দু’বছর অন্তর বিশ্বকাপ চান ‘বিশ্বকাপজয়ী’ রোনাল্ডো, আর্সেন ওয়েঙ্গার

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের চিরাচরিত কাঠামো, অর্থাৎ চার বছর পরপর টুর্নামেন্ট আয়োজনের বর্তমান কাঠামোতে পরিবর্তন আনার বিপক্ষে ইউরোপের ফুটবল খেলা দেশগুলোর পরিচালক সংস্থা উয়েফা এবং ওই মহাদেশের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলো। চার বছর অন্তর বিশ্বকাপ না করে প্রতি দু’বছরের ব্যবধানে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে ভাবছে ফিফাও।

দু’বছর অন্তর বিশ্বকাপ চাইছে ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।

আরও পড়ুন দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা


আরও পড়ুন বিশ্বের চোখ শ্রীহট্টের বাইশ গজে, বাংলাদেশেই তালিবান সরকারের ক্রিকেট কূটনীতির যুদ্ধ

এবার একই সুর শোনা গেল ব্রাজিলের রোনাল্ডোর গলাতেও। কাতারের দোহায় শুক্রবার শেষ হয়েছে ছেলেদের ফুটবলের ভবিষ্যত নিয়ে ফিফার টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপের দুই দিনের সম্মেলন। আন্তর্জাতিক ম্যাচের বার্ষিক সূচি নতুন করে সাজানোর যে প্রস্তাব ফিফা দিয়েছে তা কতটা বাস্তবসম্মত, সম্মেলনে তা নিয়ে মতামত দেন। দুই বছর পরপর বিশ্বকাপ আয়োজনের যে ধারণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা রোনাল্ডোও। আর্সেন ওয়েঙ্গারের মন্তব্যকেই সমর্থন করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন,বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা


আরও পড়ুন ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

https://twitter.com/FootballlForAll/status/1434215369477169158?s=20

উয়েফার তরফ জানানো হয়েছে, ‘আমরা ফিফার কাছে প্রস্তাব রেখেছি, প্রতি চার বছর অন্তর বিশ্বকাপ না করে কমিয়ে এনে প্রতি দু’বছরে করা যেতে পারে। আমরা যদি এই ফরম্যাটেই পড়ে থাকি তাহলে অনেক খেলোয়াড়ই দুটির বেশি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না। অন্যদিকে দু’বছর পরপর বিশ্বকাপ হলে ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকা, নর্থ এবং সাউথ আমেরিকার সব জায়গাতেই টুর্নামেন্ট করতে পারি।’

https://twitter.com/CANDYMANCHENK/status/1435329495821606914?s=20

আরও পড়ুন সুতীর্থার জন্যই ম্যাচ ছাড়তে বলেছিলেন সৌম্যদীপ? মণিকার অভিযোগে জল্পনা ক্রীড়াদুনিয়ায়

ফাউলার পর্ব অতীত, বিদেশীও বেছে ফেলেছেন মানেলো দিয়াজ

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

আরও পড়ুন ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

বিদেশী নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন রবি ফাউলার। ঠিক ছিল তিনি দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

সেপ্টেম্বরের শেষে ফাউলারের দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথাও পাকা হয়ে গিয়েছিল। যদিও তারপরেই ফাউলারকেই ছেঁটে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাউলারের জায়গায় নতুন হেডস্যার হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব সামলানো মানেলো দিয়াজ। ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট জানিয়ে দেয়, দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী মরশুমে লাল-হলুদের কোচের পদে আর থাকছেন না রবি ফাউলার।

এর মধ্যেই বিদেশি বাছাই প্রায় চূড়ান্ত ইস্টবেঙ্গলে। ৪৮ ঘন্টা আগেই নতুন কোচের নাম ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল। তাঁর সম্মতিতেই প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে লাল হলুদের ছয় বিদেশি। দু’জন ক্রোয়েশিয়ান, একজন নাইজেরীয়, একজন স্লোভাক, একজন ডাচ ফুটবলার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগের জন্য নির্বাচিত দলে।

চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছিলেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়ে দিয়ে ছিলেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’ প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

 

 

কূটখেলা: তালিবান ক্রিকেট কূটনীতির বল গড়াল বাংলাদেশের বাইশ গজে

Bangladesh, Afghanistan, Cricket

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: শনিতে শপথ, শুক্রে মাঠে! বাইশ গজের লড়াই নাকি তালিবান (Taliban) শাসিত আফগানিস্তানের ক্রিকেট কূটনীতি তা নিয়ে বিস্তর চর্চা চলছে। বাংলাদেশের সিলেটে স্টেডিয়ামে আফগান যুবদল মাঠে নামতেই উপমহাদেশের বিখ্যাত ক্রিকেট কূটনীতির শরিক হয়ে গেল আফগানিস্তান।

দুই দেশের খেলা হলেও তালিবানের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দিচ্ছে না বাংলাদেশ। ঢাকায় জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

শুক্রবার পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে সিলেট স্টেডিয়ামে খেলতে নামে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের অনুর্ধ্ব ১৯ জাতীয় যুবদল। শনিবার কাবুলে দ্বিতীয় তালিবান সরকার শপথ নেবে। তার আগে শুক্রবার তাদের নির্দেশে বাংলাদেশ সফরে আসা আফগান যুব দল নামে ময়দানে। তালিবান জঙ্গি সরকার আফগানিস্তানে কুর্সিতে বসতেই বাংলাদেশেই প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে আফগান জাতীয় দলটি।

তাৎপর্যপূর্ণ এই ম্যাচ। কারণ, গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান জঙ্গি সংগঠন। তাদের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, এই সরকার পূর্ববর্তী ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত চলা তালিবান সরকারের থেকে নরম। সেই অামলে জঙ্গি সংগঠনটি আফগানিস্তানে সব খেলা নিষিদ্ধ করেছিল। এবার তারা ফের সরকার গড়ে ক্রিকেটকে হাতিয়ার করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার তিন ক্রিকেট পাগল দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ পরস্পর লাগোয়া। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতায় ক্রিকেট আসর ভূমিকা নেয় গরম ভাব নরম করতে। নয়াদিল্লি ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক আসরে ক্রিকেট কূটনীতি বিশেষ পরিচিত। এই শৃঙ্খলায় এবার ঢুকছে তালিবান শাসিত আফগানিস্তান। কাবুলের জঙ্গি সরকার তাদের নরম ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ক্রিকেটকে হাতিয়ার করেছে। আফগান দলের বাংলাদেশ সফর সেই কারণেই বিশেষ আলোচিত।

শ্রীহট্ট বা সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ান ডে সিরিজের খেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০, ১২, ১৪, ১৭ ও ১৯শে সেপ্টেম্বর। চার দিনের ম্যাচটি হবে ২২ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর। এমনই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) ও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (ACB)।

আপাতত তালিবানি হুকুম পালনে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল এখন বাংলাদেশে। সিলেটের ম্যাচগুলি যতটা না খেলা তার চেয়ে বেশি কূটখেলা।

তালিবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম কোনও আফগান ক্রিকেট দল দেশের বাইরে বেরিয়েছে খেলতে। আগামী বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে যুব বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ চূড়ান্ত করতেই তালিবান সরকার মরিয়া। আফগানিস্তান জাতীয় দল আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেবে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ওমানে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বের চোখ শ্রীহট্টের বাইশ গজে, বাংলাদেশেই তালিবান সরকারের ক্রিকেট কূটনীতির যুদ্ধ

First Afghan cricket team in Taliban era arrives in Bangladesh

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আফগানিস্তানে এখন দ্বিতীয় তালিবান সরকার চলছে। বিশ্বকে ক্রমাগত কূটনৈতিক বার্তা দিয়ে চলা জঙ্গি সংগঠনটি কাবুল দখল করেই ক্রিকেট কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছে। সেই সূত্রে আফগান অনুর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দল এখন বাংলাদেশ সফরে। এমনিতে তেমন কিছু আহামরি ক্রিকেট সফর নয়, তবে তালিবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আফগানিস্তানের যে কোনও বিষয় এখন প্রবল কৌতূহলের কেন্দ্র। সেই কারণেই বাংলাদেশে খেলতে আসা আফগানিদের উপর দুনিয়ার নজর।

শ্রীহট্ট বা সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ান ডে সিরিজের খেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০, ১২, ১৪, ১৭ ও ১৯শে সেপ্টেম্বর। চার দিনের ম্যাচটি হবে ২২ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর। এমনই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) ও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (ACB)।

তালিবান জঙ্গি সংগঠনটি মঙ্গলবার আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গড়েছে। তৈরি হয়েছে তাদের ছায়া মন্ত্রিপরিষদ। সরকার ঘোষণার আগেই আফগান জাতীয় যুব ক্রিকেট দল ঢাকা পৌঁছে যায়। বাংলাদেশ সরকারের করোনা সংক্রমণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিনদিন সিলেটের হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে সিরিজ খেলবে আফগান দলটি। তৈরি বাংলাদেশ যুব দল।

Afghan youth cricket team arrived in dhaka

এ শুধু খেলা নয়, খেলার বাইরে আরেক কূটখেলা
তালিবান সরকার ঘোষণার আগেই বিশ্বকে বার্তা দেয় সংগঠনটি মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। বলা হয়, সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায় নতুন তালিবান সরকার। পূর্বতন তালিবান সরকার (১৯৯৬-২০০১) যে সব কঠোর নিয়ম বলবত করেছিল তার অন্যতম আফগানিস্তানে ক্রিকেট হয়েছিল বন্ধ। দু দশক পরে সেই তালিবান জানায়, ক্রিকেট চলবে। তবে পুরুষদের ক্রিকেট।

দক্ষিণ এশিয়ার তিন ক্রিকেট পাগল দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ পরস্পর লাগোয়া। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতায় ক্রিকেট আসর ভূমিকা নেয় গরম ভাব নরম করতে। নয়াদিল্লি ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক আসরে ক্রিকেট কূটনীতি বিশেষ পরিচিত। এই শৃঙ্খলায় এবার ঢুকছে তালিবান শাসিত আফগানিস্তান। কাবুলের জঙ্গি সরকার তাদের নরম ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ক্রিকেটকে হাতিয়ার করেছে। আফগান দলের বাংলাদেশ সফর সেই কারণেই বিশেষ আলোচিত।

ভয়েস অফ আমেরিকা জানাচ্ছে, তালিবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম কোনও আফগান ক্রিকেট দল দেশের বাইরে বেরিয়েছে খেলতে। আগামী বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে যুব বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ চূড়ান্ত করতেই তালিবান সরকার মরিয়া। আফগানিস্তান জাতীয় দল আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেবে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিদা এবং ওমানে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে।

আপাতত তালিবানি হুকুম পালনে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল এখন বাংলাদেশে। সিলেটের ম্যাচগুলি যতটা না খেলা তার চেয়ে বেশি কূটখেলা।

ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

অনুভব খাসনবীশ: গত বছর এটিকে-মোহনবাগানের (Mohun Bagan) নতুন জার্সিতে তিনটি স্টার থাকা এবং ক্রমাগত তাদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বলে উল্লেখ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা। তাদের ক্রমাগত আন্দোলনের পরে তিন স্টার সরিয়ে নিয়েছে ক্লাব অফিসিয়ালরা। ঝামেলা বেড়েছিল আইএসএলের একটি প্রোমোশনাল ভিডিওকে ঘিরেও। ওই ভিডিওতে দেখা যায় এটিকের অন্যতম কর্ণধার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে নিয়েছিল আইএসএল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

এবার এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছে। সবই সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়। কিন্তু তারমাঝেই বিতর্ক তৈরি করলেন এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখ।

আরও পড়ুন চলতি মাসের শেষেই লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিচ্ছে রবি ফাউলার


আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

একটি সাক্ষাৎকারে হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনাবাগন তো নিজস্ব গায়ের জোরে আজ পর্যন্ত খেলল না।  এতদিন সেই কারণেই এএফসি কাপে খেলেনি তারা। এটিকে আসাতেই সেই সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

May be an image of standing and text that says ""তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি" ৯- তারিখ আসছে দিন... ATK নাম মুছে দিন #RemoveATK #BreakTheMerger তারিখ: 9 September.2021 (বৃহস্পতিবার) সময়:বিকাল 4:30 pm স্থান: প্রেস ক্লাব কোলকাতা কালকে আসছি আমরা প্রেস ক্লাবে, আপনাকেও সাথে চাই পথে এবার নামো সাথী #RemoveATK #BreakTheMerger RESPECT OUR HISTORY HERITAGE AND TRADITION MOHUNBAGAN SUPPORTERS & MEMBERS"

ফলে আবার বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে ময়দানে। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়। মাঠের বাইরেও বিক্ষোভ দেখাতে নামছে সবুজ-মেরুন জনতা। আগামী ৯ তারিখ বিকেল ৪.৩০ নাগাদ প্রেস ক্লাবে সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সমর্থকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে।

যদিও, পারেখ-কান্ডের পরেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম ডিরেক্টর দেবাশীষ দত্ত এবং সৃঞ্জয় বসু জানিয়ে দেন, সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই হবে। উৎসব পারেখের বক্তব্য অপমান করেছে মোহনবাগানের শতাব্দীপ্রাচীন আবেগকে। তারপরেই এটিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে সভ্য-সমর্থকদের কাছে। জানিয়ে দেওয়া হয়, উৎসব পারেখের বক্তব্যকে সমর্থন করেন না তাঁরা। যদিও তাতেও কমছে না সবুজ-মেরুন সমর্থকদের রাগ। 

চলতি মাসের শেষেই লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিচ্ছে রবি ফাউলার

স্পোর্টস ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’

আরও পড়ুন শেষ প্রহরী নিশ্চিত, ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দম

অন্যদিকে  সেপ্টেম্বরের শেষদিকে ভারতে আসছেন রবি ফাউলার। ৩০ সেপ্টেম্বর আসতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। সরাসরি গোয়ায় শিবিরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তারপর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ড কাটিয়ে অক্টোবরের মাঝামঝিতে নেমে পড়বেন দলের প্র্যাকটিসে। 

ISL: We are not under pressure, says SC East Bengal coach Robbie Fowler |  Business Standard News

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা


আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। ইতিমধ্যেই পাঁচজন পছন্দের বিদেশির তালিকা ক্লাবকে পাঠিয়ে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। কর্মকর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে। তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

আরও পড়ুন বাতিল হয়ে গেল আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক

প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ইতিমধ্যেই দলে নিয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালরা। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। অরিন্দম ভট্টাচার্য, শুভ ঘোষ, আদিল খান, রোমিও ফার্নান্দেজ, নওরেম সিংহর মতো একঝাঁক খেলোয়াড় যোগ দিয়েছেন লাল-হলুদ শিবিরে। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

Durand Cup: প্রাচীনতম ডুরান্ড কাপ, সীমান্তরেখায় মিশে আছে ‘তালিবানিস্তান’ ও পাকিস্তান

Durand trophy

ওপারে আফগানিস্তান, এপারে পাকিস্তান। মাঝে রয়েছে এমন একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট-ডুরান্ড কাপ (Durand Cup), যাকে ঘিরে ফুটবল মক্কা কলকাতা হয় সরগরম।

The post Durand Cup: প্রাচীনতম ডুরান্ড কাপ, সীমান্তরেখায় মিশে আছে ‘তালিবানিস্তান’ ও পাকিস্তান appeared first on Kolkata24x7 | Bangla News | Latest Bengali News.

শেষ প্রহরী নিশ্চিত, ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দম

Arindam Bhattacharya

স্পোর্টস ডেস্ক: গতবার তেকাঠির তলায় সবুজ-মেরুনের অন্যতম ভরসা ছিলেন অরিন্দম ভট্টাচার্য (Arindam Bhattacharya)। ফাইনালে তাঁর ভুলে মোহনবাগান গোল খেলেও গোটা টুর্নামেন্টেই ধারাবাহিকতা দেখিয়েছিলেন এই বাঙালি গোলরক্ষক৷ গোল্ডেন গ্লাভসও উঠেছিল তাঁর হাতেই।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

তারপরেই আইএসএলেরই আরেক গোলরক্ষক অমরিন্দর সিংকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ফলে এএফসি কাপের প্রথম তিন ম্যাচে অ্যান্তোনীয় হাবাসের দলে জায়গা হয় নি অরিন্দমের। দলের শেষ প্রহরীর দায়িত্ব সামলেছেন অমরিন্দর। ফলে দল ছেড়েছিলেন অরিন্দম।  জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এসসি ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) পথেই পা বাড়ালেন তিনি।

আরও পড়ুন শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল


আরও পড়ুন মোহনবাগানেই আছি জানিয়ে দিলেন প্রবীর দাস

মোহনবাগান ছাড়ার পর থেকেই তাঁর ভবিষ্যতের দল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। তাঁর ভবিষ্যতের ক্লাব হিসেবে উঠে এসেছিল একাধিক নাম। শোনা গিয়েছিল তিনি কেরালা ব্লাস্টার্স কিংবা মুম্বই সিটি এফসিতেও যেতে পারেন। অন্যদিকে অরিন্দম মোহনবাগান ছাড়ার পরেই তাঁকে সই করাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু শ্রী সিমেন্ট তাঁর সঙ্গে একবছরের চুক্তির প্রস্তাব দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছিল অরিন্দমের পক্ষ থেকে। চুক্তির অঙ্ক নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে মতভেদ ছিল। অবশেষে সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিলেন তিনি। 

কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। দলবদলের ব্যাপারে লাল-হলুদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, সেই নিষেধাজ্ঞাও তারা তুলে নিয়েছে।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করিয়েছে দল। শুভ ঘোষ-আদিল খান-রোমিও ফার্নান্দেজরাও ইতিমধ্যে সই করে ফেলেছেন। এবার অরিন্দমকে দলে নিয়ে চমক দিল শতাব্দীপ্রাচীন ইস্টবেঙল (East Bengal)। 

 

বাতিল হয়ে গেল আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। গতবারও তাঁর উদ্যোগেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অংশ নিয়েছিল লাল-হলুদ বাহিনী। এবার বাংলার ফুটবলকে বাঁচাতে আইএফএ-র কর্তারাও দ্বারস্থ হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দুই প্রধানকে এবার কলকাতা লিগে খেলতে দেখা যাবে না। সেই ঘটনা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গেলেন ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা।

মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের কলকাতা লিগে না খেলা নিয়ে রবিবার আলোচনায় বসার কথা ছিল বাংলার ফুটবলের সর্বাধিক নিয়ামক সংস্থার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির। শোনা যাচ্ছিল কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে আইএফএ। কিন্তু বাতিল হয়ে গেল সেই সভা। ডুরান্ড উদ্বোধনের জন্য সভা পিছিয়ে দেওয়া হল। কলকাতা লিগের পাশাপাশি ডুরান্ডেও অংশ নিচ্ছে না কলকাতার দুই প্রধান। যদিও আইএফএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত লিখিতভাবে কিছু জানায়নি ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

মোহনবাগান পৌঁছে গিয়েছে এএফসি কাপের মূলপর্বে। তার উপর জাতীয় দলের হয়ে নেপালে খেলতে চলে গিয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। সেপ্টেম্বরে মূলপর্বের খেলা হওয়ায় দেশেও ফিরে গিয়েছেন দলের অনেক ফুটবলার। ফলে ঘরোয়া লিগে দল নামাবে না বলে অনেক আগেই আইএফএকে জানিয়েছিল ক্লাব। সৃঞ্জয় বোস জানিয়েছেন, “মেল করে আমরা জানিয়েছিলাম, আমাদের পক্ষে ঘরোয়া লিগে খেলা এবার সম্ভব নয়। এটাতো দেশের সম্মানের প্রশ্ন। তাই আমরা আইএফএ-র সহযোগিতা চেয়েছি। তাছাড়া এবার কোভিড পরিস্থিতির দরুন সেভাবে প্র্যাকটিসও হয়নি।”

অন্যদিকে সবে চুক্তি সমস্যা মেটার পর দলগঠনে নেমেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফলে প্র্যাকটিস ছাড়া দল নামাতে রাজি নন তারাও। লাল-হলুদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বরের আগে তাঁদের পক্ষে কলকাতা লিগে দল নামানো অসম্ভব। তারপর খেলতে তাঁদের আপত্তি নেই। যদিও কলকাতা লিগ চলাকালীনই হয়তো আইএসএলেরও খেলা পড়ে যাবে, ফলে আইএফএ কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের মাঠে না নামার বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত।

সুতীর্থার জন্যই ম্যাচ ছাড়তে বলেছিলেন সৌম্যদীপ? মণিকার অভিযোগে জল্পনা ক্রীড়াদুনিয়ায়

অনুভব খাসনবীশ: ভারতীয় টেবল টেনিস টিমের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়ে এলেন মণিকা বাত্রা। মার্চ মাসে অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনকারী একটি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন সৌম্যদীপ। টোকিও অলিম্পিকে জাতীয় কোচ সৌম্যদীপের সাহায্য নিতে না চাওয়ার জন্য মণিকাকে কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছিল জাতীয় টেবিল টেনিস সংস্থা। শুক্রবার তার উত্তর দিয়েছেন মণিকা। সেখানেই এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। ঘটনাটি সে সময় টিটি ফেডারেশনের এক কর্তাকেও জানিয়েছিলেন মণিকা, এমনটাই তাঁর দাবি।

আরও পড়ুন গড়াপেটায় ‘অভিযুক্ত’ বাংলার টিটি কোচ সৌম্যদীপ, বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন মণিকা

মণিকা লিখেছেন, “দোহায় মার্চ মাসে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বে জাতীয় কোচ আমার উপর চাপ তৈরি করেছিলেন ম্যাচ ছাড়ার জন্য। যাতে ওঁর এক ছাত্রী অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। অলিম্পিকে যাতে শেষ মুহূর্তে মনোযোগ হারিয়ে না ফেলি, তাই জাতীয় কোচকে ছাড়াই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

কিন্তু জাতীয় কোচ সৌম্যদীপের কোন ছাত্রীর কথা বলতে চাইছেন মণিকা বাত্রা? যার অলিম্পিকের টিকিটের জন্য মণিকাকে ম্যাচ ছাড়তে বলেছিলেন বাংলার প্রাক্তন টিটি প্লেয়ার। সৌম্যদীপের ছাত্রী হিসেবে নৈহাটির সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় ছিলেন অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনকারী টুর্নামেন্টে। মণিকা এই মুহূর্তে ভারতীয় টিটিতে এক নম্বর স্থানে রয়েছেন। সুতীর্থা দু’য়ে। নৈহাটির টেবল টেনিস খেলোয়াড় ১৯ মার্চ মণিকাকে হারিয়েই টোকিও অলিম্পিকের টিকিট পেয়েছিলেন। তীরন্দাজ অতনু দাসের পর বাংলা থেকে অলিম্পিকে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন সুতীর্থা।

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

মণিকা কি ওই ম্যাচটার কথাই বলতে চেয়েছেন? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে দেশের ক্রীড়ামহলে। পিছিয়ে নেই সোশ্যাল মিডিয়াও। বছর পাঁচেক আগেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। বয়স ভাড়ানোর অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করেছিল ফেডারেশন। ফলে যেতে পারেননি রিও অলিম্পিকে। এবার পৌলমী ঘটক, মৌমা দাসের পর বাংলার মহিলা টিটি খেলোয়াড় হিসাবে গিয়েছেন টোকিও অলিম্পিকে। যদিও অলিম্পিকের প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকে অসাধারণ জয় তুলে নিলেও, দ্বিতীয় রাউন্ডে পরাস্ত হন পর্তুগালের ফু য়ু-র কাছে।

টোকিও অলিম্পিকে মণিকা জাতীয় দলের কোচের তত্ত্বাবধানে খেলতে রাজি হননি। নিজের ব্যক্তিগত কোচকে সঙ্গে নিয়েই প্র্যাকটিস সেরেছিলেন। তবে অলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী, টিম হিসেবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে ব্যক্তিগত কোচ ম্যাচের সময় পরামর্শ দিতে পারেন না। তাই সাইড লাইনে কোনও কোচের উপস্থিতি ছাড়া একাই খেলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পরামর্শ নেননি জাতীয় কোচ সৌমদীপেরও। মণিকা দাবি তুলেছিলেন, সুতীর্থা যদি তাঁর কোচ হিসেবে সৌম্যদীপকে পাশে পান, তা হলে কেন তিনি নিজের কোচকে রাখতে পারবেন না?

এবার আবার সেই ঘটনার কারণ দেখাতে গিয়ে নতুন অভিযোগ এনেছেন তিনি। সৌম্যদীপ, সুতীর্থা দু’জনের সঙ্গেই যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। ভারতীয় খেলাধুলোয় ম্যাচ গড়াপেটার গল্প নতুন নয়, এবার এই অভিযোগ নিয়ে সৌম্যদীপ রায় কী প্রতিক্রিয়া দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামহল। তাছাড়াও ঘটনা প্রমাণিত হলে, সৌমদীপের সেই ছাত্রী সুতীর্থাই কিনা তা জানতেই উৎসুক দেশের ত্রীড়ামহল।

গড়াপেটায় ‘অভিযুক্ত’ বাংলার টিটি কোচ সৌম্যদীপ, বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন মণিকা

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতীয় টেবল টেনিস টিমের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়ে এলেন মণিকা বাত্রা। মার্চ মাসে অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনকারী একটি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন সৌম্যদীপ।

আরও পড়ুন উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

টোকিও অলিম্পিকে মণিকা জাতীয় দলের কোচের তত্ত্বাবধানে খেলতে রাজি হননি। নিজের ব্যক্তিগত কোচকে সঙ্গে নিয়েই প্র্যাকটিস সেরেছিলেন। তবে অলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী, টিম হিসেবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে ব্যক্তিগত কোচ ম্যাচের সময় পরামর্শ দিতে পারেন না। তাই সাইড লাইনে কোনও কোচের উপস্থিতি ছাড়া একাই খেলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পরামর্শ নেননি জাতীয় কোচ সৌমদীপেরও।

मनिका बत्रा का बड़ा आरोप- कोच रॉय ने कहा था मैच फिक्स करने को - manika batra  s big allegation coach roy had asked to fix the match-mobile

জাতীয় কোচ সৌম্যদীপের সাহায্য নিতে না চাওয়ার জন্য মণিকাকে কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছিল জাতীয় টেবিল টেনিস সংস্থা। শুক্রবার তার উত্তর দিয়েছেন মণিকা। সেখানেই এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। লিখেছেন, “দোহায় মার্চ মাসে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বে জাতীয় কোচ আমার উপর চাপ তৈরি করেছিলেন ম্যাচ ছাড়ার জন্য। যাতে ওঁর এক ছাত্রী অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। অলিম্পিকে যাতে শেষ মুহূর্তে মনোযোগ হারিয়ে না ফেলি, তাই জাতীয় কোচকে ছাড়াই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, ‘বাংলার ফুটবল’ বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

মণিকার আরও সংযোজন,  “আমার কাছে এই অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে এবং যথাসময়ে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সেটি জমা দেব। ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমার হোটেলের ঘরে এসে অন্তত ২০ মিনিট কথা বলেন জাতীয় কোচ। দেশের স্বার্থের দোহাই দেখিয়ে উনি অন্যায় ভাবে ওঁর ছাত্রীকে অলিম্পিকে পাঠাতে চাইছিলেন। সেই সময় ওঁর সঙ্গে সেই ছাত্রীও ছিল, যে জাতীয় কোচের অ্যাকাডেমিতেই অনুশীলন করে। আমি ফেডারেশনের এক আধিকারিককেও সেসময় সমস্ত ঘটনা জানিয়েছিলাম।” ভারতীয় খেলাধুলোয় ম্যাচ গড়াপেটার গল্প নতুন নয়, এবার এই অভিযোগ নিয়ে সৌম্যদীপ রায় কী প্রতিক্রিয়া দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামহল।

উৎসবের মন্তব্যে আবার ভাইরাল #RemoveATK, আন্দোলনের পথে সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

স্পোর্টস ডেস্ক: গত বছর এটিকে-মোহনবাগানের নতুন জার্সিতে তিনটি স্টার থাকা এবং ক্রমাগত তাদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বলে উল্লেখ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা। তাদের ক্রমাগত আন্দোলনের পরে তিন স্টার সরিয়ে নিয়েছে ক্লাব অফিসিয়ালরা। ঝামেলা বেড়েছিল আইএসএলের একটি প্রোমোশনাল ভিডিওকে ঘিরেও। ওই ভিডিওতে দেখা যায় এটিকের অন্যতম কর্ণধার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে নিয়েছিল আইএসএল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

এবার এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছে। সবই সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়। কিন্তু তারমাঝেই বিতর্ক তৈরি করলেন এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখ। একটি সাক্ষাৎকারে হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনাবাগন তো নিজস্ব গায়ের জোরে আজ পর্যন্ত খেলল না।  এতদিন সেই কারণেই এএফসি কাপে খেলেনি তারা। এটিকে আসাতেই সেই সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

যদিও, ঘটনার পরেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম ডিরেক্টর দেবাশীষ দত্ত এবং সৃঞ্জয় বসু জানিয়ে দেন, সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই হবে। উৎসব পারেখের বক্তব্য অপমান করেছে মোহনবাগানের শতাব্দীপ্রাচীন আবেগকে। তারপরেই এটিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে সভ্য-সমর্থকদের কাছে। জানিয়ে দেওয়া হয়, উৎসব পারেখের বক্তব্যকে সমর্থন করেন না তাঁরা।

যদিও তাতেও কমছে না সবুজ-মেরুন সমর্থকদের রাগ। মার্জারের বিরুদ্ধে আবার টুইটারে ঝড় তোলার পরিকল্পনা করেছেন সবুজ-মেরুন জনতা। ট্রেন্ড করার চেষ্টা করা হচ্ছে #RemoveATK এবং #BreakTheMarger কে। ফলে এএফসি কাপে দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্সের পরেও মাঠের বাইরে সমস্যা কমছে না মোহনবাগানের।

ক্রিকেট কূটনীতিতে তালিবান 2.0! পরপর টার্গেট ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ

taliban sendin cricket diplomacy

#Afghanistan
নিউজ ডেস্ক: কাবুল জুড়ে এখন ব্যাস্ততা তুঙ্গে। সরকার গড়ার কাজ চলছে। এই সরকার তালিবান জঙ্গিদের। দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের কুর্সিতে জঙ্গিরা বসতে চলেছে। প্রথম তালিবান সরকার (১৯৯৬-২০০১) পর্যন্ত যেমন খেলা বিনোদন সবকিছুই অ-ইসলামিক বলে নিষিদ্ধ করেছিল তালিবান জঙ্গিরা, এবার তারা স্পষ্ট জানিয়েছে অনেকাংশে নরম মনোভাব থাকবে। সেই সূত্রে আফগানিস্তানের পুরুষ ক্রিকেট দলকে আগামী কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বলেছে তালিবান নেতৃত্ব।

এখানেই শুরু তালিবান ক্রিকেট কূটনীতির পর্ব। যে তালিবান কড়া শরিয়তি আইনে মাথা কাটার ফরমান দেয় তারা নিজেদের নরম দেখাতে বাইশ গজের খেলাকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে।

তালিবান জানিয়েছে, ২০২২ সালে প্রথমদিকে ভারতের সঙ্গে একটি টেস্ট সিরিজ খেলা অনুষ্ঠিত করতে চায়। সরকার গড়ার পর আফগানিস্তান ও ভারতের মধ্যে এই টেস্ট ক্রিকেট খেলায় তীব্র ইচ্ছে তালিবানের। এমন বার্তায় লাগল চমক। তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ এখনও এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এসেছে ইঙ্গিত। তালিবান যেভাবে ভারতের প্রতি একটার পর একটা কূটনৈতিক বার্তা দিচ্ছে তাতে স্পষ্ট তারা নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে মরিয়া। তবে এই কূটনৈতিক বার্তার পিছনে তালিবান নেতা তথা আশির দশকে দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির প্রাক্তনী শের মহম্মদ আব্বাস স্তানেকজাইয়ের (শেরু) ভূমিকা আছে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। সম্প্রতি তার সঙ্গেই কাতারের রাজধানী দোহা শহরে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তল কূটনৈতিক আলোচনা করেন।

দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট কূটনীতির নতুন সদস্য তালিবান!
দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি প্রতিবেশি দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকার সময় বিশেষে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গতি আনতে ক্রিকেট কূটনীতির প্রয়োগ করে। নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ, বা নয়াদিল্লি-ঢাকা কিংবা ইসলামাবাদ-ঢাকা এই ক্রিকেট কূটনীতির বহুল প্রয়োগকারী। সেই তালিকায় তালিবান অধিকৃত কাবুল এসে জুড়ে যাচ্ছে এবার।

কূটনৈতিক মহলের ধারণা, নিজেদের গ্রহণযোগ্য করে তুলতে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল বানাতে মরিয়া তালিবান। তাদের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গণহত্যা, গণধর্ষণ সহ বহু নারকীয় ঘটনা। যেহেতু কাবুল দখল করার পরেই তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিল, এই তালিবান আগের মতো নয়। সেই বার্তার পরেই নিজেদের নতুন করে তুলে ধরতে মরিয়া জঙ্গি সংগঠনটি।

কূটনৈতিক মহলের আরও ধারণা, তালিকার ঘোষিত বন্ধু দেশ পাকিস্তান তো রয়েইছে, ভারতের সঙ্গে একটি খেলা হলেই তাদের পোয়াবারো। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি ক্রিকেট কূটনীতির বার্তা দিতে চলেছে তালিবান।

আফগান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি বলেছেন, তালিবান সরকার ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমাদের সমস্ত ক্রিকেট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। ২০২২ সালের শুরুতেই ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ করা যেতে পারে৷

তিনি আরও জানান, আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে আফগানিস্তান। তবে আফগানিস্তানে মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে৷

ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সিরিজ খেলতে চায় তালিবান সরকার

Taliban wants to play a cricket series with India

নিউজ ডেস্ক: তালিবানরা কাবুল দখলের পরেই সবার মনে একটা প্রশ্ন ছিল, আফগানিস্তান আবার ক্রিকেট খেলতে পারবে৷ তালিবান সরকার কি সেই অনুমতি দেবে৷ তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তালিবানরা ক্রিকেটে আগ্রহ দেখানোয় কিছুটা আশা জাগিয়েছে ক্রিকেট মহলে৷ তবে, মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যত এখানও অন্ধকারে৷ আফগানিস্তানের দলকে তালিবানের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে। চলতি বছরের শেষের দিকে আফগানিস্তানের অস্ট্রেলিয়া সফরে সবুজ সংকেত দিয়েছে তালিবান। এছাড়াও ভারতের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট সিরিজ খেলতে চাওয়ার কথাও বলেছে তালিবান।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের পর তালিবান ২০২২ সালের প্রথমদিকেই ভারতের সঙ্গে একটি টেস্ট সিরিজ চাইছে৷ তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ এখনও এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আসন্ন সফরের বিবরণ প্রকাশ করেছেন। এসিবি প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি ভারত সফর সম্পর্কেও তাঁর মতামত দিয়েছেন৷ তিনি বলেন, “তালিবান সরকার ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমাদের সমস্ত ক্রিকেট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। তালিবান সাংস্কৃতিক কমিশনের একজন মুখপাত্র আমাদের বলেছেন, তালিবানরা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ম্যাচ সমর্থন করবে৷ তার পর ২০২২ সালের শুরুতেই ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ করা হতে পারে৷

তালিবানরা ক্রিকেটকে সমর্থন করছে৷ আফগানরা অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তিনি বলেন, “তালিবান ক্রিকেটকে সমর্থন করছে এবং আমরা তাদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছি। এটা যুব সম্প্রদায়ের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা, তারা খেলাধুলাকে সমর্থন করবে। এটিই ভালো লক্ষণ।” তবে আফগানিস্তানে মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত রয়েছে৷ তিনি বলেন, “আমরা এই মুহূর্তে জানি না সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে।”

মাল্টি নেশন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আফগানরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজের পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, “আমরা একটি টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে কাজ করছি৷ যার মধ্যে থাকবে আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কা। এটি সম্ভবত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে। সম্ভবত ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে আমাদের জাতীয় দলের জন্য কাতারে একটি ক্যাম্প হবে।

ব্রিটিশকে হারিয়ে ডুরান্ড জয়ী, পাকিস্তানকেও গোল দিয়ে চিরকালীন নজির মহামেডানের

Mohammedan Sporting Club

#MohammedanSportingClub
প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ভারত তখনও পরাধীন। ১১ জনের ভারতীয় ফুটবল যোদ্ধারা ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপ, প্রথম কোনও ভারতীয় দল হিসেবে জিতে নিল। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ফুটবল ট্রফি ঢুকল ক্লাব তাঁবুতে। ফুটবল মক্কা কলকাতা সেলাম করছে। সুদূর নিজামশাহী হায়দরাবাদে আতশবাজি ফুটছে। পরাধীন জাতির কাছে এই ডুরান্ড জয় মারাত্মক ব্যাপার।

সাদা-কালো জার্সির এই রঙিন ইতিহাসের ফলাফল ২-১, সেবারই প্রথমবার ব্রিটিশ আধিপত্য কাটল ডুরান্ড ট্রফিতে। মহামেডানের কাছে হারল ব্রিটিশ সেনাবাহিনির Royal Warwickshire Regiment দল। মহানগরী পাগল হয়ে গেছিল। আইএফএ শিল্ড, কলকাতা লিগ তো জয় করেছে আগেই মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল। এবার তৃতীয় ফুটবল শিরোপা ঢুকে পড়ল ভারতের খাতায়। চমকের আরও বাকি আছে।

Mohammedan Sporting Club

চরম আবেগের কলকাতা ফুটবল লিগ জয়ীদের খতিয়ানে লেখা আছে ‘৩০ দশকটি। ১৯৩৫ সালে মহামেডানের আরও এক নজির-প্রথম কোনও ভারতীয় দল যারা জিতে নিয়েছিল লিগ ট্রফি। ফুটবল মক্কায় তখন একটাই শব্দ ‘হারা দিয়া হামনে গোরে লোগো কো’। ১৯৩৫-৩৮ ভারতীয় ফুটবল দল হিসেবে ময়দানে সাদা কালো দাপট। পরপর কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে মহামেডান। ধারে পাশে কেউ নেই। ময়দানের কথা-খেলছে কালো প্যান্থার দল।

১৮৯১ সালে জন্ম এই ক্লাবের। মূলত ভারতীয় বিত্তশালী মুসলমান সমাজের ফুটবল প্রীতি এই ক্লাবকে ময়দানে নিয়ে এসেছিল। ১৯৩৬ সালে তৈরি হয় ‘ঢাকা মোহামেডান’। ব্ল্যাক প্যান্থার্স-কলকাতা মহামেডানের ডাক নাম।

সাদা-কালো জার্সির কলকাতা মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সোনালি অতীত এমনই জ্বলজ্বলে যে তার পাশে সমকালীন ক্লাবটি যেন মলিন বটপাতার মতো। এই ক্লাবের অবনমন ‘ফুটবলের মক্কা’ নগরীর জৌলুস কমাচ্ছে।
মহামেডানের যে নজির আসলেই নজিরবিহীনভাবে বিশ্বে আলোচিত সেটি হলো স্বাধীনতার পর প্রথম কোনও ভারতীয় ফুটবল দল হিসেবে বিদেশে চ্যাম্পিয়ন। এই মারাত্মক ঘটনার কেন্দ্র ততকালীন যুক্ত পাকিস্তানের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর ঢাকা। ১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী শহর ঢাকায় অনুষ্ঠিত আগা খান ট্রফি ঘিরে মারমার কাটকাট পরিস্থিতি। দর্শক ভেঙে পড়ছিল ঢাকা স্টেডিয়ামে। সেবার পাকিস্তান দল আর ফাইনালে নেই। তাতে কী হয়েছে ! কলকাতার মহামেডান তো আছে।

Mohammedan Sporting Club

পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকাতে রয়েছে ‘ঢাকা মোহামেডান’ ক্লাব। তাদেরও জার্সি সাদা কালো। ফলে যাবতীয় দর্শক সমর্থন ফাইনাল খেলতে নামা কলকাতার মহামেডানের দিকে। প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্দোনেশিয়া তথা এশিয়ার বেশ সাড়া জাগানো PSM Makassar ক্লাব।

ঢাকায় আগা খান কাপের ফাইনালে প্রথম ভারতীয় ক্লাব হিসেবে মহামেডানের দাপট বজায় থাকল। ৪-১ গোলে জয়ী হয়ে পাকিস্তান কাঁপিয়ে ভারতীয় দল মহামেডান ফিরতেই কলকাতা ফের পাগল। গোটা দেশে লেগেছিল চমক। ভারতীয় ফুটবলের এই সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ল বিশ্বে।

ষাট, সত্তর, আশি, নব্বই দশক কলকাতার তিন ফুটবল প্রধান দলের মারকাটারি লড়াইয়ের দিন শেষ। ব্ল্যাক প্যান্থার্সের অবনমন চলছে। এ ভারতীয় ফুটবলের পক্ষে লজ্জার। যে ইতিহাস, গৌরব মহামেডান দিয়েছে সেটি এখন ময়দান থেকেই বিলীন। তবে দলটি আছে। আধুনিকতার মোড়কে মুড়ছে। সফলতা ব্যর্থতার মাঝে ঝিলিক মারে এর ইতিহাস, যে ইতিহাসে ১১ জন ভারতীয় বারবার বল নিয়ে দেশে ও বিদেশের মাঠে ভারত গৌরব হয়েছেন।

‘মোহনবাগানেই আছি’, জানিয়ে দিলেন প্রবীর দাস

স্পোর্টস ডেস্ক: গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে আই লিগ জিতেছিল মোহনবাগান (ATK-Mohunbagan)। ফলে সুযোগ পেয়েছিল এএফসি কাপে। তারপর অনেক বদলে গিয়েছে গঙ্গাপাড়ের ক্লাব। মোহনবাগানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কর্পোরেট এটিকে। ফলে এটিকে মোহনবাগান নাম নিয়ে এই লিগের বদলে আইএসএলে খেলেছে দল। একই নামে খেলছে চলতি এএফসি কাপেও।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে না খেললেও একসময় মোহনবাগানের অন্যতম ভরসা ছিলেন প্রবীর দাস। পরে চলে আসেন এটিকেতে। এটিকের সঙ্গে মার্জ করে গত বছর আইএসএলে খেলেছিল মোহনবাগান। সেই দলেও ছিলেন প্রবীর। ফিজির রয় কৃষ্ণার সঙ্গে জুটি বেঁধে একাধিক ম্যাচে সবুজ-মেরুণকে জিতিয়েছেন তিনি। শুধু মাঠেই নয়, মাঠের বাইরেও দারুণ সম্পর্ক দুই খেলোয়াড়ের।

চলতি আইএসএলেও প্রবীর-কৃষ্ণা জুটির ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায় মেরিনার্সরা।

সম্প্রতি রয় কৃষ্ণার জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন প্রবীর। ভিডিয়ো বার্তায় তিনি বলেন, ‘জানি না আর একসঙ্গে খেলব কি না। তবে রয়ের জন্মদিনে ওর সঙ্গে দেখা করতে চলে এলাম।’ অনেকে বলছিলেন, গত মরশুমে হাবাসের দলে নিয়মিত জায়গা পাননি তিনি। ফলে দলে নিয়মিত সুযোগ না পাওয়ায় এটিকে মোহনবাগান থেকে ‘রিলিজ’ চাইতে পারেন প্রবীর। মোহনবাগান ছেড়ে জামশেদপুর এফসিতে যোগ দিয়েছেন প্রণয় হালদার। দলে সু্যোগ পেয়ে না পেয়ে ইতিমধ্যেই মোহনবাগান ছেড়েছেন অরিন্দম। শোনা যাচ্ছিল মোহনবাগান ছেড়ে লাল-হলুদে আসতে পারেন প্রবীর।

এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ‘পিডি৩৩’ জানালেন, মোহনবাগানেই থাকছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিও বার্তায় প্রবীর জানিয়েছেন যে অনেকদিন ধরেই তাঁর দলবদলের কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু মোহনবাগানেই থাকছেন তিনি। শুধু এই মরশুম নয়, মোহনবাগানে ২০২৩ অবধি তাঁর চুক্তি রয়েছে, সেকথাও জানাতে ভোলেননি প্রবীর। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে শোনা যাচ্ছে দেসপাসিতোর আদলে করা মোহনবাগানের গান, প্রবীর বলছেন ‘মোহনবাগানেই’ থাকছি। সব মিলিয়ে বুধবারের দুপুরে জলে নয়, আনন্দে ভাসছেন মেরিনার্সরা।

‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’, তালিবানদের প্রশংসা করায় আফ্রিদিকে একহাত নিলেন নেটিজেনরা

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিকেট হোক কিংবা রাজনৈতিক কোনো বক্তব্য- শহীদ আফ্রিদি প্রায়ই পাকিস্তানে আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। তবে গত কয়েকদিন আফ্রিদি পাকিস্তানের চেয়ে ভারতেই বেশি আলোচনায় ছিলেন। আফ্রিদি বলেন, “এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই তালিবানরা এবারে অনেক ইতিবাচক। যা আগে কখনো দেখা যায়নি। আল্লাহ যদি চান, যদি সব ঠিক থাকে তবে তালিবানরা এবারে নারীদের চাকরি, লেখাপড়া, রাজনীতি সবই করতে দেবে।”

আরও পড়ুন একে একে কমিছে বিধায়ক, বঙ্গে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিজেপি

শুধু আফগানিস্তান এবং তালিবান নিয়ে নয়, আফ্রিদি মন্তব্য করেছিলেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটের ভবিষ্যত নিয়েও। তিনি জানান, “”তালেবানরা অন্য সবকিছুর মতো ক্রিকেটেরও নিয়ন্ত্রণ নেবে এতে করে আফগানিস্তানের ক্রিকেটে ভারতের আধিপত্য কমে যাবে।” আফ্রিদি দাবি করেন, তার সাথে আফগানিস্তানের অনেক ক্রিকেটার যোগাযোগ করেছেন এবং তারা সবাই একমত আফগানিস্তানে ক্রিকেট আগের মতোই চলবে, তালিবানরা ক্রিকেটের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন না।”

এবার সেই ঘটনাতেই আফ্রিদিকে রীতিমতো ধুইয়ে দিলেন নেটিজেনরা। টুইটারে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘এবার তালিবান প্রিমিয়ার লিগের দায়িত্বে থাকবে আফ্রিদি।’ আরেকজন লিখেছেন, “ক্রিকেট নিয়ে বললেই, নারী অধিকার নিয়ে কথা বলার ‘অধিকার’ আফ্রিদিকে কে দিয়েছে?”

কাবুল দখল নেওয়ার পর নিজেদের ঘোষিত অবস্থানের উল্টো পথেই হাঁটছে তালিবান। আফগান মহিলাদের ঘরেই থাকতে হবে। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথমে ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে পড়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা, এখন মহিলাদের কর্মস্থলে না যাওয়ার ফরমান-এরপর কী মাথা কাটার ফতোয়া? আফগানিস্তানের মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিস্তর। কারণ এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবান সরকারের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছেন আফগানবাসী।

আরও পড়ুন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত-তালিবান আলোচনা শুরু, বড়সড় কূটনৈতিক ইঙ্গিত

তালিবান স্পষ্ট জানিয়েছে আফগানিস্তানে শরিয়া আইন জারি চলবে। কড়া ধর্মীয় এই নিয়মকানুনে মহিলাদের জন্য ভয়ঙ্কর সব নিদান রয়েছে। এর একটু ভুল হলেই প্রকাশ্যে নিদারুণ যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি পেতে হয়। সেই বিষয়েই আফ্রিদির ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন নেটিজেনরা।

‘‘রিস্তে মে তো হম তোমারা বাপ লাগতে হ্যায়’’- দাদাকে পাশে বসিয়ে পাকিস্তানকে তোপ বীরুর

নিউজ ডেস্ক: টিভি রিয়েলিটি শো কৌন বনেগা কৌরপতি দেশের কোটি কোটি মানুষ দেখেন। এই অনুষ্ঠানর সঞ্চালনা করেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন৷ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বা সাধারণ মানুষ প্রতিদিন এই শোতে আসেন৷ কৌন বনেগার একটি নতুন প্রোমো প্রকাশ করেছে৷ যেখানে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী এবং বীরেন্দ্র বীরেন্দ্র সেওয়াগকে দেখা যাচ্ছে।

কেবিসির এই নতুন প্রোমোতে বীরু এবং সৌরভের সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের অনেক মজা করতে দেখা গিয়েছে। অমিতাভ বীরুকে জিজ্ঞেস করেন, ব্যাটিংয়ের সময় আপনি নাকি গুন গুন করে গান করেন? এই প্রশ্নের উত্তরে, বীরু মাথা নেড়ে কিশোর কুমারের গান ‘চালা যাতা হু কিসি কি ধুন মে’ গাইতে শুরু করেন। শুধু তাই নয়, অমিতাভ অনেকবার বীরু এবং মহারাজের সঙ্গে মজা করেছেন।

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Sony Entertainment Television (@sonytvofficial)

এই শোতে অমিতাভ বচ্চন একবার সেওয়াগকে ফের জিজ্ঞাসা করেন, যদি ভারতীয় দল পাকিস্তান বা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জিততে পারে, তাহলে আপনি টিম ইন্ডিয়ার জন্য কোন দুটি লাইন উৎসর্গ করবেন? এই বিষয়ে বীরু হাসতে হাসতে অমিতাভের জনপ্রিয় শাহেনশাহের সংলাপ তুলে ধরে বলেন, ‘‘‘রিস্তে মে তো হম তোমারা বাপ লাগতে হ্যায়’’৷

আর একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় বীরু প্রাক্তন ভারতীয় কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের দিকেও কটাক্ষ করেছিলেন। অমিতাভ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, যদি গ্রেগ চ্যাপেলের জন্য একটি গান উৎসর্গ করতে হয়, তাহলে সেটা কোনটি হবে? বীরু এই বিষয়ে গেয়ে ওঠেন, অপনি তো জেয়সে তেয়সে কাট জায়েগি, আপকা কেয়া হোগা জবান-ই-আলি’৷ গাঙ্গুলি এবং অমিতাভ দুজনেই এটা শুনে হাসতে লাগলেন। আসলে গাঙ্গুলি এবং চ্যাপেলের মধ্যে অনেক বিতর্ক ছিল।

কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, ‘বাংলার ফুটবল’ বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। গতবারও তাঁর উদ্যোগেই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অংশ নিয়েছিল লাল-হলুদ বাহিনী। এবার বাংলার ফুটবলকে বাঁচাতে আইএফএ-র কর্তারাও দ্বারস্থ হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

আরও পড়ুন শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

দুই প্রধানকে এবার কলকাতা লিগে খেলতে দেখা যাবে না। সেই ঘটনা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গেলেন ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা। রবিবার ছিল এটিকে মোহনবাগানের খেলা। প্রতিপক্ষ রঞ্জন ভট্টাচার্যের জর্জ টেলিগ্রাফ। কল্যাণী স্টেডিয়ামে জর্জের ফুটবলার-সহ কোচ, কর্তারা উপস্থিত থাকলেও দল নামায়নি এটিকে-মোহনবাগান। আজ, মঙ্গলবার কল্যাণীতে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। যথারীতি তারাও টিম নামায়নি। জর্জের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “ঘরোয়া লিগে ছোট দলের ফুটবলাররা প্রস্তুতি নেয় বড় ম্যাচে খেলবে বলে। মোহনবাগান, এসসি ইস্টবেঙ্গল, মহামেডানের মতো দলগুলোর বিপক্ষে খেললে খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়ে। সেটাই এবার সম্ভব হল না।”

কলকাতা লিগে এবার দেখা যাবে না এই চিরপরিচিত দৃশ্য।

মোহনবাগান পৌঁছে গিয়েছে এএফসি কাপের মূলপর্বে। তার উপর জাতীয় দলের হয়ে নেপালে খেলতে চলে গিয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। সেপ্টেম্বরে মূলপর্বের খেলা হওয়ায় দেশেও ফিরে গিয়েছেন দলের অনেক ফুটবলার। ফলে কলকাতা লিগে দল নামাবে না বলে অনেক আগেই আইএফএকে জানিয়েছিল ক্লাব। সৃঞ্জয় বোস জানিয়েছেন, “আগেই বলেছিলাম, আবার শনিবার মেল করে আমরা জানিয়েছিলাম, আমাদের পক্ষে ঘরোয়া লিগে খেলা এবার সম্ভব নয়। এটাতো দেশের সম্মানের প্রশ্ন। তাই আমরা আইএফএ-র সহযোগিতা চেয়েছি। তাছাড়া এবার কোভিড পরিস্থিতির দরুন সেভাবে প্র্যাকটিসও হয়নি।”

বল দখলের লড়াইয়ে কাতসুমি-সৌমিক।

অন্যদিকে সবে চুক্তি সমস্যা মেটার পর দলগঠনে নেমেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফলে প্র্যাকটিস ছাড়া দল নামাতে রাজি নন তারাও। লাল-হলুদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বরের আগে তাঁদের পক্ষে কলকাতা লিগে দল নামানো অসম্ভব। তারপর খেলতে তাঁদের আপত্তি নেই। যদিও কলকাতা লিগ চলাকালীনই হয়তো আইএসএলেরও খেলা পড়ে যাবে, ফলে আইএফএ কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের মাঠে না নামার বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত। ফলে বাংলার ফুটবলের এই তথৈবচ অবস্থার কথা জানিয়ে বিহিত চাইতেই নবান্ন যাচ্ছেন আইএফএ কর্তারা।

শুভ ঘোষ-আদিল খানকে দলে নিয়ে চমক দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। এবার আদিল খান এবং শুভ ঘোষকে সই করিয়ে চমক দিল লাল-হলুদ।

চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’ প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালদের তালিকায়। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

শুভ ঘোষ।
আদিল খান।

কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে গত বছর মোহনবাগানের হয়ে আই লিগ জিতেছিলেন শুভ ঘোষ। পরের মরসুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দিলেও হাবাসের দলে জায়গা হচ্ছিল না এই বঙ্গতনয়ের। পরে কেরলে চলে আসেন এই বাঙালি স্ট্রাইকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভর এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেওয়ার খবর জানিয়েছে কেরল ব্লাস্টার্স। যদিও এখনও এসসি ইস্টবেঙ্গলের তরফ থেকে সরকারী ভাবে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। ইস্টবেঙ্গল সই করিয়েছে আদিল খানকেও। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের আশা, আদিল খান আসায় ডিপ ডিফেন্সের সমস্যা অনেকটাই মিটবে।

আরও পড়ুন দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।