তবে কী বিয়ের পিঁড়িতে যশ-মধুমিতা, এ কোন সাজে প্রকাশ্যে ছবি

bengali movie

তবে কী বিয়ে করে ফেললেন যশ এবং মধুমিতা? বিয়ের সাঁজে ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তোলপাড় নেটদুনিয়া। লাল বেনারসি, কপালে টিপ, গয়াল মালা। একেবারে নববধূ সাজে মধুমিতা। তবে যশ-এর পরনে প্যান্ট-শার্ট। বিষয়টি ঠিক কী? আসলে এসভিএফ-এর ব্যনারে একটি মিউজিক ভিডিওতে আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখা গেলো যশ এবং মধুমিতাকে। ‘ও মন রে’ বলে একটি গানে একসঙ্গে দেখা যাবে তাঁদের।

২০১৩ সালের ব্লকব্লাস্টার ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-তে জুটি বাঁধতে দেখা গেছিলো যশ এবং মধুমিতাকে। সেই সময় ধারাবাহিকটি ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। যশ এবং মধুমিতার জুটি বহু দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা ৩ বছর সফলভাবে স্টার জলসায় সম্পচারিত হয়েছিলো এই ধারাবাহিক। বহুদিন ধরেই অনুরাগীরা অপেক্ষা করছিলেন কবে আবারও ছোটপর্দার সেই সুপারহিট জুটিকে একসঙ্গে দেখা যাবে। এবারে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। এসভিএফ-এর ব্যনারে মিউজিক ভিডিওতে জুটি বাঁধছেন তাঁরা।

এই মিউজিক ভিডিওটি কোরিওগ্রাফ করেছেন বাবা যাদব। গানটি গেয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক তনবীর ইভান। ‘ও মন রে’ গানে মধুমিতা এবং যশের রসায়ন দেখার জন্য মুখীয়ে রয়েছেন অনেকেই। দুজনেই ছোট পর্দা থেকে কেরিয়ার শুরু করে বড় পর্দাতেও নিজেদের প্রমাণ করেছেন। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন ধরেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনে নুসরতকে নিয়ে খবরের শিরনামে থাকছেন যশ। অন্যদিকে সৌরভ দাসের সঙ্গে মধুমিতার সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে টলি-পাড়ায়। তবে আপাতত ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর অরণ্য এবং পাখিকে আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখে খুশি ভক্তরা।

অভিনেত্রী না হলে কোন পেশায় যেতেন শ্রীলেখা, দিলেন সাফ উত্তর

srilekha

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না শ্রীলেখা মিত্রের জীবনে। কখনও ব্রা-এর স্ট্র্যাপ দেখিয়ে ভিডিও বানাতে গিয়ে, আবার কখনও তাঁর শরীরের গঠন নিয়ে ট্রোলের সম্মুখীন হচ্ছেন অভিনেত্রী। তবে ইন্ডাস্ট্রির অপ্রিয় সত্যি হোক কিংবা নেটিজেনদের করা কুটুক্তি, সবেতেই একেবারে প্রথমসারিতে থেকে গলা ফাটাতে ভোলেন না শ্রীলেখা। ভালো অভিনেত্রীর পাশাপাশি শ্রীলেখা একজন স্পট বক্তা। বরাবরই সত্যি কথা ভয় না পেয়ে সহজভাবে বলতে ভালোবাসেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায়তেও বেশ অ্যাক্টিভ তিনি। জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে পছন্দ করেন শ্রীলেখা। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে অনুরাগীদের করা প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিনেত্রী।

কিছুদিন আগেই শ্রীলেখার অনুরাগীরা তাঁর থেকে কিছু বিষয়ে প্রশ্ন করেন। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে সেই সব প্রশ্নের উত্তর দেন শ্রিলেখা। এক অনুরাগী শ্রীলেখাকে প্রশ্ন করেন অভিনেত্রী না হলে তিনি কোন পেশা বেছে নিতেন। এই প্রশ্নের উত্তরে শ্রিলেখা জানান, বিজ্ঞাপন এবং জনসংযোগে তাঁর ফার্স্ট ক্লাস ডিগ্রি রয়েছে। ফলত অভিনেত্রী না হলে তিনি বিজ্ঞাপন সংস্থার কপি রাইটার হিসেবে কাজ করতেন। এর পাশাপাশি তাঁর আরেকজন অনুরাগী তাঁকে প্রশ্ন করেন, তাঁর জীবনের সব থেকে বড় আক্ষেপ কী? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী জানান, তাঁর প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুটা যদি তিনি আটকাতে পারতেন এবং তাঁর মায়ের মৃত্যুর সময় তিনি পাসে থাকতে পারেননি। এই দুটি ছিল শ্রিলেখা মিত্রের জীবনের সব থেকে বড় আক্ষেপ।

srilekha mitra

বর্তমানে শ্রীলেখা অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনার কাজে ব্যস্ত। এছাড়াও সমাজসেবামূলক কাজেও তিনি সময় দিচ্ছেন। এর আগেও অভিনেত্রীকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসতে দেখা গেছিলো। ইতিমধ্যেই শ্রীলেখার অভিনীত ‘ওয়ান্স আপঅন আ টাইম’ সিনেমাটি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নিয়েছে। সিনেমায় শ্রীলেখার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে ট্রোলারদের নিজের জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রেখে নিজের অভিনয় কেরিয়ারে মনোনিবেশ করেছেন শ্রীলেখা।

পাহাড়ে একসঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন মধুমিতা-সৌরভ

Madhumita

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে মধুমিতা এবং সৌরভের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। এই বিষয়ে তাঁদের প্রশ্ন করা হলে কখনও তাঁরা এড়িয়ে গিয়েছেন৷ আবার কখনও বলেছেন এসব নাকি কেবলই গুঞ্জন। সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই নিজেকে সম্পূর্ণ পালটে ফেলেছেন মধুমিতা। চিনি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে সৌরভ দাসের সঙ্গে পরিচয় হয় মধুমিতার। এরপর থেকেই শোনা যাচ্ছিল সৌরভ দাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন মধুমিতা।

Madhumita and souraav das

কিছুদিন আগেই নিজের বোনকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে কুৎসিত ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন সৌরভ৷ এরপর থেকেই নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে করে দিয়েছেন তিনি। তবে বর্তমানে মধুমিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন হট লুকে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলছেন অভিনেত্রী। তবে এবারে ফেসবুকে একটি ট্র্যাভেল পেজ থেকে সৌরভ দাস এবং মধুমিতার কিছু ছবি পোস্ট করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে দুজনে নর্থ-বেঙ্গলের কোনও হোম স্টে’তে একসঙ্গে বসে হাসি মুখে খাবার খাচ্ছেন। ওই ট্র্যাভেল সংস্থার পক্ষ থেকে সৌরভ এবং মধুমিতাকে তাঁদের সঙ্গে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার এই পোস্ট ঘিরে আবারও সৌরভ এবং মধুমিতার সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এখন প্রায়ই সৌরভ দাসের প্রেমিকা অনিন্দিতাকে কাজের সূত্রে মুম্বই থাকতে হচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরেই আনিন্দিতার সঙ্গে লিভইন সম্পর্কে রয়েছেন সৌরভ। টলি-পাড়ায় তাঁদের জুটি বাহবাও পেয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে। তবে কী দূরত্বই এই সম্পর্কের অবনতির একমাত্র কারণ? উত্তর কেবল সময়ের অপেক্ষা।

KOEL: নিজের নামের সিক্রেট মানে প্রকাশ্যে আনলেন কোয়েল

Bengali actress Koel Mallick

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউডের সুপার কুল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (KOEL MALLIK)। নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে খুব একটা পছন্দ করেন না তিনি। তবে ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ কোয়েল। সম্প্রতি পুত্র সন্তানের জননী হয়েছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়াতে কাজেও ফিরেছেন। এখন মাঝে মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে কোনও না কোনও পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের নামের সিক্রেট অর্থ প্রকাশ করেলেন কোয়েল।

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে এই বার্তা দিলেন কোয়েল। ইংরেজিতে বানান করলে ‘কোয়েল’ নামের চারটি অক্ষর পাওয়া যায়। K O E L- এর প্রত্যেকটি অক্ষরের একটি করে মানে বের করলেন নিসপাল ঘরণী। কোয়েলের কাছে K-এর অর্থ হল তাঁর পুত্র কবীরের নাম। O- এর অর্থ অপটিমিস্টিক। E হল তাঁর কাছে এনথুসিয়াস্টিক এবং L-এর অর্থ লাভ। ইতিমধ্যেই ভিডিওটি নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে।

কিছুদিন ধরেই কোয়েল নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ‘কোয়েল কথা’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন। এর আগে মল্লিক বাড়ির দুর্গা পুজোর স্মৃতি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন কোয়েল। এবারে অনুরাগীদের জন্য অভিনেত্রীর উপহার তাঁর নামের সিক্রেট মানে। যা নেটিজেনদের কাছ থেকে খুব ভালো রেসপন্স পাচ্ছে। পোস্টে ভালো ভালো কমেন্টও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে বর্তমানে কোয়েলের কাছে তাঁর পুত্র কবীর সবার আগে বলে জানিয়ে দেন অভিনেত্রী। এই পরিস্থিতিতে ছেলেকে সামলে অনেক ভেবেচিন্তে কাজ করছেন কোয়েল।

লালটিপের সঙ্গে সিঁথিতে মোটা গাঢ় সিঁদুরে নতুন লুকে পিঙ্কি

Kanchan Mallick's wife Pinky

বায়োস্কোপ ডেস্ক: একাবারে অন্য লুকে ধরা দিলেন কমেডিয়ান কাঞ্চন-জায়া পিঙ্কি। কপালে লাল টিপ, সিঁথিতে গাঢ় সিঁদুর৷ তার সঙ্গে লাল পাড় সাদা শাড়ি। হঠাৎ করে কেন এতো বদলে গেলেন পিঙ্কি? তবে কি স্বামী কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সব মিটমাট করে একেবারে ঘরোয়া বধূ হয়ে উঠেছেন পিঙ্কি? উত্তর দিলেন অভিনেত্রী নিজেই।

সম্প্রতি এক প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি জানান, খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে এই রূপে নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে। নতুন ধারাবাহিকের খাতিরেই তাঁর এই সাঁজ। ধারাবাহিকে তাঁর চরিত্রের স্বার্থে তাঁকে রীতিমতো সনাতনী ঐতিহ্য এবং ধর্ম-সংস্কৃতি নিয়ে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। যদিও কোন ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যাবে, সেই নিয়ে মুখ খোলেননি পিঙ্কি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, আকাশ আট চ্যানেলের পরবর্তী ধারাবাহিক ‘মেয়েদের ব্রতকথা’তে তাঁকে এই লুকে দেখা যাবে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে পিঙ্কি জানান, অতীতকে ভুলে গিয়ে এখন তিনি শান্তিতে আছেন। পুরনো কোনও ঘটনা নিয়ে কোনও রকম মন্তব্য করতে চাননি পিঙ্কি। তবে, এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর মা বেশ অসুস্থ। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। এখন আপাতত পিঙ্কি কাজে মন দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তাঁর একমাত্র সন্তান এবং মায়ের দেখভাল করতেই ব্যস্ত পিঙ্কি।

‘মিনি’তে জুটি বাঁধছেন মৈনাক–মিমি

Mimi Chakraborty- Mainak Bhaumik

বায়োস্কোপ ডেস্ক: পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের ছবি মানেই অন্য স্বাদের, আলাদা ধরনের গল্প। এবার তাঁর সঙ্গে এই প্রথমবার কাজ করবেন সাংসদ–তারকা মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। মৈনাকের এই ছবির নাম ‘‌মিনি’‌। তবে মিমির অভিনয়ের সঙ্গে আরও একটি চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ি এই ছবির মাধ্যমেই নিজের প্রযোজনা সংস্থায় হাতে খড়ি করবেন।

এখন মিমি বাদল অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লি রয়েছেন। সাংসদের কাজের পাশাপাশি গোটা দিল্লি ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। মাঝে একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তবে ফের চাঙ্গা হয়ে রাজধানীর রাস্তায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল্লি ভ্রমণের বিভিন্ন ছবি পোস্ট করছেন।

মিমি জানিয়েছেন, ‌লকডাউনের সময়ই তিনি মৈনাকের ‘‌মিনি’‌ চিত্রনাট্য পড়েছেন এবং তাঁর চরিত্রটি পছন্দ হয়েছে। মিমি জানান যে তাঁকে কোনওদিন এমন চরিত্রের প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। এই ছবি অন্য এক মাত্রার। পরিচালক মৈনাকের সঙ্গে মিমির প্রথম কাজ হলেও ক্রিসক্রসের সময় মৈনাকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। তবে সেই সময় অবশ্য মৈনাক এই ছবির সংলাপ লিখেছিলেন।

অন্যদিকে পরিচালক মৈনাক জানিয়েছেন তাঁর ছবিতে টক-ঝাল, মিষ্টি, রোম্যান্স সব ধরনের অনুভূতি পাওয়া যাবে। তাঁর এই ছবি মূলত এক স্বাধীনচেতা মেয়ের পরিবারের দায়িত্ব নিয়ে তৈরি হয়েছে। তাঁর ছবিতে এই প্রথমবার কাজ করবেন মিমি তাই এটা নিয়ে মৈনাকও বেশ উৎসাহিত। কারণ তিনি সবসময়ই মিমির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ছিলেন। এই ছবির শুটিং এ বছরেই শুরু হবে। যদিও এখনও দিনক্ষণ কিছুই ঠিক হয়নি। কারণ মিমি এখন ব্যস্ত রয়েছেন অরিন্দম শীলের ছবি নিয়ে।

আয়া রেখে ছেলেকে মানুষ করব না, মধুবনীর কণ্ঠে কটাক্ষের সুর

Why Actress Madhubani Goswami gives this kind of statement

বায়োস্কোপ ডেস্ক: সম্প্রতি রাজা এবং মধুবনীর ঘর আলো করেছে তাঁদের পুত্র সন্তান ‘কেশব’। গত এপ্রিল মাসে পুত্র সন্তানের জননী হয়েছেন টলি অভিনেত্রী মধুবনী। রাজা এবং মধুবনীর ভালোবাসা শুরু ধারাবাহিক ‘ভালোবাসা ডট কম’ থেকে। দীর্ঘ ১১ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ২০১৬ সালে সাত পাকে বাঁধার মাধ্যমে পরিণতি পায়। এরপর এই বছরে বাবা-মায়ের দায়িত্ব এসে পড়ে তাঁদের ঘাড়ে। আপাতত নিজের ছেলেকে নিয়েই ব্যস্ত মধুবনী।

এরই মধ্যে মধুবনী এবং রাজার অনেক অনুরাগীরা তাঁদের পুত্র সন্তানের মুখ দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। তবে এখুনি সোশ্যাল মিডিয়াতে ছেলে ‘কেশব’-এর মুখ দেখাতে নারাজ এই দম্পতি। এই বিষয়ে মধুবনীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আমরা এখন ছেলের মুখ দেখাতে চাইছি না। এটা সম্পূর্ণ আমাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই মুহূর্তে কেশবের ছবি ইন্টারনেটে সার্কুলেট করতে চাইছেন না মধুবনী। তিনি আরও বলেন। ‘অন্য তারকারা যারা তাঁদের সন্তানদের ছবি পোস্ট করছেন, সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যপার। আমাদের যদি কোনও দিনও মনে হয়, আমরা নিশ্চই দেব। এখন আমাদের মনে হচ্ছে না বলে আমরা দিচ্ছি না। আশা করি আমাদের সিদ্ধান্তকে আপনারা সম্মান করবেন’।

আপাতত মধুবনী তাঁর ছেলের ছায়াসঙ্গী হয়েই সময় কাটাছেন। মধুবনীর কাছে সবার আগে তাঁর ছেলের প্রায়োরিটি। এখন কাজেও ফিরবেন না তিনি। এর পাশাপাশি মধুবনী জানান, ‘আমরা ঠিক করেছিলাম কেশবের জন্য আমরা কোনও আয়া রাখব না। কারণ আয়ার কাছে ছেলেকে মানুষ করতে চান না’। এছাড়াও আয়া না রাখার পিছনে করোনা পরিস্থিতিকেও দায়ী করেন মধুবনী। তাঁর মতে, এই সময় বাইরের কোনও লোক কেশবের কাছে আসুক, এটা তাঁরা কোনও ভাবেই চাইছেন না।

সম্প্রতি মধুবনীর এই মন্তব্যে, নেটাগরিকরা টলি-পাড়ার অন্য তারকাদের কটাক্ষের গন্ধ পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়ে মুখ খোলেননি মধুবনী। এরই মধ্যে বেশ কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন মধুবনী। সেখানে কেশবকে দেখা গেলেও তাঁর মুখ দেখা যায়নি।

উত্তম-সৌমিত্রর মতান্তর এবং অভিনেত্রী সঙ্ঘ ভেঙে শিল্পী সংসদ

Special report on Uttam Kumar's death day

বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গ জীবনে এমন কতগুলি শব্দযুগল জড়িয়ে রয়েছে যা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বাঙালিদের মধ্যে তর্ক-ঝগড়া চলে৷ মোহনবাগান না ইস্টবেঙ্গল, হেমন্ত না মান্না, সত্যজিৎ না ঋত্বিক, উত্তম না সৌমিত্র।

এটা ঘটনা উত্তমকুমার এবং সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ফ্যানেরা এই দুই তারকাকে নিয়ে যতোই তর্ক-বিতর্ক করুক না কেন, আর পেশাগত দিক দিয়ে রেষারেষি যাই থাকুক না কেন ব্যক্তিগত জীবনে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল খুবই ভাল৷ তবে ষাটের দশকের শেষ দিকে উত্তম- সৌমিত্রের মধ্যকার ব্যক্তিগত সংঘাত হয়েছিল যার জন্য দুই ব্যক্তিত্বের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়। যদিও কিছুদিন পরেই তা আবার ঠিক হয়ে যায়। তবে তাদের দূরত্বের পাশাপাশি ওই সময় ভাঙন ধরেছিল অভিনেতা কলাকুশলীদের সংগঠনেও।

৬০-এর দশকের শেষ দিকে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাচ্ছে না বলে ক্ষোভ দেখা গিয়েছিল সিনেমার নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীদেরও মধ্যে। যারফলে বেশ কিছু দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয় ‘‌সিনে টেকনিশিয়ানস ওয়াকার্স ইউনিয়ন’‌।

১৯৬৮ সালে যখন এই ধর্মঘট শুরু হয় তখন ‘‌অভিনেতৃ সঙ্ঘ’ তা নৈতিক সমর্থন করে। তখন ‘অভিনেতৃ সঙ্ঘ’‌–এর সভাপতি হলেন উত্তমকুমার এবং সম্পাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এদিকে রাজ্যে যুক্তফ্রন্ট সরকার থাকায় কর্মচারি ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলিরও তখন বেশ জঙ্গি মনোভাব। সেই সময় আবার গঠিত হয় ‘‌পশ্চিমবঙ্গ চলচ্চিত্র সংরক্ষণ সমিতি’‌ এবং এই সংগঠনে পুরোভাগে ছিলেন উত্তমকুমারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রযোজক।

ওই সময় অভিনেতৃ সঙ্ঘের একাংশ সঙ্ঘের তহবিল থেকে দশ হাজার টাকা ধর্মঘটীদের দিতে চায়। কিন্তু তা নিয়ে মতভেদ দেখা যায় ৷ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুপকুমাররা ছিলেন টাকা দেওয়ার পক্ষে কিন্তু বিকাশ রায় জহর গাঙ্গুলীরা তার বিরোধিতা করেন৷ এদিকে উত্তমকুমার প্রযোজকদের প্রতিনিধি হয়ে পড়েছেন বলে তখন অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয় যে উত্তমকুমার সৌমিত্র এবং ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বেশ ক্ষুব্ধ হন৷ ফলে পরিস্থিতি এমনই পর্যায়ে দাঁড়ায় যে সদস্যদের মধ্যে ভোটাভুটি করতে হয়৷ আর সেই ভোটে জিতে অভিনেত্রী সঙ্ঘের সভাপতি হন সৌমিত্র৷ এর পর যথারীতি সঙ্ঘ ধর্মঘটীদের ১০,০০০টাকা দেয়৷

অন্যদিকে উত্তমকুমার ক্ষুব্ধ হয়ে সঙ্ঘ ছেড়ে বেরিয়ে এসে তৈরি করেন শিল্পী সংসদ৷ উত্তমের সঙ্গে শিল্পী সংসদে তখন বিকাশ রায় জহর রায়েরা ৷ অন্যদিকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়েরা অভিনেত্রী সংঘে৷ আপাতদৃষ্টিতে মনে করা হয়ে থাকে বামপন্থীরা তখন ‘‌অভিনেতৃ সঙ্ঘ’‌–এ এবং কংগ্রেসী সমর্থকরা যোগ দিয়েছেন ‘‌শিল্পী সংসদ’‌–এ। তবে অতটা সরল বিভাজন তখন সেটা ছিল না কারণ বিপরীত মতাদর্শের লোক হলেও অনিল চট্টোপাধ্যায়, নির্মল ঘোষেরা কিন্তু শিল্পী সংসদে যোগ দেন ৷ মতাদর্শের পাশাপাশি বাংলা রুপালি পর্দার দুই নায়কের ব্যক্তিগত সংঘাতও সেই সময় কাজ করেছিল সংগঠনের ক্ষেত্রে বলে মনে করেন অনেকে ৷

তবে এটাও ঘটনা এর কিছু দিন বাদে বসুশ্রী সিনেমা হলে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে হাজির ছিলেন উত্তম সৌমিত্র এবং ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সেখানে সৌমিত্র ভানুকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেও উত্তমকুমারকে হাতজোড় করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন৷ তখন উত্তমকুমার সৌমিত্রের কাছে জানতে চান, এতদিন সৌমিত্র উত্তমকে বড় ভাইয়ের মতো ভেবে পায়ে হাত দিয়ে তাকে প্রণাম করে এসেছেন কিন্তু এখন তাদের সংগঠন আলাদা হয়ে গিয়েছে বলেই এমন আচরণ করা হল? তখন অবশ্য সৌমিত্র পায়ে হাত দিতে প্রণাম করে ক্ষমা চেয়ে নেন এবং উত্তমও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন৷ আর দুজনের সম্পর্কের বরফ গলে আগের মতো হয়ে যায়৷

যশের ছেলেকে আদরে ভরিয়ে দিলেন নুসরত!

As Nusrat Jahan confirms her separation, here are 7 pics of the Bengali actress with her rumoured flame Yash

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এই মুহূর্তে পেজ থ্রিতে হটকেক হলেন অভিনেত্রী নুসরত জাহান। অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিয়ে সরগরম নেটদুনিয়া। গত জুন মাসে অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বার খবর সামনে আসে। অভিনেত্রীর বেবি বাম্পের ছবি বেশ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে অভিনেত্রীর কোল আলো করে আসতে চলেছে তার হবু সন্তান। এখন শুধু প্রহর গোনার পালা। আর তাই দিন দিন বেড়ে চলেছে অভিনেত্রীর মাতৃত্বকালীন জেল্লা। তবে একটাই প্রশ্ন আছে অভিনেত্রীর আগত শিশুর পিতৃপরিচয় কী? যশ না নিখিল কে এই শিশুর বাবা? নিখিল নিজেই এই আগত শিশুর বাবা নন তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান।

টলিপাড়াতে নতুন গুঞ্জন, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে একই ছাদের তলায় থাকতে শুরু করেছেন যশরত। নিজেদের মুখে সেই বিষয়ে কেউ কোনো কথা না বললেও সেই ইঙ্গি পাওয়া যাচ্ছে তাঁদের ইন্সটাগ্রাম খুললে৷ না দুজনেই নিজেদের কোনো ছবি একসাথে দেয়নি। যশের সাথে নুসরতের নেট মাধ্যমে ছবি না পাওয়া গেলেও সম্প্রতি যশের চারপেয়ে সারমেয়র সাথে হামেশাই নতুন নতুন ছবি পোস্ট করতে দেখা যাচ্ছে নুসরতকে।

সকলেই জানেন যশ একজন পশুপ্রেমী। তার কাছে এক সন্তান সম সারমেয়। নাম তার হ্যাপি। আর এই হ্যাপির সাথে বেশ হ্যাপি নুসরত। এই সারমেয়র প্রতি ভালোবাসা জাহির করতে দেখা যাচ্ছে নুসরতকে। গত সপ্তাহে হ্যাপির সাথে একটি ছবি পোস্ট করতে দেখা গিয়েছিল নুসরতকে, আর আবার আরো একবার হ্যাপির সাথে ছবি পোস্ট করলেন নায়িকা। যশের সারমেয়র সাথে একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করে নুসরত ক্যাপশনে লিখেছেন, মিষ্টি। সত্যি এই ছবিটা বেশ মিষ্টি।

এই ছবিটিতে দেখা গেল যশের সারমেয় হ্যাপ আদুরে দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে নুসরতের দিকে। অন্যদিকে নুসরতের চোখ বন্ধ, সে নিজের থুতনি ঠেকিয়ে আছে হ্যাপির মুখে। ভালোবাসামাখা এই মিষ্টি ছবিটি নিজের ইনস্টাগ্রামের করেছেন নুসরত। শোনা যায় গর্ভবতীদের প্রতি একটু বেশি অনুভূতিশীল হয় সারমেয়রা। আর তাই যেন হ্যাপিকে কাছে পেয়ে খুশি অভিনেত্রী। আরো বেশি করে নুসরতকে ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলছে।

মুখোমুখি দেব-জিৎ, এবারে পুজোয় বড় চমক বক্স-অফিসে

jeet

করোনা আবহে অনেক দিন ধরেই বন্ধ হয়ে পড়ে আছে সিনেমা হলগুলি। যার ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে হল মালিক এবং কলাকুশলীদের মাথায়। তবে এরই মাঝে করোনার দাপটকে অনেকাংশে জব্দ করা গেছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে পরিস্থিতি আরও কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগস্টেই খুলে যেতে পারে সিনেমা হলগুলি। ফলে দর্শকদের আবারও হলমুখী হতে দেখা যাবে। করোনার তৃতীয় ঢেউ যদি বাধা হয়ে না দাঁড়ায় তবে এবারের পুজোয় অনেকগুলি সিনেমা উপহার দিতে চলেছে টলিউড।

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ছবি তৈরি হয়ে আছে। করোনা আবহের জন্য তা হলে মুক্তি করানো যায়নি। এই লিস্টে প্রথমেই রয়েছে দেবের টনিক সিনেমাটি। গত বছর এপ্রিলে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল সিনেমাটির। অন্যদিকে প্রযোজনা সংস্থা এসভিফ আগেই জানিয়ে দিয়েছে এবারে পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে তাঁদের পিরিয়ড ড্রামা গোলন্দাজ। এই ছবিটি প্রথানত ভারতীয় ফুটবলের জনক ‘নাগেন্দ্র প্রসাদ সর্বাধিকারীর’ বায়োপিকের আঙিনায় তৈরি।

bengali movie

অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে চলতি বছর পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে জিৎ-এর বাজি। এই ছবিতে প্রথমবার রুপলি পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন জিৎ এবং মিমি। ছবিটি পরিচালনা করছেন অংশুমান প্রত্যুষ। ইতিমধ্যেই বাজির একটি গান প্রকাশ্যে এসেছে ‘আয় না কাছে রে’। সবকিছু ঠিক থাকলে এই পুজোয় আবারও একসঙ্গে দুই সুপারস্টার দেব এবং জিৎ-এর সিনেমা দেখতে হলে ভিড় জমাবেন দর্শকরা। তবে সবকিছুই সময়ের অপেক্ষা।

রানীমার সফর শেষে, গোটা সেট কেঁদে উঠল শেষে দৃশ্যে, অবনদ্য দিতিপ্রিয়া

ditipriya

দিতিপ্রিয়া রায়, ছোটখাটো পাঠ দিয়ে শুরু হয়েছিল অভিনয় জগতের সফর। কিন্তু সেই দিতিপ্রিয়াই যে প্রাপ্ত বয়স্ক চরিত্রে এই ভাবে তাক লাগাবে তা হয়তো অনেকেরই জানা ছিল না। আর ছিক তাই ইউএসপি হয়ে উঠেছিল রানী রাসমণি ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে। তবে সেটে বর্তমানে বেশ মন খারাপের আমেজ। শেষ হচ্ছে রানীমার সফর।

চানা চার বছরের যাত্রা, দিতিপ্রিয়া নিজেই জানান, প্রতিটা দিনই ছিল একটা চ্যালেঞ্জ। কীভাবে ফুঁটিয়ে তোলা যায় এই চরিত্র! নিজের সবটুকু দিয়ে ধীরে ধীরে পরিণত হয়ে উঠতে দেখা দিয়েছে দিতিপ্রিয়াকে। ছেলে মেয়ে নাতি-নাতনি সকলকে নিয়ে রাজ্যপাঠ সামলেছেন এই ছোট্ট রানীমা।

ditipriya

দর্শক তাই ভক্তিভরে মুগ্ধ হয়ে দেখেছে। আর ঠিক সেই কারণেই সাধারণের চোখে সেরার সেরা হয়ে উঠেছেন দিতিপ্রিয়া বারে বারে। পর্দায় রানীমা হয়ে রাজ্য সামলানো থেকে শুরু করে বাঘাবাঘা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যালন্স করে অভিনয় করে যাওয়া, চ্যালেঞ্জই বটে।

সেই সংসারেই শেষ দিন সমাগত, শেষ হচ্ছে রানী রাসমণিতে দিতিপ্রিয়া অর্থাৎ রানী মা-র সফর। তাঁই সেই সূত্র ধরেই এবার নয়া পর্বের সূচনা। তবে পর্দায় থাকছে না দিতিপ্রিয়া। জানালেন, তাঁর সঙ্গে থাকবে রানী মা-র স্মৃতি, এবার অনেক কিছুই বদলে যাবে, তবে বদলাবে না এর রেশ।

একে সৌরভ ভুলে কোন সৌরভে মজলেন মধুমিতা, জল্পনা তুঙ্গে

madhumita sarcar

টলিউডের এখন হটকেক মধুমিতা সরকার। একের পর এক ছবিতে অভিনয় করে এখন তিনি বড়পর্দার স্টার, ছোটপর্দা থেকে যাত্রা শুরু, পাখী হয়ে সকলের সামনে ধরা দেওয়া। এক কথায় যাকে বলে ছক্কা হাকানো। ব্যক্তিগত জীবনটাও সাজিয়ে নিয়েছিলেন তিনি বড্ড তাড়াতাড়ি। মালা দিয়েছিলেন তিনি সৌরভের গলায়। তবে সেই সম্পর্ক খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

এবার পালা অন্য সৌরভের। বিষয়টা ঠিক কেমন, সদ্য মৌনাক ভৌমিক পরিচালিত ছবি চিনিতে তিনি অভিনয় করেছেন সৌরভ দাসের বিপরীতে। তাঁদেরকেই নাকি পার্টি করতে দেখা যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে এক সঙ্গে সময় কাটাতেও। তবে কি নতুন সম্পর্ক!

Saurav
আবার প্রশ্ন উঠছে অনিন্দিতাকে নিয়েও। তিনি এখন সৌরভের সঙ্গে লিভইনের সম্পর্কে আছেন। যদিও কাজের সূত্রে এখন তিনি মুম্বইতে। এরই মাঝে টলিউডে নতুন গুঞ্জণ, সৌরভকে কি মন দিয়ে বসেছেন মধুমিতা! এতেই জল্পনা তুঙ্গে। যদিও তিন স্টারই সাফ জানিয়ে দিয়েছে এই রটনা ভিত্তিহীন। মধুমিতার কথায় একজন বন্ধু থাকা মাতেই তা সম্পর্ক নয়। যদিও নেটমহল তা শুনতে বা মানতে এক কথায় নারাজ। যার ফলে চর্চা তুঙ্গে।

ফুচকা লাভার! একসঙ্গে কটা খেতে পারেন, কোয়েলের থেকেও বেশি কি?

বিনোদন ডেস্ক: কোয়েল মল্লিক, এক কথায় বলতে গেলে টলিউডের এই হট ডিভা এখন মোস্ট সার্চ লিস্টে হিট। কারণ একটাই, যেভাবে কোয়েল প্রতিটা ধাপে নিজেকে আরও সুন্দর করে তুলছেন, আরও আকর্ষণীয় করে তুলছেন, তা থেকে বোঝাই যায় তাঁর লাইফস্টাইলে রয়েছে একাধিক গোপন রহস্য।

যদিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় বড্ড বেশি সক্রিয় কোয়েল। লকডাউনে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলতে হাজির তিনি নিজের সোশ্যল পেজে। কখনও সেখানে উঠে আসছে ছোট্ট বেলার খুঁনসুটির মুহূর্ত, কখনও আবার ধরা দেয় কোয়েল সম্পর্কে একাধিক না জানা কথা।

koel mallickতবে এবার বেশ মজার এক গল্প নিয়ে হাজির হলেন কোয়েল মল্লিক। ফুচকা খেতে কে না ভালোবাসে! সুযোগ পেলে মনে হয় গোটা দোকানটাই যদি নিয়ে নেওয়া যেত, আর এই সুযোগ পেয়ে কোয়েল কী কাণ্ড ঘটিয়েছিল জেনে অবার ভক্তমহল। মল্লিক বাড়ির দুর্গাপুজো মানেই রমরমা ব্যাপার। দাদা-দিদিদের মাঝে ছোট্ট কোয়েলের দিন কাটত নানান ব্যস্ততায় আর হুল্লোরে। তবে অনেকেই কোয়েল ব্যাস্ত ভেবে তাঁকে ফেলেই ঘুরতে চলে যেত।

এতেই একবার বেজায় চটে যায় কোয়েল মল্লিক। জুরে দেন কান্নাকাটি, অগত্য বাড়ির গুরুজনদের নজরে পড়ে বিষয়টা, এরপর কোয়েসলের জ্যাঠা তাঁকে বলেন ঘুরতে যাওয়ার কথা, কিন্তু খুব একটা ইচ্ছে ছিল না তাঁর। তবুও মিস না করে বেরিয়ে পড়ে, আর সেখানেই ঘটে অবাক কাণ্ড, এক ধাক্কায় ৫০ টা ফুচকা কাঁদতে কাঁদতে খেয়ে ফেলন কোয়েল! এমন সুযোগ পেলে আপনার সংখ্যাটা ঠিক এর কাছাকাছিই হত, তাই নয় কি!