Narendra Modi: সর্বদলীয় বৈঠকে অনুপস্থিত মোদী, ওয়াকআউট আম আদমি পার্টির

Narendra Modi did not attend the all-party meeting

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (winter season)। সেই অধিবেশন শুরুর আগে রবিবার সর্বদল বৈঠক (all party meeting) ডেকেছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী  (Narendra Modi) সরকার। এদিনের বৈঠকে ৩১ টি রাজনৈতিক দলের ৪২ জন নেতা অংশ নিয়েছিলেন। উপস্থিত থাকবেন বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত বৈঠকে দেখা মিলল না প্রধানমন্ত্রীর (prime minister)।

এদিন বৈঠকের শুরুতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (prahlad joshi) বলেন, এতদিন সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীরা থাকতেন না। সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকার এই নিয়ম মোদীই চালু করেছিলেন। কিন্তু বিশেষ কাজ থাকায় আজ তিনি এই বৈঠকে থাকতে পারলেন না। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও জোশী জানান।

জোশীর ওই কথায় কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন, তাঁরা আশা করেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে মোদী থাকবেন। কারণ কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর কাছে জানার ছিল। সেই সুযোগ আর হল না। এদিনের বৈঠকে প্রায় সবকটি বিরোধী দলই দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানীর মূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, পেগাসাস কাণ্ড, করোনার নতুন স্ট্রেনের মোকাবিলা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন।

আজকের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও কয়েকটি রাজ্যের নেতারা সীমান্তে বিএসএফের এলাকার পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন। এদিন সর্বদলীয় বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেন আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং। সঞ্জয়ের অভিযোগ, তিনি কৃষকদের দাবি মত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলােন। কিন্তু সরকার পক্ষ তাঁকে কথা বলতে দেয়নি। তাই এই বৈঠকে থাকার কোনও অর্থ হয় না। এরপরই সঞ্জয় সভা থেকে বেরিয়ে যান।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এবং লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির বিনিয়োগের বিষয়ে সরকারের বক্তব্য জানতে চান। বৈঠকে প্রায় সব রাজনৈতিক দলই ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে আইন করার জন্যও সরকারের কাছে অনুরোধ জানান।

বৈঠক শেষে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জোশী জানান, তাঁরা বিরোধীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ পেয়েছেন। সরকার সেগুলি নিয়ে সভায় আলোচনা করতে প্রস্তুত। বিরোধীরা সংসদ চালাতে ও গঠনমূলক আলোচনা করতে সরকারকে সাহায্য করবে বলে তাঁদের আশা।

Subramanian Swamy: নরেন্দ্র মোদী অর্থনীতির কিছুই বোঝেন না- বিস্ফোরক স্বামী

Subramanian Swamy attack on Narendra Modi

Subramanian Swamy attack on Narendra Modi
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে দেখা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে। মমতার সঙ্গে দেখা করার পর বলেছিলেন আমি তো প্রথম থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে আছি।

বৃহস্পতিবার (Thursday) কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে (Modi Government) কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। বললেন, দেশের অর্থনীতি(economy), নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ মোদী সরকার। মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার এই অভিযোগ তুললেন বিক্ষুব্ধ বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী (Subramanian Swamy)।

বুধবার বিকেলে মমতার সঙ্গে দেখা করার পর দিল্লির রাজনীতিতে জল্পনা চলছে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী কি এবার তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন! তার উত্তরে স্বামী বলেছেন, তিনি তো প্রথম থেকেই তৃণমূলের পাশে আছেন। বৃহস্পতিবার আরও একধাপ এগিয়ে মোদী সরকারকে তুলোধোনা করলেন তিনি।

একের পর এক বিষয় নিয়ে মোদী সরকারকে আজ কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন স্বামী। স্বামী এদিন সম্পূর্ণ দলের লাইনের বাইরে গিয়ে মোদী সরকারকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কাশ্মীরের মানুষ সুখে-শান্তিতে নেই। তবে শুধু কাশ্মীরের মানুষ নয়, গোটা দেশের মানুষই মোদী সরকারের কাজ-কর্মে যথেষ্টই অখুশি। কারণ এই সরকার দেশকে নিরাপত্তা দিতে পারে না। অর্থনীতিকে ধরে রাখতে পারে না। নরেন্দ্র মোদী তো অর্থনীতির কিছুই বোঝেন না। উনি শুধু চিনকেই ভয় করে চলেন। কিন্তু কেন আমরা ওদের ভয় পাব? ওদের যদি পরমাণু অস্ত্র থাকে একই জিনিস তো আমাদেরও আছে। তাহলে চিনকে এত ভয় পাওয়ার কারণ কি?

স্বামী আরও বলেন, মোদী সরকার সব দিক দিয়েই ব্যর্থ। এই সরকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে না। এমনকী, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেও মোদীসরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। এই সরকার শুধু পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে বিরোধীদের ওপর নজরদারি চালাতে পারে। বিরোধীদের গতিবিধি ট্র্যাক করতে পারে। এছাড়া এই সরকারের আর কোনও কাজ নেই।

এর আগেই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী টুইট করে মমতাকে মোরারজি দেশাই, রাজীব গান্ধী, জয়প্রকাশ নারায়ণ, পিভি নরসিমা রাওয়ের মত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে একই আসনে বসান। স্বামী বলেন, আমি যতজন রাজনীতিবিদদের সঙ্গে কাজ করেছি তাঁদের মধ্যে জয়প্রকাশ নারায়ণ, মোরারজি দেশাই, নরসিমা রাও, রাজীব গান্ধীর সমকক্ষ হলেন মমতা। উনি যা ভাল বোঝেন সেটাই বলেন। যা করেন সেটা সকলকে জানান। দেশের রাজনীতিতে এটা এক বিরল গুণ।

সূত্র খবর, মোদী সরকারের কাছে যথেষ্ট কোণঠাসা স্বামী। সে কারণেই তিনি প্রথম থেকেই মোদী সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী মোদীর কট্টর সমালোচক। তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ালেও এখনই অবশ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন না।

বরং আগামী দিনে এভাবেই তিনি মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিরোধী শিবিরের সুবিধা করে যাবেন। বেশ কিছুদিন ধরেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। যে কারণে কিছুদিন আগেই বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটি থেকে বাদ পড়তে হয়েছে স্বামীকে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে স্বামীও এবার তৃণমূলের পথেই হাঁটতে চলেছেন।

Mamata Banerjee: সোনিয়াকে উপেক্ষা করার কারণ সম্পর্কে বিস্ফোরক মমতা

Mamata Banerjee meeting Sonia Gandh

Mamata Banerjee meeting with Sonia Gandhi
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: রাজধানীকে এলেই প্রতিবারই আমায় সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) সঙ্গে দেখা করতে হবে কেন? সংবিধানে কি এমন কোন নিয়ম আছে যে, দিল্লি আসলেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে হবে? সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে চাঞ্চল্যকর এই প্রশ্নটিই ছুড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বন্দ্যোপাধ্যায়।

চার দিনের সফরে সোমবার দিল্লি (Delhi) এসে পৌঁছেছেন মমতা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ (Aravind Kejriwal) বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি।

অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, মমতা দিল্লি আসলে অবশ্যই সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু এবারই তার ব্যতিক্রম ঘটলো। চার দিনের এই সফরে সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করার কথা উচ্চারণও করলেন না নেত্রী। তাই সংবাদমাধ্যম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চায়, আপনি কি এবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন না? তার উত্তরে মমতা স্পষ্ট বলেন, ওনারা এখন পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে খুব ব্যস্ত। তাই কিভাবে দেখা হবে। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী কিছুটা রাগত স্বরে বলেন, আমি দিল্লি এলে প্রতিবারই কেন সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করবো বলুন তো? এটা কি কোনও সাংবিধানিক নিয়ম নাকি?

মমতার এই কথার যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করার পরেই নিজের রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে তৃণমূল ক্রমশ জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে জায়গা করে নিচ্ছে। নিজের জায়গা করতে গিয়ে তৃণমূল মূলত কংগ্রেসেই ভাঙন ধরাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই উত্থান ও দল ভঙানোর নীতিতে বেজায় খাপ্পা কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে মমতার এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পাশাপাশি মমতা এবং তাঁর দলের কাজে বিরোধীজোটের ঐক্য নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।

মমতা এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে তাঁর দল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির পাশেই থাকবে। অখিলেশ চাইলে তিনি উত্তরপ্রদেশে প্রচার করতেও যাবেন। কারণ তাঁর একমাত্র লক্ষ্য হল বিজেপিকে ক্ষমতায় থেকে হঠানো। একই সঙ্গে মমতা জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর তিনি মুম্বই যাচ্ছেন। দেখা করবেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীদের অনৈক্যের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে এনসিপি, কংগ্রেস ও শিবসেনা জোট সরকার গঠন করেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের শরিকদের নিজের কাছে টানতে মমতা উদ্যোগী হয়েছেন, এমন কথাও উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি রাজনৈতিক মহল এই প্রশ্নও তুলেছে যে, কংগ্রেসকে বাদ রেখে কি কোন বিরোধী জোট করা সম্ভব? কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট করতে গেলে সব আঞ্চলিক দলকে মমতা কি নিজের পাশে পাবেন?

আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, কংগ্রেস যদি বিরোধী জোটে থাকে সেই জোটে কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদবের মতো নেতা কি সামিল হবেন!

Modi-Mamata Meting: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন উদ্বোধন করতে মোদীকে অনুরোধ মমতার

Modi-Mamata Meting

News Desk: দিল্লি সফরের তৃতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) মুখোমুখি হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজকের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিএসএফের (BSF) ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। একই সঙ্গে রাজ্যের পাওনা ৬৩ হাজার কোটিরও বেশি টাকা মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বুধবার নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দফতরে (PMO) আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। প্রত্যাশামতোই বৈঠকের শুরুতেই তিনি রাজ্যের বকেয়া ৬৩ হাজার কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চেয়ে বসেন। একই সঙ্গে সম্প্রতি মোদী সরকার বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা। সেখানেই মমতা বলেন, দিল্লির কাছ থেকে তাঁর সরকার ৬৩ হাজার কোটিরও বেশি টাকা পাবে। ইয়াস, আম্ফান সহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য যে টাকা পাওনা রয়েছে সেই সমস্ত টাকাও চেয়েছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, বকেয়া টাকা যদি কেন্দ্র আমাদের না দেয় তাহলে আমরা কিভাবে রাজ্য চালাব। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই অনুরোধ খতিয়ে দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। একইসঙ্গে মমতা বলেন, কেন্দ্র বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই সিদ্ধান্তও প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করেছি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিএসএফের সঙ্গে আমাদের কোনও রকম তিক্ততা নেই। ওরা সীমান্তে সদা সতর্ক প্রহরা দিয়ে চলেছে। ওদের ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি আমরা। এভাবে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানো হলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা তৈরি হবে।

মোদী সরকারকে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো আছে। অহেতুক সেই পরিকাঠামোর উপর আঘাত করা উচিত নয়। তাই কেন্দ্রের উচিত বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া। তাঁর এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন জানতে চাওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোনওরকম মন্তব্য করেননি প্রধানমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের দ্রুত টিকাকরণ শুরু করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, কেন্দ্রকে মনে রাখতে হবে রাজ্যের উন্নতি হলে তবেই কেন্দ্রের উন্নয়ন হবে। বিভিন্ন দলের মধ্যে রাজনৈতিক দূরত্ব থাকতেই পারে। কিন্তু দেশের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যকে একযোগে কাজ করতে হবে।

মমতা এদিন বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বলেন, ২০২২ সালের ২০ ও ২১ এপ্রিল বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন হবে। এই সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ওই সম্মেলনে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এই শিল্প সম্মেলন নিয়ে তাঁর কাছে যথেষ্ট উৎসাহও দেখিয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। উল্লেখ্য, সাধারণত প্রতিবছর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হয়ে থাকে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে চলতি বছরে এই সম্মেলন হয়নি। আগামী বছরও এই সম্মেলন নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার মাস পর হবে। নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই সম্মেলন হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। ওই সম্মেলনের উদ্বোধন করার জন্যই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

Free Ration: কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত, আরও চার মাস বিনামূল্যে মিলবে রেশন

ration

নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে রেশন (free ration) বিতরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার (narendra modi goverment)। কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত আমজনতাকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে (cabinet meeting) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (anurag rhakur)।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নভেম্বর মাসের পর বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে আর মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাবে না। সম্প্রতি বিজেপি সরকার নানাভাবে মানুষের কাছে তাদের জনপ্রিয়তা খুইয়েছে। সে কারণে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যেই বিনামূল্যে রেশন সরবরাহ করার এই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, গোটা বিশ্বে ভারতই একমাত্র দেশ যে, এত বড় একটা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করেছে। গোটা দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিতে সরকারের খরচ হয়েছে দু লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। আগামী চার মাসে কেন্দ্র ৬০০ মেট্রিকটন রেশন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। পঞ্চম দফায় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় ৫৩ হাজার ৩৪৪ কোটি ৫২ লাখ টাকার ভর্তুকিযুক্ত পণ্য রেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নভেম্বর মাসেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নভেম্বরের পর সেই মেয়াদ বাড়ানো হয় কিনা তা নিয়ে গোটা দেশেই একটা কৌতুহল তৈরি হয়েছিল। একাধিক রাজনৈতিক দল কেন্দ্রের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু মানুষ এখনও তাদের কাজ ফিরে পাননি। এই অবস্থায় মানুষেকে আরও কিছুদিন বিনামূল্যে রেশন দেওয়া দরকার। কমপক্ষে আরও ছয় মাস রেশন সরবরাহ করতে হবে।

যদিও রাজনৈতিক দলগুলির এই দাবির প্রেক্ষিতে মোদি সরকারের মুখ থেকে কোনও কথা শোনা যায়নি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী বছর পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার শেষ পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়েছে। মার্চ মাসের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যের ভোট মিটে যাবে। তাই মোদি সরকার আপাতত মার্চ মাস পর্যন্তই বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, করোনাজনিত পরিস্থিতিতে ২০২০-র মার্চ মাস থেকেই গোটা দেশে লকডাউন জারি হয়েছিল। লকডাউনের সময় মানুষের পাশে দাঁড়াতেই বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প চালু করেছিল মোদি সরকার। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১-এর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এবার মোদি সরকার সেই মেয়াদ আরও চার মাস বাড়াল।

পুলিশের সমস্যা জানতে ডিজি, আইজিদের সঙ্গে বৈঠক মোদি-শাহের

Modi-Shah meeting with DG, IG

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: আইনশৃঙ্খলাজনিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (DG) এবং ইন্সপেক্টর জেনারেলদের (IG) সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। মাওবাদী দমন, মাদক পাচার, জঙ্গি মোকাবিলা, বিভিন্ন সংশোধনাগারের সংস্কার, সাইবার অপরাধের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা চলছে। রবিবারও এই আলোচনা চলবে। এবার লখনউতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সদর দফতরে ৫৬ তম এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। দু’দিনের এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধানরা সশরীরে উপস্থিত থাকছেন।

পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ডিজি মনোজ মালব্য (Monoj Malabya)। বৈঠকে যোগ দিতে শুক্রবারই তিনি লখনউয়ে পৌঁছন।

Modi-Shah meeting with DG, IG

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক হচ্ছে হাইব্রিড ফরম্যাটে। এই ফরম্যাটে বেশ কয়েকটি রাজ্যের ডিজি এবং আইজিরা যেমন সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন তেমনই অনেকেই অনলাইনে (online) এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। এদিনের বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেলদের কাছ থেকে তাঁদের কাজের সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর থেকেই প্রতিবছরই প্রতিটি রাজ্যের পুলিশ প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি এই বৈঠককে যথেষ্ট গুরুত্বও দিয়ে থাকেন। ডিজি ও আইজিরা যাতে নির্ভয়ে এবং খোলা মনে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন সে ব্যাপারেও উৎসাহ দিয়ে থাকেন মোদি। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এই বৈঠক দিল্লিতে হত। কিন্তু মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এই বৈঠক দিল্লির বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে হয়ে থাকে। করোনাজনিত কারণে ২০২০ সালে এই বৈঠক হয়েছিল অনলাইনে।

এবারের বৈঠকে সাইবার অপরাধ দমনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আমজনতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য যাতে হ্যাকাররা কোনভাবেই হ্যাক করতে না পারে সে বিষয়টি নিয়ে সকলের সঙ্গে মত বিনিময় করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিনের বৈঠকে প্রায় প্রতিটি রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন মেদি। তবে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এদিন তিনি নিজে কোনও বক্তব্য রাখেননি। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার তাঁদের বক্তব্য রাখবেন।

নরেন্দ্র মোদির ভারত সাংবাদিকদের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক: আন্তর্জাতিক সমীক্ষা

modi-press

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহে বিহারে অপহরণ করে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে ২২ বছরের এক তরুণ সাংবাদিককে। ভারতে এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ভারতের সাংবাদিকদের (journalist) ওপর এ ধরনের ঘৃণ্য আক্রমণ নতুন কিছু নয়। বরং বলা যেতে পারে, নরেন্দ্র মোদি জমানায় এদেশে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে।

‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’ (reporters without boders) নামে সাংবাদিকদের এক আন্তর্জাতিক সংগঠনের করা সমীক্ষায় ভারতীয় সাংবাদিকদের এই করুণ চিত্র ধরা পড়েছে। উল্লেখ্য, ১৬ নভেম্বর ভারতের জাতীয় সংবাদ মাধ্যম দিবস। ঠিক সেই দিনেই রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডার্সের এই সমীক্ষা দেশকে নতুন করে লজ্জায় ফেলল।

মঙ্গলবার এই সংস্থা ২০২১ সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স (world press freedom index) প্রকাশ করেছে। এই আন্তর্জাতিক সংস্থা ১৮০টি দেশের উপর সমীক্ষা চালিয়েছে। ১৮০ টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১৪২ নম্বরে। ওই সমীক্ষায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের জন্য ভারত এক ‘অত্যন্ত বিপদজনক’ (most dangerous) জায়গা। ওই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ভারতের তুলনায় প্রতিবেশী বেশ কয়েকটি দেশ অনেকটাই এগিয়ে আছে। যেমন নেপালের স্থান হয়েছে ১০৬। শ্রীলঙ্কা ও মায়ানমার রয়েছে যথাক্রমে ১২৭ ও ১৪০ নম্বরে। ভারতের পিছনে রয়েছে প্রতিবেশী পাকিস্তান ১৪৫ এবং বাংলাদেশ ১৫২ নম্বরে।

Modi

এই তালিকায় একেবারে শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে, ফিনল্যান্ড সুইডেন এবং ডেনমার্ক। অন্যদিকে এই তালিকায় একেবারে শেষের চারটি দেশ হল যথাক্রমে চিন, তুর্কমেনিস্তান, উত্তর কোরিয়া এবং এরিট্রিয়া।

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক (largest democratic country) দেশ ভারতে সাংবাদিকদের এই অবস্থা কেন তার উত্তরও দিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স নামে সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠনটি।

তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারতে মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে বিজেপি (bjp) সরকার গঠিত হওয়ার পর একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিজেপির সমর্থক এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সমর্থকরাই সাংবাদিকদের জন্য ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। সরকার বিরোধী কিংবা বিজেপি বিরোধী কোনও সংবাদ প্রকাশ হলেই সাংবাদিকদের গায়ে দেশবিরোধী তকমা সেঁটে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সংবাদ মাধ্যমের উপর সর্বতোভাবে নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে চলেছেন।

<

p style=”text-align: justify;”>ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ২০২০ সালে নিজেদের পেশাগত কাজ করতে গিয়ে ভারতে ৪ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। যদিও ইউনেস্কোর দাবি, ভারতে ৬ জন সাংবাদিকের প্রাণ গিয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা ৪ বা ৬ যাই হোক না কেন এই তথ্য যে দেশের সম্মানের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক তা না বললেও চলে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এই পরিস্থিতিতে ভারতে সংবাদমাধ্যমকে কি আর গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা যেতে পারে!

মোদির ৪ ঘন্টার সফরের জন্য ২৩ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করছে শিবরাজ সিং চৌহান সরকার

Narendra Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে ১৫ নভেম্বর দিনটি ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। যে সমস্ত আদিবাসী যোদ্ধা দেশের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছিলেন এই উৎসব তাদের উদ্দেশ্যে সমর্পণ করা হবে।

মধ্যপ্রদেশে জনজাতি গৌরব দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মধ্যপ্রদেশের মাত্র ৪ ঘন্টা থাকবেন তিনি। মোদির চার ঘণ্টার সফরের জন্য রাজ্যের বিজেপি সরকার খরচ করছে ২৩ কোটির বেশি টাকা।

করোনাজনিত কারণে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। অধিকাংশ মানুষের আয় তলানিতে এসে ঠেকেছে। রেশনে দেওয়া বিনামূল্যের চাল ও গম বহু পরিবারের একমাত্র সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে কেন্দ্র হুমকি দিয়েছে, তারা আর বিনামূল্যে রেশনে (ration) চাল গম সরবরাহ করবে না। কারণ তারা অযথা পয়সা খরচা করতে রাজি নয়। কিন্তু সেই মোদির জন্যই দু হাত উপুড় করে পয়সা ঢালছে মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং (shibraj ging chouhan) চৌহান সরকার।

জানা গিয়েছে, ১৫ নভেম্বর ৪ ঘন্টার জন্য ভোপালে (bhopal) আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ভোপালের জামবোরী ময়দানের মূল মঞ্চে মোদি থাকবেন মাত্র ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষকে এই অনুষ্ঠানে নিয়ে আসা হচ্ছে। তার জন্য তৈরি করা হয়েছে বেশ কয়েকটি বিশালাকার প্যান্ডেল। এক সপ্তাহ ধরে ৩০০ জনের বেশি কর্মী এই কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষকে তুলে আনতে শুধুমাত্র পরিবহণের (transportation) জন্য খরচ করা হচ্ছে ১৩ কোটিরও বেশি টাকা। এরপর রয়েছে তাদের খাওয়া-দাওয়ার খরচ। এক সপ্তাহ ধরে জনজাতি গৌরব উৎসব চলবে।

এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলেছে, মোদি সরকার একদিকে যখন মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নিচ্ছে তখন এভাবে রাজ্যের বিজেপি সরকারের মুঠো মুঠো টাকা খরচ করছে কিভাবে? অকারণে অর্থ জলে ফেলার কারণ কী? তবে মোদি বা তাঁর দলের পক্ষ থেকে এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৫ নভেম্বর ভোপালের হাবিবগঞ্জ (habibgang) স্টেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। হাবিবগঞ্জ স্টেশনটিকে একটি বিশ্বমানের স্টেশন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। বিশ্বের যেকোনও উন্নত দেশের অত্যাধুনিক স্টেশনকে চ্যালেঞ্জ দিতে পারবে হাবিবগঞ্জ স্টেশন।

বিজেপি পরিবারতান্ত্রিক দল নয়, বললেন বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদি

Narendra Modi

News Desk, New Delhi: রবিবার দিল্লিতে বসে ছিল বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। এই বৈঠকে কংগ্রেসের নাম না করে শতাব্দী প্রাচীন এই দলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি বললেন, বিজেপি কখনওই পরিবারতান্ত্রিক দল নয়। একমাত্র বিজেপিতেই সমাজের একেবারে প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষও শীর্ষস্থানে আসতে পারেন।

রবিবারই গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং অর্থাৎ বিশ্ব নেতাদের জনপ্রিয়তার সূচক প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন পেয়েছেন। মার্কিন গবেষণা সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট এই তালিকা প্রকাশ করে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট লোপেজ ওব্রাডর। চূড়ান্ত পর্যায়ে বিশ্বের ১৩ জন নেতার মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। এই সমীক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থানটি দখল করেছেন মোদি।

আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন সে কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী এদিন দলীয় কর্মীদের ভোকাল টনিক দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি মানুষের সেবা করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। মানুষের সেবা করাই বিজেপির ধর্ম। তাই বিজেপি কর্মীদের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট আছে। বিজেপি নেতাদের উপর মানুষের আশীর্বাদ ও ভরসা আছে বলেই আজ এই দল দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আগামী দিনেও মানুষের প্রতি এই আচরণ পালন করতে হবে। অর্থাৎ মানুষের আপদে-বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

এদিনের বৈঠকে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গেরুয়া দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের এক লাখ চার হাজার ভোটকেন্দ্রের সর্বত্র বুথ কমিটি গঠন করবে। ২০২২ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভোটার তালিকা সম্পর্কে নজর রাখার জন্য একজনকে নিয়োগ করা হবে। একইসঙ্গে ২০২২-এর মে মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন কি বাত অনুষ্ঠান যাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রচারিত হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।

এদিনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের ভাষণ দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। অর্থমন্ত্রীও এদিন বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বের সামনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। কিন্তু বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের গায়ে কালি ছেটাতে চাইছেন। গোটা বিশ্ব ভারতের টিকাকরণ কর্মসূচি প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অথচ এদেশে বিরোধীরা টিকাকরণ কর্মসূচি সম্পর্কে রীতিমতো সন্দেহ প্রকাশ করছে। কাজের নিরিখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতায় পরিণত হয়েছেন। কিন্তু বিরোধীরা সেটা মানতে রাজি নয়। সে কারণেই তাঁরা মোদির নামে কুৎসা রটিয়ে চলেছেন।

COP26: জলবায়ুর পরিবর্তন রোধ করা না গেলে বিশ্ব বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে: মোদি

PM Narendra Modi

News Desk: গ্লাসগোর বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন সিওপি-২৬-এর (COP26) মঞ্চে গোটা বিশ্বকে চমকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। জলবায়ু সম্মেলনের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিলেন, ২০৭০ সালের মধ্যে ভারতে কার্বন নির্গমনের পরিমাণ শূন্যের পৌছবে। মোদি যেমন জোর গলায় এই কথা বলেছেন, এই সম্মেলনে অন্য কোন দেশের রাষ্ট্রনেতা তা বলতে পারেননি।

এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন জলবায়ু পরিবর্তন ক্রমশই গোটা দুনিয়ার কাছে ভয়ঙ্কর এক আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠছে। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বিশ্বের কোনও দেশই জলবায়ুর পরিবর্তনের কুপ্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। সে যত ধনী দেশ হোক বা গরিব। কেউই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি। মানুষের জীবনযাপনের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে জলবায়ু পরিবর্তন। তাই জলবায়ুর উন্নতি সাধনের জন্য মানুষের জীবন যাপনে বদল আনতে পারে এমন পাঁচ অমৃত তত্ত্বের সন্ধান দিয়েছেন মোদি।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমরা যদি জলবায়ুকে রক্ষা করতে না পারি তবে আগামী দিন এই বিশ্ব মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে। স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ঘোষণায় বিশ্বের অন্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা কিছুটা অবাক হয়ে যান। মোদির এই বার্তা পশ্চিমী দেশ ও চিনের ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ এই দেশগুলি নিজেদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণ করতে কোনও রকম পদক্ষেপ করেনি।

গ্লাসগোর এই সম্মেলনে মোদি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পরিবেশকে অবশ্যই দূষণমুক্ত রাখতে হবে। বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ছে। এটা কোনও একটি দেশের উদ্বেগের বিষয় নয়। গোটা মানব জাতি ও সভ্যতার ক্ষেত্রেই ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে বিশ্ব উষ্ণায়ন। দূষণ কমিয়ে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রতিটি দেশকে একযোগে পদক্ষেপ করতে হবে।

লবায়ু সম্মেলনের এই মঞ্চে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান মোদি। মোদির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জনসন জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে যত শীঘ্র সম্ভব তিনি ভারত সফরে আসবেন। গ্লাসগোতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে একই মঞ্চে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জনসন। ওই বৈঠক চলাকালীন জনসনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান মোদি।

মঙ্গলবার বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, গ্লাসগোর ওই সম্মেলনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন বন্ধ, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বিষয় নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করার জন্যই জনসনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল জনসনের। কিন্তু করোনাজনিত কারণে সেই জনসনের সেই সফর বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত মোদির আমন্ত্রণে ভারতে আসার কথা জানিয়ে এক ইতিবাচক বার্তা দিলেন জনসন।

নরেন্দ্র মোদি সরকারই পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছে: চিদাম্বরমের

Narendra Modi and P Chidambaram

News Desk, New Delhi: ফের নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেতা ও দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের কথা উল্লেখ করে চিদাম্বরম বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারই যে পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছে তাতে আর কোনও সন্দেহ নেই।

বৃহস্পতিবার ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন বলেছিলেন, পেগাসাস সফটওয়্যার নির্মাতা সংস্থা এনএসও শুধুমাত্র কোনও দেশের সরকারকেই ওই সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারে। যদিও সেই বিক্রির আগে ইজরায়েল সরকারের কাছ থেকে তাদের অনুমতি নিতে হয়।

গিলনের ওই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে চিদম্বরম বলেন, ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের কথায় এটা পরিষ্কার যে, নরেন্দ্র মোদি সরকারই পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছিল। মোদি সরকার কাউকেই বিশ্বাস করে না। সে কারণেই তারা এই সফটওয়্যার কিনে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী এমনকী, বিচার বিভাগের ওপরেও নজরদারি চালিয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার এক চরম স্বৈরাচারী সরকার।

এই সরকার দেশের মানুষকে বিশ্বাস করে না। বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর নজরদারি চালাতেই এই সফটওয়্যার কেনা হয়েছে। ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত স্বীকার করে নিয়েছেন যে, সরকার ছাড়া এই সফটওয়্যার কাউকেই বিক্রি করা যায় না। তাহলে ভারতে যদি পেগাসাস এসে থাকে সেটা তো সরকারই এনেছে। এই মুহূর্তে তো সরকারের রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল। তাই পেগাসাস সফটওয়্যার দেশে আনার দায় মোদি সরকারের উপরেই বর্তায়।

চিদম্বরম আরও বলেন, পেগাসাস নিয়ে এই কারণেই নরেন্দ্র মোদি সরকার নীরব রয়েছে। সংসদেও তারা বিষয়টি নিয়ে কোন শব্দ খরচ করেনি। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলাকালীনও তারা খোলসা করে কোনও কিছুই জানায়নি। তাই পেগাসাস বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় ঘোষণা করেছে তা যথাযথ। পেগাসাস সম্পর্কে জানতে শীর্ষ আদালত তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

ওই তদন্ত কমিটি তার কাজ শুরু করলেই মোদি সরকারের গোপন তথ্য প্রকাশ্যে আসবে। মোদি সরকার কিভাবে দেশের বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের উপর পেগাসাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে নজরদারি চালিয়েছে সে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। দেশবাসীর সামনে মোদি সরকারের মুখোশ খুলে দেওয়া দরকার।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের গিলন বলেন, এনএসও নামে একটি বেসরকারি সংস্থা পেগাসাস সফটওয়্যার তৈরি ও বিক্রি করে থাকে। কিন্তু বিক্রি করার আগে তাদেরকে ইজরায়েল সরকারের অনুমতি নিতে হয়। শুধুমাত্র কোনও দেশের সরকারকেই এই সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারে এনএসও। নরেন্দ্র মোদি সরকার কি এই সফটওয়্যার কিনেছে? এই প্রশ্নের সরাসরি কোনও উত্তর দেননি গিলন। তিনি বলেন, পেগাসাস নিয়ে ভারতে যে বিতর্ক চলছে সেটা একেবারেই এদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তাই তিনি এ বিষয়ে কোনও রকম বিতর্কে জড়াবেন না। এনএসও এপর্যন্ত কোন কোন দেশের সরকারকে এই সফটওয়্যার বেচেছে সেই তথ্য কি ইজরায়েল সরকারের কাছে আছে? এই প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দেননি গিলন।

এয়ারপোর্টে কৃত্রিম পা নিয়ে অসুবিধা, মোদীর নজর টানতে ‍‘নাচে ময়ূরী’র পাশে লক্ষ্মীবাঈ

sudha chandran and kangana ranaut

নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কাতর আর্জি জানিয়ে খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন সুধা চন্দ্রন। কৃত্রিম পা নিয়ে প্রবীণ অভিনেত্রী বিমানবন্দরের সাধারণ পর্যবেক্ষণের সময় যথেষ্ট হয়রানির শিকার হয়েছিলেন।এ বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রীকে।

শনিবার তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সুধার গল্প শেয়ার করেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বিজেপি সরকার ঘনিষ্ঠ কঙ্গনা সুপারস্টার সুধা চন্দ্রনকে তাঁর পেশাগত কৃতিত্বের জন্য প্রশংসা করেছেন।

সুধা চন্দ্রনের হয়রানির অভিজ্ঞতা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে বলিউডের কুইন লিখেছেন, “সুধা জি একজন অভিজ্ঞ শিল্পী, একজন মহান নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী, পা হারানো সত্ত্বেও তিনি নাচের ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছন। আশা করি তিনি যথাযথ সম্মান পাবেন।”

কয়েকদিন আগেই সুধা চন্দ্রন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যতবার বিমানে যাতায়াত করেন ততবারই এয়ারপোর্টে নিরাপত্তার কারণে তার প্রস্থেটিক পা খুলে নেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এর ফলে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। ওই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সুধা চন্দ্রন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি যেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। তার মতো আরো অনেক প্রতিবন্ধীদের এই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বলেও দাবি করেন।

অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত তার পাশে দাঁড়ানোর পর নেটিজেনদের এক অংশ মনে করছেন সুধা চন্দ্রনের বিষয়টি সরকারের নজরে আসবে। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা ও অমানবিকতার অভিযোগ তুলে ধরেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সুধা চন্দ্রন।

তিনি জানিয়েছিলেন, ” আমি অনেক সময় বিমানবন্দর কর্মীদের কাছে অনুরোধ করি যে আমার প্রস্থেটিক পায়ের জন্য যেন ইটিডি (এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর) ব্যবহার করা হয় কিন্তু তারা বেশিরভাগ সময় শোনেন না এবং আমাকে আমার প্রস্থেটিক পা খুলতে বাধ্য করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশ কি এই বিষয়ে কথা বলছে? এই সম্মান কি আমাদের সমাজে একজন নারী অন্য নারীকে দেয়? মোদীজি আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ যে দয়া করে প্রবীণ নাগরিকদের একটি কার্ড দিন যাতে লেখা থাকে যে তারা প্রবীণ নাগরিক”।

ভারতের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে আইএমএফ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ঘুমিয়ে দিন কাটাচ্ছেন মোদি

India's financial situation

নিউজ ডেস্ক: করোনাজনিত সময়ে বিশ্বের প্রতিটা দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে। ভারত ও তার ব্যতিক্রম নয়। ভারতের অর্থনীতি নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা আইএমএফ। এই আন্তর্জাতিক সংগঠন তাদের এক অনুষ্ঠানে স্পষ্ট জানিয়েছে, করোনাজনিত সময়ে ভারতে আর্থিক বৈষম্য বেড়েছে। ঊধ্বমুখী দারিদ্র। এই সমস্যা দূর করতে সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

যথারীতি আইএমএফ-এর এই বক্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দিতেই রাজি নন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। দু’জনেরই দাবি, দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।

কিন্তু নির্মলা এবং মোদির এই বক্তব্য কার্যত খারিজ হয়ে গিয়েছে আইএমএফ-এর দেওয়া পরিসংখ্যানে। আইএমএফ বলছে, ভারতের বাজারে প্রতিদিনই পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ছে। পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম। যা সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে কেন্দ্রের যে সমস্ত পদক্ষেপ করা উচিত ছিল তার কোনওটাই হয়নি। যার ফলে মানুষের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ফলশ্রুতিতে অর্থনীতির বেহাল থেকে বেহালতর হয়েছে। কমেছে কর্মসংস্থান। বরং দেশে বেকারত্বের হার রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে।

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শুধু যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে তা নয়, শিল্পক্ষেত্রেও বড় মাপের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দেশের শেয়ারবাজার চাঙ্গা হলেও তা দিয়ে কর্মসংস্থানের প্রকৃত ছবিটা সামনে আসছে না। বরং এটা বলা যায় যে, গত এক বছরে ভারতে আর্থিক বৈষম্য অনেক বেড়েছে। যখন গোটা দেশের মানুষের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ কিছু শিল্পপতিদের আয় আবার চোখে পড়ার মত বেড়েছে।

আন্তর্জাতিক এই সংস্থা’ যখন ভারতের আর্থিক পরিস্থিতি ও সরকারের নেতিবাচক ভূমিকার কথা বলছে, তখন প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী দুজনেই আইএমএফ-এর সব দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে দেশের অর্থনীতির দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।

আরও একধাপ এগিয়ে নির্মলা বলেছেন ভারত তার অর্থনীতির ৯০ শতাংশই পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে। নিজের দাবির সপক্ষে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিল থেকে জুনে জিএসরি বাবদ আয় বিপুল বেড়েছে। তবে মোদি সরকার যাই বলুক না কেন বাস্তবচিত্র কিন্তু ভিন্ন কথাই বলছে। আইএমএফ জানিয়েছে, দেশের আর্থিক কর্মকান্ডের উপর মোদি সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যে কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে চলেছে। পাল্লা দিয়ে কমেছে মানুষের আয়।

এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে যে ধরনের পদক্ষেপ করা উচিত ছিল মোদি সরকার তা করতে পারেনি। সরকারের এই ব্যর্থতার মাশুল গুনছে সাধারণ মানুষ। মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাঁদের নাভিশ্বাস উঠছে। মূল্যবৃদ্ধি ডেকে আনে মুদ্রাস্ফীতি। আর মুদ্রাস্ফীতির চড়া হার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পক্ষে সবচেয়ে বড় বাধা। তাই মোদি সরকার যাই বলুক না কেন, মূল্যবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি কমাতে না পারলে ভারতীয় অর্থনীতির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।

এই অবস্থায় মোদি বা নির্মলাকে অনেক বেশি সক্রিয় হতে হবে। কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা যায় সে বিষয়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা করতে হবে। ঘুমিয়ে দিন কাটালে কখনওই চলবে না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে আত্মঘাতী হল এক কিশোর

Stop committed suicide

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) চিঠি লিখে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করল বছর ১৬-র এক কিশোর। সোমবার রাতে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরের মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল একটি সুইসাইড নোট। সেখান থেকেই তার মৃত্যুর কারণ জানা গিয়েছে।

ওই কিশোর সুইসাইড নোটটি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিল। ওই কিশোর জানিয়েছে, তার ভাল নৃত্যশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু পরিবার তার এই স্বপ্নপূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাবা-মা-সহ পরিবারের অন্যদের অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও সে সফল হতে পারেনি। তাই সে আত্মহত্যা করতে চলেছে।
ওই কিশোর সুইসাইড-নোট বা চিঠিতে আরও জানিয়েছে, তার মৃত্যুর পর যেন একটি মিউজিক ভিডিয়ো তৈরি করা হয়। যাতে গান গাইবেন অরিজিত সিং এবং কোরিওগ্রাফি করবেন নেপালের শিল্পী সুশান্ত খতরি। প্রধানমন্ত্রী যদি এই শেষ ইচ্ছা পূরণ করেন তাহলেই তার আত্মা শান্তি পাবে। একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রর দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গোয়ালিয়র পুলিশ অবশ্য আত্মঘাতী কিশোরের পরিচয় জানায়নি। তবে ওই কিশোরের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ছেলের আত্মহত্যার খবরে ভেঙে পড়েছে তার মা ও বাবা। কেউই কথা বলার মত অবস্থায় নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন ওই কিশোর নাচতে খুব ভালোবাসত কিন্তু তার মা-বাবা বাড়ির কেউই সেটা পছন্দ করত না। সে কারণেই সে যাতে নাচ বন্ধ করে দেয় তার জন্য বারবার তাকে বোঝানো হত। কিন্তু কোন কিছুই ছেলেটিকে তার এই নৃত্য সাধনা থেকে সরাতে পারেনি। মৃত কিশোরের এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় জানিয়েছেন, নাচ শিখতে না পারার জন্য শেষ পর্যন্ত যে ওই কিশোর আত্মঘাতী হবে এটা তাঁরা স্বপ্নেও ভাবেননি।

মনোবিদরা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ পরিবারই মা-বাবা তাদের সন্তানদের জোর করে কিছু বিষয় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এই প্রবণতা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। বরং একজন ছেলেমেয়ে যেটা শিখতে চায় সেটা করতে দেওয়া হলে সে অনেক বেশি সাবলীলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। জোর করে কোন কিছু চাপিয়ে দিলে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীর উপর মানসিক চাপ তৈরি হয়। অনেক সময় এ ধরনের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে থাকে তারা। এক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই হয়েছে। আত্মঘাতী কিশোরের পরিবার যদি বিষয়টি একটু বুঝত তাহলে আজ আর ছেলেকে এভাবে অকালেই হারাতে হত না।

Time Magazine-এর ‘বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী’র তালিকায় মোদী-মমতা

নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভারতের দুই রাজনীতিবিদেরই বিবিধ পরিচয়। প্রথমজন দেশের প্রধানমন্ত্রী, ২০১৪ সালের মোদী ঝড়ের বেগ কমলেও তাঁর জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাঁটা পড়েনি। বরং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের এবং ভারতের ওজন বাড়াচ্ছেন রোজই। দ্বিতীয়জন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদে তৃতীয়বারের জন্য বসেছেন, একক কৃতিত্বে রুখেছেন ভারতীয় জনতা পার্টিকে। এই মুহূর্তে রাজ্য নয়, জাতীয় রাজনীতিতে অন্যতম আলোচিত নামটি তাঁর। 

আরও পড়ুন জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দ্রুত এগোচ্ছেন মমতা

এবার টাইমসের ‘বিশ্বের মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি’দের তালিকায় জায়গা করে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় জায়গা পেয়েছেন সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী আদার পুুনাওয়ালাও।

টাইমস গোষ্ঠী বুধবার ‘বিশ্বের মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি’ (‘most influential people of 2021’) এর বার্ষিক তালিকা প্রকাশ করেছে। যাতে স্থান পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, সাসেক্সের ডিউক এবং ডাচেস প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তালিবানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আবদুল গনি বড়দার নামও।

Narendra Modi and Mamata Banerjee

টাইমস এর ওয়েবসাইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রোফাইল বলছে, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ৭৪ বছরে, ভারত তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা পেয়েছে। যারা বিশ্বের দরবারে নিজেদের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। “নরেন্দ্র মোদি তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি দেশের রাজনীতির উপর নিজের আধিপত্য বিস্তার করছেন।” যদিও CNN-এর বিখ্যাত সাংবাদিক ফারিদ জাকারিয়ার লেখা ওই প্রোফাইলে ভারতকে ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া এবং সংখ্যালঘুদের (পড়ুন মুসলিম) ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্যও দায়ী করা হয়েছে। মমতা ব্যানার্জির সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি তাঁর দলকে শুধু নেতৃত্ব দেন না। তিনিই তৃণমূল কংগ্রেস – তিনিই দল। পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে রাস্তায় নেমে মরিয়া মনোভাব তাঁকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে।

Times-এর প্রকাশ করা এই নতুন তালিকায় রয়েছেন জাপানের টেনিস খেলোয়াড় নাওমি ওসাকা, রাশিয়ান বিরোধী কর্মী আলেক্সি নাভালনি, সঙ্গীত আইকন ব্রিটনি স্পিয়ার্স, এশিয়ান প্যাসিফিক পলিসি অ্যান্ড প্ল্যানিং কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মঞ্জুশা পি কুলকার্নি, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, অভিনেতা কেট উইন্সলেট এবং ‘প্রথম আফ্রিকান এবং প্রথম মহিলা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রধান’ Ngozi Okonjo-Iweala।

 

স্বাস্থ্যখাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশাল অঙ্কের টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

Narendra-Modi

অনুভব খাসনবীশ: কেন্দ্রের চলতি বছরের বাজেটে আগামী অর্থবর্ষে (২০২১-২২)-এর জন্য ২,২৩,৮৪৬ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। যার মধ্যে কেবল টিকাকরণের কাজে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের এই ঘোষণার পরেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের জন্য সেরা বাজেট বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রতিষেধক নির্মাতা সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুণেওয়ালা। পাশাপাশি ‘প্রধানমন্ত্রী আত্মনির্ভর স্বাস্থ্যভারত যোজনা’ নামে একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। ওই প্রকল্পে আগামী ছয় বছরে ৬৪,১৮০ কোটি টাকা অর্থাৎ বছরে ১০,৭০০ কোটি টাকা সরকার ওই প্রকল্পে দিতে চলেছে।

আরও পড়ুন কেন্দ্র চায় অতিমারিকালে স্কুল চালু নিয়ে সিদ্ধান্ত নিক রাজ্যগুলি

এবার স্বাস্হ্য খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৪৪০২ কোটি টাকার প্যাকেজ বরাদ্দ হচ্ছে। এর মধ্যে ৬৩ শতাংশ অর্থ গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে খরচ করা হবে। বাকি ৩৭ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা শহরাঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে খরচ করতে হবে। গড়ে তোলা হবে প্রায় ১,৩০০ ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক ও বিডিওদের তত্ত্বাবধানে সরকারি জমিতে নতুন করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি গড়ে তোলা হবে। জেলা থেকে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অক্সিজেন সিলিন্ডার বা মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন উৎপাদক প্ল্যান্ট তৈরির জন্যও বরাদ্দ হচ্ছে টাকা।

Narendra Modi
চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে কসবা থেকে ভোটে লড়েছিলেন ডঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন এই ছবিটি।

এছাড়া পাঁচটি ১০০ শয্যার নতুন হাসপাতাল তৈরি হবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আরও দু’টি জেলায় তৈরি হবে এই হাসপাতাল। কল্যাণীর জিনোম সিকোয়েন্স ল্যাবরেটরির মতো একটি অত্যাধুনিক পরীক্ষাগার গড়ে তোলা হবে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে এই ল্যাবরেটরি তৈরি হবে। এর আগে চলতি অর্থবর্ষে রাজ্যের বাজেটে পুরো স্বাস্থ্যে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকা! যা রাজ্যের জাতীয় মোট উৎপাদনের (জিডিপি) ০.৯ শতাংশ। ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ কোটি মানুষের জন্য দু’কোটি পরিবারকে বছরে ৫ লাখ টাকা করে স্বাস্থ্য বিমা দেওয়ার কথাও নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘোষণা করেছিল সরকার।

BRICS: জিনপিংয়ের উপস্থিতিতেই আফগানিস্তান নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদী-পুতিনের

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে তালিবান (Taliban) সঙ্কটের মধ্যে অনুষ্ঠিত ১৩তম ব্রিকস সম্মেলন (BRICS)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এই সম্মেলনে নেতৃত্ব দেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন ব্রিকস গোষ্ঠীর রাষ্ট্র রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনের শি জিংপিং, ব্রাজিলের জায়ার বোলসোনারো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সাইরিল রামাফোস।

আরও পড়ুন বাইডেন সাক্ষাতে শীঘ্রই মার্কিন মুলুকে যাবেন মোদী

‘ব্রিকস’-এর এই ভার্চুয়াল শীর্ষবৈঠকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস মোবাবিলায় যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়। কাবুলে তালিবান দখলদারির পর ‘ব্রিকস’-এর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মোদী। হিংসাত্মক পথ এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দিয়েছেন মোদী, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনরা। সেইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মহিলা ও সংখ্যালঘু-সহ মানবাধিকার রক্ষার উপর বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন বিপুল চিনা সাহায্য, তালিবান সরকারের চোখে আনন্দাশ্রু!

ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজক দেশ হিসেবে সভাপতির ভূমিকা পালন করেন মোদী। গোয়ার সন্মেলনের পর এবার দ্বিতীয়বার ব্রিকসের নেতৃত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সন্মেলন শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত দেড় দশকে ব্রিকস অনেক সাফল্য পেয়েছে। এখন আমরা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সবচেয়ে প্রভাবিত একটি গোষ্ঠীর অংশ। গত দেড় বছরে অতিমারীর সময় আমরা অনেক বৈঠক করেছি। আমাদের এই সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে।’

চিনের প্রধানমন্ত্রী জিনপিং উপস্থিত থাকলেও এই বৈঠকে স্বাভাবিক ভাবেই আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পুতিনই শুরুতে আফগানিস্তানের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি জানা, ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত কোনও দেশই চায় না যে প্রতিবেশীদের জন্য আফগানিস্তান সন্ত্রাসবাদ বিস্তার করুক বা মাদক পাচারের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠুক। মোদী বলেন, ‘‘আফগানিস্তানের পক্ষে তার প্রতিবেশীদের কাছে সন্ত্রাসের উৎস হয়ে ওঠা কাম্য হবে না।’’  উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে মাদক ব্যবসার এবং ভারত-সহ অন্যান্য দেশে তা সরবরাহ করার বিষয়েও।

মোদী টুইটারে লেখেন, ‘ব্রিকস-এর পঞ্চদশ বৈঠকের আয়োজক হিসেবে আমি খুশি। ভারতের সভাপতিত্বে ব্রিকস কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে।’

মোদীর নাম জপেই বিজেপি-বিরোধী প্রচার চালাবে দেশের কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রচার করবেন কৃষকরা। আর তাতেই রয়েছে চমক, বিজেপির কায়দাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) নামেই এ বার প্রচার চালাবেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। রবিবার মুজফ্‌ফরনগরে মহাপঞ্চায়েত থেকে এমনটাই ঘোষণা করলেন কৃষক নেতা রাকেশ তিকাইত।

আরও পড়ুন সোমবার মাঝরাতে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কৃষকদের শক্তি দেখাতে আয়োজন করা হয়েছিল মহাপঞ্চায়েতের। কৃষক নেতা রাকেশ তিকাইত জানান, ‘‘যদি সরকার আমাদের সমস্যা বোঝে তা হলে ভাল। না হলে দেশ জুড়ে এই ধরনের বৈঠক হবে। দেশ যাতে বিক্রি না হয়ে যায়, সে দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।’’

আরও পড়ুন বাইডেন সাক্ষাতে শীঘ্রই মার্কিন মুলুকে যাবেন মোদী


আরও পড়ুন দিল্লির কৃষক আন্দোলন ভুয়ো, বিরোধীদের মদতপুষ্ট: দিলীপ ঘোষ

কৃষকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবেন। আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে যোগী আদিত্যনাথ ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হবে। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, গোটা দেশ জুড়ে এই রকমের প্রতিবাদের পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেহেতু বিজেপি শুধু প্রধানমন্ত্রীর নামেই প্রচার চালায়, তাই আন্দোলনরত কৃষকরাও এ বার থেকে ওনার নামেই প্রচার চালাবে। এছাড়াও জানানো হয়েছে, আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি আন্দোলনকারী কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগগুলি প্রত্যাহার না করা হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা।

অন্যদিকে গত বছর থেকেই কৃষক আন্দোলনের বিরোধীতা করে আসছেন বিজেপি নেতারা। দিনকয়েক আগেই কৃষক আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজপথে চলা কৃষক আন্দোলন ভুয়ো। সরাসরি অভিযোগ করলেন, এই আন্দোলন সংগঠিত নয়।, টাকা দিয়ে ভাড়া করে লোককে আনা হয়েছে। এদের শুধু মোদি বিরোধিতা করাই লক্ষ্য।

বাইডেন সাক্ষাতে শীঘ্রই মার্কিন মুলুকে যাবেন মোদী

নিউজ ডেস্ক: জো বিডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পদে বসার পর মাত্র তিনবার সাক্ষাৎ হয়েছিল মোদী-বাইডেনের। চলতি বছরের মার্চে কোয়াড সম্মেলন, এপ্রিলে জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন এবং জুন মাসে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। যদিও করোনা অতিমারির প্রভাবে প্রত্যেকবারই দুই রাষ্ট্রনেতা মুখোমুখি হয়েছিলেন ভার্চুয়ালি। 

আরও পড়ুন তালিবান সরকার: রাজনৈতিক জীবনে কঠিনতর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন মোদী

এবার সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে মোদী-বাইডেনের। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২২-২৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। সেক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর তাঁর প্রথম বিদেশ সফরই শুধু নয়, ট্রাম্পকে হটিয়ে জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্টের পদে বসার পর প্রথমবার মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে মোদীর সঙ্গে।

আরও পড়ুন নতমস্তকে বাইডেন: প্রবীণ কমিউনিস্ট ভিয়েতকং গেরিলারা ফিরলেন সোনালি অতীতে

এর আগে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য মোদির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতজুড়ে করোনা সংক্রমণের কারণে সফরটি বাতিল করতে হয়েছিল। অন্যদিকে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি এবং তালিবানদের সরকার গঠনের প্রেক্ষিতে মোদীর এই সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিডেনের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি তিনি মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শেষবার ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। আমেরিকায় ভোটের আগে সেই সফরে গিয়ে ‘আবকি বার ট্রাম্প সরকার’ বলে ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য ভোটও চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত ক্ষমতায় এসেছে রিপাবলিক, প্রেসিডেন্ট হয়েছেন জো বাইডেন। সেদিক থেকেই মোদীর এই সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, তালিবানদের কাবুল দখল, আফগানিস্তানে শরিয়তি আইন প্রতিষ্ঠা, সরকার গঠন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি নরেন্দ্র মোদী। ভারতীয়দের উদ্ধারে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলেও সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য আসেনি প্রধানমন্ত্রী তরফ থেকে। কিন্তু, কাশ্মীরের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তালিবানদের বিভিন্ন মন্তব্যে ইতিমধ্যেই চাপ বেড়েছে নয়াদিল্লির ওপর।

 

 

আফগান পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোদীর জরুরি ক্যাবিনেট বৈঠক

নিউজ ডেস্ক: গোটা আফগানিস্তান জুড়ে ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে তালিবানদের আক্রমণ। আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের আগ্রাসন দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী। আমেরিকার সামরিক কার্যালয় পেন্টাগনের তরফ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছিল, তিনমাসের মধ্যেই কাবুল দখল করে ফেলবে তালিবানরা। কিন্তু দু’দিনের মধ্যেই কাবুলে ঢুকে রাজধানী শহর দখল করতে শুরু করে তালিবানরা। বর্তমানে তালিবানদের কব্জায় আফগানিস্তান।

আরও পড়ুন তালিবানি ফতোয়া, পোশাক বদলে হিজাব পরলেন সাংবাদিক ক্লারিসা

তা নিয়েই আজ জরুরি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থা, তালিবানরাজ, বৈদেশিক সম্পর্ক, ভারতের নিরাপত্তা ইত্যাদি নিয়ে নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন স্রিলা, আফগানিস্তানে ভারতের রাষ্ট্রদূত রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন। এদিনই আফগানিস্তান থেকে বায়ুসেনার বিমানে ভারতে ফিরে আসেন তিনি।

আরও পড়ুন ই-রুপি: নতুন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সূচনা করলেন নরেন্দ্র মোদী

আফগানিস্তানের রাশ নিজের হাতে নিয়েছে তালিবানরা। দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও। তালিবানদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আফগানিস্তানের আকাশে কোনও অসামরিক বিমান চলাচল করতে পারবে না। যদিও তারমধ্যেও ভারত ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের সদস্য সহ আফগানিস্তানে আটকে থাকা প্রায় ১৩০ জন ভারতীয় নাগরিককে বিশেষ বিমানে দেশে ফিরিয়ে এনেছে।