের কোনও উন্নয়ন হয়নি। শুধুই অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত ছিল। কিন্তু বিগত পাঁচ বছরের শাসনে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের সড়কে ফিরেছে।

<

p style=”text-align: justify;”>উল্লেখ্য, আপাতত ছয় লেনের হলেও পরে পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে আট লেনের করা হবে। এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ২২৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। লখনউ জেলার চৌরসরাই গ্রাম থেকে শুরু হয়ে গাজীপুরের হায়দরিয়া পর্যন্ত এই এক্সপ্রেসওয়ে বিস্তৃত। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা, সুলতানপুর, বরাবাঁকি, ফৈজাবাদ, আম্বেদকরের মতো একাধিক শহরকে যুক্ত করবে এই রাস্তা। এই রাস্তা চালু হওয়ার ফলে উত্তরপ্রদেশের একাধিক ছোট বড় শহরের সঙ্গে দিল্লির (delhi) যোগাযোগ আরও সহজ হয়ে গেল।

মোদির ৪ ঘন্টার সফরের জন্য ২৩ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করছে শিবরাজ সিং চৌহান সরকার

Narendra Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে ১৫ নভেম্বর দিনটি ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। যে সমস্ত আদিবাসী যোদ্ধা দেশের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছিলেন এই উৎসব তাদের উদ্দেশ্যে সমর্পণ করা হবে।

মধ্যপ্রদেশে জনজাতি গৌরব দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মধ্যপ্রদেশের মাত্র ৪ ঘন্টা থাকবেন তিনি। মোদির চার ঘণ্টার সফরের জন্য রাজ্যের বিজেপি সরকার খরচ করছে ২৩ কোটির বেশি টাকা।

করোনাজনিত কারণে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। অধিকাংশ মানুষের আয় তলানিতে এসে ঠেকেছে। রেশনে দেওয়া বিনামূল্যের চাল ও গম বহু পরিবারের একমাত্র সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে কেন্দ্র হুমকি দিয়েছে, তারা আর বিনামূল্যে রেশনে (ration) চাল গম সরবরাহ করবে না। কারণ তারা অযথা পয়সা খরচা করতে রাজি নয়। কিন্তু সেই মোদির জন্যই দু হাত উপুড় করে পয়সা ঢালছে মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং (shibraj ging chouhan) চৌহান সরকার।

জানা গিয়েছে, ১৫ নভেম্বর ৪ ঘন্টার জন্য ভোপালে (bhopal) আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ভোপালের জামবোরী ময়দানের মূল মঞ্চে মোদি থাকবেন মাত্র ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষকে এই অনুষ্ঠানে নিয়ে আসা হচ্ছে। তার জন্য তৈরি করা হয়েছে বেশ কয়েকটি বিশালাকার প্যান্ডেল। এক সপ্তাহ ধরে ৩০০ জনের বেশি কর্মী এই কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষকে তুলে আনতে শুধুমাত্র পরিবহণের (transportation) জন্য খরচ করা হচ্ছে ১৩ কোটিরও বেশি টাকা। এরপর রয়েছে তাদের খাওয়া-দাওয়ার খরচ। এক সপ্তাহ ধরে জনজাতি গৌরব উৎসব চলবে।

এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলেছে, মোদি সরকার একদিকে যখন মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নিচ্ছে তখন এভাবে রাজ্যের বিজেপি সরকারের মুঠো মুঠো টাকা খরচ করছে কিভাবে? অকারণে অর্থ জলে ফেলার কারণ কী? তবে মোদি বা তাঁর দলের পক্ষ থেকে এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৫ নভেম্বর ভোপালের হাবিবগঞ্জ (habibgang) স্টেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। হাবিবগঞ্জ স্টেশনটিকে একটি বিশ্বমানের স্টেশন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। বিশ্বের যেকোনও উন্নত দেশের অত্যাধুনিক স্টেশনকে চ্যালেঞ্জ দিতে পারবে হাবিবগঞ্জ স্টেশন।

Varanasi: ‘হিন্দুস্তাঁ হমারা…’ লেখক ইকবালের ছবি দিয়ে অনুষ্ঠানের ‘ভুল’ স্বীকার BHU কর্তৃপক্ষের

BHU controversy

News Desk: ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হমারা’ রচয়িতা কবি মহম্মদ ইকবালের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠান নিয়ে তীব্র চাপের মুখে ভুল স্বীকার করে নিল বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি। দেশের অন্যতম এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভুল স্বীকার করতে চাপ দিয়েছে সংঘ পরিবারের ছাত্র শাখা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (AVBP)। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

কবি মহম্মদ ইকবাল ভারত ভাগের পর পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেন। তাঁকে পাকিস্তান জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়েছে। তিনি বিখ্যাত ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হমারা’ এই উর্দু কবিতা লিখে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বেনারশ হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ তাদের পোস্টারে বিখ্যাত উর্দু কবি মুহাম্মদ ইকবালের ছবি ব্যবহার করে ৯ নভেম্বর তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে। এর পরেই এবিভিপি ছাত্র সংগঠনের চাপের মুখে সেই ছবি প্রত্যাহার করে নিজেদের ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উত্তর প্রদেশের বারাণসী থেকেই সাংসদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আরএসএসের ছাত্র সংগঠনের দাবি, কেন বিএইচইউ প্রতিষ্ঠাতা পন্ডিত মদনমোহন মালব্যর ছবি নেই উর্দু বিভাগের পোস্টারে। এই নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) উর্দু বিভাগ প্রতি বছর ৯ই নভেম্বর কবি ইকবালের জন্মদিন ‘উর্দু দিবস’ হিসেবে পালন করে। তারা একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করেছিল। সেই ওয়েবিনারের পোস্টারে কবি ইকবালের ছবি কেন আছে এবং তা নিয়ে তুমুল প্রতিবাদ জানায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। একজন পাকিস্তানি নায়ককে কেন বিএইচইউ সম্মান দেখাবে সেই প্রশ্ন তুলে কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

Assam: জঙ্গি নেতা পরেশ বড়ুয়াকে আলোচনার টেবিলে আনতে দিল্লি দৌড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

CM To Hold Talks With Ulfa (I) Chief

News Desk: মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান পরেশ বড়ুয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালাতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দ্বারস্থ হলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। দিল্লিতে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তিনদিনের দিল্লি সফরে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটি। তবে তাদের তরফে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। অসম স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার আশা করছে আলোচনায় আলফা (স্বাধীনতা) গোষ্ঠীর সুপ্রিম কমান্ডার পরেশ বড়ুয়ার উপস্থিতি থাকবেন।

দীর্ঘদিন ধরেই আত্মগোপনে অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া। তার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতা, গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। আলফা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় বারবার রক্তাক্ত হয়েছে অসম। বিভিন্ন সময়ে আলফার কয়েকজম শীর্ষ নেতা আত্মসমর্পণ করে আলোচনাপন্থী হয়েছেন। তারাও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুকূল তৈরি হলে পরেশ বড়ুয়া আলোচনায় আসতে পারেন সরাসরি।

স্বাধীনতা দিবসের দিন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরাসরি পরেশ বড়ুয়াকে আলোচনার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অসমবাসীর তরফে আপনাকে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করছি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটির নেতৃত্ব কী পথ নিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

দিল্লিতে গিয়ে বড়ুয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সবুজ সংকেত পেতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সফরে উত্তর পূর্বের অপর আগ্রাসী নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএসসিএন এনএসসিএন (খাপলাং) এর সঙ্গে শান্তি আলোচনার সূত্র খুঁজবেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

BJP: গোহারা হার, জামানত বাজেয়াপ্ত নিয়ে মোদী-শাহর ধমক খেতে তৈরি রাজ্য নেতৃত্ব

Bjp national executive committee meeting

News Desk: ছুটির দিনে বকাঝকা কারই বা ভালো লাগে। কিন্তু উপায় নেই। ধমক যে খেতেই হবে তা স্পষ্ট বঙ্গ বিজেপির (BJP) নেতাদের কাছে। তায় আবার মোদী ও শাহর জোড়া ধমক। ফলে প্রাক শীতের হাল্কা আমেজেও রাজ্য নেতাদের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছে।

উপনির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল হয়েও পরপর পরাজয়, জামানত বাজেয়াপ্ত, জয়ী আসন হাতছাড়া হয়ে রাজ্য বিজেপি নেতারা দিশাহারা। দলের অভ্যন্তরে যেভাবে একে অন্যকে হামলা করছেন তাতে শালীনতার মাত্রা যেন কর্পূরের মতো উবে গিয়েছে। হুড়মুড়িয়ে ভাঙছে বিজেপি।

Bjp national executive committee meeting

এই অবস্থায় রবিবার বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। এই বৈঠকের আলোচনায় উঠতে চলেছে বিজেপির আসন্ন রণকৌশল। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, ত্রিপুরায় দলের পরিস্থিতি নিয়েও চিন্তিত বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতারা। আপতলার নেতাদের ধমক দিতে পারেন মোদী ও শাহ।

দিল্লিতে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে থাকবেন প্রতিনিধিরা। প্রধান বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। 

<

p style=”text-align: justify;”>আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ, মণিপুর, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গুজরাট, পাঞ্জাব এবং গোয়ার ভোট। পাঞ্জাব ছাড়া বাকি এই সব রাজ্যে ক্ষমতায় তারা। তবে হিমাচল প্রদেশের উপনির্বাচনের ধাক্কা তীব্র।উত্তরাখণ্ডেও পরিবর্তন হাওয়া। মূল্য ও বেকারত্ব বৃদ্ধি, জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে মোদী সরকার। বাকি রয়েছে কৃষক আন্দোলন। এতে বিরাট চাপের মুখে মোদী। পরিস্থিতির বিচার করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বিজেপি।

Modi government: বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প বন্ধ করে দিতে চায় মোদি সরকার

free ration scheme

News Desk, New Delhi: দেশের আর্থিক পরিস্থিতি এবং কাজের বাজার আগের থেকে অনেকটাই ভাল হয়েছে। তাই বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে। অর্থাৎ বিনামূল্যে রেশন আর দেওয়ার আর প্রয়োজন নেই, এমনটাই চিন্তা ভাবনা করছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার (Modi government)।

২০২০ সালে করোনা মহামারীর আকার নেওয়ার পর বহু মানুষ তাঁদের কাজ হারিয়েছিলেন। কাজ হারিয়ে বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়েছিলেন। ওই সমস্ত মানুষের অন্নসংস্থানের জন্য এগিয়ে এসেছিল কেন্দ্র। চালু করা হয়েছিল বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প। লক ডাউনের সময় বিনামূল্যে পাওয়া চাল, গম, ছোলা বহু শ্রমিক পরিবার তথা দুস্থ মানুষের মুখে অন্ন জুগিয়েছে প্রায় বছর দেড়েক ধরে। কিন্তু সম্প্রতি গোটা দেশেই করোনা পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। কাজের পরিস্থিতিও এখন মোটের উপর স্বস্তিজনক। তাই মোদি সরকার মনে করছে, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার আর কোনও যুক্তি থাকতে পারে না।

কেন্দ্রের খাদ্য সচিব সুধাংশু পাণ্ডে এদিন জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বরের পর বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে কোনও প্রস্তাব নেই। কোনও রাজ্যের পক্ষ থেকেই বিনামূল্যে রেশন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। এটা ঘটনা যে, গোটা দেশের আর্থিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। মানুষ ফের নতুন করে তাঁদের কাজকর্ম শুরু শুরু করেছেন। খোলাবাজারেও সব ধরনের খাদ্য শস্য পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। বিক্রিবাটাও ভালই চলছে। সে কারণেই কেন্দ্রের কাছে আর বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার আর কোনও প্রস্তাব আসেনি।

উল্লেখ্য, ২০২০-র মার্চ মাসে মোদি সরকার প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা চালু করেছিল। এই যোজনায় প্রদেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে চাল, গম, ডাল ও ছোলার মত নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য দেওয়া হয়েছিল। ধাপে ধাপে এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১-এর এর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। তাই নতুন কোনও ঘোষণা না হওয়ায় ৩০ নভেম্বরের পর এই প্রকল্প বন্ধ করে দিতে পারে মোদি সরকার।

তবে বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প কেন্দ্র বন্ধ করে দিলেও একাধিক রাজ্য নিজেদের উদ্যোগেই এই প্রকল্পের খরচ বহন করবে বলে জানিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই জানিয়েছেন, তিনি বিনামূল্যে মানুষকে রেশন দেবেন। শুধু বিনামূল্যে দেওয়াই নয়, গ্রাহকদের বাড়ি গিয়ে সেই রেশন পৌঁছেও দেওয়া হবে। উত্তরপ্রদেশ সরকারও ইতিমধ্যেই আগামী বছরের হোলি পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মোদি সরকার বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প বন্ধ করার কথা চিন্তাভাবনা করলেও বাস্তবে তারা সেটা করবে না। কারণ সম্প্রতি ১৩ টি রাজ্যের ৩টি লোকসভা ও ২৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে বিজেপি। আগামী বছরের প্রথম দিকেই আরও পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন আছে। যার মধ্যে অন্যতম উত্তরপ্রদেশ।

কথায় আছে, উত্তরপ্রদেশ যে দলের সেই দলই কেন্দ্রে সরকার গঠন করে। তাই ২০২৪- এর আগে বিজেপি কোনওভাবেই উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতা হাতছাড়া করতে রাজি নয়। উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতা-সহ অন্য চার রাজ্যে ক্ষমতা দখল করতে হলে এখনই এই প্রকল্প বন্ধ করা যাবে না। কারণ এই প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হলে বড় ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়বে বিজেপির ভোটবাক্সে।

সরকার চলতে পারলে কৃষক আন্দোলনও পাঁচ বছর চলবে: টিকায়েত

Rakesh Tikayet

News Desk: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি ( modi) সরকার যদি পাঁচ বছর চলতে পারে তবে কৃষক আন্দোলনও পাঁচ বছর চলবে। তাৎপর্যপূর্ণ এই মন্তব্য করলেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত (rakesh tikayat)। নরেন্দ্র মোদি সরকারের তৈরি তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে তিনটি জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সংযুক্ত কিষান মোর্চা। দিল্লি হরিয়ানা (delhi hariyana) সীমান্তবর্তী গাজীপুর, সিংঘু এবং টিকরি এই তিন জায়গায় প্রায় এক বছর ধরে চলছে কৃষক আন্দোলন।

এই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে মোদি সরকার শেষবার আলোচনায় বসে ছিল চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি। কিন্তু ওই আলোচনায় কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। তারপর প্রায় ১০ মাস গড়িয়ে গিয়েছে। মোদি সরকার কৃষকদের সঙ্গে আর কোনও রকম আলোচনায় বসেনি। এরই মধ্যে সংযুক্ত কিষান মোর্চা মোদি সরকারকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ওই দিনই কৃষক আন্দোলনের এক বছর পূর্ণ হবে। সংযুক্ত কিষান মোর্চা মোদি সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ২৬ নভেম্বরের মধ্যে তিন কৃষি আইন নিয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে সরকার দেখবে কৃষকদের শক্তি কত।

কিষান মোর্চার ওই হুমকির পরেও মোদি সরকারের টনক নড়েনি। এই প্রেক্ষিতে টিকায়েতের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সরকার তো তাদের সঙ্গে কোনও কথাই বলছে না। তাহলে তাঁদের এই আন্দোলন কত দিন চলবে? এই প্রশ্নের উত্তরে টিকায়েত বলেন, কেন্দ্রের মোদি সরকার যদি পাঁচ বছর চলতে পারে তবে তাদের এই আন্দোলনও পাঁচ বছর চলবে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই তিন কৃষি আইন নিয়ে খুব সম্ভবত মোদি সরকার শীঘ্রই কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা ও ৩টি লোকসভা আসনে অত্যন্ত হতাশজনক ফল করেছে বিজেপি। আগামী বছরের গোড়াতেই আরও পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। যার মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হল উত্তরপ্রদেশ। এই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে হয়তো একটা সমঝোতা করবে।

কারণ সম্প্রতি হওয়া বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনে কৃষি আইন নিয়ে মানুষের ক্ষোভ উপচে পড়েছে ভোটের বাক্সে। যার ফলশ্রুতিতে বিজেপিকে ধরাশায়ী হতে হয়েছে।

প্রবল ভয় পেয়ে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে মোদি সরকার: সোনিয়া

Sonia gandhi

News Desk: একদিকে প্রবল ভয় অন্যদিকে ভোট রাজনীতি, এই দুই কারণে হঠাৎ করে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। বলা যেতে পারে মন থেকে নয়, প্রবল ভয় ও আতঙ্কের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

গত রবিবার ১৩ টি রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা কেন্দ্র ও তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, বিজেপি কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। দলের এই হতাশজনক ফলাফল ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন এবং আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলবে সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে যায় নরেন্দ্র মোদি সরকার। সে কারণেই তড়িঘড়ি পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শুধু কেন্দ্র নয়, বিজেপি যে ১০টি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সেই রাজ্যগুলিও পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেশ কিছুটা কমিয়েছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই প্রতিদিনই দেশে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছিল। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। এই মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কংগ্রেস-সহ দেশের প্রায় সবকটি বিরোধীদল। উৎসবের মরসুম শেষ হলেই চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা করেছিল কংগ্রেস। উপনির্বাচনের ফলাফল এবং আর এক মাস দুই-তিনের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার তড়িঘড়ি পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানোর পর বিরোধীরা আর আন্দোলন করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

দাম কমার পর এদিন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করে বলেন, মোদি সরকার মন থেকে নয় আতঙ্কের কারণে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লুটেরা সরকারকে আগামী নির্বাচনে উপযুক্ত জবাব দিতে হবে। এজন্য মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রিয়াঙ্কা। পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, চলতি বছরে মোদি সরকার প্রতি লিটার পেট্রোলে ২৮ টাকা এবং ডিজেলে ২৬ টাকা দাম বাড়িয়েছে। কিন্তু বুধবার পেট্রোল ৫ টাকা এবং ডিজেলে ১০ টাকা দাম কমিয়ে মোদি সরকার বলছে, এটা তাদের তরফ থেকে মানুষকে দেওয়া দীপাবলীর উপহার। আসলে এটা আরও একটা বড় জুমলা।

অন্যদিকে আরজেডি নেতা তথা দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব দাম কমানোর এই সিদ্ধান্তকে মোদির নাটক বলে কটাক্ষ করেছেন। লালুর দাবি, কেন্দ্রের উচিত ছিল প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলে ৫০ টাকা করে দাম কমানো। মোদি সরকার দাম এতটাই বাড়িয়েছে যেটা মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে। দেখা যাবে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলে ফের দাম বাড়াবেন মোদি। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা যশবন্ত সিনহা বলেছেন, পেট্রোল-ডিজেলের মাধ্যমে মোদি কোটি কোটি টাকা লুট করেছেন। মোদিজি খুব দয়াবান তাই মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পেট্রোল-ডিজেলে যৎসামান্য দাম কমিয়েছেন। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেশের বাজারে পেট্রোল-ডিজেলের দামের কী অবস্থা হয় এখন সেটাই দেখার।

BJP: তথাগতর টুইট মিসাইলের নিশানায় মোদী ও দিলীপ, বঙ্গ বিজেপিতে শোরগোল

Tathagata Roy

News Desk: ফের সরব তথাগত। দলের নেতাদের খোঁচা দিয়ে টুইট হামলা করলেন। এবার জোড়া হামলার লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তথাগত রায় টুইটে লিখেছেন, ‘সুর করে দিদি-দিদি ডাকায় যা ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে মমতাকে বারমুডা পরতে বলায়,কারণ এর মধ্যে অশ্লীল ইঙ্গিত আছে। ’বারমুডা’ কথাটা বোধ হয় নতুন শেখা হয়েছিল। নিচু স্তরের মাস্তানির সুরে “পুঁতে দেব”, “শবদেহের লাইন লাগিয়ে দেব”, এই সব কথাতেও প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।’

বিধানসভায় ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রতি জনসভা থেকে ব্যাঙ্গাত্মক বাচনে দিদি ও দিদি বলে ডাকতেন। তাঁর লক্ষ্য ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনসভা থেকে মোদীর সেই ব্যাঙ্গাত্মক ভাষণ নির্বাচনী খোরাক হয়েছিল।

https://twitter.com/tathagata2/status/1455746776737075209?s=20

একের পর এক উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ও সর্বশেষ চার কেন্দ্রে হেরে যাওয়ার পর বঙ্গ বিজেপির অভ্যন্তর এখন আগ্নেয়গিরি। এই অবস্থায় তথাগত রায় ক্রমাগত হামলা শুরু করেছেন। মোদীর সেই সুর করে দিদি বলা তাঁর টুইটে সমালোচিত হয়েছে।
এর পরেই তিনি টেনে এনেছেন বারমুডা প্রসঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ততকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বারমুডা পরানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর কটাক্ষের লক্ষ্য ছিলেন মমতা। টুইটে তথাগত রায় এই প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।

<

p style=”text-align: justify;”>তথাগত রায়ের নিশানা যে মোদী পর্যন্ত তা ভেবেই শিহরিত রাজ্য বিজেপি। তবে টুইট বাণ চালিয়েই যাচ্ছেন তথাগত রায়।

Bihar: মোদীর জনসভায় বিস্ফোরণ মামলায় ৪ জনের ফাঁসির সাজা

patna-blast

News Desk: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে মোদী দেশজুড়ে প্রচার করছিলেন। ২০১৩ সালে তেমনই জনসভা ছিল পাটনার গান্ধী ময়দানে। সেই জনসভায় পরপর বিস্ফোরণ ঘটানোয় জড়িতদের মৃত্যুদণ্ড দিল এনআইএ আদালত। দণ্ডিতরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবে।

এনআইএ আদালতে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া চারজনের নাম ইমতিয়াজ আনসারি, নোমান আনসারি, হায়দর আলি ও মুজিবুল্লাহ। দুজনের যাবজ্জীবন ও দুজনের দশ বছর কারাদণ্ড ও একজনের সাত বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে এনআইএ আদালত।

বিস্ফোরণ মামলায় মোট ১২ জনের বিচার চলেছে। একজন বিচার চলাকালীন মারা যায়। একজন মুক্তি পেয়েছে। ধৃত এক নাবালক তিন বছরের জেল সাজাপ্রাপ্ত।

লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে তৎকালীন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দলীয় প্রচার ‘হুঙ্কার ব়্যালি’-তে অংশ নিতে গান্ধী ময়দানে আসেন। ২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর সেই জনসভায় পরপর বিস্ফোরণে ৬ জনের মৃত্যু হয়। জখম হন ৮৯ জন। পাটনা ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।

গান্ধী ময়দান বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত চলাকালীন কেন্দ্রে আসে এনডিএ সরকার। মোদী হন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে তদন্ত চালিয়ে যায় এনআইএ। বিস্ফোরণ মামলায় উঠে এসেছে সেদিন জনসভায় ছটি বোমা ফাটানো হয়েছিল। একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয় পাটনা জংশন স্টেশনের শৌচালয়ে। মোদীর ভাষণ চলাকালীন পরপর চারটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

AP: প্রধানমন্ত্রীজি বাঘের বদলে গোরুকে জাতীয় পশু করুন, দাবি বাবা রামদেবের

ramdev

News Desk: জাতীয় পশু পাল্টে দেওয়া হোক। কোনও দরকার নেই বাঘের। তার বদলে গোরু হোক জাতীয় পশু। এমনই দাবি করেছেন বাবা রামদেব। মনে করা হচ্ছে তাঁর দাবির পি়ছনে রয়েছে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রচার।

সম্প্রতি বাবা রামদেব পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট খেলার বিরোধিতা করেন। সেই ম্যাচে ভারত হেরে গিয়েছে।

বাবা রামদেবের দাবি করেছেন দেশের জাতীয় পশুর পরিবর্তন করা হোক। এক্ষেত্রে তিনি গোমাতা শব্দ ব্যবহার করেছেন। অন্ধপ্রদেশের তিরুপতিতে দু দিনব্যাপী মহা গো সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সম্মেলন থেকে যোগগুরু বাবা রামদে ভাষণে বলেছেন,ভারতের জাতীয় পশু হওয়া উচিত গোমাতা।

ভাষণে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেন গোমাতা কে জাতীয় পশু করার বিষয়ে একটি আইন প্রচলন করেন। পতঞ্জলি সেবাপীঠ প্রথম থেকেই গো সংরক্ষন কর্মসূচির শীর্ষে থেকেছে। তিনি বলেন, তিরুপতির এই মহা গো সম্মেলনে গরু প্রেমীদের মধ্যে আরো বেশি করে গো মাতার প্রতি প্রেম জেগে উঠবে। খুব শীঘ্রই যেন ভারতের জাতীয় পশু হিসেবে গরুকে ঘোষণা করা হয়।

বাবা রামদেবকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ব্যবহার করবে বিজেপি। সূত্রের খবর, তবে সরাসরি তিনি বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন না। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে হিন্দু ধর্মের হয়ে প্রচার করবেন।

মোদি সরকার আমাকে রোমে যেতে দেয়নি, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ মমতার

mamata in goa

News Desk, Kolkata: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ভাটিক্যান সিটিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে আলিঙ্গনের ছবিও টুইট করেছেন। মোদির ছবি দেখেই গর্জে উঠলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল নেত্রী এদিন গোয়ায় বলেন, আমারও রোমে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার আমাকে সেখানে যেতে দিল না। বিজেপি যখন আমার ইতালি সফর আটকে দিল তখন কিন্তু কংগ্রেস বা অন্য কোনও দল এ ব্যাপারে একটি কথাও বলেনি। বিশ্ব শান্তি বৈঠকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ওই সম্মেলনে যোগ দিলে আমিও পোপের সঙ্গে দেখা করতে পারতাম।

কিন্তু মোদি সরকার আমার সেই সুযোগ কেড়ে নিল। আসলে মোদি সরকার চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ। মোদি সরকারের সর্বদাই বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আসলে মোদি সরকার সব সময় আতঙ্কে থাকে। তাদের ভয় এই বুঝি তাদের প্রকৃত পরিচয়টা কেউ প্রকাশ্যে নিয়ে আসবে। সে কারণেই তারা বিরোধীদের কোনও রকম সুযোগ দিতে রাজি নয়। কোথাও যেতে দিতেও নারাজ।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করার পর তৃণমূল নেত্রী এখন বেছে নিয়েছেন ত্রিপুরা ও গোয়াকে। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভার নির্বাচন। তাই এখন থেকেই তিনি এই রাজ্যের জন্য জোরকদমে তৃণমূলের কার্যকলাপ শুরু করেছেন। লুইজিনহো ফেলেইরো-সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি নাফিসা আলি, লিয়েন্ডার পেজের মত সেলিব্রিটিরাও তৃণমূল নেত্রীর উপস্থিতিতে তাঁর দলে যোগ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস এবার বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না। যে কারণে তৃণমূল নেত্রী নিজেই গোয়ায় গিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন। মমতা গোয়ার বাসিন্দাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূল ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের রাস্তায় ফিরবে গোয়া। বিজেপির শাসনে এই রাজ্যের মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁরা নিজেদের স্বাভাবিক মতামত প্রকাশ করতে পারেন না। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে এই দমবন্ধ পরিস্থিতি বদলে দেবেন। মানুষের জীবনে হাসি আনবেন।

G 20: মাস্ক বিহীন মোদীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা আন্তর্জাতিক মহলে

modi-mask

News Desk: একের পর এক ছবি। কখনও রাষ্ট্রপ্রধান, তো কখনও পোপ সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এমন কোভিডবিধি লঙ্ঘন ঘিরে বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

বিশ্বনেতাদের আলিঙ্গনের মুহূর্তে মাস্ক ছাড়া ছবিতে বিতর্কের মুখে নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন, ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মগুরু পোপের সঙ্গে সাক্ষাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মাস্ক কেন ছিল না। উঠছে এই প্রশ্ন।

জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ইতালি এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন রাষ্ট্র নেতাদের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে দেখা যাচ্ছে। কেন এমন করছেন তিনি? প্রশ্ন বিশ্বজুড়ে। অথচ মোদীর সফরে থাকা

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের মুখে মাস্ক ছিল। অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানরা মাস্ক পরেছিলেন।

ভারতে ফের বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। আর ভারত থেকেই জি ২০ তে যোগ দেওয়া মোদীর কোভিড বিধি না মেনে চলার অভিযোগ ঘিরে সরগরম আন্তর্জাতিক সম্মেলন মঞ্চ।

UP Election: ৩০০ + আসন টার্গেট দিলেন অমিত শাহ

amit shah

News Desk: আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হচ্ছে বিপুল ভোটে। এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন ৩০০ টির বেশি আসন নিয়ে রাজ্যে ফের যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে সরকার পুনরায় গঠিত হবে।

গত বিধানসভা ভোটে উত্তর প্রদেশে ৩১৪ টি আসন নিয়ে সরকার গড়ে এনডিএ জোট। ৩০৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি আর বাকি ৯টি আসনে জয়ী হয় আপনা দল। বিরোধী সমাজবাদী পার্টির দখলে ৫০টি আসন সহ বাকিদের মিলিয়ে মোট ৮১টি আসন রয়েছে।

অমিত শাহ টার্গেট ঠিক করে দিয়ে বলেন, কেন্দ্রে মোদীর নেতৃত্বে শক্তিশালী ভারত সরকার গড়তে উত্তর প্রদেশে যোগী সরকার জরুরি। নির্বাচন উপলক্ষে বিজেপির প্রচার কর্মসূচির সূচনা করেন অমিত শাহ।

উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের জন্য বিজেপি ‘মেরা পরিবার ভাজপা পরিবার’ কর্মসূচি নিয়েছে। দলীয় প্রচারকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের নিজ পক্ষে টেনে আনবেন। এমনই জানান অমিত শাহ।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৫ বছরে কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতির নব্বই শতাংশ কাজ করেছে। সেই নিরিখেই নির্বাচনে পুনরায় জয়ী হবে বিজেপি।

Bihar: দুধেল গাই ছিল রেল, তাকে বেচে দিয়েছে মোদী, ময়দানে চিৎকার লালুর

lalu-prasad-yadav

News Desk: চুটকুলা আন্দাজ, মুচকি হাসির সেই লালু ফের ময়দানে, রাজনীতি সরগরম। বিহারে ফের আবির্ভাব লালুপ্রসাদ যাদবের। রাজনৈতিক মঞ্চে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে জেল খাটা আরজেডি প্রধানের রঙ্গিলা এন্ট্রিতে মাতোয়ারা বিহার ও পুরো দেশ।

বিহারে মাত্র দুটি আসনে উপনির্বাচন। সেটা ঘিরেই বিহার তপ্ত হয়ে গিয়েছে। লালুপ্রসাদ যাদব বিশেষ আইনি প্রক্রিয়ায় জেল থেকে বিহারে ফিরেছেন। উপনির্বাচন প্রচারে নেমেই প্রধানমন্ত্রী মোদীকে কটাক্ষ করে লালুপ্রসাদের কটাক্ষ, দেশের রেল ব্যবস্থা ছিল দুধেল গাই। তাকেই বেচে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবল আলোড়ন পড়েছে এই ভাষণে।

ভাষণে লালুপ্রসাদ বলেন, তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন এক টাকা ভাড়া বাড়িয়ে দেননি। এখন রেল আর সাধারণ মানুষের নয়।

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় লালুপ্রসাদ যাদব ঝাড়খণ্ডের রাঁচি জেলে বন্দি ছিলেন। অসুস্থ হয়ে দিল্লির এইমসে চিকিৎসাধীন হন। সেখান থেকেই বিহারে ফের এন্ট্রি নিলেন। আসন্ন ছট পুজোর আগে রাজনৈতিক মহলে চমক লেগেছে লালুপ্রসাদের এন্ট্রিতে।

বিহারের তারাপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রচার করলেন লালুপ্রসাদ যাদব। সেখানেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে ফের কটাক্ষ করেন। লালুপ্রসাদ বলেন, গুলি করে মারব না তোমাকে। তুমি তো এমনিই মরে যাবে। আগেই লালুপ্রসাদের আগমন ও তার সরকারের সময় ‘জঙ্গলরাজ’ পরিস্থিতি টেনে কটাক্ষ করে নীতীশ কুমার বলেছিলেন, ও আমাকে গুলি করে মারতে পারে। নীতীশের বিস্ফোরক মন্তব্যের জবাব চুটকি দিয়ে উড়িয়েছেন লালুপ্রসাদ। পুরনো জোট প্রসঙ্গ টেনে লালু বলেছেন, আমি নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিলাম। ও এখন মোদীর কোলে দোল খাচ্ছে।

নীতীশ কুমারের জেডিইউ ও বিজেপি জোট বিহারে ক্ষমতাসীন। গত নির্বাচনে তারা সরকার ধরে রাখে। আরজেডির মহাজোট হয়েছে বিরোধী। ঝাড়খণ্ডের মতো বিহারেও লালুপ্রসাদ যাদব ছিলেন মহাজোটের মুখিয়া। তবে ঝাড়খণ্ডে তিনি সফল হলেও নিজ রাজ্য বিহারে পাশ করতে পারেননি। নির্বাচনের সময় জামিন নিয়ে বিস্তর জট কাটিয়েও প্রচারে আসতে পারেননি। আইনি প্রক্রিয়ায় বিহারে এসেই লালপ্রসাদ শুরু করেছেন তাঁর পুরনো আন্দাজের চুটকি রাজনীতি।

RSS: মোদী সরকারের উপর ক্ষুব্ধ সংঘ, দেশব্যাপী বিক্ষোভ

Modi Vs RSS

নিউজ ডেস্ক: সংঘ ক্ষুব্ধ (RSS)। সংঘীদের রাগ গিয়ে পড়েছে মোদী সরকারের উপরে। রাগের কারণ, সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ নীতি। আরএসএসের শ্রমিক শাখা ভারতীয় মজদুর সংঘ (BMS) জানিয়েছে, আগামী ২৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন হবে।

সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ বিরোধিতায় ডান-বাম কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি বারবার অবস্থান বিক্ষোভ, শিল্প ও খনি ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। দেশজুড়ে এই ধর্মঘটগুলি সরকারিক্ষেত্রে বারবার প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা বিক্রির বিরোধিতায় ইনটাক (INTUC), আইটাক (AITUC), সিটু (CITU) সহ শ্রমিক সংগঠনগুলি সামিল হয়। কিছুক্ষেত্রে বিএমএস (BMS) এক মঞ্চে আসে।

এবার বিএমএস একলাই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে। বিক্ষোভ কর্মসূচির বিষয়ে জানান, বিএমএসের সর্বভারতীয় সম্পাদক গিরিশচন্দ্র আর্য। তিনি বলেন, সরকার যে বিলগ্নিকরণ নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদ হবেই। অন্যান্য কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি এই বিরোধিতায় সামিল হোক। বিএমএস দেশজুড়ে ধর্না কর্মসূচি পালন করবে।

বিএমএস সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারে কে আছে তা বিচার্য নয়। দরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার বিলগ্নিকরণ নিয়ে সরকারের ভূমিকার বিরোধিতা। বিএমএস সেটাই করছে। তাঁর প্রশ্ন, লাভজনক সরকারি সংস্থাগুলি কেন কেন্দ্র সরকার বিক্রি করতে চাইছে?

বিএমএস সাধারণ সম্পাদকের আরও অভিযোগ, সরকার যে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরিকল্পনা করে তারা কিছুই জানেন না। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সরকারি সম্পত্তির বিক্রয়কে আড়াল করতে চাইছেন।

কৃষকদের দাবি না মানলে মোদি সরকারের ক্ষমতায় ফেরা অসম্ভব, বললেন বিজেপি ঘনিষ্ঠ সত্যপাল মালিক

Satyapal Malik

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কৃষকদের তোলা তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানালেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। রাজ্যপাল মালিক এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট বলেছেন, কৃষকদের দাবি মেনে তিন কৃষি আইন বাতিল না করা হলে মোদি সরকার ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। মেঘালয়ের রাজ্যপাল সত্যপাল বিজেপির অত্যন্ত কাছের মানুষ হিসেবেই পরিচিত। তাই সত্যপালের এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

কৃষকদের দাবি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, উত্তরপ্রদেশের বহু গ্রামে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, বিজেপি নেতারা সেখানে ঢুকতে পারছেন না। সত্যপাল উত্তরপ্রদেশের মিরাটের বাসিন্দা। তিনি বলেন, মিরাটের বহু গ্রামে বিজেপি নেতারা এখন আর ঢুকতে পারেন না। তবে শুধু মিরাট নয়, বাগপত, গোরক্ষপুর, মুজাফফরনগর-সহ বহু গ্রামে একই ছবি।

মোদি সরকার যদি আইন বাতিলের দাবি না মানে তাহলে তিনি কি কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পদত্যাগ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে সত্যপাল বলেন, তিনি সর্বদাই কৃষকদের পাশে রয়েছেন। তবে পরিস্থিতি এতটা খারাপ নয় যে, তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। তবে প্রয়োজন হলে তিনি অবশ্যই পদত্যাগ করবেন।

তিন কৃষি আইন নিয়ে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান সূত্রও বাতলেছেন সত্যপাল। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি আইনগতভাবে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা দেয় তাহলেই তো সব সমস্যা মিটে যাবে। ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের নিশ্চয়তা পেলে কৃষকরা অবশ্যই তাঁদের আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন। কিন্তু সরকার এই সামান্য কাজটুকু করছে না। সত্যপালের দাবি তিনি বিষয়টি অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন। সরকারিভাবে তিনি প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এবিষয়ে অবশ্য কোনও কথা বলেননি। ভবিষ্যতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই দুইজনকে কৃষি আইন নিয়ে তার মতামত আবারও জানাবেন বলে রাজ্যপাল জানান।

রাজনীতির মঞ্চে সত্যপাল মালিক বিজেপির অত্যন্ত কাছের লোক বলে পরিচিত। সত্যপাল পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের জাঠ বলয়ের নেতা। তাই সত্যপালের এই বক্তব্যকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

P Chidambaram: মোদি-সরকার তোলাবাজি করছে, কড়া ভাষায় কেন্দ্রকে আক্রমণ চিদম্বরমের

Former Finance Minister P Chidambaram’s attack on Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সরাসরি কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে তোলাবাজ বলে উল্লেখ করলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম (P Chidambaram)। এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শনিবার বলেন, সাধারণ মানুষকে চরম দুর্বিপাকে ফেলে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিদিন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকী, মাসের শুরুতেই বাড়াচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম এখনও যথেষ্ট কম। তবুও মোদি সরকার পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসের উপর নিজেদের ইচ্ছামত কর চাপিয়ে কার্যত তোলাবাজি চালাচ্ছে।

নিজের দাবির সপক্ষে চিদাম্বরম পরিসংখ্যানও পেশ করেন। দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, এক লিটার পেট্রোলের দাম যদি ১০২ টাকা হয় তাহলে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলি প্রায় ৪২ টাকা। কিন্তু মোদি সরকার এক লিটার পেট্রোল থেকে নিজেদের কোষাগারের নিয়ে যাচ্ছে ৩৩ টাকা। পিছিয়ে নেই রাজ্যগুলিও। তারা প্রতি লিটার পেট্রোল থেকে ২৪ টাকা আয় করে। অর্থাৎ পেট্রোলের দামের উপরে ৩৩ শতাংশই রয়েছে কেন্দ্রের কর। এটা তোলাবাজি ছাড়া আর কি হতে পারে! মোদি সরকার এটা জানে না যে, পেট্রোপণ্যের উপর এভাবে কর চাপিয়ে দিয়ে আয় বাড়ানোর পশ্চাদমুখী পদক্ষেপ। তাদের এই পদক্ষেপের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় গরিব মানুষকে কারণ দেশে গরিব ও বড়লোক সকলকেই সম পরিমাণ করে দিতে হয়।

চিদম্বরম পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কথা বলতে গিয়ে টেনে আনেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জমানার কথা।প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, মনমোহন সিংয়ের আমলে আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে সময়েও পেট্রোল-ডিজেলের দাম দেশের বাজারে ৮০ টাকা ছাড়ায়নি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অনেক চড়া দামে পেট্রোল কিনে মনমোহন সরকার দেশের মানুষের কাছে সস্তায় পৌঁছে দিত। কিন্তু সে সময়ও বিজেপি তেলের দাম কমানোর জন্য প্রচুর আন্দোলন করেছে। সেই বিজেপি এখন কোথায় গেল? এখন তো আন্তর্জাতিক বাজারে এক ব্যারেল তেলের দাম ৭০ ডলার। তাহলে কিভাবে দেশের বাজারে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায় পেট্রোলের দাম। পেট্রোলের দাম এভাবে কেন বাড়ছে মোদি সরকার তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষকে সবকিছু জানানো।

মোদি সরকার এখন বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ফলে দেশের বাজারেও পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ছে। এক্ষেত্রে তাদের কিছু করার নেই। কিন্তু গত বছর যখন পেট্রোল-ডিজেলের দাম মাইনাসে চলে গিয়েছিল সে সময়ও কেন দেশে একটি টাকাও দাম কমেনি পেট্রোল-ডিজেলের। মোদি সরকার আগে তার উত্তর দিক। আসলে মোদি সরকার অত্যন্ত লোভী।

এই সরকারের আমলে দেশের আর্থিক কর্মকাণ্ড থেমে গিয়েছে। তাই সরকারের আয়ের কোনও জায়গা নেই। আয় বাড়াতেই সরকার পেট্রোল ডিজেলের উপর কর চাপিয়ে চলেছে। এই একটিমাত্র উৎসের উপর এভাবে কর না চাপিয়ে সরকারের উচিত কিভাবে আয় বাড়ানো যায় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া। কিন্তু মোদি ও তাঁর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন অর্থনীতির এই প্রাথমিক সূত্রগুলো বোধহয় জানেন না।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, করোনা বিধি শিথিল হওয়ায় প্রায় প্রতিটি দেশেই যানবাহনের চলাচল বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে জ্বালানির চাহিদা। তাই আগামী কয়েক মাসে চাহিদার তুলনায় জোগান না বাড়লে পেট্রোল-ডিজেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

Rao Inderjit Singh: শুধু মোদির নামে ভোট চাইলে জেতা অসম্ভব, স্বীকার করে নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Union Minister Rao Inderjit Singh

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা নিজের দলের অন্দরেই কি ক্রমশ কমছে! সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিংয়ের এক বক্তব্যে সেই ধারণাই স্পষ্ট হয়েছে। জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে তাই নয় শুধু মোদির নামে আর ভোট পাওয়া যাবে এমন কোনও নিশ্চয়তাও নেই। তাই কেন্দ্র ও হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখল করতে শুধু মোদির নামের উপর নির্ভর করলে চলবে না।

মোদির জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ। মোদি একের পর এক সভা করলেও পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তিনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০১৪-র আগে মোদির যে জনপ্রিয়তা ছিল তা আজ তলানিতে এসে ঠেকেছে।

হরিয়ানায় বিজেপির এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকেই কর্পোরেট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ সিং দলীয় নেতাদের বলেন, মোদির জনপ্রিয়তা আজও আছে এটা ঠিক। কিন্তু শুধু তাঁর নামে ভোট চাইলে যে জয় আসবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। নরেন্দ্র মোদির নাম বাদ দিয়েও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই চেষ্টা করতে হবে। মোদির জনপ্রিয়তাকে কিভাবে ফের চাগিয়ে তোলা যায় তাও ভাবতে হবে দলের নেতাকর্মীদের।

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক আন্দোলন আমাদের যথেষ্টই বিপাকে ফেলেছে। কৃষকদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা মানুষকে বিজেপি সরকারের উপর ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। মানুষের রোষ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিও। সে কারণে আমরা যদি শুধুমাত্র মোদির উপরে নির্ভর করে নির্বাচনী ময়দানে নামি তাহলে দলের জয় সম্পর্কে একটা সন্দেহ থেকেই যায়। শুধু মোদি-মোদি করে কখনওই চিরকাল চলতে পারে না। মোদিকে ছাড়াও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় কেন্দ্র এবং হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠনের আশা আমাদের ছাড়তে হবে।

এয়ার ইন্ডিয়ার পর সেলকে বিক্রি করতে মাঠে নামল মোদি-সরকার

narendra modi

নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার পর এবার সেন্ট্রাল ইলেকট্রনিকস লিমিটেড বা সেলও বিক্রি হয়ে যেতে চলেছে। বেশ কয়েকটি সংস্থা সেল কেনার জন্য দরপত্র জমা দিয়েছে। বর্তমানে সেইসব দরপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিলগ্নীকরণ মন্ত্রক এই দরপত্র আহবান করেছিল।

কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের বিনিয়োগ সংক্রান্ত দফতরের সচিব তুহিনকান্ত পান্ডে জানিয়েছেন, সেলের বিলগ্নীকরণ করার উদ্দেশ্যে সরকার দরপত্র প্রকাশ করেছিল। একাধিক সংস্থা এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে কিনতে আগ্রহ দেখিয়ে দরপত্র জমা দিয়েছে। বর্তমানে বিলগ্নীকরণ মন্ত্রক সেই সমস্ত দরপত্র খতিয়ে দেখছে।

জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সেলকে সেই সংস্থার হাতেই তুলে দেবে যে সংস্থা ২০১৯ অর্থবর্ষে ন্যূনতম ৫০ কোটি টাকা লাভ করেছে। পাশাপাশি কেন্দ্র শর্ত দিয়েছে, বেসরকারিকরণের তিন বছরের মধ্যে ওই সংস্থা সেলকে বিক্রি করতে পারবে না।

কিছুদিন আগেই এয়ার ইন্ডিয়াকে বেসরকারি সংস্থা টাটা গোষ্ঠীর হাতে তুলে দিয়েছে মোদি সরকার। এবার পালা সেলের। তবে এখানেই যে মোদি সরকার থেমে থাকবে তা নয়। একাধিক লাভজনক রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থাকেও বেসরকারিকরণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে মোদি সরকার। আগামী দিনে জীবনবিমার মতো লাভজনক সংস্থাকেও বেসরকারিকরণ করা হবে বলে সূত্রের খবর। সেই লক্ষ্য পূরণে ইতিমধ্যেই একধাপ এগিয়ে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ইতিমধ্যেই তিনি বিমায় বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য দরজা খুলে দিয়েছেন।

একাধিক লাভজনক সংস্থাকে মোদি সরকার যেভাবে বেসরকারি হাতে তুলে দিচ্ছে তাতে অশনি সঙ্কেত দেখছেন বিরোধী রাজনীতিকরা। তাঁরা মনে করছেন, আগামী দিনে সব সরকারি সংস্থাই বেসরকারি হাতে চলে যাবে। ইতিমধ্যেই রেলের বিভিন্ন স্টেশনের দায়িত্ব বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি দেড়শতাধিক ট্রেনও চালানোর দায়িত্বও বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি করণের সর্বশেষ সংযোজন হতে চলেছে সেল।

ভারতের অন্যতম প্রাচীন সরকারি সংস্থা সেন্ট্রাল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের শাহিবাবাদে এদের কারখানা। এই কারখানাতেই দেশের প্রথম সোলার সেল তৈরি হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে এই সংস্থা তৈরি করেছিল সোলার প্যানেল।