চায়ে পে চর্চা: দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির হাজার গুণাগুন

Different Kinds Of Tea And Their Health Benefits

পিয়ালি মণ্ডল: কমবেশি সবাই চায়ের সবচেয়ে সাধারণ দুটি প্রকারের সঙ্গেই পরিচিত৷ এক কালো চা এবং দুধ চা। কিন্তু আপনি কি জানেন, আটেরও বেশি চা আছে? আর প্রতিটি চায়ের সুবাস-স্বাদ এবং আপনার স্বাস্থ্যর উপকারে এক এবং অনন্য! কিছু সাধারণ সুগন্ধি চা কীভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

সবুজ চা (Green Tea): এই চা পাতাগুলি সর্বনিম্ন অক্সিডাইজড যুক্ত৷ সেজন্য এগুলি থেকে তৈরি চা হালকা রঙের হয়। বিভিন্ন চায়ের মধ্যে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সর্বোচ্চ মাত্রা এবং সর্বোচ্চ ঘনত্ব রয়েছে৷ এগুলি শরীরের কিছু অংশে ক্যান্সারের সূত্রপাত রোধ করতে সহায়তা করে৷ সেই অঙ্গগুলি হল মূত্রাশয়, স্তন, শ্বাসযন্ত্র, পেট, রেকটাল এবং অগ্ন্যাশয়৷ আপনি কি দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবনযাপন করতে চান? গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত গ্রিন-টি পান করলে আপনি দীর্ঘায়ু হতে পারেন৷

ওলং চা (Oolong Tea): আপনার উচ্চ রক্তচাপ? ওলং চা আপনাকে সাহায্য করতে পারে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে৷ ওলং চা হল গ্রিন-টিকে কালো চায়ে পরিণত করার প্রক্রিয়ার মধ্যম পর্যায়। এটি প্রধানত কোলেস্টেরলের মাত্রা (এলডিএল) কমানোর ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত। এটি ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে৷ যা আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

সাদা চা (White Tea): সাদা চা একই গাছ থেকে আসে৷ যেখান থেকে আপনি সবুজ চা, ওলং বা কালো চা পান। এই পাতাগুলি খোলার আগেই কেটে ফেলা হয় এবং এগুলি সূক্ষ্ম সাদা লোম দ্বারা আবৃত থাকে৷ আপনার কি ওজন বেশি? আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে হোয়াইট টি আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী হওয়া উচিত। এটি আপনার ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকিকে কমাতে পারে। হোয়াইট টি’তে রয়েছে ক্যাটেচিন নামক যৌগ৷ যা আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে এবং অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে।

পু-এরহ চা (Pu-erh-Tea): এটি চায়ের অল্প পরিচিত রূপগুলির মধ্যে একটি৷ যা চা-গাছ থেকে আসে। এটি একটি খুব শক্তিশালী চা এবং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল. এটি আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ, মনোযোগী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পু-এরহ চায়ের আর একটি সুবিধা হল, এটি শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

Different Kinds Of Tea And Their Health Benefits

ভেষজ চা (Herbal tea): সব চা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থেকে আসে না। ঔষুধি এবং মিষ্টি-গন্ধযুক্ত ভেষজের নির্যাস থেকে তৈরি ব্রুগুলিকে চাও বলা হয়। এখানে কিছু জনপ্রিয় ভেষজ চা এবং তাদের সুবিধা রয়েছে।

ক্যামোমাইল চা ( Chamomile tea): এই চা শুকনো ক্যামোমাইল ফুল থেকে তৈরি হয়৷ এর অনেক উপকারিতা রয়েছে৷ তার মধ্যে হল এটি আপনার অনিদ্রা দূর করে, আপনার স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সাধারণ কাশি ও সর্দি প্রতিরোধ করে।

মেন্থল চা (Peppermint tea): পেপারমিন্ট পাতা সিদ্ধ করে ছেঁকে এই চা তৈরি করা হয়৷ যা খুবই উপকার আপনার জন্য৷ কেন আপনার এই চা খাওয়া উচিত? এই চায়ের সুবিধার জন্য৷ এটি আপনার বিপাক গতি বাড়ায়৷ এটি আপনার হজমে সাহায্য করে৷
পেটের ব্যাথা দূর করে।

আদা চা (Ginger tea): সকাল শুরু করার সেরা উপায় কি? অবশ্যই আদা চা পান করা৷ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পূর্ণ৷ যা আপনার দেহের প্রদাহ কমাতে এবং আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এর অন্যান্য সুবিধা হল প্রাকৃতিকভাবে ব্যাথা কমায়, বমি বমি ভাব দূর করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

হিবিস্কাস চা (Hibiscus tea ): এই চা-পাতা জবা ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি হয়৷ এখানে এই চা এর কিছু সুবিধা রয়েছে৷ এই চা ফ্লু প্রতিরোধ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং আপনার শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে।

লেবু চা ( Lemoan tea): লেবু চা আপনার কেন খওয়া দরকার? কারণ, এটি আপনার রক্তনালী থেকে প্লাক দূর করে, আপনার হার্ট-সুস্থ রাখে, আপনার মেজাজ ফুরফুরে করে।

নতমস্তকে বাইডেন: প্রবীণ কমিউনিস্ট ভিয়েতকং গেরিলারা ফিরলেন সোনালি অতীতে

Photo of Biden from Afghanistan news conference goes viral

নিউজ ডেস্ক: শতাব্দী পেরিয়েছে, গত শতকের সত্তরের দশকে ভিয়েতনামে (Vietnam war) চরম পরাজয়ের ছায়া এখনও হোয়াইট হাউসে (White House) লম্বা হয়ে পড়ে। এ যেন রীতিমতো এক ‘অভিশাপ’-যেটা আরও কত শতাব্দী বইবে মার্কিন সরকার তা অজানা। ভিয়েতনাম যুদ্ধে পরাজয়ের পর মার্কিন  (USA) প্রেসিডেন্ট নিক্সন মাথা নামিয়েছিলেন। সেই ঘটনা ফিরে এসেছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) আফগানিস্তান ইস্যুতে হতাশার চরমে পৌঁছে গেছেন। তিনিও মাথা নামালেন।

Photo of Biden from Afghanistan news conference goes viral
বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) আফগানিস্তান ইস্যুতে হতাশার চরমে পৌঁছে গেছেন। তিনিও মাথা নামালেন

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধম্য, সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মাথা নামানোর ছবি। বৃহস্পতিবার আফগান রাজধানী তথা তালিবান (Taliban) অধিকৃত কাবুলের বিমান বন্দরের ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। সেই রক্তাক্ত ঘটনার পর সাংবাদিক সম্মেলনে বাইডেন ছিলেন হতাশ। তবে তিনি শেষ দেখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিস্ফোরণে শতাধিক মৃত। মৃত তালিকায় আছে মার্কিন সেনা।

হোয়াইট হাউসে বাইডেনের মাথা নামানোর ছবি দেখে ১৯৬০-৭০ দশকের প্রবীন ভিয়েতকং গেরিলা কমান্ডার ও যোদ্ধারা ফিরে গিয়েছেন তাঁদের সোনালি জয়ের মুহূর্তে। প্রবল শক্তিশালী মার্কিন সেনা, তাদের অন্যতম সহযোগী ফরাসি সেনাকে পরাজিত করে ভিয়েতনাম স্বাধীনতার যুদ্ধে জয়ী হয়, নেতৃত্বে ছিলেন কিংবদন্তি কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক হো চি মিন।

Richard Nixon
ভিয়েতনাম যুদ্ধে পরাজয়ের পর মার্কিন  (USA) প্রেসিডেন্ট নিক্সন মাথা নামিয়েছিলেন

ভিয়েতনাম যুদ্ধ অতীত। তবে যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে তৎকালীন মার্কিন সেনার দখলে থাকা দক্ষিণ ভিয়েতনামের সায়গনের পতন আলোচিত হয়। যেমনটা হয়েছে গত ১৫ আগস্ট কাবুল থেকে মার্কিন সেনা নিয়ে বিমান উড়ে যাওয়ার ছবি বের হওয়ার পর। সেই দিনই দ্বিতীয়বারের জন্য আফগানিস্তানের দখল নিয়েছে তালিবান জঙ্গিরা।

বিবিসি জানায়, কাবুল তালিবান দখলে যেতেই আমেরিকান দূতাবাস থেকে হেলিকপ্টারে লোকজনকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়। এ যেন সেই ১৯৭৫ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাজধানী সায়গন থেকে মার্কিন সেনা ও দূতাবাসকর্মীদের চলে যাওয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ‘৭৫ সালের ৩০শে এপ্রিল সায়গনের দখল নেয় ভিয়েতনামের গেরিলা বাহিনি। ফটোগ্রাফার হিউবার্ট ফন এস এমন একটি ছবি তুলেছিলেন যা ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। ছবিতে ধরা পড়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ দিনগুলিতে সায়গন শহরের মানুষ হুড়োহুড়ি করে একটি হেলিকপ্টারে উঠে পালিয়ে যাচ্ছে।

Vietnam war
‘৭৫ সালের ৩০শে এপ্রিল সায়গনের দখল নেয় ভিয়েতনামের গেরিলা বাহিনি। ফটোগ্রাফার হিউবার্ট ফন এস এমন একটি ছবি তুলেছিলেন যা ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল

সায়গন দখল করেছিল ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টি। ভিয়েতকং গেরিলা যোদ্ধাদের ভয়ে ভীত মার্কিন সেনা তখন পালাতে ব্যাস্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন। হোয়াইট হাউসের ততকালীন সংবাদাতারা এখন অতি বৃদ্ধ। তাঁরা সেই ঘটনার স্মৃতিতে রেখে দিয়েছেন। ঠিক তেমনই প্রবীণ ভিয়েতকং যোদ্ধারা মনে রেখেছেন তাঁদের সায়গন দখলের কথা।

‘ভিয়েতনামের যুদ্ধ’ বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম রাজনৈতিক বাঁক। সেই যুদ্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি চরম ধিকৃত হয় বিশ্বে। খোদ মার্কিন মুলুকেই বিক্ষোভ প্রবল আকার নিয়েছিল। আর ভিয়েতনামে চলছিল ভয়ঙ্কর লড়াই।
বিবিসি জানাচ্ছে, যুদ্ধের দুই পক্ষ, উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট সরকার বনাম দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকার ও তাদের সমর্থক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। যুদ্ধ চলেছিল প্রায় ২০ বছর ধরে। ব্যয়বহুল যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকা ছিল আলোড়িত।

ভিয়েতনাম যুদ্ধে উত্তর ভিয়েতনামকে সমর্থন করছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার কমিউনিস্ট মিত্র দেশগুলি। আর দক্ষিণ ভিয়েতনামকে সমর্থন করছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা। যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর লক্ষ লক্ষ সেনা ভিয়েতনামে মোতায়েন করা হয়েছিল।

গত কুড়ি বছর ধরে আফগানিস্তানেও মার্কিন সেনা ছিল। বিশাল খরচ বহন করছিল ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন আফগান নীতির পরিবর্তন আনেন। সরানো শুরু হয় সেনা। এই গত দু দশকে জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত মার্কিন সেনা তাদের গায়ে শেষ বড় ক্ষত নিয়ে দেশে ফিরছে।

নাম পরিবর্তনের পথে যোগী রাজ্যের তৃতীয় জেলা, সুলতানপুর হচ্ছে কুশভবনপুর

নিউজ ডেস্ক: নামবদলের দাবির হিড়িক পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের জমানাতেই এলাহাবাদ হল প্রয়াগরাজ, মোঘলসরাই হয়েছে দীনদয়াল উপাধ্যায় নগর, ফৈজাবাদ বদলে হল অযোধ্যায়, ফিরোজাবাদ হয়েছে চন্দ্রনগর। সম্প্রতি বিজেপি নেতা কল্যাণ সিংহের নামে আলিগড় বিমানবন্দরের নাম রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আলিগড় জেলা পঞ্চায়েতের প্রথম বৈঠকেই প্রস্তাবটি পাশ হয়েছে। পঞ্চায়েতের ৭২ সদস্যের মধ্যে ৫০ জন এই প্রস্তাব সমর্থন করেছেন। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। ‘মিঞাগঞ্জ’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘মায়াগঞ্জ’ রাখার দাবিও তোলা হয়েছে সম্প্রতি। তারও আগে মির্জাপুরের নাম বদলে ‘বিন্ধ্য ধাম’ করার দাবি উঠেছে।

আরও পড়ুন যোগী-রাজ্যের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রে ভয়ে কাঁপবে পাকিস্তান-চিন

এবার দাবি উঠেছে, সুলতানপুরের নাম বদলে করা হোক কুশভবনপুর। রামের পুত্র কুশের নামেই ওই স্থানের নামকরণের পরিকল্পনা নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশের বিধায়ক দেবমণি দ্বিবেদী এই প্রস্তাব রেখেছিলেন। পরে সুলতানপুরের জেলাশাসক ও অযোধ্যার ডিভিশনাল কমিশনারও রাজ্য সরকারের কাছে এই প্রস্তাব রেখেছিলেন। পরের বছর, ২০১৯ সালে উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল রাম নায়েক মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি লিখে ওই পরিবর্তনের আরজি জানান।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের দুটি জেলার নাম পরিবর্তন হয়েছে। ফৈজাবাদের নাম বদলে অযোধ্যা ও এলাহাবাদের নাম বদলে প্রয়াগরাজ করা হয়েছিল। এবার সুলতানপুরের নাম বদলে কুশভবনপুর করা হলে সেটি রাজ্যের তৃতীয় নাম পরিবর্তিত জেলা হবে। এই মুহূর্তে সেই প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

মিঞাগঞ্জের নাম বদলে নতুন নাম হোক মায়াগঞ্জ। উন্নাওয়ের জেলাশাসক রবীন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে তাঁর কাছে নাম বদলের সুপারিশ এসেছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ‘মিঞাগঞ্জ’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘মায়াগঞ্জ’ রাখার দাবি তোলা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তিনি তা রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও মির্জাপুরের নাম বদলে ‘বিন্ধ্য ধাম’ করার দাবিও উঠেছে। রাজ্যের মন্ত্রী রামশংকর সিং প্যাটেল এমনই দাবি তুলেছেন। ফলে নাম পরিবর্তনের ‘রাজনীতি’ নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে।

তালিবান জঙ্গি সরকারের গঠন কেমন হতে পারে, কারা থাকছে

নিউজ ডেস্ক: প্রচলিত যে নিয়ম রয়েছে তালিবান সংগঠনের সেটার ভিত্তিতেই সরকার গড়তে চলেছে তালিবান। আফগানিস্তানের তাদের এই দ্বিতীয় দফার সরকারে পুরনো প্রেসিডেন্ট ভিত্তিক দেশ থাকতে নাও পারে। এখানেই প্রশ্ন, তালিবান সরকার কি তাদের আমীরতন্ত্র চালু করবে আফগানিস্তানে ?

আরও পড়ুন শতাধিক মৃতদেহে রক্তাক্ত কাবুল, CIA-তালিবান বৈঠকের পরেই কেন বিস্ফোরণ ?

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখল করার পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তানের নাম পাল্টে দেয় তালিবান। নতুন নাম হয়েছে ইসলামি আমীরশাহি আফগানিস্তান। পাল্টে দেওয়া হয়েছে জাতীয় পতাকা। এই নিয়ে দেশটির জাতীয় পতাকা ১৯ বার পাল্টেছে। এখন তালিবান সংগঠনের পতাকা উড়ছে কাবুল প্যালেসে।

ফরেন পলিসি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ওয়েব ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার এমন কিছু গঠনতন্ত্র আনতে চলেছে যাতে প্রেসিডেন্ট পদ থাকতেও না পারে। সেক্ষেত্রে আমীর পদ ফের চালু করবে তালিবান জঙ্গিরা।

আফগান সম্প্রচার মাধ্যম আরিয়ানা নিউজ জানাচ্ছে, দেশ শাসনের জন্য ১২ সদস্যের একটি কাউন্সিল গঠন করতে যাচ্ছে তালিবান। এই কাউন্সিলে থাকতে পারেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। আফগান পুনর্গঠন কাউন্সিলের প্রধান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ইসলামিক পার্টির নেতা গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার। তিনজনেই আফগান রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। হেকমতিয়ার প্রাক্তন মুজাহিদিন, যিনি সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে অংশ নেন। আফগান গৃহযুদ্ধের সময় তাঁর ভূমিকা বিতর্কিত বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

তালিবান জনসংযোগ বিভাগ জানাচ্ছে, গত ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে এই তিন নেতাকে নিয়েছে একটি সমন্বয় কাউন্সিল গঠন করা হয়। তারা ধারাবাহিকভাবে তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ফরেন পলিসি জানাচ্ছে, আফগানিস্তান শাসন করতে ১২ সদস্যের কাউন্সিল গঠন করবে তালিবান। আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্য প্রশাসন গঠনে মরিয়া থাকাতে চায় এই মারাত্মক জঙ্গি সংগঠনটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত অপসারিত আশরাফ ঘানির সরকারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে এই কাউন্সিলে যুক্ত করতে পারে তালিবান।

কাউন্সিলের তিন প্রধান হবে তালিবানের সহ প্রতিষ্ঠাতা আবদুল ঘানি বারাদার, তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা মহম্মদ ইয়াকুব এবং তালিবান সহযোগী জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে হাক্কানি নেটওয়ার্ক প্রধান জঙ্গি নেতা আনাস হাক্কানির সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের বৈঠকের ছবি প্রকাশ হয়েছে। আফগান বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন কারজাইকে বিশেষ পদ দেওয়া হবে। কারণ তিনিই ছিলেন তালিবান ও পূর্বতন আফগান সরকারের মধ্যে শান্তি বৈঠকের অন্যতম নেতা।

তালিবান কী রকম সরকার গড়বে, কেউ জানে না। তবে এই সরকারকে সমর্থন দিতে চাইছে একের পর এক দেশ। রাশিয়া, চিন, ইরান, ইংল্যান্ড এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত সমর্থন দেবে বলেই ইঙ্গিত। কাবুলে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার প্রধানের সঙ্গে তালিবান বৈঠকের পর প্রচুর প্রশ্ন উঠে আসছে।

যে তালিবান গত জঙ্গি জমানায় প্রকাশ্যে মাথা কাটার সরকার গড়েছিল তাদের চরিত্র কি বদলেছে ? কাবুল দখল করার পর গত ১৫ আগস্ট তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট জানায়, এই তালিবান সেই আগের তালিবান নয়। তবে আফগানিস্তান থেকে ইতিমধ্যেই একের পর গণহত্যার খবর আসছে। লাল তারিখ ৩১ আগস্ট। মার্কিন সেনা পুরোপুরি ছাড়বে আফগানিস্তান। তারপর কী হবে, প্রশ্ন আন্তর্জাতিক মহলের।

বহু জীবন বাঁচাল কলকাতা ATC, মুখ থুবড়ে পড়ার আগে রক্ষা বাংলাদেশগামী বিমানের

নিউজ ডেস্ক: একেবারে জীবন মৃত্যুর মাঝখানে পড়ে গিয়েছিলেন বিমান বাংলাদেশের যাত্রীরা। কোনওরকমে বাঁচলেন। ততপরতার সাথে তাদের রক্ষা করেছে কলকাতা বিমান বন্দর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিভাগ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিরাপদে অবতরণ করল মহারষ্ট্রের নাগপুর বিমান বন্দরে।

আরও পড়ুন NASA Report: কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ দেশের ১২টি শহর নিশ্চিহ্ন হবে

ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ওমানের রাজধানী মাস্কট থেকে ঢাকার উদ্দেশে আসা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করেছে। বিমানটির পাইলট ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি আসার পর অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল অতি দ্রুত যোগাযোগ করে হয় নাগপুর বিমানবন্দরের সঙ্গে। জরুরি ভিত্তিতে ওই বিমানটিকে সেখানে অবতরণ করানো হয়েছে। নাগপুরেই পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল। ফ্লাইটের যাত্রীরাসবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।

ঢাকায় বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড়েছে। এরপর নাগপুরের কাছাকাছি এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বিমান চালক।

তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরেই অপেক্ষা করছেন। যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটে আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।

‘Congress Radio calling…Hello everybody! অজানা জায়গা থেকে বলছি: গোপন তরঙ্গে কেঁপেছিল দেশ

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: হঠাৎ সবাই শুনেছিলেন একটা ঘড়ঘড়ে বেতার তরঙ্গ। কেটে কেটে যাচ্ছিল কথাগুলো। এ কী! এ কারা বলছে! ততক্ষণে বেতার বার্তায় ভেসে এসেছে মহিলা কণ্ঠ ” This is Congress Radio calling on ( a wavelength of ) 42.34 meters from somewhere in India….” ।

আরও পড়ুন ইতিহাস গড়ে প্রথম মহিলা CJI হতে পারেন বিভি নাগরথনা

১৯৪২ এর মহাকাল ঘূর্ণি তখন ভারতের বুকে রাজনৈতিক ঘনঘটা তৈরি করেছে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ চলছিল। আর ভারত জুডে চলছিল ব্রিটিশ বিরোধী গণআন্দোলন-ভারত ছাড়ো আন্দোলন। মহাত্মা গান্ধী ডাক দিয়েছেন। তেড়েফুঁড়ে নেমেছিল কংগ্রেস। সে এক আগ্রাসী আন্দোলন। যা কিনা জাতীয় কংগ্রেসের চরিত্রের সঙ্গে মেলেনা।

সেরকমই সময়ে অর্থাৎ ১৯৪২ সালের ২৭ জুলাই, বম্বেবাসীদের কানে এসে ধাক্কা মেরেছিল কংগ্রেস বেতার। সবাই চমকে গেলেন। গোপন বেতারকেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত এই তরঙ্গবার্তার নাম ‘কংগ্রেস রেডিও’।

১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ৯ই আগস্ট মহাত্মা গান্ধীর ডাকে গণ আন্দোলন শুরু হয়। বৃটিশ সরকার গান্ধী সহ কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের গ্রেফতার করে। দেশজুড়ে সেই আন্দোলন ভয়ংকর চেহারা নেয়। পুলিশের গুলিতে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী প্রাণ হারান। ভারত রক্ষা আইনে আটক হন বহু আন্দোলনকারী। জেলবন্দি কংগ্রেস নেতারা। জনগণ দিশাহীন ততটাই আগ্রাসী। চলছে ভাঙচুর, রেললাইন উপড়ে দেওয়া, থানায় হামলা। ব্রিটিশ সরকারের অত্যাচার চলছে একই গতিতে।

ভারত ছাড়ো আন্দোলনের খবর সবসময় পৌঁছে দিতে মরিয়া জাতীয় কংগ্রেসের সমাজতান্ত্রিক নেতা রামমনোহর লোহিয়া। এগিয়ে এলেন কংগ্রেস নেত্রী ঊষা মেহতা। নেতা ও সাধারণ কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য এক গোপন বেতারের শুরু হলো তাঁর কণ্ঠ দিয়ে।

এ যেন গুপ্তচরের কাজ! গোপনে বার্তা পাঠানো। উষা মেহতা কয়েকজন কংগ্রেস কর্মীর সহযোগিতায়  রামমনোহর লোহিয়া, ভিট্টলদাস খক্কর, বাবু ভাই টক্কর, চন্দ্রকান্ত জাভেরি প্রমুখ বিশিষ্ট নেতাদের উদ্যোগে তৈরি করছেন সিক্রেট কংগ্রেস রেডিও সার্ভিস।

ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরুর ঠিক এক সপ্তাহের মধ্যেই বম্বের এক গোপন আস্তানা হতে ১৪ই আগস্ট বেতার সম্প্রচারে ভেসে এলো মহিলার কণ্ঠস্বর- ” This is Congress Radio calling on ( a wavelength of ) 42.34 meters from somewhere in India….” [আমি ভারতের কোন এক জায়গা থেকে ৪২.৩৪ মিটার বেতার তরঙ্গে চালিত কংগ্রেস রেডিও থেকে বলছি…]

সে এক হই হই কাণ্ড। ব্রিটিশরাজ চমকে গেল। তৈরি হলো কাউন্টার এসপিয়াওনেজ টিম বা প্রতিগুপ্তচর বাহিনি। তারা খুঁজছে সিক্রেট কংগ্রেস রেডিও অপারেটরদের। দুই পক্ষের লুকোচুরি চলছে। কংগ্রেস রেডিও কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, মাঠে ময়দানে, ভাঙা বাড়ির কোনা, নর্দমার ভিতর ডুবে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিভিন্ন খবর ‘হার্ড নিউজ’ ও কথিকা, নেতাদের নির্দেশ পাঠাতে শুরু করলেন। ব্রিটিশ পুলিশের কাছে যেসব নিষিদ্ধ, সেই খবর জনতার কাছে পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছিল। বম্বে থেকে অন্যান্য প্রদেশের নেতাদের সাথে যোগাযোগ রেখে নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ চলত সন্তর্পণে।

কেমন ছিল এই কংগ্রেস রেডিও অপারেটরদের কাজ

পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য প্রোজই প্রচার কেন্দ্র বদল হতো। কিন্তু বিশ্বাসঘাতকের অভাব নেই। তার দেওয়া খবরে, কংগ্রেস বেতার কেন্দ্রের প্রধান ঊষা মেহতা সহ সকলেই গ্রেফতার হন। ছয় মাস ধরে জেরা চলেছিল। নির্বাক ছিলেন উষা মেহতা। জেলে ছিলেন চার বছর।

আরও পড়ুন বাংলার প্রথম অভিধান লিখতে সময় লেগেছিল ৪০ বছর

বম্বে থেকে কলকাতা: কংগ্রেস বেতার সম্প্রচার শুরু

কংগ্রেস সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা লোহিয়া থামতে জানেননা। তাঁর উদ্যোগে গোপন বেতারকেন্দ্র খোলা হয়েছিল কলকাতায়। চারজন পরিচালক উদয়ন চট্টোপাধ্যায়, সম্বরণ চট্টোপাধ্যায়, মোহন সিং স্যাণ্ডার ও দিলীপকুমার বিশ্বাস।

নিষিদ্ধ কংগ্রেস রেডিও শর্ট ওয়েভে বাংলায় পরিচালনা করতেন দিলীপকুমার বিশ্বাস৷ হিন্দিতে বলতেন মোহন সিং স্যাণ্ডার৷ এটা ছিল রামমোহন লোহিয়ার পরিকল্পনা৷ রাত নটা থেকে শুরু হতো বার্তা দেওয়া।

শুরুতেই থাকত “This is a Congress Radio Calling from somewhere in India. Hallo everybody! Here is the news” – এই কথাগুলিই বলেই খবর পড়তেন উদয়ন চট্টোপাধ্যায়। এমনও নজির আছে, আবহাওয়া ভালো থাকলে সুদূর বর্মাতে এই সম্প্রচার শোনা যেত।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। ব্ল্যাক আউটের রাত। কংগ্রেস ও সোশ্যালিস্ট কর্মীরা চলেছেন মাঠের পাশ দিয়ে। কলকাতার বাইরে কোনো এক স্থান। সুবিধা মতো এলাকা বেছে অপারেটর অন করলেন বেতার বাক্সের সুইচ। তার পরেই সেই বিখ্যাত কয়েকটি বাক্য দিয়ে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের আগামী কর্মসূচী ও হামলার খবর ছড়িয়ে দিলেন তাঁরা।

১৯৪৩ সালের কথা। আন্দোলন চলছে। কলকাতার আকাশে জাপানি অক্ষশক্তি বিমানের গর্জন। বরানগরে বোমা নিক্ষেপ করল জাপান। ঘটনার সময় কংগ্রেস বেতারতর্মীরা রোজকার সংবাদ দিচ্ছিলেন। একটানা তিন ঘণ্টা হোসপাইপের মধ্যে শুয়ে কাটান তাঁরা। রোমহর্ষক কাণ্ড। এই ছিল ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। যারা নরম ও চরমপন্থী শিবিরে বিভক্ত। নাহ, ব্রিটিশ পুলিশ পায়নি সেই বেতারযন্ত্রগুলি। তবে কয়েকজন ধরা পড়েন। তখন ভারত স্বাধীনতার একেবারে মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

ইতিহাস গড়ে প্রথম মহিলা CJI হতে পারেন বিভি নাগরথনা

নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলেছেন মোট ৪৮ জন। সম্প্রতি ৪৮ তম প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের (Chief Justice of India, Supreme Court) দায়িত্ব নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টের নুথালপাটি ভেঙ্কট রামন। মোট ৪৮ জন প্রধান বিচারপতির প্রত্যেকেই ছিলেন পুরুষ। কিন্তু আর মাত্র ছ’বছর পর তৈরি হতে পারে ইতিহাস, দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের সর্বোচ্চ পদে বসতে পারেন এক মহিলা।

আরও পড়ুন সংসদের বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের ‘হাঙ্গমায়’ ক্ষতি ১৩০ কোটি টাকা

বিভি নাগরথনা। বর্তমানে কর্ণাটক হাইকোর্টের অন্যতম বিচারপতি। আইনজীবি হিসেবে বেঙ্গালুরুতে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। প্র্যাকটিসের ক্ষেত্র ছিল সাংবিধানিক আইন, বাণিজ্যিক আইন, বীমা আইন, পরিষেবা আইন, প্রশাসনিক ও পাবলিক আইন, জমি সংক্রান্ত আইন, পারিবারিক আইন, পরিবহন সম্পর্কিত আইন প্রভৃতি। ২০০৮ সালে নিযুক্ত হন অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে। দু’বছর পর, ২০১০ সালে উন্নীত হন কর্ণাটক হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি পদে।

ইলেকট্রনিক মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া তার দেওয়া যুগান্তকারী রায়গুলির মধ্যে একটি। ২০১২ সালে একটি মামলার রায়ে তিনি লিখেছিলেন, “যদিও তথ্যের সত্যিকারের প্রচার কোনও ব্রডকাস্টিং চ্যানেলের অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা, ‘ব্রেকিং নিউজ’, ‘ফ্ল্যাশ নিউজ’ বা অন্য কোনও আকারে অহেতুক উত্তেজনা সৃষ্টি করা অবশ্যই বন্ধ করা উচিত।” তিনি গণমাধ্যমগুলিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি স্বায়ত্তশাসিত এবং সংবিধিবদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যও কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেন।

২০১৯ সালের একটি রায়ে, নাগরথনা আরেকটি য্যগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন। তিনি রায় দেন যে মন্দির কোনও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয় এবং মন্দিরের কর্মচারীরা পেমেন্ট অফ গ্র্যাচুইটি আইনের অধীনে গ্র্যাচুইটি পাওয়ার অধিকারী নয়। কিন্তু কর্ণাটক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য এনডাউমেন্ট আইনের অধীনে তাঁরা এই সুবিধা পেতে পারে।

আরও পড়ুন বাংলার ইতিহাস বলছে তাঁরা চিরকাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে, মমতার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বললেন জাভেদ আখতার

সম্প্রতি তিন মহিলা সহ ন’জন নতুন বিচারক সুপ্রিম কোর্টে নিযুক্ত হয়েছেন। ফলে বিভি নাগরথনার ২০২৭ সালে ভারতের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও নাগরথনা পরিবারে তিনিই প্রথম সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদে বসবেন না। ১৯৮৯ সালে তাঁর বাবা, জাস্টিস এঙ্গালাগুপ্পে সিতারামাইয়া ভেঙ্কটারামিয়াও ছ’মাসের জন্য এই দায়িত্ব সামলেছিলেন।

নাগরথনা ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টে নিযুক্ত অন্য দুই মহিলা বিচারক হলেন তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিমা কোহলি, গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্টে যে অন্য বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছে তাঁরা হলেন কেরালা হাইকোর্টের বিচারপতি সিটি রভিকুমার, মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ, বিচারপতি অভয় শ্রীনিবাস ওকা (কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি বিক্রম নাথ (গুজরাট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি জিতেন্দ্র কুমার মহেশ্বরী (সিকিম হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি) এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং প্রাক্তন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল পি এস নরসিংহ।

মোট ৩৪ জন বিচারক রয়েছেন ভারতের শীর্ষ আদালতে। মোট শূন্যপদ ছিল ১০টি। ন’জন বিচারক নিয়োগ হওয়ায় আর মাত্র একটি শূন্যপদ পড়ে রইল সুপ্রিম কোর্টে।

শতাধিক মৃতদেহে রক্তাক্ত কাবুল, CIA-তালিবান বৈঠকের পরেই কেন বিস্ফোরণ ?

নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিখ্যাত গুপ্তচর সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি, যাদের কাজ বিভিন্ন দেশে অস্থিরতা তৈরি করে সরকার ফেলে মার্কিন আধিপত্য বজায় রাখা-তাদের প্রধানের সঙ্গে তালিবান জঙ্গিদের বৈঠকের পরেই বিস্ফোরণের আগাম বার্তা ও সেই বিস্ফোরণে রক্তাক্ত চেহারা দেখছে বিশ্ব। আর শতাধিক মানুষের মৃতদেহ নিয়ে কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এখন ভয়াবহ ছবি।

তবে আফগান সংবাদ মাধ্যমের খবর, বিমান বন্দর থেকে সব দেহ সরানো হয়েছে, রাতভর লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। শুক্রবার সকালে শতাধিক মৃত্যু হয়েছে। আরও মৃত্যুর আশঙ্কা।

বৃহস্পতিবার কাবুল বিমান বন্দরে বিস্ফোরণের পরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ও আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তালিবান জঙ্গিদের বক্তব্যে সবটাই মিল। দুই তরফের দাবি হামলা করেছে ইসলামিক স্টেট খোরাসান। অই সংগঠনটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত শাখা।

খোরাসান একটি পুরনো ঐতিহাসিক শব্দ। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের কিছু অংশ নিয়ে খোরাসান ছিল। সেখানেই সক্রিয় তালিবান বিরোধী ইসলামিক স্টেট। সেই ইসলামিক স্টেট (আইএস) এরই মধ্যে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। এমন জানাচ্ছে রয়টার্স। তবে এর মধ্যেই প্রশ্ন, তালিবান চোখ এড়িয়ে কাবুলে আইএস হামলা যদি সত্যি হয় তাহলে এই তালিবান অন্দরে দূর্বল।

এও প্রশ্ন, সম্প্রতি তালিবান জানিয়েছে কোনও আফগান নাগরিককে বিদেশে যেতে দেওয়া হবে না। তবুও কাবুল এয়ারপোর্টে হাজার হাজার আফগানি হাজির। ন্যুনতম বিদেশের যোগসূত্র নিয়ে ছাড়পত্র পেতে মরিয়া। আগামী ৩১ আগস্ট মার্কিন সেনা পুরো সরে গেলে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে ভেবেই যে যার নিকটস্থ সীমান্ত পেরিয়ে বিদেশে যেতে মরিয়া।

তালিবানের দাবি, কাবুল বিস্ফোরণে তাদের কয়েকজন মৃত। আমেরিকার দাবি, বিস্ফোরণে তাদের কয়েকজন সেনা মৃত। কাবুল বিমান বন্দরের ভিতরে আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশের সেনা আছে। বাইরের গেটে তালিবান পাহারায়। কোন অবস্থায় ইসলামিক স্টেট বিস্ফোরক বোঝাই করে পাঠাল সেটা নিয়েই প্রশ্ন করছেন বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

আপনার ঘরকে সাজিয়ে তুলুন সবুজের মেলায়

Gorgeous Green Living Rooms And Tips

পিয়ালি মণ্ডল: আপনি যাকেই জিজ্ঞাসা করবেন সেই বলবে-“একটি গাছপালা ভরতি বাড়ি সবসময় একটি সুখি গৃহকোণ। যখন গাছপালা দিয়ে ঘর সাজানোর কথা আসে, সেগুলোকে আপনার সাজসজ্জার অংশ বানানোর জন্য কোন ধারণার অভাব হয় না, সেটা লিভিং রুমে একটি লম্বা পাতাযুক্ত গাছই হোক অথবা আপনার অফিসের জন্য কম আলোযুক্ত গাছপালা অথবা ক্যাকটাস জাতীয়ই হোক।

কিন্তু কোন গাছটি আপনার ঘরের জন্য সঠিক হবে এবং আপনার শৈলী এবং স্থান অনুসারে অভ্যন্তরীণ গাছপালা কীভাবে সাজাবেন তা কিন্তু আপনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে৷ বিশেষ করে যদি প্রথমবার শুরু করেন। প্রারম্ভিকদের জন্য সেরা অভ্যন্তরীণ গাছপালা রোপণ করা৷ প্রথম বিষয়টি আপনি যে জায়গাটি সাজাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে৷ ঘরটি কতটা আলো পায় অথবা আপনার ঘরটি কতটা খোলামেলা৷ আপনি এটি পাত্র বা সিলিং থেকে ঝুলিয়ে রাখতে চান কিনা, তার ওপর নির্ভর করে৷ অথবা হয়ত আপনি ভাবছেন যে, প্রতিনিয়ত গাছে জল দেওয়া এবং রোপণ করা সম্পূর্ণরূপে খুব বেশি সমস্যায় ফেলতে পারে আপনাকে৷ তার জন্য আপনি দ্বিধাগ্রস্ত হন সবুজের ব্যাপারে।

Gorgeous Green Living Rooms And Tips

যদি সবই অপ্রতিরোধ্য মনে হয়, তাহলে চিন্তা করবেন না। আপনাকে সেসব বিষয় গুলি নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করলেও চলবে৷ আপনি আপনার এলাকার স্থানীয় নার্সারি বা বাগান কেন্দ্রে যান এবং সেখানে আপনি আপনার অভ্যন্তরীণ গাছপালা যেগুলো আপনি লাগাতে পছন্দ করেন, সেই বিষয় বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন৷ সেখানে গাছপালার বিশেষজ্ঞকে জিজ্ঞাসা করুন। তারা আপনাকে আপনার জায়গার জন্য সর্বোত্তম বিকল্পগুলি সম্পর্কে পরামর্শ দেবে৷ গাছ পরিচর্যার সমস্ত টিপস আপনাকে জানিয়ে দেবে।

স্থানীয় নার্সারিতে যাওয়ার আগে আপনি জেনে নিন যে, আপনার জায়গার জন্য আপনি কী ধরনের গাছপালা চান এবং সেই ব্যাপারে একটি সাধারণ ধারণা তৈরি করে নিন। নিচে আপনার বাড়িতে গাছপালা দিয়ে সাজানোর ৫টি প্রাণবন্ত উপায় রইল –

১৷ আপনার ঘরের অন্দরে গাছপালার জন্য পাত্র এবং ফুলদানিগুলিতে সেগুলি আটকে রাখার দরকার নেই। একটি সাধারণ ডাইনিং টেবিলে সেন্টারপিস দিয়ে সৃজনশীল হন, যা সবুজ এবং ফুলের মিশ্রন তৈরি হবে৷ আপনি আসল পুষ্পশোভিত অথবা শুকনোজাত বা নকলগুলির সঙ্গে যেতে চান কিনা তা স্থির করুন। তারপরে মোমবাতি, ভোটিভিস এবং ফুলদানি যোগ করুন এবং টেক্সচার্ড লুকের জন্য এই অ্যাকসেন্টগুলির মাধ্যমে আপনার ফুল এবং পাতাগুলি বাছুন৷ নিশ্চিত করুন যে, আপনার ঘরের কেন্দ্রস্থল আপনার টেবিলের দৈর্ঘ্যর সমান। ডাইনিং টেবিলের আকার এবং আকৃতি, বড় বা ছোট জায়গাগুলি এমনভাবে বাছুন যা সব রকম ঋতুর জন্য উপযুক্ত। বিশেষ অনুষ্ঠান এবং ছুটির দিনগুলির জন্য আপনার টেবিল সাজানোর এটি একটি দুর্দান্ত উপায়।

Gorgeous Green Living Rooms And Tips

২৷ আপনার বেডরুমের জানালার উপরে সবুজ গাছপালা ঝুলিয়ে ঘরটিতে ফোকাল পয়েন্ট তৈরি করুন। আপনার নাইটস্ট্যান্ড বা ড্রেসারের উপরে অতিরিক্ত জায়গা না নিয়ে গাছপালা যোগ করার এটি একটি চতুর উপায়। সবসময় একটি ড্রেপি প্ল্যান্ট বেছে নিন যা ঝুলিয়ে রাখলে আপনাকে সম্পূর্ণ উপচে পড়া চেহারা দেয়। এটি ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এটি তাত্ক্ষণিক টেক্সচার এবং রঙ যুক্ত করে আপনার ঘরটিকে আরও উজ্জ্বল এবং গতিশীল চেহারা দেবে। ফুল প্রিন্টের বালিশ এবং বোটানিক্যাল উপাদান দিয়ে আপনার বিছানার টেবিলে কয়েকটি ছোট সুকুলেন্টের মাধ্যমে এটিকে ঘিরে রাখুন। অভ্যন্তরীণ গাছপালা আপনার মেজাজ বাড়ানোর পাশাপাশি আপনার শোবার ঘরে একটি শান্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারে। কিছু গাছ যেমন ল্যাভেন্ডার, রাবার , ড্রাকেনা এগুলি বায়ু বিশুদ্ধ করতে পারে এবং একটি সতেজ এবং পরিষ্কার বেডরুমে পরিণত হতে পারে।

Gorgeous Green Living Rooms And Tips

৩। আপনার যদি গাছের প্রতি অ্যালার্জি থাকে বা আপনার ঘরে যদি পোষা প্রাণী বা বাচ্চা থাকে, তবে শুকনো ডালপালা এবং ফুল একটি সহজ এবং ভাস্কর্য বিকল্প হতে পারে৷ আপনি ইউক্যালিপটাসে রাখতে পারেন ঘরে৷ যার লম্বা পাতাযুক্ত শাখা রয়েছে এবং যা আপনার চোখে আকর্ষণীয় এবং সবুজ রঙের পরিচয় দিতে পারে। নকল এবং জীবন্ত গাছপালার মিশ্রন রাখার চেষ্টা করুন। নকল গাছ এবং শুকনো ডাল ব্যবহার করা কেবল কম রক্ষণাবেক্ষণই নয়, এগুলি এতটাই বাস্তব দেখায় যে তারা আসলে তাদের চারপাশের অন্যান্য জীবন্ত গাছের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানিয়ে যেতে পারে।

৪। কিউরেটেড এবং উদ্দেশ্যমূলক চেহারার জন্য অভ্যন্তরীণ গাছপালা কীভাবে ঘর সাজাবেন, তা নিয়ে একটু বলা যাক। একটি ঘরের এক কোণে একসঙ্গে শীতল রোপণকারীদের গাছপালা গুলি রাখুন। এটি লম্বা ঘরের মাঝামাঝি গাছের সঙ্গে দুর্দান্ত কাজ করে৷ তবে আপনি ছোট গাছপালা প্রসারিত করতে বিভিন্ন উঁচু গাছ স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন গাছপালা যেমন তাল গাছ এবং ক্যাকটাস জাতীয়ও গাছ একত্রিত রাখুন এবং ঘরে একটি জঙ্গলময় পরিবেশ তৈরি করুন এবং এই ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হন যে, আপনার গাছ ধারক গুলি আপনার ঘরের এবং গাছপালার রঙ, উপাদান ও পরিসীমার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে। আপনার গাছপালা এবং রোপণকারীরা যত বেশি বৈচিত্র্যময় হবে, তত তারা আপনার স্থানের সামগ্রিক মেজাজকে বাড়িয়ে তুলবে।

Gorgeous Green Living Rooms And Tips

৫। আমরা সকলেই ঘরের আসবাবপত্রের অপ্রত্যাশিত চেহারা এবং নতুন লুক খুঁজে পেতে পছন্দ করি সঙ্গে ভালোবাসি। আমরা সকলেই ঘরের কোনে হ্যাকারগুলিতে গাছপালা এবং বই একসঙ্গে রাখতে পছন্দ করি। আপনার ঘরে বার কার্ট যেখানেই রাখা হোক না কেন, আরও স্টোরেজ এবং গাছপালার জন্য উপরে তাক যুক্ত করে এটিকে নিজের পছন্দের কোণে পরিণত করুন। এই কোনটির চাবি হল আপনার অভ্যন্তরীণ গাছপালা সঙ্গে মেঝেতে বড় গাছ, তাকের উপর মাঝারি পাতাযুক্ত সবুজ এবং বার কার্টে ছোট সুকুলেন্ট। এইভাবে আপনি সবস্তরে সবুজের একটি লুক দেখতে পাবেন।

আমি বেঁচে আছি, টুইট করে জানালেন টলো নিউজের ‘মৃত’ সাংবাদিক

নিউজ ডেস্ক: গোটা আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে। রোজই শোনা যাচ্ছে তাদের অকথ্য অত্যাচারের গল্প। শরিয়তি আইনের পালন এবং নিজেদের নৃশংস মানসিকত্যার নতুন নতুন নজির তাঁরা সৃষ্টি করছে রোজ। হঠাৎ করে আফগানিস্তান থেকে উধাও হয়েছে গণতন্ত্র। চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমকেও ছাড়ছে না তালিবানি জঙ্গিরা। কয়েকদিন আগে খবর পাওয়া গিয়েছিল কাবুলে রিপোর্ট করার সময় তালিবানরা টলো নিউজের আফগান রিপোর্টার, জিয়র ইয়াদ এবং তাঁর সহকারী চিত্র সাংবাদিককে মারধর করে। বিভিন্ন মিডিয়ার করা খবর অনুযায়ী, তালিবানদের অত্যাচারে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। যদিও সহকারী ক্যামেরাপার্সনের বিষয়ে বিশদে কিছু জানা যায়নি।

https://twitter.com/ziaryaad/status/1430771529101479943?s=20

এবার বিশ্বের নানা প্রান্তের মিডিয়ায় মেরে দেওয়া সাংবাদিক নিজে টুইট করে জানালেন, তিনি বেঁচে আছেন। টোলো নিউজের রিপোর্টার জিয়ার ইয়াদ টুইট করে জানিয়েছেন, “কাবুলের নিউ সিটিতে আমাকে তালিবানরা আমাকে মারধর করেছিল। ক্যামেরা, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং আমার মোবাইল ফোনও ছিনতাই করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু মানুষ আমার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে দিয়েছে যা মিথ্যা। তালেবানরা একটি সাঁজোয়া ল্যান্ড ক্রুজার থেকে বের হয়ে আমাকে বন্দুকের আঘাত করে। আহত হলেও আমার মৃত্যুর খবর ভুয়ো।”

আরও পড়ুন কথা রাখল তালিবান, কাবুল এয়ারপোর্টে বিস্ফোরণে রক্তাক্ত, ভারতীয়দের খবর নেই

আরেকটি টুইটে তিনি লিখেছেন, “আমি এখনও জানি না কেন তালিবানরা হঠাৎ আমাকে আক্রমণ করেছিল। বিষয়টি তালিবান নেতাদের জানানো হয়েছে; তবে, অপরাধীদের এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। গণমাধ্যমের ওপর হামলা মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।” 

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

যদিও তালিবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর থেকেই কাবুলে গুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে৷ রাজধানী শহর কাবুলের বিভিন্ন এলাকা থেকে গুলি চলার খবর জানাচ্ছে রয়টার্স সংবাদ সংস্থা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই খবর জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থাটি৷ সংবাদমাধ্যম সহ অন্যান্যদের ওপরেও হামলার ঘটনা ঘটছে গোটা আফগানিস্তান জুড়েই। 

কথা রাখল তালিবান, কাবুল এয়ারপোর্টে বিস্ফোরণে রক্তাক্ত, ভারতীয়দের খবর নেই

blast at kabul airport

নিউজ ডেস্ক: কোনও সাধারণ আফগানিকে আর আফগানিস্তান থেকে বের হতে দেব না। হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তালিবান জঙ্গিরা। ফলে কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মূল ফটকের ভিতর আফগান যাত্রীদের অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ভিতরে ঢুকতে হচ্ছিল।

পরিস্থিতি যখন এমন, তখন কথা রাখল তালিবান। বৃহস্পতিবার বিমান বন্দরের মাঝেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে রানওয়ে তে নামার জন্য চক্কর কাটছিল জার্মান বিমান বাহিনির একটি বিমান। তখনই হয় নাশকতা।

blast at kabul airport

মনে করা হচ্ছে, কাবুল বিমান বন্দরের ভিতরের পাহারায় থাকা আমেরিকান সেনার চোখ এড়িয়ে আত্মঘাতী হামলা ঘটিয়েছে তালিবান জঙ্গিরা। যারা দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের ক্ষমতা গত ১৫ আগস্ট দখল করেছে।

তবে তালিবান এই হামলার কথা স্বীকার করেনি। বিবিসি জানাচ্ছে, কাবুল বিমান বন্দরের রানওয়ে জুড়ে বহু দেহ পড়ে। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আল জাজিরা, রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে, বেশ কয়েকজন আমেরিকান সেনা গুরুতর জখম। কয়েকজন মৃত। তবে মৃতদের বেশিরভাগই সাধারণ আফগানি। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে চাইছেন বিদেশে।

সেখানে আটকে বহু মানুষ যাদের মধ্যে রয়েছেন বেশকিছু ভারতীয়। গত কয়েকদিন ধরেই অন্যান্য দেশের নাগরিকদের মতো ভারতীয়দের উদ্ধার করছে বায়ুসেনা। এর মাঝে হলো বিস্ফোরণ। ধোঁয়ায় ঢেকে থাকা কাবুল বিমান বন্দরে এখন মৃতদেহ ছড়িয়ে।

দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ-লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় বৈঠকে কাটল যাবতীয় জট। ফের একবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে আসন্ন আইএসএলে খেলবে লাল-হলুদ শিবির।

অবশেষে চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’ প্রায় শেষ মূহুর্তে দল গড়তে হলেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন লাল-হলুদ অফিশিয়ালদের তালিকায়। যাদের নিয়েই দ্বিতীয় আইএসএলে বাজিমাত করতে চাইছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ISL 2019-20: Karanjit Singh extends stay at Chennaiyin FC

১. করণজিৎ সিং: চেন্নাইয়ান এফসির গোলকিপারকে সম্প্রতি ম্যানেজমেন্ট ছেড়ে দিয়েছে। অভিজ্ঞ এই গোল্পকিপার সাফ কাপ এবং বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাকে দলে নিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে গোটা টুর্নামেন্টে টানা না খেলিয়ে বিশ্রাম দেওয়া যাবে দেবজিত মজুমদারকে।

Mohammedan SC Sign Former Mohun Bagan Player Shilton D'Silva

২. শিলটন ডি সিলভা: প্রাক্তন মোহনবাগান আই লিগ-বিজয়ী মিডফিল্ডার ইতিমধ্যেই গত বছর মহমেডান এসসি-র হয়ে দারুণ মরশুম কাটিয়েছেন। তাঁর গতি আইএসএলের অনেক দলের স্কাউটকেই মুগ্ধ করেছিল। ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট তাকে দলে নিলে মাঝমাঠের সমস্যা কমবে লাল-হলুদের।

Thoi Singh - Player profile | Transfermarkt

৩. থোই সিং: ৩০ বছর বয়সী রাইট-উইঙ্গার ইস্টবেঙ্গল অফিশিয়ালদের রাডারে অন্যতম হাই প্রোফাইল নাম। গত ৫ বছরে চেন্নাইয়ান এফসির হয়ে বহু ম্যাচে থই তাঁর দক্ষতা প্রমাণ করেছেন।

Abdul Hakku signs new long-term contract at Kerala Blasters

৪. আব্দুল হাক্কু: এই কম বয়সী ইউটিলিটি ডিফেন্ডার ইস্টবেঙ্গলের টার্গেট লিস্টের অন্যতম নাম। হাক্কু সেন্টার ব্যাক এবং ফুলব্যাক দুই পজিশনেই স্বচ্ছন্দ। ইস্টবেঙ্গল গত বছর ডিপ ডিফেন্স নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল। আব্দুল হাক্কু টিমে এলে রবি ফাউলারের ডিফেন্স নিয়ে দুশ্চিন্তা কমতে পারে।

Santosh Trophy 2018: Bengal regroup to beat Maharashtra - myKhel

৫. তন্ময় ঘোষ: গত বছর ২৯ বছর বয়সী তন্ময় আইএফএ শিল্ডে জর্জ টেলিগ্রাফের হয়ে খেলার সময়ই ইস্টবেঙ্গল স্কাউটদের নজরে পড়েছিলেন।

From Kanyakumari to Kolkata - Hardwork and perseverance has paid off for Michael  Regin! | Goal.com

৬. মাইকেল রেজিন: গত বছর ইস্টবেঙ্গল গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই একজন ভালো মানের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের অনুপস্থিতি অনুভব করেছে। আই লিগে চেন্নাই সিটি এফসি -র হয়ে খেলার সময় তাঁর ডিফেন্সিভ ক্ষমতা যথেষ্ঠ প্রশংসা পেয়েছিল। তাঁকে এবার টার্গেট করেছে ইস্টবেঙ্গল।

আধার কার্ড পরিষেবায় বদল নিয়ে এল UIDAI

নিউজ ডেস্ক: আধার কার্ড। বিভিন্ন পরিষেবা পেতে অত্যাবশ্যাকীয় পরিচয়পত্র। ব্যাঙ্কিং থেকে শুরু করে বাড়ি-গাড়ি কেনা, এমনকি উচ্চশিক্ষার জন্যও, আধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। সম্প্রতি আধার প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (UIDAI) তার কয়েকটি পরিষেবা স্থগিত রেখেছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি পরিষেবার পরিবর্তন হয়েছে, যা চলতি বছরে UIDAI চালু করেছে। যেগুলি হল আধার কার্ডে ডেমোগ্রাফিক এবং বায়োমেট্রিক ডেটা আপডেট করার পদ্ধতি।

আধার প্রুফ ভ্যালিডেশন লেটার

এর আগে UIDAI একটি অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন লেটার ব্যবহারের মাধ্যমে আধার কার্ডে নিজের ঠিকানা আপডেট করার পদ্ধতি বন্ধ করে দিয়েছিল। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছিল। যারা এই পরিষেবা স্থগিত হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে তারা হবে ভাড়া বাড়িতে বসবাসকারী মানুষ। অর্থাৎ যাদের ঠিকানা সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়। যদিও UIDAI এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এর বিকল্প উপায়ও রয়েছে। এখনও অন্যান্য আবাসিক প্রমাণপত্র ব্যবহার করে UIDAI পোর্টালের মাধ্যমে নতুন ঠিকানা অনলাইনে আপডেট করা যাবে।

আরও পড়ুন সোমবার মাঝরাতে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

আধার কার্ড পুনর্মুদ্রণ

UIDAI তার পুরনো ফরম্যাট অনুযায়ী আধার কার্ড পুনরায় মুদ্রণের পরিষেবাও বন্ধ করে দিয়েছে। এখন সাধারণ লম্বা কাগজের প্রিন্টের পরিবর্তে কেবল পিভিসি কার্ড ইস্যু করা হবে যা আধার অথরিটির তরফে। UIDAI জানিয়েছে পরিষেবাটি তারা এই কারণে বন্ধ করে দিয়েছে যে নতুন ডেবিট-কার্ড আকারের আইডি-প্রুফ ঠিক ততটাই কার্যকর এবং সহজে বহনযোগ্য। যদিও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবার নতুন করে কার্ড প্রিন্ট করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, আরও ৩ মাস বাড়ানো হয়েছে আধার-প্যান সংযোগের সময়সীমা। ৩০ জুনের বদলে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সংযুক্তিকরণ। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। করোনা অতিমারির কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পতনের মুখে পঞ্জশির? তালিবান থমকে, রুশ সাহায্য চান মাসুদ

Biden keeps to August 31 deadline for Kabul airlift

নিউজ ডেস্ক: ‘পঞ্জশিরের সিংহ’ বাবা আহমেদ শাহ মাসুদের মারাত্মক তালিবান বিরোধিতার পথেই এবারও গর্জন করছেন পুত্র মাসুদ। কিন্তু পঞ্জশির বাদে পুরো আফগানিস্তানের কব্জা এখন তালিবান দখলে। বিশ্বশক্তি ইতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছে। আর তালিবানি শরিয়া আইন বিরোধী গোষ্ঠী নর্দান অ্যালায়েন্স লড়াই চালাচ্ছে।

আফগান সংবাদ মাধ্যমের খবর, পঞ্জশির দখলে মরিয়া তালিবান। তাদের নেতা হাইবাখান্দা আখুন্দাজাদা কোনওভাবেই আফগান মাটিতে বিরোধী শক্তির অবস্থান চায় না। তালিবান মিলিটারি কাউন্সিল তথা জঙ্গি সংগঠনটির সর্বচ্চো এই নেতার নির্দেশ যে করেই হোক পঞ্জশির দখল করতে হবে।

এদিকে পঞ্জশির থেকে প্রত্যাঘাত শুরু হয়েছে তালিবান বিরোধী আফগান শক্তির। পঞ্জশিরের বর্তমান শাসক আহমেদ মাসুদ জানিয়েছেন কোনও অবস্থায় তালিবানকে মেনে নেওয়া হবে না।

অপর একটি তালিবান বিরোধী শক্তি আফগান মার্শাল আবদুল রশিদ দোস্তাম গেরিলা কায়দায় হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেই খবর। তিনি মাজার ই শরিফের শাসক ছিলেন। গত ১৫ আগস্ট তালিবান জঙ্গিরা দ্বিতীয়বার কাবু্ল দখল করার কিছু আগে তিনি দেশত্যাগ করে সীমান্তবর্তী উজবেকিস্তানের গোপন আস্তানায় চলে যান।

সোভিয়েত জমানার আফগান মার্শাল দোস্তাম ও সোভিয়েত বিরোধী পঞ্জশিরের সিংহ আহমেদ শাহ মাসুদের দোস্তি ছিল তীব্র আলোচিত। তাঁর প্রয়াণের পর দোস্তামের সঙ্গে জুনিয়র মাসুদের সম্পর্ক অটুট। দোস্তাম বার্তা পাঠিয়ে লড়াই জারি রাখতে বলেছেন।

কিন্তু কাবুল থেকে বেশি দূরে নয় পঞ্জশির। ফলে তালিবান তার পুরো শক্তি ব্যবহার করছে এই এলাকা দখলের। পঞ্জশির থেকে তারই জবাব দিয়ে চলেছেন জুনিয়র মাসুদ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, পঞ্জশিরের দোরগোড়ায় থমকে গিয়েছে তালিবান। তবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আহমদ মাসুদ। এই অবস্থায় তালিবানের সঙ্গে আলোচনার পথ নিতে চলেছেন তিনি। এই বিষয়ে রাশিয়া সরকারের সাহায্য চেয়েছেন।

রুশ সংবাদমাধ্যমের খবর,তালিবান বিরোধী গোষ্ঠীর আহমদ মাসুদ বলেন, আমি আশা করছি রাশিয়া একমাত্র আফগানিস্তানের পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যারা আফগানিস্তান ত্যাগ করতে পারছে না, তাদের জন্য নিরাপদ অঞ্চল তৈরি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, রাশিয়াসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলো তালিবানকে চাপ দিতে পারে।

মাসুদ বলেন, আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি শান্তি আলোচনাই একমাত্র সমাধান। কিন্তু পঞ্জশির উপত্যকায় কিছু সামরিক কূটচাল এবং প্রস্তুতি আছে, আমরাও আত্মরক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বাংলাপক্ষের দাবি মেনে WBSEDCL-এ বাধ্যতামূলক হল বাংলা ভাষার পরীক্ষা

নিউজ ডেস্ক: করোনা আবহে চাকরির আকাল দেখা দিয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। এই অবস্থায় অনেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের পথে হেঁটেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যাতে সেই নীতি নেয় তার দাবি তুলেছিল বাংলাপক্ষ। অন্যদিকে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার নিয়োগ প্রক্রিয়ায়তেও বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করার দাবি তুলেছিল তারা। কিন্তু তেমন কিছু না হয়ে উলটে অন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের চাকরি দেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল বাংলাপক্ষ।

Bengla Pakkha in protest of BJP's Bengali partition conspiracy
File Picture

আরও পড়ুন বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাংলাপক্ষের সমাবেশ

এবার রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার (West Bengal State Electricity Distribution Company) পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক হল বাংলা ভাষার পরীক্ষা। যা নিজেদের দীর্ঘ ৩ বছরের লাগাতার আন্দোলনের জয় হিসেবেই দেখছে বাঙালির হয়ে কথা বলা এই সংগঠন। বাংলাপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ‘রাজ‍্য বিদ‍্যুৎ বন্টন সংস্থার (WBSEDCL) উচ্চ বেতনের চাকরিতে বহিরাগতদের সংখ‍্যাধিক‍্য নিয়ে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিবাদ আন্দোলন করে আসছি। অন‍্যান‍্য রাজ‍্যের উদাহরণ তুলে ধরে আমরা পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় লিখিত ও মৌখিকের দাবি করেছিলাম। সম্প্রতি সংস্থার চাকুরির বিজ্ঞাপনে আমরা লক্ষ‍্য করি ৫ নম্বর বাংলা ভাষার লিখিত ও ১৫ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে বাংলার ভূমিসন্তানরা চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবে বলেই আমরা আশা করছি। সেই সঙ্গে পরবর্তীকালে ২৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ‍্যতামূলক করার দাবি জানাচ্ছি।’

বাংলাপক্ষের দাবি মেনে নিয়োগ পদ্ধতিতে বাংলা ভাষাকে যুক্ত করার জন‍্য মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিদ‍্যুৎমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছে তারা। সংগঠনের পক্ষ থেকে এর আগে আন্দোলনের সময় কৌশিক মাইতি বলেছিলেন, “১০০ শতাংশ নিয়োগ অবাঙালিদের, এটা মেনে নেওয়া যায় না। এক জন ছাড়া বাকিরা আবার অন্য রাজ্যের বাসিন্দা। আমাদের রাজ্যের ছেলেমেয়েরা কী বানের জলে ভেসে এসেছে? বাংলায় কাজ আছে, বাঙালির কাজ নেই – এটা বাংলায় সব বেসরকারি-সরকারি সংস্থার মত বিদ্যুৎ দফতরেও বাস্তব ছিল। সব রাজ্য সরকারি চাকরি নিয়োগের আগে লিখিত বাংলা ভাষা পরীক্ষা পাশ করা বাধ্যতামূলক করতে হবে। অন্য সব রাজ্যে যে নিয়ম স্বাভাবিক, তা এখানেও সর্বক্ষেত্রে চাই। বাংলা কোনও ধর্মশালা নয়।”

banglapakho

গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, “এই দাবিতে দীর্ঘ লড়াই হয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তর বাংলাপক্ষর উত্তর চব্বিশ পরগনা সাংগঠনিক জেলার আছে। এই জেলার সহযোদ্ধারা এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রত্যেক সহযোদ্ধা, সমর্থক ও যারা এই দাবির পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, সকলকে রক্তজবা শুভেচ্ছা। আমরা বাঙালির চাকরির স্বার্থে লড়াই চালিয়ে যাব। বাঙালি হাসলেই আমাদের শান্তি। মাননীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। জয় বাংলা।”

সুশান্তের রহস্যমৃত্যু: ম্যানেজার দিশার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দাবিতে #BoycottSalmanKhan

SSR DISHA MURDER LINKED

বায়োস্কোপ ডেস্ক: সুশান্ত সিং রাজপুতের (sushant singh rajput) মৃত্যুর ঠিক ৫ দিন আগে অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হয় তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের। তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর খবর জানার পর থেকেই নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সুশান্ত। এমনটাই সিবিআইকে জানিয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেতার বন্ধু, ফ্ল্যাটের সঙ্গী এবং ক্রিয়েটিভ ও কনটেন্ট ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পিঠানি।

গতবছরের ৯ জুন মালাড অঞ্চলের একটি বহুতলের ১৪ তলা থেকে পড়ে দিশার মৃত্যু হয়। দিশা সালিয়ান আত্মহত্যা করেছেন এই দাবি বিভিন্ন মহলে করা হলেও মুম্বই পুলিশ এই ঘটনা ‘অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ’ হিসেবেই গণ্য করেছে। যদিও দিশার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, তাঁর মাথায় এবং শরীরে একাধিক আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার কোনও উল্লেখ নেই। মৃত্যু হওয়ার প্রায় দু’দিন পরে করানো সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। বিভিন্ন মহল থেকে বারবার আওয়াজ উঠেছিল, দিশা এবং সুশান্তের মৃত্যু একসুতোয় গাঁথা। যদিও সমাধান হয়নি কোনও মৃত্যু রহস্যেরই। প্রায় একবছর কেটে যাওয়ার পর আবার নতুন করে সামনে এসেছে সেই দাবি। আর এই ঘটনার পিছনে সলমন খানের হাত দেখতে পাচ্ছে নেটদুনিয়া৷ আর তাই টুইটারে #BoycottSalmanKhan ক্যাম্পেন বেশ জোরাল আকার নিয়েছে৷

এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, দিশাকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছিল। পেশায় অভিনেতা এই ব্যক্তি বলেছিলেন, ৮ জুন মুম্বইয়ের মালাডে নিজের ফ্ল্যাটেই পার্টি চলাকালীন যৌন নিগ্রহের শিকার হন দিশা। তিনি ৮ জুন রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দিশার ফ্ল্যাটে পৌঁছন। এক ঘণ্টা পর্যন্ত পার্টি ভালো ভাবেই চলে। এরপর একটি ঘরে চলে যান দিশা। তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিলেন। সেই ঘরের শব্দ যাতে বাইরে না যায়, তার জন্য জোরে গান চালিয়ে দেওয়া হয়। দিশার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন সুশান্ত। তিনি বন্ধুদের ফোন করে বলেছিলেন, দিশাকে খুন করা হয়েছে বলে সন্দেহ হচ্ছে। এই ঘটনার তদন্ত চাইছিলেন সুশান্ত। কিন্তু তিনি সেই সুযোগ পাননি।

১৪ জুন, ২০২০। মুম্বইয়ের নিজের ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া গিয়েছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ। তারপরেই বলিউড ঘনিষ্ট বিভিন্ন মহলে শোনা গিয়েছিল, আদিত্য পাঞ্চোলির ছেলে সুরজ পাঞ্চোলির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল দিশার। তাঁরই সন্তানের মা হতে চলেছিলেন দিশা। তাঁর এবং কিছু ‘বলিউড বিগিস’ (Bollywood Biggies) এর গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হন দিশা এবং সুশান্ত। বন্ধু আদিত্য পাঞ্চোলির ছেলে সূরজের জন্যই সলমন খানও নাকি সুশান্তকে ‘ব্ল্যাকলিস্ট’ করে দিয়েছিলেন বলে শোনা গিয়েছিল। প্রসঙ্গত এর আগেও আরেক বলিউড অভিনেত্রী জিয়া খানের রহস্যমৃত্যু’তেও নাম জড়িয়ে ছিল সুরজ পাঞ্চোলির। তাতে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলিউডের অনেক নাম করা ব্যক্তিও।

মুম্বই পুলিশ সুশান্তের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করলেও অভিনেতার বাবার করা মামলায় সুশান্তের অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত নতুন করে শুরু হয়। CBI, ED আর NCB এই ত্রিফলা তদন্ত শুরু হয় অভিনেতার বাবার দাবি মেনেই। যদিও তারপর প্রায় একবছর কেটে গেলেও তাঁর পরিবারের কাছে কোনও ‘ক্লোজার’ নেই।

ক্লোজার না পাওয়া গেলেও গোটা তদন্ত প্রক্রিয়াতে সামনে এসেছিল বেশ কয়েকটি নাম, যার মধ্যে অন্যতম সুশান্তের গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তী। তদন্ত প্রক্রিয়া চলাকালীন বহুদিন জেলেও কাটাতে হয়েছে তাঁকে। যদিও আবার নতুন জীবনে ফিরেছেন তিনি, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর অভিনীত সিনেমাও মুক্তি পাবে দিন কয়েকের মধ্যেই। আঙুল উঠেছিল করণ জোহরের দিকেও, তাঁর প্রযোজিত-পরিচালিত সিনেমা বয়কটের দাবিতে ভরে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া। সেসব পেড়িয়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তাঁর প্রযোজিত সিনেমা ‘শেরশাহ’র জয়জয়কার।

একমাত্র সুশান্ত সিং রাজপুত এবং তাঁর মৃত্যু রহস্য যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়েছে। অনেকে জানাচ্ছেন, খুব নিপুনভাবে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ায় একবারও সামনে আনা হয়নি দিশা সালিয়ানের ঘটনা। যা সামনে আসলে হয়তো মোড় ঘুরে যেত এই মামলার। সমাধান হয়ে যেত সুশান্ত মৃত্য রহস্যের। কিন্তু কার কৌশলে গোটা তদন্তেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে দিশার ঘটনা। তাহলে কি গতবছরের অভিযোগগুলিই সত্যি বলে প্রমাণিত হল। গোটা ঘটনাতেই জড়িত বলিউডের অনেক বড় নাম। যাদের বাঁচাতেই ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে সুশান্ত-দিশা মামলার যোগসূত্র। প্রশ্ন অনেক, কিন্তু একবছর পরেও উত্তর নেই কোনওটিরই।

গোয়েন্দা রিপোর্ট: ত্রিপুরায় দূর্বল হচ্ছে বিজেপি, ঘর গোছাচ্ছে মানিক-মমতা

Bjp loosing supporter base In tripura

নিউজ ডেস্ক: ফের মানিক নাকি মমতামুখী ত্রিপুরা? আগরতলার রাজনৈতিক মহলের এমন গুঞ্জন যে আসলেই ত্রিপুরার শাসক বিজেপির জন্য বড়সড় ধসের ইঙ্গিত সেটি সরকারকে জানিয়েছে গোয়েন্দা রিপোর্ট।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কাছে পৌঁছে যাওয়া রিপোর্টের কিছু অংশ জেনে ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই ক্ষুব্ধ। বিজেপি সমর্থকদের তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে চলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছেই। গোয়েন্দা রিপোর্টে এসেছে এই তথ্য।

ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসে দাবি, হুড়মুড়িয়ে বিজেপি ভেঙে পড়বে। নাম প্রকাশ না করলেও টিএমসি জানাচ্ছে, রাজ্যের শাসকপক্ষের দুই বিধায়ক মমতা শিবিরে ফিরে আসছেন। তাদের সঙ্গেই বাকিরা আসবেন। যদিও ত্রিপুরা প্রদেশ টিএমসি সভাপতি আশীষলাল সিংহ জানান, গত বিধানসভা ভোটের আগে যারা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিলেন তারা পরে বিজেপিতে যান। সেই নেতারা ফিরতে মরিয়া।

গত বিধানসভা ভোটের আগে ত্রিপুরার ততকালীন কংগ্রেস হেভিওয়েট বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ দলবদলে টিএমসিতে যান। তাঁর অনুগামী বিধায়কদের নিয়েই ত্রিপুরায় বিরোধী দল হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই বিধায়করা পরে বিজেপিতে যান। এখন তারা সরকারে। তারাই এখন মুখ্যমন্ত্রীর প্রবল বিরোধী।

ত্রিপুরায় তৃণমূল নিজেদের জমি তৈরিতে ব্যাস্ত। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজ্যবাসী যাদের বড় অংশ গত নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তারা তৃণমূলমুখী হচ্ছেন। গত নির্বাচনে ত্রিপুরায় টানা ২৫ বছরের বাম জমানা শেষ হয়েছে। সরকারে এখন বিজেপি-আইপিএফটি জোট।

গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে লাগাতার ধাক্কা সামলে সিপিআইএম এখনও সংহত। তাদের সমর্থনে ধস আসছে না। তবে আগামী কয়েকমাসে বাম সমর্থন কিছুটা মমতামুখী হবেন। আর উপজাতি এলাকায় ক্ষমতাসীন নতুন দল হিসেবে রাজা প্রদ্যোত দেববর্মণের দল তিপ্রা মথা হতে চলেছে বিধানসভা ভোটে সবথেকে বড় ফ্যাক্টর।

ISL নয়, কলকাতা লিগকেও পাখির চোখ করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কার্যত পয়েন্ট অফ নো রিটার্নের ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে স্পোর্টিং রাইট ফিরিয়ে দিয়েছিল লগ্নিকারী সংস্থা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ-লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় বৈঠকে কাটল যাবতীয় জট। ফের একবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে আসন্ন আইএসএলে খেলবে লাল-হলুদ শিবির।

আরও পড়ুন সংবর্ধনা মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভারতের সোনার ছেলে

প্রসঙ্গত, ঠিক গত বছরের আইএসএলের আগেও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতাতেই মুশকিল আসান হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। সবথেকে বড় স্বস্তিটা পেয়েছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাদের প্রিয় ক্লাব যে আইএসএলে খেলবে, এটা শেষ মুহূর্তে ফের একবার নিশ্চিত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যস্থতায়।

আরও পড়ুন আফগানিস্তানের মহিলাদের রোবোটিক্স টিমকে উদ্ধার করল মার্কিন মহিলা

অবশেষে চুক্তিজট কাটার পর ইস্টবেঙ্গলের নজর আপাতত নতুন মরশুমের দল গঠনে। চুক্তি অনুযায়ী চলতি সরশুমেও দল গড়ার দায়িত্ব ইনভেস্টরদের। তবে ক্লাব কর্তারা ফুটবলার বাছাইয়ের কাজে প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করবেন বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। দেবব্রত সরকার (নীতু) জানিয়েছেন, ‘আমাদের তরফেও ফুটবলারদের একটি তালিকা তৈরি করা রয়েছে। দল গড়ার দায়িত্ব বিনিয়োগকারীদের হলেও ওরা যদি আমাদের থেকে কোনওরকম সাহায্য চায়, আমরা প্রস্তুত আছি।’

আরও পড়ুন দেশ দখল করেছে তালিবানরা, আইপিএল খেলা নিয়ে সংশয়ে রশিদ-নবিরা

অন্যদিকে তড়িঘড়ি শক্তিশালী দল গড়ার কাজে ঝাঁপাতে চাইছে লাল-হলুদ শিবির। গতবারের মতো ভুল আর করতে চান না লাল-হলুদ অফিশিয়ালরা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু আইএসএলের জন্যই নয়, দল গড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে কলকাতা ফুটবল লিগকে সামনে রেখেও। এএফসি কাপে খেলার জন্য সম্ভবত আসন্ন কলকাতা লিগে দল নামাবে না মোহনবাগান। ফলে সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে লাল-হলুদ তাবুতে কাপ আনতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল।

অনুরাগ কাশ্যপের মেয়ে আলিয়া’র বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও-ছবি ফাঁস

Anurag Kashyap's Daughter Aaliyah

বায়োস্কোপ ডেস্ক: আলিয়া কাশ্যপ (Aaliyah Kashyap)৷  বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের (Anurag Kashyap)  মেয়ে। অন্যান্য স্টারকিডদের মতো আলিয়াও ইনস্টাগ্রামে যথেষ্ট জনপ্রিয়। শুধু ইনস্টাগ্রামই নয়, আলিয়ার নিজের ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। দিনকয়েক আগেই সেই চ্যানেলে বাবা অনুরাগের সঙ্গে একটি চ্যাটের ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত প্রশ্ন-উত্তরে ভরা সেই ভিডিও যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছিল।

ভিডিওতে আলিয়া অনুরাগ কাশ্যপকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘যদি আমি কখনও হঠাৎ করে সন্তানসম্ভবা হয়ে যাই, আর তোমাকে তা জানাই, তাহলে তোমার প্রতিক্রিয়া কি হবে?’ অনুরাগ প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছিলেন, ‘আমি তোমায় জিজ্ঞাসা করব তুমি এই সন্তান চাও কিনা। তোমার যা সিদ্ধান্ত হবে, তা আমি সবসময় সমর্থন করব।’ বাবা-মেয়ের এই খোলামেলা সম্পর্কে মজেছিলেন নেটিজেনরা।

এবার আলিয়া প্রেমিক শেন গ্রেগোয়ারের জন্মদিনে, তাঁদের একগুচ্ছ অন্তরঙ্গ ছবি শেয়ার করেছেন। শেনের ২২ বছরের জন্মদিনে তাঁদের সমুদ্র সৈকতে কাটানো মূহুর্ত নেটিজেনদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন আলিয়া। ছবিতে ‘লিপলক’ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে আলিয়া-শেনকে। এক বছরেরও ধরে শেনের সঙ্গে ডেটিং করছেন।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Aaliyah Kashyap (@aaliyahkashyap)

আলিয়া পোস্টটি শেয়ার করে লিখেছেন, “আমার ভালবাসাকে ২২তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা! তুমি আমাকে বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যবান মেয়ের মতো মনে কর। তোমাকে পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। তোমাকে খুব ভালোবাসি।”

তালিবান ইস্যু: লক্ষ্য ভারতীয়দের উদ্ধার, ধীরে চলো নীতি মোদীর

all-party meet jaisahnkar

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন। সর্বদলীয় বৈঠকের পর কেন্দ্র সরকারের অবস্থান ব্যাখা করতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর আরও জানালেন, সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য আফগানিস্তানে আটকে থাকা ভারতীয়দের দ্রুত ফেরত আনা।

তবে বিদেশমন্ত্রকের সূত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে, আফগানিস্তানে তালিবান (Taliban) নিয়ন্ত্রণের পর নয়াদিল্লি খুবই ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশ বার্তা দিতে শুরু করেছে তালিবানকে। তাদের বার্তায় এসেছে সমর্থন ইঙ্গিত।

দিল্লিতে সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বিরোধী দলের নেতৃত্বের দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী আফগান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। ব্যাখ্যা করেন পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে। বিরোধী নেতা কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ অন্যান্য দলগুলির নেতৃত্ব ছিলেন।

আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালিবানদের একপ্রকার মান্যতা দিয়েছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক একমাত্র তালিবান। আর বিকল্প নেই। পুতিনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ টেলিফোনিক আলোচনার পরেই সর্বদলীয় বৈঠক স্থির হয়।