Kolkata: সোমবার থেকে শহরের স্কুলে স্কুলে টিকাকরণ কর্মসূচি

kolkata school

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: নতুন বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ভারতে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। টিকাকরণ হবে এ রাজ্যেও। ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ নিয়ে এদিন গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শহরের বিভিন্ন স্কুলে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করা হবে।

ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি থেকে কলকাতার ৫০ টি বিদ্যালয়ে ১৫ বছর থেকে টিকা দেওয়া হবে। সেখানে বহিরাগতরাও টিকা নিতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ওমিক্রন সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ফের কড়া বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন। বন্ধ হতে পারে স্কুল কলেজ, কমানো হবে লোকাল ট্রেন এবং ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর দেওয়া হবে।

Covid Bulletin: দেশে মোট ওমিক্রন সংক্রমিত ৬৫৩, সর্বাধিক আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে

Covid: A total of 853 cases of Omicron are infected in the country, with Maharashtra being the most affected

News Desk: দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজারের উপরে থাকলেও কমে এল দৈনিক মৃত্যু। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৩৫৮ জন। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯৩ জন। একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ৪৫০ জন। এই মুহূর্তে দেশে সুস্থতার হার ৯৮.৪০ শতাংশ। দেশে করোনা আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭৫ হাজার ৮৪১।

অন্যদিকে, ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫৩ পার করেছে। এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, ১৬৭। দিল্লিতে ১৬৫, কেরলে ৫৭, তেলেঙ্গানায় ৫৫ এবং গুজরাটে ৪৯।

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা টিকাকরণের সংখ্যা ৭২ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৪৭। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৪২ কোটি ৪৬ লক্ষ ৮১ হাজার ৭৩৬।

Narendra Modi  Birthday: মৃত ব্যক্তিকেও ভ্যাকসিনের শংসাপত্র দেওয়ার কথা স্বীকার কেন্দ্রের

Narendra Modi  vaccination

News Desk, New Delhi: কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে (Narendra Modi  Birthday) গোটা দেশে রেকর্ড সংখ্যক আড়াই কোটি মানুষকে করোনার টিকা (vaccination) দেওয়া হয়েছে বলে ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার নেমেছিল কেন্দ্রীয় সরকার (central government)। দল হিসেবে বিজেপিও বিষয়টি নিয়ে ঢাক পেটাতে শুরু করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রের এই দাবি নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দিহান ছিল তৃণমূল কংগ্রেস (trinamul congress) নেতৃত্ব। সেই সন্দেহ যে অমূলক ছিল না সেটা কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই স্বীকার করল শুক্রবার।

এদিন টিকাকরণের রেকর্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কেন্দ্রের কাছে জানতে চান, রেকর্ড টিকাকরণের দিন ভ্যাকসিন পাননি বা মৃত মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। এটা কি ঠিক? যদি এটা হয়ে থাকে তবে কেন্দ্র এ বিষয়ে কী চিন্তা ভাবনা করছে? অভিষেক আরও জানতে চান রেকর্ডসংখ্যক আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার মধ্যে মৃত এবং ভ্যাকসিন না পাওয়া মানুষের নামগুলিও কি যুক্ত আছে? ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না হয় তার জন্য কেন্দ্র কি কোনও পরিকল্পনা করেছে?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার এদিন জানিয়েছেন, এ ধরনের কিছু ছোটখাটো ভুলের কথা তাঁদের নজরে এসেছে। এটা নিতান্তই বিচ্ছিন্ন ব্যাপার। ভুরি ভুরি এমন অভিযোগ উঠেছে এটা ঠিক নয়। কয়েকটি ক্ষেত্রে মৃত মানুষের নাম বা ভ্যাকসিন পাননি এমন মানুষের নামও ভ্যাকসিন প্রাপকের তালিকা উঠে গিয়েছে। এমনকী, তাঁদের নামে ভ্যাকসিন নেওয়ার শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগ অত্যন্ত সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্রে উঠেছে। যারা ডেটা এন্ট্রির দায়িত্বে ছিলেন তাদের ভুলের জন্যই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। যে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী ডেটা এন্ট্রির কাজ করছিলেন তাঁরা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তথ্য সঠিকভাবে আপডেট না করায় এ ধরনের কিছু ভুল হয়েছে। এই ভুল সংশোধন করার জন্য বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অনুরোধ জানান হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই উত্তরে এটা পরিষ্কার হয়ে গেল যে, তৃণমূল কংগ্রেস এতদিন ধরে য অভিযোগ করে আসছিল সেটা ঠিক। অর্থাৎ মোদীর জন্মদিনে রেকর্ড সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্র ওই পরিসংখ্যানে অনেক জল মিশিয়েছে। রেকর্ডের কথা বলার জন্য ভ্যাকসিন নেয়নি এমন মানুষের নামও টিকা প্রাপকদের তালিকায় তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, মৃতদের নামেও শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র ভ্যাকসিন প্রাপকের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখাতেই এটা করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয়। মোদী সরকার জেনে-বুঝেই এটা করেছে। এখন নিরীহ ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে নিজেদের দোষ ঝেড়ে ফেলছে।

তবে অভিষেকের দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কেন্দ্রের এদিনের জবাবে তারা যথেষ্ট বেকায়দায় পড়েছে। কারণ এই স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে কেন্দ্র এটাই স্বীকার করে নিয়েছে যে, মোদীর জন্মদিনে আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দিয়ে রেকর্ড গড়ার যে দাবি করা হয়েছিল তা একেবারেই ঠিক নয়। বরং এই পরিসংখ্যানে অনেকটাই জল মিশে রয়েছে।

Australian Open champion: কোভিড ১৯ টিকাকরণ নিয়ম শিথিল না হলে খেলবেন না নোভাক জোকোভিচ

Australian Open champion Novak Djokovic

Sports desk: নয়বারের চ্যাম্পিয়ন সার্বিয়ান টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে (Australian Open champion) খেলার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা কালো মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। নোভাক জোকোভিচের বাবা সেরাজান জোকোভিচ বলেছেন, কোভিড -১৯ টিকাকরণের নিয়ম শিথিল না করা হলে খেলার সম্ভাবনা নেই।

টিকাবিহীন খেলোয়াড়দের ২০২২ ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না এবং ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ এই ইস্যুতে এখনও নিজের অবস্থান খোলসা করেনি। নোভাক জোকোভিচের বাবা সেরাজান জোকোভিচ সংবাদমাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কোভিড-১৯ টিকাকরণ ইস্যুতে বলেছেন, “এটি ব্ল্যাকমেল এবং শর্তের অধীনে, তিনি সম্ভবত (খেলাবেন না)।” জোকোভিচের বাবার দাবি,”আমি তা করব না। এবং সে আমার ছেলে, তাই আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।”

সেরাজান জোকোভিচের কথায়, “যতদূর ভ্যাকসিন এবং অ-টিকাকরণ সম্পর্কিতবিষয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অধিকার যে আমরা টিকা দেব কি না।” সঙ্গে এও বলেছেন নোভাক জোকোভিচের বাবা,”আমাদের ঘনিষ্ঠতায় প্রবেশ করার অধিকার কারও নেই।”

বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন নয়বার চ্যাম্পিয়ন, এটা একটা রেকর্ড। রজার ফেডেরার এবং রাফায়েল নাদালের সাথে ২০ টি গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের সমান।

অন্যদিকে, স্প্যানিয়ার্ড রাফায়েল নাদাল বলেছেন যে তিনি টুর্নামেন্টে খেলার পরিকল্পনা করছেন, যা মেলবোর্নে ১৭-৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে। তবে রজার ফেডেরার হাঁটুর অস্ত্রোপচার থেকে সুস্থ হয়ে রিহ্যাবিলিটেশন স্টেজের প্রটোকল মেনে ইভেন্টটি মিস করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টুর্নামেন্টের পরিচালক ক্রেগ টাইলি বলেছেন, ৮৫% পেশাদার খেলোয়াড়দের টিকা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি আশা করেন যে ইভেন্টের সময় এই সংখ্যা “৯০-৯৫ % এর মধ্যে হবে” যেখানে অনুরাগী এবং কর্মীদেরও টিকাকরণ না দেওয়া হলে টুর্নামেন্টে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

টিকা নিলেই মিলবে ফ্রিজ-ওয়াশিং মেশিন-কালার টিভি: অভিনব উদ্যোগ পুরসভার

vaccination incentives

News Desk, Mumbai: বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন করোনা প্রতিরোধ করতে ভ্যাকসিনই শেষ কথা। কিন্তু তারপরেও বহু মানুষ ভ্যাকসিন এড়িয়ে যাচ্ছেন। যদিও দেশে করোনা এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এমন নয়। তাই মানুষ যাতে টিকা নিতে আরও বেশি করে এগিয়ে আসেন সেজন্য এক বিশেষ কর্মসূচি নিল পুরসভা। পুরপ্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে করোনার টিকা নিলে কালার টিভি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্রিজের মতো বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হবে। এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর পুরসভা ( chandrapur municipality)।

বৃহস্পতিবার পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের ১২ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে পুরসভা একাধিক টিকাকরণ শিবির করবে। এই শিবিরে যারা টিকা নেবেন তাদের জন্য থাকবে বিশেষ লাকি ড্র। এই লাকি ড্রয়ের মাধ্যমে টিকা প্রাপকরা রঙিন টিভি, ওয়াশিং মেশিন, মিক্সার গ্রাইন্ডার, ফ্রিজের মতো একাধিক আকর্ষণীয় পুরস্কার পাবেন।

পুরসভার মেয়র সঞ্জয় কাঞ্চারলাওয়ার (sanjay kancharalawar) পুরসভার এই বিশেষ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। পুরসভার কমিশনার রাজেশ মোহিত (rajesh mohit) সাধারণ মানুষকে পুরসভার টিকাকরণ শিবিরে টিকা নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেছেন।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী বিভিন্ন ব্যক্তি, দোকানদার এবং ব্যবসায়ীরা যদি করোনার ভ্যাকসিন না নিয়ে থাকেন তবে তাঁদের শহরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। সবজি বিক্রেতা বা যে সমস্ত ব্যক্তি শহরের বাজারে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করেন তাঁদেরকেও বাধ্যতামূলকভাবে টিকা নিতে হবে। কারণ তাঁরা প্রতিদিন বহু মানুষের সংস্পর্শে আসেন। শুধু ঠিকা নেওয়াই নয় সঙ্গে রাখতে হবে টিকা নেওয়ার শংসাপত্রও (certificate)।

উল্লেখ্য, বুধবার চন্দ্রপুর জেলায় নতুন করে কয়েকজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। তবে মৃত্যুর কোনও খবর নেই। এ ঘটনায় পুরসভার পক্ষ থেকে টিকাকরণে মানুষকে উৎসাহ দিতে এই অভিনব পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হল। জানা গিয়েছে, চন্দ্রপুর শহরে এখনও পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ মানুষ টিকার একটি ডোজ পেয়েছেন। এক লাখ মানুষ পেয়েছেন টিকার দু’টি ডোজ। কিন্তু এই শহরের মোট জনসংখ্যার তুলনায় টিকাকরণের হার যথেষ্টই কম। মানুষ যাতে টিকা নিতে আরও বেশি করে এগিয়ে আসেন তার জন্যই এই অভিনব উদ্যোগ চন্দ্রপুর পুরসভার।

প্যান-আধার-ড্রাইভিং লাইসেন্স করাতে করোনা টিকাকরণের শংসাপত্র আবশ্যিক

Coroner's Vaccination

News Desk: দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যাতে করোনার টিকাকরণে এগিয়ে আসেন তার জন্য বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রাজ্যে এ ধরনের নিয়ম চালু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী দিনে প্যান কার্ড (PAN Card), আধার কার্ড (Aadhar Card), ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা রেশন কার্ডের মত জরুরি কাজ করাতে গেলে কোভিড টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করা আবশ্যিক করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার।

ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ (Utter Pradesh), কর্নাটক (Karnataka), গুজরাত (Gujrat), মিজোরাম (Mizoram)-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই নিয়ম চালু করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার বিভিন্ন জেলা প্রশাসনকে দেওয়া নির্দেশে জানিয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স করাতে যারা আবেদন করবে তাদের অবশ্যই করোনার টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করতে হবে। যদি কারও কাছে টিকাকরণের শংসাপত্র না থাকে তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। যতক্ষণ না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন না।

তবে শুধু রাজ্যের পরিবহণ দফতরে নয়, প্রতিটি দফতরকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ Yogi Adityanath)। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদেরও টিকাকরণ আবশ্যিক করার কথা বলা হয়েছে। যোগী সরকার তার নির্দেশে জানিয়েছে, কোনও শ্রমিকের যদি টিকাকরণের শংসাপত্র না থাকে তবে তাকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না। উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও গুজরাত, কর্নাটক এবং মেঘালয়েও একই ধরনের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

প্রতিটি রাজ্যেই বলা হয়েছে, প্যান কার্ড, রেশন কার্ড, আধার কার্ড, এমনকী পাসপোর্ট করাতে গেলেও টিকাকরণের শংসাপত্র দাখিল করা আবশ্যিক। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানদার ও ফুটপাতে যারা ব্যবসা করেন তাদেরও টিকা নেওয়ার আবশ্যিক করা হয়েছে। একইভাবে ট্যাক্সি বা ক্যাব চালকদেরও টিকাকরণের শংসাপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। মনে করা হচ্ছে, এই নির্দেশ ঠিক ভাবে কার্যকর হলে প্রতিটি মানুষকেই টিকা নিতে হবে। না নিলে তাঁরা কখনওই এ ধরনের জরুরি কাজগুলি করতে পারবেন না।

কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি মানুষকে টিকার দুটি ডোজ দিতে চান। সেই লক্ষ্য পূরণে যাতে কোন সমস্যা না হয় তার জন্যই কেন্দ্র গোটা দেশে এই সিদ্ধান্ত জারি করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

WHO: করোনার হামলা ২০২২ সাল জুড়েই, এসেছে সতর্কতা

WHO: Corona attacks throughout 2022

নিউজ ডেস্ক: করোনা এখনই কমছে না। এই জীবাণু সংক্রমণের কারণে মহামারি চলবে ২০২২ সাল পর্যন্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এমন সতর্কতা দিয়েছে।  হু জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী করোনার টিকা পাচ্ছে না দরিদ্র দেশগুলো। এই কারণে এই মহামারি আগামী

বছরও গভীরভাবে বিদ্যমান থাকতে পারে।
হু কর্মকর্তা ব্রুস আইলওয়ার্ড বলেন, দরিদ্র দেশগুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা না পাওয়ার অর্থ করোনা সংকট অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ হতে চলেছে। তিনি বলেন, অর্থাৎ করোনা মহামারি ২০২২ সালেও থাকতে পারে। ডব্লিউএইচওর কর্মকর্তা বলেন, টিকাদানের ক্ষেত্রে আমরা সঠিক গতি পথে নেই। সএই কার্যক্রমকে গতিশীল করা দরকার।

হু রিপোর্ট ভিত্তি করে বিবিসি জানাচ্ছে,অন্যান্য মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ যেখানে টিকা পেয়েছেন, সেখানে আফ্রিকা মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশেরও কমসংখ্যক মানুষ এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় এসেছে। এই দেশগুলির অসংগতি মানুষ প্রবল করোনা সংক্রমণের মুখে রয়েছেন।

বিবিসি জানাচ্ছে, টিকার অভাবে থাকা দেশগুলিতে এক কোটির বেশি ডোজ টিকা সরবরাহ করেছে ইংল্যান্ডে।  মোট ১০ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

বিবিসি জানিয়েছে করোনা টিকার সিংহভাগ উচ্চসআয়ের দেশে চলে গেছে। বিশ্বব্যাপি করোনার টিকার মাত্র ২. ৬ শতাংশ পেয়েছে আফ্রিকা।