दिल्ली में बेसमेंट कोचिंग सेंटर के पानी भरने से 3 छात्रों की मौत

नई दिल्ली :  मध्य दिल्ली के ओल्ड राजेंद्र नगर इलाके में भारी बारिश के बाद एक कोचिंग सेंटर की इमारत के बेसमेंट में पानी भर गया। इससे तीन छात्रों की मौत हो गई। यहां सिविल सेवा परीक्षा की तैयारी करवाई जाती थी। दिल्ली पुलिस ने IAS कोचिंग सेंटर के मालिक और कोऑर्डिनेटर को गिरफ्तार कर लिया है।

इस हादसे के बाद जहां बीजेपी ने आम आदमी पार्टी (आप) की सरकार पर हमला किया है. वहीं घटनास्थल पर पहुंची ‘आप’ सांसद स्वाति मालीवाल का प्रदर्शन कर रहे छात्रों ने विरोध किया और उनसे कहा-हम आपको राजनीति नहीं करने देंगे।

घटना पर ‘आप’ सांसद स्वाति मालीवाल ने कहा कि छात्र बहुत दुखी और गुस्से में हैं। 12 घंटे से ज़्यादा हो गए हैं, अभी तक न तो दिल्ली सरकार का कोई मंत्री आया है, न ही MCD का मेयर, न ही कोई अधिकारी ही आया है. मेरा मानना ​​है कि ये मौतें कोई आपदा नहीं हैं, ये एक हत्या है। इन सभी बड़े सरकारी अधिकारियों के खिलाफ FIR दर्ज की जानी चाहिए। अभी तक ये पता नहीं चला है कि 3 की मौत हुई है या फिर ज्यादा लोगों की जान गई है। मृतकों को 1 करोड़ रुपए का मुआवज़ा दिया जाना चाहिए।

Leopard: কলেজে চিতাবাঘ! কামড়ে জখম এক পড়ুয়া

leopard-in-aligarh-chaudhary-nihal-singh-inter-college

নিউজ ডেস্ক, আলিগড়: উত্তর প্রদেশের আলিগড়ের কলেজে ক্লাস চলাকালীন আচমকা ঢুকে পড়ল চিতাবাঘ। বুধবার চৌধুরী নিহাল সিং ইন্টার কলেজে (Chaudhary Nihal Singh Inter College) ঢুকে চিতাবাঘটি (leopard) এক পড়ুয়াকে আক্রমণ করে। 

এরপরই আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করে দেন পড়ুয়ারা। ফাঁকা ক্লাসরুমে বেশ খানিকক্ষণ টহল দেয় চিতাবাঘটি। আচমকা সামনে এসে পড়ায় এক পড়ুয়াকে আক্রমণ করে। জখম পড়ুয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এদিকে আচমকা চিতাবাঘের আক্রমণের কথা শুনে কলেজ জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জখম ছাত্রকে দেখতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আতঙ্কে চিৎকার করে ছুটে আসেন। কলেজ গেটের কাছে বেরনোর জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তাতে পায়ের চাপে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। বন দফতরের কর্মীরা প্রায় ৯ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালায়।

ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে একটি বাঘ নিঃশব্দে নিকটবর্তী একটি বন থেকে একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে এক ছাত্রকে থাবা মারে। ওই ছাত্রের পিঠে ও হাতে গুরুতর চোট লাগে। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। চিতাবাঘটি একটি শ্রেণিকক্ষে লুকিয়ে থাকায় অন্যান্য ছাত্র এবং শিক্ষকরা উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকেন। কলেজের অ্যালার্ম বাজতে শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে কলেজ ম্যানেজমেন্ট তখনই পুলিশ ও বন কর্মকর্তাদের জানায়। অবশেষে ওয়াইল্ডলাইফ এসওএস নামে একটি এনজিও কর্মীদের সহায়তায় চিতাবাঘটিকে ধরা হয়।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে একই এলাকার একটি শিশুর ওপর হানা দেয় চিতাবাঘ। এর আগে বারাউলি গ্রামের একটি স্কুলে ঢুকে এক ১৫ বছর বয়সী ছেলেকে আক্রমণ করে চিতাবাঘ।

JNU চত্বরে ফের সংঘর্ষে জড়াল এবিভিপি-আইসা

ABVP-AISA clashed again at JNU premises

News Desk, Delhi: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় বা জেএনইউ-তে (JNU) ফের সংঘর্ষে জড়াল দুই ছাত্র সংগঠন (Students Union)। বিজেপির ছাত্র শাখা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি (ABVP) ও বাম সমর্থিত অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসা-র (AISA) সদস্যদের মধ্যে এই সংঘর্ষ (Clash) হয়।

এবিভিপি-র অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে (University) তাদের দলীয় বৈঠক চলাকালীন আইসা হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় সংগঠনের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে এবিভিপি অভিযোগ করেছে। ঘটনার জেরে দিল্লির (Delhi) বসন্তকুঞ্জ থানায় এবিভিপির (BasantKunj Police Station) তরফে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আইসা ও এবিভিপির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তবে এখনও এফআইআর দায়ের হয়নি।

জানা গিয়েছে, রবিবার দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘটনার পর দুপক্ষই বসন্তকুঞ্জ থানায় একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। দুপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে দিল্লির এইমসে (AIIMS) এবং সফদরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এবিভিপির অভিযোগ, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তাঁদের একটি বৈঠক চলছিল।

ABVP-AISA clashed again at JNU premises

সেই বৈঠকে সংগঠনের বেশ কিছু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক চলাকালীন আচমকাই হামলা চালায় আইসার সদস্যরা। তারা চেয়ার টেবিল উল্টে দেয়। লাঠি দিয়ে মারধর করে। সমস্ত কাগজপত্র ছিঁড়ে নষ্ট করে দেয়। এবিভিপির অভিযোগ আইসা এবং এসএফআই-এর সদস্যরা যৌথভাবে তাদের মহিলা সদস্যদের উপরেও হামলা চালিয়েছে। বাম ছাত্র সংগঠনের এই হামলায় এবিভিপির অনেকেই গুরতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় জেএনইউ চত্বরে ফের তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

যদিও এবিভিপি-র করা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেএনইউ-র ছাত্র সংসদের সভাপতি তথা এসএফআই (SFI) নেত্রী ঐশী ঘোষ। তিনি পাল্টা বলেছেন, এবিভিপি-ই তাঁদের সংগঠনের সদস্যদের উপর বিনা কারণেই হামলা করে। এই ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ঐশী। নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এবিভিপির হামলার একাধিক ছবিও পোস্ট করেছেন বাম নেত্রী।

উল্লেখ্য, এর আগেও ছাত্র সংগঠনের এ ধরনের ঝামেলার সাক্ষী থেকেছে জেএনইউ। ২০২০ সালে ৫ জানুয়ারি মুখে রুমাল বেঁধে ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকে হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। ওই হামলায় জেএনইউ ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের মাথা ফেটেছিল। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা সুচরিতা সেনও আক্রান্ত হয়েছিলেন। ভাঙচুর করা হয়েছিল মেয়েদের হস্টেল।

<

p style=”text-align: justify;”>বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই অভিযোগ করেছিল, এবিভিপি-র অন্তত ১৫-২০ জন সদস্য পরিকল্পনা করেই এই হামলা চালিয়েছে। ব্যাট, রড, লাঠি নিয়ে মেয়েদের হস্টেল ঢুকে নির্বিচারে হামলা চালিয়েছিল এবিভিপির দুষ্কৃতীরা। ওই হামলার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ওই ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা যায় মুখে রুমাল বেঁধে একদল যুবক ব্যাট, রড হাতে ক্যাম্পাসে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

স্কুলে দুষ্টুমি করায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রকে তালিবানি শাস্তি দিলেন প্রধান শিক্ষক

mirzapur headmaster punished the second grade student

News Desk, New Delhi: দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র সোনু যাদব। বয়স মাত্র বছর ছয়। স্কুলে এসে বদমায়েশি করছিল সে। যে কারণে সবক শেখাতে দ্বিতীয় শ্রেণীর ওই ছাত্রকে তালিবানি কায়দায় দোতলার বারান্দা থেকে ঝুলিয়ে রেখে শাস্তি দিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনোজ বিশ্বকর্মা।

ইতিমধ্যেই শাস্তি দেওয়ার ওই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ইতিমধ্যেই নেটিজেনরা প্রধান শিক্ষকের এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায়।

জানা গিয়েছে মির্জাপুরের অহরাউড়া এলাকার সদ্ভাবনা শিক্ষণ সংস্থান জুনিয়র হাই স্কুলের ছাত্র সোনু। বেসরকারি এই স্কুলে প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও করোনা বিধি মেনে চলছিল ক্লাস। টিফিনের সময় সোনু তার সহপাঠীদের সঙ্গে দুষ্টমি করতে থাকে। প্রধান শিক্ষক নিষেধ করলেও সে কোনও কথা শোনেনি। প্রধান শিক্ষক সোনুকে কয়েকবার দুষ্টমি বন্ধ করতে বলেন। কিন্তু অতটুকু বাচ্চা প্রধান শিক্ষকের সেই কথায় খুব একটা পাত্তা দেয়নি।

mirzapur headmaster punished the second grade student

এরপরই ওই দুধের শিশুকে সবক শেখাতে প্রধান শিক্ষক মনোজ সোনুর এক পা ধরে তাকে হিড়হিড় করে ঘর থেকে বারান্দায় টেনে আনেন। এরপর দোতালার বারান্দা থেকে সোনুকে এক পা ধরে নিচে ঝুলিয়ে রাখেন তিনি। প্রধান শিক্ষকের এই তালিবানি কায়দায় শাস্তি দেওয়া দেখতে বহু লোক জড়ো হয়ে যায়। ছাত্ররাও সে সময় ছুটে আসেন বারান্দায়। এ ঘটনায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রধান শিক্ষকের হাতে ঝুলন্ত অবস্থায় তীব্র চিৎকার করতে থাকে সোনু। প্রধান শিক্ষককে বারবার বলতে থাকে সে আর কখনও বদমায়েশি করবে না। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেননি প্রধান শিক্ষক। ওই শিক্ষক সোনুকে বেশ কিছুক্ষণ দোতলা থেকে ঝুলিয়ে রাখেন। পথচলতি অনেকেই ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করেন। পরবর্তীকালে সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

নেটিজেন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই প্রধান শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান। ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসে মির্জাপুর জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই জেলাশাসক প্রবীণ কুমার লক্সর এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জেলাশাসকের নির্দেশে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও প্রবল আতঙ্কে ভুগছে সোনু। সোনুর মা-বাবা ও স্কুলের অন্যান্য অভিভাবকরাও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রাস্তার গর্ত বন্ধ করতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর

Dhavani N

News Desk: দু’বছর আগে রাস্তার গর্তে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে গিয়েছিল এন ধাবানি নামে এক শিশুর মায়ের। কয়েকদিন আগে পশ্চিম বেঙ্গালুরুতে ৬৩ বছরের এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির তিন চাকার সাইকেলটি গর্তের কারণে রাস্তায় উল্টে পড়ে। ওই ঘটনায় প্রতিবন্ধী মানুষটি প্রাণ হারান। এই দুটি ঘটনা সাত বছরের ছোট্ট ধাবানির মনকে নাড়া দিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই নিজের ইতিকর্তব্য ঠিক করে ফেলে ধাবানি। 

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাইকে একটি চিঠি দিয়ে অবিলম্বে রাজ্য তথা শহরের সব গর্ত মেরামত করার আবেদন জানিয়েছে সে। শুধু আবেদন জানানোই নয়, বড়দের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে সে যেসব টাকা পেয়েছে সেই জমানো টাকাও গর্ত বোঝানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়ার কথাও জানিয়েছে এই ছোট্ট শিশু। কর্নাটকের হেগান্নাহাল্লির এক সরকারি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে সে।

কর্নাটকের টুমকুর জেলার এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান ধাবানি। তার বাবা নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। ধাবানি মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে তাঁকে দাদু বলে সম্বোধন করছে। চিঠিতে সে লিখেছে, একজন প্রতিবন্ধী মানুষ রাস্তার গর্তে পড়ে গিয়ে প্রাণ হারালেন। এটা কত বড় দুঃখজনক ঘটনা আপনি একবার ভেবে দেখুন। রাস্তায় গর্তর কারণে প্রতিদিন কত দুর্ঘটনা ঘটছে। তাতে বহু মানুষ প্রাণ হারান। কেউবা গুরুতর আহত হন। এটা ঠিক নয়। দাদু আপনি অবিলম্বে রাস্তার সব গর্ত বুজিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। আমি অল্প কিছু টাকা জমিয়েছি। রাস্তার গর্ত বোজানোর জন্য আপনার খরচ হবে। তাই আমি এই জমানো টাকাও আপনাকে দিতে চাই।

দ্বিতীয় শ্রেণীর এই ছাত্রী স্কুলেও সকলের কাছে খুবই প্রিয়। খেলাধুলা, গান-বাজনা নাটকেও সে বেশ দক্ষ। এজন্য স্কুল থেকে সে অনেক পুরস্কারও পেয়েছে। সম্প্রতি ধাবানি বিদেশের একটি ভিডিয়োয় দেখে, সেখানে তার মতই একটি ছোট শিশু রাস্তার খানাখন্দগুলি নিজের হাতে মাটি দিয়ে ভরাট করছে। এরপরই ধাবানি তার মা-বাবাকে জানায় তাদেরও উচিত এভাবে শহরের রাস্তাগুলির খানাখন্দ বুজিয়ে দেওয়া। এরপর তার মা ধাবানিকে পরামর্শ দেয়, সে বরং একটি ভিডিয়ো বানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করুক। মায়ের কথা শুনে ধাবানি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পাশাপাশি একটি ভিডিয়ো তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে। এই ছোট্ট শিশুটির স্বপ্ন, দেশের রাষ্ট্রপতি হয়ে সে সকলের মাথার উপর ছাদের বন্দোবস্ত করবে।

CBSC বোর্ড কি আর বাংলা ভাষা পড়াতে চায় না? উঠছে প্রশ্ন

CBSC

Special Correspondent: সিবিএসসি (CBSC) বোর্ডের বাংলা পড়ানোয় অনীহা দেখা দিচ্ছে। এমনটাই যেন স্পষ্ট হচ্ছে তাদের সিলেবাস থেকে। প্রশ্নটি সিবিএসসি দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষার জন্যে তাদের জারি করা বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা সূচিকে কেন্দ্র করে বাংলায় অনীহার প্রশ্ন আরও প্রকট হয়েছে।

বাংলা শিক্ষাবিদরা অনেকেই বলছেন, গতবছর পর্যন্ত বাংলা বিষয় হিসাবে যেখানে ‘মেজর সাবজেক্ট’ বা গুরুত্বপূর্ন বলে গণ্য হত, এবার নতুন সূচিতে দেখা গিয়েছে তারা বাংলা সহ সমস্ত আঞ্চলিক ভাষাকে ‘মাইনর সাবজেক্ট’ বা স্বল্প গুরুত্বপূর্ন বিষয় হিসাবে তালিকাবদ্ধ করেছে। এখানেই ওই প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা যে সমস্ত প্রশ্ন আরও স্পষ্ট হয়েছে সেগুলি হল –

১) আগে বাংলাকে যে বিষয় হিসাবে নির্বাচন করেছিল মেজর সাবজেক্ট হওয়ায় তাতে পাস না করলে সে সামগ্রিকভাবে ফেল করত, এখন বাংলায় পাশ না করলেও অসুবিধা নেই। ছাত্রদের কাছে বাংলা ভাল করে পড়ার প্রয়োজন আর থাকল না।

২) মেজর সাবজেক্ট না হওয়ায় পরবর্তীতে কোথাও কোথাও শিক্ষার জন্য ভর্তি হতে গেলে বা চাকরির ক্ষেত্রে বাংলার প্রাপ্ত নম্বরকে আর গণ্য করা হবে না। বাংলা পড়ে সেটার নম্বর যদি মোট নম্বরের হিসাবের মধ্যে সেসব ক্ষেত্রে ধরা না হয় তবে কোন ছাত্র সেই বিষয় পড়ে নিজের কেরিয়ারের ক্ষতি করবে?

৩) মেজর সাবজেক্ট না হওয়ায় কোন স্কুল দ্বাদশ শ্রেণীতে বাংলা নাও পড়াতে পারে কারন সে তখন ছাত্র না থাকার অজুহাত দেখিয়ে একটি বাড়তি বিষয়ের শিক্ষকের খরচ কমাবে। এমনিতেই এরাজ্যের বহু সিবিএসি স্কুলে বাংলা পড়ার সুযোগই রাখা হয়নি। শিলিগুড়ি শহরেই বহু স্কুল যেমন – জিডি গোয়েঙ্কা, রয়েল অ্যাকাডেমী, টেকনো ইন্ডিয়া, বিড়লা দিব্যজ্যোতি, অলিভিয়া, ডিএভি, শ্রী কৃষ্ণ প্রনামি বিদ্যা নিকেতন ইত্যাদি বহু স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীতে বাংলা পড়ানোই হয় না। এছাড়াও কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়েরা তো কোন শ্রেণীতেই বাংলা পড়ায় না। সিবিএসি বোর্ডের এই নতুন নির্দেশিকার ফলে বাকি স্কুলগুলিও যে সুযোগ পেয়ে গেল দ্বাদশ শ্রেণী থেকে বাংলা উঠিয়ে খরচ বাঁচানোর তা বলাই বাহুল্য।

৪) ইংরাজি মাধ্যম হলেও কোন ছাত্রের পরবর্তীতে মনে হতেই পারে যে সে বাংলা নিয়ে পড়তে চায়, সেক্ষেত্রে তার কিন্তু সুযোগ রইল না বললেই চলে। কারন মাইনর সাবজেক্ট হিসাবে বাংলা পড়ায় উচ্চ শিক্ষায় সুযোগের ক্ষেত্রে তাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে না।

এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে হিন্দির গুরুত্ব কমানো হয়নি, তাকে মেজর হিসেবেই পড়ানোর বন্দোবস্ত পাকা করেই রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয় বাংলা যখন আজ সিবিএসসি র কাছে অপ্রয়োজনীয় ঠিক সেসময়ে আশ্চর্যজনকভাবে হোম সায়েন্স, শরীর শিক্ষা, মনোবিদ্যা, সমাজবিদ্যার মত বিষয় কিন্তু মেজর হিসাবে গুরুত্ব পেয়েছে

তাঁরা বলছেন, “পুরো বিষয়টি থেকে এটা স্পষ্ট যে বাংলার ভবিষ্যৎদের কাছ থেকে তাদের মাতৃভাষা শেখার সুযোগ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে সে ভাষার গুরুত্ব কমিয়ে এবং তাকে অপ্রয়োজনীয় বানিয়ে। সিবিএসসি বোর্ড প্রমান করল যে তারা শুধু শিক্ষা দান করে না, সঙ্গে সঙ্গে সেই রাজ্যের ভাষা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে তাকে ইংরাজি ও হিন্দি সংস্কৃতিতে দীক্ষিতও করে। অবিভাবক তার সন্তানকে ইংরাজি ভাষা শিখতে ইংরাজি মাধ্যমে পাঠায়, নিজের ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিসর্জন দিতে নয়। দেশের আঞ্চলিক ভাষা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার অধিকার কি কোন বোর্ডের আছে? বহুত্বের ভারতে এই প্রশ্ন কিন্তু অনিবার্য।”

করোনার কোপ কাটিয়ে নৌকা চালিয়ে স্কুলে পৌঁছল হাবিবা

bangladesh Student Habiba

অনলাইন ডেস্ক:  দেড় বছর পর বিদ্যালয় খুলেছে বাংলাদেশে। করোনা হামলায় এতদিন বন্ধ ছিল বিদ্যালয়। নৌকা চালিয়ে স্কুলে এসেছে হাবিবা আক্তার ও বন্ধুরা। টাঙ্গাইলের বাসিন্দা হাবিবা। সে পড়ে সৈদামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীতে। বন্যায় রাস্তা বন্ধ। তাই নৌকা চালিয়ে স্কুলে এসেছে হাবিবা। শিক্ষকরা তাদের বরণ করে নেন। সংক্রমণ বাড়লে ফের বন্ধ হবে বিদ্যালয়। জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷

অনলাইন ক্লাস করছে আপনার সন্তান, এই বিষয়গুলো নজরে রাখা জরুরি

class

কারোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়  এখন ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। অনলাইনের ক্লাসের এই নতুন অভিজ্ঞতার কারণে শিশুদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এ সময় তাদের দিকে অভিভাবকদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। স্কুলের পড়াশোনা যখন বাড়িতে, তখন অবসাদ ও হতাশা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। তাই খেয়াল রাখতে হবে সেদিকেও।

যা করবেন:
আলাদা বসার জায়গা:
ঘরেই আলাদা বসার জায়গা করে দিন সন্তানকে। অনলাইন ক্লাসে মনোযোগের জন্য সুন্দর পরিবেশও দরকার। 
বাড়িতে জায়গা কম থাকলেও অন্ততপক্ষে একটা চেয়ার টেবিল দিয়ে সন্তানের পড়ার জায়গা করে দিন।

ল্যাপটপে ক্লাস:
ল্যাপটপে ক্লাস করতে পারলে ভালো হয়। এতে দেখতে ও পড়তে সুবিধা হয়। আর ফোনে ক্লাস করার সময়ে চোখে চাপ পড়ে বেশি।

সময় ভাগ করে নিন:
বাড়িতে একটা ল্যাপটপ থাকার কারণে সমস্যা হতে পারে। তাই একাধিক জন একটি ল্যাপটপ ব্যবহার করলে সময় ভাগ করে নিতে হবে।

নজর রাখুন:
সন্তানের অনলাইন ক্লাস করার সময় সন্তানের পাশেই বসে থাকুন। এতে সন্তানের মানসিক সাহস বাড়বে।

ভার্চুয়ালটাই সব নয়:
সারাদিন স্কুলে শিক্ষকদের সান্নিধ্যে, বন্ধুদের মাঝে হেসে-খেলে শেখা আর ভার্চুয়াল জগতে শেখার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে অনেক। আর পড়া ও খেলার সময় সন্তানকে সময় দেওয়াটা অবশ্যই জরুরী।

ভার্চুয়াল জগতের হাতছানি:
অনলাইন ক্লাসের সঙ্গেই ভার্চুয়াল জগতের হাতছানি রয়েছে। তাই সাবধানতাও জরুরি। অনেকেই ক্লাসের ফাঁকে বা অনলাইন ক্লাস না হলেও ল্যাপটপে নেট সার্ফ করে। সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক, এমন কিছুতে নজর দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

আলোচনা প্রয়োজন:
নতুন  এই পদ্ধতির পড়াশোনা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে আলোচনা করুন। শিক্ষকরা যেমন নিজেদের আপডেট করছেন, অভিভাবককেও সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। সমস্যা হলে স্কুলের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন।

যদিও এখন এই পর্ব প্রায় শেষের পথে। ধীরে ধীরে স্কুল খোলার মুখে চলে এসেছে। তবুও এখনও অনেকেই এই বিষয় সড়গড় হতে পারেননি। তাই এই বিষয়ে যতটা সম্ভব হাত পাকিয়ে রাখাই শ্রেয়। কারণ ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডই ভবিষ্যৎ।