সোমবার মাঝরাতে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

PM Kisan Samman Nidhi Scheme

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামিকাল, ৯ অগস্ট কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পের (PM Kisan Samman Nidhi Scheme Latest Updates) নবম কিস্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করবেন৷ ফলে এখন কৃষকদের জন্য অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯ অগস্ট রাত সাড়ে ১২ টায় কৃষকদের অ্যাকাউন্টে নবম কিস্তির (PM Kisan Samman Nidhi Scheme) টাকা দেবেন। MyGovIndia- ভারত সরকারের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল (MyGovIndia) থেকে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

PM Kisan Samman Nidhi Scheme

কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি এবং তাদের আয় বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ২০০০ টাকার তিনটি কিস্তি (PM Kisan Yojana Benefits) অর্থাৎ ৬০০০ টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠায়। এখন পর্যন্ত কৃষকদের অ্যাকাউন্টে PM কিষাণ সম্মান যোজনার ৮ কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন পরবর্তী অর্থাৎ নবম কিস্তির টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে আসতে চলেছে। এর আগে অষ্টম কিস্তির টাকা ১৪ মে দেওয়া হয়েছিল।

কী করে জানতে পারবেন আপনার কিস্তির অবস্থান
1. আপনার কিস্তির অবস্থা দেখতে আপনি প্রথমে ওয়েবসাইটে যান।
2. এর পর ডান পাশে Farmers Corner এ ক্লিক করুন।
3. এখন বেনিফিশিয়ারি স্ট্যাটাস অপশনে ক্লিক করুন।
4. এখন আপনার সামনে একটি নতুন পেজ খুলবে।
5. এখানে আপনি আপনার আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর লিখুন।
6. এর পরে আপনি আপনার অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য দেশের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা এবং তাদের সরাসরি আর্থিক সাহায্য করা। পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষায় থাকা কৃষকরা অগস্টে আবার সুখবর পেতে চলেছেন। আপনি যদি এর জন্যও আবেদন করেছেন, তাহলে আপনি এইভাবে তালিকায় আপনার নাম চেক করতে পারেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী বা আয়কর প্রদানকারী কৃষকদের যোগ্য বলে গণ্য করা হয় না। এর বাইরে ১০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পাওয়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সিএ এবং কর্মচারীরাও এই স্কিমে যোগ দিতে পারবেন না।

নাম বদলে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন এবার মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার

modi rajib gandhi

নিউজ ডেস্ক: এতদিন দেশের ক্রীড়া জগতের সর্বোচ্চ সম্মান ছিল রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার। দেশের ক্রীড়া জগতে অবদানের জন্য যা পেয়েছেন তাবড় তাবড় ক্রীড়াব্যক্তিত্বরা। এবার নাম বদলে গেল সেই পুরস্কারের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করলেন, যে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার এবার থেকে “মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার” নামে পরিচিত হবে।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমি মেজর ধ্যানচাঁদের নামে খেলরত্ন পুরস্কারের নাম রাখার জন্য দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে অনেক অনুরোধ পেয়েছি। তাদের মতামতের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। তাদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে খেলরত্ন পুরস্কারকে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার বলা হবে! জয় হিন্দ!”

১৯৯১-১৯৯২ সালে প্রথম দেওয়া হয় রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার। প্রথমবার এই পুরস্কার পেয়েছিলেন দাবা কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ। এছাড়াও লিয়েন্ডার পেজ, শচীন টেন্ডুলকার, ধনরাজ পিল্লাই, পুল্লেলা গোপীচাঁদ, অভিনব বিন্দ্রা, অঞ্জু ববি জর্জ, মেরি কম এবং রানী রামপাল এই পুরস্কার পেয়েছেন।

ধ্যানচাঁদ ও হকি এই শব্দ দুটি সমার্থক। ধ্যানচাঁদের সতীর্থ এবং পাকিস্তান হকির অন্যতম রূপকার আলি ইক্তিদার শাহ্দারা বলে গেছেন- Cricket may affectionately recall its Grace, Hobbs and Bradman, and soccer its Matthews and Puskas, but hockey has one and only one Dhyan Chand, incomparable and unique.

ধ্যানচাঁদের জন্মদিন ভারতে পালিত হয় জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসাবে। কিন্তু ভারতের এই সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ প্রায় উপেক্ষিতই থেকেছেন চিরকাল। ২০১৩ সালে ভারতরত্নের জন্য ক্রীড়া দপ্তর তার নাম সুপারিশ করলেও তৎকালীন ইউপিএ সরকার শচীন তেণ্ডুলকারকে বেছে নেন। ধ্যানচাঁদ নিজেও জানতেন এই উপেক্ষার কথা। তাই মৃত্যুশয্যায় শুয়ে তিনি বলেছিলেন- When I die, the world will cry, but India’s people will not shed a tear for me, I know them.” তাকেই এবার সম্মান জানালো কেন্দ্রীয় সরকার।

যদিও খেলাধুলায় আজীবন কৃতিত্বের জন্য দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার ধ্যানচাঁদ পুরস্কার নামে পরিচিত। এছাড়াও ২০০২ সালে নয়াদিল্লির জাতীয় স্টেডিয়ামের নামকরণ হয় ধ্যানচাঁদ জাতীয় স্টেডিয়াম।

ই-রুপি: নতুন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সূচনা করলেন নরেন্দ্র মোদী

Narendra-Modi

নয়াদিল্লি: ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ওপর জোর দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই উদ্দেশ্যে গত সাত বছরে বিভিন্ন পদক্ষেপও নিতে দেখা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারকে। এই ডিজিটাল সিস্টেমের অন্যতম অংশ হল ডিজিটাল পেমেন্ট। অতিমারীতে যার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি করে উপলব্ধি করা গিয়েছে।

সেই ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও সহজ করতে চলতি সপ্তাহের সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ই-রুপি, একটি ইলেকট্রনিক ভাউচার-ভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছেন। ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ই-রুপি একটি ক্যাশলেস এবং কন্টাক্টলেস ইন্সট্রুমেন্ট। এটি কিউআর কোড বা এসএমএস স্ট্রিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে পাঠানো যায়।

এই নতুন এককালীন পেমেন্ট পদ্ধতির ব্যবহারকারীরা পরিষেবা প্রদানকারীর কাছে কার্ড, ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং অ্যাক্সেস ছাড়াই ভাউচার ভাঙ্গাতে সক্ষম হবেন। ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI) প্ল্যাটফর্মে, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (MoHFW) এবং জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এই নতুন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI)।

পিএমও থেকে একটি সাম্প্রতিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে মা ও শিশু কল্যাণ স্কিম, টিবি নির্মূল কর্মসূচি, ওষুধ এবং ডায়াগনস্টিকস যেমন আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনার আওতায় ওষুধ ও পুষ্টি সহায়তা প্রদানের জন্য স্কিমের অধীনে ই-রুপি প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

Mission Parliament: ‘মা’ হলেন বাংলার মেয়ে মমতা

mother' is Mamata, the daughter of Bengal

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক মহলে ‘মা’ বা ‘আম্মা’ নামে শুধুমাত্র জনপ্রিয় ছিলেন জয়ললিতা। কিন্তু এবার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সাথেও যুক্ত হল ‘মা’ শব্দটি। রবিবার উত্তর কলকাতা শোভাবাজার অঞ্চলে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেওয়াল লেখনের কর্মসুচীর আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে দেওয়ালে ভারতের মানচিত্র আঁকেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ।আর সেই মানচিত্রে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন ভাষায় লেখা হল ‘মা মমতা’।

যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যরা বললেন যেভাবে মায়ের রূপে বাংলাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আকড়ে ধরে রেখেছেন ঠিক একইভাবে তারা চান যেন গোটা ভারতবর্ষকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরে রাখেন। তারা আরও বলেন মোদির বিকল্প হিসেবে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন যিনি সারা ভারতবর্ষে ভালো রাখতে পারবেন ।তাই তারা ভারতবর্ষের মানচিত্রে প্রতিটি রাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘মা মমতা’ সম্বোধন করে লিখলেন।

mamata-banerjee

তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে পাখির চোখ এখন দিল্লী ।সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিনব কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। একদিকে যেখানে মূল্যবৃদ্ধিকে হাতিয়ার করে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।ঠিক তার পাশাপাশি একুশে জুলাইকে সামনে রেখে গোটা ভারতবর্ষে ভার্চুয়ালি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দল। মোদি ঝড়কে রুখে তৃতীয় বার মমতার সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন এ এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে গোটা ভারতবর্ষের প্লাটফর্মে তুলে ধরা হবে । সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই বিভিন্ন অভিনব কর্মসূচীর মাধ্যমে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।