indian railways: ট্রেনে হারানো সম্পত্তির দায় নেবে না‌ রেল কর্তৃপক্ষ: সুপ্রিম কোর্ট

Indian Railways

ট্রেনে সফর করার সময় কোনও জিনিস খোয়া গেলে তার দায় রেলের (indian railways) নয়। এক মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি আহসানুদ্দিন আমানুল্লার বেঞ্চ এমনটাই জানিয়েছে। শীর্ষ আদালতের পক্ষে জানানো হয়েছে, ট্রেনে যদি কিছু হারিয়ে ফেলেন যাত্রীরা তাহলে সেজন্য রেল কর্তৃপক্ষের থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ চাইতে পারবেন না তারা। ২০১৫ সালের এক […]

The post indian railways: ট্রেনে হারানো সম্পত্তির দায় নেবে না‌ রেল কর্তৃপক্ষ: সুপ্রিম কোর্ট first appeared on Kolkata 24×7 | Bangla News | Latest Bengali News.

Uttar Prdesh : জো জিতা ওহি সিকন্দর! সমীক্ষা উড়িয়ে উত্তরপ্রদেশে ঝাঁপ মোদী-যোগীর

Uttar Prdesh

উত্তর প্রদেশে (Uttar Prdesh) নির্বাচন সাত দফায়৷ শনিবার বিকালে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তারিখ জানানোর পাশাপাশি উত্তর প্রদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামাতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আগামী দিনেও কি যোগী আদিত্যনাথ থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীর পদে, নাকি অন্য কেউ?

উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু হতে পারে কৃষক আন্দোলন। যোগী রাজ্যের চাষিদের অনেকেই সমর্থন জানিয়েছিলেন আন্দোলনে। এবং তার উত্তরে রাজ্য সরকারের মনোভাবও উঠে এসেছিল সংবাদ শিরোনামে। চাষিরাও দেশের নাগরিক। ভোটার। তাই আদিত্যনাথের সরকার তাঁদেরকে যে ক্ষুণ্ণ করেছিল তা বলাই বাহুল্য। লখিমপুরের ঘটনা আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল দেশে। মন্ত্রীর ছেলে নাকি পিষে মেরেছিলেন কৃষকদের! আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি ভোট ব্যাঙ্কে?

অতিমারি-কালও কাল হতে পারে যোগী সরকারের। রাজনৈতিক বোদ্ধাদের কেউ কেউ এমনটাও মনে করছেন। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় উত্তর প্রদেশের গ্রামের দিকে শোনা গিয়েছিল হাহাকার৷ নদীর জলে ভেসে গিয়েছিল একের পর এক মৃতদেহ৷ স্বজনের প্রাণ রক্ষা করতে অন্য রাজ্যে ছুটে গিয়েছিল পরিবার। এসবই এখনও মনে রয়েছে আম-জনতার। প্রদেশের চিকিৎসা পরিষেবা সম্বন্ধে নেতাবাচক বার্তা পৌঁছেছিল জাতীয় স্তরে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা কি আগের মতো রয়েছে এখনও? এ প্রশ্ন আগে উঠেছে বহুবার। কিছু বেসরকারি সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছিল। যার ফলাফল বিজেপি সমর্থকদের অনেকেই হয়তো পছন্দ করবেন না। হিন্দুত্ববাদী ইমেজ খাড়া করা সত্বেও বারাণসীতেও চিড় ধরেছে মোদীর জনপ্রিয়তায়। সংবাদমাধ্যমের পর্দাদেও উঠে এসেছে সেই ছবি। অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের দুধ কা দুধ পানি কা পানি করে দিয়ে গিয়েছে অনেক কিছুই।

উত্তর প্রদেশে নিরাপত্তা এখনও চিন্তার বিষয়। যোগী আদিত্যনাথ দুষ্টের দমন করতে নিয়েছিলেন একাধিক পদক্ষেপ৷ অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড থেকে এনকাউন্টার, বিগত কয়েক বছরে হয়েছে অনেক কিছুই। কিন্তু সুফল মিলেছে কতোটা। উন্নাও-এর ঘটনা এখনও ভোলেননি ইউপি নিবাসীরা। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯-এ রাজ্যে অপরাধের সংখ্যা বেশি। ২০১৮ সালে নথিভুক্ত হওয়া ক্রাইমের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ১৫৭। ২০১৯ সালে ৬ লক্ষ ২৮ হাজার ৫৭৮।

রাজ্যের ক্ষমতায় বিজেপি থাকবে কি না তা অনেকাংশে নির্ভর করবে বিরোধীদের ওপর। উত্তর প্রদেশে বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বাগ্রে সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস। সম্প্রতি বিরোধী হিসেবে বিজেপিকে বেশ বেগ দিচ্ছে হাত শিবির। প্রচারে অখিলেশও ছড়িয়েছেন সুগন্ধী। গেরুয়া শিবিরকে পরাস্ত করার ইচ্ছা নিয়ে কাছাকাছি এসেছে সপা ও কং। আর মায়াবতী? মায়াতীর দল নিয়ে একলা চলো নীতি। কিছু ভোট নিশ্চয় পাবেন নেত্রী। তাতে বরং লাভ হতে পারে বিজেপির। মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ‘ভোট কাটুয়া’ শব্দ দু’টির চল বেড়েছে সম্প্রতি।

উত্তর প্রদেশে শিক্ষার হার এখনও অনেকটা কম। বিশেষ করে নারী শিক্ষার হার ৬০ শতাংশেরও নীচে। উত্তর প্রদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে পুরুষ শিক্ষার হার ৭৯.২৪ শতাংশ। নারী শিক্ষার হার ৫৯.২৬ শতাংশ। গড়ে শিক্ষার হার ৬৯.৭২ শতাংশ। যোগী রাজ্যে মহিলাদের বর্তমান অবস্থা এক আলোচ্য বিষয়৷

অযোধ্যা। উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে বিজেপির অন্যতম হাতিয়ার৷ রাম মন্দিরের ভিত-পুজো করে মাইলেজ আদায় করে নিয়েছিলেন মোদী। উত্তর প্রদেশ সহ অন্যান্য রাজ্যেও সেদিন উড়েছিল গেরুয়া ধ্বজা। অভাব অনটনের মাঝেও ভারতবাসীদের একাংশ ধর্মপ্রাণ। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এ কথা জানেন খুব ভালো করে।

অর্থাৎ ইস্যু রয়েছে। হয়েছে আন্দোলন। বিরোধীরা উঠে পড়ে লেগেছেন যোগীকে আসন চ্যুত করতে। কিন্তু এমনই কিছু পয়েন্ট রয়েছে যা হাসি ফোটাতে পারে গেরুয়া শিবিরে। তাই লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে।

INC: ‘নাটক… কৃষকরা মোদীকে ওনার আওকাত বুঝিয়ে দিয়েছেন’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গাড়ি ঘুরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল পাঞ্জাব সরকার। যদিও কংগ্রেসের (INC) পক্ষ থেকে দাবি, নিরাপত্তায় কোনও ত্রুটি ছিল না। বরং ঘটনাটি স্রেফ একটা ‘নাটক’।

মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের সভাপতি নানা পাটোলে বলেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদী নিরাপত্তায় কোন খামতি ছিল না। গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার মধ্যে দিয়ে উনি যে কাণ্ডটি করেছেন, সেটা নাটক ছাড়া আর কিছুই না।’

আরও পড়ুন: Modi: ‘বেঁচে ফিরে’ প্রধানমন্ত্রী চুপ কেন? উঠছে প্রশ্ন

পাঞ্জাবে নির্বাচন আসন্ন। তার আগে সেখানে নিজেদের পায়ের তলার জমি শক্ত করতে চাইছে রাজনৈতিক দলগুলো। ভারতীয় জনতা পার্টিও তার ব্যতিক্রম নয়। গতকাল এক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল নরেন্দ্র মোদীর। কিন্তু সভাস্থলের পৌঁছয়নি তাঁর গাড়ি। নিরাপত্তা রবি সিমের কথা উঠলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশ খুঁজে পাচ্ছেন অন্য অঙ্ক।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছিল চণ্ডীগড় পুরভোটের ফলাফল। গতবার এই আসনে দারুণ ফলাফল করেছিল বিজেপি। এবার তার ছায়ামাত্র নেই। ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে উঠে এসেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। কেউ কেউ মনে করছেন পাঞ্জাবে আসন্ন নির্বাচনে ফ্যাক্টর হতে পারে কৃষক আন্দোলন।

<

p style=”text-align: justify;”>কৃষকদের লাগাতার চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত নতজানু হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল বিতর্কিত কৃষিবিল। বিদ্রোহী কৃষকদের সমর্থন দিয়ে গিয়েছিলেন অরবিন্দ। তারই সুফলকে তিনি পেয়েছেন চণ্ডীগড়ে? উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না সম্ভাবনা। কৃষক আন্দোলনের বিপরীতে কেন্দ্রের ভাবমূর্তি কতটা অক্ষুন্ন রয়েছে সে ব্যাপারেও রয়েছে সংশয়। ফের কি একবার নিজের প্রখর রাজনৈতিক বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন মোদী? নানা পাটোলের মতে, ‘মোদীকে ওনার আওকাত বুঝিয়ে দিয়েছেন কৃষকরা।’

Narendra Modi: মোদীর জনসভা ফাঁকা, তাই কি ‘বেঁচে ফিরেছি’ রাজনীতি!

গাড়ি ঘুরিয়ে চলে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। অভিযোগ, ‘প্রধানমন্ত্রীর ক্ষতি করতে চেয়েছিল পাঞ্জাব সরকার’। কিন্তু আসল কারণ অন্য, মনে করছেন কিছু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ।

মোদীর গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার পর প্রকাশ্যে এসেছে একটি ছবি। যে জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল সেখানের একটু দৃশ্য সামনে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কী দেখা যাচ্ছে ছবিতে? সামনের সারিতে বসে রয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন। পিছনের আসনগুলো ফাঁকা। দূরে কিছু মানুষের জমায়েত৷ এই ছবির প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠতেই পারে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচীতে গড়ের মাঠের দশা কেন?

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কার্যত ‘ডেইলি প্যাসেঞ্জারি’ করেছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। জেলার দিক থেকে তখন এমন কিছু ছবি মিলেছিল যা গেরুয়া শিবিরের কাছে হৃদয়বিদারক। খালি পড়ে রয়েছে চেয়ার৷ গুটিকতক লোকের জমায়েত। এমনও হয়েছে সেই মূল বক্তা শেষ পর্যন্ত আর আসেননি সে তল্লাটে। কিংবা রদবদল করেছিলেন কর্মসূচীতে। যদিও রদবদলের সঠিক কারণ হলফ করা বলা মুশকিল।

পাঞ্জাবে নির্বাচন আসন্ন। ঠিক তার আগে প্রধানমন্ত্রীর ফিরে যাওয়ার ঘটনা তুলছে বহু প্রশ্ন। পাঞ্জাব সরকারের বিরুদ্ধে উঠছে আঙুল। তেমনই আলোচকদের ভাবনায় গেঁথে রয়েছে নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীর তুখর রাজনৈতিক মগজের কথা। পাঞ্জাবে ফাঁকা চেয়ার এবং গাড়ি ঘোড়ানোর ঘটনাকে অনেকেই অবশ্য দুইয়ে দুইয়ে চার করতে চাইছেন না। কারণ ক্ষমতায় না থাকা কংগ্রেসকে কেনই-বা এতোটা গুরুত্ব দিতে যাবেন ‘৫৬ ইঞ্চি’? তাঁর জনপ্রিয়তা গগণচুম্বি। তিনি বিশ্ববরেণ্য। সাংবাদিক সম্মেলন করেনটা বটে। কিন্তু ওই যে কথায় আছে না ‘অ্যাকশন স্পিকস লাউডার দ্যন ওয়ার্ডস’।

পাঞ্জাবে নির্বাচন যেহেতু আসন্ন তাই কিছু পরিসংখ্যানে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। ১) কৃষক বিদ্রোহের অন্যতম পিঠস্থান এই রাজ্য৷ চাষিদের চাপের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্র। ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বিতর্কিত আইন। ২) গতবার চণ্ডীগড় পুরসভা ভোটে সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। এবার পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের এই পুরভোটে গেরুয়া শিবির পর্যুদস্ত। সফল আম আদমি পার্টি। ৩) অন্যান্য রাজ্যেও মোদীর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে এমন আভাস মিলেছে বহুবার। ৪) নিজেদের চেনা জায়গাতেও সম্প্রতি হেরেছে বিজেপি।

কংগ্রেসের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলা ‘বেঁচে ফেরা’ মন্তব্যও কী ভোটব্যাঙ্কের দিকে তাকিয়ে করলেন মোদী? মূল প্রশ্নটা তোলা হয়েছে কংগ্রেস শিবিরের পক্ষ থেকে। হাত শিবির মনে করছে, সভায় লোক হবে না এটা ধরে নিয়েই নানা অজুহাত তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

Narendra Modi: মোদী সরকারের আমলে ফের বাড়ল বেকারত্বের হার

২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ছিল নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) তুরুপের তাস। কিন্তু ক্ষমতা দখলের পর কর্মসংস্থান (Employment) তো দূরের কথা বরং ভারতে কর্ম সংকোচন ঘটেছে উদ্বেগজনক হারে। করোনাজনিত পরিস্থিতিতে দেশের বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এরই মধ্যে ‘সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি’ নামে এক সংস্থার সমীক্ষা থেকে জানা গেল, শেষ চার মাসের মধ্যে ডিসেম্বরে (December) বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।

পরিসংখ্যান থেকে দেখা গিয়েছে, ২০২১-এর অগাস্টে ভারতে বেকারত্বের হার ছিল ৮.৩ শতাংশ। নভেম্বরে কিছুটা কমে হয় ৭ শতাংশ। কিন্তু ডিসেম্বরে ফের সেটা বেড়ে হয়েছে ৭.৯ শতাংশ। চার মাসের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি ডিসেম্বরে।

নভেম্বরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ধরা পড়ে। ওমিক্রনের প্রকোপ বৃদ্ধিতে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে বিধিনিষেধ নতুন করে চালু চালু হয়েছে। ওমিক্রনের কারণে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় বেকারত্বের হার বেড়েছে। নভেম্বরে দক্ষিণ এশিয়ায় বেকারত্বের হার ছিল ৮.২ শতাংশ। কিন্তু ডিসেম্বর মাসে বেকারত্বের হার বেড়ে হয় ৯.৩ শতাংশ। ওই সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, নভেম্বর মাসে ভারতে গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের হার ছিল ৬.৭ শতাংশ। কিন্তু ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৭.৩ শতাংশ।

চলতি আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছিল। দেশের বিভিন্ন শিল্প সংস্থায় উৎপাদন বাড়ছিল। পাশাপাশি বাড়ছিল চাহিদাও। অর্থনীতিবিদরা অনেকেই বলেছিলেন, ধীরে হলেও পরিস্থিতি ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। কিন্তু ওমিক্রন সব হিসাব উল্টে দিল। ওমিক্রনের জেরে বিভিন্ন দেশ একাধিক বিধিনিষেধ এমনকী, লকডাউনের রাস্তায় হেঁটেছে। তাই অর্থনীতি আবারও বড় মাপের ধাক্কা খেতে পারে বলে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।

রেশন দোকানগুলি হয়ে উঠবে ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’, নয়া সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

Ration shops will become the 'Common Service Center', the new decision center

News Desk: আগামীদিনে রেশন দেশের দোকানগুলি হয়ে উঠবে ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’। বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ছাড়াও পাওয়া যাবে এলপিজির সিলিন্ডার। কেন্দ্রীয় খাদ্য ও বন্টন মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় খাদ্য ও বন্টন মন্ত্রণালয়ের এই নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রেশন দোকানগুলিকে ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ করে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের অপ্রতুলতার অভিযোগ যাতে অনেকটাই কমে যায় সে কথা মাথায় রেখে রেশন দোকানগুলিতে ৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হবে। এছাড়াও, মোবাইল ও ইলেকট্রিক বিল দেওয়া, বিমান, বাস কিংবা ট্রেনের টিকিট কাটার মত সুবিধাগুলিও থাকবে। রেশন দোকানেই আধার কার্ড ও‌ ভোটার কার্ড তৈরি করা যাবে। রেশন দোকানগুলির কাছে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এবছর ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ কর্মসূচি পালন করছে নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর সরকার। এই কর্মসূচি চলাকালীনই নাগরিকদের সুবিধার জন্য রেশন দোকান গুলিকে ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ করার সিদ্ধান্তে সীলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্রুত এই পরিষেবা চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মোদী চড়বেন বুলেট ও বিস্ফোরণ প্রতিরোধী ১২ কোটির এস-৬৫০ গার্ডে

PM Modi's convoy gets Mercedes-Maybach S650 Guard worth Rs 12 crore

News Desk: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সুরক্ষা আরও জোরদার করতে এবার বদলে ফেলা হল তাঁর গাড়ি। প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষার জন্য কেনা হল মার্সিডিজ মেবেক এস-৬৫০ গার্ড (s-650 guard)। কালো রঙের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই গাড়িটির দাম পড়ছে ১২ কোটি টাকা। এতদিন প্রধানমন্ত্রী মূলত রেঞ্জ রোভার (range rover) ভগ ও টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার ব্যবহার করতেন।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এবং বিশেষভাবে মজবুত এই গাড়িটি একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান (head of a country) ব্যবহার করে থাকেন। এবার মোদীর জন্যও সেই গাড়ি আনা হল।

জানা গিয়েছে, একে-৪৭-এর গুলিতেও এই গাড়ির কোনও ক্ষতি হবে না। চলতি মাসের প্রথম দিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফরের সময় মোদীকে প্রথমবার এস-৬৫০ চড়তে দেখা গিয়েছিল।

উল্লেখ্য মার্সিডিজের এস সিরিজের গাড়িগুলি মূলত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ব্যবহার করে থাকেন। এই গাড়ির জানালায় রয়েছে পলিকার্বনেটের আস্তরণ। যা অনায়াসে স্টিলের বুলেট রুখে দিতে পারে। এই গাড়ি বিস্ফোরণ প্রতিরোধক বা ইআরভি। গাড়ি থেকে মাত্র ২ মিটার দূরে যদি ১৫ কেজি টিএনটি বিস্ফোরণ ঘটে তা হলেও গাড়িতে বিন্দুমাত্র আঁচ পড়বে না। পাশাপাশি এই গাড়ি গ্যাস হামলাও প্রতিরোধ করতে পারে। গাড়ির ভিতরে পরিশ্রুত বাতাস সরবরাহের জন্য নিচের দিকে রয়েছে একটি বিশেষ চেম্বার।

এতদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি ব্যবহার করতেন। এই গাড়িতে ছিল ১৬ টি নজরদারি ক্যামেরা। কিন্তু তুল্যমূল্য বিচারে ল্যান্ড ক্রুজারের থেকেও এস-৬৫০ গার্ড আরো অনেক বেশী মজবুত, শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক। এবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই গাড়ি আনা হল।

সবকা সাথ সবকা বিকাশ মডেলে চলছে দেশ, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় দাবি মোদীর

Modi demands at public meeting in Himachal Pradesh

প্রতিবেদন, ২০২২-এর শেষ দিকে হিমাচল প্রদেশ (himachal pradesh) বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে সলতে পাকানোর কাজটি এখন থেকেই শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ( narendra modi)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিমাচল প্রদেশের একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। এই প্রকল্পগুলির জন্য ব্যয় হচ্ছে ২৮ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা।

এদিনই রাজ্যের জয়রাম (jairam thakur) ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের চার বছর পূর্তি হল। সরকারের ৪ বছর পূর্তিতে এই প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করেন মোদি। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নিজেদের জেলা মান্ডিতে (mandi) একটি মিছিলেও অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই মিছিল শেষে এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এদিন মান্ডিতে একটি ১১ হাজার কোটি টাকার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের দুটি মডেল হয়। একটি হল ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’। আর একটা হল ‘খুদ কা স্বার্থ পরিবার কী স্বার্থ’। তাঁর সরকার প্রথম মডেলটি অনুসরণ করে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে মোদী যে কংগ্রেসকেই কটাক্ষ করেছেন সেটা রাজনৈতিক মহলের কাছে স্পষ্ট।

প্রধানমন্ত্রী এদিন এই পাহাড়ি রাজ্যের বাসিন্দাদের আশ্বাস দেন, পাহাড়কে প্লাস্টিক মুক্ত করার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। প্লাস্টিকের জন্যই পাহাড়ের পরিবেশের প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।
প্রধানমন্ত্রী এ দিন সাওরা-কুদ্দু জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ১১১ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন রেনুকাজি বাঁধ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এই বাঁধের ফলে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, দিল্লিতে সেচের সুবিধা হবে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী যেমন ঘনঘন ওই রাজ্যগুলিতে সফরে যাচ্ছেন, তেমনই এবার তাঁর হিমাচল প্রদেশের আসাও বাড়তে চলেছে। কারণ ২০২২- এর একেবারে শেষ দিকে এই পার্বত্য রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী চান না, এই পাহাড়ি রাজ্যটি বিজেপির হাতছাড়া হোক। যদিও কিছুদিন আগে এ রাজ্যের কয়েকটি বিধানসভা ও লোকসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনে বিজেপি অত্যন্ত খারাপ ফল করেছে। সে কারণে আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই সেই ক্ষত মেরামতে উদ্যোগী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদীর ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বললেন এইমসের মহামারী বিশেষজ্ঞ

AIMS epidemiologist calls Modi's decision to vaccinate children unscientific

প্রতিবেদন, ২৫ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, ৩ জানুয়ারী থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ (vaccination) শুরু হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলে মন্তব্য করলেন এইমসের মহামারী বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় কে রাই (sanjay k rai)। এই বিশেষজ্ঞ স্পষ্ট জানালেন, শিশুদের টিকা দিয়ে আদৌ কোনো লাভ হবে না।

বড়দিনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে (speech to the nation) প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বেশিরভাগ রাজ্যেই স্কুল-কলেজ খুলে গিয়েছে। তাই ছোটদের টিকা দেওয়া দরকার। কারণ টিকা দেওয়া হলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে দেশের যে সমস্ত প্রবীণ মানুষ কোমর্বিডিটির সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু শিশুদের টিকা দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি অবৈজ্ঞানিক বলে জানিয়ে দিলেন এইমসের এই বিশিষ্ট চিকিৎসক। রবিবার মহামারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাই বলেন, ছোটদের টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করার আগে সরকারের উচিত ছিল অন্য দেশগুলির দিকে দেখা। এই মুহূর্তে বেশ কিছু দেশে ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেওয়া চলছে। ওই সব দেশের পরিস্থিতি কী তা আগে পর্যালোচনা করা উচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন বিষয়ে যথা সময়ে ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়ে থাকেন। কিন্তু ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটি একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে আমি যথেষ্ট ব্যথিত। ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন চিকিৎসক রাই। নিজের ট্যুইটে পিএমওকে ট্যাগ করেছেন তিনি।

প্রশ্ন হল কী কারণে এই মহামারী বিশেষজ্ঞ ছোটদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলছেন। এ বিষয়ে রাই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, টিকা নেওয়ার পরেও সংক্রমণ আটকানো যাচ্ছে না। টিকা নিয়েছেন এমন বহু মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। ব্রিটেনে রোজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অর্থাৎ অভিজ্ঞতা বলছে, ভ্যাকসিন নিলে সংক্রমণ ঠেকানো যায় না, তবে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায় অনেকটাই। তাই বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে এত তাড়াহুড়োর কিছু ছিল না। বরং উচিত ছিল আগে বড়দের প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা। প্রয়োজনে বুস্টার ডোজ দেওয়া। তাতে মৃত্যুর হার অনেকটাি কমবে। বাচ্চারা করোনা আক্রান্ত হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু বাচ্চাদের এই রোগ বিশেষ কাবু করতে পারছে না। তাই কেন্দ্রের উচিত ছিল, আগে দেশের প্রতিটি মানুষকে টিকা দেওয়া। প্রয়োজনে প্রবীণদের বুস্টার ডোজ দেওয়া। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারছি না।

Uttar Pradesh: ওমিক্রন উদ্বেগ, ভোট পিছানোর অনুরোধ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

Uttarpradesh: Omicron concerns, Allahabad court requests to withdraw vote

প্রতিবেদন, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ওই নির্বাচনের পরেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে আছড়ে পড়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (second wave)। বহু মানুষ অকালেই প্রাণ হারিয়েছিলেন। কেউই আর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কোনওভাবে চাইছে না। সে কারণে এলাহাবাদ হাইকোর্ট (allahabad high court) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (narendra modi) কাছে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন (assembly election) পিছিয়ে দেওয়ার আরজি জানাল। প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের অনুরোধ, দয়া করে দেশের বৃহত্তম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন অন্তত এক-দু’মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক।

বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানি চলছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর যাদবের এজলাসে। সেখানেই বিচারপতি যাদব বলেন, করোনার সংক্রমণ এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এরইমধ্যে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন ক্রমশই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উত্তরপ্রদেশে জনসভা করতে শুরু করেছে। কিন্তু এই জনসভাগুলি অবিলম্বে বন্ধ না করলে দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে আমাদের।

বিচারপতি যাদব আরও বলেন, ওই জনসভাগুলিতে কাউকেই সামাজিক দূরত্ব বিধি মানতে দেখা যাচ্ছে না। বেশিরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক থাকছে না। এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, অবিলম্বে সমস্ত নির্বাচনী জনসভাগুলি বাতিল করে দেওয়া হোক। মানুষ প্রাণে বাঁচলো তো সব হবে। দু-এক মাস পর ভোট হলে কিছু এসে যাবে না। প্রয়োজনে উত্তরপ্রদেশের ভোট দু-এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক। যেভাবে ওমিক্রনের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে তাতে যদি ভোট পিছিয়ে দেওয়া না হয়, যদি এভাবেই জনসভা চলতে থাকে তবে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

এই অনুরোধ জানাতে গিয়ে বিচারপতি যাদব পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কথাও টেনে এনেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু-সহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনে পর কিভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়েছিল। কিভাবে মৃত্যু হয়েছিল হাজার হাজার মানুষের। ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে করোনার প্রকোপ শীর্ষে পৌঁছতে পারে। ঠিক ওই সময়েই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ, ভোট কিছু দিন পিছিয়ে দিন। মানুষ যদি সুস্থ থাকে তাহলে কয়েক মাস পরে ভোট হতে কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু নির্বাচনী ঢেউয়ে গা ভাসালে আগামী দিনে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে ভেসে যাবে রাজ্য।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক করার ব্যাপারে আদালত কখনও কমিশনকে সরাসরি কোনও নির্দেশ দিতে পারে না। সে কারণেই বিচারপতি শেখর যাদব কমিশনকে ভোট কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Chhattisgarh: ‘পাপ্পু’ কেরামতিতে পুরভোটে পরাস্ত মোদী

Chhattisgarh: 'Pappu' defeated Modi in Kermati polls

News Desk: কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরভোটের ফলাফল বেরিয়েছে। দুই অঙ্কের ঘরেও যেতে পারেনি বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল যে এই ভাবে মুখ থুবড়ে পড়বে তা হয়তো অনেকেই কল্পনা করতে পারেননি। কলকাতার পর এবার ছত্তিশগড়েও বড় ধাক্কার সম্মুখীন মোদীর দল।

কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়ের ১৫ টি পুরসভা এবং ১৫ টি ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বিজেপি। ওই রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের পেশ করা তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬০ শতাংশ আসনে জয়ী কংগ্রেস। ছত্তিশগড়ের ৬ টি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল, ৫ টি নগর পঞ্চায়েত এবং ৪ টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মোট ৩৭০ টি ওয়ার্ডে নির্বাচন হয়েছিল। ৩০০ টি ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। গণনা চলছে ৭০ টি ওয়ার্ডের। তথ্য বলছে, ৩০০ টির মধ্যে ১৭৪ টি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। গেরুয়া শিবির জয় পেয়েছে ৮৯ টি আসনে এবং বাকি ৩১ টি আসনে জয়ী নির্দল প্রার্থী।

বাকি ৭০ টি আসনের গণনা শেষ না হলেও ট্রেন্ডের ভিত্তিতে জানা যাচ্ছে, ৩৭ আসনে এগিয়ে বিজেপি এবং কংগ্রেস এগিয়ে ২৪ আসনে।

২০২৩-এ ছত্তিসগড়ে নির্বাচন রয়েছে। এই পুরভোট সেমিফাইনালের মর্যাদা পেয়েছিল। বলা চলে, খেলায় জিতল কংগ্রেস, হারের মুখ দেখল বিজেপি।

উল্লেখ্য, রাজস্থানে গত নির্বাচনেও বিজেপিকে পরাজিত করেছে কংগ্রেস। পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের আগেই গোটা দেশজুড়েই ধাক্কা খাচ্ছে গেরুয়া শিবির। স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে একটু উদ্বিগ্ন হবেই সে কথা বলাই বাহুল্য।

BJP: দলের মধ্যে ক্রমশই নিয়ন্ত্রণের রাশ হারাচ্ছেন মোদী

Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের (winter season) শুরুতেই বিজেপি (BJP) সাংসদদের মধ্যে ছিল একটা গাছাড়া মনোভাব। অনেকেই সংসদ এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এই বিষয়টি নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi)। যে কারণে ৭ ডিসেম্বর সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ডাকা সেই বৈঠকে বিজেপির ৩০৩ জন সাংসদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২৫০ জন। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হুমকি দেন, সাংসদরা ঠিকমতো কাজ না করলে আগামিদিনে তাঁদের সরিয়ে দিতে দ্বিতীয়বার ভাববে না দল।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই হুমকির পরেও বিজেপি সাংসদদের (bjp mp) মধ্যে তেমন কোনও ভাবান্তর লক্ষ্য করা যায়নি। বরং দেখা যাচ্ছে, যে সাংসদরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করছেন তাঁরাই সভায় উপস্থিত থাকছেন না।

মঙ্গলবার (tuesday) বিভিন্ন মন্ত্রকের কাছে প্রশ্নকারী ৯ বিজেপি সাংসদ সভায় গরহাজির ছিলেন। অন্যদিকে প্রশ্ন করলেও সভায় হাজির ছিলেন না ৫ কংগ্রেস সাংসদ। বিজেপির অনুপস্থিত সাংসদদের তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের নাম।

সাধারণ নিয়ম হল, প্রশ্ন করার পর কোনও সাংসদ যদি অনুপস্থিত থাকেন তাহলে দল এবং স্পিকারকে সেটা জানাতে হয়। কিন্তু বিজেপির নয় অনুপস্থিতি সাংসদের কেউই সেটা করেননি। বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ছোট মেয়ের শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সঙ্কটজনক। সেকারণেই তিনি দিল্লি যেতে পারেননি। তবে সে বিষয়টি তিনি কাউকে জানানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে করেননি।

বিজেপি সংসদের এই আচরণে রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, দলের মধ্যে মোদীর নিয়ন্ত্রণের রাশ ক্রমশই আলগা হচ্ছে। যদি সেটা না হত তবে প্রধানমন্ত্রী হুমকির পরেও এভাবে বিজেপি সাংসদরা সভায় অনুপস্থিত থাকতেন না। বিশেষ করে যে সমস্ত সাংসদ প্রশ্ন করেছেন তাঁদের অনুপস্থিতর তালিকাটা এত দীর্ঘ হত না। তবে যদি এই পরিস্থিতি বজায় থাকে তাহলে সেটা নিশ্চিতভাবেই মোদী-অমিত শাহর পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগের।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের এখনও আড়াই বছর বাকি আছে। কিন্তু বিজেপির সাংসদদের এই আচরণ যদি আরও বাড়তে থাকে তবে সেটা দল ও মোদীর পক্ষে বিশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠবে। বিশেষ করে পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের আগে টিকিট পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিজেপি সাংসদদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি প্রত্যেক সাংসদের উপর নজর রাখছেন। তাঁদের আচরণের ভিত্তিতেই টিকিট দেওয়ার বিষয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। সে ক্ষেত্রে যাঁরা আগামী দিনে বাদ পড়তে পারেন এমন সম্ভাবনা তৈরি হবে বা প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহ যাদের বাদ দেবেন তাঁরা যে অবশ্যই বিরোধী শিবিরে গিয়ে ভিড়বেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

PM Narendra Modi: সরদার প্যাটেল বেঁচে থাকলে অনেক আগেই মুক্ত হত গোয়া

Narendra Modi

News Desk, New Delhi: রবিবার ছিল গোয়ার (Mukti Divas) মুক্তি দিবস। এই দিনটিকে স্মরণ করতে আয়োজন করা হয়েছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানেই তিনি বলেন, সর্দার বল্লভভাই (Ballavbhai Patel) প্যাটেল যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে অনেক আগেই গোয়া স্বাধীন হত। এদিন গোয়ার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyamaprasad Mukherjee) স্টেডিয়ামে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোদি।

উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হলেও গোয়া থেকে গিয়েছিল পর্তুগীজদের শাসনে। ভারতীয় সেনার অপারেশন বিজয় পর্তুগীজদের হাত থেকে গোয়াকে মুক্ত করে। সেই দিনটি স্মরণ করতে গোয়া প্রতি বছর ১৯ ডিসেম্বর মুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই অপারেশন বিজয়ে অংশগ্রহণকারী সেনাদের হাতে স্মারক সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এদিন একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন সারেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এদিনের অনুষ্ঠানে বলেন, গোয়ার মুক্তির জন্য আমাদের বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। কিন্তু যদি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বেঁচে থাকতেন তবে গোয়াকে কখনওই এত দীর্ঘ সময় মুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হত না। চলতি বছরেই দেশ আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করছে। সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গে মিশে গিয়েছে গোয়ার মুক্তি দিবস। এটা ভেবে অত্যন্ত আনন্দ লাগছে।

এদিনের অনুষ্ঠানে গোয়ার বিজেপি জোট সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ন্তের নেতৃত্বে রাজ্যে উন্নয়নের যে কাজ চলছে তা রীতিমতো হিংসা করার মত। মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টাতেই এ রাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক সকল মানুষই করোনার টিকা পেয়েছেন। যথারীতি এদিনের অনুষ্ঠানে গোয়ার প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্করের কথাও উল্লেখ করেন। আবেগের সঙ্গে তিনি বলেন, মনোহর যে কাজ শুরু করেছিলেন সেই কাজই শেষ করেছেন প্রমোদ। এটা অত্যন্ত ভালো একটা দিক। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে নিশ্চিতভাবেই গোয়ার এই উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।

দ্রুত জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, তালিকায় চার ধাপে নেমে ৮ নম্বরে প্রধানমন্ত্রী

Prime Minister narendra Modi

News Desk, New Delhi:  পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের (general election) আরও প্রায় আড়াই বছর দেরি আছে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় যে চিত্র ধরা পড়েছে সেটা বিজেপির পক্ষে আদৌ স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ ওই সমীক্ষা বলছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) প্রভাব ও জনপ্রিয়তা (popularity) ক্রমশই কমছে।

বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিতদের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী চার ধাপ নেমে গিয়েছেন। সম্মানিত ব্যক্তিদের যে তালিকা সদ্য প্রকাশ হয়েছে সেই তালিকায় ৮ নম্বর স্থান পেয়েছেন মোদী। এর আগে বিশ্বের সম্মানিত ব্যক্তিদের ওই তালিকায় ৪ নম্বরে ছিলেন তিনি। ইউগভ নামে এক তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা সম্প্রতি এই সমীক্ষাটি চালিয়েছে।

ইউগভের করা সমীক্ষা বলছে, ২০২১ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে সম্মানিত পুরুষ হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা (barak obama) । মহিলাদের মধ্যে সম্মানিতদের তালিকায় প্রথম স্থানটি দখল করেছেন ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চার ধাপে নেমে ৮ নম্বরে পৌঁছলেও তিনি অবশ্য বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, এমনকী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপরে ঠাঁই পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়াও ভারত থেকে এই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন শচীন তেন্ডুলকর, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান ও বিরাট কোহলি। ইউগভ পুরুষদের পাশাপাশি সম্মানিত মহিলাদের যে তালিকা প্রকাশ করেছেন সেই তালিকায় ১০ নম্বরে আছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। প্রথম ২০-র তালিকায় ১৩ নম্বরে আছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ঐশ্বর্য অবশ্য এই প্রথম সম্মানিতদের তালিকায় ঠাঁই পেলেন। তালিকার ১৪ নম্বরে আছেন ইনফোসিসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সুধা মুর্তি।

ইউগভের এই তালিকায় অন্যদের মধ্যে আছেন এঞ্জোলিনা জোলি, অ্যাঞ্জেলা মরকেলের মত মহিলারা। অন্যদিকে পুরুষদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন বিল গেটস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, শি জিনপিং। পুরুষদের এই তালিকার প্রথম পাঁচে ওবামার পরে আছেন যথাক্রমে বিল গেটস, জিনপিং, রোনাল্ডো এবং জ্যাকি চ্যান। পুরুষদের প্রথম দশের তালিকায় মোদী ছাড়াও আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, চিনের বিশিষ্ট শিল্পপতি জ্যাকমা, বিশ্বের অন্যতম ধনী সংস্থা টেসলারের সিইও এলন মাস্ক।

Narendra Modi: স্বাধীনতার ইতিহাসে আদৌ গুরুত্ব পাননি আধ্যাত্মিক গুরুরা 

Narendra Modi in kashi

News Desk: দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে (Indian Freedom Struggle) আধ্যাত্বিক গুরুদের বিশেষ অবদানের কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)৷

তিনি মনে করিয়ে দিলেন, দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এই আধ্যাত্মিক গুরুদের যতটা গুরুত্ব দেওয়া দরকার ছিল তাঁরা আদৌ সেটা পাননি। এমন অনেক আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন, যাঁরা আধ্যাত্বিক ক্রিয়াকলাপ ছেড়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে। তাদের অবদানের কথা কিন্তু ইতিহাসে সেভাবে পাওয়া যায় না। চলতি বছরে আমরা স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব (amrit mohotsav) পালন করছি। এই উপলক্ষে আমরা সেই সমস্ত অজানা গুরুদের কথা সামনে নিয়ে আসব। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশের যুবসমাজের (youth society) সামনে তাঁদের জীবন ও আদর্শের কথা তুলে ধরতে হবে। মঙ্গলবার বারাণসী (varanasi) সফরের দ্বিতীয় দিনে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)।

সোমবার কাশী বিশ্বনাথ করিডোর উদ্বোধন করার পর মঙ্গলবার বিকেলে বেনারসে সদগুরু সদাফলদেও বিহঙ্গম যোগ সংস্থানের ৯৮ তম বার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সাধুসন্তদের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় অসহযোগ আন্দোলন করে যারা জেলে গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম সন্ত সদাফল দেও। একজন আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু যেভাবে ঈশ্বর সাধনা ছেড়ে দেশের সেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন তা ভাবতেও অবাক লাগে। প্রত্যেক সাধুসন্তরা তাঁর এই কাজে গর্ববোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সদাফল দেও আমাদের স্বদেশীর মন্ত্র শিখিয়েছিলেন। সেই মন্ত্রকেই আমরা পাথেয় করেছি। সেই মন্ত্রকে সামনে রেখেই আজ আমরা আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার কথা বলছি। এই পরিকল্পনায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য অন্য দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। দেশের ব্যবসাকে বিদেশের মাটিতে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছি। মোদী বলেন, আমাদের দেশের আধ্যাত্মিক ধর্মগুরুদের অবদান কোনওভাবেই অস্বীকার করা যায় না। যখনই দেশ কোনও সঙ্কটে পড়েছে তখনই তাঁরা বেরিয়ে এসেছেন। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন।

মোদীর এই বেনারস সফরে তার সঙ্গেই আছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সোমবার কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দেওয়ার আগে গঙ্গাস্নান করেছিলেন মোদী। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকলেও গঙ্গায় ডুব দেননি যোগী। এ প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার যোগীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। গঙ্গা দূষণের কথা টেনে অখিলেশ বলেন, যোগী ভাল করেই জানেন যে গঙ্গা কতটা অপবিত্র, নোংরা হয়ে আছে। সে কারণেই তিনি গঙ্গায় স্নান করেননি। যদিও বিজেপি দাবি করে গঙ্গা পরিষ্কার করতে তারা নাকি কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। আসলে সবই মানুষের চোখে ধুলো দেওয়া। টাকা খরচের নামে সেই টাকা যাচ্ছে বিজেপির পার্টি ফান্ডে। গঙ্গা কি কোনদিনই পরিষ্কার করবে বিজেপি? তবে গতকাল তিনি কেন গঙ্গায় নামেননি সে প্রসঙ্গে কোনও ব্যাখ্যা দেননি মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ।

PM Modi Varanasi: আজও বারাণসীতে মোদীর একাধিক কর্মসূচি

PM Narendra Modi

নিউজ ডেস্ক, বারাণসী : আগামী বছরের শুরুতেই উত্তরপ্রদেশ (Uttarpradesh) বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। এই রাজ্যে হিন্দু ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। সেই ভোট বিজেপির বাক্সে আনতে চেষ্টার কসুর করছেন না মোদী। সোমবার নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে (Varanasi) পুনর্নির্মিত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের (Kashi Viswanath Temple) করিডোরের উদ্বোধন করেন নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)।

আজও বারাণসীতে (Varanasi) তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। সকালে বিশ্বনাথ মন্দিরে (Kashi Viswanath Temple) যাবেন তিনি। তারপর বিজেপি (BJP) শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে ১২টি বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা তাঁদের কাজের খতিয়ান পেশ করবেন। তা পর্যালোচনা করে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)।  

PM Narendra Modi

সোমবার গভীর রাতে বারাণসী রেল স্টেশন (Baranasi Rail Station) ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। স্টেশনের বিভিন্ন আধুনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।  প্রধানমন্ত্রী জানান, রেল যোগাযোগের পাশাপাশি আধুনিক, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন স্টেশন গড়ে তোলাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য। একটি যোগ সংস্থার অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি। বিকেলে তাঁর দিল্লি ফেরার কথা। 

প্রসঙ্গত, গতকাল ক্রুজে এসে প্রথমে গঙ্গাস্নান, পরে বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। শিব দীপাবলিতে গঙ্গাবক্ষ থেকে সন্ধ্যারতিও দেখেন। এদিন বারাণসীতে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করা কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পোশাক বদলে গেরুয়া পরে তাঁকে গঙ্গায় নামতে দেখা যায়। তারপর গঙ্গার জল নিয়ে সোজা চলে যান কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে। শেষে ষোড়শ উপচারে পুজোয় অংশ নেন, সঙ্গে করেন আরতি।

প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘এখানে সবাই আসতে চাইতেন, কিন্তু রাস্তা সংকীর্ণ ছিল। এখন সোজা গঙ্গার ঘাট থেকে মন্দিরে আসা অনেক সহজ হবে। ৩ হাজার বর্গফুটের করিডর এখন ৫ লক্ষ বর্গফুটের করা হয়েছে। এখন মন্দির পরিসরে প্রায় ৭০ হাজার পুণ্যার্থী আসতে পারবেন। কাশীর সঙ্গে জুড়ে পণ্ডিত রবিশঙ্কর থেকে বিসমিল্লা খান। বাংলার রানি ভবানী কাশীর মন্দিরে সর্বস্ব দান করেছিলেন। দক্ষিণ ভারতেও কাশীর প্রভাব অবিস্মরণীয়। কাশীর বার্তা দেশের দিশা বদলে দেয়।’ 

<

p style=”text-align: justify;”>এদিন মন্দির চত্বর-সহ গোটা কাশীকেই সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। প্রায় ১১ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয় দশাশ্বমেধ-সহ একাধিক ঘাট। সঙ্গে রঙ্গোলির কারুকাজ। ২০১৯ সালে এই প্রকল্পের শিল্যন্যাস করেছিলেন মোদী। তারপর প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা খরচে তৈরি হয়েছে এই করিডোর। 

Kashi Vishwanath Corridor: আজ কাশী বিশ্বনাথ করিডর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

Kashi Vishwanath Corridor

নিউজ ডেস্ক, বারাণসী: আজ, সোমবার কাশী বিশ্বনাথ করিডরের (Kashi Vishwanath Corridor) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Naarendra Modi)। কাশী বিশ্বনাথ করিডোর জনগণকে উৎসর্গ করতে আজ তিনি বারানসী আসছেন৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানাতে বেনারসের শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে বিশাল দেয়ালচিত্র তৈরি করা হয়েছে৷ একই সঙ্গে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের কাছের বেশ কয়েকটি ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদী বারাণসীর ঘাটে গঙ্গা ‘আরতি’ এবং উদযাপন দেখতে যাবেন৷

পিএমও জানিয়েছে, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ২৩টি ভবন উদ্বোধন করা হবে। এই ভবনগুলি তীর্থযাত্রীদের সুবিধা প্রদান কেন্দ্র, বৈদিক কেন্দ্র, মুমুক্ষু ভবন, ভোগশালা, সিটি মিউজিয়াম এবং ফুড কোর্ট সহ অনেক সুবিধা প্রদান করবে। এই প্রকল্পটি প্রায় পাঁচ লাখ বর্গফুটের বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত৷ আগে এই কমপ্লেক্সটি প্রায় ৩,০০০ বর্গফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারী সত্ত্বেও প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কাশী বিশ্বনাথ ধামের প্রথম পর্বের উদ্বোধন হবে মূল অনুষ্ঠান।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রাচীন মন্দিরে প্রার্থনা করার পরে মহত্বাকাশী কাশী বিশ্বনাথ করিডোরকে উৎসর্গ করবেন৷ যা ভারত ও বিদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত নির্মাণ শ্রমিকরা পাথর পালিশে ব্যস্ত ছিলেন৷ শ্রমিকরা মন্দির প্রাঙ্গণ বিশেষ করে গাঁদা ফুল দিয়ে সাজিয়েছিলেন এবং শ্রমিকরা ললিতা ঘাট প্রস্তুত করতে সমস্ত ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত ছিলেন। এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে বারাণসীতে বাড়ানো হয়েছে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা।

‘দিব্য কাশী, ভাব্য কাশী’ নামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রবিবার গোদোলিয়া চকের কাছের রাস্তায় একটি ‘শিব শোভাযাত্রা’ বের করা হয়। এলাকার অনেক হোটেল মালিক তাদের হোটেলে আলোকসজ্জা করেছেন। একজন হোটেল মালিক বলেছেন, “এটি কাশীর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং আমরা এটির অংশ হতে পেরে সৌভাগ্যবান।” মন্দির প্রাঙ্গনে শ্রী কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের কর্মচারী এবং অন্যান্য কর্মীরা অধীর আগ্রহে সোমবারের জন্য অপেক্ষা করছেন৷

বিজেপি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী দুদিন বারাণসীতে থাকবেন। প্রথম দিন বাবা কাল ভৈরবের পূজা করে প্রথমে ললিতা ঘাটে পৌঁছবেন, সেখান থেকে বাবা বিশ্বনাথ ধামে পৌঁছবেন। অনুষ্ঠানের পরে তিনি সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে গঙ্গা আরতিতে অংশ নেবেন।

বিজেপি আধিকারিকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী অবস্থানের দ্বিতীয় দিনে সারা দেশ থেকে আসা মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এর পরে প্রধানমন্ত্রী বারাণসীর ওমরাহতে স্বরভেদ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী এখানে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ভাষণও দেবেন।

Narendra Modi  Birthday: মৃত ব্যক্তিকেও ভ্যাকসিনের শংসাপত্র দেওয়ার কথা স্বীকার কেন্দ্রের

Narendra Modi  vaccination

News Desk, New Delhi: কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে (Narendra Modi  Birthday) গোটা দেশে রেকর্ড সংখ্যক আড়াই কোটি মানুষকে করোনার টিকা (vaccination) দেওয়া হয়েছে বলে ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার নেমেছিল কেন্দ্রীয় সরকার (central government)। দল হিসেবে বিজেপিও বিষয়টি নিয়ে ঢাক পেটাতে শুরু করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রের এই দাবি নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দিহান ছিল তৃণমূল কংগ্রেস (trinamul congress) নেতৃত্ব। সেই সন্দেহ যে অমূলক ছিল না সেটা কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই স্বীকার করল শুক্রবার।

এদিন টিকাকরণের রেকর্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কেন্দ্রের কাছে জানতে চান, রেকর্ড টিকাকরণের দিন ভ্যাকসিন পাননি বা মৃত মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। এটা কি ঠিক? যদি এটা হয়ে থাকে তবে কেন্দ্র এ বিষয়ে কী চিন্তা ভাবনা করছে? অভিষেক আরও জানতে চান রেকর্ডসংখ্যক আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার মধ্যে মৃত এবং ভ্যাকসিন না পাওয়া মানুষের নামগুলিও কি যুক্ত আছে? ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না হয় তার জন্য কেন্দ্র কি কোনও পরিকল্পনা করেছে?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার এদিন জানিয়েছেন, এ ধরনের কিছু ছোটখাটো ভুলের কথা তাঁদের নজরে এসেছে। এটা নিতান্তই বিচ্ছিন্ন ব্যাপার। ভুরি ভুরি এমন অভিযোগ উঠেছে এটা ঠিক নয়। কয়েকটি ক্ষেত্রে মৃত মানুষের নাম বা ভ্যাকসিন পাননি এমন মানুষের নামও ভ্যাকসিন প্রাপকের তালিকা উঠে গিয়েছে। এমনকী, তাঁদের নামে ভ্যাকসিন নেওয়ার শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগ অত্যন্ত সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্রে উঠেছে। যারা ডেটা এন্ট্রির দায়িত্বে ছিলেন তাদের ভুলের জন্যই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। যে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী ডেটা এন্ট্রির কাজ করছিলেন তাঁরা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তথ্য সঠিকভাবে আপডেট না করায় এ ধরনের কিছু ভুল হয়েছে। এই ভুল সংশোধন করার জন্য বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অনুরোধ জানান হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই উত্তরে এটা পরিষ্কার হয়ে গেল যে, তৃণমূল কংগ্রেস এতদিন ধরে য অভিযোগ করে আসছিল সেটা ঠিক। অর্থাৎ মোদীর জন্মদিনে রেকর্ড সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্র ওই পরিসংখ্যানে অনেক জল মিশিয়েছে। রেকর্ডের কথা বলার জন্য ভ্যাকসিন নেয়নি এমন মানুষের নামও টিকা প্রাপকদের তালিকায় তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, মৃতদের নামেও শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র ভ্যাকসিন প্রাপকের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখাতেই এটা করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয়। মোদী সরকার জেনে-বুঝেই এটা করেছে। এখন নিরীহ ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে নিজেদের দোষ ঝেড়ে ফেলছে।

তবে অভিষেকের দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কেন্দ্রের এদিনের জবাবে তারা যথেষ্ট বেকায়দায় পড়েছে। কারণ এই স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে কেন্দ্র এটাই স্বীকার করে নিয়েছে যে, মোদীর জন্মদিনে আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দিয়ে রেকর্ড গড়ার যে দাবি করা হয়েছিল তা একেবারেই ঠিক নয়। বরং এই পরিসংখ্যানে অনেকটাই জল মিশে রয়েছে।

Vaccination: মোদী-শাহ, সোনিয়া-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, অক্ষয় কুমার টিকা নিয়েছেন বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে

Modi-Shah, Sonia-Priyanka Chopra

News Desk:  গোটা দেশজুড়ে দ্রুত গতিতে চলছে করোনার টিকাকরণ (vaccination)। এরইমধ্যে বিহারের আরওয়াল জেলার (Arwal district) প্রত্যন্ত একটি গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভ্যাকসিন প্রাপকদের তালিকা টাঙানো হয়েছে। ওই তালিকা নিয়ে তীব্র হৈচৈ শুরু হয়েছে। কারণ ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা প্রাপকদের নামের তালিকায় বেশ কয়েকজন ভিভিআইপি ব্যক্তির (VVIP person)নাম রয়েছে।

এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) এবং অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার(Priyanka chopra) । এই দুইজন যে বিহারের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা নিয়েছেন তাই নয়, তাঁদের একই দিনেই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। শুধু সময়ের ব্যবধান কয়েক মিনিট। দেখা যাচ্ছে আগে টিকা নিয়েছেন মোদী তার কিছু পরেই টিকা নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। অর্থাৎ মোদী ও প্রিয়াঙ্কা বিহারের আরওয়াল জেলার ওই গ্রামে গিয়ে ভ্যাকসিন নিয়েছেন।

তবে চাঞ্চল্যের এখানেই শেষ নয়। মোদী প্রিয়াঙ্কার নামেই যদি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেমে যেত তাহলে হয়তো এতটা হৈচৈ হত না। কারণ তাঁদের টিকা নেওয়ার দিন কয়েক পরেই ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁদের সঙ্গে একই দিনে টিকা নিয়েছেন বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার।

আরওয়াল জেলার ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেভাবে ভিভিআইপি ব্যক্তিরা টিকা নিয়েছেন সেটা দেশের আর কোনও টিকাকরণ শিবিরে হয়নি।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জেলা প্রশাসনে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনার জন্য ওই শিবিরের দুই কম্পিউটার অপারেটরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিভাবে এতজন ভিভিআইপি ব্যক্তির নাম যোগ হল তা জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কম্পিউটার অপারেটরদের দাবি, তাঁরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে যা করার করেছেন। কারণ তাঁদেরকে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে এটা দেখানোর জন্য রীতিমতো চাপ দেওয়া হত। কম্পিউটার অপারেটরদের ওই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র সমালোচনা করেছেন এলাকার আরজেডি বিধায়ক আনন্দ সিং।

তিনি বলেছেন, আসলে মোদী সরকার লোক ঠকাচ্ছে। ভ্যাকসিন না দিয়েই এভাবে ১০০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে এই সরকার। টিকাকরণ নিয়েও ষড়যন্ত্র করছে। কিভাবে এ ধরনের মারাত্মক ভুল হল তা জানতে সরকার তদন্ত করুক। দু’জন নিরীহ কম্পিউটার অপারেটরকে বরখাস্ত করে জেলা প্রশাসন নিজেদের দোষ ঢাকতে চাইছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।

America Threatens India: রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনলে আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে

India Buying Weapons

America Threatens India
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার (Narendra Modi Government )রাশিয়ার থেকেও বেশ কিছু অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘটনার জেরে এবার ভারতকে কড়া হুমকি দিল আমেরিকা (America )। ওয়াশিংটন ভারতকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, রাশিয়া (Russia) থেকে অস্ত্র কিনলে নয়াদিল্লিকেও (New Delhi) আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে।

শনিবার মিত্র দেশগুলির প্রতি এক হুঁশিয়ারিতে আমেরিকা জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনলে তাদের ‘কাউন্টারিং আমেরিকাস অ্যাডভাইসারিস থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্ট’ বা ‘কাটসা’ আইনের মুখে পড়তে হবে।

মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জন কিরবি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, তাঁরা চান আমেরিকার কোনও মিত্রদেশ যেন রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র কেনাকাটা না করে। যদি কোন মিত্র দেশ রাশিয়া থেকে অস্ত্র আমদানি করে থাকে তাহলে তাদের আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে কি ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বিদেশ দফতরের মুখপাত্র কিরবি আরও বলেন ভারতকে ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ কাটসা আইনে কোনও একটি দেশকে ছাড় দেওয়ার মতো কোনও সংস্থান নেই। স্বাভাবিকভাবেই ভারত যদি রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার চুক্তি করে সেক্ষেত্রে ভারতকেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে।

India Buying Weapons

তবে আমেরিকার এই হুমকিকে পাত্তাই দিচ্ছে না ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট লোকসভায় জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার সিদ্ধান্তটি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের সিদ্ধান্ত। অপর কোনও দেশ এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে নাক গলাতে পারে না। দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকেই সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেবে সরকার। তাই পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চাহিদার কথা মাথায় রেখে সরকার কোন দেশ থেকে কত দিনের মধ্যে কী ধরনের অস্ত্র আমদানি করবে সেটা ঠিক করবে। অন্য কারও কথায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। স্বাভাবিকভাবেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই মস্কোর কাছ থেকে ভারতের হাতে আসবে অত্যাধুনিক রুশ মিসাইল সিস্টেম প্রতিরোধকারী অস্ত্র।

প্রসঙ্গত, এই রুশ মিসাইল সিস্টেম কেনা নিয়েই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা মিসাইল সিস্টেম ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্প’ রাশিয়া ভারতে পাঠাতে শুরু করেছে। এই অত্যাধুনিক মিসাইল হাতে পাওয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও দূরপাল্লার মিসাইল প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এস-৪০০ ট্রায়াম্প মিসাইলের কোনও বিকল্প এখনও পর্যন্ত নেই। দেশের উত্তরাংশে লাদাখ ও অরুণাচলে চিনের সঙ্গে ভারতের যখন সীমান্ত বিরোধ ক্রমশই বাড়ছে সে সময় এই এস-৪০০ ট্রায়াম্প মিসাইল হাতে পাওয়া যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

উল্লেখ্য, এর আগে রাশিয়ার কাছ থেকে এই অত্যাধুনিক মিসাইল কিনেছিল তুরস্ক। যে কারণে আমেরিকা তুরস্কের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে ভারতের ক্ষেত্রে আমেরিকার এই হুমকি বিশেষ কার্যকর হবে না বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তারা পাল্টা বলেছে, আমেরিকার হুমকি অগ্রাহ্য করেই রাশিয়ার কাছ থেকে এই অত্যাধুনিক মিসাইল কিনবে ভারত। কারণ ভারত ও রাশিয়ার বন্ধুত্বের কথা গোটা দুনিয়া জানে। বাইডেন সরকারকেও ভারত-রাশিয়ার এই সুপ্রাচীন সম্পর্কের কথাটি মাথায় রাখতে হবে। পাশাপাশি কৌশলগত কারণে বাইডেন সরকারকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। কারণ চিনকে রুখতে গেলে ভারতকে পাশে পাওয়া ছাড়া আমেরিকার সামনে বিকল্প কোনও রাস্তা নাই।