ফুটসল ক্লাব টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে গেল মহামেডান

Mohammedan lost in the final of Futsal Club Tournament

স্পোর্টস ডেস্ক: শনিবার সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) পরিচালিত প্রথম ফুটসল ক্লাব টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, দিল্লি এফসির বিরুদ্ধে, নিউ দিল্লিতে।

প্রথম ফুটসল ক্লাব টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন রঞ্জিত বাজাজের দিল্লি ফুটবল ক্লাব। ফাইনালে ম্যাচের ফলাফল মহামেডান এসসি ২-৭ দিল্লি এফসি। নিখিল মালির মহামেডান এসসি’র বিরুদ্ধে ফুটসল ক্লাব টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে হ্যাটট্রিক সহ ৫ নম্বর গোল।

ম্যাচের ৩ মিনিটে পিকার শট মহামেডানের ডিফেন্ডার মিহির সাওয়ান্তের মাথায় বল লেগে মহামেডানের জালে জড়িয়ে যেতেই দিল্লি এফসি ১-০ গোলের লিড নেয়।

ম্যাচের ৯ মিনিটে মহামেডানের জয়েশ দূরপাল্লা থেকে একটি শট মারেন, দিল্লির কিপার স্কট মোরেস ওই শট আটকে দেয়, কিন্তু স্নেডেন রিবাউন্ডে ভলি করেন কিন্তু মোরেস দুরন্তভাবে ওই শট সেভ করেন।

ম্যাচের ১২ মিনিটে মহামেডানের জয়েশ সেন্টার লাইনের পিছনে থেকে স্কট মোরেসের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে খেলায় ১-১ গোলের সমতায় ফিরে আসে।

১৭ মিনিটে নিখিল মালি দিল্লির ফরোয়ার্ড বেশ কয়েকটা স্টেপওভার চালান এবং নিখিলের শট মহামেডানের জালে জড়াতেই খেলার ফলাফল মহামেডান এসসি১-২ দিল্লি এফসি।

বিরতির পর খেলা শুরু হয়। ২৬ মিনিটে পেনাল্টি এলাকার প্রান্তে দিল্লি ফ্রি কিক পায়। নিখিল মালি এবং রোহিত মুলচান্দানি বলটি পরের দিকে রোল করে বল মহামেডানের জালে জড়াতে দিল্লি এফসি ১-৩ গোলে এগিয়ে যায়।
২৮ মিনিটে ‘ আবারও স্কোর করেন নিখিল মালি। নিখিলের টিমের হয়ে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোল যেন ম্যাচের প্রথমার্ধে তার গোলের মিরর ইমেজ! মহামেডানের জয়েশের কাছে সে কয়েকটা স্টেপওভার করে, বাম পা দিয়ে বল জালে জড়াতেই ১-৪ গোলের লিড নেয় রঞ্জিত বাজাজের দিল্লি ফুটবল ক্লাব।

৩০ মিনিটে ফাউলের জন্য মহামেডান পেনাল্টি পায়। মিহির সাওয়ান্তের শট ক্রস-বারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৩২ মিনিটে দিল্লি এফসির গোল। চ্যাম্পিয়নশিপের প্রতিটি ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছেন নিখিল মালি। ১-৫ গোলে এগিয়ে যায় দিল্লি এফসি, মহামেডানের বিরুদ্ধে। 33′ পেনাল্টি থেকে মহামেডান এসসির হয়ে স্নেডেন মোরেস গোল করে। মহামেডান ২- ৬ দিল্লি এফসি।
২০ মিনিটে, ফের নিখিল মালির গোল ক্লোজ রেঞ্জ শট থেকে। মহামেডান ২-৭ দিল্লি এফসি। নিখিল মালির মহামেডান এসসি’র বিরুদ্ধে ফুটসল ক্লাব টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে হ্যাটট্রিক সহ ৫ নম্বর গোল। রেফারির শেষ বাশি বেজে উঠতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে গা ভাসিয়ে ফেলেন দিল্লি এফসি ক্লাবের ফুটবলার থেকে কর্ণধার রঞ্জিত বাজাজ।

ফুটসল টুর্নামেন্টে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত জয় মহামেডানের

FUTSAL

Sports desk: সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) পরিচালিত ফুটসল টুর্নামেন্টে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেল, সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি’র বিরুদ্ধে। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে রবিবার, এই খেলার ফলাফল সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি ৩-৪ মহামেডান এসসি।

সুপার স্ট্রাইকারদের হয়ে বিজয় এবং সূর্য একটি করে গোল করে দলকে লিড দেয়, কিন্তু সন্দেশ মালপোটের বাম-ফুটারে শট বিপক্ষের জালে জড়াতেই মহামেডান ম্যাচে ফিরে আসে। সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি ২-১ মহামেডান এসসি। বিরতির পর ২৯ মিনিটে শচীন পাতিল পেনাল্টিতে গোল রূপান্তরিত করে ম্যাচে মহামেডান ড্র করে সমতায় ফিরে আসে। সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি ২-২ মহামেডান এসসি।

সুপার স্ট্রাইকারদের ম্যাচে ফেরান বিজয়। খেলার ফলাফল তখন সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি ৩-২ মহামেডান এসসি। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে সচীন মহামেডানের হয়ে গোলের সমতা আনেন, পেনাল্টি কিক গোলে পরিণত করে। সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি ৩-৩ মহামেডান এসসি।

৩৯ মিনিটে মহাম্মাদান ব্ল্যাক প্যাহ্নার্সদের নেতৃত্ব দেয়। মহামেডানের হয়ে চতুর্থ গোলটি রিবাউন্ডে করেন রুই কার্লো সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি ৩-৪ মহামেডান এসসি। ম্যাচে বারে বারে পিছিয়ে থেকেও বাউন্স ব্যাক করে সুপার স্ট্রাইকার্স এফসি’র বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় কলকাতার(Kolkata) মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

Basketball: মহামেডানের প্রাক্তনীর মেয়ের হাত ধরে স্বপ্ন বুনছে বাংলা

Afrine daughter of Mohammedan's alumni

Sports Desk, Kolkata: গার্ডেনরিচের আফরিন আফজল। বাবা ছিলেন ফুটবলার, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলতেন। বাড়ি থেকে সাহায্য না পাওয়ার জন্য পায়ের থেকে বল ছাড়তে হয়েছিল, বেশি দিন ফুটবল খেলা চালাতে পারেন নি। কিন্তু কন্যা আফরিনের মধ্যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা বাবার নজর এড়িয়ে যায় নি।

জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক টুর্নামেন্টে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা গিয়েছে আফরিনকে।মুদিয়ালি গার্লস হাইস্কুলে তাঁর প্রথম হ্যান্ডবলে হাতেখড়ি, একই সঙ্গে কিক বক্সিং পারদর্শী। ২০১৪ প্রথম হ্যান্ডবল খেলা শুরু হয় আফরিন আজমলের, প্রথম কোচ পার্থ ব্যানার্জী। এবার আফরিনের টার্গেট দেশের হয়ে কাজাকিস্তানে হ্যাণ্ডবল টুর্নামেন্ট ।

এই পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না আফরিন আজমলের সামনে। সামাজিক লোকাচার সঙ্গে পরিবারের তরফেও এসেছিল বাধা। তবে আফরিনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল তার মা এবং মামার বাড়ি। মায়ের ইচ্ছেতেই সমস্ত হার্ডল টপকে আফরিন আজমল এই সময়ে দাঁড়িয়ে নারীর অধিকার আন্দোলনের মুখ।

১৭ টি জাতীয় স্তরে এবং একটি আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে আফরিন। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়পুরে ছয় নম্বরে আফরিন আজমল র‍্যাঙ্কিং’এ। সোনার মেয়ে আফরিন আজমলের লক্ষ্য এখন,দেশকে পদক এনে দেওয়া।

Kolkata League: মার্কোসের গোলে কলকাতা লিগের ফাইনালে মহামেডান

Mohammedan in the final of Kolkata League

#Kolkata League স্পোর্টস ডেস্ক: কল্যাণী স্টেডিয়ামে ৩৯ মিনিটে ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের তন্ময় মণ্ডল বক্সের ভিতরে বল পায়ে থাকা আজহারউদ্দীন মল্লিককে ট্রিপ করে ফেলে দেয়। রেফারি প্রতীক মণ্ডল পেনাল্টির নির্দেশ দেয়। ৪০ মিনিটে ওই পেনাল্টি থেকে মার্কোস জোসেফ গোল করে মহামেডানকে লিড দেয়।

আগামী ১৮ অক্টোবর ফাইনাল, কলকাতা লিগের (Kolkata League)। ইতিমধ্যেই রেলওয়ে এফসি কলকাতা লিগের ফাইনালে চলে গিয়েছে। এবার মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ফাইনালে মুখোমুখি হবে রেলের। লীগের ম্যাচে মহামেডান বনাম ইউনাইটেড ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। তাই সেমিফাইনালে মহামেডানের মহা সপ্তমীতে ইউনাইটেড বধ মধুর প্রতিশোধ বলা যেতেই পারে।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাব গোলের সমতায় ফিরে আসার সুযোগ পায়। শিলিগুড়ির রোনাল্ডো নামে পরিচিত করণ রাই’র দুরন্ত ব্যাক ভলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ইউনাইটেড স্পোর্টস গোলের লকগেট খোলার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। তরুণ তুর্কি ব্রিগেড ইউনাইটেডের ফুটবলারেরা মহামেডান ডিপ ডিফেন্সে বল পায়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ালেও গোল হয়নি। তারক হেমব্রম, তন্ময় মণ্ডল, ডেনিসরা কাজের কাজ করতে পারেনি। ৮২ মিনিটে তন্ময় মণ্ডল জগন্নাথ ওরাও’কে লক্ষ্য করে মহামেডানের ডিপ ডিফেন্সে বল বাড়িয়ে দিলেও সিরিয়ান ডিফেন্ডার সাহিন বল ক্লিয়ার করে দেয়। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই ইউনাইটেড এসসি’কে ০-১ গোলে হারিয়ে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব কলকাতা লিগের ফাইনালে চলে যায়। ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু এখনও ঠিক হয়নি।

কলকাতা লিগে বড় জয় পেল মহামেডান, সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইউনাইটেড স্পোর্টসের

Kolkata League

স্পোর্টস ডেস্ক: কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগের সেমিফাইনালে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।শনিবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে মহামেডান ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেল,ভবানীপুর এফসি’কে হারিয়ে। অধিনায়ক শেখ ফৈয়াজ ২৮ ও ৪৩ মিনিটে, মার্কোস জোসেফ ৪৫,৪৬ মিনিটে গোল করেন ম্যাচের প্রথমার্ধের অতিরিক্ত তিন মিনিটে।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্র‍্যান্ডন ৪৯,নিকোলা ৬৯ এবং জসকরণ ৯০ মিনিটে গোল করে কোচ শঙ্করলাল ভট্টাচার্যের ভবানীপুরের বিরুদ্ধে। আগামী ৯ নভেম্বর সেমিফাইনাল, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব খেলবে ইউনাইটেড স্পোর্টস এর বিরুদ্ধে। এদিনের ম্যাচে রেফারির ম্যাচ পরিচালনার সহায়তার জন্য ভিডিও রেফারেন্স সিস্টেম প্রয়োগ করা হয়, যা কলকাতা লীগের ইতিহাসে প্রথম। আইএফএ সূত্রে খবর, কলকাতা লীগ ফাইনাল ম্যাচ ১২ নভেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। কলকাতা লীগের সেমিফাইনালে উঠতে পেরে স্বভাবতই খুশি মহামেডান সমর্থকেরাও।

গোল নষ্টের ‘প্রদর্শনী ম্যাচে’ টালিগঞ্জকে হারিয়ে কোয়াটার ফাইনালে মহামেডান

tollyganj

স্পোর্টস ডেস্ক: ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হার, খেতাব হাতছাড়া হয়েছে মহামেডান স্পোর্টিং’র। এই ব্যর্থতাকে সরিয়ে রেখে কালো চিতারা আবার নতুন করে জয়ের মুখ দেখলো। কলকাতা লীগের যোগ্যতা নির্ণায়ক ম্যাচে টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কোয়াটার ফাইনালে চলে গেল আন্দ্রে চের্নিশভের ছেলেরা। ত্রিনিদাদ এন্ড টোব্যাগোর ফুটবলার মার্কোস জোসেফের জোড়া গোল আর বুয়ামের করা অপর গোলে ভবানীপুর এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নামবে মহামেডান। 

মহামেডানের হয়ে মার্কোস ১৯,৭২ মিনিটে আর বুয়াম ৫২ মিনিটে গোল করেন। পেনাল্টি থেকে টালিগঞ্জের হয়ে ক্রিস্টোফার ৮১ মিনিটে বল জালে জড়ান। মহামেডান স্পোর্টিং ম্যাচ জিতলেও অস্বস্তির কাটা রয়েই যাচ্ছে। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে ম্যাচের ৮০ মিনিটে শাহির শাহিনের রেডকার্ড রাশিয়ান কোচকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে মহামেডান বড় জয় ছিনিয়ে নিতে পারতো। কিন্তু মার্কোস, শেখ ফৈয়াজেদেরর গোলমুখী শট ক্রসপিসে লেগে ফিরে আসে। আর হাফ চান্সকে ফুল চান্সে অর্থাৎ গোলের দরজা খুলতে না পেরে ব্ল্যাক প্যাহ্নার্সরা জিতলেও গোল নষ্টের প্রদর্শনী ম্যাচ উপহার দিয়েছে।

প্রসঙ্গত গত রবিবার ডুরান্ডের মেগা ফাইনালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এফসি গোয়ার হয়ে এডু বেদিয়ার করা একমাত্র গোলে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে হেরে যায় মহামেডান স্পোর্টিং। স্বভাবতই এরকম একটা মেগা ফাইনালে হারের ধাক্কার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মাঠে নামলে টিম ছন্নছাড়া থাকে। আর ওই প্রভাব কিছুটা হলেও টালিগঞ্জের বিরুদ্ধে ম্যাচে পড়েছে এদিন। তবে কোয়াটার ফাইনাল মানেই গেম স্পিরিট আলাদা,ভিন্ন মানসিকতার গেম স্টাইল। ডু অর ডাই সিচুয়েশনে ব্ল্যাক প্যাহ্নার্সরা ভবানীপুরের বিরুদ্ধে পুরনো ছন্দে হুঙ্কার ছুঁড়ে দেবে এটাই আশা করছে মহামেডান সমর্থকেরা, ‘জান জান মহামেডান’ স্লোগানে।

Durand Cup: এডু বেদিয়ার গোলে ডুরান্ড কাপ হাতছাড়া মহামেডানের

Mohammedan lost in Durand Cup

স্পোর্টস ডেস্ক: ১০৩ মিনিটে এফসি গোয়ার অধিনায়ক এডু বেদিয়ার করা গোল। মহামেডানকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ১৩০ তম ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন এফসি গোয়া।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে শেষদিকে বক্সের বাইরে ফাউল হয়। ফ্রি কিক পেয়ে যায় হুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। বাঁম পায়ের দুরন্ত ফ্রি কিক আসে এডুর পা থেকে। দ্বিতীয় পোস্টে তার রাখা সেই বল ঝাঁপিয়েও বাঁচাতে পারেননি মহামেডান গোলরক্ষক জোথানমাওয়াইয়া,বল বাউন্স করে জালে জড়িয়ে যায়।

Edu Bedia

প্রথম ৯০ মিনিট গোলের লকগেট কোনও দলই খুলতে পারেনি। যদিও সুযোগ এসেছিল দুই দলের কাছে,কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। সাত বছর পর ডুরান্ড জয়ের হাতছানি, আবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলা, যা মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হোম গ্রাউন্ড। সব মিলিয়ে করোনা কালে প্রত্যাশার ফানুসে চুপসে গেল কালো চিতা। চলতি ডুরান্ডে পর পর তিন ম্যাচ হারের ধাক্কা সামলে নিয়েও মার্কোস জোসেফরা আশা জাগিয়ে তুলেছিল, শেষ রক্ষা হল না।

অতিরিক্ত সময়ে১১৪ মিনিটে মহামেডান অধিনায়ক নিকোলার ফ্রি কিক ক্লিয়ার করে এফসি গোয়ার ডিফেন্ডার। ফের ১১৭ মিনিটে নিকোলা গোলের সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু এফসি গোয়ার গোলকিপার নবীন কুমার বাঁম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুরন্ত সেভ করেন। রেফারি রাহুল কুমার গুপ্তার বাঁশি বেজে উঠতেই ১৩০ তম ডুরান্ড কাপ গোয়ায় চলে গেল, হৃদয় চুরমার হয়ে গেল মহামেডানের।

Durand Cup: ‘জান জান মহামেডান’, ফুটবল মক্কা চাইছে রেশমি কাবাবের সৌরভ

mohammedan sporting club

নিউজ ডেস্ক: কলকাতার তিনটি ডাকনাম আছে। ‘তিলোত্তমা’, ‘City Of Joy’ আর ‘ফুটবলের মক্কা’। এই তৃতীয় নামটির সঙ্গে চরম উন্মাদনার ময়দানের আবেগ জড়িয়ে। যে আবেগের বশে ১৩০ তম ডুরান্ড কাপ (Durand Cup ) টুর্নামেন্ট তেতে উঠেছে মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের (Mohammedan sporting) কারণে।

যতই প্রতিপক্ষ হোক মহামেডান তবু মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা চাইছেন রেশমি কাবাব সৌরভে মাতোয়ারা হবেই যুবভারতী। টালিগঞ্জ অগ্রগামী বা অন্যান্য ক্লাব সমর্থকরাও গলা ফাটাচ্ছেন। ময়দান জুড়ে কলরব ‘জান জান মহামেডান’।

Mohammedan Sporting Club

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীনতম ফুটবল টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল ১৮৮৮ সালে। আর মহামেডান ক্লাবের প্রতিষ্ঠা হয় ১৮৯১ সালে। সেই অর্থে প্রাচীনতম ক্লাব হিসেবে প্রাচীনতম টুর্নামেন্টে আছে সাদা-কালো জার্সির ‘ব্ল্যাক প্যান্থার্স’ দল। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ভারত ভাগের কারণে এই টুর্নামেন্ট ১৯৪১-১৯৪৯ সাল পর্যন্ত বন্ধ ছিল।

Durand cup final

প্রথম ভারতীয় দল হিসেবে স্বাধীনতার আগেই ১৯৪০ সালে ডুরান্ড কাপ জয়ের চিরকালীন নজির মহামেডানের। সেই ইতিহাসে ১১ জন ভারতীয় ব্রিটিশ দল ‘Royal Warwickshire Regiment’ কে ২-১ গোলে পরাজিত করেন। সেদিন ফুটবল মক্কা কলকাতা পাগলের মতো উল্লসিত হয়েছিল। সুদূর নিজামশাহী হায়দরাবাদে আতশবাজির ঝলক লেগেছিল।

ডুরান্ড কাপ দ্বিতীয়বার মহামেডানের দখলে আসে ২০১৩ সালে। ২-১ গোলে পরাজিত হয় ওএনজিসি। তৃতীয়বার ডুরান্ড আনতে মরিয়া মহামেডান। প্রতিপক্ষ এফসি গোয়া (FC Goa) দল। ফুটবল মক্কা কলকাতার একটাই ইচ্ছা রেশমি কাবাবের খোশবাই যেন হয়।