Tripura: আগরতলায় দ্বিতীয়,অন্যত্র ‘টিমটিম’ হয়েই বিরোধী তকমার দাবি TMC নেতাদের

opposition face in tripura

News Desk: ব্যাপক রিগিং ও বুথ লুঠের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষের পর যে ত্রিপুরা (Tripura) পুরনিগম ও নগর নির্বাচন হয়েছে তার ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তিন নম্বরেই।

নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, বিজেপি সারা রাজ্যে পেয়েছে ৫৯.০১% ভোট। ১৯.৬৫% সারা রাজ্যে ভোট পেয়েছে বামফ্রন্ট। তৃণমূল কংগ্রেস ১৬.৩৯% ভোট পেয়েছে।আর কংগ্রেস ২.০৭% ভোট পেয়েছে।

আগরতলা পুরনিগম সহ রাজ্যের ১৩টি পুরসভা ও ৬টি নগর পঞ্চায়েত দখল করেছে শাসকদল বিজেপি। রাজ্যে ভোটের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে বামেরা।

তবে আগরতলা পুর নিগমের ভোটে চমক তৈরি করে টিএমসি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এখানে তৃতীয় বামেরা। আগরতলা পুর নিগমের ৫১ টি আসনের মধ্যে সবেতেই জয়ী শাসকদল।  আগরতলা পুর নিগমের ভোট প্রাপ্তির হার:

বিজেপি পেয়েছে ৫৭.৬৭ শতাংশ।
তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২০.২২ শতাংশ।
বামফ্রন্ট পেয়েছে ১৮.১৪ শতাংশ।
কংগ্রেস পেয়েছে ১.৭৬ শতাংশ।

আগরতলা পুর নিগমের ফল বের হওয়ার পর, টিএমসি নেতারা দাবি করতে শুরু করেন, তারা রাজ্যে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁদের আরও দাবি, বিধানসভায় বিরোধী আসনে থাকলেও বামেরা ত্রিপুরায় অস্তিত্বহীন।

Tripura municipal election

একনজরে ত্রিপুরা পুর ও নগর নির্বাচন ফল
বিজেপি ৩২৯
সিপিআইএম ৩
টি়এমসি ১
তিপ্রা মথা ১

এই ফল আসা মাত্র তৃণমূল কংগ্রেস নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, ও ত্রিপুরার দলীয় নেতা সুবল ভৌমিক আগরতলায় যৌ়থ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। দুই নেতা দাবি করেন, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম মাত্র তিনমাসে কোনও ভিনরাজ্যে গিয়ে একটি দল ভোটে লড়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসল। এটি একটি নজির। আগামী ২০২৩ বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় টিএমসি সরকার গড়বে।

তবে পুর ও নগর নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিশ্লেষণের কোনও জায়গাই নেই এমনই দাবি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের। যুক্তি হিসেবে বামেরা তুলে ধরছে ব্যাপক ছাপ্পা ও রিগিং অভিযোগ। বামেদের দাবি, যেখানে প্রায় একশ শতাংশ আসনেই ভোট হয়েছে রিগিং করে সেখানে কে কত ভোট পেল তা গ্রহণযোগ্য নয়। রাজবাসী যদি সঠিকভাবে ভোট দিতে পারতেন তাহলে পুর নির্বাচনেই বিজেপির পতন দেখা যেত। বিধানসভার লড়াই হবে অন্য মাত্রায়। ভোটের ফলকে পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছে বিরোধী দল সিপিআইএম।

Tripura: ‘ব্যাপক রিগিং’ অভিযোগের ভোটে জয়ী BJP, প্রাপ্ত গুণতে কালঘাম ছুটছে

Tripura municipal election

News Desk, Agartala: কত এসেছে? নিচু তলা থেকে দলীয় ভোট পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞরা গুণতে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। শুধু ত্রিপুরার (Tripura) রাজধানী আগরতলা পুরনিগম নয়, পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের যে সব হিসেব আসছে তাতে ভোট প্রাপ্তির শতাংশ দেখে চমকে যাচ্ছেন কারিয়াকর্তারা। হিসেব মেলাতে গিয়ে কালঘাম ছুটতে শুরু করেছে।

প্রবল ভোট সন্ত্রাসের কারণে আগরতলা পুরনিগমের ৫১টি ওয়ার্ডকেই স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছিল ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে থেকে ও ভোট চলাকালীন ব্যাপক ছাপ্পা চলতে শুরু করে। সর্বক্ষেত্রে অভিযুক্ত হয় বিজেপি। বিরোধী দল সিপিআইএম ভোট লুঠের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অবস্থান হয়েছিল। খোদ রাজধানীর ভোট পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ।

আগরতলা পুর নিগমের বুথ লুঠ, ভোটারদের উপর হামলা এমনকি বিজেপি সমর্থকদের উপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রবীণ ভোটারদের মারধর, বুথের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ফলে ভোট পড়ার শতাংশ সঠিক নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক নজরে আগরতলা পুরনিগমের ফলাফল।
৫১ টি আসনের মধ্যে সবতেই জয়ী বিজেপি।
বিজেপি ৫৭.৬৭ শতাংশ, তৃণমূল কংগ্রেস ২০.২২ শতাংশ, বামফ্রন্ট ১৮.১৪ শতাংশ, কংগ্রেস ১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ, রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম নেমেছে তিন নম্বরে।

ভোটে তুমুল রিগিং অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল। রাজ্য সরকারের কাছে ভোটে নিরাপত্তা দানের নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। ফলাফল বের হওয়ার পর জয় মসৃণ হলেও ভোট প্রাপ্তির সঠিক হিসেব নেই বিজেপির কাছে।

রাজ্যের বাকি ৬টি নগর পঞ্চায়েত ও ৩টি পুর পরিষদেও বিজেপির একছত্র জয়। কোথাও কোথাও বিরোধী সিপিআইএম ও টিএমসির কেউ কে়ু়উ জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের আগেই শতাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় শাসকদল জয়ী হয়ে যায়।

এই বিপুল জয়ের হিসেবেও কাঁটা হয়ে খচখচ করছে ভোট প্রাপ্তির সঠিক পরিসংখ্যান। কোথাও কোনও হিসেবই সঠিক আসছে না। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, যেভাবে রিগিং হয়েছে তাতে শাসক দল বিজেপি জানেই না তাদের ভোট কত শতাংশ। হিসেব সেই ২০১৮ সালের বিধানসভায় নির্বাচনের ফলাফলে আটকে রয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি জোট সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোট, লোকসভা নির্বাচনে কত সমর্থন বিপ্লব দেব সরকারের, তার সঠিক হিসেবই নেই।

পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট প্রাপ্তির সঠিক তথ্য না থাকায় আগামী বিধানসভা ভোটে সরকারপক্ষ সমস্যায় পড়তে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বিধানসভা ভোট হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। থাকবে কড়াকড়ি।

Tripura: শাসক বিজেপির ‘গণতন্ত্রের জয়’ বনাম বিরোধী CPIM এর কার্টুন কটাক্ষ

tripura election

News Desk: ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা ভোটের আগে যে সেমিফাইনাল হয়ে গেল তার ফলাফলে শাসক বিজেপির বিপুল জয় এসেছে। তেমনই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম। আগরতলা পুর নিগম বিজেপির দখলে। রাজ্যের ৬টি নগর পঞ্চায়েত ও ৩টি পুর পরিষদে কোথাও টিমটিম করে জ্বলছে বিরোধী দলের দুটি একটি প্রার্থীর নাম। তাৎপর্যপূর্ণ, আগরতলা পুরনিগমে তৃণমূল কংগ্রেস কোনও আসন না পেলেও বিরোধীপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে। একাধিক ওয়ার্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল সিপিআইএমের থেকে এগিয়ে।

রবিবার গণনার ফলে ছবিটা স্পষ্ট হতেই শাসক বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী মোদী, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে পোস্টারে ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়া। বিজেপির দাবি ‘গণতন্ত্রের জয়’।

আর নির্বাচনে সন্ত্রাস, রিগিং ও ভোট লুঠের যে অভিযোগে ত্রিপুরা সহ দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল তাকে হাতিয়ার করে কার্টুন প্রকাশ করেছে সিপিআইএম। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের ফেসবুক পেজে সেই কার্টুন প্রকাশ করা হয়েছে। এই কার্টুন প্রবল আলোড়ন ফেলে দিল।

ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক ভোট লুঠের অভিযোগে রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্ট বারবার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বিঘ্ন ভোট পরিবেশ তৈরির। বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে পাত্তা না দিয়েই চলেছিল বুথ দখল। ভোট পরবর্তী হামলায় বারবার উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য।

এই পরিস্থিতিতে পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ফল বের হওয়ার ঠিক আগেই রাজ্য প্রশাসনকে কটাক্ষ করে বিরোধী দল সিপিআইএমের কার্টুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্রবল সরগরম।

Tripura: পিস্তল নিয়ে ভোটারদের হুমকি বিজেপির, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সিপিআইএমের

Tripura violence

News Desk: ত্রিপুরার (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট শুরুর আগে বাড়ি বাড়ি ঢুকে ভোটারদের হুমকি ও ভোট না দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ভিডিও তুলে ধরল রাজ্যের বিরোধীদল সিপিআইএম।

রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগ, কীভাবে নির্বাচন বানচাল করতে চাইছে শাসক বিজেপির মদতপুষ্ট হামলাকারীরা এই ভিডিও তারই প্রমাণ। ভিডিওটি বিলোনিয়ার বলে দাবি করে়ছে সিপিআইএম। শাসক বিজেপি এই বিষয়ে নীরব।

বৃহস্পতিবার আগরতলা পুর নিগমের ভোট। একইসাথে অন্যান্য নগর পঞ্চায়েতেও নির্বাচন। রাজধানী শহর আগরতলার সবকটি বুথ স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ রাতেই বিভিন্ন বুথ দখল করার ছক করেছে শাসক দল। এই মর্মে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে রাতেই জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

রাত বাড়ছে একের পর এক এলাকা থেকে ভোট সন্ত্রাসের সংবাদ আসছে। ভোটকর্মীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগতে শুরু করেছেন। বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়ক তথা প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণের অভিযোগ, নির্বাচনে নিয়ে প্রহসন চালাচ্ছেন সরকারের একাংশ। এতে বিজেপির ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত হচ্ছে। তবে বিরোধী সিপিআইএমের সোশ্যাল সাইটে সুদীপবাবুর কিছু পুরনো ছবি দেখিয়ে তুলে ধরা হয় যারা হামলাকারী তারা প্রাক্তন মন্ত্রীরই ঘনিষ্ঠ।

Tripura: সন্ধের আগেই হামলা শুরু, সকালে ভোট সন্ত্রাসের আশঙ্কা

tripura-cpm

News Desk: আগরতলা পুর নির্বাচন সহ রাজ্যের বাকি নগর পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক আগের মুহূর্তে ফের শুরু হয়েছে সন্ত্রাস। বিরোধী সিপিআইএম প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি হামলা চলছে। বেশকিছু দোকান ভাঙচুর। অভিযোগ সর্বক্ষেত্রে বিজেপির বাইক বাহিনী হামলা করছে। যদিও বিজেপি এই দাবি অস্বীকার করেছে।

বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় বহু চর্চিত আগরতলা পুর নিগমের ভোট ঘিরে বু়ধবার বিকেল থেকেই হিংসাক্মক পরিস্থিতি তৈরি হলো ফের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হামলা চলছে বলে অভিযোগ বিরোধী দল সিপিআইএমের। একই অভিযোগ করছে তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের স্ত্রী তথা সিপিআইএম নেত্রী পাঞ্চালি সরকারের অভিযোগ, শাসক বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় এসেছিল তার একটিও পূর্ণ হয়নি। এর ফলে সন্ত্রাস পরিবেশ তৈরি করেছে।

পাঞ্চালি সরকারের উপস্থিতিতে বিজেপি আশ্রিত হামলাকারীদের নামের তালিকা সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পঞ্চালি সরকার জানান, পরিস্থিতি এমন যে বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে গিয়েও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হামলাকারী ৯ জনের নামের তালিকা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আগরতলার বিভিন্ন ওয়েব সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে হামলাকারীদের ছবি। অভিযোগ, সব জেনেও নির্বাচন কমিশন নীরব। ভোটের দিন সকাল থেকে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হবে বলেই আশঙ্কা। পরিস্থিতি দেখে পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডের সব বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

(ছবি সৌজন্য আগরতলার সংবাদ মাধ্যম)

Tripura: ‘পশ্চিমবঙ্গে TMC সন্ত্রাসের ছবি ত্রিপুরায় দেখাচ্ছে BJP’

tripura

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তেমনই ত্রিপুরায় বিজেপি একই পথ নিয়েছে। ত্রিপুরায় পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের আবহে রবিবার দিনভর রাজনৈতিক হামলার প্রেক্ষিতে এমনই অভিযোগ করলেন সিপিআইএম নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী।

সুজনবাবুর আরও অভিযোগ দুই রাজ্যের দুই শাসক দলের বিরুদ্ধেই। তিনি বলেন, ত্রিপুরায় সিপিআইএম প্রধান বিরোধী দল। কেন তাদের উপর হামলার সংবাদ চেপে যাচ্ছে কলকাতার সংবাদ মাধ্যম।

tripura

ত্রিপুরায় আইন শৃঙ্খলা শিকেয় উঠেছে এমনই অভিযোগ করে বিবৃতি দিল বিরোধী দল সিপিআইএম। এই বিবৃতিতে তৃণমূল যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে থানায় জেরা করার সময় হামলার কড়া নিন্দা জানানো হয়েছে।

বিবৃতি দিয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার নিন্দা করেছে সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি। বিরোধী দলনেতা ও প্রাক্তন মু়খ্যমন্ত্রী মানিক সরকার নির্বাচনী জনসভায় বিজেপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেছেন সরকার জনসমর্থন হারিয়ে হিংসার পথ নিয়েছে। আগামী বিধানসভা ভোটে পরাজয় নিশ্চিত।

দিনভর পূর্ব আগরতলা থানায় দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। টিএমসি নেতারা থানাতেই আক্রান্ত হন। সাংবাদিকরা আক্রান্ত হন। অভিযোগ পুলিশের সামনেই হামলা চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তবে পুলিশ বলছে ‘কিছু জানি না’। এমনকি রাজ্য পুলিশের কর্তারা পর্যন্ত নীরব।

ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের তরফেও শাসক বিজেপি কড়া নিন্দা করা হয়েছে। দলীয় প্রার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছেন বলেই অভিযোগ।

খুনের চেষ্টার অভিযোগে তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার করার পর থেকে ত্রিপুরার ভোট উত্তাপ পশ্চিমবঙ্গে ছড়াতে শুরু করে। পরপর অভিযোগে বিদ্ধ হয়েও শাসক বিজেপি নীরব। তবে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, সায়নী ঘোষ ত্রিপুরায় হাওয়া গরম করতে গেছেন।

Tripura: ‘খুনের চেষ্টার অভিযোগে’ গ্রেফতার TMC যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ

News Desk: ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে শাসক বিজেপি বনাম বিরোধী সিপিআইএমের মূল লড়াই। তার মাঝে তৃৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে তুলকালাম কান্ড চলছে। এবার খুনের চেষ্টার অভিযোগে টিএমসি যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

রবিবার বেলা গড়াতেই আগরতলা সরগরম হয় থানায় হামলার কারণে। আগরতলা পূর্ব থানায় ডেকে পাঠানো হয় টিএমসি নেত্রী ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে। তাকে যখন পুলিশ জেরা করছিল তখনই হামলা হয় থানায়। সশস্ত্র পুলিশের সামনেই হেলমেট পরা কয়েকজন যুবক এসে হামলা করে টিএমসি নেতাদের উপর। কুণাল ঘোষের অভিযোগ, ফাঁদ পেতে পুলিশ এই হামলা করিয়েছে। হামলাকারীরা বিজেপির সমর্থক বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পড়ুন: Tripura: থানায় ঢুকে সশস্ত্র পুলিশের সামনে TMC কে ‘পেটানোয়’ অভিযুক্ত BJP

এদিকে জেরার পর টিএমসি নেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতারের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত। তিনি খেলা হবে বলে স্লোগান দিয়েছিলেন। তাঁর এই স্লোগানের ভিত্তিতেই পুলিশ থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

টি়এমসি নেতা কু়ণাল ঘোষের অভিযোগ, থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল বিনা নোটিশে। আইন মেনে থানায় গিয়েছিলেন সায়নী ঘোষ। কিন্তু তাকে গ্রেফতারির পরে তাকে আদালতে যতক্ষণ না পেশ করছে পুলিশ ততক্ষণ জামিনের প্রক্রিয়া ঢিলে হবে। এই বিষয়ে আইনজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলছে দল।

Tripura: থানায় ঢুকে সশস্ত্র পুলিশের সামনে TMC কে ‘পেটানোয়’ অভিযুক্ত BJP

tripura

News Desk: তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ ত্রিপুরার পূর্ব আগরতলার থানার পুলিশ তদন্তের নামে ডেকে পাঠিয়ে ফাঁদ তৈরি করেছিল। থানার মধ্যেই আক্রান্ত হয়ে এমনই মারাত্মক অভিযোগ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, কীভাবে থানায় ঢুকে সশস্ত্র পুলিশের সামনেই টিএমসি নেতা সমর্থকদের উপর হামলা চালাচ্ছে একদল দুষ্কৃতি। অভিযোগ হামলাকারীরা সবাই শাসক বিজেপির সমর্থক।

tripura

ঘটনাস্থল পূর্ব আগরতলা থানা এলাকা। তৃ়ণমূল কংগ্রেসের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষের ‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক মন্তব্যের কারণে ডেকে পাঠানো হয়। তিনি থানায় যান। অভিযোগ এর পরেই শুরু হয় হামলা। টিএমসি নেতা কুণাল ঘোষের অভিযোগ, সায়নীর জন্য সাহায্য করতে এসে থানার মধ্যেই হামলার মুখে পড়ি। এটা একটা ফাঁদ, সবই পূর্ব পরিকল্পিত বলে তিনি আরও অভিযোগ করেছেন।

tripura

ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দলীয় জনসভায় বলেছেন, ‘এখানে একটা মারলে ওখানে পাঁচটা মারব।’ তেলিয়ামুড়ায় পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়রের এই ভাষণের পর থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশ নতুন করে উত্তপ্ত হতে থাকে। আগরতলায় নিজেরই গানে একসময় টিএমসিকে তুলোধনা করা প্রাক্তন বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয়কে কটাক্ষ করেন ত্রিপুরার বিজেপি সমর্থকরা। বর্তমান টিএমসি নেতা বাবুল এতে অস্বস্তিতে পড়ে যান। তাঁর সঙ্গে বিজেপির সমর্থকদের বচসা হয়। পুলিশ সামাল দেয় পরিস্থিতি।

রবিবার সকাল থেকে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ভ। পুলিশের সামনেই আক্রান্ত হলেন টিএমসি নেতারা। এর আগে পুলিশের সামনেই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে হামলা হয়েছিল।