UP Election: আচমকা পিসি-ভাইপো ‘সমঝোতা’ ইঙ্গিত, লখনউ সরগরম

লখনউয়ের মসনদ দখল যুদ্ধে ফের পিসি-ভাইপো অর্থাৎ বুয়া বাবুয়া জুটি দেখা যেতে পারে। এমনই সম্ভাবনার কথা উস্কে দিলেন উত্তর প্রদেশের (UP) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ সিং যাদব। তিনি ইঙ্গিতে বিএসপি প্রধান মায়াবতীর আশীর্বাদ চেয়েছেন।  উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে (UP election) এর আগে সরগরম পরিস্থিতি।

লখনউতে এক অনুষ্ঠানে সপা নেতা অখিলেশ সিং যাদবের কাছে প্রশ্ন ছিল, তিনি মায়াবতীর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চান? অখিলশে জানান, এবার সমাজবাদী ও আম্বেদকরবাদী একসঙ্গে বিজেপিকে পরাজিত করবে। আমি মায়াবতীর আশীর্বাদ চাই।

বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) মূলত দলিত রাজনীতি ভিত্তিক দল। বাবাসাহেব আন্বেদকরের তত্ত্বে বিশ্বাসী। বিএসপিকে রাজনৈতিক মহলে আম্বেদকরবাদী বলা হয়। একইভাবে সমাজবাদী হিসেবে পরিচিত মুলায়ম-অখিলেশের দল।

অখিলেশ সিং যাদব সরাসরি মায়াবতীর আশীর্বাদ চাওয়ায় ফের জোট সম্ভাবনা উস্কে উঠেছে। যদিও গত ২০১৯ লোকসভা ভোটে সপা ও বিএসপি জোট তেমন কিছু করতে পারেনি। পরে জোট ভেঙে দেন মায়াবতী। দুই দলের জোট রাজনীতি আগেও হয়েছে। ১৯৯৩ সালে জোট হয়। ১৯৯৫ সালে দুই দলে চিড় ধরে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদবের সঙ্গে জোট ভেঙে দেন মায়াবতী। সরকার পড়ে গেছিল।

উত্তর প্রদেশের ভোট রাজনীতিতে পিসি অর্থাৎ বুয়া স্বয়ং মায়াবতী। আর বাবুয়া অর্থাৎ ভাইপো অখিলেশ সিং যাদব। বয়জ্যোষ্ঠ কারণে মায়াবতীতে বুয়াজি বলেন অখিলেশ।

UP: পিসি-ভাইপো-যোগী কার দখলে লখনউ গদি

পশ্চিমবঙ্গের মতো উত্তর প্রদেশেও (UP) ‘পিসি-ভাইপো’ আছেন। এরা দুজনেই লখনউয়ের মসনদে বসেছেন। সেক্ষেত্রে বুয়াজি অর্থাৎ পিসির কেরিয়ার ঝলমলে। বুয়াজির রাজনৈতিক পোশাকি নাম ‘বহেনজি’। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিএসপি নেত্রী মায়াবতী বয়সজনিত কারণে অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের ‘বুয়াজি’। অখিলেশ হলেন এই নজরে ‘বাবুয়া’-ভাইপো!

সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে বহুজন সমাজ পার্টির আদায় কাঁচকলা সম্পর্ক। তবে ভোটের স্বার্থে একও হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হটাতে একসময়ের ‘কামড়া-কামড়ি’ করা সিপিআইএম ও কংগ্রেস এক হয়েছে। তবে গত ভোটগুলিতে দুই রাজ্যেই এমন জোট কাজে আসেনি। আসন্ন উত্তর প্রদেশ ভোটে আবার যুযুধান বুয়া-বাবুয়া।

রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি বনাম সমাজবাদী পার্টির মূল লড়াই হিসেবে বিবেচ্য। বিএসপি ও কংগ্রেসও আছে লড়াইতে। কিছু পকেট এলাকা বাদ দিলে মূলত চতুর্মুখী ভোট হবে এই রাজ্যে।

নির্বাচন কমিশন ৫ রাজ্যে মোট ৭ দফায় হবে ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। গোয়া, উত্তরাখণ্ড, মণিপুর, পাঞ্জাবের থেকেও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপ্রদেশের ভোট। ৪০৩টি আসনের বিধানসভায় যার সরকার তার হাতেই ভারত শাসনের চাবিকাঠি থাকে। এখন যেমন বিজেপি।

বিজেপিরও চিন্তা সেই বুয়া-বাবুয়াকে নিয়েই। এদের পারস্পরিক ভোট কাটাকাটি, কংগ্রেসের ভোট সবমিলে জটিল অংক কষতে শুরু করেছেন বিজেপির ভোট কুশলীরা। সমাজবাদী পার্টির জনসমর্থন বাড়ছে ফের তা সমীক্ষা থেকে স্পষ্ট। বহুজন সমাজপার্টির সমর্থন কম নয়। একসঙ্গে মিশেছে কৃষক বিক্ষোভ। বিজেপির পক্ষে গতবারের মতো তরতর করে জয় সম্ভব নয় তা দলীয় নেতাদের ভাষণেই স্পষ্ট।

মায়াবতীর নিজস্ব জনপ্রিয়তা যেমন, তেমনই অখিলেশ সিং যাদবেরও। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সূচক নিম্নমুখী। এই প্রেক্ষিতে দলিত ও সংখ্যালঘু ভোটের থেকে বিজেপির নজর উচ্চবর্ণ ও সাধারণ হিন্দু ভোট। অন্যদিকে লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের পিষে দেওয়ার ঘটনা ভোটে প্রভাব ফেলবে। সমীক্ষাগুলি দেখাচ্ছে, বুয়ার থেকে বাবুয়া বেশি এগিয়ে ইস্যুভিত্তিক রাজনীতিতে।

UP: মানুষ নয় কুবের! সপা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর কালো সম্পত্তি

News Desk: টানা পাঁচদিনের তল্লাশিতে কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ২৫৮ কোটি টাকা ও বিপুল স্বর্ণালঙ্কার। একদিন-দু’দিন নয়, কানপুরের গুটখা ব্যবসায়ী পীযূষ জৈনের বাড়িতে এক টানা পাঁচ দিন ধরে তল্লাশি অভিযান চালাল আয়কর দফতর।

দীর্ঘ ১২০ ঘণ্টার চেষ্টায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রায় ২৫৮ কোটি টাকা। প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণালঙ্কারও মিলেছে। একইসঙ্গে দেশে-বিদেশে ১৬টি অত্যন্ত দামী সম্পত্তির হদিশও পাওয়া গিয়েছে। ওই ব্যবসায়ী উত্তরপ্রদেশের বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে।

আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিপুল পরিমাণ আয়কর ফাঁকিতে অভিযুক্ত ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ৪০টি লকার ও ৫০০টি চাবির গোছা মিলেছে। সাম্প্রতিককালে আয়কর দফতর এই ধরনের বড় মাপের সাফল্য পায়নি।

সমাজবাদী পার্টি প্রধানের ঘনিষ্ঠ এই ব্যবসায়ীর একাধিক ব্যবসা রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে।

আয়কর ফাঁকির অভিযোগ ওঠায় বৃহস্পতিবার রাতে ইডি এবং আয়কর দফতরের আধিকারিকদের এক যৌথ প্রতিনিধি দল পীযূষ জৈনের বাড়িতে হানা দেয়। একই সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর বেশ কয়েকটি অফিসেও তল্লাশি অভিযান চলে। এই তল্লাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা গুনতে আয়কর বিভাগের বেশ কয়েকজন কর্মীর ঘুম ছুটেছে।

আয়কর দফতর আরও জানিয়েছে, বিপুল টাকা ও অলঙ্কার ছাড়াও ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে দেশে-বিদেশে ১৬টি অত্যন্ত দামী সম্পত্তির সন্ধান মিলেছে। যার মধ্যে কনৌজে রয়েছে সাতটি, কানপুরে চারটি, দিল্লিতে একটি এবং দুবাইয়ে দুটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে।

আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিতর্কিত এই ব্যবসায়ী নামে-বেনামে ৪০টি সংস্থার মালিক ছিলেন। আয়কর ফাঁকি দেওয়ার কারণে ইতিমধ্যেই এই বিতর্কিত ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে টানা জেরা করছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগও উঠেছে। কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তিনি করেছেন, তাঁর আয়ের উৎস কী সে বিষয়ে এখনও কিছুই জানাননি কানপুরের এই ব্যবসায়ী।

Uttar Pradesh: ভোট আসছে! বিরোধী সমাজবাদী পার্টির নেতাদের তাড়া আয়কর কর্তাদের

Income Tax Raid UP Samajwadi party

News Desk: নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) গরম। বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির নেতাদের পিছনে শুরু হয়ে গেছে আয়কর বিভাগের তাড়া। শুক্রবার রাতভর অভিযানে থরহরি কম্প লখনউনের রাজনৈতিক মহল।

রাতভর একের পর এক সপা নেতা, বিধায়ক, প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে হানা দিয়েছেন আয়কর দফতরের কর্তারা। তালিকা মিলিয়ে চলেছে অভিযান। লখনউ, মৈনপুরী, আগ্রা, কানপুর, ইটাওয়া, সহ রাজ্যের ১২টি জায়গায় চলেছে আয়কর অভিযান।

চাঞ্চল্যকর ঘটনা, মউ জেলায় সমাজবাদী পার্টির জাতীয় সম্পাদক রাজীব রায়ের ঘরে অভিযান চালায় আয়কর বিভাগ। তার বিরুদ্ধে কেবল তার কানেকশন বরাত দেওয়ার দুর্নীতির অভিযোগ আছে। রাজ্যের অন্যতম নেতা জীতেন্দ্র যাদবের বাড়িতেও অভিযান চালায় আয়কর অফিসাররা।

সূত্রের খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদবকেও নিশানা করা হয়েছে। তবে সমাজবাদী পার্টির নেতাদের অভিযোগ, রাজ্যের বিজেপি জোট সরকার ভোটের জমি হারিয়ে ভুয়ো তদন্তের ধুয়ো তুলছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যে কুশাসন কায়েম করেছেন।

শুক্রবার রাতে আয়কর অভিযান শুরু হতেই বিভিন্ন জেলায় সমাজবাদী পার্টির সমর্থকরা হাঙ্গামা শুরু করেন। কয়েকটি এলাকায় বিজেপি সমর্থকরা আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। অভিযান সুষ্ঠুভাবে চালাতে সশস্ত্র পুলিশের সাহায্য নেন আয়কর দফতরের অফিসাররা।

Modi Varanasi visit: দেশে সংকট দেখা দিলে এক সন্ত দেখা দেন: মোদী

Modi Varanasi visit political controversy

News Desk: সংসদীয় এলাকা বারাণসী (কাশী)-তে দু’দিনের সফরে (Modi Varanasi visit) মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশে যখন কোনও সংকট দেখা দেয় তখন কেউ একজন সন্ত আর্বিভূত হন।

কাশীর সদগুরু সদাফলদেব যোগ সংস্থার বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, কাশীতে যে সব বিদেশি পর্যটকরা আসেন তাদের কাছে এখন বদল ধরা পড়বে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য কন্যাদের শিক্ষাদান। দেখতে হবে আর্থিক দিক থেকে কোনও ‘বেটি’ যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। তার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ‘বেটি পড়াও’ কর্মসূচির আরও বিস্তার ঘটানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যখন আমি বারাণসীর উন্নয়নের কথা বলি তখন দেশের উন্নয়নের রোড ম্যাপ তৈরি হয়ে যায়। এখানে যারা আসবেন তারা চলে যাবার সময় অনেক কিছু সংগ্রহ করে নিয়ে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে রাজনৈতিক হাওয়া উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের দিকে লক্ষ্য রেখেই প্রধানমন্ত্রী বারাণসীতে জমকালো উন্নয়ন বার্তা দিচ্ছেন। রাজ্যের বেটিরা বিজেপি সরকারের আমলে চরম নিরাপত্তাহীনতায়।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ সিং যাদব পৌরাণিক প্রবাদের সাহায্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রাক নির্বাচনী কাশী সফরকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন যখম অন্তিম সময় আসে তখন মানুষ কাশী যায়।

UP: বিজেপির উদ্বেগ বাড়িয়ে জোট বাঁধছে অখিলেশ-সুহেলদেব

Samajwadi Party, Suheldev Bharatiya Samaj Party all set to seal poll alliance

নিউজ ডেস্ক: আর কয়েক মাস পরেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের আগে গো-বলয়ের বৃহত্তম এই রাজ্যে যথেষ্টই চাপে রয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। রাজ্যে একের পর এক নারী নিগ্রহ, ধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্র গাড়িচাপা দিয়ে ৪ কৃষককে খুনের ঘটনায় জড়িয়েছেন।

গাড়িচাপা দিয়ে কৃষক হত্যার এই ঘটনায় বিজেপি ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে পড়েছে। এরই মধ্যে ভোটের ঠিক আগে বিজেপির সঙ্গে জোট ছিন্ন করে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে জোট গড়ার কথা ঘোষণা করল ওমপ্রকাশ রাজভরের সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি।

উত্তরপ্রদেশে ভোটে আজও জাতপাতের অঙ্ক এক বড় বিষয়। নির্বাচনের আগে সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি সপার সঙ্গে যোগ দেওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। এই দলটির মূলভিত্তি মূলত রাজভর সম্প্রদায়ের মধ্যে। রাজভরদের উপর বিশেষ প্রভাব রয়েছে এই দলের প্রধান ওমপ্রকাশ রাজ ভরের। রাজ্যের ১২ টি জেলায় রাজভরদের বেশ প্রভাব রয়েছে। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজভরদের সমর্থন পাওয়াতেই বিজেপি চমকপ্রদ ফল করেছিল।

কিন্তু এবার পরিস্থিতি একেবারেই পাল্টে গিয়েছে। রাজভর সম্প্রদায়ের ভোটকে নিজেদের কব্জায় আনতে বেশ কিছুদিন ধরেই সচেষ্ট হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। কিছুদিন আগে তিনি ওমপ্রকাশের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন। শেষ পর্যন্ত ওমপ্রকাশের দল সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে জোট গড়ে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিল।

অখিলেশ এবং ওমপ্রকাশ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশকে বিজেপি মুক্ত করতে সমাজবাদী পার্টি এবং সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি এক জোট হয়ে লড়াই করবে। তবে কোন শর্তে ওমপ্রকাশপর দলের সঙ্গে সমাজবাদী পার্টি জোট করল তা এখনো জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, সমাজবাদী পার্টি আগেই জানিয়েছিল এবার তারা কংগ্রেস বা বিএসপির মত কোনও বড় দলের সঙ্গে জোট করবে না। বরং রাজ্যের ছোট ছোট কিন্তু আঞ্চলিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী দলের সঙ্গেই তারা জোট করবে। নির্বাচনের আগে নিষাদ পার্টিও যাতে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে যোগ দেয় সে ব্যাপারে অখিলেশ আলোচনা চালাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি এই দল। উত্তরপ্রদেশে ছোট ছোট আঞ্চলিক দলগুলির কিন্তু বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই সমাজবাদী পার্টি যদি এভাবে ছোট ছোট দলগুলির সঙ্গে জোট করতে পারে তবে বিজেপি যথেষ্ট উদ্বেগে পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।