গর্ভবতীরা সাবধান হন, জেনে নিন কাদের রক্ত পান করতে ভালবাসে মশা

mostly-mosquito-love-to-bite-whom

মশা আবার মানুষ দেখে কামড়ায় নাকি? শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। অনেক সময় একই ঘরে বসে থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা মশার কামরে পাগল হয়ে যান। অন্যদিকে ওপর মানুষটি টেরই পেলেন না আদৌ ঘরে মশা আচ্ছে কি না। কিছু কিছু মানুষ আছেন যাদের রক্ত মশারা পছন্দ করে। আর ভিরের মধ্যে খুঁজে খুঁজে তাদেরকেই নিজেদের টার্গেট বানায় মশারা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাদেরকে এবং কোন অবস্থায় কোনও ব্যাক্তিকে মশা বেশি কামড়ায়।

১) গর্ভবতী মহলাদের রক্ত মশাদের বিশেষ পছন্দের পানীয়। কার্বন-ডাই-অক্সাইড দ্বারা মশারা সহজে আকৃষ্ট হয়। অন্যদের তুলনায় গর্ভবতী মহিলারা ২১ শতাংশ বেশি কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করেন। ফলত সেই কারনেই গর্ভবতী মহলাদের মশা বেশি কামড়ায়।

২) যারা অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন তাঁদের মশা বেশি কামড়ায়। যে কোনও ধরনের কায়িক পরিশ্রম করলে শরীর থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ল্যাকটিক অ্যাসিড নির্গত হয়। এই অ্যাসিডের গন্ধে মশারা আকৃষ্ট হয়।

৩) আপনার যদি রক্তের গ্রুপ ‘ও’ হয়, তাহলে আপনি মশার খুব পছন্দের মানুষ। ‘ও’ পজিটিভ হলে তো কথাই নেই। গবেষণায় জানা গিয়েছে অন্য গ্রুপের তুলনায় ‘ও’ গ্রুপের রক্তের ব্যাক্তিরা ৮৩ শতাংশ বেশি মশার কামড় খায়। আসলে ‘ও’ গ্রুপের রক্তের মধ্যে এক প্রকার বিশেষ গন্ধ থাকে যা মশাদের আকৃষ্ট করে।

৪) পোশাকের রঙও মশাদের আকৃষ্ট করে। যে কোনও গাঢ় রঙের পোশাক যেমন নীল, কালো, লালা রঙ মশাদের বিশেষ পছন্দের। তাই মশার কামড় থেকে বাঁচতে হালকা রঙের পোশাক পরুন।

৫) মশাদের ঘ্রাণ শক্তি প্রখর। যে ব্যাক্তির শরীরে কায়রামোনস রাসায়নিক বেশি থাকে, তাঁদের রক্তের প্রতি মশারা বিশেষ ভাবে আকৃষ্ট হয়।

রাতে ঘুমের সমস্যা, সময় থাকতে সতর্ক না হতে ঘটতে পারে মারাত্মক বিপদ

Sleep

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের কোনও বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। বর্তমানে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। রাত্রে সঠিক সময় বিছানায় যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু ঘুম আসছে না কিছুতেই! এপাশ ওপাশ করতে করতেই অর্ধেক রাত পার হয়ে যায়। আপনারও যদি এই সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সতর্ক হন। ঘুমের ওষুধ একেবারেই খাবেন না। এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিকমতো ঘুম না হলে শরীরে কী কী সমস্যা দেখা দেয়

১) হার্টের সমস্যা
ঘুমনোর সময় আমাদের হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়। কিন্তু ঘুম না হলে কিংবা কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সমস্যাও বৃদ্ধি পায়।

২) উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা
চিকিৎসকদের মতে ঠিকমতো না ঘুমালে লিিভং অরগানিজম গুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারে না। এতেই সমস্যা বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এর পাশাপাশি শরীরে হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়।

 

Sleep

৩) হজমের সমস্যা
ঠিকমতো ঘুম না হলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। না ঘুমালে শরীরের পাচন ক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলি সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না। যার ফলে হজমে সহায়ক পাচক রসগুলি উপযুক্ত মাত্রায় নিঃসরণে বাধা পায়। তাই হজমের নানা সমস্যা দেখা দেয়।

৪) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়
ঘুম কম হলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা শরীরের পক্ষে মোটেও সুখকর নয়। দিনের পর দিন এই ভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

৫) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়
ঘুমানোর সময় শরীরে প্রধানত ক্ষয়ক্ষতি পূরণ এবং শক্তি সঞ্চয়ের কাজ সঠিক ভাবে হয়ে থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে লিভিং অরগানিজম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। যার ফলে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

৬) মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়
মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। ঠিকমতো ঘুম না হলে ওরেক্সিন উপাদানের গতি কমে যায়। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। তাই মস্তিষ্ককেও বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন। না হলে হ্যালুসিনেশন বা স্মৃতিভ্রংশের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ঘুম থেকে ওঠার পর এই কাজগুলো ভুলেও করবেন না, ঘটতে পারে চরম বিপদ

sleep

বর্তমানে সময় শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দিনের পর দিন কাজ যেন আরও বাড়ছে। নিজের দিকে তাকানোর মত সময় নেই , অনেকেই ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ করতে শুরু করেন। যা আমাদের শরীরের পক্ষে মোটেও সুখকর নয়। ঘুম থেকে ওঠার পর আমরা এমন অনেক কাজ করে থাকি, যার ফলে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে ঘুম থেকে ওঠার পর কখনোই এই কাজ গুলো করবেন না।

১) এখন প্রায় সকলেই ঘুম থেকে ওঠার পর ফোনে ব্যাস্ত হয়ে পরেন। এটি কোন ভাবেই ঠিক নয়। ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলের আলো চোখে গেলে, তা চোখের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যা চোখের ক্ষতি করে। তাই ঘুম থেকে উঠে আগে সবুজ কিছু দেখার চেষ্টা করুন।

২) ঘুম থেকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করলে, তা আপনার পিঠের মাংসপেশির ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও ঘুম থেকে উঠেই যদি আপনি দাড়িয়ে কাজ করতে শুরু করেন, তাহলে শরীরের রক্তগুলো পায়ের দিকে এসে জড়ো হয়। যা শরীরের পক্ষে ঠিক নয়।

৩) ঘুম ভাঙ্গার সঙ্গে সঙ্গেই আচমকাই উঠে পরবেন না। এতে ব্যাপক ভাবে হার্টে চোট্ পরে। যা পরবর্তী সময়ে হার্টের সমস্যার কারন হতে পারে। তাই ঘুম থেকে চোখ খোলার পর ২-৩ মিনিট নিজেকে সময় দিন, তার পর বিছানা থেকে উঠুন।

৪) ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেরই তেমন খিদে থাকে না। যার ফলে অনেকেই সকালের জলখাবারে তেমন একটা জোড় দেন না। এই বিষয়টি মোটেও ঠিক নয়। সারা রাত খালি পেটে থাকার পর সকালে উঠে সবসময় ভারী খাবার খওয়া উচিৎ। এতে দেহের স্বাভাবিক উদ্যম ফিরে পাওয়া যায়।

৫) অনেকেই এখন বেড-টি খেতে পছন্দ করেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে, বিছানায় বসেই চা কিনবা কফি খান। চিকিৎসকদের মতে এটি খুবই অস্বাস্থ্যকর একটি অভ্যাস। সকালে উঠে ব্রাস না করলে দাঁতে টারটার নামের একধরণের পদার্থ জমতে শুরু করে। যার ফলে মুখে দুর্গন্ধ, ক্যাভেটি ছারাও দাঁতের অন্যান্য রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ঘুম থেকে উঠে কোন কিছু খাওয়ার আগে ব্রাস করতেই হবে।

বক্ষযুগল নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছেন, এই ঘরোয়া টিপসেই মিলবে পার্ফেক্ট আদল

nora fatehi

Online desk: অনেকেই আছেন যাঁরা বক্ষযুগলের সাইজ নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন, কারুর মনে হয়, পোশাক পরলে হয়তো ভালো দেখাবে না, কেউ আবার বন্ধুদের কটাক্ষের শিকার হয়ে থাকেন। তবে এই সমস্যার সমাধান যে কেবল সার্জারি এমনটা নয়। প্রথমত একটা বিষয় মাথায় রাখা উচিত, সৌন্দর্যতা প্রকাশ পায় মন থেকে। শরীরের রঙ, ফিগার কখনই সারা জীবন সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারে না, তা সাময়িক। ফলে সুস্থ থাকাটাই কাম্য।

শরীরকে কষ্ট দিয়ে কখনই সৌন্দর্য বৃদ্ধি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। তাই এবার ঘরোয়া কিছু টিপসেই পেয়ে যান মনের মত স্তনের আকার।

১. ব্যায়াম- প্রতিদিন মেডিটেশন করার পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করা প্রয়োজন। যা স্তনের আকার সঠিক রাখতে সাহায্য করে। এই সময় স্পোর্টস ব্রা পরে থাকা ভালো।

২.মাসাজ- হাতের দুই তালুর মধ্যে ঘষে যে গরম তাত হয় তা দিয়ে প্রতিদিন দুবার করে মাসাজ করলে উপকার পাওয়া যায়।

৩. ডায়েট- সঠিক ডায়েট মেনে চলা উচিত। কারণ অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার থেকে চর্বি জমতে থাকে, তাতেও নষ্ট হয়ে যায় স্তনের আকার।

 

মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা, এই সহজ টিপসে এবার মুশকিল আসান

reduce-bad-smell-from-mouth indian girl

Online Desk: মুখের দুর্গন্ধের কারণে লোকসমাজে লজ্জায় পড়তে হয়। বর্তমানে অনেকেরই এই সমস্যা রয়েছে। প্রতিদিন ২ বার ব্রাশ করার পরেও এই সমস্যা পিছু ছারছে না। সাধারণত খাদ্যাভ্যাসে গণ্ডগোল, হজমে সমস্যা, বা লিভারের গোলযোগের কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাজারের বিভিন্ন ওষুধ ট্রাই করেও কোনও লাভ হয়নি। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে সহজেই মুখের দুর্গন্ধ দূর করা যায়

১) জল খান বেশি করে
সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান। একেবারে নয়, একটু একটু করে বার বার খান। এতে মুখের খাবারের কণা এবং অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে যায়। এছাড়াও মুখ শুকনো হয়ে গেলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই বার বার জল খওয়া প্রয়োজন।

২) নারকেল তেল
প্রতিদিন সকালে নারকেল তেল মুখের ভিতরে হালকা হাতে মালিশ করুন। তারপর উষ্ণ গরম জলে মুখ কুলকুচি করে ধুয়ে ফেলুন। নারকেল তেলে থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান সহজেই মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে।

৩) কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন
আপনার যদি মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে আপনি কয়েকটি খাবার থেকে দূরে থাকুন। অতিরিক্ত ভাজাভুজি, চিপস বা চিনি যুক্ত স্নাক খাবেন না। এতে সমস্যা উলটে বাড়বে।

৪) পুদিনাপাতা
পুদিনাপাতে প্রাকৃতিক মাউন্ট ফ্রেশনার বলা যেতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে খুবই কার্যকরী। তাই মুখে গন্ধ হলে ২-৩ টে পুদিনাপাতা চিবিয়ে ফেলুন। এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

৫) লবঙ্গ
মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে লবঙ্গর জুড়ি মেলা ভার। এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপাটিজ, যা সহজেই মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে। তাই মুখের এক কোনায় একটি লবঙ্গ ফেলে রাখুন। উপকার পাবেন।

৬) দারুচিনি
মুখের ভিতরে তৈরি হওয়া জীবাণু মেরে ফেলতে দারুচিনির কোনও বিকল্প নেই। ১ চামচ দারুচিনি পাউডারের সঙ্গে জল মিশিয়ে গরম করে নিন। এবারে মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে কুলকুচি করুন। নিয়মিত এই অভ্যাস করলে মুখের দুর্গন্ধ থেকে অনেকাংশে মুক্তি মিলবে।

এছাড়াও মাথায় রাখবেন মুখ এবং গলার কিছু রোগের কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। যেমন মাড়ির রোগ কিংবা টনসিলে পাথর হওয়া। কোনও উপায়েই যদি দুর্গন্ধ দূর না হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কোল্ড ড্রিংক খেতে পছন্দ করেন! জানুন লুকিয়ে কী কী ক্ষতি

cold drink

একটু ভালোমন্দ খওয়া হলেই কোল্ড ড্রিংক খেতেই হবে। খুব গরমে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরেই, ফ্রিজ খুলে ঢক ঢক করে কোল্ড ড্রিংক খওয়া অনেকেরই অভ্যাস। এছাড়াও অনেকেই কোল্ড ড্রিংককে নিজেদের রোজকার ডায়েটের অবিছেদ্দ অঙ্গ করে নিয়েছে। যদি আপনিও তাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন তাহলে সাবধান। কোল্ড ড্রিংক কিন্তু শরীরে বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এছাড়াও কোল্ড ড্রিংক পান করার কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রেন থেকে ডোপামিন নামে একটি হরমোন নির্গত হয়। যার ফলে কোল্ড ড্রিংকের প্রতি মানুষের আসক্তি দেখা দেয়। যার ফলে বার বার কোল্ড ড্রিংক খেতে ইছা করে।
কোল্ড ড্রিংকে সাধারণত কার্বনের ওয়াটার, চিনি, রং এবং কিছু ক্ষতিকর অ্যাসিড থাকে। এই সমস্ত উপাদান আমাদের শরীরে বিভিন্ন ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায়।

১) কোল্ড ড্রিংকে প্রচুর পরিমাণে চিনি ব্যাবহার করা হয়। এই অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। জানলে অবাক হবেন যে ৩০০ মিলি কোল্ড ড্রিংকে প্রায় ৪০ গ্রাম চিনি ব্যাবহার করা হয়। অর্থাৎ যখন আপনি ৩০০ মিলি কোল্ড ড্রিংক খাছেন, আপনার শরীরে প্রায় ৮ চামচ চিনি প্রবেশ করছে। যার ফলে আপনার শরীরে ব্যাপক ভাবে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পাছে।

২) কোল্ড ড্রিংকে থাকা ফসফরিক এসিডের কারনে শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, এবং জিংক এর মতো খনিজ পদার্থ কমতে থাকে। এর ফলে হার ও মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়।

৩) কোল্ড ড্রিংকে একধরণের সোডা থাকে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। তবে তার পাশাপাশি এটি শরীরে রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

৪) প্রতিদিন কোল্ড ড্রিংক পান করলে ডায়াবেটিস, আলসার, এবং হার্টএটাক এর মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে।

৫) কোল্ড ড্রিংক খেলে অকাল বার্ধক্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শুধু তাই নয় ধীরে ধীরে কোল্ড ড্রিংক মানুষের মনে হিংস্রতার প্রবণতা বাড়ায়।

রূপ থেকে স্বাস্থ্য, অ্যালোভেরার ম্যাজিকে পার্ফেক্ট ফ্রেম

aloe vera

রূপচর্চায় বা ত্বকের যত্ন নিতে অ্যালোভেরার জুরি মেলা ভার। রূপচর্চায় জাদুকাঠি। জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ। স্কিনের ছোটো-বড় যেকোনো ক্ষত সারিয়ে ফেলতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা জেল।

জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ-

  • অ্যালোভেরা জেল পাওয়া যায় এই গাছের পাতা থেকে। গাছের পাতা কেটে ভিতরের জেল মুখে মাখুন। এতে আপনার ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।
  • অ্যালোভেরা জেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত যা ত্বককে সতেজ রাখে।
  • অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিভাইরাল এই বৈশিষ্ঠ্যগুলি থাকায় রোদ, ধুলো, দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্কিন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • কাটা দাগ, ক্ষতচিহ্ন, ব্রণর দাগ কমিয়ে আপনাকে দেয় উজ্জ্বল ত্বক।
  • রোদে পুরে যাওয়া চামড়া, চর্ম রোগ সারাতে অধিকাংশ ডাক্তার অ্যালোভেরা জেল লাগানোর পরামর্শ দেন।
  • আগুনে পুরে যাওয়া ক্ষতের দাগ কমিয়ে আপনার যন্ত্রণা উপশম করে।
  • বেশিক্ষণ রোদে থাকার ফলে ত্বকে জ্বালার অনুভূতি হয়। মুখ ভালো করে ধুয়ে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। জ্বালার অনুভূতি আর হবে না।
  • দাঁতের সমস্যা, দাঁত হলদে হয়ে গেলে অ্যালোভেরা জুস দিয়ে মুখ ধুন। মাত্র ৪ দিনের ব্যবহারে আপনার দাঁতের সমস্যা নিরাময় হয়ে যাবে।
  • অ্যালোভেরা রুক্ষ ত্বক হাইড্রেট ও ময়েশ্চারাইজ করে।

বর্ষায় মাঝে মধ্যেই কাশির সমস্যা, ওষুধ ছাড়াই সারিয়ে তুলুন

cough

সাধারণ ফ্লু, সর্দি–জ্বর, বায়ুদূষণ, অ্যালার্জি, অ্যাজমার কারণে অনেক সময় আমাদের গলা খুসখুস করে, কাশি হয়। আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেরে ওঠার পরও দুই–তিন সপ্তাহ পর্যন্ত কাশি রয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শুষ্ক আবহাওয়া ও ধূমপানের কারণেও কাশি হয়। কিছু খাদ্যাভ্যাস এ ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে। মাঝে মধ্যেই খুসখুসে কাশি হচ্ছে, ঘরোয়া উপায় কীভাবে সারাবেন। 

মধু: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ মধু, অর্ধেকটা লেবুর রস আর সামান্য আদার রসের মিশ্রণ প্রতিদিন এক–দুবার খেতে হবে। এ মিশ্রণ কফ ও গলাব্যথা উপশমে সহায়তা করে।

বাসক পাতা: ঘুম থেকে উঠে বা প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসক পাতার রস খেলে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

তুলসী পাতা: তুলসী পাতা থেঁতো করে এতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে প্রতিদিন দু–তিনবার খেলে কাশি ভালো হয়।

আদা: আদা ছোট টুকরো করে তার সঙ্গে নুন মিশিয়ে কিছুক্ষণ পরপর খেতে পারেন। এ পদ্ধতি কাশি দূর করতে বেশ কার্যকরী।

লবঙ্গ: লবঙ্গের রস গলায় আরাম দেয়, জীবাণু দূর করে। তাই কাশি থেকেও মেলে রেহাই।