Mamata Banerjee Nepal visit: তৃণমূল নেত্রীর নেপাল সফর বাতিল করল মোদী সরকার

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: নরেন্দ্র মোদী সরকারের ছাড়পত্র না মেলায় একেবারে শেষ মুহূর্তে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেপাল সফর বাতিল হল। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। নেপালী কংগ্রেসের (nepali congress) ২৪ তম সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১১ ডিসেম্বর শনিবার (Saturday) কাঠমান্ডু (kathmandu) রওনা হওয়ার কথা ছিল মমতার। কিন্তু শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদী সরকার মমতার সফরের কোনও অনুমতি দেয়নি। যদিও বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য কারও পক্ষ থেকেই কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর তৃণমূল নেত্রী নেপাল যাচ্ছেন না, এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই ইতালি যেতে পারেননি মমতা। সেবার বিশ্ব শান্তি সংস্থার এক অনুষ্ঠানে রোমে আমন্ত্রিত ছিলেন নেত্রী। কিন্তু সেবারও বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে রোম সফরের অনুমতি দেয়নি মোদী সরকার। যদিও সে সময় অবশ্য কেন্দ্রের অনুমতির থেকেও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল করোনার টিকা কোভ্যাকসিন। কারণ যে সময় মমতার ইতালি যাওয়ার কথা ছিল সে সময় কোভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মমতা কোভ্যাকসিন নেওয়ায় ইতালি যাওয়ার অনুমতি পাননি। যদিও তার কিছুদিন পরেই কোভ্যাকসিন নিয়ে মোদী আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন। মোদীর ক্ষেত্রে কোভ্যাকসিন কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছিল।

এখন প্রশ্ন হল, এই মুহূর্তে কেন মমতাকে নেপাল যাওয়ার অনুমতি দিল না কেন্দ্র। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সম্প্রতি ভারত, নেপাল ও চিনের মধ্যে সম্পর্কের এক নতুন রসায়ন তৈরি হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই চিনের সঙ্গে নেপালের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে নেপাল ভারত বিরোধী ভূমিকা নিয়েছে। নর্থ ব্লকের ধারণা, নেপালের এই ভারত বিরোধিতার পিছনে আছে বেজিং। জিনপিং সরকারের মদতেই নেপাল ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। সে কারণেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেত্রীকে নেপাল যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হল না।

অন্য একটি মহল থেকে বলা হচ্ছে, বিদেশমন্ত্রক নেপালী কংগ্রেসের ওই অনুষ্ঠানে মমতাকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিল। কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক জানতে চেয়েছিল, কী করে বিদেশের একটি রাজনৈতিক দল ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীকে আমন্ত্রণ জানায়? যদিও কেন্দ্রের ওই প্রশ্নের উত্তরে নবান্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, মমতাকে তৃণমূল নেত্রী হিসেবে নয়, তাঁকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নবান্নের উত্তরের পর বিদেশ মন্ত্রক অবশ্য আর কোন কথা বলেনি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কেন্দ্র মমতাকে অনুমতি না দেওয়ায় এবারও মমতার নেপাল সফর বাতিল হচ্ছে।

এ ঘটনায় সরাসরি না বললেও ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগ করেছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে, যেহেতু গোটা দেশের মধ্যে একমাত্র মমতাই বিজেপিকে রুখতে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে সে কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে থাকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে নেপাল যেতে দিল না মোদী সরকার।

Bipin Rawat Last Rites: শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে বিরোধীদের ১ মিনিট সময় দিচ্ছে না মোদী সরকার ! বিতর্ক

modi bipin

News Desk: বিরোধীদের অভিযোগ, মোদী সরকার যা-ই করুক সবই ভোটের লক্ষ্যে করে। আরও উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাব বিধানসভায় ভোটের দিকে তাকিয়েই দুর্ঘটনায় প্রয়াত সেনা সর্বাধিনায়ক (chief of defence staff) বিপিন রাওয়াতের (Bipin Rawat Last Rites) প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে রাজনীতি করছে কেন্দ্র সরকার।

একাধিক বিরোধীদল অভিযোগ করেছে, মোদী সরকার প্রয়াত জেনারেল রাওয়াত ও বাকি জওয়ান অফিসারদে প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগটুকুও দিচ্ছে না।

কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নাইডুকে অনুরোধ করেন, সেনা সর্বাধিনায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এক মিনিট করে সময় দেওয়া হোক। নাইডু সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন।

এর পরেই বিতর্ক প্রবল আকার নেয়। বিরোধীদের শোক প্রকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদ জানাতে বিভিন্ন দল রাজ্যসভা ত্যাগ করে।

রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ অবশ্য বলেছেন, অধিবেশনের শুরুতেই তিনি রাওয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। ওই বিবৃতি তিনি সভার সকল সদস্যের হয়েই দিয়েছেন। তাই প্রত্যেক সদস্যের আলাদা করে আর শোকজ্ঞাপনের কোনও প্রয়োজন নেই।

হরিবংশেরই কথায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি বিরোধীরা। রাজ্যসভার বাইরে বিরোধী সাংসদরা সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন। তারা বলেন, শাসকদল একজন মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর নিয়েও রাজনীতি করছে।

কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন বলেন, সভাকক্ষে আমাদের রাওয়াতের প্রতি শোক প্রকাশ করার সুযোগই দেওয়া হল না। সরকারের এই আচরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছ যে, দেশে কী ধরনের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চলছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেন, মোদী সরকার রাওয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের বিষয়টিতেও নিজেদের একচেটিয়া আধিপত্য রাখতে চাইছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত লজ্জাজনক। একজন মৃত মানুষকে নিয়ে এধরনের ঘৃণ্য রাজনীতি করা এক নিচু রাজনীতির পরিচয়।

শুক্রবার সকালে অবশ্য রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল রাওয়াতের প্রতি শোক জানিয়ে আসেন। শুক্রবার সেনা সর্বাধিনায়কের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

India Russia Summit: আগামী দিনে ভারত রাশিয়া সম্পর্ক আরও উন্নত হবে, দাবি পুতিন-মোদীর

PM Modi meets Putin

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনেই সোমবার রাজধানী দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে (hyderabad house) রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির (Vladimir Putin) পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। এদিন বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতা সন্ত্রাস দমন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বিষয়ে একমত হলেন।

এদিনের বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, করোনার (corona) কারণে গত দু’বছর ভারত-রাশিয়ার বার্ষিক সম্মেলন হয়নি। কিন্তু তাতে দু’দেশের সম্পর্কে কোনও রকম প্রভাব পড়েনি। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত দু’বছরে দুই দেশকেই একাধিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ আমরা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করেছি। গত কয়েক দশকে গোটা বিশ্বের রাজনীতিতে অনেক বদল হয়েছে। কিন্তু ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কে কোথাও কোন বদল হয়নি। বদল একটাই হয়েছে সেটা হল, দু’দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। চলতি পরিস্থিতিতে পুতিনের এই সফর সেটাই প্রমাণ করল।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ বলে মনে করে রাশিয়া। নয়াদিল্লি আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু, সেটা একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। ভবিষ্যতে দু’দেশের সম্পর্ক আরও উজ্জ্বল হবে। পুতিন আরও বলেন দুই দেশ প্রতিরক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, সন্ত্রাস দমনের মতো একাধিক বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে। উল্লেখ্য, এদিনই উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে একে-২০৩ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল তৈরি একটি চুক্তিতে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষর করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১০ বছর আমেঠির এই অস্ত্র কারখানায় রুশ প্রযুক্তিতে ৬ লক্ষের বেশি কালাশনিকভ সিরিজের অত্যাধুনিক সংস্করণ একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি হবে। আজকের বৈঠকে রাজনাথ এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শুয়েগোর সঙ্গে ড্রোন প্রতিরোধকারী অত্যাধুনিক মিসাইল কেনার ব্যাপারে কথা বলেন। পুতিনের সঙ্গে এদিনের আলোচনায় মোদী দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর বিশেষ জোর দেন। পাশাপাশি কথা বলেছেন আফগানিস্তান পরিস্থিতির নিয়েও।

অন্যদিকে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী এদিন আমেরিকাকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ভারত কার থেকে কি ধরনের অস্ত্র কিনবে সে ব্যাপারে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। অন্য কোনও দেশ এ ব্যাপারে নাক গলাবে, সেটা নয়াদিল্লি কখনওই সহ্য করবে না। উল্লেখ্য, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে ড্রোন প্রতিরোধকারী মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এমনকী, অন্য দেশ থেকে অস্ত্র কেনার এই সিদ্ধান্তের জন্য তারা ভারতের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারির হুমকিও দিয়েছে। তবে ভারত আমেরিকার এই হুমকিকে যে পাত্তাই দিচ্ছে না সেটা প্রমাণ হয়ে গেল রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করায়।

আগামী বছরের শুরুতেই বিশ্ব এক্সপোতে যোগ দিতে দুবাই যাচ্ছেন মোদী

Modi is going to Dubai

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ২০২২- এর শুরুতেই ফের বিদেশ সফরে বের হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। দুবাইয়ে বিশ্ব এক্সপোতে (world expo) যোগ দিতেই প্রধানমন্ত্রী আগামী বছরের শুরুতেই বিদেশ যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, করোনাজনিত কারণে ২০২০ সালে দুবাই এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়নি। সেই অনুষ্ঠানে এবার হতে চলেছে আগামী বছরের শুরুতেই। উল্লেখ্য, এর আগে নভেম্বর মাসের শুরুতেই গ্লাসগো (glasgo conference) সম্মেলনে যোগ দিতে বিদেশে গিয়েছিলেন মোদী।

উল্লেখ্য, দুবাই এক্সপোতে থাকছে ভারতীয় প্যাভিলিয়ন (indian pavilion)। ওই প্যাভিলিয়নে ভারতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে ডিজিটাল মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই যার উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। নরেন্দ্র মোদী জমানায় ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেকটাই ভাল হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, মোদীর এই সফরের সেই সম্পর্ক আরও সুসংহত ও মজবুত হবে। দুবাইয়ে সে দেশের শীর্ষস্থানীয় সরকারি নেতাদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন। দুবাইয়ে এই প্রথম বিশ্ব এক্সপো হতে চলেছে।

প্রসঙ্গত, করোনাজনিত কারণে ২০২০ সালে কোন দেশ সফরে যান মোদী। চলতি বছরের মার্চে তিনি প্রথম বাংলাদেশ গিয়েছিলেন। তার পরই গোটা বিশ্বে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ায় আর বিদেশ সফরে যাওয়া হয়নি মোদীর। দীর্ঘ ছয় মাস পর সেপ্টেম্বরের আমেরিকায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের অধিবেশনেও যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর অর্থাৎ অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী ইতালি ও ভ্যাটিকান সফরেও গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই গিয়েছিলেন গ্লাসগোর বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে।

আগামী বছরের শুরুতেই দুবাই সফরের মধ্য দিয়ে তাঁর বিদেশ সফর শুরু করতে চলেছেন মোদী। করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনের কারণে আন্তর্জাতিক উড়ান আপাতত বন্ধ রেখেছে মোদী সরকার। তবে প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের আশা, আগামী বছরের শুরুতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

Tripura: মোদীর টুইটে ‘সুশাসন’ বেছে নেওয়ার ধন্যবাদ, হামলায় সন্ত্রস্ত ত্রিপুরা

Tripura post poll violence

News Desk: পুর ও নগর পরিষদ-পঞ্চায়েক নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে ত্রিপুরার (Tripura) শাসকদল বিজেপি। প্রবল ভোট সন্ত্রাস ও রিগিং অভিযোগে নির্বাচন নিয়ে অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট বারবার রাজ্যের বিজেপি সরকারকে নির্বিঘ্নে ভোট ব্যবস্থা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিল।

অভিযোগ, সেই নির্দেশ গিয়েছে ধুলোয় লুটিয়ে। ভোটে সন্ত্রাসের ভয়াবহ হামলা অব্যাহত ফল বের হওয়ার পরেও। রবিবার রাতভর চলেছে হামলা, বাড়ি ঘর ভাঙচুর। সর্বক্ষেত্রে হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি।

পুর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেন। তিনি লিখেছেন, ত্রিপুরাবাসীকে ধন্যবাদ। তাঁরা সুশাসন বেছে নিয়েছেন।

Tripura post poll violence

সুশাসনের ভয়াবহ ছবি সোমবার সকাল হতেই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। শুধু আগরতলা নয়, জেলায় জেলায়, এলাকাভিত্তিক হামলা চলছে। গাড়ি ভাঙচুর, বিরোধী দল সিপিআইএমের সমর্থকদের উপর হামলা অব্যাহত। তেমনই আক্রান্ত হচ্ছেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সমর্থক ও প্রার্থীরা। আক্রান্ত কংগ্রেসও।

ভোটের ফল ঘোষণার পর ত্রিপুরার মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানান, এই জয় জনগণের জয়। ত্রিপুরার শাসকদল বিজেপির দাবি গণতন্ত্রের জয়। প্রধান বিরোধীদল সিপিআইএমের দাবি, গণতন্ত্র লুঠ হয়েছে। টিএমসি ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছে। বিধানসভায় খেলা হবে বলে জানিয়েছে। কংগ্রেসের তরফে ভোটের ফল প্রত্যাখান করা হয়েছে। তিপ্রা মথা ভোট সন্ত্রাস নিয়ে সরব।

রবিবার পুর ও নগর পঞ্চায়েত-পরিষদ ভোটের ফলাফলে বিজেপি কার্যত একতরফা জয়ী। ফলাফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ত্রিপুরায় পুর নির্বাচনে ৯৯ শতাংশ জয়ী শাসকদল বিজেপি।

মোট ২০টি পৌর এলাকার ৩৩৪টি আসন। বিজেপি জয়ী ৩২৯টি। ৯৯ শতাংশ আসনে জয়!
তাৎপর্যপূর্ণ, ৭টি পুর ও নগর পঞ্চায়েতে নির্বাচন হয়নি। এই এলাকাগুলিতে বিরোধীদের উপর হামলার বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় জয়ী হয় বিজেপি।

আগরতলা পুরনিগম সহ যে ১৩টি নগর পঞ্চায়েক ও পরিষদের ভোট হয়েছিল তার ২২২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ২১৭টি। বিরোধী সিপিআইএম পেয়েছে ৩টি। টিএমসি একটি। তিপ্রা মথা ১টি।

Tripura: বামেদের ঘাড়ে ‘হামলা’ মমতার, হাসি চওড়া মোদীর

modi-mamata

News Desk: ত্রিপুরা (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত, পরিষদের ভোটের ফলে ‘ব্যাপক রিগিং’ ছাপ লাগলেও শাসক বিজেপির বিপুল জয় সর্বত্র। আর বিরোধী দল সিপিআইএমের করুণ অবস্থা। ত্রিপুরায় আরও একটি সমীকরণ তৈরি হলো। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উঠে আসা। বিরোধী দল না হয়েও কার্যত বিরোধীদলের ভূমিকা নিতে চলেছে মমতা শিবির।

পুর নির্বাচনের ফলাফলে দিশেহারা বাম শিবির। দুই দফায় রাজ্যে মোট ৩৫ বছর (১০+২৫) মধ্যে সর্বশেষ টানা ২৫ বছর সিপিআইএম ছিল সরকারে। গত বিধানসভা ভোটের পর বিরোধী আসনে তারা। দলটির দখলে আছে ১৬ জন বিধায়ক। এই শক্তি নিয়েও ফলাফলে তেমন কিছুই করতে পারেনি বিরোধীরা। ত্রিপুরায় ব্যাপক ভোট রিগিং হয়েছে বলে অভিযোগ সিপিআইএমের।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফেও ভোট সন্ত্রাস অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও সন্ত্রাস চলেছে ভোটে এমনই অভিযোগ। এরই মাঝে নিজেদের ভোট বাড়িয়ে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগরতলা পুরনিগমে ব্যাপক ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ এলেও এখানেই টিএমসি বিভিন্ন ওয়ার্ডে বামেদের তিননম্বরে পাঠিয়েছে। কোনও কোনও ওয়ার্ডে তারা সিপিআইএমের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলেছে।

রাজ্যের অন্যান্য নগর পঞ্চায়েত ও পুর পরিষদের ভোটেও বিজেপির বিপুল জয়ের মাঝে টিএমসি যেমন আছে টিমটিম করে, তেমনই আছে সিপিআইএম। একাধিক আসনে বামেদের থেকে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সর্বত্র বিজেপি জয়ী। জয়ের এই খবরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাসি চওড়া। কারণ তাঁরই ঝড়ে গত বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় ভেঙে পড়েছিল বিরাট বাম দুর্গ।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে প্রচারে এসে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী নেতা মানিক সরকার বলেছিলেন, তাঁর রাজ্যে বিজেপি সরকারের আমলে জনগণের নিদারুণ অভিজ্ঞতার কথা। ঠিক সেই সময়ে ত্রিপুরা ছিল দেশের বেকারত্ব তালিকায় শীর্ষে। পূর্ব বর্ধমানের সদর বর্ধমান শহরে সিপিআইএমের জনসভায় মানিকবাবুর ভাষণের পর রাজ্য জুড়ে প্রবল শোরগোল পড়েছিল।

বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে টিএমসি নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মানিকবাবুর সেই ভাষণকে হাতিয়ার করেছেন। প্রচারে এসেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তবে তিনি সাড়া পাননি।

ভোটে এ রাজ্যে সিপিআইএম শূন্য হয় বিধানসভায়।বিজেপির দাবি ত্রিপুরায় ডবল ইঞ্জিনের উন্নয়ন হয়েছে। এর পরেও বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে পারেনি। তৃণমূল কংগ্রেস টানা তিনবার সরকারে।

বঙ্গে বিজেপিকে রুখে দিয়ে ত্রিপুরায় ঝাঁপ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। সেই লক্ষ্যে তিনি সেমিফাইনাল ম্যাচে অস্তিত্ব জানিয়ে দিলেন। বিরাট ভোট ধাক্কা নিয়ে মানিক সরকার ও সিপিআইএম আসন্ন বিধানসভার ভোটে ঘুরে দাঁড়ানোর সূত্র খুঁজতে মরিয়া। 

Farm Law: সংসদ অভিযান আপাতত স্থগিত রাখল কিষান মোর্চা, তবে সন্দেহ কাটেনি

Kisan organizations

New Delhi: শেষ পর্যন্ত ‘সংসদ চলো’ অভিযান আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল সংযুক্ত কিষান মোর্চা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তিন কৃষি আইন (Farm Law) বাতিল করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার উপর ভরসা রাখতে পারেননি কৃষক সংগঠনগুলি।

বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিন কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানিয়েছেন, ২৯ নভেম্বর শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার জন্য একটি বিল আনা হবে। এরপরই অধিবেশন শুরুর প্রথম দিন সংসদ ভবন অভিযান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন কৃষক নেতারা।

কৃষি আইন বাতিলের এই সিদ্ধান্তকে কৃষক সংগঠনগুলি নিজেদের আংশিক সাফল্য বলে মনে করছে। কারণ তাদের আরও কিছু দাবিদাওয়া রয়েছে। সেগুলি সরকার যতক্ষণ না মেটাচ্ছে ততক্ষণ তারা আন্দোলন থেকে সরবে না বলেও জানিয়েছে।

সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতা দর্শন পাল সিং শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, ২৯ নভেম্বর কৃষকরা যে ‘সংসদ চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল তা আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। কারণ সরকার আশ্বাস দিয়েছে ২৯ তারিখেই সংসদে কৃষি আইন বাতিল করা হবে।

শনিবার দুপুরে সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতৃত্ব তাঁদের আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা ঠিক করতে বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকেই সংসদ অভিযান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দর্শন পাল আরও জানিয়েছেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে তাঁরা গত এক বছরে কৃষকের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা দায়ের হয়েছে সেগুলি প্রত্যাহার করার কথা বলেছেন। ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার জন্য আইন আনতে অনুরোধ করেছেন। বিক্ষোভ চলাকালে সমস্ত কৃষক মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিল বাতিল এবং ফসলের গোড়া পোড়ানোর জন্য কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা হয়েছে সেগুলিও বাতিল করার আর্জি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সম্বলিত ওই চিঠির জবাবের জন্য তাঁরা ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। সরকার যদি তাঁদের আবেদনগুলির বিষয়ে নীরব থাকে তবে তাঁরা ফের নতুন করে আন্দোলন শুরু করবেন।

সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দিনেই কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর কৃষি আইন প্রত্যাহারের জন্য একটি বিল পেশ করবেন। এই বিল নিয়ে সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনার পর তা পাস করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিল নিয়ে আলোচনায় যাতে দলের প্রত্যেক সাংসদ উপস্থিত থাকেন সেজন্য শাসক দল বিজেপি এবং বিরোধী দল কংগ্রেস হুইপ জারি করেছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য হতে হয়েছে।

Omicron: প্রধানমন্ত্রকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধের অনুরোধ কেজরির

Arvind Kejriwal urges PM Modi to ban flights from affected countries

New Delhi: মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক উড়ান (international flight) পরিষেবার চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) অবিলম্বে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ জানালেন দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Aravind Kejriwal)। মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানান, যে সমস্ত দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের (Omicron) খোঁজ মিলেছে সেই সমস্ত দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল শুরু করার কথা ভাববেন না।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন ভ্যারিয়েন্ট বি ১.১.৫২৯ বা ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মিলেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট অতি মারাত্মক। কারণ টিকাও এই ভ্যারিয়েন্টের কাছে কোনও কাজে আসছে না। সে কারণেই বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নতুন করে ওমিক্রন আতঙ্কে ভুগছে। কিভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

অনেকেই মনে করছেন, ওমিক্রনের জেরে বিশ্বের অর্থনীতিতে বড় মাপের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শনিবার সকালে কেজরিওয়াল এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে টুইট করেন, মোদিজির কাছে আমার অনুরোধ, যে সমস্ত দেশে করোনার নতুন স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছে সেই সমস্ত দেশ থেকে কোনও বিমানকে যেন ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া না হয়। আপনি ভালই জানেন, বহু কষ্টে এবং অনেক সর্তকতা অবলম্বন করে তবেই আমরা করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পেরেছি। তাই আমাদের আরও সতর্ক হতে হবে। নতুন ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনওভাবেই ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কেজরিওয়াল আরও জানিয়েছেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার তিনি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করবেন। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকে কী ধরনের বিপদ হতে পারে তা নিয়েই তিনি আলোচনা করবেন। একই সঙ্গে এই ভ্যারিয়েন্ট থেকে রক্ষা পেতে কী করা দরকার সে বিষয়েও পরামর্শ চাইবেন বিশেষজ্ঞদের। রাজধানীকে কিভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের এর হাত থেকে বাঁচানো যায় সে ব্যাপারেও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জানতে চাইছেন কেজরিওয়াল।

Constitution Day: পরিবারতন্ত্র গোটা দেশের পক্ষেই উদ্বেগজনক, সংবিধান দিবসে দাবি মোদীর

constitution day

News Desk: সংবিধান দিবসের (constitution day) গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচনা করতে এদিন সংসদের সেন্ট্রাল হলের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সংবিধানের গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

যদিও ১৪টি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে। সরকারপক্ষের সাংসদদের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ভাষণে যথারীতি কংগ্রেসকে খোঁচা দেন। তিনি বলেন, একটা সময় একটি পরিবার গোটা দেশকে চালিয়েছে। ওই পরিবারটি নিজেদের উন্নয়নের কথা ছাড়া আর কারও কথা ভাবেনি। গোটা দেশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাব, পরিবারতন্ত্র গণতন্ত্রের পরিপন্থী।

তিনি বলেন, ভারতের মতো এক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে আমাদের সকলকে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছে সংবিধান। আজ সংসদ ভবনকে সেলাম করার দিন। পরিবারতান্ত্রিক দল ও সেই দলের নেতারা আজও গোটা দেশের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয়।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন বিরোধীদের বয়কট প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন এই অনুষ্ঠান কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিগতভাবে আমি আয়োজন করিনি। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সংসদ। সংবিধান, সংসদ, অধ্যক্ষের একটা বিশেষ সম্মান আছে। প্রত্যেকের উচিত সেই বিষয়টিকে সম্মান দেওয়া।

১৪ টি বিরোধী দল আজকের অনুষ্ঠান বয়কট করে। যার মধ্যে কংগ্রেস ছাড়াও রয়েছে শিবসেনা ও তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই সহ বিভিন্ন দল। বিরোধী দলগুলির এই আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, ২৯ নভেম্বর সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের একজোট হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট প্রসঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার সংবিধানকে সম্মান দেয় না। সংবিধান মেনে দেশ পরিচালনা করে না। তাই এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কোনও অর্থ হয় না।

লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, আমরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেব না। কারণ মোদী সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এই সরকার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এই সরকারের সামান্য সৌজন্যবোধ নেই। সে কারণে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিরোধী জোট অক্ষুন্ন রাখতেই তারা এই অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর নরেন্দ্র মোদী সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ২৬ নভেম্বর দিনটি সংবিধান দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

Kishan Morcha: কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যে বাড়ছে মতবিরোধ

farmar protest

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত এক বছর ধরে সংযুক্ত কিষান মোর্চার (Kishan Morcha) নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করেছে ছোট-বড় একাধিক কৃষক সংগঠন। গত সপ্তাহে তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

এরই মধ্যে পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে। সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন কৃষক নেতা এবার বিধানসভা নির্বাচনকে দিকে তাকিয়ে রাজনীতিতে পা বাড়াচ্ছেন। সংযুক্ত কিষান মোর্চার শীর্ষ নেতারা আদৌ বিষয়টিকে ভালভাবে দেখছেন না। বরং তাঁরা কৃষক নেতাদের এ ধরনের সীদ্ধান্তে যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এটাও শোনা যাচ্ছে যে, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যেও একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি। এদিন বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কৃষক সংগঠনগুলি গোটা দেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০২০ সালে চল্লিশটি কৃষক সংগঠনকে একজোট করে তৈরি হয়েছিল সংযুক্ত কিষান মোর্চা। কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই কৃষক সংগঠনগুলির ঐক্যে ফাটল ধরেছে।

একাধিক কৃষক সংগঠন ও সেই সংগঠনের নেতারা পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। যে বিষয়টি ভালভাবে নিচ্ছে না সংযুক্ত কিষান মোর্চা। সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য, আন্দোলন পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কৃষক সংগঠনগুলির উচিত একসঙ্গে থাকা। যে কারণে সংযুক্ত কিষান মোর্চা তাদের আন্দোলনে কোন রাজনৈতিক দলকে প্রচারে আসতে দিতে নারাজ।

তবে সংযুক্ত কিষান মোর্চার এই সমস্ত বক্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কৃষক সংগঠন একাধিক দলের নির্বাচনী প্রচারে সরাসরি অংশ নিয়েছে। কয়েকটি সংগঠন আবার রাজনীতি থেকে দূরে সরে থাকার কথাও জানিয়েছে। কিছুদিন আগেই সংযুক্ত কিষান মোর্চার অন্যতম নেতা গুরনাম সিং চাদুনি বলেছিলেন, সংযুক্ত কিষান মোর্চার উচিত ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়া। যদিও ওই বক্তব্যের পরই চাঁদুনিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের হরিয়ানা শাখার সভাপতি ‘পাঞ্জাব মিশন ২০২২’ নামে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলের প্রচারেও তাঁকে যোগ দিতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার জেরে সংযুক্ত কিষান মোর্চা চাঁদুনির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়েছে।

তবে শুধু চাঁদুনি একা নন, একাধিক কৃষক নেতা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা চালাচ্ছেন বলে খবর। কৃষক নেতাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তাঁদের নিজেদের অনুকূলে টানতে উঠে পড়ে লেগেছে। তবে কৃষক আন্দোলন সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই সরাসরি এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাইছে না।

অন্যদিকে ক্রান্তিকারী কৃষক ইউনিয়নের সভাপতি দর্শন পাল বলেছেন, যদি কৃষক নেতারা রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবেন তবে তাঁদের উচিত আর কিছুদিন অপেক্ষা করা। তবে তাঁরা যদি আমাদের না জানিয়ে কিছু করেন সেক্ষেত্রে সংগঠনের অবশ্য কিছু করার নেই। আমরা মনে করি কৃষক আন্দোলন সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

Kisan Protest in bankura: কৃষক নেতাদের দাবি, আন্দোলনের অংশীদার নয় তৃ়ণমূল

Kisan project in bankura

Kisan Protest in bankura
News Desk: ‘কর্পোরেটপন্থী কালা কৃষি আইন সংসদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, বিদ্যুৎ বিল-২০২১ বাতিল, কৃষিপণ্যের ন্যুনতম সহায়ক মূল্যের আইন পাশ, রেল, প্রতিরক্ষা, ব্যাঙ্ক-বিমা, কয়লা, বিদ্যুৎ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের বেসরকারিকরণ রোধ সহ ১০ দফা বিক্ষোভ সমাবেশ ও জেলাশাসককে ডেপুটেশন দিল অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠন।

শুক্রবার বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল মাঠ থেকে মিছিল করে সংগঠনের সদস্যরা জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে এক বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতৃত্ব। এদিন যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃষি আইন বাতিলের ঘোষণাকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ দাবি করে আন্দোলনকারী কৃষক ও সমর্থণকারী সাধারণ মানুষকে ‘অভিনন্দন’ জানানো হয়েছে।

এদিন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক দিলীপ কুণ্ডু বলেন, ২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি। আন্দোলন থেকে বিদ্যুৎ আইন-২০০৩ ও বিদ্যুৎ বিল সংশোধনী-২০২১ ও কৃষিপণ্যের সহায়ক মূল্যবিষয়ক আইন তৈরীর দাবি জানানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে চাপের মুখে পড়ে কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করা হলেও কৃষক আন্দোলনের অন্যতম আরো দুই দাবি নিয়ে এখনো কোন সদূত্তর মেলেনি। সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এদিন তিনি এরাজ্যের শাসক দলকেও একহাত নেন। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কখনোই ছিলনা, বরঞ্চ আন্দোলনকারীরা ভারত বন্ধ ডাকলে তাঁরা বিরোধিতা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে কৃষক আন্দোলনের সাফল্যের অংশীদার তৃণমূল নয় বলেই তিনি দাবি করেন।

যোগীর কাঁধে হাত রেখে কী বলেছিলেন মোদী? রহস্য ফাঁস করলেন Rajnath Singh

Modi with Yogi

Rajnath Singh revealed the secret
নিউজ ডেস্ক, লখনউ: সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দুটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে৷ এই ছবিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগীর কাঁধে হাত রেখে কিছু বলতে দেখা যাচ্ছে। ছবি দেখে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, সেই সময় যোগীকে কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী? বৃহস্পতিবার সেই ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

এদিন উত্তর প্রদেশের সীতাপুরে বুথ প্রেসিডেন্ট কনভেনশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাঁধে হাত রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল হওয়া ছবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যোগীর কানে ফিসফিস করে বলছেন, ‘‘যোগী জি শুধু ব্যাটিং চালিয়ে যান, বিজেপির জয় নিশ্চিত হবে।’’

Today the air defence missile (MRSAM) System was handed to Indian Air Force at an induction ceremony in Jaisalmer

এদিনের সভায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করেছেন, কারণ বিজেপি কৃষকদের প্রতি খুব সংবেদনশীল। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আওধ অঞ্চলের বুথ সভাপতিদের কনভেনশনে ভাষণ দিতে গিয়ে সিং বলেন, “আমাদের দল সবসময় কৃষকদের প্রতি সংবেদনশীল, তাই আমাদের প্রধানমন্ত্রী কৃষি আইন প্রত্যাহার করেছেন। আমাদের দল কখনই কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির মতো কৃষক ও রামভক্তদের ওপর গুলি চালাতে পারে না।

সমাজবাদী পার্টিকে আক্রমণ করে রাজনাথ সিং বলেছেন, ওরা বিভাজনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে৷ কারণ তাদের নেতারা জিন্নাহ সম্পর্কে কথা বলে, যিনি দেশ ভাগের জন্য দায়ী ছিলেন। তিনি বলেন, এমনকি মুসলিম সমাজও এর জন্য সমাজবাদী পার্টির নিন্দা করেছে। এসপির শাসনকে গুন্ডা ও মাফিয়াদের সরকার বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, আজ যোগীর নাম শুনলেই গুন্ডা ও মাফিয়া ভয় পায়৷ এই হল উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।

রাজনাথ সিং আরও বলেন, ‘বিজেপি ক্ষমতার আনন্দের জন্য নয়, দেশের জন্য সরকার গড়তে চায়। আপনাদের মতো নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের জন্যই আমাদের দল বিশ্বের সবচেয়ে বড় দল। আমাদের দল অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না, এমনকি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারও মিথ্যা দাবিমুক্ত৷ দল যা বলে তাই করে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের প্রায় ৩৭টি জেলায় মেডিকেল কলেজ রয়েছে যেগুলি হয় চালু বা নির্মাণাধীন। রাজনাথ সিং আশ্বাস দিয়েছেন , শীঘ্রই প্রতিটি জেলায় নিজস্ব মেডিকেল কলেজ হবে।

Privatization: আরও দুটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক বেসরকারি হাতে

private sector

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাহবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (nirmala sitaraman) ঘোষণা করেছিলেন, দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে (nationalised bank) বেসরকারি (Privatization) হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই দু’টি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক বেসরকারীকরণ করে সরকারের ঘরে আসবে এক লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার জন্য সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে (winter season) বিল আনা হচ্ছে। আগামী সোমবার ( monday) ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন।

জানা গিয়েছে, দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসরকারিকরণের জন্য ব্যাংকিং কোম্পানিস আইন ১৯৭০ ও ১৯৮০ এবং ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৯ সংশোধন করতে হবে। সে কারণেই সংসদে বিল আনা হচ্ছে। রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংকের বেসরকারিকরণের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নও মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পথে নামার হুমকি দিয়েছে। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অর্থনীতির বেহাল পরিস্থিতির কারণে সরকারের আয়ের পথ অত্যন্ত সংকুচিত হয়েছে। ফলে দেশের আর্থিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়ার মুখে। তাই সরকার আয় বাড়াতে এভাবে লাভজনক সংস্থাকেও বেসরকারিকরণ করতে চাইছে।

nirmala sitaraman

এবারের শীতকালীন অধিবেশনে পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সংশোধনী) বিল ২০২১ পেশ করা হবে। চলতি আইন সংশোধন করতেই এই বিল পেশ করা হবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি থেকে ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম ট্রাস্টকে আলাদা করা সম্ভব হবে। অর্থমন্ত্রী সীতারমন তাঁর বাজেট প্রস্তাবে ইউনিভার্সাল পেনশন কভারেজের কথা ঘোষণা করেছিলেন। নতুন বিল এনে সেই ঘোষণাকেই বাস্তবে রূপদান করতে চায় কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর নরেন্দ্র মোদি সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বেসরকারিকরণের উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। যদিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। কিন্তু মোদি সরকার কোন কথাতেই কর্ণপাত করেনি। সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াকেও টাটা গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিলগ্নিকরণ করে মোদি সরকারের ঘরে এসেছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। যদিও আর্থিক বিশেষজ্ঞরা অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মোদি সরকার যেভাবে লাভজনক সংস্থাগুলিকে বেসরকারি হাতে তুলে দিচ্ছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। আগামী দিনে এর জন্য গোটা দেশকে মাসুল চোকাতে হতে পারে।

Mahapanchyat: কৃষকদের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছেন মোদী: টিকায়েত

Rakesh Tikait

News Desk, New Delhi: পাঁচ দিন হয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বিতর্কিত তিন কৃষি আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর আচরণে আদৌ খুশি নন কৃষক নেতা টিকায়েত (Rakesh Tikayat)। তিনি পাল্টা অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের মধ্যে বিভাজন (divison) তৈরি করতে চাইছেন। তাই প্রধানমন্ত্রী তথা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

সোমবার উত্তর প্রদেশের (Utter Pradesh) রাজধানী লখনউয়ে ছিল কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত (Mahapanchyat)। সেখানে একদফা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন টিকায়েত। মহা পঞ্চায়েতের পর ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন এই প্রবীণ কৃষক নেতা।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, মোদী সরকারের তৈরি তিন কৃষি আইন যে গরিব মানুষ, কৃষক, মজুর কারও জন্যই সুখকর নয় সেটা বোঝাতে এক বছর সময় লাগলো। আসলে আমরা আমাদের সহজ-সরল ভাষায় বিষয়টি বোঝাতে চাইছিলাম। কিন্তু দিল্লির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাংলোয় বসে সরকারি কর্মকর্তারা সেটা বুঝতে পারছিলেন না। সরকার শেষ পর্যন্ত আইন প্রত্যাহারের কথা বলেছে ঠিকই, কিন্তু এখন প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করতে চাইছেন। সে কারণেই সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী বলছেন, কৃষি আইনের সুফল তাঁরা সব কৃষককে বুঝিয়ে উঠতে পারেনি।

Rakesh Tikait

টিকায়েত আরও বলেন, তিন কৃষি আইন বাতিল ছাড়াও তাঁদের আরও কয়েকটি দাবি আছে। সেগুলি নিয়েও সরকারকে চিন্তাভাবনা করতে হবে। ২০১১ সালে মোদী যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেসময় তিনি ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার দাবির পক্ষে ছিলেন। এমনকী, এ বিষয়ে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কাছে সুপারিশও করেছিলেন। তিনি মনমোহনকে স্পষ্ট বলেছিলেন, ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করা কেন্দ্রের দায়িত্ব। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে নিজের সেই সুপারিশের কথা ভুললে চলবে না। মোদী যাতে তাঁর নিজের করা সুপারিশটি মেনে নেন সেজন্য তাঁরা পথেই থাকবেন।

সাধারণত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপির কট্টর সমালোচক বলেই পরিচিত টিকায়েত। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার করেছিলেন। আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট। টিকায়েত সেখানেও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার চালালে গেরুয়া দল যে নিশ্চিতভাবেই সমস্যায় পড়বে তা বলাই বাহুল্য। সে কারণেই টিকায়েতের এই নতুন হুমকিতে বিজেপি যথেষ্টই দুশ্চিন্তায় রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটলে টিকায়েতের আর তেমন কোনও গুরুত্ব থাকবে না। সে কারণেই তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাইছেন।

মমতার দাবি BJP গণতন্ত্রের তোয়াক্কা করে না, পঞ্চায়েত ভোট টেনে কটাক্ষ শুরু

mamata banerjee in delhi

News desk: ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক হামলার জেরে বিতর্ক চরমে। এই নিয়ে বিজেপিকে গণতন্ত্রের বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লি যাওয়ার আগে বিজেপিকে তোপ মমতার, বললেন এই দল গণতন্ত্রের তোয়াক্কা করে না।

পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল টিএমসি যাদের বিরুদ্ধেই পঞ্চায়েত ভোট লুঠ ও সন্ত্রাসের অভিযোগ রয়েছে সেই দলের সুপ্রিমো মমতার মুখে গণতন্ত্র বুলি নিয়ে কটাক্ষ শুরু হয়েছে। ত্রিপুরার প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে কতটুকু গণতন্ত্র অবশিষ্ট রেখেছেন।

সেই রেশ টেনে বঙ্গ বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীর কটাক্ষ, বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে ৩৪ শতাংশ জোর করে দখল করেছে টিএমসি। একই কায়দায় ত্রিপুরায় বিজেপি ভোট লুঠ করছে।গণতন্ত্রের কথা দুটি দলের সঙ্গে খাপ খায়না।

Mamata Banerjee

ত্রিপুরায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে সোমবার দুপুরে কলকাতা (kolkata)থেকে দিল্লি(delhi) গেলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। কলকাতা বিমানবন্দরে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মমতা এদিন ত্রিপুরা প্রসঙ্গেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, সায়নী ঘোষের মতো একজন শিল্পীর বিরুদ্ধেও খুনের চেষ্টার মামলা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্যদিকে বিজেপির (bjp)লোকজন পুলিশের সামনেই হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কেউই এসব বিষয় দেখতে পাচ্ছে না। আসলে বিজেপি গণতন্ত্রের তোয়াক্কাই করে না

মমতা বলেন, আসলে বিজেপি মানুষকে ভয় পাচ্ছে। ওরা মানুষকে বিশ্বাস করতে পারছে না। ভোটের নামে ওখানে ঘোট করছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনের সময় আমাদের রাজ্য তো অনেক বিজেপি নেতা ঘুরে গিয়েছেন। কই আমরা তো কাউকে বাধা দিইনি। ত্রিপুরার ঘটনা গণতন্ত্রের কলঙ্ক।

মমতা আরও বলেন, ত্রিপুরায় শুধু যে তাঁর দলের নেতাদের আক্রমণ করা হচ্ছে তা নয়। সংবাদমাধ্যমেরও কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে অবশ্য এটা সাধারণ ঘটনা। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরার বর্তমান অবস্থা অগ্নিগর্ভ। সেখানে কোনও মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এটা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিতীয় দিল্লি সফর। সাধারণত সংসদের অধিবেশনের শুরুতে বা অধিবেশন চলাকালীন প্রতিবারই দিল্লি আসেন মমতা। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর গোটা দেশের রাজনীতিতে তৃণমূল নেত্রীর গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। তাই মমতার এই দিল্লি সফরে নজর রয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলের। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেবুধবার মোদির মুখোমুখি হবেন মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে জানিয়েছেন, বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আগেই চিঠি দিয়েছেন। দিল্লিতেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন আর্থিক দাবিদাওয়াগুলি অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী।

আর্থিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মত লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু করতে গিয়ে তৃণমূল সরকারের ঘাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকার বোঝা চেপেছে। এই আর্থিক দায় সামলাতেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের বকেয়া পাওনাগন্ডা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানাতে চলেছেন। করোনাজনিত কারণে এমনিতেই রাজ্যের আর্থিক হাল খুবই খারাপ। তার ওপর নতুন করে সরকারের ঘাড়ে আরও আর্থিক বোঝা চেপেছে। দেশের ২৩টি রাজ্য পেট্রোল, ডিজেলে ভ্যাট কমালেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা পরিষ্কার জানিয়েছেন, বাংলায় ভ্যাট কমবে না।

রাজ্য যে প্রবল আর্থিক সংকটে ভুগছে তার প্রমাণ মিলেছে মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণায়। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দফতরের বাজেটে কাটছাঁট করেছেন। বাজেট বরাদ্দের পরেও বিভিন্ন দফতরের টাকা খরচের উপর একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছেন। অর্থ দফতরের অনুমোদন ছাড়া কোনও দফতরই টাকা খরচ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে অর্থ দফতর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। তাই প্রতিটি দফতরকে সর্বদাই টাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আয়ের বিষয়টি সুনিশ্চিত না করেই মুখ্যমন্ত্রীর লাগামছাড়াভাবে অর্থ খরচ করার কথা বলে নিজের জালে নিজেই জড়িয়েছেন। এই মুহূর্তে তাই তাঁকে কেন্দ্রের কাছে অর্থের জন্য দরবার করতে হচ্ছে।

চলতি সফরে মমতা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গেও দেখা করবেন। ২০২৪ সাধারণ নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার ব্যাপারে বিরোধীদের রণকৌশল তৈরি নিয়েও আলোচনা করবেন তিনি। তাই সবদিক দিয়েই মমতার দিল্লি সফর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহলের কাছে।

আরও ছয় দাবি জানিয়ে আলোচনার জন্য মোদিকে খোলা চিঠি কৃষকদের

Farm Laws Repeal

News Desk: গত সপ্তাহে বিতর্কিত তিন কৃষি আইন (farm law) প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (narendra modi)। ওই ঘোষণার পর কৃষকরা তাঁদের আরও ৬ টি দাবি নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য খোলা চিঠি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কেন্দ্রের ওপর চাপ বজায় রাখতেই কৃষক নেতারা এই চিঠি দিয়েছেন। প্রশ্ন হল, কৃষক নেতারা আলোচনার জন্য কোন কোন বিষয়ে উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে?

ওই চিঠিতে কৃষকরা জানিয়েছেন, চাষিদের জন্য ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (msp) নিশ্চিত করার আইন তৈরি করতে হবে। কৃষকদের বিরুদ্ধে গত এক বছরে বিভিন্ন জায়গায় যে সমস্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে সেগুলি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। গত একবছরে আন্দোলন করতে গিয়ে যে সমস্ত কৃষকের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের স্মরণে সিংঘু (singhu) সীমান্তে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে হবে। বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল প্রত্যাহার করতে হবে।

এছাড়াও কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট ইন ন্যাশনাল ক্যাপিটাল অ্যান্ড অ্যাডজয়েনিং এরিয়াস অ্যাক্ট ২০২১ আইনে কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত শাস্তিমুলক পদক্ষেপ করা হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরির ঘটনায় অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত এমনকী, তাঁকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

farmers' protest site in Singhu border

একই সঙ্গে কৃষকরা এদিন প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, কেন্দ্র যেন গত এক বছরে আন্দোলন করতে গিয়ে মৃত কৃষকদের পরিবারকে সাহায্য করতে উদ্যোগী হয়। কৃষক নেতাদের দাবি, গত একবছরে আন্দোলন করতে গিয়ে ৬৭০ জন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, লখিমপুরে আশিস মিশ্রের গাড়ির চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৪ কৃষকের। এই সমস্ত দাবিগুলি নিয়ে আলোচনার জন্য যত শীঘ্র সম্ভব প্রধানমন্ত্রীকে বৈঠক ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষক নেতারা। ওই চিঠিতে তাঁরা স্পষ্ট বলেছেন, এই দাবিগুলি নিয়ে যতদিন না একটা সমাধান বের হচ্ছে ততদিন আন্দোলন আগের মতোই বহাল থাকবে।

ওই চিঠিতে কৃষক নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, আপনি আমাদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলেছেন। এজন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার উপর খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে আমাদেরও ভালো লাগছে না। আমরাও পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চাই। আবার নতুন করে কৃষি কাজ শুরু করতে চাই। তাই আপনাকে আমাদের অনুরোধ যত শীঘ্রই সম্ভব এই সমস্যা মিটিয়ে নিন।

রাজনীতিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় Farm Laws প্রত্যাহার করলেন মোদী

Anil-J-Ghanawat

News Desk: কৃষকদের স্বার্থের থেকেও রাজনীতি বিশেষত ভোট রাজনীতিকেই বেশি গুরুত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। সে কারণেই মোদী কৃষি আইন বাতিল করলেন।

শনিবার এই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের তৈরি করা চার সদস্যের কমিটির অন্যতম সদস্য তথা শ্বেতকারী আন্দোলনের নেতা অনিল জে ঘানাওয়াত (Anil J Ghanawat)। একই সঙ্গে ঘানাওয়াতের দাবি, কৃষি আইন বাতিল করার ফলে আগামী দিনে কৃষিক্ষেত্রে বড়সড় সংস্কারের বিষয়টি ধাক্কা খেল।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর থেকে মোদী সরকারের কৃষি আইন নিয়ে গোটা দেশজুড়ে প্রবল আন্দোলন শুরু হয়েছিল। বিষয়টি গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের দাবি, সরকারের পাল্টা দাবি, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শীর্ষ আদালত (supreme Court) চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির অন্যতম সদস্য ঘানাওয়াত। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত এই কমিটি নতুন কৃষি আইন নিয়ে তাদের মতামত কেন্দ্র ও সুপ্রিম কোর্টের কাছে জমা দিয়েছে।

modi farm laws withdrawal announcement

তিন কৃষি আইন বাতিল (cancel) সম্পর্কে ঘানাওয়াত শনিবার বলেন, কৃষকদের স্বার্থকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী। পরিবর্তে তিনি ভোটের রাজনীতিকেই প্রাধান্য দিলেন। শ্বেতকারী আন্দোলনের এই নেতা আরও বলেছেন, এখন মনে হচ্ছে সরকার তাঁদের দেওয়া রিপোর্টটি হাত দিয়ে ছুঁয়েও দেখেনি। কৃষকদের কীভাবে ভাল হবে সে বিষয়টিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে উত্তরপ্রদেশ(utter Pradesh), পাঞ্জাব-সহ (Panjab) বিভিন্ন রাজ্যের কিভাবে ভোটে জেতা যাবে সেই বিষয়টিকে মোদী সর্বাধিক গুরুত্ব দিলেন। এটা মোদী সরকারের সবচেয়ে বড় এক নৈতিক পরাজয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী দিনে কৃষিক্ষেত্রে সংস্কারের সব দরজা বন্ধ হয়ে গেল।

ঘানাওয়াত আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো তাঁরা তিন মাস ধরে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে তবেই কৃষি আইন নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছিলেন। সেই রিপোর্টে মোদী সরকারকে তাঁরা কৃষি আইন নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন একাধিক সংশোধনের প্রস্তাবও। ওই পরামর্শ ছিল কৃষকদের উন্নতি সাধনের জন্য। কিন্তু সরকার সেই রিপোর্ট পড়ে না দেখে, একেবারে কৃষি আইন বাতিল করে হাত ধুয়ে ফেললেন।

এ ধরনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফলে হয়তো কিছু সস্তা হাততালি কুড়ানো যায়, কিন্তু তাতে আখেরে দেশ তথা কৃষকদের ক্ষতি হল। কৃষকদের উন্নতি সাধনের জন্য যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল তা পুরোপুরি বানচাল হয়ে গেল। ঘানাওয়াত এদিন তাঁদের দেওয়া রিপোর্টটি প্রকাশ করার হুমকিও দিয়েছেন।

পুলিশের সমস্যা জানতে ডিজি, আইজিদের সঙ্গে বৈঠক মোদি-শাহের

Modi-Shah meeting with DG, IG

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: আইনশৃঙ্খলাজনিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (DG) এবং ইন্সপেক্টর জেনারেলদের (IG) সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। মাওবাদী দমন, মাদক পাচার, জঙ্গি মোকাবিলা, বিভিন্ন সংশোধনাগারের সংস্কার, সাইবার অপরাধের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা চলছে। রবিবারও এই আলোচনা চলবে। এবার লখনউতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সদর দফতরে ৫৬ তম এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। দু’দিনের এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধানরা সশরীরে উপস্থিত থাকছেন।

পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ডিজি মনোজ মালব্য (Monoj Malabya)। বৈঠকে যোগ দিতে শুক্রবারই তিনি লখনউয়ে পৌঁছন।

Modi-Shah meeting with DG, IG

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক হচ্ছে হাইব্রিড ফরম্যাটে। এই ফরম্যাটে বেশ কয়েকটি রাজ্যের ডিজি এবং আইজিরা যেমন সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন তেমনই অনেকেই অনলাইনে (online) এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। এদিনের বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেলদের কাছ থেকে তাঁদের কাজের সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর থেকেই প্রতিবছরই প্রতিটি রাজ্যের পুলিশ প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি এই বৈঠককে যথেষ্ট গুরুত্বও দিয়ে থাকেন। ডিজি ও আইজিরা যাতে নির্ভয়ে এবং খোলা মনে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন সে ব্যাপারেও উৎসাহ দিয়ে থাকেন মোদি। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এই বৈঠক দিল্লিতে হত। কিন্তু মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এই বৈঠক দিল্লির বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে হয়ে থাকে। করোনাজনিত কারণে ২০২০ সালে এই বৈঠক হয়েছিল অনলাইনে।

এবারের বৈঠকে সাইবার অপরাধ দমনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আমজনতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য যাতে হ্যাকাররা কোনভাবেই হ্যাক করতে না পারে সে বিষয়টি নিয়ে সকলের সঙ্গে মত বিনিময় করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিনের বৈঠকে প্রায় প্রতিটি রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন মেদি। তবে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এদিন তিনি নিজে কোনও বক্তব্য রাখেননি। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার তাঁদের বক্তব্য রাখবেন।

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।

Farm Laws Withdrawn: ঝুঁকলেন মোদী, ভোট বুঝে ক্ষমা চেয়ে ‘কৃষি আইন প্রত্যাহার’

modi farm laws withdrawal announcement
  1. News Desk: প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিপুল শক্তি নিয়ে আইন বাতিল হবে না বলে যে দাবি করেছিল বিজেপি তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুধু দেশ না বিদেশে আলোড়ন ফেলেছে।

farmers

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে হয়ত আমাদের তপস্যাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শীঘ্রই আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সকলে খেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।’

আসন্ন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে মোদী এই ঘোষণা করলেন। পাঞ্জাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তর প্রদেশেও ভোটে কৃষক বিক্ষোভ বিরাট প্রভাব ফেলছে বলেই জনমত সমীক্ষা বলছে। তবে এই রাজ্যে ভোট কাটাকুটির লড়াইতে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের জন্য তাঁর সরকারের ভূমিকা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ছোট কৃষক। তাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম। তাদের জীবনের আধার এই ছোট জমি। প্রায় ১০ কোটি এমন ছোট কৃষক আছে। এই ছোট জমিতেই তারা নিজেদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তাই বীজ, বীমা, বাজার আর সেভিংসের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমরা ফসল বীমা যোজনাকে আরও কার্যকরী করেছি। আরও বেশি সংখ্য কৃষককে এর অধীনে নিয়ে এসেছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিষাণ সয়েল হেলথ কার্ড দিয়েছি। এতে ফলন বেড়েছে। ছোট কৃষকদের ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। কৃষকদের কষ্ট যাতে সঠিক দাম পায়, সেই কাজ করেছে সরকার। গ্রামীণ বাজারকে শক্তিশালী করেছি। আমরা এমএসপি বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সরকার রেকর্ড পরিবার ফসল কিনেছে।’