अयोध्या में राम मंदिर के अभिषेक समारोह में कुछ ही हफ्ते बचे हैं, ऐसी खबरें आई हैं कि सोनिया गांधी और कांग्रेस प्रमुख मल्लिकार्जुन खड़गे के समारोह में शामिल होने पर अभी तक कोई फैसला नहीं हुआ है। कांग्रेस महासचिव संचार प्रभारी जयराम रमेश ने बताया कि कांग्रेस अध्यक्ष मल्लिकार्जुन खरगे और कांग्रेस संसदीय दल की अध्यक्ष सोनिया गांधी को 22 जनवरी 2024 को अयोध्या में राम मंदिर के प्रतिष्ठा समारोह में शामिल होने का निमंत्रण मिला है। निर्णय उचित समय पर लिया जाएगा और सूचित किया जाएगा। राम मंदिर ट्रस्ट की ओर से सोनिया गांधी, अधीर रंजन चौधरी और मल्लिकार्जुन खड़गे जैसे वरिष्ठ कांग्रेसी नेताओं को समारोह में शामिल होने के लिए निमंत्रण भेजा गया है। अभिषेक समारोह 22 जनवरी को आयोजित किया जाना है, जिसमें प्रधान मंत्री नरेंद्र मोदी, केंद्रीय गृह मंत्री अमित शाह, बॉलीवुड अभिनेता माधुरी दीक्षित और अमिताभ बच्चन सहित अन्य लोग शामिल होंगे। यह समारोह मंदिर में राम लला की मूर्ति की स्थापना का गवाह बनेगा।
Suspension of 12 Rajya Sabha MPs: বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বললেন সোনিয়া
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: বাদল অধিবেশনে হই হট্টগোল করার কারণে রাজ্যসভার ১২ জন বিরোধী সাংসদকে চলতি শীতকালীন অধিবেশন থেকে বহিষ্কার (Suspension of 12 Rajya Sabha MPs) করেছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নায়ডু। বেঙ্কাইয়ার এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।
তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার হয়েছে। কৃষকদের সঙ্গে কেন্দ্রের আলাপ-আলোচনা চলছে। সেই আলোচনার জেরে কৃষকরা সম্ভবত তাঁদের আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসবেন এমন ইঙ্গিতও মিলেছে। কিন্তু কৃষক আন্দোলনকে হাতিয়ার করেই মোদি সরকারকে কোণঠাসা করতে চাইছে কংগ্রেস।
বুধবার কংগ্রেসের সংসদীয় দলের বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী দীর্ঘ আলোচনা করেন। সেখানেই সোনিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দেন, গত একবছরে আন্দোলন করতে গিয়ে যে ৭০০ জন কৃষক শহিদ হয়েছেন সরকারকে তাঁদের উপযুক্ত সন্মান দিতে হবে। মৃত কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক ও অন্যান্য সাহায্য করতে হবে। দলীয় সাংসদদের ওই বৈঠকে সোনিয়া বলেন, রাজ্যসভার সাংসদদের বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তটি অসাংবিধানিক এবং অনৈতিক।
ইতিমধ্যেই নতুন কৃষি আইন বাতিল হওয়ায় তার আর কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। তাই চলতি অধিবেশনে বিজেপি সরকারকে কোন কোন ইস্যুতে আক্রমণ করা হবে তা স্থির করতেই বুধবার কংগ্রেস সংসদীয় দলের বৈঠক বসে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, অধীর চৌধুরী, মল্লিকার্জুন খাড়্গের মত শীর্ষ নেতারা। রাজ্যসভার সাংসদের বহিষ্কারের দায় মল্লিকার্জুন সরকারের ঘাড়েই চাপিয়ে।
তিনি বলেছেন, বিরোধী দল হিসেবে আমরা সর্বদাই সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে চলেছি। কিন্তু সরকার বিরোধীদের কোনও কথাই শুনতে রাজি নয়। অন্যদিকে ভেঙ্কাইয়া নায়ডু জানিয়েছেন, বিরোধী সাংসদরা ক্ষমা চাইলে তিনি তাঁদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেবেন। এই বক্তব্যকেও উড়িয়ে দিয়েছেন মল্লিকার্জুন। কংগ্রেস নেতা বলেছেন, ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কারণ সাংসদরা প্রতিবাদ জানিয়ে কোনও অন্যায় করেননি। অন্যায় করেছে সরকার।
একই সঙ্গে এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বলেন তাঁরা নাগাল্যান্ডের ঘটনা এবং পেট্রোল-ডিজেল-সহ প্রতিটি জিনিসের দাম বৃদ্ধির মত একাধিক বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে চান। কিন্তু সরকার আলোচনার কোনও সুযোগই দিচ্ছে না। দেখে শুনে মনে হচ্ছে, মোদি সরকার সংসদ চালাতে চায় না। তাই বিরোধীদের দেখলেই তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সরকারের বিরুদ্ধে কোনও কথা বললেই সাংসদদের সংসদ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। এটা অসাংবিধানিক বিষয়। একই সঙ্গে এ দিনের বৈঠকে সোনিয়া জানান, ইডি ও সিবিআই কর্তাদের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তেরও তাঁরা বিরোধিতা করবেন।
সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, তাঁরা মনে করছেন এই নিয়ম বদলের ফলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির নিয়ন্ত্রণভার সম্পূর্ণভাবে মোদি সরকারের হাতেই থাকবে। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে না। এদিন রাজ্যসভার অধিবেশন শুরু হলে কংগ্রেস সাংসদ দীপেন্দ্র হুডা কৃষক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে একটি মুলতুবি প্রস্তাব পেশ করেন। এছাড়াও ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান।
Vaccination: মোদী-শাহ, সোনিয়া-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, অক্ষয় কুমার টিকা নিয়েছেন বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে
News Desk: গোটা দেশজুড়ে দ্রুত গতিতে চলছে করোনার টিকাকরণ (vaccination)। এরইমধ্যে বিহারের আরওয়াল জেলার (Arwal district) প্রত্যন্ত একটি গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভ্যাকসিন প্রাপকদের তালিকা টাঙানো হয়েছে। ওই তালিকা নিয়ে তীব্র হৈচৈ শুরু হয়েছে। কারণ ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা প্রাপকদের নামের তালিকায় বেশ কয়েকজন ভিভিআইপি ব্যক্তির (VVIP person)নাম রয়েছে।
এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) এবং অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার(Priyanka chopra) । এই দুইজন যে বিহারের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা নিয়েছেন তাই নয়, তাঁদের একই দিনেই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। শুধু সময়ের ব্যবধান কয়েক মিনিট। দেখা যাচ্ছে আগে টিকা নিয়েছেন মোদী তার কিছু পরেই টিকা নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। অর্থাৎ মোদী ও প্রিয়াঙ্কা বিহারের আরওয়াল জেলার ওই গ্রামে গিয়ে ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
তবে চাঞ্চল্যের এখানেই শেষ নয়। মোদী প্রিয়াঙ্কার নামেই যদি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেমে যেত তাহলে হয়তো এতটা হৈচৈ হত না। কারণ তাঁদের টিকা নেওয়ার দিন কয়েক পরেই ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁদের সঙ্গে একই দিনে টিকা নিয়েছেন বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার।
আরওয়াল জেলার ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেভাবে ভিভিআইপি ব্যক্তিরা টিকা নিয়েছেন সেটা দেশের আর কোনও টিকাকরণ শিবিরে হয়নি।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জেলা প্রশাসনে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনার জন্য ওই শিবিরের দুই কম্পিউটার অপারেটরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিভাবে এতজন ভিভিআইপি ব্যক্তির নাম যোগ হল তা জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে কম্পিউটার অপারেটরদের দাবি, তাঁরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে যা করার করেছেন। কারণ তাঁদেরকে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে এটা দেখানোর জন্য রীতিমতো চাপ দেওয়া হত। কম্পিউটার অপারেটরদের ওই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র সমালোচনা করেছেন এলাকার আরজেডি বিধায়ক আনন্দ সিং।
তিনি বলেছেন, আসলে মোদী সরকার লোক ঠকাচ্ছে। ভ্যাকসিন না দিয়েই এভাবে ১০০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে এই সরকার। টিকাকরণ নিয়েও ষড়যন্ত্র করছে। কিভাবে এ ধরনের মারাত্মক ভুল হল তা জানতে সরকার তদন্ত করুক। দু’জন নিরীহ কম্পিউটার অপারেটরকে বরখাস্ত করে জেলা প্রশাসন নিজেদের দোষ ঢাকতে চাইছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।
Bhupesh Baghel: টাকার বিনিময়ে মোদি-শাহ’র হয়ে কাজ করছেন প্রশান্ত কিশোর
News Desk: কয়েকদিন আগে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কড়া সমালোচনা করেছিলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিরোধী জোট গঠনের জন্য ময়দানে নেমেছেন। এদিন এই দু’টি ঘটনাকে এক জায়গায় নিয়ে এসে প্রশান্ত ও মমতাকে অত্যন্ত চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) অন্যতম বিশ্বস্ত সৈনিক তথা ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল (Bhupesh Baghel )।
ভূপেশ স্পষ্ট বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপি যাতে ক্ষমতায় ফিরতে পারে সেজন্য নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহর নির্দেশমতো কাজ শুরু করে দিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। আসলে উনি তো কোন রাজনৈতিক দলের লোক নন। উনি একজন পেশাদার মানুষ। টাকা নিয়ে কাজ করেন। কয়েক বছর আগে মোদি -অমিত শাহ কংগ্রেস মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু চেষ্টা করেও তাঁরা সেটা করতে পারেননি। সেই কাজ যাতে করতে পারেন তার জন্যই এবার দায়িত্ব দিয়েছেন প্রশান্তকে। তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন। প্রশান্ত এবং মমতা দু’জনেরই লক্ষ্য হল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। বিজেপিকে সাহায্য করতেই তাঁরা মাঠে নেমেছেন।
মমতাকে আক্রমণ করে ভূপেশ বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। তিনি বিজেপির সঙ্গে লড়তে চান নাকি, বিরোধী দলগুলির সঙ্গে সেটা স্পষ্ট করে জানাচ্ছেন না কেন? দেখে শুনে তো মনে হচ্ছে, রাজ্যে রাজ্যে বিরোধী ভোট ভাগ করে দিয়ে উনি বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরার পথ মসৃণ করে দিতে চাইছেন। দু’দিন আগে দিল্লি গিয়ে মোদির সঙ্গে বৈঠক করলেন। তার পরেই তিনি আক্রমণ করলেন কংগ্রেসকে। মোদির সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে কেন সেটা প্রকাশ করছেন না।
মমতাকে এটা বুঝতে হবে যে, কংগ্রেসকে ছাড়া কখনও কোনও বিরোধী জোট গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাঁর মনে রাখা উচিত, জাতীয় পর্যায়ে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে কখনওই কোনও জোট হতে পারে না। কেন না এখনও গোটা দেশে বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হল কংগ্রেস।
ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী এদিন এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের মুখে কে হবেন সেটা ইউপিএ’র বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সোনিয়া গান্ধীই ঠিক করবেন। মমতাকে ঠিক করতে হবে তিনি বিরোধীদের সঙ্গে লড়তে চান নাকি, বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে হঠাতে চান। মমতার কাজকর্ম দেখে শুনে তো মনে হচ্ছে, উনি বিজেপিকে সর্বতোভাবে সাহায্য করতে চান। আর তাঁর এই কাজের সহযোগী হয়েছেন প্রশান্ত কিশোর।
তৃণমূল কংগ্রেসের এটা বোঝা উচিত, গোয়ায় তাদের কিছু করার ক্ষমতাই নেই। এতদিন তো ত্রিপুরা নিয়ে অনেক কথা বলছিলেন। কিন্তু ত্রিপুরার নির্বাচনী ফলাফল দেখিয়ে দিয়েছে, তৃণমূল মুখে যতই বড় বড় কথা বলুক না কেন আসলে তাদের শক্তি কতটা। আগামী নির্বাচনে গোয়াতেও একই অবস্থা হবে তৃণমূল কংগ্রেসের। মাঝখান থেকে তারা কংগ্রেসের ভোট কেটে বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরার পথে কুসুম বিছানো করে দেবেন। গোয়ায় কোনও শক্তিই নেই, তবুও তারা হই হট্টগোল করছেন। এর পিছনে কী কারণ আছে সেটা কারও বুঝতে বাকি নেই। মোদি-শাহর থেকে টাকা নিয়ে বিরোধী ভোট কিভাবে ভাগ করে দেওয়া যায় সেই পথ বাতলে দিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। প্রশান্তর বলে দেওয়া পথেই এগিয়ে চলেছেন মমতা।
সবকিছু দেখেশুনে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে মোদিকে ক্ষমতায় ফেরাতে মোদি ইতিমধ্যেই ময়দানে নামিয়ে দিয়েছেন প্রশান্ত এবং মমতাকে। তাঁরা হাত ধরাধরি করে বিজেপিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবেন।
Mamata Banerjee: বিরোধী মুখ হওয়ার প্রস্তুতিতে TMC, কংগ্রেসের বৈঠক থেকে দূরত্ব
News Desk: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস দল এখন বিরোধীদের প্রধান মুখ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই কারণেই টিএমসি একে একে তাদের কার্ড খুলতে শুরু করেছে। রাজধানীর রাজনীতিতে ঘুরছে এমনই কথা।
কংগ্রেসের ডাকা বি রোধী দলগুলির বৈঠকে টিএমসি অংশ নিচ্ছে না। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, রাজ্যসভায় বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বিরোধী দলগুলির বৈঠকে টিএমসি অংশ নেবে না।
টিএমসি সূ্ত্রে খবর, সোমবার থেকে শুরু হওয়া সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও কংগ্রেসের সাথে সমন্বয় করা হবে না। সংসদ অধিবেশনে কংগ্রেসকে সহযোগিতা করবে না দলটি। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে দলটি অবশ্যই অন্যান্য বিরোধী দলকে সমর্থন করবে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই কারণেই টিএমসি অন্যান্য রাজ্যে মনোযোগ দিতে শুরু করেছে। অন্যান্য দলের বড় নেতাদের টেনে আনছে।
এর আগে, টিএমসি টেনে আনে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় মহিলা নেত্রী তথা শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেবকে। তিনি অসম সহ উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম নেত্রী। এখন টিএমসির রাজ্যসভা সাংসদ ও ত্রিপুরার দায়িত্বে। সিনিয়র কংগ্রেস নেতা কীর্তি আজাদ ও অশোক তানওয়ারকে টেনে নিয়েছে টিএমসি। গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন মমতার শিবিরে। মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস ছেড়ে টিএমসিতে সামিল। মেঘালয়ে বিরোধী আসনে টিএমসি। এটি সোনিয়া গান্ধীর জন্য একটি বড় ধাক্কা।
পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস বলতে কিছুই নেই। ত্রিপুরার পুর ভোটে টিএমসি নিজের অস্তিত্ব তৈরি করেছে। এ রাজ্যে বিজেপির ওপর ক্ষুব্ধ কয়েকজন সিনিয়র নেতাও টিএমসির পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছেন।
তবে বিশ্লেষণে উঠে আসছে, কংগ্রেসের ভারতব্যাপী অবস্থানকে ভাঙতে একা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতদূর সফল হবেন। দক্ষিণ ভারতে কংগ্রেসকে ভাঙানো তাঁর পক্ষে সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
Mamata Banerjee: সোনিয়াকে উপেক্ষা করার কারণ সম্পর্কে বিস্ফোরক মমতা
Mamata Banerjee meeting with Sonia Gandhi
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: রাজধানীকে এলেই প্রতিবারই আমায় সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) সঙ্গে দেখা করতে হবে কেন? সংবিধানে কি এমন কোন নিয়ম আছে যে, দিল্লি আসলেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে হবে? সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে চাঞ্চল্যকর এই প্রশ্নটিই ছুড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বন্দ্যোপাধ্যায়।
চার দিনের সফরে সোমবার দিল্লি (Delhi) এসে পৌঁছেছেন মমতা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ (Aravind Kejriwal) বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি।
অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, মমতা দিল্লি আসলে অবশ্যই সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু এবারই তার ব্যতিক্রম ঘটলো। চার দিনের এই সফরে সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করার কথা উচ্চারণও করলেন না নেত্রী। তাই সংবাদমাধ্যম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চায়, আপনি কি এবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন না? তার উত্তরে মমতা স্পষ্ট বলেন, ওনারা এখন পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে খুব ব্যস্ত। তাই কিভাবে দেখা হবে। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী কিছুটা রাগত স্বরে বলেন, আমি দিল্লি এলে প্রতিবারই কেন সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করবো বলুন তো? এটা কি কোনও সাংবিধানিক নিয়ম নাকি?
মমতার এই কথার যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করার পরেই নিজের রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে তৃণমূল ক্রমশ জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে জায়গা করে নিচ্ছে। নিজের জায়গা করতে গিয়ে তৃণমূল মূলত কংগ্রেসেই ভাঙন ধরাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই উত্থান ও দল ভঙানোর নীতিতে বেজায় খাপ্পা কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে মমতার এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পাশাপাশি মমতা এবং তাঁর দলের কাজে বিরোধীজোটের ঐক্য নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।
মমতা এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে তাঁর দল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির পাশেই থাকবে। অখিলেশ চাইলে তিনি উত্তরপ্রদেশে প্রচার করতেও যাবেন। কারণ তাঁর একমাত্র লক্ষ্য হল বিজেপিকে ক্ষমতায় থেকে হঠানো। একই সঙ্গে মমতা জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর তিনি মুম্বই যাচ্ছেন। দেখা করবেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে।
উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীদের অনৈক্যের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে এনসিপি, কংগ্রেস ও শিবসেনা জোট সরকার গঠন করেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের শরিকদের নিজের কাছে টানতে মমতা উদ্যোগী হয়েছেন, এমন কথাও উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি রাজনৈতিক মহল এই প্রশ্নও তুলেছে যে, কংগ্রেসকে বাদ রেখে কি কোন বিরোধী জোট করা সম্ভব? কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট করতে গেলে সব আঞ্চলিক দলকে মমতা কি নিজের পাশে পাবেন?
আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, কংগ্রেস যদি বিরোধী জোটে থাকে সেই জোটে কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদবের মতো নেতা কি সামিল হবেন!
প্রবল ভয় পেয়ে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে মোদি সরকার: সোনিয়া
News Desk: একদিকে প্রবল ভয় অন্যদিকে ভোট রাজনীতি, এই দুই কারণে হঠাৎ করে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। বলা যেতে পারে মন থেকে নয়, প্রবল ভয় ও আতঙ্কের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।
গত রবিবার ১৩ টি রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা কেন্দ্র ও তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, বিজেপি কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। দলের এই হতাশজনক ফলাফল ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন এবং আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলবে সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে যায় নরেন্দ্র মোদি সরকার। সে কারণেই তড়িঘড়ি পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শুধু কেন্দ্র নয়, বিজেপি যে ১০টি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সেই রাজ্যগুলিও পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেশ কিছুটা কমিয়েছে।
বেশ কিছুদিন ধরেই প্রতিদিনই দেশে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছিল। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। এই মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কংগ্রেস-সহ দেশের প্রায় সবকটি বিরোধীদল। উৎসবের মরসুম শেষ হলেই চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা করেছিল কংগ্রেস। উপনির্বাচনের ফলাফল এবং আর এক মাস দুই-তিনের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার তড়িঘড়ি পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানোর পর বিরোধীরা আর আন্দোলন করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দাম কমার পর এদিন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করে বলেন, মোদি সরকার মন থেকে নয় আতঙ্কের কারণে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লুটেরা সরকারকে আগামী নির্বাচনে উপযুক্ত জবাব দিতে হবে। এজন্য মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রিয়াঙ্কা। পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, চলতি বছরে মোদি সরকার প্রতি লিটার পেট্রোলে ২৮ টাকা এবং ডিজেলে ২৬ টাকা দাম বাড়িয়েছে। কিন্তু বুধবার পেট্রোল ৫ টাকা এবং ডিজেলে ১০ টাকা দাম কমিয়ে মোদি সরকার বলছে, এটা তাদের তরফ থেকে মানুষকে দেওয়া দীপাবলীর উপহার। আসলে এটা আরও একটা বড় জুমলা।
অন্যদিকে আরজেডি নেতা তথা দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব দাম কমানোর এই সিদ্ধান্তকে মোদির নাটক বলে কটাক্ষ করেছেন। লালুর দাবি, কেন্দ্রের উচিত ছিল প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলে ৫০ টাকা করে দাম কমানো। মোদি সরকার দাম এতটাই বাড়িয়েছে যেটা মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে। দেখা যাবে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলে ফের দাম বাড়াবেন মোদি। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা যশবন্ত সিনহা বলেছেন, পেট্রোল-ডিজেলের মাধ্যমে মোদি কোটি কোটি টাকা লুট করেছেন। মোদিজি খুব দয়াবান তাই মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পেট্রোল-ডিজেলে যৎসামান্য দাম কমিয়েছেন। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেশের বাজারে পেট্রোল-ডিজেলের দামের কী অবস্থা হয় এখন সেটাই দেখার।
Sonia Gandhi: নিজেকে পূর্ণ সময়ের সভাপতি বলে দাবি সোনিয়ার
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দীর্ঘ দুই বছর পর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হল। এই বৈঠকে আরও একবার দলের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। দলের ওয়ার্কিং কমিটির নেতাদের সাফ জানালেন, আপাতত আগামী এক বছর তিনিই দলের পূর্ণ সময়ের সভাপতি। ২০২২ এর সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি নির্বাচন হবে বলেও জানালেন নেত্রী।
শনিবারের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি সোনিয়ার হাতেই। দলের বিক্ষুব্ধ ২৩ জন নেতাকেও এদের নেত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন। সোনিয়া স্পষ্ট বলেছেন, কারও কোনও বিষয়ে অভিযোগ থাকলে সংবাদমাধ্যমের কাছে সে কথা বলার কোন দরকার নেই। সরাসরি আমাকে সব কিছু বলুন। আমি চেষ্টা করব আপনাদের সমস্যার সমাধান করতে। কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের জন্য সকলকেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
এখন প্রশ্ন হল, কেন কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন আরও এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা হল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২২- এর শুরুতেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। দলের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়ে এখনই তাই সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। সভাপতি নির্বাচন করতে গিয়ে দলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও বাড়তে পারে। বরং ওই চার রাজ্যের নির্বাচনে কিভাবে দলকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো করানো যায় সে বিষয়ে মনোনিবেশ করতে চান নেত্রী। সে কারণেই তিনি সভাপতি নির্বাচন আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছেন।
বছরখানেক ধরে দলের ২৩ জন প্রবীণ নেতা সোনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এই দলীয় কোন্দল নিয়ে এদিন বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করেছেন সোনিয়া।
এই প্রবীণ নেতাদের গোষ্ঠী জি-২৩কে সোনিয়া বলেন, সংবাদমাধ্যমের সামনে আপনারা কেন কথা বলেন! আপনাদের কিছু বলার থাকলে সরাসরি আমাকে জানান। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে বরং রাজ্যে রাজ্যে কিভাবে কংগ্রেসকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিজেদের মধ্যে বিবাদ করতে গিয়ে মাঝখান থেকে কংগ্রেস প্রতিটি জায়গায় জমি হারাচ্ছে। আপনাদের মত প্রবীণ নেতাদের উচিত কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করা। কংগ্রেসকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া নয়।
‘রাহুলের উপস্থিতিতে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সদর্থক বৈঠক হয়েছে’: মমতা
নিউজ ডেস্ক: বিকেল সাড়ে ৪টায় ১০ নম্বর জনপথে গিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের রাহুল গান্ধী উপস্থিত ছিলেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বৈঠকের পর সোনিয়া গান্ধীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন,‘দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাহুলের উপস্থিতিতে সনিয়া গাঁধীর সঙ্গে সদর্থক বৈঠক হয়েছে।’
দেশের রাজনীতিতে এখন সরগরম পেগাসাসকাণ্ড। ন সেই বিষয়টি এই বৈঠকে উঠে এসেছিল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।তিনি বলেন,”করোনা থেকে পেগাসাস, সব ইস্যুতেই কথা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিজেপিকে হারানোর জন্য সবাইকে একসঙ্গে জোট বেঁধে লড়তে হবে। আমি লিডার নই, আমি ক্যাডার। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত সংসদে পেগাসাস নিয়ে জবাব দেওয়া।’’
অন্যদিকে বুধবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন,”আগামিদিনে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে গোটা দেশের লড়াই হবে৷” তিনি আরও বলেন,”‘আমরা বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কোভিড সঙ্কট মিটে গেলে আমরা বৈঠক করতে পারি।’
বিরোধীদের জোট প্রসঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, সেই কথা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানালেন। তিনি বলেন,” সোনিয়া গান্ধীও বিরোধী ঐক্য চাইছেন। এখন অন্য দলগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’
“আগামিদিনে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে গোটা দেশের লড়াই হবে”: মমতা
নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনগুলিকেও পাখির চোখ করেছেন তৃণমুল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪ পর্যন্ত অপেক্ষা করা নয়৷ উত্তর প্রদেশে বিজেপি-র বিজয়রথ থামিয়ে দেওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য৷ তার জন্য যে, অবিজেপি দলগুলোকে একজোট হতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুধবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন,”আগামিদিনে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে গোটা দেশের লড়াই হবে৷” তিনি আরও বলেন,”‘আমরা বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কোভিড সঙ্কট মিটে গেলে আমরা বৈঠক করতে পারি।’
বিরোধীদের জোট প্রসঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, সেই কথা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানালেন। তিনি বলেন,” সোনিয়া গান্ধীও বিরোধী ঐক্য চাইছেন। এখন অন্য দলগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’
MISSION PARLIAMENT: মমতার নেতৃত্বে রাজধানীতে হোমওয়ার্ক তৃণমূল সাংসদের
নিউজ ডেস্ক: ২০২১ বিধানসভা ভোটে বাংলায় মোদী-শাহ অ্যান্ড কোম্পানিকে ধরাশায়ী করে তৃণমূল কংগ্রেসের এখন লক্ষ্য নয়াদিল্লি৷ আর সেই লক্ষ্যপূরণেই রাজধানীর রাজনীতির ময়দানে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ জাতীয় রাজনৈতিক স্তরে বিজেপিকে ঠেকাতে কার্যত ব্যর্থ সোনিয়া-রাহুলের কংগ্রেস৷ বাংলায় ব্যাপক জয়ের পর এখন কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা তাকিয়ে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই৷ তাই মমতার এবারের মমতার দিল্লি সফরকে বেশ গুরুত্ব দিয়েই দেখছে রাজনৈতিক মহল৷ গত কয়েকদিন নয়াদিল্লিকে মমতার ঠাসা কর্মসূচি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে৷
মঙ্গলবার রাজধানীতে সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদের বৈঠক হল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সংসদীয় বৈঠক হয়। এই বৈঠকের মূলত আগামিদিনের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করা হচ্ছে। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন এখন পাখির চোখ তৃণমূলের কাছে। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূল সুপ্রিমোর নেতৃত্বে এই বৈঠকে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামিদিনে সংসদে বিজেপির বিরুদ্ধে কোন কোন ইস্যু তৃণমূল সাংসদরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে, সেই বিষয় নিয়ে রূপরেখা তৈরি করে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে সূত্রের খবর।
২১ জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি দলগুলিকে একজোট হওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই লক্ষ্যেই৷ ইতিমধ্যেই জাতীয়স্তরে মমতার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে সিপিএম নেতা বিমান বসু৷ এনিয়ে বাংলার রাজনীতির ময়দানে বেশ শোরগোল পড়েছে৷ এদিকে, বুধবার বিকেলে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে মমতা-সোনিয়ার এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই বৈঠকের আগে দলের সাংসদদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসেছেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

