Virat-Sourav controversy: প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়কের বিতর্কিত মন্তব্যে চাঞ্চল্য

Virat-Sourav controversy

Sports desk: বিরাট-সৌরভ বিতর্কে (Virat-Sourav controversy) পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সলমান বাটের বিতর্কিত বয়ান চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক নিজের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এই বিতর্কিত বয়ান রেখেছে।

প্রতিবেশী দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বিতর্কিত বয়ানে বলেন, “ভারতীয় ক্রিকেটের উন্নতির জন্য, গাঙ্গুলিকে এগিয়ে আসা উচিত এবং তাদের উত্তর দিয়ে এই জন্মগত বিতর্কের অবসান ঘটানো উচিত”।

৩৭ বছর বয়সী প্রাক্তন পাক অধিনায়ক সলমান বাটের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বয়ানের মূল বক্তব্য যা এখন বিতর্কিত এবং ওই বিতর্কিত বয়ানে বাটের অযাচিতভাবে হস্তক্ষেপ হল এরকম,” বিরাট কোহলি সবার সামনে যা বলেছেন তা ছোট কথা নয়। একদিকে গাঙ্গুলি বলছেন যে তিনি বিরাটকে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাট থেকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন, অন্যদিকে কোহলি বলেছেন যে বিসিসিআই পক্ষের কোনও কর্মকর্তা এই বিষয়ে তাঁর সাথে কখনও কথা বলেননি। এই গুরুতর বিষয়ে উভয় খেলোয়াড়েরই ভিন্ন বক্তব্য রয়েছে। এই সমস্যা উপেক্ষা করা যাবে না”। প্রাক্তন পাক অধিনায়ককের এমন বিতর্কিত বয়ানকে ভারতের ক্রিকেট মহল মোটেও পচ্ছন্দ করছে না।

এখানেই থেমে না থেকে ইউটিউব চ্যানেলে সলমান বাট স্টেপ আউট করে বিতর্কে আরও বেশি করে ঘি ঢেলে দিয়ে বয়ানে বলতে থাকেন, “বিষয়টি শুধু অধিনায়কত্বের নয়। অবশ্যই, অধিনায়ক হিসাবে রোহিতের আরও ভাল রেকর্ড রয়েছে। কিন্তু যেভাবে একজন সিনিয়র খেলোয়াড়কে হঠাৎ করেই অন্য একজন খেলোয়াড়ের হাতে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়, সে মনোভাব ঠিক নয়। সৌরভকে এই বিষয়ে আলোচনা করে সমাধান বের করতে হবে। নইলে তার ও কোহলির মধ্যে আস্থা ভেঙে যেতে পারে”। ভারতীয় ক্রিকেটে এখন “ফিল গুড ফ্যাক্টর” মানে মুক্ত ফুরফুরে বাতাস বয়ে চলেছে, টিম ইন্ডিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট এবং তিন ওডিআই ম্যাচের সিরিজ খেলতে উড়ে গিয়েছে,বৃ্হস্পতিবার সকালে।

এমন আবহে ‘রুটি করার চাটু গরম’ করতে উদ্দ্যেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিতর্কিত বয়ান করেছে প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়ক সলমান বাট।

Rohit Sharma injury : রোহিতের “ইনজুরি” ইস্যুর আগুনে ঘি ঢালছে বিসিসিআই

Rohit Sharma's injury

Sports desk: ২০২০ সালে রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) চোট (ইনজুরি) পেয়েছিলেন। ওই ইনজুরি আবার নতুন করে কি মাথাচাড়া দিয়েছে? এবার আসন্ন দক্ষিন আফ্রিকা সিরিজের আগে এই প্রশ্নে নাজেহাল রোহিত ভক্তকুল।

রোহিত শর্মা’র ইনজুরি এমন সময়ে সামনে এসেছে যখন ভারতীয় টেস্ট দল মাত্র দুই দিন পরে ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট ও তিন ওডিআই ফর্ম্যাটের সিরিজ খেলার জন্য উড়ান ধরবে। রোহিত শর্মার এই রহস্যজনক ইনজুরির জেরে আসন্ন সফর থেকে বাদ পড়ার দু’দিন আগে অনেক প্রশ্ন উঠছে।

গত সোমবার সন্ধ্যেতে নেট সেশনে থ্রো-ডাউন অনুশীলনের সময় রোহিত হাতে আঘাত পেয়েছে বলে জানা যায়, কিন্তু পরে বিসিসিআই একটি অফিসিয়াল প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করতেই কানাঘুষো শুরু হয়ে যায় ক্রিকেটার রোহিত শর্মা কী ধরনের চোট পেয়েছে?

রবিবার নিজেই BCCI TV-কে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে অনেক বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন রোহিত। ওই সাক্ষাৎকারে বিরাটের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে চলতি আলোচনার অবসান ঘটিয়ে হিটম্যান রোহিত অত্যন্ত ইতিবাচক ভঙ্গিতে বলেছেন, “কোহলির অধিনায়কত্বে খেলার প্রতিটি মুহূর্ত তিনি উপভোগ করেছেন”। এছাড়াও, কোহলি আসন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে কথা বলেছেন।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়ে যাওয়ার মাত্র ২ দিন আগে বিসিসিআই’র আনুষ্ঠানিক প্রেস বিবৃতি অনুসারে “হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি”র তত্ত্ব অনেক প্রশ্নের উত্থাপন করেছে। সব মিলিয়ে কী ধরনের চোট পেয়েছেন রোহিত?
রোহিতের হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কোন গ্রেড আছে?ইনজুরিটি কি আসলে হ্যামস্ট্রিংয়ে নাকি আঙুলে আঘাত? আর এই প্রশ্নবাণে জর্জরিত পরিস্থিতিতে বিসিসিআই’র দেওয়া প্রেস
বিবৃতিতে সচিব হিসেবে স্বাক্ষরিত জয় শাহ’র রোহিত শর্মার ইনজুরি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা সহজে থামার নয়।

রোহিত ভক্ত দেশের ক্রিকেট মহল এবং আন্তজার্তিক ক্রিকেট মহলেও রোহিত শর্মার ইনজুরি বিতর্ক এখন কোটি টাকার প্রশ্নে ঝুলে রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠছে,কত দিন মাঠের বাইরে থাকবেন রোহিত? গ্রেড 1 হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি মুক্ত হতে সাধারণত চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগে, আর গ্রেড 2 হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি মুক্ত হতে আট সপ্তাহ সময় নেয়।

এমন পরিস্থিতিতে এখন প্রশ্ন হচ্ছে রোহিতের হ্যামস্ট্রিং থাকলেও এবং ফিট হয়ে গেলেও কি ওডিআই সিরিজে খেলতে পারবেন তিনি?

রোহিতের সহ-অধিনায়কত্বের ইস্যুতেও প্রশ্ন উঠেছে? প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজ থেকে রোহিত শর্মার ছিটকে যাওয়ার পর নির্বাচকরা রোহিতের জায়গায় আরেক ওপেনার প্রিয়াঙ্ক পাঞ্চালের নাম ঘোষণা করলেও টেস্টে এখন সহ-অধিনায়ক কে হবেন তা বলা হয়নি।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের নভেম্বরে, বিসিসিআই রোহিত শর্মাকে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য দলে নির্বাচন করেনি, রোহিত ফিট নন এই ইস্যুতে। কিন্তু দল ঘোষণার এক ঘন্টা পরে রোহিত শর্মা ব্যাটিং নেট সেশন চলাকালীন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অনুশীলনে ছন্দময় সাহসী শট ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে,যা ঝড় তুলেছিল।

Ajaz Patel: বিস্ফোরক বয়ান নিউজিল্যান্ডের স্পিনার আজাজ প্যাটেলের

New Zealand spinner Ajaz Patel

Sports desk: মুম্বই’র ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্পিনার আজাজ প্যাটেল (Ajaz Patel) ইতিহাস গড়েছেন,কিন্তু তা ভারতের হয়ে নয়।

মুম্বই টেস্টের প্রথম দিনে ভারতের প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনার আজাজ প্যাটেল এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখে ফেলেছেন। আজাজ প্যাটেলের (Ajaz Patel) ১০ নম্বর উইকেটের শিকার মহম্মদ সিরাজ। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসে এক ইনিংসে প্রথমবার ১০ উইকেট নেওয়ার শিরোপা এখন আজাজ প্যাটেলের দখলে।

বিশ্ব ক্রিকেটে আজাজ প্যাটেলের এমন তাক লাগানো পারফরম্যান্সের শুরুটাও কিন্তু কম রোমাঞ্চনীয় নয়। একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে ক্রিকেটে নিজের অভিযান শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বাহাতি স্পিনার আজাজ প্যাটেল। এক সাক্ষাৎকারে কিউই স্পিনার আজাজ প্যাটেল ওই রোমাঞ্চকর অভিঞ্জতা শেয়ার করতে গিয়ে হাসিমুখে বলেছেন,”হ্যাঁ, শুরুটা আমি করেছিলাম ফাস্ট বোলার হিসেবে, আমি ওয়াসিম আক্রম এবং ওয়াকার ইউনিসকে ফলো করতাম। ক্লাব ক্রিকেট খেলার সময় আমার কোচ আমাকে লক্ষ্য করেছিল,যদিও আমি ফাস্ট বোলার হিসেবেই খুশি ছিলাম।”

আজাজের কথায়,”ক্লাব ক্রিকেট আমার ফাস্ট বোলিং’র একশন (action) নিয়ে কোচ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর তারই পরামর্শে এবং সমর্থনে প্রিমিয়ার লিগে আমি স্পিনার হিসেবে খেলতে নামি,সেই শুরু যা আজও অব্যাহত।”

অনিল কুম্বলে এবং জিম লেকারের মতো কিংবদন্তী ক্রিকেটারদের নামের সঙ্গে এখন আজাজ প্যাটেলের নাম জুড়ে গিয়েছে, এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার সুবাদে। এই নিয়ে আজাজের প্রতিক্রিয়া, সবই ওপরওয়ালার (ঈশ্বর) কর্ম। আমি অবশ্যই এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি, তবে আমি যে ফলাফল পেয়েছি তা ওপরেরদের হাতে।” সঙ্গে এও বলেছেন, “এখনও বিশ্বাস করতে পারেন না যে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।”

৩৩ বছর বয়সী স্পিনার আজাজ প্যাটেল মাত্র ৮ বছর বয়সে মুম্বই থেকে অকল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছিলেন। অকল্যান্ডে আজাজের কাকা ইউনুস প্যাটেল থাকতেন। তাই কাকার কাছে চলে গিয়েছিল ছোট্ট আজাজ।এরপর ওই কাকাই আজাজকে ক্রিকেট ক্লাবে ভর্তি করে দেয়।প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি হয়ে ওই স্কুলের একজন শিক্ষক আজাজ প্যাটেলকে ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করেছিল। আজাজের কথায়, ‘মুম্বই আমার কাছে সেকেন্ড হোম। এটা আমার কাছে একটা বিশেষ মুহুর্ত ক্রিকেটের দিক থেকে।”আর এই কারণেই ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-০ সিরিজ জিতে নিলেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের “দিল” জিতে নিয়েছে কিউই বাহাতি অর্থোডক্স স্পিনার আজাজ প্যাটেল।

Delhi Pollution: দূষণের জন্য দায়ী পাকিস্তানকে দায়ী করল যোগী সরকার

Delhi Pollution

Kolkata24x7 Desk: দিল্লির বাতাস দূষণের জন্য আর কেউ নয় পাকিস্তান (pakistan) দায়ী, এমনটাই দাবি করল উত্তরপ্রদেশ সরকার (up government)। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের এই দাবিতে শীর্ষ আদালতে উপস্থিত অনেকেই হেসে ওঠেন।

শুক্রবার দিল্লি দূষণ (pollution in delhi ) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (supreme court) শুনানি চলছিল। দিল্লির দূষণের জন্য কলকারখানা ও গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়ার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাবের মত রাজ্যে ফসলের গোড়া পোড়ানো অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্নার বেঞ্চে দূষণ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে।

সেই শুনানিতেই শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের আইনজীবী রঞ্জিত কুমার দাবি করেন, দিল্লির দূষণের জন্য উত্তরপ্রদেশকে কখনওই দায়ী করা যায় না। কারণ উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি শিল্প-কলকারখানা পরিবেশ সংক্রান্ত বিধি মেনেই কাজ করে। তাই সেখান থেকে কোনও রকমভাবে দূষিত ধোঁয়া নির্গত হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এরপরই রঞ্জিত কুমার আদালতকে স্তম্ভিত করে দিয়ে দাবি করেন, পাকিস্তান থেকে দূষিত বায়ু প্রবেশ করছে দিল্লিতে। সে কারণেই দিল্লির বাতাসে দূষণ বাড়ছে।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের আইনজীবীর এই বক্তব্যে বিচারপতিরাও কিছুক্ষনের জন্যে চুপ করে যান। বিচারপতিরাও বুঝতে পারেননি, কীভাবে একজন আইনজীবী এই মন্তব্য করতে পারেন। এরপরই প্রধান বিচারপতি রামান্না উত্তরপ্রদেশের আইনজীবীকে ব্যঙ্গ করে বলেন, তাহলে আপনারা কি চান আমরা পাকিস্তানের শিল্প-কারখানাও নিষিদ্ধ করি। উত্তর প্রদেশ এবং দিল্লির মধ্যে কয়েক কিলোমিটারের ব্যবধান। তুলনায় পাকিস্তান ও দিল্লির মধ্যে ব্যবধানটা অনেক অনেক বেশি। তাহলে উত্তরপ্রদেশ থেকে যদি দূষিত বাতাস দিল্লিতে প্রবেশ করতে না পারে পাকিস্তান থেকে কিভাবে দূষিত বাতাস দিল্লিতে ঢুকছে?

রামান্না আরও বলেন, আসলে আপনারা কোনও চিন্তাভাবনা করে কথা বলেন না। একটি কথা বলার পর তার কি প্রতিক্রিয়া হতে পারে সেটা ভেবে দেখেন না। আপনার মনে যা এল সেটাই বলে দিলেন। এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছু হতে পারে না।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তকমা পেয়েছে দিল্লি। সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে সুপ্রিম কোর্ট সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিতে পারে মাত্র, তা বাস্তবায়িত করার কাজ রাজ্য সরকারের। সেই কাজে ইতিমধ্যেই দিল্লি সরকারের ভূমিকায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের মত রাজ্যগুলিকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।

Gautam Gambhir: শাস্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দায় মুখর গৌতম গম্ভীর

Gautam Gambhir condemned Ravi Shastri's statement

Sports desk: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) রবি শাস্ত্রীর থেকে প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়কে টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচের ব্যাটন তুলে দিয়েছে, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে রাহুল দ্রাবিড় দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ হিসাবে শাস্ত্রীর ত্রুটিগুলির দিকে ফিরে তাকাতে বলা হলে, ভারতের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর বিদেশের মাটিতে ভারতের বড় জয়ের পরে শাস্ত্রীর বক্তব্যকে নিশানা করে সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছেন।

ক্রিকেটের রেকর্ডের দিক দিয়ে রবি শাস্ত্রী অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের টেস্ট সিরিজ জয়কে (২০১৮-১৯) ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে “বড়, বা এমনকি বড়” হিসাবে লেবেল অর্থাৎ তকমা দিয়েছিলেন। শাস্ত্রীর এই বক্তব্যে গম্ভীর মোটেও সন্তুষ্ট হননি।

gautam gambhir

রবি শাস্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে গৌতম গম্ভীরের বক্তব্য, “একটা জিনিস যা আমি আশ্চর্যজনক পেয়েছি তা হল আপনি যখন ভাল পারফরম্যান্স করেন, তখন আপনি সাধারণত এই নিয়ে গর্ব করেন না। অন্যরা এই সম্পর্কে কথা বললে এটি ভাল। ২০১১ সালে যখন আমরা বিশ্বকাপ জিতেছিলাম, তখন কেউ বিবৃতি দেয়নি যে আমরা বিশ্বের সেরা দল, দেশকে একা ছেড়ে দিন।”

টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর সমালোচনা প্রসঙ্গে গম্ভীর বলেন,”আপনি যখন জিতবেন, অন্যদের এই নিয়ে কথা বলতে দিন। অস্ট্রেলিয়ায় আপনি (টেস্ট সিরিজ) জিতেছেন, এটা একটা বড় অর্জন এতে সন্দেহ নেই। আপনি ইংল্যান্ডে ভালো পারফর্ম করেছেন, সন্দেহ নেই। তবে অন্যদের আপনার প্রশংসা করতে দিন। রাহুল দ্রাবিড় কখনই এমন বক্তব্য দেবেন না। ভারতীয় দল ভালো খেলুক বা না করুক, তার বক্তব্য সবসময়ই ভারসাম্যপূর্ণ থাকবে। এছাড়াও, এই বিষয়গুলো অন্যান্য খেলোয়াড়দের প্রতিফলিত করবে।”

নিজের অসন্তুষ্টির অবস্থানকে চেপে না রেখে প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভীরের সাফ কথা, “ফলাফল প্রেক্ষাপটে নম্রতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিকেটে চিরকাল চলবে না। আমি মনে করি দ্রাবিড়ের প্রধান লক্ষ্য হবে খেলোয়াড়দের আগে ভালো মানুষ হওয়ার দিকে এগিয়ে দেওয়া।”

টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়ের মেয়াদ শুরু হয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। ভারত নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রোহিত শর্মার নেতৃত্বতে নিউজিল্যান্ডকে ক্লিন সুইপ, তিন ম্যাচে জয় ছিনিয়ে কিউইদের হোয়াইট-ওয়াশ করেছে। সময়ের প্রেক্ষাপট এমনই যে বিরাট কোহলি, জসপ্রীত বুমরাহ, রবীন্দ্র জাদেজার মতো খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি টি টোয়েন্টি সিরিজে ছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে, কেননা বিসিসিআই অনুপস্থিত খেলোয়াড়দের বিশ্রামের অনুমতি দিয়েছিল।

টি টোয়েন্টি সিরিজের পরে, ভারত নিউজিল্যান্ড দুই দলই দুটি করে টেস্ট ম্যাচ খেলবে। বিরাট কোহলি কানপুরে প্রথম টেস্ট মিস করবেন। মুম্বইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে কোহলিকে আবার ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ শুরু করতে দেখা যাবে। কিউইদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে দলের অধিনায়কত্ব করবেন অজিঙ্কা রাহানে।

Sania Mirza: ভারত-পাক ম্যাচ নিয়ে সানিয়া মির্জার চাঞ্চল্যকর মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া যুবরাজের

sania mirza

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ সকল সময়েই হাই ভোল্টেজ এবং উভয় পক্ষের ভক্তরা সোশাল মিডিয়ায় তাদের নিজেদের দলকে সমর্থন করে। পাকিস্তানি খেলোয়াড় শোয়েব মালিক ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে বিয়ে করেছেন এবং প্রায়শই শোয়েব বা সানিয়া উভয় পক্ষের ভক্তদের দ্বারা ট্রোল হয়ে থাকেন। 

এমন পরিস্থিতিতে এবার সানিয়া টি -২০ বিশ্বকাপে ভারত- পাকিস্তান ম্যাচের দিন সোশাল মিডিয়া থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রাক্তন ভারতীয় খেলোয়াড় যুবরাজ সিং সানিয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।

sania-mirza

সানিয়া মির্জার ইনস্টাগ্রামে একটি রিলের ভিডিও রয়েছে যাতে তিনি তার সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন। সানিয়া একটি গানে অভিনয় করেছেন এবং কোণে একটি টেক্সট বার্তাও লিখেছেন। বলা হয়েছে যে ভারত এবং পাকিস্তানের ম্যাচের দিন আমি ‘toxicity’ (বিষাক্ততা) থেকে দূরে থাকার জন্য সোশাল মিডিয়াতে অনুপস্থিত থাকবো। এই পোস্টে মন্তব্য করে প্রাক্তন ভারতীয় তারকা যুবরাজ সিং ‘Good idea’ লিখেছেন। সানিয়ার এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন যুবরাজ।

প্রসঙ্গত, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ দুবাইয়ে ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রতিবারই দুই দেশের ম্যাচে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। ভারতে সন্ত্রাসবাদী ঘটনার কারণে, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ হচ্ছে না। কিন্তু উভয় দলকে বিশ্বকাপ এবং অন্যান্য আইসিসি ইভেন্টে খেলতে দেখা গিয়েছে।
টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দল সব সময়ই এগিয়ে। এখন পর্যন্ত সাদা বলের ফর্ম্যাটে উভয় বিশ্বকাপেই ভারতীয় দল প্রতিবারই জিতেছে। টিম ইন্ডিয়া ভালো খেলা দেখিয়ে পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে। এবারও কোটি কোটি ভক্ত দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখার প্রত্যাশা করছে।