মমতাতেই ভরসা সরকারি কর্মীদের, পোস্টাল ব্যালটে বাজিমাত শাসকদলের

401
Mamata Banerjee

 

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। বাংলা সহ গোটা দেশের নজর ভবানীপুরে। তিন আসনেই চালকের আসনে রাজ্যের শাসকদল। পোস্টাল ব্যালট গণনার শেষে রাজ্যের তিন আসনেই এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে সরকারি কর্মীরা যে নবান্নের ১৪ তলায় ফের মমতাকেই দেখতে চান, তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

আরও পড়ুন Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে


আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা কম হলেও সরকারি কর্মীদের মনোভাব বোঝা যায় এই ফলাফল থেকে। এর আগে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল যে কেন্দ্রের শাসকদলের পক্ষেই ভোট দেন সরকারি কর্মীরা। যদিও গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই দেখা যাচ্ছে উল্টো ছবি। মোদী সরকারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে মমতাতেই ভরসা রাখছেন সরকারি কর্মীরা। 

আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

প্রায় নিত্যদিনই কেন্দ্রের ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসছে বেসরকারিকরণের বেড়াল। বেসরকারিকরণের খারাপ দিক নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে আরএসএস সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনও। কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পরে ধাপে ধাপে বহু ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সংযুক্তিকরণ ও পেট্রোলিয়াম, শিপিং কর্পোরেশন, কন্টেনার কর্পোরেশন-সহ রত্ন সংস্থাগুলির সরকারি অংশিদায়িত্ব কমিয়ে ফেলা তার অন্যতম অঙ্গ ছিল। 

অন্যদিকে সিন্ডিকেট রাজ, টেট দূর্নীতি, বেকারত্ব-সহ একাধিক ইস্যাতে জর্জড়িত তৃণমূল কংগ্রেসও। উপনির্বাচনের আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তা সত্ত্বেও পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে থাকা স্বস্তি যোগাচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বকে। 

আরও পড়ুন ক্রমশ এগোচ্ছে তৃণমূল, গণনা শেষ হওয়ার আগে এজেন্টদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ পদ্মশিবিরের

ভবানীপুরে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।