মোহনবাগান ছাড়লেন ক্ষুব্ধ অরিন্দম, লাল-হলুদে আসার সম্ভাবনা কম

Arindam Bhattacharya

স্পোর্টস ডেস্ক: গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে আই লিগ জিতেছিল মোহনবাগান (ATK-Mohunbagan)। ফলে সুযোগ পেয়েছিল এএফসি কাপে। তারপর অনেক বদলে গিয়েছে গঙ্গাপাড়ের ক্লাব। মোহনবাগানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কর্পোরেট এটিকে। ফলে এটিকে মোহনবাগান নাম নিয়ে এই লিগের বদলে আইএসএলে খেলেছে দল। একই নামে খেলছে চলতি এএফসি কাপেও। 

গতবার তেকাঠির তলায় সবুজ-মেরুনের অন্যতম ভরসা ছিলেন অরিন্দম ভট্টাচার্য (Arindam Bhattacharya)। ফাইনালে তাঁর ভুলে মোহনবাগান গোল খেলেও গোটা টুর্নামেন্টেই ধারাবাহিকতা দেখিয়েছিলেন এই বাঙালি গোলরক্ষক৷ গোল্ডেন গ্লাভসও উঠেছিল তাঁর হাতেই।

কিন্তু তারপরেই আইএসএলেরই আরেক গোলরক্ষক অমরিন্দর সিংকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ফলে এএফসি কাপের প্রথম তিন ম্যাচে অ্যান্তোনীয় হাবাসের দলে জায়গা হয় নি অরিন্দমের। দলের শেষ প্রহরীর দায়িত্ব সামলেছেন অমরিন্দর। শোনা গিয়েছিল, লোনে লাল-হলুদে আসতে পারেন তিনি। প্রণয় হালদারকেও প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল অফিসিয়ালরা৷ কিন্তু এই মূহুর্তে দু’জনেরই লাল-হলুদে আসার সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে।

মোহনবাগান ছেড়ে জামশেদপুর এফসিতে যোগ দিয়েছেন প্রণয় হালদার। দলে সু্যোগ পেয়ে না পেয়ে ইতিমধ্যেই মোহনবাগান ছেড়েছেন অরিন্দম। যদিও লাল-হলুদে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীন।

হাতে সময় কম, ৩১ আগস্ট দলবদলের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। হাতে মাত্র ৫ দিন সময়, তার আগেই দলগঠন সম্পূর্ন করতে হবে লাল-হলুদকে। নয়তো বড় অঙ্কের ট্রান্সফার ফি দিয়ে অন্য দল থেকে ফুটবলার নিতে হবে। যদিও নতুন ফুটবলার নেওয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক কাজ কিছুটা সেরে ফেলেছেন ক্লাব অফিসিয়ালরা। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ফুটবলারকে প্রস্তাব দিয়েছেন ক্লাবের তরফ থেকে। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে।

দলবদলের ব্যাপারে লাল-হলুদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, বৃহস্পতিবার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ফলে নতুন ফুটবলার সই করাতে আর কোনও বাধা রইল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে।

#ISL জিততে মরিয়া, তবুও বাজেট কমছে লাল-হলুদের

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)  হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের  (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। যদিও প্রথমবার ইণ্ডিয়ান সুপার লিগ জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল বাজেট কমছে বলে খবর।

সমর্থকেরা বলছেন, আইএসএল খেলা নিয়ে টানাপোড়েন থাকলেও স্রেফ টার্মশিটের ভিত্তিতেই মে-জুন মাস থেকে অনায়াসে এসসি ইস্ট বেঙ্গলের আধিকারিকরা ফুটবলার রিক্রুট করতে পারতেন। কিন্তু অত্যন্ত আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে ক্লাবের দখলদারি নেওয়াই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে এখন সেই টার্মশিটের ভিত্তিতেই দল গড়তে নেমেছেন লগ্নিকারী সংস্থাটির কর্তারা।

আরও পড়ুন: দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

তাই যত দিন যাবে ততই প্রমাণ হবে, মে-জুন মাসে টিম করার ক্ষেত্রে না নেমে চরম ভুল করেছেন তাঁরা। যার প্রভাব প্রবলভাবে পড়তে বাধ্য আইএসএলে। কারণ, ভালো খেলোয়াড়দের আইএসএলেত অন্যান্য দলগুলো আগেই নিজেদের দলে নিয়ে নিয়েছে।

সূত্রের খবর, আইএসএল খেলা নিশ্চিত হতেই আলোচনায় বসেছিলেন শ্রী সিমেন্টের আধিকারিকরা। এই সভায় বাজেট নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, এবার দল গঠনের বাজেট কমবে।

আরও পড়ুন:নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল AIFF, দলগঠনে নামল আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। মোহনবাগান থেকেও কয়েকজনকে নেওয়া হবে বলে খবর। প্রবীর দাস, অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করাতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। 

নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল AIFF, দলগঠনে নামল আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

আরও পড়ুন দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

আর দু’দিন পরেই স্বস্তির খবর লাল-হলুদের কাছে। দলবদলের ব্যাপারে লাল-হলুদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, বৃহস্পতিবার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। শুক্রবার থেকে ফুটবলার সই করাতে আর কোনও বাধা রইল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে।

আরও পড়ুন ISL নয়, কলকাতা লিগকেও পাখির চোখ করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

আগের মরশুমের বেতন সম্পূর্ণ মেটায়নি ইস্টবেঙ্গল, এই অভিযোগ জানিয়ে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিন ফুটবলার। পিন্টু মাহাত, রক্ষিত ডাগার ও আভাস থাপার অভিযোগে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন ইস্টবেঙ্গলের ওপর দলবদলের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই তিন ফুটবলারের মোট ১২ লাখ টাকা বাকি ছিল। ক্লাবকে জানানো হয়েছিল যতক্ষণ পর্যন্ত ওই তিন ফুটবলারের বকেয়া মেটানো না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নতুন ফুটবলার সই করানো যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএল খেলা নিশ্চিত হতে বৃহস্পতিবারই ওই ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।

যদিও হাতে সময় কম, ৩১ আগস্ট দলবদলের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। হাতে মাত্র ৫ দিন সময়, তার আগেই দলগঠন সম্পূর্ন করতে হবে লাল-হলুদকে। নয়তো বড় অঙ্কের ট্রান্সফার ফি দিয়ে অন্য দল থেকে ফুটবলার নিতে হবে। যদিও নতুন ফুটবলার নেওয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক কাজ কিছুটা সেরে ফেলেছেন ক্লাব অফিসিয়ালরা। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ফুটবলারকে প্রস্তাব দিয়েছেন ক্লাবের তরফ থেকে।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। মোহনবাগান থেকেও কয়েকজনকে নেওয়া হবে বলে খবর। প্রবীর দাস, অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করাতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। পিয়ারলেসের জার্সিতে ভাল পারফরম্যান্সের সৌজন্যেই ইস্টবেঙ্গল বছর তিনেক আগে তাঁকে সই করিয়েছিল। যদিও দার্জিলিং গোল্ড কাপে ভালো পারফর্ম্যান্সের পরেও দলে জায়গা হয়নি হীরার। এবার মহমেডানের হয়ে স্বপ্নের মরশুম কাটিয়ে ফের লাল-হলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন তিনি। সব ঠিকঠাক থাকলে শুক্রবারই হয়তো সই করবেন বাঙালি প্রতিভাবান এই সাইড ব্যাক।

দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ-লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় বৈঠকে কাটল যাবতীয় জট। ফের একবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে আসন্ন আইএসএলে খেলবে লাল-হলুদ শিবির।

অবশেষে চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’ প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালদের তালিকায়। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ISL 2019-20: Karanjit Singh extends stay at Chennaiyin FC

১. করণজিৎ সিং: চেন্নাইয়ান এফসির গোলকিপারকে সম্প্রতি ম্যানেজমেন্ট ছেড়ে দিয়েছে। অভিজ্ঞ এই গোল্পকিপার সাফ কাপ এবং বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাকে দলে নিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে গোটা টুর্নামেন্টে টানা না খেলিয়ে বিশ্রাম দেওয়া যাবে দেবজিত মজুমদারকে।

Mohammedan SC Sign Former Mohun Bagan Player Shilton D'Silva

২. শিলটন ডি সিলভা: প্রাক্তন মোহনবাগান আই লিগ-বিজয়ী মিডফিল্ডার ইতিমধ্যেই গত বছর মহমেডান এসসি-র হয়ে দারুণ মরশুম কাটিয়েছেন। তাঁর গতি আইএসএলের অনেক দলের স্কাউটকেই মুগ্ধ করেছিল। ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট তাকে দলে নিলে মাঝমাঠের সমস্যা কমবে লাল-হলুদের।

Thoi Singh - Player profile | Transfermarkt

৩. থোই সিং: ৩০ বছর বয়সী রাইট-উইঙ্গার ইস্টবেঙ্গল অফিশিয়ালদের রাডারে অন্যতম হাই প্রোফাইল নাম। গত ৫ বছরে চেন্নাইয়ান এফসির হয়ে বহু ম্যাচে থই তাঁর দক্ষতা প্রমাণ করেছেন।

Abdul Hakku signs new long-term contract at Kerala Blasters

৪. আব্দুল হাক্কু: এই কম বয়সী ইউটিলিটি ডিফেন্ডার ইস্টবেঙ্গলের টার্গেট লিস্টের অন্যতম নাম। হাক্কু সেন্টার ব্যাক এবং ফুলব্যাক দুই পজিশনেই স্বচ্ছন্দ। ইস্টবেঙ্গল গত বছর ডিপ ডিফেন্স নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল। আব্দুল হাক্কু টিমে এলে রবি ফাউলারের ডিফেন্স নিয়ে দুশ্চিন্তা কমতে পারে।

Santosh Trophy 2018: Bengal regroup to beat Maharashtra - myKhel

৫. তন্ময় ঘোষ: গত বছর ২৯ বছর বয়সী তন্ময় আইএফএ শিল্ডে জর্জ টেলিগ্রাফের হয়ে খেলার সময়ই ইস্টবেঙ্গল স্কাউটদের নজরে পড়েছিলেন।

From Kanyakumari to Kolkata - Hardwork and perseverance has paid off for Michael  Regin! | Goal.com

৬. মাইকেল রেজিন: গত বছর ইস্টবেঙ্গল গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই একজন ভালো মানের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের অনুপস্থিতি অনুভব করেছে। আই লিগে চেন্নাই সিটি এফসি -র হয়ে খেলার সময় তাঁর ডিফেন্সিভ ক্ষমতা যথেষ্ঠ প্রশংসা পেয়েছিল। তাঁকে এবার টার্গেট করেছে ইস্টবেঙ্গল।

ISL নয়, কলকাতা লিগকেও পাখির চোখ করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ-লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় বৈঠকে কাটল যাবতীয় জট। ফের একবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে আসন্ন আইএসএলে খেলবে লাল-হলুদ শিবির।

আরও পড়ুন সংবর্ধনা মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভারতের সোনার ছেলে

প্রসঙ্গত, ঠিক গত বছরের আইএসএলের আগেও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতাতেই মুশকিল আসান হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। সবথেকে বড় স্বস্তিটা পেয়েছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাদের প্রিয় ক্লাব যে আইএসএলে খেলবে, এটা শেষ মুহূর্তে ফের একবার নিশ্চিত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায়।

আরও পড়ুন আফগানিস্তানের মহিলাদের রোবোটিক্স টিমকে উদ্ধার করল মার্কিন মহিলা

অবশেষে চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’

আরও পড়ুন দেশ দখল করেছে তালিবানরা, আইপিএল খেলা নিয়ে সংশয়ে রশিদ-নবিরা

অন্যদিকে তড়িঘড়ি শক্তিশালী দল গড়ার কাজে ঝাঁপাতে চাইছে লাল-হলুদ শিবির। গতবারের মতো ভুল আর করতে চান না লাল-হলুদ অফিশিয়ালরা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু আইএসএলের জন্যই নয়, দল গড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে কলকাতা ফুটবল লিগকে সামনে রেখেও। এএফসি কাপে খেলার জন্য সম্ভবত আসন্ন কলকাতা লিগে দল নামাবে না মোহনবাগান। ফলে সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে লাল-হলুদ তাবুতে কাপ আনতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল।

সংবর্ধনা মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভারতের সোনার ছেলে

Neeraj chopra

স্পোর্টস ডেস্ক: সোনার ছেলেকে স্বাগত জানাতে সেজে উঠেছে নীরজের পানিপথ। টোকিওয় সোনা জিতে ভারতে পা রাখলেও এতদিন বাড়িতেই ফিরতে পারেননি টোকিও অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া। কিন্তু সেই আনন্দে বাধ সাধল জ্বর। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করাতে হল তাঁকে। 

আরও পড়ুন ইস্টবেঙ্গলের কোর্টে বল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দিল শ্রী সিমেন্ট

দিল্লি থেকে পানিপথ পর্যন্ত প্রায় ৬ ঘণ্টার রাস্তার অতিক্রম করে বাড়ি ফিরছিলেন নীরজ। রেড কার্পেট পেতে অলিম্পিকে সোনাজয়ীর জন্য অপেক্ষারত ছিলেন সকলে। পূর্ব পরিকল্পিত ভাবেই শুরু হয়েছিল সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে পানিপথ আসতে নীরজের ছয় ঘণ্টা লেগে যায়। কখনও রোদে, কখনও গাড়ির এয়ার কন্ডিশনে থাকাতেই ঠান্ডা-গরমে জ্বর এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন দেশ দখল করেছে তালিবানরা, আইপিএল খেলা নিয়ে সংশয়ে রশিদ-নবিরা

কয়েক দিন আগেও তাঁর জ্বর এসেছিল। গলাতেও ব্যথা ছিল। পরে করোনা পরীক্ষা করা হলে সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁর যোগদানও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি ওই অনুষ্ঠানে যান। অসুস্থ শরীরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। সেই সব সেরেই মঙ্গলবার বাড়ি ফিরছিলেন নীরজ। টোকিয়ো থেকে ফেরার পর নানা অনুষ্ঠানে যেতে হচ্ছে তাকে। সেই ধকল নিতে না পারার ফলেই বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তিনি।

আরও পড়ুন ভারতীয় বায়ুসেনার জনকের নামেই রয়েছে জনপ্রিয় ফুটবল কাপ

টোকিয়ো অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় হিসেবে অ্যাথলেটিক্সে (জ্যাভলিন থ্রো) সোনা জেতেন নীরজ চোপড়া। অভিনব বিন্দ্রার পর দ্বিতীয় ভারতীয় অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতেছেন তিনি। জ্যাভলিনে ৮৭.৫৮ মিটার ছুড়ে ভারতকে সোনার পদক এনে দিয়েছেন। তারপর থেকে অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে যাচ্ছেন ভারতের সোনার ছেলে।

ইস্টবেঙ্গলের কোর্টে বল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দিল শ্রী সিমেন্ট

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। তারমধ্যেই খেলা হবে দিবসের সন্ধেয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে পরিমার্জিত এবং চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠাল ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্ট। চুক্তিপত্র পাওয়ার পরই আইনজীবীদের কাছে তা পাঠিয়ে দেন ক্লাব কর্তারা।

গত বছর টার্মশিটে সইয়ের পর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করেনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। টার্মশিট আর চুক্তিপত্রের মধ্যে অসঙ্গতি থাকার দাবি তোলেন কর্তারা। মূলত দুটি শর্তে তাদের সমস্যা ছিল-

১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।

২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।

যদিও শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে৷ চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। সূত্রের খবর, চুক্তিপত্র পাঠানোর জন্য ক্লাব কর্তারা সরাসরি কথা বলেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধারের সঙ্গে৷ আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার পরই কার্যকমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ক্লাব। মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। কিন্তু এবারও ক্লাব যদি বেঁকে বসে তাহলে ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল।

ভারতীয় বায়ুসেনার জনকের নামেই রয়েছে জনপ্রিয় ফুটবল কাপ

Air Marshal Subroto Mukerjee

বিশেষ প্রতিবেদন: স্বাধীন ভারতের বায়ুসেনার প্রথম ‘কমান্ডার ইন চিফ’ ছিলেন একজন বাঙালি। গোটা ভারতবর্ষ তাঁকে চেনে ‘ভারতীয় বায়ুসেনার জনক’ হিসেবে। ভারতীয় বায়ুসেনার দুঁদে এই পাইলট ঘোল খাইয়ে ছেড়েছে তাবড় তাবড় শত্রুদের। সেই ‘কমান্ডার’ই আবার ছিলেন ফুটবল পাগল। ভারতের ‘জাতীয় ক্লাব’ মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের আজীবন সদস্য। ফলে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর নামেই নামকরণ করা হয় দেশের একটা গোটা ফুটবল টুর্নামেন্টের।

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, যার বীরত্বে মুগ্ধ হয়ে সহযোদ্ধা এয়ার মার্শাল অ্যাম্পি ইঞ্জিনিয়র তাঁকে ‘ভারতীয়বায়ুসেনার জনক’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর নামেই খেলা হয় ‘সুব্রত কাপ’।

১৯১১ সালে ৭, বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের মামাবাড়িতে জন্ম সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। বাবা সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, ১৮৯২ সালে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) পাশ করেন। পরবর্তীকালে ভারতের সিভিল সার্ভিসের প্রধান কর্মকর্তাও হয়েছিলেন। মা চারুলতা দেবী, সেযুগের প্রেসিডেন্সি কলেজের একমাত্র ছাত্রী, কাজ করতেন নারীশিক্ষা নিয়ে। ঠাকুরদা নিবারণ চন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম সদস্য। দাদু প্রসন্নকুমার রায় প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রথম ভারতীয় অধ্যক্ষ। দিদা সরলা রায় প্রায় একার উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘গোখেল মেমোরিয়াল স্কুল’।

Air Marshal Subroto Mukerjee

‘সুব্রত কাপ’ না হোক, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কথা বলতে গেলেই প্রথমেই আসে তাঁর পরিবারের কথা। তাঁর পূর্ববর্তী প্রজন্মের সবাই নিজেদের জায়গায় অসাধারণত্বের ছাপ রেখেছিলেন। ফলে সেই পরিবারের ছেলে ছোটোবেলা থেকেই পেয়েছিলেন দৃড়চেতা মানসিকতা, শৃঙ্খলপরায়ণ মনোভাব। স্কুল জীবন কেটেছে পশ্চিমবঙ্গ এবং ইংল্যান্ড মিলিয়ে। উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর ইংল্যান্ডের ক্র্যানওয়েলে রয়্যাল এয়ার ফোর্স কলেজ থেকে প্রশিক্ষণ নেন তিনি। ১৯২৯ সালে ওই কলেজের পরীক্ষায় মাত্র ৬ জন ভারতীয় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। ছ’জনের মধ্যে তিনি ছাড়াও ছিলেন এইচসি সরকার, এবি আওয়ান, ভুপেন্দর সিং, অমরজিৎ সিং ও জেএন ট্যান্ডন।

২৮ বছর ধরে এয়ারফোর্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনাকে। ১৯৩২ সালে রয়্যাল এয়ারফোর্সে যোগ দেন। ১৯৩৯ সালে হন এয়ারফোর্সের প্রথম ভারতীয় স্কোয়াড্রন লীডার। তার পাঁচ বছর পরে, ১৯৪৩ সালে এয়ারফোর্সের প্রথম ভারতীয় কমান্ডার নিযুক্ত হন। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে হব স্বাধীন ভারতের প্রথম ডেপুটি চীফ অফ এয়ার স্টাফ। ১৯৫৪ সালে এয়ার মার্শাল হন। চারবছর এয়ার মার্শাল পদ থাকার পর ১৯৬০ সালে কর্মজীবন শেষ হয় তাঁর। কর্মজীবনের বৈচিত্রের জন্য ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার’ পুরস্কারও পান তিনি। ১৯৬০ সালে, রিটায়ারমেন্টের পরেই একটি টেকনিক্যাল মিশনের চীফ হয়ে জাপানে যান। সেখানে একটি রেস্তরায় ডিনার খাওয়ার সময় শ্বাসনালীতে খাবার আটকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

Rank Promotions
• Pilot Officer, RAF: 1 September 1932
• Flying Officer: 1936
• Flight Lieutenant: 16 March 1939
• Acting Squadron Leader: 25 August 1939
• Acting Wing Commander: 1 November 1942
• Squadron Leader: 1943
• Wing Commander, RIAF: 1945
• Group Captain: 6 March 1946
• Air Commodore: 15 May 1947
• Acting Air Vice-Marshal: 27 September 1948
• Air Vice-Marshal: 1 February 1949
• Acting Air Marshal (Commander-in-Chief, IAF): 1 April 1954
• Air Marshal (Chief of the Air Staff, Indian Air Force): 1 April 1955

দেশ দখল করেছে তালিবানরা, আইপিএল খেলা নিয়ে সংশয়ে রশিদ-নবিরা

স্পোর্টস ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতিতে অর্ধেক হয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। খুব তাড়াতাড়িই বাকি অর্ধেক টুর্নামেন্ট শুরু হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। কিন্তু তাতে কি যোগ দিতে পারবেন আফগানিস্তানের দুই ক্রিকেটার রশিদ খান ও মহম্মদ নবি? তা নিয়েই তৈরি হয়েছে বড়সড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুন হাতিয়ার আফগান সমস্যা, ব্যর্থ বাইডেনের পদত্যাগ চাইলেন ট্রাম্প

অন্যদিকে ইতিমধ্যেই গোটা আফগানিস্তান জুড়ে ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে তালিবানদের আক্রমণ এবং তার সঙ্গে আতঙ্ক। আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের আগ্রাসন দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী। আমেরিকার সামরিক কার্যালয় পেন্টাগনের তরফ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছিল, তিনমাসের মধ্যেই কাবুল দখল করে ফেলবে তালিবানরা। কিন্তু কাল দুপুর থেকেই কাবুলে ঢুকে রাজধানী শহর দখল করতে শুরু করে তালিবানরা।

আরও পড়ুন তালিবানরাজ কায়েম হতেই দেশ ছাড়লেন আফগান প্রেসিডেন্ট

ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের রাশ নিজের হাতে নিয়েছে তালিবানরা। দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও। তালিবানদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আফগানিস্তানের আকাশে কোনও অসমারকি বিমান চলাচল করতে পারবে না। এদিকে দুই আফগান ক্রিকেটার রশিদ খান ও মহম্মদ নবি এখন ইংল্যান্ডে।

আরও পড়ুন সমর্থকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে আইএসএলে এখনও অনিশ্চিত লাল-হলুদ

দুজনেরই পরিবার আটকে রয়েছে কাবুলে। ঠিক ছিল ইংল্যান্ড থেকে সোজা দুবাইয়ে পৌঁছে যাবে আইপিএলের দ্বিতীয়ার্ধের খেলা খেলতে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে তাদের কাবুলে ফেরা জরুরি। তারমধ্যেই সোমবার সকাল থেকেই তো মার্কিন সেনাদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছেনে তালিবানদের। দেশ ছাড়ার চেষ্টায় রয়েছেন আফগান নাগরিকরা।

আরও পড়ুন অভাবের সংসারে হাল ধরতে সবজি বিক্রি করছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

এই পরিস্থিতিতে মন দিয়ে আইপিএল খেলাও যে দুষ্কর তা ভালই বুঝতে পারছে দুই ক্রিকেটারের আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

প্রয়াত গার্ড মুলার, শোকের ছায়া ফুটবলবিশ্বে

স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড মুলার পরিচিত ছিলেন ‘ডের বোম্বার’ নামে। আজ সন্ধ্যায় প্রয়াত হন জার্মানির এই প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার। তাঁর ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের তরফে টুইটে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘গার্ড মুলারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ এফসি বার্য়ান মিউনিখ। এফসি বার্য়ানের বিশ্বটাই যেন থেমে গিয়েছে। ক্লাব এবং গোটা বিশ্বের তাঁর সমর্থকেরা গার্ড মুলারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।’

আরও পড়ুন সমর্থকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে আইএসএলে এখনও অনিশ্চিত লাল-হলুদ

১৯৭২ সালে জার্মানিকে ইউরো কাপ দেওয়া মুলার ১৯৭৪ সালে দেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ জেতান। ১৯৭০ এবং ১৯৭৪— এই দু’টি বিশ্বকাপে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। মোট ১৩টি ম্যাচে তাঁর ১৪টি গোল করেছিলেন। দীর্ঘ ৩২ বছর তাঁর এই রেকর্ড বজায় ছিল। ২০০৬ বিশ্বকাপে তাঁকে টপকে যান ব্রাজিলের রোনাল্ডো। ২০১৪ বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর রেকর্ড টপকে যান জার্মানিরই মিরোস্লাভ ক্লোজে। শুধু তাই নয়, মুলারই ছিলেন বায়ার্নের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৬০৭ ম্যাচে ৫২২টি গোল এসেছিল তাঁর পা থেকে।

৭৫ বছর বয়সে থেমে গেলেন জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার

বায়ার্ন মিউনিখে রীতিমতো কিংবদন্তির মর্যাদা পান তিনি। ক্লাবের হয়ে ৬০৭ ম্যাচে ৫৫২ গোল করেছেন। জার্মানির হয়ে ৬২ ম্যাচে ৬৮ গোল করেছেন। গোটা কেরিয়ারে ৭৮০ ম্যাচে ৭১১ গোল রয়েছে তাঁর। ১৯৭২ সালে এক মরশুমে ৮৫টি গোল করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন মুলার। সেই রেকর্ড টানা ৪০ বছর অক্ষত থাকার পর ২০১২ সালে সেটি ভাঙেন লিওনেল মেসি। দু’টি বিশ্বকাপ খেলে মুলার মোট ১৪টি গোল করেছেন। যেই রেকর্ড অক্ষত ছিল প্রায় ৩২ বছর। বুন্দেশলিগায় এক মরশুমে তাঁর করা ৪০টি গোলের রেকর্ডও টিকে ছিল দীর্ঘদিন। গত মরশুমে রবার্ট লেয়নডস্কি সেই রেকর্ড ভেঙে দেন।

৭৫-এ জীবনাবসান! প্রয়াত জার্মান ফুটবল কিংবদন্তি গার্ড মুলার - FC Bayern  munich star & Germany Footballer 1974 World Cup winner Gerd Muller dies asr  - AajTak

১৯৮২ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার পরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিলেন গার্ড মুলার। বায়ার্ন মিউনিখের ক্লাবের তরফে রিহ্যাব করানো হয়। ২০১৫ সালে বায়ার্নের দ্বিতীয় দলের কোচ থাকাকালীন অ্যালঝাইমার্স রোগেও আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে সত্যি হঠাৎ করেই থমকে গিয়েছে ফুটবল বিশ্ব।

সমর্থকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে আইএসএলে এখনও অনিশ্চিত লাল-হলুদ

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। শনিবারও এই নিয়ে দফায় দফায় কথা চলে দুই পক্ষের মধ্যে। শ্রী সিমেন্টের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনায় এখনও কোনো সমাধানসূত্র মেলেনি। শোনা যাচ্ছে মূলত দুটো ইস্যুতে সমস্যা-

১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।

২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।

ইস্টবেঙ্গল- আইএসএলের দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।

উপরোক্ত বিষয়গুলো না মিটলে চুক্তি জট আদৌ সমাধান হবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে ইনভেস্টরের দাবি, চুক্তি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। ক্লাব যদি এখন বেঁকে বসে তাহলে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো সম্ভব নয়। ফলে আসন্ন ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল। আগামী ১৬ অগাস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। ফলে তার আগে ঝামেলা না মিটলে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলা অনিশ্চিত।

শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে গত পাঁচদিন আগেই যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে । চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। ফলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা শর্ত শিথিল করার আর্জি জানালেও তা একপ্রকার অসম্ভব বলেই ধরে নেওয়া যায়।

 

এবার নিজের অ্যাকাডেমি খুলছেন দুই অলিম্পিকে পদকজয়ী সিন্ধু

PV Sindhu Beats He Bing Jiao To Win Historic Bronze

নিউজ ডেস্ক: পুসরলা ভেঙ্কট সিন্ধু। পরপর দুটি অলিম্পিকে পদক জিতেছেন এই হায়দরাবাদি শাটলার। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন, এবার ২০২০ টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ পেয়ে নজির গড়লেন গোপীচাঁদের এই প্রাক্তন ছাত্রী। এর আগে পরপর দুটি অলিম্পিক থেকে পদক এনেছিলেন কুস্তিগীর সুশীল কুমার। তারপর দ্বিতীয় ভারতীয় অলিম্পিয়ান এবং প্রথম মহিলা হিসেবে এই শিখর ছুঁয়েছেন সিন্ধু। আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টনে তিনিই সবচেয়ে সফল ভারতীয়। ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসে তিনি মিক্সড টিমস ইভেন্টে সোনা জেতেন এবং ব্যক্তিগত বিভাগে রুপো জেতেন। ২০১৯-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি সোনা জেতেন। তিনি এবার চান ভারতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে।

Pvsindhu (@Pvsindhu1) | Twitter

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই নিজের ব্যাডমিন্টন ট্রেনিং অ্যাকাডেমি চালু করতে চলেছেন পিভি সিন্ধু। একসময়ের ‘শিক্ষাগুরু’ গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমির ধাঁচেই অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের সহায়তায় বিশাখাপত্তনমে তৈরি হবে সিন্ধুর অ্যাকাডেমি। সিন্ধু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমি কিছুদিনের মধ্যেই বিশাখাপত্তনমে একটি ট্রেনিং অ্যাকাডেমি শুরু করতে চলেছি। এখানে ছোটদের খেলা শেখানো হবে। এই অ্যাকাডেমি তৈরি করতে রাজ্য সরকার সাহায্য করছে। ঠিকমতো উৎসাহ না পাওয়ার ফলে অনেক বাচ্চা ছেলে-মেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। আমি তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই।’

আরও পড়ুন অভাবের সংসারে হাল ধরতে সবজি বিক্রি করছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

টোকিও থেকে ফিরে তিরুমালা মন্দিরে পুজো দিয়েছেন তারকা শাটলার সিন্ধু। পুজো দিয়ে জানিয়েছেন, “প্রতিবছর প্রভু বালাজির আশীর্বাদ নিতে একবার করে তিরুমালায় আসি আমি। নিজের খেলাতে আরও উন্নতি করতে চাই। ২০২৪-এ প্যারিস অলিম্পিক্সে অংশ নিয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব পদক নিশ্চিত করতে। হাতে কিছুটা সময় আছে। মুহূর্তটা আমি উপভোগ করছি।’

টোকিওতে ইতিহাস গড়ার পর থেকেই অভিনন্দনের বন্যায় ভাসছেন এই শাটলার। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার তাঁকে ৩০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে সিন্ধুর জন্য ২৫ লক্ষ টাকা পুরস্কারের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাও ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।

মেসি যোগ দিতেই ভক্ত বাড়ছে পিএসজির

Messi PSG

নিউজ ডেস্ক: এবার আর ‘এলএম১০’ নয়, লিও মেসি এবার ‘এলএম৩০’। ঠিক ১৭ বছর আগে ৩০ নম্বর জার্সি পরে বার্সেলোনার সিনিয়র দলের হয়ে অভিষেক করেছিলেন লিয়োনেল মেসি। ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে তিনি যখন প্যারিস সঁ জঁ-তে নতুন ইনিংস শুরু করলেন, তখন ফের তাঁর গায়ে উঠতে চলেছে সেই ৩০ নম্বর জার্সিই।

আরও পড়ুন বার্সার মার্কেট ভ্যালু কমিয়ে এবার প্যারিসের মাঠে ফুল ফোঁটাবেন মেসি

প্যারিসের ক্লাবের হয়ে সাংবাদিক সন্মেলনে এসে মেসি জানিয়ে দিয়েছেন ফের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার জন্য ঝাঁপাব। এই ক্লাবের এবং তাঁর একই লক্ষ্য, ক্রমশ সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া। প্যারিসের সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন আর্জেন্তাইন তারকা।

আরও পড়ুন বাংলার প্রথম অভিধান লিখতে সময় লেগেছিল ৪০ বছর

সাংবাদিকদের মেসি বলেন, “যাঁরা আমার জন্য স্টেডিয়ামের বাইরে দাঁড়িয়ে গলা ফাটাচ্ছেন, তাঁদের নিয়ে আমি আপ্লুত। স্পেনের পর প্যারিসে এসেও সমর্থকদের উন্মাদনা দেখছি। এখানে আসার আগেই যে আমাকে নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়ে গিয়েছিল সেটাও জানি।”

মেসির পিএসজি-তে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঝড় উঠেছে। ছবি: রয়টার্স

অবশ্য শুধু প্যারিসের সমর্থকরাই নন। লিগ ওয়ানের ক্লাবকে নিয়ে মেতেছেন গোটা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমিরা। মেসির যোগদানের পর মাত্র একদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ৩০ লক্ষ ফলোয়ার বেড়েছে পিএসজি-র।

আরও পড়ুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে প্রাক্তন নিউজিল্যান্ড তারকা

অবশ্য শুধু পিএসজি’ই নয়, সমর্থকরা উৎসাহিত মেসির নতুন জার্সি নিয়েও। হুহু করে বিকোচ্ছে মেসির জার্সি। এক একটা জার্সির দাম ১৬৫ ইউরো বা প্রায় ১৫ হাজার টাকা। মেসির জার্সি কিনতে অনেক সমর্থক প্রায় দু’ঘণ্টা লাইনেও দাঁড়িয়েছেন।

আরও পড়ুন ক্লাব ছাড়ার দুদিনের মধ্যে মেসির ছবি মুছল তাঁর সাধের বার্সা

অন্যদিকে মেসি ছাড়ার পরেই রাতারাতি ফ্যান ফলোয়িং কমতে শুরু করেছিল কাতালুনিয়ান ক্লাবের। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সাধের মেসি চলে যাওয়ায় বার্সেলোনাকে আনফলো করেছিলেন বহু সমর্থক। গত দু’দিনে কাতালান ক্লাবের ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ১১ শতাংশ কমে গিয়েছে।

ক্লাব ছাড়ার দু’দিনের মধ্যে মেসির ছবি মুছল তাঁর সাধের বার্সা

নিউজ ডেস্ক: দু’দিন আগেই সাংবাদিক সন্মেলন করে লিওনেল মেসি জানিয়েছেন চলতি মরশুমে আর বার্সেলোনায় থাকছেন না তিনি। তারপরেই সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা সমর্থকদের মাথায় এসেছিল, তা হল এবার কোথায় যাচ্ছেন ‘এলএমটেন’। মঙ্গলবারের বিকেলে সে সমস্ত জল্পনার অবসান। প্যারিস সাঁজাঁতেই এবার যাচ্ছেন মেসি। বার্সেলোনার সংসার ত্যাগ করে এবার ‘মেসি ম্যাজিকের’ নতুন গন্তব্য প্যারিস। তিনি যে প্যারিস সাঁজাঁতেই যাচ্ছেন, তা একপ্রকার নিশ্চিত করেছেন তার বাবা।

‘প্যারিস’ লেখা টি-শার্টে প্যারিস সাঁ-জাঁ’তে যোগ দিতে ‘প্যারিস’ পৌঁছলেন লিও মেসি।

আরও পড়ুন বার্সার মার্কেট ভ্যালু কমিয়ে এবার প্যারিসের মাঠে ফুল ফোঁটাবেন মেসি

আর এবার, ক্লাব ছাড়ার মাত্র দু’দিন পরেই সাধের ক্যাম্প ন্যু থেকে সরতে শুরু করল তাঁর ছবি। প্রায় দু’দশক আগে এই ক্লাবে এসেছিলেন কিশোর লিও। যোগ দিয়েছিলেন বার্সেলোনার ছোটদের অ্যাকাডেমী ‘লা মাসিয়ায়’। সেখান থেকে আসেন সিনিয়র টিমে। ক্লাব কেরিয়ারে যেমন ক্লাবকে উপহার দিয়েছেন একাধিক ট্রফি, একাধিক মাইলফলক। ঠিক সেরকমভাবেই নিজের ঝুলিতেও ভরেছেন একাধিক ব্যক্তিগত সাফল্য।

ক্যাম্প ন্যু থেকে সরানো হচ্ছে মেসির ছবি।

আরও পড়ুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে প্রাক্তন নিউজিল্যান্ড তারকা

বার্সায় যোগ দেওয়ার শুরু থেকেই একাত্ম হয়ে গিয়েছিল লিওনেল মেসি-এফসি বার্সেলোনা। দীর্ঘ সেই সম্পর্কে ছেদ পড়েছে। প্রেস মিটে ভেজা চোখে ফুটবলের রাজপুত্র জানিয়েছেন, এই মরশুমে তিনি ক্লাবে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারেননি। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্লাবের অফিসিয়ালদের জন্যই ক্লাব ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। ঘুরিয়ে সে কথাই বলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

মেসি ছাড়ার পরেই রাতারাতি ফ্যান ফলোয়িং কমতে শুরু করেছিল কাতালুনিয়ান ক্লাবের। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সাধের মেসি চলে যাওয়ায় ক্লাবকে আনফলো করেছিলেন বহু সমর্থক। এবার ক্লাব এবং স্টেডিয়াম থেকে ‘মেসির ছবি’ সরানোর ছবি ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।

বার্সার মার্কেট ভ্যালু কমিয়ে এবার প্যারিসের মাঠে ফুল ফোঁটাবেন মেসি

নিউজ ডেস্ক: কোটি কোটি সমর্থকদের সমস্ত জল্পনার অবসান। বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সাঁজাঁতেই এবার লিওনেল মেসি। তিনি যে প্যারি সাঁজাঁতেই যাচ্ছেন, তা নিজস্ব কায়দায় তাঁর ভক্তকুলকে জানালেন মেসি। বিমানের ভেতর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিয়ে শুরু। তারপর ‘প্যারিস’ লেখা টি-শার্ট পরে ক্লাবে এসে মেসি জানিয়ে দিলেন, প্যারিস আমি আসছি।

আরও পড়ুন চোখের জলে বার্সেলোনা ছাড়লেন লিও মেসি

আপাতত দু’বছরের চুক্তিতে লিগ ওয়ান ক্লাবে সই করবেন আর্জেন্তাইন তারকা। তবে নতুন চুক্তিতে এক বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সাল অবধি মেসিকে দলে রেখে দেওয়ার সুযোগও রয়েছে ফ্রান্সের দলের সামনে। স্কাই স্পোটর্স, ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাবরিজিও রোমানোসহ একাধিক সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী মেসির এজেন্ট তথা তাঁর বাবা জর্জ মেসি এবং তাঁর আইনজীবিরা বেশ কিছুদিন আলাপ আলোচনা এবং সবদিক খতিয়ে দেখার পর পিএসজির সঙ্গে সম্পূর্ণ চুক্তিতে পৌঁছেছেন ‘এলএম১০’।

Football news - Paris Saint-Germain confirm Lionel Messi to join on free  transfer, signs two-year deal - Eurosport

এদিকে মেসি ক্লাব ছাড়তেই বড়সড় ধাক্কা বার্সেলোনায়। বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়ে কাতালুনিয়ান ক্লাব। মেসি ক্লাব ছাড়ার কথা ঘোষণা করতেই রাতারাতি ফ্যান ফলোয়িং কমতে শুরু করেছিল কাতালুনিয়ান ক্লাবের। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সাধের মেসি চলে যাওয়ায় ক্লাবকে আনফলো করেছিলেন বহু সমর্থক। এবার আরেক ধাক্কা খেল বার্সা, গত দু’দিনে কাতালান ক্লাবের ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ১১ শতাংশ কমে গিয়েছে।

ক্যাম্প ন্যু’তে আর দেখা যাবে না এই দৃশ্য।

বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার কাছে যা একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনে তাঁর অন্যতম দাবী ছিল, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে বার্সাতেই থাকবে লিও মেসি। যা পূরণ করতে পারেননি তিনি। ফলে অনেক মহলেই শোনা যাচ্ছে, পদত্যাগ করতে হতে পারে তাঁকে। অন্যদিকে, স্পনসরদের কাছ থেকে বছরে মোট ১৮০ মিলিয়ন ইউরো পায় বার্সেলোনা। লাপোর্টা প্রেসিডেন্ট হয়ে আসার পর সেটাকে ২০০ মিলিয়ন ইউরোতে টার্গেট করেছেন। কিন্তু মেসি ক্লাব ছাড়ায় বছরে ১৮০ মিলিয়ন ইউরোই পাওয়া যাবে কিনা তাও এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

দু’দিন আগেই খবর পাওয়া গিয়েছিল ১০ অগস্ট পিএসজির তরফে আইফেল টাওয়ার বুক করা হয়েছে। সেই জল্পনাই এবার সত্যি হল।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে প্রাক্তন নিউজিল্যান্ড তারকা

নিউজ ডেস্ক: কয়েকমাস আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পরপর দু’বার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি, হয়েছিল অস্ত্রোপচারও। বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল একজন খেলোয়াড় তাঁর শারীরিক সক্ষমতার শীর্ষে থাকেন।

আরও পড়ুন এবারে রান্নার মসলায় কমবে ওজন, প্রতিদিন রান্নায় ব্যবহার করুন এই ৬ টি মশলা

৪৯ বছর বয়সী সৌরভ খেলা ছাড়লেও রীতিমতো ফিটনেস ফ্রিক। তাঁর কোনও আগাম শারীরিক সমস্যা ছাড়াই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তায় পড়েছিল সকলে। তারপরেই ইউরো কাপ চলাকালীন মাঠেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েছিলেন ডেনমার্কের খেলোয়াড় এরিকসেন।

আরও পড়ুন অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

এবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ক্রিস কেয়ার্ন্স। গত সপ্তাহে ক্যানবেরায় তাঁর হৃদযন্ত্রের মূল ধমনীতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি লাইফ সাপোর্ট ইউনিটে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটা অপারেশন হয়ে গেলেও চিকিৎসায় বিশেষ সাড়া দিচ্ছেন না তিনি।

Report: Ex-Black Caps all-rounder Chris Cairns on life support

আরও পড়ুন অভাবের সংসারে হাল ধরতে সবজি বিক্রি করছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

৫১ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ১৯৮৯ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬২ টেস্ট ম্যাচ, ২১৫টি একদিনের ম্যাচ এবং জোড়া টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন।

আরও পড়ুন ভারতের সবচেয়ে বড় পতিতালয়ের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে ঠাকুরবাড়ির নাম

টেস্ট এবং ওডিআই, দুটি বিভাগেই ২০০-এর ওপর উইকেটের মালিক তিনি। মিডল অর্ডারে ব্যাট করে পাঁচদিনের খেলায় তাঁর সংগ্রহ ৩,৩২০ রান। ওডিআই’তে করেছেন ৫,৯৫০ রান।

আরও পড়ুন অভাবে বন্ধ স্বপ্ন দেখা, অলিম্পিকে মশাল হাতে দৌড়ানো পিঙ্কি এখন চা-বাগানের শ্রমিক

বহুদিন ধরেই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ক্যানবেরায় বসবাস করছেন কেয়ার্ন্স। সেখানে স্মার্টস্পোর্টস নামে একটি সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী পদে ছিলেন তিনি। প্রাক্তন এই ক্রিকেটারের বাবা ছিলেন নিউজিল্যান্ডের প্রবাদপ্রতিম খেলোয়াড়, ল্যান্স কেয়ার্ন্স।

অভাবের সংসারে হাল ধরতে সবজি বিক্রি করছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

World-Cup

নিউজ ডেস্ক: করোনা সংক্রমণের দলে গত বছরের ২৪শে মার্চ দেশে শুরু হয়েছিল লকডাউন। তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের দিন আনা- দিন খাওয়া মানুষেরা। যদিও শুধু তারাই নন, জীবনযুদ্ধে লড়াই করতে পথে নেমেছেন প্রচুর মানুষ। গত বছর থেকেই পেটের টানে জীবিকা বদলাতে বাধ্য হয়েছে অনেকে। এবার একই পথ বেছে নিলেন দেশের হয়ে দ্বিতীয়বার ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী টিমের সদস্যও। ক্রিকেট ছেড়ে সবজি বিক্রি শুরু করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

করোনা সংক্রমণ না কমলেও ইংল্যান্ডে সিরিজ খেলতে গিয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। অন্যদিকে, দিনকয়েক আগেই শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিল ভারতের আরেক টিম। করোনাকালেও যাবতীয় আলো ছিল তাদের ওপরেই। ঠিক তখনই অন্ধকারে জীবনযদ্ধের রসদ খুঁজে বেড়াচ্ছেন ভারতের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া সদস্য।

India vs Pakistan: Blind Cricket World Cup: India beat Pakistan by two  wickets in thrilling final to retain title | Cricket News - Times of India

২০১৮ সালে দৃষ্টিহীনদের বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্ধী পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছিল টিম ইন্ডিয়া। টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন নরেশ তুমদা। বিশ্বকাপ জিতে দিল্লিতে ফেরার পর গোটা দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সেই সভায় ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও। উপস্থিত সকলেই আশ্বাস দিয়েছলেন, জয়ী টিমের প্রত্যেক সদস্যকে চাকরী দেওয়া হবে। কিন্তু, বিশ্বকাপ জেতার পর প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও এখনও চাকরী পাননি কেউই।

Blind Cricket World Cup Winner Naresh Tumda Forced To Work As Labourer,  Asks PM For Job

 

আরও পড়ুন অভাবে বন্ধ স্বপ্ন দেখা, অলিম্পিকে মশাল হাতে দৌড়ানো পিঙ্কি এখন চা-বাগানের শ্রমিক

লকডাউনে সংসারে অভাব বাড়ায় রাস্তায় নামতে হয়েছে নরেশকে। বর্তমানে গুজরাতের নওসারীতে সবজি বিক্রি করেন তিনি। মাঝে মাঝে দিনমজুরের কাজও করেন। সংবাদমাধ্যমকে নরেশ জানিয়েছেন, “দিনমজুরের কাজ করে দিনে ২৫০ টাকা রোজগার করি। এর আগে বিশ্বকাপ জিতে ফেরার পর অনেকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আমরা প্রত্যেকেই চাকরী পাব। আমি নিজে তিনবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছি, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাইনি।”

অভাবে বন্ধ স্বপ্ন দেখা, অলিম্পিকে মশাল হাতে দৌড়ানো পিঙ্কি এখন চা-বাগানের শ্রমিক

Pinki

নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক, পৃথিবীর সবচেয়ে সন্মানজনক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। যেই প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারাটাই গৌরবের। ন’বছর আগে ২০১২ সালের লন্ডনে অনুষ্ঠিত সেই অলিম্পিকের মশাল হাতে নটিংহামের রাজপথে দৌঁড়েছিলেন এক ভারতীয়, নাম পিঙ্কি কর্মকার। সারা বিশ্বের মোট ২০টি দেশ থেকে বাছাই করা হয়েছিল প্রতিনিধিদের। তাদের মধ্যে একমাত্র ভারতীয় সদস্য ছিলেন পিঙ্কি।

আরও পড়ুন অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

মশাল হাতে পিঙ্কির ছবি প্রকাশিত হয়েছিল দেশের সমস্ত সংবাদপত্রে। মশাল এবং ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, হাজার ওয়াটের আলোয় চকচক করছিল ওই কিশোরীর মুখ। কিন্তু তারপর থেকেই ক্রমশ অন্ধকারে তলিয়ে গিয়েছে সে। বর্তমানে আসামের একটি চা বাগানে দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন পিঙ্কি।

আরও পড়ুন নাম বদলে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন এবার মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার

আরও পড়ুন প্রতিযোগীর সংখ্যা মাত্র পাঁচ, অলিম্পিকে তিনটি পদকপ্রাপ্তি ক্ষুদ্রতম দেশের

২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ভারত মোট ৬টি পদক পেয়েছিল। দেশে ফিরে সেই পদকজয়ীদের মতোই সংবর্ধনা পেয়েছিলেন এই অ্যাথলিট। বিমানবন্দরে পা দেওয়ামাত্র তাঁকে জড়িয়ে ধরেছিলেন ডিব্রুগড়ের তৎকালীন সাংসদ সর্বানন্দ সোনওয়াল। তাকে পিঙ্কি জানিয়েছিলেন তিনি পরবর্তী অলিম্পিকে নামতে চান একজন তীরন্দাজ হয়ে। সোনওয়াল পরবর্তীকালে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হন, এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার সদস্যও হয়েছেন। কিন্তু পিঙ্কির তীরন্দাজ হওয়া হয়ে ওঠেনি।

আরও পড়ুন “পরিচালকের সঙ্গে শুইনি বলে কাজ পাই না,” আক্ষেপ অভিনেত্রীর

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলোর প্রতি ভালোবাসা ছিল পিঙ্কির। আর ইউনেস্কোর স্পোর্টস ফর ডেভালাপমেন্ট প্রকল্পের সুবাদে নিজেকে মেলে ধরার জায়গাও পেয়েছিলেন। নিজের অনুশীলনের পাশাপাশি আসামের চা-বাগান এলাকায় বহু কচিকাঁচাকে ট্রেনিং দিতেন তিনি। কিন্তু সেসব এখন অতীত। কলেজে পড়ার সময়েই হঠাৎ মা মারা গেলে তাকে সংসার চালানোর প্রয়োজনে নামতে হয়েছে মায়ের পেশাতেই। জীবনযুদ্ধে লড়তে গিয়ে স্বপ্ন দেখা বন্ধ বছর ছাব্বিশের এই তরুনীর।

প্রতিযোগীর সংখ্যা মাত্র পাঁচ, অলিম্পিকে তিনটি পদকপ্রাপ্তি ক্ষুদ্রতম দেশের

San-Marino

নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক, পৃথিবীর সবচেয়ে সন্মানজনক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। যেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারাটাই গৌরবের। সাফল্য না আসলেও তাতে প্রতিবারই অংশ নেয় বিশ্বের বহু দেশ। সেরকমই একটি দেশ সান মারিনো, পৃথিবীর পঞ্চম ক্ষুদ্রতম দেশ। ইতালির অভ্যন্তরেই ছোট্ট একখণ্ড স্বতন্ত্র দেশ। চারিদিক ঘেরা ভূভাগেই। আয়তন ২৪ বর্গমাইল। জনসংখ্যা মাত্র ৩৪ হাজার। ১৯৬০ সালের রোম অলিম্পিক থেকে প্রতিবারই অলিম্পিকে দল পাঠিয়েছে এই দেশ। কিন্তু এতদিন তাদের প্রাপ্তির ঝুলি ছিল শূন্য, প্রতিবারই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে প্রতিযোগীদের।

আরও পড়ুন অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

সান মারিনোর সেই পদক খরা অবশ্য এবছর কেটেছে, টোকিও অলিম্পিক থেকে এবছর তাদের প্রাপ্তি একটি রুপো এবং দুটি ব্রোঞ্জ। অংশগ্রহনকারী দেশগুলির মধ্যে পদকতালিকায় ৭২ নম্বরে শেষ করেছে তারা। যদিও তিনটি পদকপ্রাপ্তির কৃতিত্ব অন্য জায়গায়। চলতি অলিম্পিকে এবার সান মারিনো থেকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন মাত্র ৫ জন প্রতিযোগী। তাদের মধ্যে বাজিমাত করেছে তিন জন।

San Marino Becomes the Smallest Country to Win Olympic Medal - The New York  Times

চলতি অলিম্পিকের শুরুতেই সান মারিনোর মহিলা শুটার আলেসান্দ্রা পেরিলি পেয়েছিলেন ব্রোঞ্জ পদক। এরপরে শ্যুটিংয়ের মিক্সড ইভেন্টেও জিয়ান মার্কো বের্তির সঙ্গে জোট বেঁধে রুপোর পদক পান আলেসান্দ্রা। এর আগে ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিক ও ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকেও দারুণ লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুটি অলিম্পিকেই অল্পের জন্য পদক হাতছাড়া হয় তাঁর, দু’বারই চতুর্থ স্থানে অলিম্পিক অভিযান শেষ করেন তিনি। এবার শুধু সাফল্যই আসেনি, পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে অলিম্পিকের পদকপ্রাপ্তির তালিকায় দেশের নাম তুলে দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও কুস্তিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন মাইলস অ্যামিন।

Amine, Micic qualify weight for Olympics, the top efforts of U.S.  collegians wrestling for other nations

করোনা সংক্রমণের মধ্যেই বহু দেশই এ বছর অলিম্পিকের মঞ্চে হাজির হয়েছিল বিরাট দল নিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং আয়োজক দেশ জাপানের কথা বাদ দিলে, বাকিদের সাফল্য তেমন আসেনি। সেখানে মাত্র ৫ জন প্রতিযোগী নিয়ে ৩টি পদক-জয় সত্যিই ঐতিহাসিক। সান মারিনোর এই কীর্তিই এখন গোটা বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

Ritu

নিউজ ডেস্ক: সদ্য টোকিও অলিম্পিক থেকে মহিলাদের বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতে দেশে ফিরেছেন লাভলিনা বোর্গেহাই। আসামের মেয়ের পদক নিশ্চিত হওয়ার পরেই আনন্দে ভেসেছে তাঁর গোটা গ্রাম, গ্রামের রাস্তাও পাকা হচ্ছে বলে খবর। অল্পের জন্য পদক মিস করেছেন দেশের আরেক মহিলা বক্সার মেরী কম। ২০১২ সালে ব্রোঞ্জ জেতার পর এবারও পদক পেলে অনন্য নজির গড়তেন তিনি। মণিপুরের এই মেয়েকে নিয়ে গর্বিত গোটা দেশ। অন্যদিকে, ঠিক সেসময়েই বক্সিং রিং থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন আরেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, রিতু।

আরও পড়ুন চোখের জলে বার্সেলোনা ছাড়লেন লিও মেসি

ইন্টার স্কুল বক্সিং প্রতিযোগীতায় দেশে সেরা হয়েছিলেন, নিজের জাত চিনিয়েছিলেন জাতীয় গেমসেও। তারপরেই অভাবের সংসারের হাল ধরতে ক্রমশ রিং থেকে দূরে চলে গেছেন তিনি। বর্তমানে সংসারের দায়িত্ব নিতে চন্ডীগড়ের সেক্টর ২২-এর শাস্ত্রী মার্কেটের পার্কিং লটে পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন তিনি।

Chandigarh Boxer Ritu नेशनल बॉक्सिंग की ये खिलाड़ी अब काट

সাড়া জাগিয়ে শুরু করলেও ২০১৭ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বক্সিং ছেড়ে দিতে বাধ্য হন তিনি। ২৩ বছর বয়সী রিতুর কথায়, “২০১৭ সালে আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর অসুস্থতার পর সংসারের দেখভালের দায়িত্ব নেয় আমার তিন ভাই। মোহালি, চন্ডীগড়ে দিনমজুর হিসেবে কাজ করে ওরা। কিন্তু তাতে সংসার না চলায় আমাকেও কাজে নামতে হয়। গত একবছর ধরে এই পার্কিং লটে কাজ করছি। আমার কাজ মূলত গাড়ি গুলির রসিদ সংগ্রহ করা, এর জন্য প্রতিদিন ৩৫০ টাকা করে পাই। সংসারের তাতে সাহায্য হলেও আমার মন পড়ে থাকে বক্সিং রিংয়েই। কিন্তু আমার কিছু করার নেই।”

Boxer Ritu Chandigarh: How will India play like this? Boxer Ritu cutting  off parking slips in Chandigarh to run home - MCE Zone

অলিম্পিক সহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ভালো খেলে লাভলিনা, মীরাবাঈ চানু, পিভি সিন্ধু, রানি রামপালরা দেশের মানুষের বাহবা কুড়োচ্ছেন, ঠিক তখনই অন্য মেরুতে এই প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। অবশ্য শুধু রিতুই নন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভাবের সঙ্গে লড়তে গিয়ে এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে বহু উঠতি প্রতিভা।