East Bengal: জর্ডন ও’ডোহার্টি সমর্থকদের উদ্দ্যেশে টুইট পোস্ট

jordan-odoherty

ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal) বুধবার, আইএসএলে ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। আইএসএলের ওপেনিং ম্যাচ কোচিতে স্টিফেন কনস্টাটাইনের ছেলেরা ৩-১ গোলে হেরে যায় কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে।

গত আইএসএলের ‘লাস্ট বয়’রা ঘরের মাঠ যুবভারতীতে টাইটেলশিপ খেতাবি দৌড়ে ফিরে আসতে পারে কিনা তা নিয়েই লাল হলুদ সমর্থকরা এখন যুবভারতী মুখী।এফসি গোয়া কোচ কার্লোস পেনা প্রি ম্যাচ প্রেস মিটে আগেই বলেই দিয়েছেন,”ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাল হলুদ সমর্থকদের সামনে পারফর্ম করাটাই চ্যালেঞ্জিং”

লাল হলুদ কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন বুধবারের ম্যাচ নিয়ে সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা দিয়েছেন,মাত্র চার সপ্তাহের প্রস্তুতিতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) খেলতে নেমেছে,তাই পাশে পেলে তিনি অনেক ভাল কিছু করে দেখাতে পারেন এবং ইস্টবেঙ্গলের হৃত গৌরব ফিরিয়েও আনতে পারেন। কিন্তু সে জন্য সমর্থকদের ধৈর্য্যশীল হতে হবে।

লাল হলুদ সমর্থকরাই বুধবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হতে চলেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই বুধবার ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইটার হ্যান্ডেলে একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের ভিডিওতে লাল হলুদ খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ার জর্ডন ও’ডোহার্টি সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা ছুঁড়ে দিয়ে বলেন,”আমি লাল হলুদ সমর্থকদের বিষয়ে অনেক কিছু শুনেছি এবং আপনাদের সমর্থনের বিষয়ে অনেক কিছু শুনেছি।এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে আইএসএলের ম্যাচে আপনাদের দেখার জন্য আমি তাকিয়ে আছি।”

প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয় ফুটবলার জর্ডন সেন্ট্রাল মিডফিল্ড ছাড়া অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার এবং লেফট উইংয় পজিশনে খেলতে পারেন।

SC East Bengal: সমর্থকদের আশ্বস্ত করতে ফুটবলারদের ভিডিও বার্তা

east-bengal

Sports desk: চলতি আইএসএলের লাস্ট বয় এসসি ইস্টবেঙ্গল (SC East Bengal) শনিবার দলের নতুন হেডকোচ হিসেবে স্প্যানিয়ার্ড মারিও রিভেরাকে নিযুক্ত করেছে। কোভিড-১৯ প্রটোকল মেনে কোয়ারেন্টাইনের মধ্যে দিয়ে দলের কোচিং দেখা যাবে।ততদিন রেনেডি সিং অন্তবর্তীকালীন হেডকোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবে। লাল হলুদের পরের ম্যাচ ৪ জানুয়ারি, বেঙ্গালুরুর এফসি’র বিরুদ্ধে। নতুন বছরে লাল হলুদ সমর্থকদের প্রত্যাশা একটাই প্রিয় দল জয়ে ফিরুক।

চলতি টুর্নামেন্টের ১১ তম রাউন্ডে এসসি ইস্টবেঙ্গল ৮ ম্যাচ খেলে ফেললেও জয়ের মুখ দেখেনি। নতুন স্প্যানিয়ার্ড হেডকোচের জমানাতে প্রিয় দল জয়ের সরণীতে হাটবে এমন প্রত্যাশার চাপ বিষয়ে অবগত লাল হলুদ শিবিরের ফুটবলারেরা তা এসসি ইস্টবেঙ্গলের করা সংক্ষিপ্ত সময়ের টুইট ভিডিওতে পরিষ্কার।

ওই টুইট ভিডিওতে ড্যানিয়েল চিমা চুকুউ নতুন বছরে লাল হলুদ সমর্থকদের শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন,”নতুন বছরে আরোও ভালো অর্জনের অপেক্ষায় আছি”।

গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য ওই টুইট ভিডিও বার্তায় বলেন,”টিমের জন্য আমাদের সকলের একই লক্ষ্য লিগের যতটা ওপরে শেষ করতে পারি,যত ভাল পারফর্ম করতে পারি”। নিজের ইনজুরি প্রসঙ্গে এসসি ইস্টবেঙ্গলের এক নম্বর গোলকিপার বলেন,” ব্যক্তিগত ভাবে আমি চাই ইনজুরির কারণে আমাকে মাঠের বাইরে যেতে না হয় আমাকে,কেননা ওটা খুবই বাজে অভিঞ্জতা, এখান থেকে চেষ্টা করবো সব ম্যাচ খেলার”। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য লাল হলুদ সমর্থকদের আশ্বস্ত করে এও বলেন,”লিগে যত ওপরে শেষ করতে পারবো, চেষ্টা থাকবে সেমিফাইনালে যাওয়ার”।

লাল হলুদ ফুটবলার অমরজিৎ সিং ওই টুইটের ভিডিও বার্তায় বলেছেন,”এক শতাংশ নিজের যদি উন্নতি করতে পারি,তা আমার জন্যে ভাল হবে।কেননা প্রতিটি দিন আমার কাছে একটা নতুন বছর”।
লাল হলুদের আর এক ফুটবলার আদিল খান “নতুন বছরে সমর্থকদের সমর্থন প্রত্যাশা করে” ওই টুইট ভিডিওতে বলেন,”আমরা ভাল পারফরম্যান্স দিয়ে সকলকে উপহার দিতে চাই লিগ টেবিলে অনেক পয়েন্ট অর্জন করে”।
“নতুন বছরের শুভেচ্ছা” বার্তায় টুইট ভিডিওতে অ্যান্টোনিও পেরোসেভিচের কথায়,”ভাল রেজাল্ট সঙ্গে প্রথম পজিশন”।

২০২২ নতুন বছরের শুভেচ্ছা দিতে গিয়ে ওই টুইট ভিডিওতে লাল হলুদ ফুটবলার ড্যারেন সিডোল বলেন,”আমাদের কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করতে হবে, যাতে দলের সমর্থকরা গর্বিত বোধ অনুভব করে”।

নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় মোট কথা লাল হলুদ বিগ্রেডের ফুটবলারেরা বুঝে গিয়েছে, আগামী দিনে ফুটবলের বাজারে নিজেদের বাজার দর ধরে রাখতে গেলে মারণ ঝাঁপটা দিতেই হবে। এমন ‘ডু অর ডাই’ সিচুয়েশনে লিগ টেবিলে যতটা ভাল পজিশনে দৌড় শেষ করা যায়, এর ওপর দাঁড়িয়েই পেশাদার ফুটবলার হিসেবে দর কষাকষির রাস্তা অনেকটাই মসৃণ হয়ে থাকবে।

সোশাল মিডিয়ায় রয় কৃষ্ণ’র বার্তা সবুজ-মেরুন সমর্থকদের উদ্দেশ্যে

roy krishna

Sports desk: চলতি আইএসএলের (ISL) ১১ তম রাউন্ডে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের হঠাৎ ইস্তফা, নতুন কোচ হুয়ান ফেরান্দোর কোচিং’এ গত মঙ্গলবার ATK মোহনবাগান ৩-২ গোলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে, নিজেদের সপ্তম ম্যাচে। কিন্তু সবুজ মেরুন গোলমেশিন ফিজিয়ান স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণ অফ ফর্মে। যা নিয়ে মন খারাপ ‘কৃষ্ণ’ ভক্তদের।

শনিবার, ‘X Mas’ উপলক্ষ্যে সকল সবুজ মেরুন সমর্থকদের উদ্দ্যেশ্যে ফিজিয়ান ‘গোল্ডেন বয়’ সস্ত্রীক রয় কৃষ্ণ নিজের নবজাত সন্তানকে কোলে নিয়ে ছবি ইনস্ট্রাগ্রাম সোশাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছে। ওই পোস্টে রয় কৃষ্ণ লিখেছে,””আমার পরিবারের তরফ থেকে সমর্থকদের জানাই মেরি ক্রিসমাস! উৎসবের মুহুর্তে আপনাদের জীবন ভালবাসা আর উল্লাসে ভরে উঠুক,সুখ এবং শান্তিময় হোক”।

প্রসঙ্গত, নিজের পড়তি ফর্ম নিয়ে রয় কৃষ্ণ নিজেও বিব্রত। ATK মোহনবাগানের প্রাক্তন হেডকোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস এই অফ ফর্ম নিয়ে বলেছিলেন, ‘স্ট্রাইকারদের এইরকম সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়,তবে রয় কৃষ্ণ ফর্মে ফিরবে’। যদিও হাবাস যুগের মধুচন্দ্রিমা এখন অতীত, হাবাসের স্বদেশীয় স্প্যানিশ হেডকোচ হুয়ান ফেরান্দো এখন নতুন হেডস্যার রয় কৃষ্ণদের।

নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গত ম্যাচে জয় পেলেও, প্লে অফে খেলা নিয়ে এখনও ATK মোহনবাগান নিশ্চিত নয়। কারণ চলতি আইএসএলের লিগ টেবিলে চোখ রাখলে দেখা যাবে সাপ লুডো খেলার মত লিগ টেবিলে দলগুলোরও পজিশন ওঠানামা করছে।

তাই টুর্নামেন্টের প্লে অফের টিকিট নিশ্চিত করতে ATK মোহনবাগানকে পরের খেলা ২৯ ডিসেম্বর, এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জিততেই হবে, টুর্নামেন্টে ‘ডু অর ডাই’ সিচুয়েশনে হুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। এরপর জানুয়ারি ৫ হায়দরাবাদ এফসি এবং ১১ তম রাউন্ডে সবুজ মেরুন দলের শেষ ম্যাচ ৮ জানুয়ারি ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে। তিন ম্যাচ জিততেই হবে চলতি আইএসেলের প্লে অফের যোগ্যতা অর্জনের জন্য।

ATK Mohun Bagan: হুয়ান ফেরান্ডোর “প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া” ঘিরে সমর্থকদের উত্তাল প্রতিবাদ

Juan Ferrando

Sports desk: আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের স্বেচ্ছায় ইস্তফা পত্র প্রদানের প্রক্রিয়া গৃহীত হওয়ার পর সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত সোমবার ATK Mohun Bagan দলের হেডকোচ হিসেবে নিযুক্ত হন স্প্যানিশ কোচ হুয়ান ফেরান্ডো। সোমবারই নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যাণ্ডেলে ATK মোহনবাগান পোস্ট করে,”নতুন যুগ শুরু!

ATK মোহনবাগানে স্বাগতম, হুয়ান ফেরেন্ডো ⚡️💚♥️
#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon”।
এরপরেই ATK মোহনবাগান নিজেদের অফিসিয়াল টুইটারে পোস্ট করে নব নিযুক্ত স্প্যানিশ হেডকোচ হুয়ান ফেরান্ডোর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া,”আমি চাই আমরা আমাদের নিজস্ব ডিএনএ তৈরি করি’ – ATK মোহনবাগানের প্রধান কোচ হিসেবে @JuanFerrandoF-এর প্রথম কথা 💥
#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon #HeroISL”।

সঙ্গে নব নিযুক্ত সবুজ মেরুন হেডস্যার বলেন,”আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ATK মোহনবাগান দলের কর্ণধার শ্রী সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে আমার কাজের প্রতি বিশ্বাস রাখার জন্য”। স্প্যানিশ হেডকোচ এও বলেন,”আজকের দিন থেকে আমি নিজের একশো দশ শতাংশ উজাড় করে দিতে চাই সমস্ত সমর্থকদের উদ্দ্যেশ্যে যাতে তারা আনন্দ পায় সেরা ছন্দময় ফুটবলের এবং আশা রাখি আমরা সকলে মিলে একসাথে উৎসবে মেতে উঠবো। সবুজ মেরুন দলের হেডকোচ হুয়ান ফেরান্ডো বলেন,”এমনভাবে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক আকার দিতে হবে যাতে ভারতের তরুণ খেলোয়াড়রা নিজেদের সেরাটা নিঙড়ে দিতে পারে”। কিন্তু নব নিযুক্ত ATK মোহনবাগান হেডকোচের এমন প্রতিক্রিয়াতে সবুজ মেরুন সমর্থক এবং ফুটবল ভক্তরা রিপ্লাইং টুইট পোস্টে পাঁচমিশালি প্রতিক্রিয়া রেখেছে।

পাঁচমিশালি ওই রিপ্লাইং টুইট পোস্টে Rajeev Jalandhra’র পোস্ট, “মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল 100 বছরের পুরনো ঐতিহাসিক ফুটবল ক্লাব, তাদের শুধুমাত্র 100 বছরের পুরনো ঐতিহাসিক টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপে খেলা উচিত”।Rajeev Jalandhra’র ওই রিপ্লাইং পোস্টের জবাবে পাল্টা রিপ্লাইং Samrat Guha’র পোস্ট, “আইএসএল হল ভারতীয় জাতীয় ফুটবলের খরচ দিয়ে কিছু ধনী লোকের পকেট ভর্তি করা… অদ্ভুত এআইএফএফ সেগুলিকে কিছু ধনী লোকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে…কিভাবে তারা আই লীগকে বাদ দিয়ে আইএসএলকে প্রচার করতে পারে? আইএসএল চালু হওয়ার পর থেকে ভারতীয় ফুটবল ফিফা স্তরের কোনও উন্নতি দেখতে পাচ্ছেন না”। Rajeev Jalandhra এবং Samrat Guha’র রিপ্লাইং পোস্টের জবাব Arnab Sadhu🇮🇳 এই উত্তরে রিপ্লাইং পোস্ট করেছে,”হুবহু ! আপনি কাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন? লোকটি রাজস্থানের, সেখানে ফুটবলের অস্তিত্ব নেই”।

আবার faltugrafer’র রিপ্লাইং পোস্টে কটাক্ষ মূল টুইটের রিপ্লাইং পোস্ট দাতাদের উদ্দেশ্য করে, “শুধু কৌতূহলের বাইরে মন্তব্য বিভাগে এত নোনতা ভক্ত কেন?”faltugrafer’র রিপ্লাইং পোস্টের ওপর পাল্টা রিপ্লাইং পোস্ট Only Mohun Bagan টুইটার হ্যাণ্ডেলারের থেকে,”Check out #RemoveATK and #BreakTheMerger campaign(বিক্ষোভ প্রদর্শন)”।

Jayakrishna_CSKfan’র রিপ্লাইং পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে,ওই পোস্টে রিপ্লাইং,”🤣🤣🤣🤣
এই ধরনের ডিচ ক্লাবের জন্য কোন নতুন মন নেই..@atkmohunbaganfc 🤣🤣
#banATKMB #onlyATK (or) বা ( #onlyMohunBagan
🤣🤣🤣🤣”। এই রিপ্লাইং পোস্টের জবাবে Arnab Sadhu🇮🇳 রিপ্লাইং,”💯”।

গত সোমবার নব নিযুক্ত ATK মোহনবাগান হেডকোচ হুয়ান ফেরান্ডোর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াকে ATK মোহনবাগান নিজেদের অফিসিয়াল টুইটারে পোস্টের পাল্টা প্রতিক্রিয়াতে Krishnan Iyar’র রিপ্লাইং পোস্ট, “অনুগ্রহ করে 22 স্ট্র্যান্ড অভিজাত ডিএনএর সাথে নিজেকে পরিচিত করুন। যে এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
#RemoveATK
#breakthemerger
গলি গলি মে শোর হ্যায়, ডিডি টুম্পাই চোর হ্যায়”।
Mumbai Pune Meriners হুয়ান ফেরান্ডো’র প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে রিপ্লাইং পোস্ট,”এই সত্ত্বার ডিএনএতে প্রচুর প্লাস্টিক রয়েছে #ATKMBisnotmyclub”।এর জবাবে Goutam Dass’র রিপ্লাইং পোস্ট,”#BoycottATKMBMatchDay #ATKMBisnotmyclub
#BreakTheMerger
#JoyMohunBagan
JIBONER RONG SOBUJ MAROON_J… হুয়ান ফেরান্ডোর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াকে ঢাল করে রিপ্লাইং পোস্ট, “
#BreakTheMerger বা #RemoveATK ভাইরাস”।
সব মিলিয়ে “পাঁচমিশালি” প্রতিক্রিয়া এসেছে ATKমোহনবাগানের নব নিযুক্ত হেডকোচ হুয়ান ফেরান্ডো’র প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াতে।

ATK Mohun Bagan: কৃষ্ণের বাঁশির সুরে ঘুরে দাঁড়াবে দল, বিশ্বাসী সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

Mohun Bagan supporters are relying on Roy Krishna

Sports desk: ব্যর্থতার দায় নিয়ে ইস্তফা ATK মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) হেডকোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসে’র। এমন ডামাডোলের মাঝেও সবুজ মেরুন সমর্থকরা আত্মবিশ্বাসী ফিজিয়ান “গোল্ডেন বয়” রয় কৃষ্ণ নিজের নামের প্রতি সুবিচার করবেন এবং গোল করে মহার্ঘ্য “তিন পয়েন্ট” ঘরে তুলে আনবেন।

গত ১৬ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন সবুজ মেরুন স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণ। কিন্তু বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচের আগে হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ম্যাচের ১২ মিনিটে গোল করে এগিয়ে দেন রয় কৃষ্ণ। কিন্তু এই ম্যাচের পর থেকেই ছন্দে নেই ATKমোহনবাগানের গোলমেশিন রয় কৃষ্ণ। মন খারাপ সবুজ মেরুন সমর্থকদের।

মন খারাপ হলেও রয় কৃষ্ণ গোল পেলেই প্রিয় দল চলতি টুর্নামেন্টের ১১ তম রাউন্ডের শেষ চার ম্যাচে প্লে অফে চলে যাবে, এমনটাই বিশ্বাস সবুজ মেরুন সমর্থকদের।

গোল না পাওয়ায় রয় কৃষ্ণ’র কনফিডেন্স লেভেল একটু তলানিতে থাকলেও ফিজিয়ান গোল্ডেন বয় জাত ফুটবলার। সবুজ মেরুন সমর্থকরা এককথায় স্বীকার করে নিচ্ছে “ফর্ম অস্থায়ী, কিন্তু ফুটবলারের জাত(রয় কৃষ্ণ) চিরস্থায়ী”। বিপক্ষ দল রয় কৃষ্ণকে আটকাতে ম্যাচের ভিডিওগ্রাফি বিশ্লেষণ করে ছক কষবে এটাই স্বাভাবিক।

ঠিক এই জায়গাতেই চ্যালেঞ্জ রয় কৃষ্ণ’র কাছে, কীভাবে বিপক্ষ দলকে বোকা বানিয়ে, ম্যাচ চলাকালীন তাদের বিরুদ্ধে নিজের (রয় কৃষ্ণ) স্কিলের ভেল্কিতে জাত চিনিয়ে ফালাফালা করে বিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দিয়ে আটকানোর সমস্ত কৌশলকে “বুড়ো আঙুল চুষে” আলিঙ্গনের সেরা মুহুর্ত।

আর একবার গোল পেয়ে গেলেই রয় কৃষ্ণকে থামানো মুশকিল শুধু নয়, “ডন কো পকরনা মুমকিন নেহি, না মুমকিন হে” যথোপযুক্ত হয়ে উঠবে চলতি আইএসএল টুর্নামেন্টে রয় কৃষ্ণ’র ক্ষেত্রেও “না মুমকিন” বিপক্ষ দলের কাছে, রয় কৃষ্ণকে ঘিরে ছক কষার আতঙ্কে।

তাই আশা ছাড়তে নারাজ সবুজ মেরুন সমর্থকরা রয় কৃষ্ণকে নিয়ে যে, তাদের প্রিয় দলের অন্যান্য ফুটবলারেরা ম্যাচে ঠিকভাবে পাসিং ফুটবল খেলতে পারলেই কৃষ্ণ বাঁশির সুরের জাদুতেই প্লে অফে যাওয়ার টিকিট জোগাড় হয়ে যাবে।

SC East Bengal: লাল-হলুদ সমর্থকদের আকুতি! এসসি ইস্টবেঙ্গল “কবে তিন পয়েন্ট পাবে”?

SC East Bengal

Sports desk: চলতি আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গল (SC East Bengal) নিজেদের ৬ নম্বর ম্যাচ খেলে নিয়েছে,কিন্তু তিন পয়েন্টের ভাড়ার শূণ্যে ভরা। আইএসএল লিগ টেবিলে চোখ রাখলে এসসি ইস্টবেঙ্গল এখন “লাস্ট বয়”।

৬ ম্যাচ খেলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি হোসে মানুয়েল দিয়াজের এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই ছয় ম্যাচে তিন ম্যাচে ড্র,তিন ম্যাচে হারের মুখ দেখে হতাশ লাল হলুদ সমর্থকরা। সমর্থকদের মধ্যে এখন আকুতি একটাই! “প্রিয় দল কবে তিন পয়েন্ট পাবে”?

টানা তিন ডার্বি ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ATK মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। রুক্ষণ আর মাঝমাঠের মিসিং লিঙ্ক গোটা দলকে ভোগাচ্ছে পয়েন্ট দখলের লড়াইতে। এগিয়ে থেকেও গোল হজম করা, জেতা ম্যাচ বিপক্ষের সঙ্গে ড্র কিংবা হার এটাই এখন লাল হলুদ সমর্থকদের ললাটে লিখন।

লাগাতার ছয় ম্যাচে টিম কম্বিনেশনে ফের বদল। সঙ্গে হেডকোচ দিয়াজের কেরালা ব্লাসার্স ম্যাচের আগে বিস্ফোরক বয়ান,”শুধু ফিটনেস নয়। ফিজিক্যাল, টেকনিক্যাল,ট্যাকটিক্যাল- সবকিছু নিয়েই ভাবতে হবে। কোনও দিক দিয়েই আমরা ভাল জায়গায় নেই”। প্রতি ম্যাচে বিপক্ষের শক্তি, তাদের পারফরম্যান্সের নিরিখে টিম কম্বিনেশনে বদল ঘটলেও, বিপক্ষ দল যখন বল পায়ে আক্রমণে তখন চারের বিরুদ্ধে এক পজিশনেও লাল হলুদ শিবিরের ডিফেন্স জুড়ে গেল গেল রব।

নিস্পৃহ ড্যানিয়েল চিমা, চিমা ওকোরি নামের সামান্য ছোঁয়াও অমিল।ভরসা পেরোসেভিচ।হাওকিপ থাকলেও পেরোসেভিচের সঙ্গে তালমেলে খুঁত।

ছয় ম্যাচ হয়ে গেল আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ফরোয়ার্ড সিদ্ধান্ত সিরোকদার ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রয়েছে প্রথম একাদশে সুযোগের অপেক্ষায়।

কেরালা ব্লাসার্সের বিরুদ্ধে ড্র করে হোসে মানুয়েল দিয়াজের প্রথম প্রতিক্রিয়া, “আমাদের পারফরম্যান্স আমাদের জেতাতে যথেষ্ট ভাল নয়”। আবার গত ম্যাচে অধিনায়ক টমিস্লাভ মির্সেলা ম্যাচ শেষে সেটপিস মুভে দলের আরও বেশি উন্নতি করার ওপরে বয়ান দিয়েছেন।

ইতিমধ্যে আবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্মসমিতি আইএসএলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান শ্রী সিমেন্টকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ক্লাবের সাধারণ সচিব কল্যাণ মজুমদার ওই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে।

লাল হলুদ সমর্থকদের আকুতি চিঠি চালাচালি করতে করতে আইএসএলের ১১ তম রাউন্ড শেষের পথে,হাতে আর চার ম্যাচ পড়ে রয়েছে,১৭ ডিসেম্বর নর্থইস্ট ইউনাইটেড, ২৩ ডিসেম্বর হায়দরাবাদ এফসি,৪ জানুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসি এবং ৭ জানুয়ারি মুম্বই সিটি এফসি।

যদিও বাংলার সন্তোষ ট্রফি টুর্নামেন্টে কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য এখনও আশাবাদী জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারে ইস্টবেঙ্গল, যদি ডিফেন্স আর মাঝমাঠের মিসিং লিঙ্ক জুড়ে দিতে পারে।

যদিও নাছোড়বান্দা আবেগের আকুতি কোনও পরিসংখ্যান কিংবা স্ট্যাটিস্টিককে ঘেঁষতে না দিয়ে প্রিয় দল “কবে তিন পয়েন্ট পাবে”?

ISL: জামশেদপুরের কাছে হেরে #BLINDREFREE ইস্যুতে সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার মেরিনার্সরা

BLIND REFREE

Sports desk: আইএসএলে (ISL)  জামশেদপুর এফসি’র কাছে ২-১ গোলে ATK মোহনবাগান নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে হেরেছে। এরপরেই সবুজ মেরুন সমর্থকরা #BLINDREFREE #REFREEPLAYINGWITHOURFEELINGS #WORSTREFREE #REMOVEREFREE নিয়ে সোচ্চার সামাজিক মাধ্যমে।

টানা দুই ম্যাচে হারের ধাক্কায় ATK মোহনবাগান আইএসএলের লিগ টেবিলে প্রথম চারের বাইরে চলে গিয়েছে। এদিনের ম্যাচের রেফারি এ.রাওয়ান সবুজ মেরুন সমর্থকদের কাছে শোলে হিন্দি চলচ্চিত্রের “গব্বর”, প্রয়াত অভিনেতা আমজাদ খাঁন এই চরিত্রে অভিনয়ের জোরে মুম্বই’র বলি পাড়ায় নিজের আলাদা ছাপ রেখে গিয়েছেন ভারতীয় প্যানোরমায়।

সোমবার জামশেদপুরের বিরুদ্ধে হারের জন্য সবুজ মেরুন সমর্থকেরা চলতি আইএসএলে ভারতীয় রেফারিদের মান নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে। শুধু তাইই নয়, আইএসএলে ভারতীয় রেফারি দিয়ে ম্যাচ পরিচালনার বদলে বিদেশী রেফারি দিয়ে ম্যাচ পরিচালনার ধোঁয়া উঠতে শুরু করেছে।

৬৫ মিনিটে হুগো বৌমাসের কর্নার কিক সোজা বক্সের মধ্যে থাকা জামশেদপুর এফসি অধিনায়ক এলি সাবিয়ার হাতে লাগলেও তা রেফারির নজর এড়িয়ে যায়। রেফারি সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো পেনাল্টি পেয়ে যেত সবুজ-মেরুন শিবির।

ম্যাচের শেষের দিকে গ্রেগ স্টিউয়ার্টও তাঁদের বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করে, কিন্তু রেফারির ভুলে ATK মোহনবাগান সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে।

আগামী শনিবার ATK মোহনবাগানের ম্যাচ রয়েছে চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে চলতি আইএসএলে রেফারিং’র মান ঘিরে কলকাতা ময়দানে অসন্তোষের আগুন ক্রমেই ছড়াতে শুরু করে দিয়েছে।

Mohun Bagan: রেফারিং’র মান ঘিরে ক্ষোভের মাঝেও “সুখবর” সবুজ মেরুন সমর্থকদের কাছে

JoyMohunBagan

Sports desk: আইএসএলে ATK মোহনবাগানের (Mohun Bagan) ম্যাচ রয়েছে ৬ ডিসেম্বর, সোমবার জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচের আগে সুখবর সবুজ মেরুন সমর্থকদের কাছে। দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার তিরি’র খেলার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

গত বুধবার আইএসেলের নিজেদের তিন নম্বর ম্যাচে ১-৫ গোলের লজ্জার হার, সঙ্গে বিক্রম প্রতান সিং’র দ্বিতীয় গোল কনসিডার করার জন্য ATK মোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে সমর্থকরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। রেফারিং’র মান নিয়ে অভিযোগ জানাতে চলেছে টিম ম্যানেজমেন্ট এমন খবরও জানা গিয়েছে। হেডকোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস এই ইস্যুতে ‘নীরব প্রতিবাদের’ পথ বেছে নিয়েছে।

কিন্তু যতই ক্ষোভ-অসন্তোষ থাকুক না কেন এমন গুরুগম্ভীর আবহে হোসে লুইস এস্পিনোসা অ্যারোয়ো যিনি তিরি নামেই সুপরিচিত নিজের টুইটার হ্যাণ্ডেলে দুদিন আগে পোস্ট করে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বার্তা,”মাঠে ফিরে যেতে পেরে খুশি!👨🏼‍ 🙏🏼 ধাপে ধাপে 👣🚶🏼‍♂️”। এরপর বৃ্হস্পতিবার অর্থাৎ আজ তিরি টুইটে বার্তায় আশ্বস্ত করে পোস্ট করেছে,”একটি নতুন দিন, একটি নতুন শুরু!👊🏻#চলুন #না থামুন#জয়মোহনবাগান।”

তিরির আজকের এই টুইট ভাইরাল হতেই সবুজ মেরুন সমর্থকেরা যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। রিটুইটে ভরে গিয়েছে তিরির টুইটার স্ট্যাটাস আপডেট।
Aman Maurya রিটুইট,”তুমি সুখে থাকো বা দুঃখে থাকো আমরা সবসময় তোমার সাথে আছি…..
💪💪💪💪💪💪
প্রত্যাবর্তন আরও শক্তিশালী। “
বিদ্যুত I Bidyut রিটুইটে পোস্ট “আপনার ক্লাবের আপনাকে মরিয়াভাবে দরকার…..আপনার ক্লাবকে সাহায্য করুন… এই দলের 1-5 হারের জন্য খুবই করুণ।”

চলতি আইএসএলে হাঁটুর চোট শুরু থেকেই ভোগাচ্ছিল তিরি সহ গোটা টিম ম্যানেজমেন্টকে। কিন্তু ধীরে ধীরে রিকভারির স্টেজের মধ্যে দিয়ে Atk মোহনবাগানের ডিফেন্ডার তিরি সবুজ মেরুন সমর্থকদের উদ্দেশ্যে “হাল ছেড়ো না বন্ধু ” এমনই ইঙ্গিতবহ বার্তা দিয়েছেন সামাজিক মাধ্যমে।

হেডকোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস আইএসএল শুরুর সময় থেকেই তিরি’র ইনজুরি ইস্যুতে মোটেও স্বস্তি ছিলেন না। আইএসএলে ‘ব্যাক টু ব্যাক’ তিন ম্যাচ, এর মধ্যে হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচেও তিরি দলের হয়ে সার্ভিস দিতে পারেনি। এখন গোটা শিবির সহ সবুজ মেরুন সমর্থকরা তিরি’র দ্রুত রিকভারির পথ চেয়ে রয়েছে।

চলতি আইএসএলে ATK মোহনবাগান ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে, দুই ম্যাচে জয়,১ ম্যাচে হার, গোল পার্থক্যতে একে। লিগের শীর্ষে মুম্বই সিটি এফসি,দুই ওডিশা এফসি,তিনে চেন্নাইয়ন এফসি।এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএলের লিগ টেবিলে ১০ নম্বরে, তিন ম্যাচ-১ ম্যাচ ড্র-২ ম্যাচে হার। গোল পার্থক্যে মাইনাস ৫, পয়েন্ট ১। টানা তিন ডার্বি ম্যাচের রঙ সবুজ মেরুন। শতযোজন দূরে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

Tripura: হোটেলে বাংলার TMC বিধায়করা কেন? হুমকিতে অভিযুক্ত BJP

tmc mla's threthend by bjp supporters at teliamura tripura

News Desk: ত্রিপুরা (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে ততই সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ উঠছে শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে। বিরোধী বাম ও তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস প্রার্থীরা ‘আক্রান্ত’। এবার পশ্চিমবঙ্গের দুই টিএমসি বিধায়ককে হোটেলে রাখা নিয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়ায় রাজনৈতিক মহল আরও উত্তপ্ত।

ঘটনাস্থল তেলিয়ামুড়া। দলীয় প্রচারে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল টিএমসির দুই বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ ও খোকন দাস এসেছেন। অভিযোগ, তাঁদের যে হোটেলে থাকার কথা সেখানে কয়েকজন বাইক আরোহী ঢুকে হোটেল মালিকের স্ত্রীকে হুমকি দেয়। হুমকি পেয়ে দুই বিধায়ককে আর হোটেলে থাকতে দিতে রাজি হননি হোটেল মালিক। 

tmc mla's threthend by bjp supporters at teliamura tripura

খোকন দাস পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক। আর অভিজিৎ সিংহ বীরভূম জেলার লাভপুরের বিধায়ক। দুই বিধায়ক থানায় যান। অভিযোগ, পুলিশ জানায় কিছুই করার নেই।

প্রবল ক্ষুব্ধ হয়েই রাতে দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের দুই টিএমসি বিধায়ক থানার সামনে বিক্ষোভ অবস্থান শুরু করেন। এর জেরে পরিস্থিতি আরও গরম হয়েছে।

শনিবার দিনভর রাজ্যের পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার হামলার অভিযোগ করেছে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম। এছাড়া বিক্ষোভ দেখায় টিএমসি ও কংগ্রেস। বাম নেতারা পশ্চিম ত্রিপুরা থানায় ঢুকে পুলিশ অফিসারদের নিষ্ক্রিয় থাকার কারণে ক্ষোভ দেখান।

<

p style=”text-align: justify;”>টিএমসি সাংসদ সুস্মিতা দেবের আবেদনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচনে নিরাপত্তা দিতে হবে রাজ্যের বিজেপি সরকারকেই।

ATK Mohun Bagan: মনভীরের পায়ের যাদুতে ভরসা সবুজ মেরুন সমর্থকদের

Manvir

Sports Desk, Kolkata24x7: স্ট্রাইকার মনভীর সিং! শুরুতেই হোঁচট। কে এই মনভীর? প্রশ্ন শুনলেই জ্বালা দিয়ে উঠতো শরীরের ভিতরে। কিন্তু গোলের খিদে গত মরসুমের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইএসএল) তাঁর নজরকাড়া পারফরম্যান্স, ATK মোহনবাগান ফুটবল ক্লাব এবং ভারতীয় ফুটবল দলে একজন অ্যাটাকিং স্ট্রাইকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ভারতীয় ফুটবল আঙিনায় মনভীর সিং’র উত্থান চমকে দেওয়ার মতো। মনবীর এফসি গোয়ার জার্সিতে আইএসএলে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন এবং ওই সময়ে একজন তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলারদের মধ্যে একজন ছিলেন। ২০১৭-১৮ আইএসএল সেশনে মনভীর ৯ টি খেলায় মাত্র ২৬৫ মিনিট ম্যাচে ছিলেন, কিন্তু এটি তার জন্য একটি দুর্দান্ত শেখার প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করেছিল এবং এফসি গোয়া সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল ফরোয়ার্ড মনভীর সিং’র অ্যাটাকিং অ্যাপ্রোচের জন্য।

২০১৮-১৯ মরসুমে সিং এফসি গোয়ার হয়ে ১৯ ম্যাচে আরও বেশি করে নিজের জাত চিনিয়ে দেয়৷ তার ফুটবল কেরিয়ারের পথে যাই যাই হোক না কেন, মনভীর তার প্রথম আইএসএলে গোল করে এবং একটি গোলে অ্যাসিস্ট করে একজন স্ট্রাইকার হিসেবে নিজের অসীম সম্ভাবনাকে তুলে ধরে৷

মনভীরের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। মনভীর আগের সেশনের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি মিনিট ম্যাচে খেলতে থাকে। ইতিমধ্যে একজন নির্ভরযোগ্য সুপার-সাব হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন পাঞ্জাব তনয়। গোয়ার জন্য দুবার গোল করে এফসি গোয়াকে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন।

২০২০-২১ আইএসএল সেশনে মনভীর সিং ক্লাব বদল করে ATK মোহনবাগান জার্সি গায়ে চাপান। সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে চাপিয়ে মনভীর আরও বেশি করে আইএসএলে খেলার সুযোগ পেতেই সাফল্য তার কপালে চুমু খেতে শুরু করে। সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে মনভীর সিং নিজের আইএসএল কেরিয়ারে সবথেকে বেশি সফল স্ট্রাইকার হিসেবে ৬ গোল করে পাশাপাশি দলের হয়ে ৩ টি গোলের জন্য অ্যাসিস্ট করে, মেরিনার্সরা ফাইনালে যায়।

মনভীর এমন একজন ফুটবলার যার মধ্যে বৈচিত্র্য আছে, সে সেশনের পর সেশন মাঠে করে দেখিয়েছে সে কত বড় সম্পদ। এখন তাঁকে ভারতের জাতীয় ফুটবল দল এবং ক্লাবের প্রথম একাদশে নিয়মিত খেলতে দেখা যায়, তরুণ ফুটবলারদের মনভীর সিং’র থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।