Weather Update: বর্ষা বিদায়ের পূর্বাভাসের মধ্যেই বৃষ্টির ভ্রুকুটি

weather update

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: তাই আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে বর্ষা বিদায়ের পালা শুরু হবে বাংলায়। তাই সপ্তমী পর্যন্ত আকাশ মোটের উপর পরিষ্কার থাকবে। এই দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে বিক্ষিপ্তভাবে দুই-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যের কয়েকটি জায়গায়। তবে বর্ষা বিদায়ের পূর্বাভাসেই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।

পূর্বাভাস মতো, রবিবার পঞ্চমীর সকালে সামান্য বৃষ্টি হয় কলকাতায়। ষষ্ঠী, সপ্তমী মোটের উপর নির্বিঘ্নেই পুজো দেখতে বের হতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে অষ্টমী থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপের জেরে দুই মেদিনীপুর-সহ দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও নদিয়া জেলায় আগামী ১৪ ও ১৫ তারিখ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১৩ তারিখ অষ্টমীতেও বৃষ্টি হবে রাজ্যের একাধিক জেলায়। কিন্তু উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া মোটামুটি ভালো থাকবে।

এদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বজ্রবিদ্যুত্-সহ বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। কলকাতায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ, গোয়া, কর্নাটক, কেরল, মাহে, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু মহারাষ্ট্রের কোঙ্কন উপকূলের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি হয়েছে।

আজ সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ।

Weather update: পুজোর আবহাওয়ায় পট পরিবর্তনের সম্ভাবনা

rain in Kolkata during Pujo

নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেদন: পুজোর আবহাওয়া নিয়ে নয়া আপডেট দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বলা হচ্ছে বৃষ্টির চেয়ে বেশি।মেঘলা আকাশ থাকতে পারে কলকাতায়। এমনটাই পূর্বভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
আজ শনি ও রবিবারও কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাস জানিয়েছেন,’ বৃষ্টির পরিমাণ এখন অনেকটাই কমে এসেছে।

দক্ষিণবঙ্গে সেভাবে আর জলীয় বাষ্প জমাট বাঁধছে না। ফলে দক্ষিণবঙ্গে সেভাবে আর বৃষ্টি হবে না। আগামী ১৩,১৪ ও ১৫ অক্টোবর কলকাতায় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।’ তবে এর সঙ্গেই আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগরে একটি একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। তারপর সেটি সরে যাবে ওডিশা ও অন্ধ্র উপকূলের দিকে। এর জেরে উপকূলের জেলাগুলিকে ১৩,১৪ ও ১৫ অক্টোবর হালকা বৃষ্টি হতে পারে।’ তবে এটা আরও পরিষ্কার হবে আর দিন দুয়েক পর।

কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা বেশিই থাকবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকবে। এর জেরে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হবে বেলার দিকে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকবে। এর জেরে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হবে বেলার দিকে। দিনের বেলা ৩৪-৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকবে। রাতের দিকে তাপমাত্রা থাকবে ২৭-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এই সাত জেলায়। মাঝে মাঝে হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতও। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের আকাশ থাকবে পরিষ্কার।

Weather update: বাংলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস

Calcutta. Chance of Rain with Thunderstorms

নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে কলকাত-সহ বাংলার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকছে। তবে শনিবার থেকে মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ থাকতে পারে, বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। কিন্তু পুজোয় দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছেই।

সূত্রের খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বাংলায়। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়ার পরিস্থিতি থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পুজোর আগে রবিবার উত্তর আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরের চার-পাঁচ দিনে সেটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে ওডিশার দক্ষিণ ও অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূলে পৌঁছবে। তার প্রভাবে পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, বৃষ্টি হতে পারে অষ্টমীতে! নবমী ও দশমীতে কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে বলে পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে দক্ষিণবঙ্গের মুখ ভার হলেও, পুজোর সময় উত্তরবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে৷ ৬ অক্টোবর থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, বাংলা থেকে কবে বর্ষা কবে বিদায় নেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

এদিকে বৃষ্টি একটু থামতেই বেড়েছে তাপমাত্রা এবং ভ্যাপসা গরম। আজ শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ।
মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর বর্ষা বিদায় শুরু হবে দেশে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেবে। বাংলায় বর্ষা-বিদায় নেয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বছর তা কিছুটা পিছবে বলেই আশঙ্কা।

Weather update: নিম্নচাপের জেরে পুজোয় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস

rain in durga puja

নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের পিছু যে বৃষ্টি ছাড়বে না তা স্পষ্ট করে দিল হাওয়া অফিস। তৈরি হবে নিম্নচাপ তার জেরেই পুজোর সময় উপকূলীয় সাত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি শুরু হতে পারে অষ্টমীর রাত থেকে। এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এর কারণ কী? জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জেরেই দুর্গাপুজোয় বৃষ্টি হবে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। অষ্টমী, নবমী ও দশমী এই তিন দিন কলকাতা, দুই পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া এবং হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলেই জানানো হয়েছে। এই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, হিমালয়ের পাদদেশ এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার প্রভাবে আগামী সপ্তাহে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তার পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে রবিবার উত্তর আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরের চার-পাঁচ দিনে সেটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে ওডিশার দক্ষিণ ও অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূলে পৌঁছবে। তার প্রভাবে পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

এদিকে এখন কলকাতায় ভ্যাপসা গরম থাকছে। মাঝে মাঝেই মেঘলা হয়ে যাচ্ছে আকাশ। সঙ্গে বেলার দিকে প্রত্যেক দিনই অল্প বৃষ্টি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৯ শতাংশ। বৃষ্টি হয়নি।

Weather update: ভ্যাপসা গরমে শহরে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

Weather update

নিউজ ডেস্ক: ভ্যাপসা গরম থাকছে কলকাতায়। মাঝে মাঝেই মেঘলা হয়ে যাচ্ছে আকাশ। সঙ্গে বেলার দিকে প্রত্যেক দিনই অল্প বৃষ্টি হচ্ছে। হাওয়া অফিস বলছে যে আপাতত ভয়ঙ্কর বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বড় কোনও সিস্টেম তৈরি হয়নি।

তবে দু-এক পশলা বৃষ্টি হতেই পারে। যেমন মঙ্গলবারের মতো বুধবার হঠাৎ করেই কলকাতা-সহ বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হয়। সৌজন্যে উড়ো মেঘ।

এর পিছনে বাতাসের অতিরিক্ত আর্দ্রতাকেই দায়ী করছেন আবহবিদেরা। তাঁরা বলছেন, বাতাসের জলীয় বাষ্প দ্রুত গরম হয়ে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উঠছে এবং ঘনীভূত হয়ে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করছে। তা থেকেই স্থানীয় ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু তা একটানা হবে না।

বৃহস্পতিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৯ শতাংশ। বৃষ্টি হয়নি।

বুধবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ০.৪ মিলিমিটার।

মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

Weather update: আজ থেকে শুরু বর্ষা বিদায়, বাংলার ভাগ্য কী বলছে?

Autumn kolkata

নিউজ ডেস্ক: বর্ষার বিদায় পর্ব শুরু হচ্ছে আজ থেকেই, কিন্তু বাংলার কপালে কী লেখা আছে? কী জানাচ্ছে মৌসম ভবন? হাওয়া অফিস জানিয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু এলাকা থেকে বর্ষা বিদায় নেবে এবং তার পরে ধাপে ধাপে গোটা দেশ থেকে বর্ষা বিদায় নেবে কিন্তু তাই বাংলা থেকে বর্ষার বিদায় নিতে এখনও কিছু দেরি আছে বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

নিয়ম অনুযায়ী, এই সময়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসে ঠান্ডা হাওয়া। তা দক্ষিণী বাতাস যা আর্দ্র বাতাস টেনে আনে তাকে ধাক্কা দিয়ে বর্ষাকে হঠিয়ে দেয়। বাংলার বাতাসে এখনও সেই লক্ষন নেই। আসলে ওই উত্তুরে হাওয়া যত জোরালো ভাবে প্রবেশ করে ততই বর্ষার বিদায়পর্ব দ্রুত হয়। এটার উপরেই নির্ভর করে বর্ষা। বাংলায় তেমনটা হচ্ছে কই?

উলটে ভ্যাপসা গরম থাকছে। মাঝে মাঝেই মেঘলা হয়ে যাচ্ছে আকাশ। তবে হাওয়া অফিস এইটুকু অভয় দিচ্ছে, আপাতত ব্যাপক বর্ষার তেমন সম্ভাবনা নেই। বিশেষ কোনও সিস্টেম তৈরি হয়নি।

তবে দু-এক পশলা বৃষ্টি হতেই পারে। যেমন মঙ্গলবার হঠাৎ করেই কলকাতা-সহ বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হয়। সৌজন্যে উড়ো মেঘ। অবশ্য এটাই তো শরতের আসল আবহাওয়া। উড়ো মেঘে বৃষ্টি হবে। পরক্ষণেই আকাশ পরিস্কার। গরম হবে, ভোরের দিকে ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া। আজ মহালয়ার ভোর অনেকটা এমনই ছিল। তবে বেলার দিকে থাকবে গরম।

এর পিছনে বাতাসের অতিরিক্ত আর্দ্রতাকেই দায়ী করছেন আবহবিদেরা। তাঁরা বলছেন, বাতাসের জলীয় বাষ্প দ্রুত গরম হয়ে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উঠছে এবং ঘনীভূত হয়ে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করছে। তা থেকেই স্থানীয় ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু তা একটানা হবে না।

বুধবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ০.৪ মিলিমিটার।

মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

Weather update: উত্তরে কমবে বৃষ্টি, দক্ষিণে বাড়ছে গরম

নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার থেকেএবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির কমবে।এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির তেমন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। উলটে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “বিহার এবং সংলগ্ন এলাকায় উত্তরবঙ্গের উপরে যে নিম্নচাপ ছিল, তা অনেকটাই দুর্বল হয়ে গিয়েছে। এটিই উত্তরবঙ্গকে ঘাটতিতে থাকা বৃষ্টি দিচ্ছিল। সেটি আজ থেকে অনেকটাই কমে যাবে। আগামী ২৪ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আগামী বৃষ্টি হবে শুধুমাত্র কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে”

দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। দু-একটা জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলেও বিক্ষিপ্তভাবে হবে। তবে তার সম্ভাবনাও খুব কম। উল্টে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও।” কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে হয়েছে। সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ছে। আর আর্দ্রতাজনিত যে অস্বস্তি সেটাও কিন্তু বাড়বে।

শুধুমাত্র আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায়। কলকাতার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৪ ও সর্বনিম্ন ২৮-এর আশেপাশে থাকবে। কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে।

মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর বর্ষা বিদায় শুরু হবে দেশে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেবে। বাংলায় বর্ষা-বিদায় নেয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বছর তা কিছুটা পিছবে বলেই আশঙ্কা।

Weather update: মেঘলা আকাশে উত্তরে ভারী, দক্ষিণে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা

heavy rain in North bengal

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে আজ সোমবারও ভারী বৃষ্টির হবে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর । ভারী বৃষ্টি হবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায়। বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি হবে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায়। পাহাড়ে বৃষ্টি কমতে পারে মঙ্গলবার থেকে। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও সর্তকতা নেই। তবে বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বৃষ্টিও হতে পারে । থাকবে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তিও।

কলকাতায় আজ, সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের অঙ্গ হিসাবে এখানেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির হতে পারে। তাপমাত্রা থাকবে স্বাভাবিকের উপরে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। এটাই বাড়াবে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে যা ১ ডিগ্রি বেশি। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি-তে। অসম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হবে তামিলনাডু, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, কর্ণাটক, কোঙ্কন, গোয়া ও মহারাষ্ট্রে।

আবহাওয়া দফতর বলছে যে, অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে জায়গায় এবার অনেক দেরী করে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে ৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। বাংলা থেকে তা কবে বিদায় নেবে তা এখনও জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত এবারের বর্ষায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরেই কলকাতায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর।

Weather update: পুজোর মুখে ঘর পোড়া বাঙালি রৌদ্রজ্জ্বল আকাশেও দেখছে আশঙ্কার মেঘ

Durga puja rain

নিউজ ডেস্ক: এত তো বৃষ্টি হল। তাহলে পুজোতেও কী ঝামেলা পাকাবে বৃষ্টি? এমন হলে তো এই যে সরকার রাতে ঘোরাফেরায় ছাড় দিল সবই যাবে খরচার খাতায়! বাঙালির অবস্থা এখন সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরানোর মতো। রোদ দেখেও বাঙালি ভাবছে এর পিছনে আবার বৃষ্টির ষড়যন্ত্র লুকিয়ে নেই তো?

ভাবনায় ভুল নেই। এখনও স্পষ্ট করে কিছু না বললেও সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে বৃষ্টির। কারণ বর্ষার স্লো বাট স্টেডি এবং জমাটি ব্যাটিং। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আরও এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয় পরিষ্কার হবে’। তাই এখনই কিছু বলছেন না তিনি। দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে ৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এটা শুনে বেশি উচ্ছসিত হবেন না, কারণ বাংলা পূবের রাজ্য।

সেখান থেকে কবে অঝোরে বৃষ্টি দেওয়া এবারের বর্ষা হবে বিদেয় হবে ত বোঝাই যাচ্ছে না। এতেই, চিন্তার মেঘ ঘোরাঘুরি করছে প্রতিমা শিল্পী থেকে শুরু করে পুজো উদ্যোক্তা এবং সাধারণ মানুষের মনে। তথ্য এও বলছে যে, অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে জায়গায় এবার অনেক দেরী করে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন এমনই রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে। তবে, শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গে শুরু হবে বৃষ্টি।সপ্তাহান্তে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এবারের বর্ষায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরেই কলকাতায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। 

Weather update: বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সতর্কতা হাওয়া অফিসের

flood indian army

নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিতে সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঝেপে বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

তবে আজ শনিবারও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় কয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরু হয়নি। এদিকে আজও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে বৃষ্টি থামতে কলকাতার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে তা অসহ্যকর হয়ে ওঠেনি।শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ।

শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , তবে তা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

Weather update: বহু দিন পর রোদের দেখা দক্ষিণে, ভাসবে উত্তরবঙ্গ

kolkata-city

নিউজ ডেস্ক: বহু দিন পর নির্মল রোদ যুক্ত সকাল দেখল শহর এবং দক্ষিণবঙ্গ। হ্যাঁ, এমনটা বললে খুব একটা ভুল হবে না কারণ দক্ষিণবঙ্গের মানুষ ভুলেই গিয়েছেন শেষ কবে সকাল।বেলা উঠে রোদ দেখতে পেয়েছেন। আজ তেমনটা হয়েছে। সৌজন্যে নিম্নচাপের উত্তরবঙ্গ গমন। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

তবে আজ শুক্রবারও কয়েক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরুই হয়নি সারা দেশে, বাংলা তো কোন ছাড়। তাই হঠাৎ করে বেশ কিছুক্ষণ বৃষ্টি হলে হতেই পারে।

যেমন বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে দুপুরের দিকে তর্জন গর্জন শুরু হয় মেঘের এবং দুপুরবেলা হুড়মুড়িয়ে বেশ খানিকক্ষণ বৃষ্টি হয় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আজ শুক্রবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা বেশ কিছুটা কমই রয়েছে।শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে গিয়েছে , তবে তা এখনও স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম রয়েছে। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

এদিকে আজ থেকে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে ৪০ শতাংশ ঘাটতিতে চলা উত্তরবঙ্গে। আজ বেশি বৃষ্টি হবে মালদহ , উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই জেলাগুলিতেই বৃষ্টি হতে পারে ২ অক্টোবরও। সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং , কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।

Weather Alert: গাঙ্গেয় বঙ্গে অতিবৃষ্টির রেকর্ড, সম্ভাবনা বড় বিপর্যয়ের

big disaster in South bengal

বিশেষ প্রতিবেদন: জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতায় বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

এদিকে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।সেটাই হয়েছে। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়নি। বৃষ্টি হয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে।

Weather update: বৃষ্টি কমলেও এখনই নয় ফুলস্টপ

Rain girl

নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বইতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে রয়েছে ওই নিম্নচাপ। ফলে আজ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমান থাকবে হালকা থেকে মাঝারি।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে পূর্বাভাস মতোই খেল দেখায় আবহাওয়া। বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

Weather update: রাতভর ঝড়-বৃষ্টির দাপট, ভোগান্তি চলবে দিনভর

kolkata rain with kolkata taxi

নিউজ ডেস্ক: পূর্বাভাস মতোই খেল দেখাল আবহাওয়া। মঙ্গলবার বেলা গড়াতেই শুরু হল বৃষ্টি। পরে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সঙ্গী হয় ঝড়ো হাওয়া। কলকাতায় কখনও কখনও ৫০ কিলোমিটার বেগেও দমকা বাতাস বয়। সন্ধ্যা পেরোতেই শুরু হয় বিপুল বৃষ্টি, যা রাতভর চলার পর এখনও ফুলদমে চলছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আজ বুধবার সারাদিন এমনভাবেই চলবে বৃষ্টি। কখনও বাড়তেও পারে বৃষ্টির গতি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশ খানিকটা নীচে নেমে এসেছে। আজ সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হয়েছে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার। এই পুরো বৃষ্টিই হয় রবিবার দুপুরবেলায়।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটু ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জেরে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। সেটি ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে আজ ২৯ তারিখ এসে পৌঁছে গিয়েছে বাংলার উপকূলে। এর জেরে ঝড়ো হাওয়া এবং প্রচুর বৃষ্টির হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে।”

২৯ সেপ্টেম্বরেও শহরে বইবে ঝড়ো হাওয়া। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার।

Weather update: সকালে হালকা, বেলা বাড়লে বাড়তে পারে বৃষ্টি

Weather update kolkata

নিউজ ডেস্ক: Weather update: সকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শহরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টির ভোগান্তি আছে শহরে তা স্পষ্ট করছে এদিন সকালের মেঘাচ্ছন্ন আকাশ।

আজ মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে শহরে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। অর্থাৎ বৃষ্টি যে হবে তা স্পষ্ট কারণ, তার হাত ধরেই নামবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার। এই পুরো বৃষ্টিই হয় রবিবার দুপুরবেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

Kolkata Weather update

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, “পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটু ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জেরে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। সেটি ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৯ তারিখ এসে পৌঁছাবে বাংলার উপকূলে। এর জেরে ঝড়ো হাওয়া এবং প্রচুর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে।”

২৮ ও ২৯ তারিখ কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতায় সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। ২৯ সেপ্টেম্বরেও একই রকম।গতিতে শহরে বইবে ঝড়ো হাওয়া।

ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই দুই দিনেই পূর্ব মেদিনীপুর,উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সর্বোচ্চ ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে

Weather update: হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতায়

Weather update

নিউজ ডেস্ক: শহরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বৃষ্টি বেশি ভোগাবে মঙ্গল ও বুধবার। 

আজ সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১২.৪ মিলিমিটার। এই পুরো বৃষ্টিই হয়েছে রবিবার দুপুরবেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

এ রাজ্যের উপর এর প্রভাব নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কেমন থাকবে আবহাওয়া? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশ কুমার দাস জানিয়েছেন, “পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটু ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জেরে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। সেটি ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৯ তারিখ এসে পৌঁছাবে বাংলার উপকূলে। এর জেরে ঝড়ো হাওয়া এবং প্রচুর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে।”

২৮ ও ২৯ তারিখ কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতায় সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। ২৯ সেপ্টেম্বরেও একই রকম।গতিতে শহরে বইবে ঝড়ো হাওয়া। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই দুই দিনেই পূর্ব মেদিনীপুর,উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সর্বোচ্চ ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে

এদিকে রবিবার গভীর রাতে ঘূর্ণিঝড় গুলাব শক্তি কমিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এমনটাই জানাল আবহাওয়া দফতর। রবিবার বেশি রাতে অন্ধপ্রদেশের সান্থাগুড়ায় আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় গুলাব। ঝড়ের বলি শ্রীকাকুলামের মৃত ২ মৎসজীবী। বাংলার উপকূলে দিল ঝড়ো হাওয়া। এতটুকুই। অথচ রবিবার দুপুরে শহর ও শহরতলির আকাশ কালো হয়ে আসে মেঘে। শুরু হয় বৃষ্টি। ঝেঁপে টানা ঘণ্টা দুয়েক বৃষ্টি হয়। বিকেল থেকে আকাশ পরিস্কার হয়। তারপর থেকে তেমন দুর্যোগের বৃষ্টি দেখা যায়নি। অবশ্য এমনটাই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সেটাই হল, ভোগাবে ঘূর্ণাবর্তের বৃষ্টি।

Weather update: বৃষ্টিহীন সকাল বাড়াচ্ছে আরও ঝড় জলের সম্ভাবনা

kolkata

নিউজ ডেস্ক: অনেক দিন পর বৃষ্টিহীন সকাল , কিন্ত মেঘ বলছে এসবই মরীচিকা। আপনি মেঘ জল এখন কিছু চাইলেও তা ভরতি করে দিয়ে যাবে এই মরসুমের মহাপদ বৃষ্টি, যা বাড়িয়েই চলেছে বিপদ।

হাওয়া অফিসের মূল চিন্তা গুলাব নিয়ে নয়। তারা চিন্তিত ঘূর্ণাবর্ত নিয়ে। কারণ এবার এমনিতেই গত ১৩ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। সচিনের তেন্ডুলকরের মতো নতুন রেকর্ড নতুন রেকর্ড গড়েই চলেছে বৃষ্টি। তথ্য বলছে ইতিমধ্যেই তা গত সাত দিনে তিন দশকের বৃষ্টির রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। শুধু কলকাতাতেই হয়েছে ২৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টি, যা সেপ্টেম্বর মাসের কোনও একদিন বৃষ্টির নিরিখে সর্বকালীন একটি রেকর্ড। এবার ভাবুন এরপর আবার আকাশ জল ঢাললে শহর ,গ্রাম ভরে রাখবে কোথায়? উবুচুবু বালতিতে আর এক ঘটি জল ঢাললে যা অবস্থা হয় সেই অবস্থা এখন দক্ষিণবঙ্গের। হাওয়া অফিস এমন অবস্থায় একটুও সুখবর দিচ্ছে না। উল্টে বলছে, ‘আরও আরও , আরও আরও, বৃষ্টি আসছে , পারলে ধরে রেখো’।

আজ কলকাতায় সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ০.০০ মিলিমিটার, যা আপাত স্বস্তির তা আকাশের মুখ দেখলেই বুঝতে পারবেন। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৭, সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ।

সবমিলিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে সেপ্টেম্বর মাসে বাংলার পিছু ছাড়ছে না, তা স্পষ্ট। কারণ হাওয়া অফিস নিশ্চিত করেছে, আগামী ২৬ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে ভারী বৃষ্টির সাক্ষী থাকতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গ। প্রথম দুই দিন হালকা বৃষ্টি হলেও ২৮ তারিখ ঝেঁপে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৭ তারিখও মাঝেমাঝেই ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে সাগরের গহ্বর থেকে উঠে আসছে নতুন ঝড়। নাম গুলাব, যা নামকরণ করেছে পাকিস্তান। সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গুলাব নামক সাইক্লোনের সম্ভাব্য গতিপথ ভুবনেশ্বর থেকে ভাইজ্যাগের দিকে। যার জেরে বাংলার উপকূল এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতা-সহ বাকি দক্ষিণের জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

গুলাব বর্তমানে গভীর নিম্নচাপ রূপে রয়েছে। ক্রমশ তা অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এবং শেষে ঘূর্ণিঝড়ের পরিণত হবে। উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ঝড়ের গতি হতে পারে সর্বোচ্চ ৮০-৯০ কিলোমিটার।

Weather update: তৈরি হচ্ছে নয়া ঘূর্ণাবর্ত, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

kolkata Weather

নিউজ ডেস্ক: কলকাতা: প্রায় এক সপ্তাহ পর রোদের মুখ দেখল দক্ষিণবঙ্গ। এদিন সকাল থেকে রোদের দেখা মিলছে কিন্তু তা বেলা হলেও একই পরিস্থিতি বহাল নাও থাকতে পারে। কারণ বৃষ্টির আবহ এখনও জারি রয়েছে রাজ্যে। পাশাপাশি ঘনীভূত হচ্ছে দুটি ঘূর্ণাবর্তও। তার প্রভাবও পড়বে খুব শীঘ্রই। হাওয়া অফিস বলছে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই।

এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি। তবে বেলার দিকে এর সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ঠিক এমনভাবেই বেলা থেকে দুপুর পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ বৃষ্টি হয় কলকাতার প্রায় সর্বত্রই।

শুক্রবার আকাশ বেশ কিছুটা পরিষ্কার হলেও বৃষ্টির রেশ যে পুরোপুরি কাটেনি তা স্পষ্ট এমন সম্ভাবনা থেকেই , সৌজন্যে মৌসুমি অক্ষরেখা এবং পিছু পিছু তৈরী হওয়া দুই ঘূর্ণাবর্ত। গত দুই দিনের মতো আজ শুক্রবার মূলত, পাহাড়ের সমস্ত জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গনেশকুমার দাস জানিয়েছেন, “দুটি ঘূর্ণাবর্ত আবারও সাগরে তৈরি হচ্ছে, যা বাংলা-ওডিশা উপকূল দিয়ে আসতে পারে। তাই আবারও আর্দ্র বাতাস রাজ্যে ঢুকছে তাই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। পাশাপাশি বৃষ্টি কম হলে থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। ২৬ তারিখ থেকে ভারী বৃষ্টি হবে।”

মঙ্গলবার দিনভর ৮৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সারাদিনে ১৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমিটার। শুক্রবার বৃষ্টি হয়েছে ১৭.৩ মিলিমিটার। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ আর্দ্র হাওয়ার আগমন শহরে বন্ধ হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে এই অঙ্ক।

Weather update:: আর্দ্র হাওয়ার সৌজন্যে বহাল বৃষ্টির আবহ

Weather kolkata

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা, তার মাঝে অল্প সূর্যের দেখা মিলছে। দিন দুয়েক আগে যেমন মেঘে পরিপূর্ণ ছিল দক্ষিণবঙ্গের আকাশ তা থেকে সামান্য কমেছে মেঘের আনাগোনা। তবে যে কোনও মুহূর্তেই আবারও বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিস বলছে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই।

এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি। তবে বেলার দিকে এর সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ঠিক এমনভাবেই দুপুরের দিকে অঝোরে বৃষ্টি হয় কলকাতার প্রায় সর্বত্রই।

বৃহস্পতিবার আকাশ আরও একটু পরিষ্কার হলেও তবে বৃষ্টির রেশ যে পুরোপুরি কাটেনি তা স্পষ্ট এমন সম্ভাবনা থেকেই , সৌজন্যে মৌসুমি অক্ষরেখা। আজ বৃহস্পতিবার মূলত, পাহাড়ের সমস্ত জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গনেশকুমার দাস জানিয়েছেন, “উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরে থাকা ওই বিশাল ঘূর্ণাবর্ত এখন বাংলাদেশ উপকূলের দিকে বেশিরভাগটাই সরে গিয়েছে তবে মৌসুমী অক্ষরেখা এখনও কিছুটা দক্ষিণবঙ্গের দিকে , পাশাপাশি আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত আবারও সাগরে তৈরি হচ্ছে, যা বাংলা-ওডিশা উপকূল দিয়ে আসতে পারে। তাই আবারও আর্দ্র বাতাস রাজ্যে ঢুকছে তাই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। পাশাপাশি বৃষ্টি কম হলে থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।”

মঙ্গলবার দিনভর ৮৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সারাদিনে ১৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমিটার। বৃহস্পতিবার স্বাভাবিক রয়েছে কলকাতার তাপমাত্রা। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ আর্দ্র হাওয়ার আগমন শহরে বন্ধ হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে এই অঙ্ক।

Weather update: দক্ষিণে হালকা হয়ে এবার উত্তরে বাড়বে বৃষ্টি

কলকাতা: মঙ্গলবার সারাদিন বৃষ্টি হয়নি। তবে আজ বুধবারও আকাশ মেঘে ঢাকা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের। যার জেরে ভোররাত থেকে এদিন সকাল পর্যন্ত আরও একদফা বৃষ্টি হয়ে গেল। সবমিলিয়ে বৃষ্টি থেমেও পিছু ছাড়ছে না। নাগাড়ে বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অবস্থা শহর থেকে গ্রামের।

বুধবার থেকে আকাশ একটু পরিষ্কার হতে পারে বলে জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। তা হয়েছে বটে তবে বৃষ্টির রেশ এখনও পুরোপুরি কাটেনি , সৌজন্যে মৌসুমি অক্ষরেখা।

বুধবার মূলত, পাহাড়ের সমস্ত জেলায় বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত অন্য পথে সরেছে সঙ্গে মৌসুমী অক্ষরেখা ধীরে ধীরে সরে গিয়েছে উত্তরবঙ্গের দিকে। তাই হালকা থেকে মাঝারি ,কখনও ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।

আবহাওয়াবিদ সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরে থাকা ওই বিশাল ঘূর্ণাবর্ত এখন বাংলাদেশ উপকূলের দিকে বেশিরভাগটাই সরে গিয়েছে। তবে মৌসুমী অক্ষরেখা এখনও কিছুটা দক্ষিণবঙ্গের দিকে অবস্থান করছে তাই কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে”।

সোমবার দিনভর ৮৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার বৃষ্টির পরিমান ১.৫ মিলিমিটার। বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১.০ মিলিমিটার। টানা বৃষ্টিতে আজ বুধবার স্বাভাবিক রয়েছে কলকাতার তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯৬ শতাংশ।