Lakhimpur Kheri : যোগী পুলিশের সাথে লুকোচুরি, বাম নেতৃত্ব ঢুকলেন ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্রে

707
aiks leaders have reached lakhimpur kheri

নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন গোয়েন্দা কাহিনীর প্লট। চোরাপথে এ ওর পিছনে ছুটছে। অনেকটা তেমনই করে গেঁয়ো পথ ধরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীআদিত্যনাথের পুলিশের ‘আঁখ মে ধুল’ (চোখ এড়ানো) ছিটিয়ে ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্র উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে ঢুকলেন বাম কৃষক সংগঠনের নেতারা। সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) নেতারা ঢুকতেই এলাকাবাসী ভিড় করে এগিয়ে আসেন। শুরু হয় নিহতদের পরিবারের কান্না।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

সিপিআইএম (CPIM) ও সিপিআই (CPI) দুই দলের কৃষক সংগঠন কৃষকসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পুলিশি পাহারা এড়িয়ে লখিমপুর খেরিতে কৃষক নেতারা ঢুকতে পারলেন। প্রতিনিধি দলে আছেন কৃষক সভার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডিপি সিং, উত্তর প্রদেশ রাজ্য সম্পাদক মুকুট সিং, কৃষক নেতা চন্দ্রপাল সিং সহ অন্যান্যরা।

এই রক্তাক্ত লখিমপুর খেরি ঢুকতে গিয়ে কংগ্রেস(INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়েন। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকি প্রতিনিধিরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যাচ্ছিলেন। তাঁদেরও আটকে দেওয়া হয়। তবে টিএমসি প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন তারা লখিমপুর খেরি ঢুকেছিলেন। উত্তর প্রদেশের পূর্বতন দুই শাসক দল সমাজবাদী পার্টি(SP) ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) প্রতিনিধিরাও রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন দুই দলের নেতা প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব ও মায়াবতী।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কৃষক জমায়েত চলছিল। সেই জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে পিষে মারা হয়েছে কয়েকজনকে। চলেছে গুলি। মোট মৃত ৯ জন। মৃতদের ৬ জন কৃষক। একজন সাংবাদিক আর দুজন হামলাকারী গাড়িতে ছিল।

গোটা ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তাঁর পিতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রী। আরও অভিযোগ এই কারণেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।