ভারতে ছাড়পত্র পেল ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাক্সিন ‘জাইকোভ-ডি’

zydus vaccine

নিউজ ডেস্ক: এতদিন এম’আরএনএ (mRNA) ভিত্তিক ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছিল কোভিড-১৯ মোকাবিলায়। এবার প্রথমবার ডিএনএ-ভিত্তিক ভ্যাকসিনের ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ভারত সরকার। জাইডাস ক্যাডিলার তৈরি তিন ডোজের কোভিড টিকা ‘জাইকোভ-ডি’কে ছাড়পত্র দিল ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)।

আরও পড়ুন জানতে চায় ভারত: আজব চুক্তি উপেক্ষা করে কেন ‘রিপাবলিক ভারত’ ছাড়তে চাইছেন কর্মীরা?

যদিও কেবলমাত্র আপতকালীন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যাবে এই ভ্যাকসিন। গুজরাতের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলা জানিয়েছে, ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবার জন্যই এই টিকা যথেষ্ট কার্যকর। এছাড়াও এতদিন যেই ভ্যাক্সিনগুলি প্রয়োগ করা হচ্ছিল সেগুলি দুটি ডোজের। যদিও প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে দুটি ডোজের মধ্যে সময়সীমা আলাদা আলাদা। ‘জাইকোভ-ডি’ ভ্যাক্সিনটি তিনটি ডোজের।

অন্যান্য টিকার মতো জাইকোভ-ডি সিরিঞ্জের মাধ্যমে দেওয়া হবে না। ভারতে এর আগে পাঁচটি সংস্থার কোভিড ভ্যাকসিন অনুমোদিত হয়েছে। সেগুলি হল ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন, সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড, রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি এবং আমেরিকার মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন। আহমেদাবাদের ভ্যাক্সিনপ্রস্তুতকারী সংস্থা জানিয়েছে বছরে ভ্যাক্সিনের ১০-১২ কোটি ডোজ তৈরি করবে তারা।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

জরুরি ভিত্তিতে জাইকোভ-ডি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে ১ জুলাই ডিসিজিআই-র কাছে আবেদন করেছেন জাইডাস ক্যাডিলা। সেই আবেদনেই সাড়া দিল ডিসিজিআই। ‘জাইকোভ-ডি’ হল ‘প্লাজমিড ডিএনএ’ টিকা। এটি বিশ্বের প্রথম ডিএনএ টিকা বলে দাবি করেছে সংস্থা। জাইডাস ক্যাডিলার ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার হার প্রায় ৬৬.৬ শতাংশ।

Media Kit - Downloads Corporate & Annual Reports | Zydus Cadila

একনজরে ‘জাইকোভ-ডি’

  • জাইকোভ-ডি (ZyCov-D) একটি ইনট্রা-ডারমাল ভ্যাকসিন, যা তিনটি ডোজে দেওয়া হবে।
  • এটি ফার্মাজেট ইনজেক্সন-ফ্রি সিস্টেমে দেওয়া হবে, ট্রপিস ব্যবহার করে প্রয়োগ করা হবে। যা যেকোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।
  • জাইকোভ-ডি (ZyCoV-D) ২-৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সংরক্ষণ করা হয়।
  • প্লাজমিড-ডিএনএ ন্যূনতম জৈব নিরাপত্তা প্রয়োজনীয়তাতে (বিএসএল-১) উত্পাদন করা যায়।
  • প্লাজমিড ডিএনএ ভ্যাকসিন জাইকোভ-ডি র(ZyCoV-D) ভেক্টর ভিত্তিক অনাক্রম্যতায় কোনো বিঘ্ন ঘটায় না।

ফের তালিবান সরকারের হর্তাকর্তা হচ্ছেন দেরাদুন মিলিটারি অ্যাকাডেমির ছাত্র স্তানিকজাই

নিউজ ডেস্ক: শেরু আবার আফগান সরকারের এক হর্তাকর্তা হবে। যে ছিল মজার ছেলে, সেই পরে হয় ভয়ঙ্কর তালিবান জঙ্গি। এমনই অদ্ভুত সব স্মৃতি আছে দেরাদুন মিলিটারি অ্যাকাডেমির ১৯৮২ সালের ব্যাচের পাস আউটদের।

আইএমএ দেরাদুনের নথি বলছে সেখানে সেনা অফিসার হিসেবে প্রশিক্ষিত হয়েছিল আফগানিস্তান থেকে আসা শের মহম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই। এই স্তানিকজাই ছিল প্রথম তালিবান জঙ্গি সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী। এখন দ্বিতীয় তালিবান সরকারের গুরুত্ব পদে বসতে চলেছে।

আরও পড়ুন আত্মসমর্পণের প্রশ্ন উড়িয়ে আমেরিকার কাছে অস্ত্রসাহায্য চাইলেন নিহত তালিবান-বিরোধী নেতার ছেলে

আইএমএ দেরাদুনে ভারত ও আফগান সরকারের মৈত্রী অনুসারে স্তানিকজাই এসেছিল সেনা অফিসারের ট্রেনিং নিতে। বন্ধুদের কাছে শেরু নামে পরিচিত ছিল।

ফের আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান জঙ্গি সংগঠন। আফগান প্রেসিডেন্ট হতে চলেছে তালিবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তথা বর্তমান উপপ্রধান মোল্লা আবদুল ঘানি বারাদার। দ্বিতীয় দফার এই তালিবান সরকারের অন্যতম আলোচিত নেতা স্তানিকজাই। ১৯৯৬-২০০১ প্রথম তালিবান সরকারের আমলে জঙ্গি নেতা ছিল আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী।

Sher Mohammad Abbas Stanikzai: Top Taliban leader Stanikzai trained by  Indian Military Academy - The Economic Times

ইন্ডিয়া টুডে, ইকোনোমিক্স টাইমস সহ বেশ কয়েকটি প্রথম সারির সংবাদপত্র স্তানিকজাই সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোর্স শেষে স্তানিকজাই আফগানিস্তানে ন্যাশনাল আর্মিতে লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেয়। পরে সেনাবাহিনি ছেড়ে জঙ্গি হয়।

তখন আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রক ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। সোভিয়েত বিরোধী সংঘর্ষে আমেরিকার মদত চলছিল। স্তানিকজাই মুজাহিদিন গোষ্ঠিতে নাম লেখায়। পরে তালিবান জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম নেতা হয়।

আরও পড়ুন পাকিস্তানের পর এবার চিন, তালিবানদের ভূয়সী প্রশংসায় ভরাল বেজিং

নববই দশকে আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহারের পর ১৯৯৬ সালে দেশটির দখল নেয় তালিবান। কাবুলে প্রকাশ্যে খুন করা হয় সেভিয়েত অনুরাগী প্রেসিডেন্ট ডক্টর মহম্মদ নাজিবুল্লাহকে। তালিবান হামলার সেই ভয়াবহ ছবি দেখেছিল দুনিয়া।

<

p style=”text-align: justify;”>২০০১ সালে মার্কিন সেনা আফগানিস্তানে অভিযান শুরু করলে তালিবান সরকারের পতন হয়। উপপ্রধানমন্ত্রী শের মহম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই পালায়। তারপর গত প্রায় এক দশক ধরে কাতারের রাজধানী দোহায় বসবাস করছে এই জঙ্গি নেতা। ২০১৫ সালে দোহা শহরে তালিবান তাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয় স্তানিকজাইকে।

‘এখানে দাবাংগিরি চলবে না’, CISF অফিসারের ধমক খেলেন সলমন খান

নিউজ ডেস্ক: বছর কয়েক আগের ঘটনা, কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সলমন খানকে তলব করা হয়েছিল যোধপুরের পুলিশ স্টেশনে। সেখানে উচ্চপদস্থ অফিসারদের সামনে তাঁর প্রায় পা’য়ে পা তুলে বসে থাকার ছবি এখনও ঘুরে বেড়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরেও থানা থেকে শুরু করে কোর্ট, বেশিরভাগ জায়গাতেই ভিআইপি ট্রিটমেন্ট পেয়ে এসেছেন তিনি।

নেটিজেনরা বলছেন, এতদিনে সলমন খানের উচিত শিক্ষা হল। সব জায়গায় যে তাঁর ‘দাবাং’গিরি চলে না, সেটাই হাতেনাতে প্রমাণ পেয়ে গেলেন সলমন খান। কিসের শিক্ষা? মুম্বই বিমানবন্দরে এক CISF অফিসারের কাছে ধমক খেয়েছেন তিনি। সব জায়গায় যে তিনি তারকার মতো ব্যবহার পাবেন, তা যেন আশা না করেন। তাই বুঝিয়েছেন ওই অফিসার। আর তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।

ক্যাটরিনা কাইফকে সঙ্গে নিয়ে টাইগার ৩ এর শুটিংয়ে রাশিয়া যাচ্ছিলেন সলমন খান। মুম্বই এয়ারপোর্টে সলমন ও ক্যাটরিনার ছবি তুলতে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছেন পাপারাৎজিরা। তাঁদের ক্যামেরার সামনে সলমন পোজ দিয়েই চলেছেন। ফলে বিমানবন্দরে ঢোকার নিরাপত্তা বিধি ঠিকমতো পালন করতেই ভুলে যাচ্ছিলেন তিনি। সাধারণ নিয়ম ছাড়াও করোনা সংক্রমণের পর থেকেই নিয়ম কঠোর হয়েছে দেশের বিমানবন্দরগুলিতে। ফলে গোটা কাণ্ড দেখে বিরক্তিতে চিৎকার করে উঠলেন দায়িত্বে থাকা CISF অফিসার। সলমনকে বললেন, আগে নিয়ম মানুন, তারপর এসব হবে। কার্যত তারকা বলে যে সলমন নিয়মের ঊর্ধ্বে নয়, তা স্পষ্টই বুঝিয়ে দিলেন তিনি।

‘এক থা টাইগার’, টাইগার জিন্দা হ্যায়’র পর এবার শুরু হতে চলেছে টাইগার থ্রি’র শুটিং। প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ফিরছে সলমন-ক্যাটরিনা জুটি। এই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে ইমরান হাসমিকেও।

আত্মসমর্পণের প্রশ্ন উড়িয়ে আমেরিকার কাছে অস্ত্রসাহায্য চাইলেন নিহত তালিবান-বিরোধী নেতার ছেলে

নিউজ ডেস্ক: কাবুলসহ আফগানিস্তানের অধিকাংশ এলাকা তালিবানদের দখলে৷ দেশে তালিবানিরাজ কায়েম করলেও কিছু এলাকার মানুষ এই ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পতাকা তুলছে। তার মধ্যে অন্যতম হল নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রাক্তন কমান্ডার আহমেদ শাহ মাসুদের শক্ত ঘাঁটি পঞ্জশির উপত্যকা। পঞ্জশিরের পর তালিবানের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত জালালাবাদেও শোনা গিয়েছে প্রতিরোধের সুর। এবার বিখ্যাত তালিবান-বিরোধী নেতা আহমেদ শাহ মাসুদের ছেলে আহমেদ মাসুদ অস্ত্র সাহায্য চাইলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। তিনি জানিয়েছেন যেঁ তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার শক্তি তাদের আছে, কিন্তু তার জন্য আমেরিকার সাহায্য দরকার।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

আহমেদ মাসুদ বলেন, “আমি পঞ্জশির উপত্যকা থেকে লিখছি, আমার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করার জন্য আমি প্রস্তুত। মুজাহিদিন যোদ্ধারা আবারও তালিবানদের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।” পঞ্জশিরে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষের বসবাস৷ কাবুলের উত্তর-পূর্ব উপত্যকায় মুজাহিদিনরা তাদের ঘাঁটি থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবানদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। এলাকাটি এতটাই বিপজ্জনক যে, ১৯৮০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত তালিবানদের কব্জায় আসেনি এই উপত্যকাটি৷ শুধু তাই নয়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীও এই এলাকায় শুধুমাত্র বিমান হামলা চালিয়েছে৷ তারা কখনও কোনও পদাদিক বাহিনী পাঠানোর সাহস দেখাতে পারেনি৷

আহমদ শাহ মাসুদকে শের-ই-পঞ্জশির বলা হয়৷ তিনি ছিলেন এই অঞ্চলের সর্বশ্রেষ্ঠ সেনাপতি। এলাকার ভৌগোলিক কাঠামো এমন যে, কোন সেনাবাহিনী এই এলাকায় প্রবেশ করার সাহস দেখাতে পারে না। চারদিকে উঁচু পাহাড় দিয়ে ঘেরা এই অঞ্চলের মাঝখানে সমতল ভূমি রয়েছে। সেখানকার গোলকধাঁধা সবার জন্য সহজ হয় না৷

১৯৯০ -এর দশকে তালিবানদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় আহমেদ শাহ মাসুদ দারুণ প্রতিপত্তি অর্জন করেছিলেন। ভারতও তাদের সাহায্য করে আসছে। বলা হয়ে থাকে যে, একবার যখন তালিবানদের হামলায় আহমদ শাহ মাসুদ মারাত্মকভাবে আহত হন, তখন তাঁকে ভারত সরকার এয়ারলিফ্ট করে তাজিকিস্তানের ফারখোর এয়ারবেসে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায়। এখানই ভারতের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে৷ ভারত বিশেষ করে নর্দান অ্যালায়েন্সকে সাহায্য করার জন্য এই সামরিক ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করেছিল। তাঁর ছেলে মাসুদ জানিয়েছেন যে তিনি দেশের বিশেষ বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য এবং আফগান সেনাবাহিনীর সৈন্যদের কমান্ডারদের তালিবানদের সামনে আত্মসমর্পণে বিরক্ত।

ফলে তালিবানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি, আর তার জন্য দরকার প্রচুর অস্ত্র, গোলা-বারুদ এবং আমেরিকান সাহায্য। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ার ছবিতে দেখা গেছে তালেবান যোদ্ধারা M4 এবং M18 অ্যাসল্ট রাইফেল, M24 স্নাইপার নিয়ে আইসনিক মার্কিন হামভিসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যার মোকাবিলা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্টের অস্ত্র সাহায্য প্রয়োজন।

জঙ্গি দমনে কঠোর ‘ড্রাগনভূমি’, ক্ষুদ্রতম ভুটানের শক্তিশালী নারী বাহিনি প্রস্তুত

Royal Bhutan Army

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: যে ড্রাগন সেনা একসঙ্গে সাতটি ভারত বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গি সংগঠনের ঘাঁটি দুরমুশ করেছিল তারা নারী সেনার অন্তর্ভুক্তি ঘটিয়ে আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ভুটানি সেনার সর্বাধিনায়ক রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুক সেনাবাহিনির অভিবাদন নিতে গিয়ে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে নারী সেনার ভূমিকা তুলে ধরেন। জমকালো পাসিং আউট প্যারেডের ছবি প্রকাশ করেছে থিম্পুর সংবাদমাধ্যম।

ভুটানি সংবাদ সংস্থা BBS জানাচ্ছে, ওয়াংদিফোডরং-এর তেনচোলিং মিলিটারি ট্রেনিং ক্যাম্পে সেনাবাহিনির কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন সর্বাধিনায়ক রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুক। অনুষ্ঠানে ছিলেন রানি জেতসুন পেমা, দুই যুবরাজ সহ সেনা কর্মকর্তারা।

Royal Bhutan Army

রয়াল ভুটান আর্মির ৭৭ তম ব্যাচে ১৫১ জন নারী ও ১৫০ জন পুরুষ সেনা একসঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সবাইকে দ্রুত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হবে। ঐতিহাসিকভাবে এটাই ভুটানের রাজকীয় সেনা বাহিনিতে প্রথম মহিলা অন্তর্ভুক্তি।

রয়াল ভুটান আর্মির দখলে রয়েছে ঐতিহাসিক ‘অপারেশন অল ক্লিয়ার’ (২০০২-২০০৩) জঙ্গি দমন অভিযানের সফল তকমা। এটি এমন এক জঙ্গি দমন অভিযান যেটি দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসবাদ দমনে অতি উল্লেখযোগ্য হয়ে রয়েছে। সেই অভিযানে তৎকালীন ভুটান রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের কড়া নির্দেশের পর ভারত সরকারের বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের শিবিরগুলি ভেঙে দিয়েছিল রয়াল ভুটান আর্মি। দু’দশক আগে ভারত সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গল এলাকায় সেই অভিযানের অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন বর্তমান রাজা জিগমে খেসর।

আলফা (ULFA) , এনডিএফবি (NDFB) , কেএলও (KLO), এনএসসিএন (NSCN), এনএলএফটি (NLFT) মতো আগ্রাসী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির নেতৃত্ব ভুটানি সেনার তাড়া খেয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। বহু জঙ্গির মৃত্যু হয়। উদ্ধার হয় বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র। সেই অভিযানের পর থেকেই আত্মগোপনে উত্তরবঙ্গে নাশকতা ঘটানো কেএলও প্রধান জীবন সিংহ। সম্প্রতি তার হুমকি বার্তা পরপর আসছে। উদ্বিগ্ন পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

Royal Bhutan

পরিস্থিতি মোটেও ভালো নয়। আফগানিস্তানের ক্ষমতায় দ্বিতীয়বারের জন্য জঙ্গি তালিবান সরকার এসেছে। বিশ্বজোড়া উদ্বেগ। গোয়েন্দা এজেন্সিগুলির আশঙ্কা, তালিবান সরকারের শরিক হাক্কানি নেটওয়ার্ক গোষ্ঠী দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের নাশকতার জাল ছড়াবে। নেপাল থেকেই তাদের এজেন্টরা ফের উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্ব ভারতে
সক্রিয় হচ্ছে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন। আফগানিস্তানের টালমাটাল পরিস্থিতির মাঝে ভুটান সরকার তাদের সেনাবাহিনিতে নজিরবিহীনভাবে নারী সেনার অন্তর্ভুক্তি ঘটাল।

আফগানিস্তানে হাক্কানি নেটওয়ার্কের শক্তিশালী চক্র নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গে ফের সক্রিয় হতে মরিয়া হচ্ছে। নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী উত্তরবঙ্গের তিনটি জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের সঙ্গেই ভারতের খোলা সীমান্ত। আশঙ্কা করা হচ্ছে এই সুযোগ নিয়ে হাক্কানি নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠিগুলোর সঙ্গে সংযোগ মজবুত করবে ফের।

ভুটানের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। ১৯৪৯ সালের মৈত্রী চুক্তি অনুসারে ভুটানের অভ্যন্তরে ভারতীয় সেনা অবস্থান করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সীমান্তে মোতায়েন থাকে রয়াল ভুটান আর্মি। চিনের সঙ্গে ভুটানের সীমান্তে একসঙ্গে মোতায়েন থাকে ভারতীয় ও ভুটানি সেনা।

পাকিস্তানের পর এবার চিন, তালিবানদের ভূয়সী প্রশংসায় ভরাল বেজিং

নিউজ ডেস্ক: গোটা আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে। শুধু রাজত্বই নয়, আফগানিস্তান জুড়ে রীতিমতো রাজ করছে বন্দুকধারীরা। রোজই নৃশংসতার নতুন নতুন নজির সৃষ্টি করছে তারা। যা নিয়ে প্রতিবাদে নেমেছে প্রায় গোটা বিশ্ব। যদিও তাতেও ব্যতিক্রম দুটি দেশ। পাকিস্তান এবং চিন। ইসলামাবাদের তরফ থেকে আগেই সমর্থন করা হয়েছিল তালিবানদের।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

পাকিস্তানের পর এবার তালিবানদের ভূয়সী প্রশংসা করল চিন। বেজিংয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘তালিবান আর আগের মতো নেই। কট্টরপন্থা কমার পাশাপাশি কূটনৈতিক বুদ্ধি বেড়েছে তালিবান যোদ্ধাদের। যুক্তি দিয়ে বিচার করার প্রবণতাও বেড়েছে’। পাকিস্তান এবং চিন, দুই দেশেরই এই কাজ ভারতকে ব্যাকফুটে ফেলার জন্য বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু সমর্থনই নয়, দুই দেশের সঙ্গেই আফগানিস্তানের তালিবান গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন বাংলা বলায় পাকিস্তানি তকমা, বাজার করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার বৃদ্ধা সহ মহিলারা

আফগানিস্তানে ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছিল তালিবানরা। সেখান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্টের সেনা প্রত্যাহার এবং গত কয়েক বছরে তালিবানের উত্থান প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মন্তব্য, ‘কোনও কিছুই তো চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট নয়। সবসময় শুধুমাত্র অতীত নিয়ে ভাবলে তো চলবে না। বর্তমানে কী ঘটছে সেটাও দেখতে হবে।’

আরও পড়ুন Jinping Plan: পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে নতুন টানেল খুঁড়ছে চিন

বেজিংয়ের আরও সংযোজন, ‘আফগানরা কী চাইছে সেটা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে গতবার ক্ষমতায় থাকাকালীন তালিবান যা ছিল। আজ নেই। নারীদের উন্নয়ন এবং অধিকার পাইয়ে দেওয়ার বিষয়টিও প্রশংসনীয়। রাশিয়ার কয়েকজন রাজনীতিক এবং আন্তর্জাতিক কিছু সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে কাবুলে তালিবানের প্রবেশ সম্পর্কে প্রশংসা করা হয়েছে। সত্যিই তালিবানরা যুক্তিসঙ্গত আচরণ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে প্রগতিশীল ইসলামিক সরকার তৈরি করা হবে আফগানিস্তানে।’

তালিবান সরকারের অংশীদার হাক্কানি নেটওয়ার্ক সক্রিয় নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গে

ISI backed afghan mikitant group Haqqani network

বিশেষ প্রতিবদেন: আফগানিস্তানে দ্বিতীয় তালিবান সরকারের অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব পেতে চলেছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক জঙ্গি সংগঠন। এই সংগঠন পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই মদতপুষ্ট। কাবুলে তালিবান প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাক্তন আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের বৈঠকে হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান আনাস হাক্কানির ছবি দেখা গিয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, যেহেতু হাক্কানি নেটওয়ার্ক দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংযোগ রাখে ফলে তাদের ততপরতা বাড়বে উত্তরবঙ্গে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে নেপালে থাকা হাক্কানি এজেন্টরা ফের সক্রিয়। তারা পশ্চিমবঙ্গের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকে উস্কানি দিতে তৈরি। একইভাবে উত্তর পূর্ব ভারতের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সঙ্গে হাক্কানি নেটওয়ার্কের যোগাযোগ আছে।
নেপালের সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলা। দার্জিলিং সংলগ্ন কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার জেলার স্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সাম্প্রতিক ততপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেই গোয়েন্দা বিভাগের অনুমান।

তাৎপর্যপূর্ন দুটি ঘটনা,
প্রথমত, ফের সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন (KLO) সংগঠনকে। আত্মগোপনে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা জীবন সিংহ সরাসরি ভিডিও বার্তায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে হুমকি দিয়েছে। কেএলও এমন সময়ে হুমকি দেয় যখম তালিবান ও আফগান সরকারের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল।

দ্বিতীয়ত, অনেকটা কাকতালীয় হলেও গত রবিবার যখন কাবুল দখল করছিল তালিবান জঙ্গিরা, ঠিক সেই সময় মেঘালয়ের রাজধানী শিলং ছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী এইচএনএলসি (HNLC) সংগঠনের হামলায় বিপর্যস্ত। নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ ছিল অসহায়। তবে সংগঠনটির অভিযোগ তাদের নেতা অসুস্থ চেস্টারফিল্ডকে ঠান্ডা মাথায় এনকউন্টার করা হয়েছে। তারই প্রতিবাদ হয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা দুটি ঘটনাকে তলিয়ে দেখছেন। তাঁদের অনেকের আশঙ্কা, উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠিগুলির সঙ্গে হাক্কানি নেটওয়ার্কের একটা সংযোগ আগে থেকেই রয়েছে। আফগানিস্তানের ক্ষমতা তাদের হাতে চলে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই সংগঠন ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলিকে উস্কানি দেবে।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের সবকটি রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি গত কয়েকমাসে বিশেষ সক্রিয়। দীর্ঘ দেড় দশক বাদে ত্রিপুরার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (NLFT) গুলি চালিয়েছে। তাদের গুলিতে দুই বিএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়। গত কয়েকমাস ধরেই উত্তরপূর্বের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠির ততপরতা বেশি। ত্রিপুরা ও মিজোরা সীমানায় বিরাট আগ্নেয়াস্ত্র চালান ধরা পড়ে। বাংলাদেশের অতি নিকটে এই চোরাচালান চলছিল। হাক্কানি নেট ওয়ার্ক বাংলাদেশে সক্রিয়।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যেহেতু উত্তর পূর্বের প্রথম সারির বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতৃত্ব চিন ও মায়ানমারে থাকে, ফলে হাক্কানির পক্ষে তাদের সঙ্গে ‘কনটাক্ট’ করা সহজ। নেপাল সরকারের কাছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক বিষয়ে সতর্কবার্তা রয়েছে। কিন্তু নেপালেও রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতি। এই সুযোগ নেবে আফগানিস্তান সরকারের শরিক হাক্কানি নেটওয়ার্ক জঙ্গি গোষ্ঠী।

সম্প্রতি সরকার বদল হয়েছে নেপালে। নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির নির্বাচিত সাংসদদের বড় অংশ সমর্থন হারান ওলি। আস্থাভোটে পরাজিত হন। সরকারে এসেছে নেপালি কংগ্রেস। তবে এই সরকার নড়বড়ে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন কে পি ওলির সঙ্গে চিনের অতিরিক্ত সখ্যতা নিয়ে কাঠমাণ্ডু ও নয়াদিল্লির মধ্যে সম্পর্ক বারে বারে গরম হয়। একইভাবে নেপালের অভ্যন্তরে চিনা কূটনীতিকর বড়সড় প্রভাব পড়ে। চিন এখন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের প্রতি নরম।

নেপালে বরাবর সক্রিয় পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। তাদের মদত পায় হাক্কানি নেটওয়ার্ক। নেপাল থেকে তারা নাশকতার পরিকল্পনা করবে বলেই আশঙ্কা। আফগানিস্তানে প্রথম তালিবান সরকারের (১৯৯৬-২০০১) আমলে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের IC814 বিমান অপহরণ কাঠমাণ্ডু থেকেই হয়েছিল। কান্দাহারে সেই বিমান নামায় পাক জঙ্গিরা। মাসুদ আজাহারের মুক্তির বিনিময়ে যাত্রীদের ছাড়ায় ভারত সরকার।

তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট সৌরভের, কাকে ছেড়ে যাওয়ার কথা বলছেন

sourav

বেশ কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেতা সৌরভ দাস। তাঁর বোনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে তোলপাড় হয়েছিলো নেটদুনিয়া। সেই সময় একটি ভিডিও সামনে আসে। সৌরভকে নিজের বোনের সঙ্গে খারাপ আচরণ করার জন্য দায়ী করা হয়। একাধিক নেটাগরিকদের কাছ থেকে ট্রোলের শিকার হতে হয় অভিনেতাকে। এমনকি তাঁর মা-বাবাকে নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়। এরপরই সৌরভ সিদ্ধান্ত নেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নেবেন। তবে বেশি দিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেননি সৌরভ। বর্তমানে আবারও স্বমহিমায় ফিরেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সম্প্রতি অভিনেতাকে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করতে দেখা যায়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জানলায় বসে রয়েছেন তিনি। জানলা দিয়ে সমুদ্র দেখা যাচ্ছে। মুম্বইয়ের জুহুর একটি হোটেল থেকে এই ছবি তোলা হয়েছে। ছবিটি পোস্ট করে তিনি জানান, তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি আবার ফিরব বলে। প্রথমে অনেকেই বোঝার চেষ্টা করছিলেন কার সম্বন্ধে সৌরভ এই কথা বলছেন! পরে এই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।

গত কয়েকদিন ধরেই মুম্বইতে ছিলেন সৌরভ। বিটাউনের শহর থেকে একাধিক ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে দেখা যায় সৌরভকে। তাঁর পোস্টে পরিষ্কার হয়ে যায় কোনও প্রজেক্টের শুটিং করতেই মুম্বই পাড়ি দিয়েছেন অভিনেতা। মিরর সেলফি দিয়ে তিনি ক্যাপশন দিয়েছিলেন স্বপ্নের শহরে প্রথম দিনের শুটিং। স্বভাবতই সম্প্রতি তাঁর পোস্টের লেখাতে বোঝা যাচ্ছে, আসলে মুম্বই শহর ছেড়ে আসার কথা বলেছেন সৌরভ। ইতিমধ্যেই টলিউডে নিজের অভিনয় দিয়ে সকলের মনেই জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। সৌরভের এই পোস্টের পর তাঁর অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কবে বলিউডের রুপোলী পর্দায় সৌরভের দেখা পাওয়া যাবে।

রাহুলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ধারাবাহিকের সারদা মা, অকপট সন্দীপ্তা

tollywood

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনে অন্যতম জনপ্রিয় মুখ সন্দীপ্তা সেন। সম্প্রতি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘রানী রাসমণি’-তে সারদার চরিত্রে কামব্যাক করেছেন অভিনেত্রী। ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন সন্দীপ্তা। এরপর বেশ কিছু ওয়েবসিরিজে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যায়। সম্প্রতি পরিচালক অঞ্জন দত্তের ওয়েবসিরিজ ‘মার্ডার ইন দ্যা হিলস’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গেছে তাঁকে।

সব মিলিয়ে নিজের পেশাদার জীবনে বেশ ব্যস্ত সন্দীপ্তা। তবে এরই মাঝে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বিশেষ বন্ধুত্ব নিয়ে মুখ খুললেন সন্দীপ্তা। বেশ কিছুদিন ধরেই টলি-পাড়ায় গুঞ্জন ছিল রাহুল এবং সন্দীপ্তার মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। পুরুলিয়া হোক কিংবা বেনারস একসঙ্গে ছুটি কাটাতে দেখা গেছে সন্দীপ্তা এবং রাহুলকে। সেই সময় থেকেই নেটাগরিকদের মনে প্রশ্ন জাগে তবে কী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কের অবনতির কারণ সন্দীপ্তা? এই নিয়ে একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিনেত্রী। তবে কোনও সময়ই এই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলতে চাননি অভিনেত্রী। তবে এবারে রাহুলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে অকপটে সবকিছু জানানলেন সন্দীপ্তা।

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সন্দীপ্তা জানান, কোনও দিনই রাহুলের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। তাঁরা দু’জনে ভালো বন্ধ। বর্তমানে অনস্ক্রিন রাজা-মাম্পির প্রেম জমজমাট, ব্যক্তিগত জীবনেও নাকি এই প্রেম প্রভাব ফেলেছে। সন্দীপ্তা জানান, ‘তুমি আসবে বলে’ ধারাবাহিকের সময়ও তাঁকে এবং রাহুলকে নিয়ে অনেক লেখালিখি হয়। এইসব নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ সন্দীপ্তা। অভিনেত্রী আরও জানান, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে তাঁর খুব ভালো বন্ধুত্ব নেই, তবে কিছুদিন আগে একটি গানের ভিডিও শুটে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা হলে হাসি মুখে কথা না বলার মতো কোনও কারণ খুঁজে পাননি সন্দীপ্তা।

শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

অনুভব খাসনবীশ: গোটা আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে। দেশে তালিবানিরাজ কায়েম করেছে। তা সত্ত্বেও এখনও এমন অনেক এলাকা আছে, যেখানে মানুষ এই ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পতাকা তুলছে। তার মধ্যে অন্যতম হল নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রাক্তন কমান্ডার আহমেদ শাহ মাসুদের শক্ত ঘাঁটি পঞ্জশির উপত্যকা। পঞ্জশিরের পর তালিবানের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত জালালাবাদেও শোনা গিয়েছে প্রতিরোধের সুর। সেই প্রতিরোধের মুখ হয়ে উঠেছেন মহিলারা। শুধু মহিলারাই নন, জালালাবাদে বুধবার সকালেই আফগানিস্তানের জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামে সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুন মধ্যমেধা নাকি গবেষণার অভাব? ওয়েব সিরিজে জেলা পুলিশ কমিশনার পদ সৃষ্টি করলেন অঞ্জন দত্ত

এছাড়াও গত কয়েকদিন ধরেই দেখা গিয়েছে বীরত্বের টুকরো টুকরো ছবিও। তালিবানি ফতোয়া উপেক্ষা করে মহিলা অ্যাঙ্করকে দিয়ে প্রাইম-টাইম শো শুরু করেছে আফগানি নিউজ চ্যানেল। রাজপথে দাড়িয়ে তালিবানি বন্দুকধারীদের প্রশ্ন করেছে মহিলা সাংবাদিকরা। যেখানে গত কয়েকদিন ধরেই মহিলাদের অন্ধকূপে ঠেলে দেওয়ার মতো একাধিক ফতোয়া জারি করেছে তালিবানি সরকার, সেখানে এই কয়েক টুকরো ছবিই হয়ে উঠেছে ‘বেয়নেটের ডগায় ফুলের’ মতো তাৎপর্যপূর্ণ।

শামসিয়া হাসানি, আফগানিস্তানের প্রথম মহিলা গ্রাফিতি শিল্পী।

এবার সেই দলেই যুক্ত হলেন শামসিয়া হাসানি। ২১ বছরের এই তরুণী কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ছাত্রী। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে, তিনি আফগানিস্তানের প্রথম মহিলা গ্রাফিতি শিল্পী। অবশ্য ‘যুক্ত হলেন’ কথাটা এক্ষেত্রে কতটা খাটবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ বহুদিন ধরেই নিজের গ্রাফিতিতে, ডিজাইনে, ছবিতে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এই তরুণী। তাঁর সৃষ্টিতে ফুঁটে উঠছে আফগানিস্তানের মহিলা সুরক্ষা, তাদের জীবন, তালিবানিরাজ প্রভৃতি বিষয়। তালিবানিরাজ কায়েম হওয়ার পর থেকেই আফগানভূমে বিপন্ন হয়ে পড়েছিল শিল্প-সংস্কৃতি। সেখানে ‘প্রথম মহিলা গ্রাফিতি শিল্পী হয়ে যিনি এই বেড়াজাল ভেঙেছেন, তিনি তালিবানি ফতোয়ার পরোয়া করবেনই বা কেন?

পিয়ানো হাতে দাঁড়িয়ে এক আফগান কিশোরী, পেছনে সশস্ত্র তালিবানদের দল।
বন্দুক হাতে উদ্যত তালিবানের সামনে ফুল হাতে দাঁড়িয়ে এক কিশোরী।
আফগান কিশোরীর হাতের ফুলের টব ফেলে দিয়েছে বন্দুকধারী তালিবান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা শামসিয়ার প্রতিটি ছবি দেখলেই বোঝা যায় তাঁর অর্থ। আপাতদৃষ্টিতে প্রায় প্রত্যেকেরই সেই অর্থ বোধগম্য হলেও তার গভীরতা অতল। তাঁর ছবির কোনওটিতে এক আফগান কিশোরীর হাতের ফুলের টব ফেলে দিয়েছে বন্দুকধারী তালিবান, কোনওটিতে পিয়ানো আঁকড়ে ধরে থাকা কিশোরীকে ঘিরে ধরেছে হিংস্র তালিবানদের দল। প্রত্যেকটি ছবিই যেন বলছেন বন্দুকের সামনে, হিংস্রতার সামনে হেরে যাচ্ছে শিল্প, সংস্কৃতি, স্বাধীনতা। পরক্ষনেই তিনি আঁকছেন হাতে ফুল নিয়ে কামানদাগা গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক তরুণী। যেন তালিবানি বন্দুকবাজদের চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করছেন নির্ভীক তরুণীরা।

আরও পড়ুন পঞ্জশিরের পর জালালাবাদ, বাড়ছে তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সুর

২০১২ সালের ৯ অক্টোবর। দুই বন্ধুর সঙ্গে পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে মাথায় গুলি করা হয়েছিল মালাল ইউসুফজাইকে। মালালা ছিলেন দেশের মহিলাদের সুরক্ষা, শিক্ষা নিয়ে সোচ্চারে কথা বলা একজন। সেকারণেই বছর পনেরোর মালালাকে সরানোর চেষ্টা চালিয়েছিল তেহরিক-ই-তালিবানের পাকিস্তানি শাখা। বেঁচে ফেরার পর মালালা হয়ে ওঠেন ইয়ুথ আইকন, পান ‘নোবেল পিস প্রাইজ’ও। প্রত্যেকটি ইভেন্টে তাঁর বক্তব্যে শোনা যায় ধর্মান্ধতা, কুসংস্কারতা, হিংস্রতার (পড়ুন ‘তালিবান’দের) কবলে পড়লে মহিলাদের কি অবস্থা হয়। শামসিয়ার ছবি যেন মালালার বক্তব্যগুলিরই শৈল্পিকরুপ।

হাতে ফুল নিয়ে কামানদাগা গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক তরুণী।
যুদ্ধ-বিমানের সামনে কাগজের প্লেন ওড়াচ্ছে এক আফগান কিশোরী।

শামসিয়া অন্যান্য কিছু সিরিজের ছবিগুলি ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা মিলবে আরেকটি জিনিসের। হিংস্রতা, ধর্মান্ধতা, যন্ত্রনার বিপরীতে যা অনেক বেশি শক্তিশালী, ‘আশা’। শামসিরার ছবিতে দেখা মিলবে যুদ্ধ বিমানের সামনেও কাগজের প্লেন (স্বাধীনতা, আনন্দ, আবেগের প্রতীক) ওড়াচ্ছে এক কিশোরী। মালালার মতো তিনিই দিনের শেষে দেখেন স্বাধীন, সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তানের ছবি। যেই ছবি তালিবানদের কবলে না পড়ে, আফগানিস্তানের বাসিন্দা না হয়ে, রবি ঠাকুরের কাবুলিওয়ালার গল্পে-ছবিতে সে দেশকে চিনে আপনি, আমি প্রত্যেকে দেখছি, দেখার চেষ্টা করছি।

অবিরাম বৃষ্টিতে ধ্বস জাতীয় সড়কে, সড়কপথে বিচ্ছিন্ন বাংলা-সিকিম

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে লাগাতার বৃষ্টির জেরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে নামল ধ্বস। ধ্বসের ফলে সড়কপথে বাংলা-সিকিম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ধস মেরামতির কাজ। যদিও আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে।

আরও পড়ুন বাংলা বলায় পাকিস্তানি তকমা, বাজার করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার বৃদ্ধা সহ মহিলারা

একটানা বৃষ্টির ফলে পাহাড়ে ধস যেন লেগেই রয়েছে। দিনকয়েক আগে ২৯ মাইলের কাছে দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধ্বস নামে। ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় দার্জিলিং ও সিকিম যোগাযোগ। তার আগে সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ চলাকালীন মামখোলায় আচমকাই নামে ধস। ৫ জন শ্রমিক নিখোঁজ হয়ে যান। মৃত্যুও হয় এক শ্রমিকের। এবার সেবকের বাগপুলের কাছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধ্বস নামে।

Landslides affect traffic movement in Sikkim, Bengal - The Statesman

আরও পড়ুন  বাংলা দৈনিকের জেলা সাংবাদিক টাকা চেয়েছিলেন, দিইনি তাই তিনি রেগে আছেন: বিস্ফোরক অনির্বাণ

বেশ কিছুদিন ধরেই প্রবল বৃষ্টিতে ধ্বস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছিল উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায়। বাড়ছিল নদীগুলির জলস্তরও। কয়েকদিন ধরেই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জন্য বৃষ্টি হচ্ছে রাজ্যে। যার জেরে বেশ কিছু নদী প্লাবিত। সেকারণেই ধ্বস নেমেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন এবারে শীতে বড় পর্দায় আসতে চলেছে দেব-রুক্মিণীর ‘কিশমিশ’, প্রকাশ্যে ছবির অ্যানিমেটেড টিজার

<

p style=”text-align: justify;”>এছাড়াও আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃষ্টি চলাকালীন কিছুটা তাপমাত্রা নামবে ঠিকই। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। কলকাতার মতো সপ্তাহের শেষ তিনদিন বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদিয়াও। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে জেলাগুলিতে ।

প্রয়াত মার্কিন সাংবাদিক জো গ্যালওয়ে

নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত জো গ্যালওয়ে। বর্ষীয়ান এই মার্কিন সাংবাদিক পরিচিত ছিলেন যুদ্ধের খবর সংগ্রহ করার জন্য। ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের যুদ্ধ প্রতিবেদক এবং ব্যুরো চিফ হিসেবে ২২ বছর কাটিয়েছেন তিনি। এরপর যোগ দেন ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট ম্যাগাজি্নে।

আরও পড়ুন পঞ্জশিরের পর জালালাবাদ, বাড়ছে তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সুর

নাইট রিডার সংবাদপত্রের জন্য একটি সিরিজে কাজ করেন, যার মধ্যে ছিল ১৯৯১ সালের পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ কভার করা। যদিও তার কর্মজীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ ফ্রন্ট লাইন সাংবাদিক হিসেবে ভিয়েতনামের যুদ্ধ কভার করা।

আরও পড়ুন জেনে নিন: বিশ্বের কোথায় একটি বালতির জন্য যুদ্ধ হয়েছিল

ভিয়েতনামের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর লেখা বইও রয়েছে। পরে যার ওপর ভিত্তি করে হলিউডে সিনেমাও তৈরি হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের জন্য তিনিই একমাত্র অসামরিক নাগরিক যিনি মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক বীরত্বের পদক পেয়েছেন। গ্যালওয়ে কেন বার্নস এবং লিন নোভিক পরিচালিত পিবিএস ডকুমেন্টারি “দ্য ভিয়েতনাম ওয়ার” এর পরামর্শদাতা হিসাবেও কাজ করেছিলেন।

Remembering The Battle Of Ia Drang | Here &amp; Now

 

আরও পড়ুন দেশ ছেড়ে ‘পলাতক’ আফগান প্রেসিডেন্ট ঘানির প্রথম লাইভ শো

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভিয়েতনামের মধ্যে লা দ্রাংয়ের যুদ্ধের সময় আগুনের আঘাতে আহত সৈন্যদের উদ্ধারের জন্য গ্যালওয়েকে ১৯৯৮ সালে ব্রোঞ্জ স্টার মেডেল দিয়েও সম্মান জানানো হয়। তাঁর এই বর্ণময় অভিজ্ঞতাই লিখেছিলেন গ্যালওয়ে, “উই আর সোলজারস ওয়ানস … অ্যান্ড ইয়ং।”

আরও পড়ুন এবারে শীতে বড় পর্দায় আসতে চলেছে দেব-রুক্মিণীর ‘কিশমিশ’, প্রকাশ্যে ছবির অ্যানিমেটেড টিজার

বইটি পরে বেস্টসেলার হয়ে ওঠে, তাছাড়াও ২০০২ সালের সিনেমা “উই উইর সোলজার্স” নির্মিত হয়েছিল তাঁর লেখার ওপর ভিত্তি করেই। গ্যালওয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন হলিউড অভিনেতা ব্যারি পেপার। তাঁর পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, অসুস্থ হওয়ায় নর্থ ক্যারোলিনার একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সেখানেই বুধবার মারা যান এই বিখ্যাত সাংবাদিক।

বর্ষাকালে মহিলারাই নয়, পুরুষদেরও ত্বকের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ

‘ত্বকের যত্ন নিন’, বাংলা ব্যান্ড চন্দ্রবিন্দুর জনপ্রিয় গানের একটি জনপ্রিয় লাইন। বাস্তবে এই লাইনটি নিয়ে মহিলারা যতটা সচেতন, পুরুষরা তার অর্ধেকও নয়। অন্যদিকে বৃষ্টির দিনগুলিতে রূপচর্চা করতে হবে না, রোদের তেজ নেই, দূষণের মাত্রাও কম, এমনটা ভেবে অনেকেই রূপচর্চাকে বিদায় জানান অনেক মহিলারাই।

তবে জানেন কী, অন্যান্য ঋতুর মতোই বর্ষাকালে একটু বেশিই রূপচর্চা করা দরকার। একটানা বৃষ্টির জন্যে আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বক আর চুলের ক্ষতি হয় খুব বেশি। এর ফলে ত্বক তেলতেলে দেখায়। ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের রূপচর্চার দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়।

man Scrub

মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে বর্ষাকালে সৌন্দর্যের জন্য দরকার নিয়মিত এবং সঠিক যত্ন। নাহলে দেখা দেবে একাধিক সমস্যা। কারণ পুরুষদের ত্বকের গঠন মহিলাদের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবগত থাকলেই পুরুষরা পেতে পারে হ্যান্ডসাম হাঙ্কের তকমা। এর জন্যে নিয়মিত ক্লিনজিং, স্ক্রাবিং, ময়শ্চারাইজিং দরকার। দেখে নিন কীভাবে নিজের যত্ন নেবেন-

আরও পড়ুন মহিলাদের চেয়ে পুরুষদের ফেস স্ক্রাবিং বেশি প্রয়োজনীয়, কেন জানেন?

১) ময়লা আর তেল থেকে বাঁচতে দিনে অন্তত দু’বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। বারবার মুখ ধুলেও ভালো। তাতে ডেড স্কিন সেলসগুলি পরিস্কার হয়ে যায়। এছাড়াও স্ক্রাবিং খুবই প্রয়োজনীয়। নিয়মিত স্ক্রাবিংয়ের উপকারীতাও অনেক। এর কারণে ত্বকের সমস্ত ময়লা, ডেড সেলস দূর হয়। এটি যেমন মেয়েদের জন্য উপকারী, তেমনই ছেলেদের জন্যেও উপকারী। এতে ত্বকের কোষগুলি পরিস্কার থাকে। তবে স্ক্রাবিং করার আগে জেনে নেওয়া উচিত ছেলেদের ত্বকে কতটা উপকারী এটি।

২) মুখ ধোয়ার পরেই সঙ্গে সঙ্গে ময়েশ্চারাইজার লাগান। ময়েশ্চারাইজার ত্বককে শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করে।

৩) বৃষ্টির দিন বলে সানস্ক্রিনকে স্কিপ করবেন না ভুলেও। চড়া রোদ না থাকলেও UV ray-এর হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে সানস্ক্রিন।

৪) আপনার ত্বক তৈলাক্ত হলে মুখ ধোয়ার পরে অতি অবশ্যই একটি টোনার ব্যবহার করুন। যা ময়লা এবং সিবামের সূক্ষ্ম অংশগুলি সরিয়ে ফেলতে পারবে। নিয়মিত টোনার ব্যবহার করলে চোখের নিচে ডার্ক সার্কেলস দেখা যাবে না।

পঞ্জশিরের পর জালালাবাদ, বাড়ছে তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সুর

নিউজ ডেস্ক: কাবুলসহ আফগানিস্তানের অধিকাংশ এলাকা তালিবানদের দখলে৷ দেশে তালিবানিরাজ কায়েম করেছে৷ তাসত্বেও এখনও এমন অনেক এলাকা আছে, যেখানে মানুষ এই ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পতাকা তুলছে। তার মধ্যে অন্যতম হল নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রাক্তন কমান্ডার আহমেদ শাহ মাসুদের শক্ত ঘাঁটি পঞ্জশির উপত্যকা।

আরও পড়ুন পঞ্জশির: আফগান এই উপত্যকা এখনও তালিবানরা দখল করতে পারেনি

এবার তালিবানের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত জালালাবাদেও শোনা গেল প্রতিরোধের সুর। আর সেই প্রতিরোধের মুখ হয়ে উঠলেন মহিলারা। একসময় নিজেদের হাতে থাকা জালালাবাদে বুধবার সকালেই প্রতিরোধের মুখে পড়ে তালিবান। আফগানিস্তানের জাতীয় পতাকা হাতে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামে সাধারণ মানুষ।

At least 3 killed in protest against Taliban in Jalalabad

জুলাই মাসের শুরুতে যখন তালিবান আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে আক্রমণ শুরু করে, তখন তারা প্রতিরোধ ছাড়াই অনেক জায়গা জিতে নেয়। বলা হচ্ছে, আফগান ন্যাশনাল আর্মির সৈন্যদের মধ্যে খবর ছড়িয়েছিল যে, শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা তালিবানদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। যোগাযোগের অভাব এবং অস্ত্রের অভাবও সৈন্যদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিল। এই কারণে আফগান সেনাবাহিনীর জওয়ানরা অনেক এলাকায় একটিও গুলি খরচ না করে তালিবানদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। কিন্তু পঞ্জশিরের পর জালালাবাদেও প্রতিরোধের মুখে পড়ল তালিবানরা। যদিও সেনাবাহিনী নয়, প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন সাধারণ মানুষরাই।

তালিবান বিরোধী এই গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন সদ্য-প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আশরফ গনির ‘ডেপুটি’ আমরুল্লা সালেহ। তিনি বুধবারই ঘোষণা করেছেন, যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। তিনি টুইট করে বলেন, আমি কোনও অবস্থাতেই তালিবান জঙ্গিদের কাছে মাথা নত করব না। আমি কখনই আমাদের নায়ক কমান্ডার, কিংবদন্তি এবং গাইডের আহমেদ শাহ মাসুদের চেতনা এবং উত্তরাধিকারকে বিশ্বাসঘাতকতা করব না। আমার কথা শোনার লক্ষ লক্ষ মানুষকে আমি হতাশ করব না। আমি কখনই তালিবানদের সঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকব না। কখনও না।

উত্তর-মধ্য আফগানিস্তানের এই এলাকা দিয়েই কাবুল থেকে মাজার-শরিফের পথ গিয়েছে। বিরোধী জোটের এই প্রত্যাঘাতের ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলে তালিবানের অবস্থান কিছুটা নড়বড়ে হয়ে গেল বলেই কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন। বিশেষ করে জালালাবাদকে এতদিন তালিবানদের শক্ত ঘাঁটি বলে দাবি করা হচ্ছিল। ক্ষমতা দখলের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সেখানে বিক্ষোভের মুখে তালিবানরা।

ক্রমশ বাড়ছে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, জানিয়ে দিল দিল্লি হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক: কয়েক বছর আগেই এই রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েচ জানিয়েছিল, যৌন নিগ্রহ এবং ধর্ষণের মিথ্যা মামলা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। শুধু তাই নয়, সহবাসের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলাও আইনগতভাবে কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। এবার যৌন নিগ্রহ এবং ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তা দমনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একটি অভিযোগের ভিত্তিতে জানিয়ে দিল দিল্লি হাই কোর্ট।

আরও পড়ুন জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দ্রুত এগোচ্ছেন মমতা

দিল্লির আমন বিহার থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। সেই ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহার করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন অভিযোগকারী। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ বলেন, “অসৎ উদ্দেশে এই ধরনের মামলা দায়ের হয়। তারা ভাবে, অভিযুক্ত ভয়ে তাদের দাবি মেনে নেবে। অন্যায়কারীদের তাদের কাজের জন্য কড়া সাজা না দিলে , এই ধরনের ফালতু মামলা বন্ধ করা কঠিন হবে।” মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন সংবর্ধনা মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভারতের সোনার ছেলে

মামলা খারিজ করা নিয়ে বিচারপতি প্রসাদের মন্তব্য, “ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ কোনও ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে। তাঁর সম্মান নষ্ট হয়। সেরকমভাবেই একজন মহিলাকেও মানসিকভাবে বিধস্ত করে দেয় ধর্ষণের ঘটনা। তার পরেও ধর্ষণের মতো অভিযোগকে মানুষ লঘু চোখে দেখে।”

আরও পড়ুন এবারে শীতে বড় পর্দায় আসতে চলেছে দেব-রুক্মিণীর ‘কিশমিশ’, প্রকাশ্যে ছবির অ্যানিমেটেড টিজার

আদালতের পর্যবেক্ষণ, ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ কোনও ব্যক্তির জীবন ও জীবিকা ধ্বংস করে দিতে পারে। তাঁর সম্মান নষ্ট হয়। সারা জীবন নিজের পরিবারের মুখোমুখি হতে পারেন না। যন্ত্রণা বয়ে বেড়াতে হয়। শুধু ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানোর জন্য এই ধরনের গুরুতর অভিযোগ আনা উচিত নয়। ভবিষ্যতে এই ধরণের মিথ্যা অভিযোগ পেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে হাইকোর্ট।

লেনিনের সমর্থনে আফগানিস্তানেই হয় ভারতের প্রথম ‘বিপ্লবী সরকার’

indian provincial government was founded in kabul

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: সে ছিল এক মারকাটারি ব্যাপার। ব্রিটিশ ভীত। আফগানিস্তানের আমীর উল্লসিত। সোভিয়েত দিচ্ছে সমর্থন। সবমিলে ১৯১৫ সালে ভারতীয় বিপ্লবীরা আফগানিস্তানের রাজধানীতে যে প্রবাসী সরকার গঠন করেছিলেন তার সম্পর্কে বিস্তর লিখেছেন কমিউনিস্ট বিপ্লবী ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত। ‘My Life Story’ আত্মজীবনীমূলক বইতে লিখেছেন সেই সরকারের প্রধান রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ।

আফগানিস্তান এখন তালিবান শাসনাধীন। গণতান্ত্রিক নির্বাচিত সরকারকে উপড়ে ফেলে দেশটিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান। এই জঙ্গি সরকার কায়েম হওয়ার পিছনে কূটনৈতিক জলঘোলা প্রবল। একপ্রকার তালিবান হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে আফগানিস্তানের শাসন। নির্বাসিত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি।

তবে আফগানিস্তান নিয়ে কূটনৈতিক পাশা খেলা বহু পুরনো। এ দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এমনই যে বারবার বিভিন্ন দেশ, রাজতন্ত্র শক্তি আফগানিস্তানের ক্ষমতায় এসে এশিয়ার বুকে নিজেদের ভিত শক্ত করতে চেয়েছে। আধুনিক ইতিহাসের তিন শক্তি ব্রিটিশ, সোভিয়েত ও আমেরিকা এসেছে-গেছে। আফগানিস্তানের গৃহবিবাদের মঞ্চ ঘিরে জন্ম নিয়েছে কূটনৈতিক খেলা।

ব্রিটিশ শাসনে থাকা ভারতের বিপ্লবীরা সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট সরকারের মদতে বারবার সশস্ত্র পথ নিয়েছিলেন। এতে জড়িয়েছিল দারুল উলুম দেওবন্দের ধর্মীয় শিক্ষার্থীরা। আফগানিস্তানের মাটিতে ব্রিটিশ বিরোধী গোষ্ঠী প্রত্যক্ষ মদত পায়। তৈরি হয় ভারতের বাইরে বিপ্লবীদের নেতৃত্বে প্রথম প্রবাসী ভারত সরকার।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাঝেই ভারত থেকে আফগানিস্তান হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে চলে যাওয়া বিপ্লবীদের নেতৃত্বে তৈরি প্রবাসী ভারত সরকার বেশিদিন চলে। তবে এই সরকার ব্রিটিশ শক্তির কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

১৯১৫ সালের ১ ডিসেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময় কাবুলে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী নেতাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় প্রবাসী সরকার। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য এই সরকার আফগানিস্তানের আমীর (শাসক), জার্মানির ভারতীয় বিপ্লবী কমিটি (জার্মান কমিটি), তুরস্ক ও প্রথম দিতে রাশিয়ার জার রাজ পরিবারের সমর্থন পায়। ১৯১৭ সালে জারতন্ত্র উচ্ছেদ করে সোভিয়েত তৈরি হলে, সেই সরকারের প্রধান লেনিন সরাসরি কাবুলের এই প্রবাসী ভারতীয় সরকারকে সমর্থন করেন। সোভিয়েত সমর্থন পায় বিপ্লবীদের সরকার।

এক নজরে প্রবাসী বিপ্লবীদের পরিচালিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ:
১. রাষ্ট্রপতি বিপ্লবী রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ
২. প্রধানমন্ত্রী মাওলানা বরকতউল্লাহ
৩. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উবায়দুল্লাহ সিন্ধি
৪. বিদেশমন্ত্রীর চম্পকরমন পিল্লাই
৫. যুদ্ধমন্ত্রী মৌলবি বশির

এই বিপ্লবী সরকার বা প্রবাসী ভারতীয় সরকারের কথা বিপ্লবী এম এন রায়ের লেখা, বিপ্লবী ভূপেন্দ্রনাথ দত্তের বিভিন্ন রচনায় এসেছে। তাঁরাও এই সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। প্রবাসী ভারতীয় সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিপ্লবী রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ আফগানিস্তান থেকে ব্রিটিশ শাসনে থাকা ভারতের দিকে সেনা অভিযানের পরিকল্পনা করেন।

কাবুল থেকে গুপ্তচরদের পাঠানো সংবাদে ভীত ছিল ব্রিটেন। ফলে তারা আফগানিস্তানের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে থাকে। ইতিমধ্যে আফগানিস্তানের আমীরের সঙ্গে তিনটি যুদ্ধ হয় ব্রিটিশদের। ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ নামে এটি পরিচিত। ১৯১৯ সালে তৃতীয় যুদ্ধের পর আফগানিস্তান স্বাধীন হয়। তবে আফগান আমীর হাবিবুল্লাহ খানের উপর চাপ তৈরি করা হয় যাতে প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবীদের সরকার চলতে না পারে।

আফগান আমীর হাবিবুল্লাহ ছিলেন ভারতীয় বিপ্লবীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তিনি চাপের মুখে সরাসরি কোনও সমর্থন না করলেও গোপনে প্রভূত সাহায্য করেন। তবে ১৯১৯ সালের পর কাবুলে ভারতীয় বিপ্লবীদের এই সরকার আর স্থায়ী হয়নি। যে সব বিপ্লবীরা, দেওবন্দের শিক্ষার্থিরা আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন তাঁরা সোভিয়েতমুখী হতে থাকেন। অনেকে দেশে ফিরে গোপনে ব্রিটিশ বিরোধী কাজ শুরু করেন। ধরা পড়েন।

কাবুলের সেই বিপ্লবী সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল সোভিয়েত কমিউনিস্ট সরকার। পরাধীন ভারতের স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও সংগঠিক শ্রমিক কৃষক বিদ্রোহের জন্য সোভিয়েত প্রধান লেনিন সরাসরি বার্তা পাঠান। কমিউনিস্ট রাষ্ট্রপ্রধানের ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এই বার্তায় দেশের অভ্যন্তরে বিপ্লবীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ফেলে দেয়। যার ফল ভারতের মাটিতে দুটি ব্রিটিশ বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। একটি কানপুর বলশেভিক ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২৪) ও দ্বিতীয়টি মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২৯)।

ভারত স্বাধীন হওয়ার পর কাবুলের প্রবাসী ভারতীয় সরকারের রাষ্ট্রপতি বিপ্লবী রাজা মহেন্দ্রপ্রতাপ কানপুর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। ১৯৫৭ সালের লোকসভা নির্বাতনে কমিউনিস্ট নেতা, নির্দল প্রার্থী মহেন্দ্রপ্রতাপের কাছেই মথুরা কেন্দ্রে পরাজিত হয়েছিলেন ভারতীয় জনসংঘ প্রার্থী অটলবিহারী বাজপেয়ী।

নাসিরের সঙ্গে বিয়েটা অনেকটা লটারি কাটার মতো ছিল, অকপট মন্তব্য অভিনেত্রী রত্না পাঠক শাহের

bollywood

দেখতে দেখতে প্রায় ৩৯ টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে ফেলেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ এবং রত্না পাঠক শাহ। বলিউডের গ্ল্যামার, জনপ্রিয়তা, ব্যস্ততা সব কিছু কাটিয়ে এতো বছর ধরে কাধে কাধ মিলিয়ে সংসার করছেন এই অভিনেতা দম্পত্তি। স্বভাবতই ভক্তদের মনে প্রশ্ন উঠছে কীভাবে হাসি মুখে এতগুলো বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন দু’জনে? অভিনেত্রী রত্না পাঠক নিজেই এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, নাসিরের সঙ্গে তাঁর মিয়ে হওয়াটা অনেকটা লটারি কাটার মতো ছিল। নাসিরের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়া থেকে শুরু করে বিয়ে, সেই সব রঙিন দিনের স্মৃতিচারণ করলেন রত্না। অভিনেত্রী জানান, ১৯৭৫ সালে নাসিরের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়। একসঙ্গে থিয়েটারে অভিনয় করতেন তাঁরা। তাঁদের অভিনীত প্রথম থিয়েটার ছিল ‘সম্ভোগ সে সন্ন্যাস তক’। একসঙ্গে মহড়া দিতে দিতেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দু’জনে। এরপর টানা ৭ বছর চুটিয়ে প্রেম করে অবশেষে ১৯৮২ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন নাসিরুদ্দিন শাহ এবং রত্না পাঠক শাহ।

অভিনেত্রী আরও জানান, নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হওয়াটা অনেকটা লটারি কাটার মতো। যা খুশি হতে পারত। বেশ ঝুঁকিও ছিল। তবে পরে রত্না দেখলেন তাঁদের দু’জনেরই ভাগ্য খুব ভালো ছিল। অভিনেত্রীর মতে নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে বেশ সাদামাটা ছিল। বিয়ের গোটা বিষয়টা জুড়ে ছিল হাসি, মজা, আনন্দ, খুনসুটি। নিজের বাড়ি ছেড়ে নাসিরের বাড়ি যাওয়ার সময় কান্নাকাটি ছিল না। হাসতে হাসতে বললেন রত্না। বর্তমানে তাঁদের দুটি ছেলে রয়েছে। তাঁদের বিয়ে দিতেই এখন ব্যস্ত এই অভিনেতা দম্পতি।

কেবল রাজনীতির স্বাধীনতাই কি প্রকৃত স্বাধীনতা, কোন ইঙ্গিত কোয়েলের পোস্টে

koel

দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করা হল সর্বত্র। এই বিশেষ দিনে টলি থেকে বলি প্রায় সব তারকারাই নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতা নিয়ে নানান ভাবনা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন অনেকেই। তাঁদের মধ্যে বাদ যাননি কোয়েল মল্লিকও। স্বাধীনতা দিবসের দিন ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন অভিনেত্রী।

ভিডিওতে কোয়েলকে স্বাধীনতা নিয়ে নিজের চিন্তা ভাবনার কথা দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি জানান, ধর্ম, জাতপাতের ভেদেভেদ না করা মানেই তাঁর কাছে স্বাধীনতা। ভয় না পেয়ে নিজের মতামত সকলের সামনে প্রকাশ করাই, তাঁর কাছে স্বাধীনতা। তাঁর মতে স্বাধীনতা কখনই উৎশৃঙ্খলতা হতে পারে না, স্বাধীনতা মানে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে চলা। মানুষের নির্ভীক হাসিতেই আমি স্বাধীনতা দেখতে পাই বলে জানান অভিনেত্রী। কোয়েল বরাবরই প্রকাশ্যে নিজের মতামত প্রকাশ করতে দ্বিধাবোধ করেন না।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Koel Mallick (@yourkoel)

কোয়েল আরও জানান, স্বাধীনতা শব্দটির ব্যাপ্তি অনেক। স্বাধীনতা মানে শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়, নারী পুরুষ নির্বিশেষে তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কাজ করতে পারা। কোনও অনুমতির অপেক্ষা না করে অসহায় মানুষকে দেখে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই কোয়েলের স্বাধীনতা। কোয়েলের এই ভিডিওতে বেশ আনন্দিত হয়েছেন তাঁর ভক্তরা। এর আগেও বহুবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন খুলে কথা বলতে দেখা গেছে। তবে অভিনেত্রীর স্বাধীনতা দিবসের পোস্টের তারিফ করতে ভুলচ্ছেন না কেউই।

বড় পর্দায় এবার শাহ-কন্যা, করণ জোহর নন, তবে কার হাত ধরে বলিউডে সুহানা

suhana

নিজের ছেলেমেয়েদের কেরিয়ার নিয়ে বরাবরই খোলা মনে কথা বলেছেন শাহরুখ খান। এর আগেই কিং খান জানান, তাঁর ছেলে অভিনেতা হতে চান না। অভিনেতা হওয়ার কোনও ইচ্ছেও আরিয়ানের নেই। তবে তাঁর কন্যা সুহানা অভিনেত্রী হতে চান। ইতিমধ্যেই কিছু শর্ট ফিল্মে অভিনয় করতে দেখা গেছে সুহানাকে। তবে এবারে বড় পর্দায় ডেবিউ করতে চলেছেন শাহরুখ কন্যা।

শাহরুখ এবং করণ জোহরের বন্ধুত্ব নতুন নয়। অনেক বছরের বন্ধুত্ব দুজনের মধ্যে। যাকে বলে একেবারে গলায় গলায়। বলতে গেলে দু’জনে একই সঙ্গে নিজেদের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। স্বভাবতই সবাই ভেবেছিলেন অন্য স্টার কিডদের লঞ্চ করার মতো শাহরুখ কন্যাকেও লঞ্চ করবেন পরিচালক করণ জোহর। তবে এক্ষেত্রে ধরা পড়লো অন্য ছবি। স্টার কিডদের লঞ্চ করানকে কেন্দ্র করে নেপটিজমের আঙুল উঠে করণের উপর। একটা সময় বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় পরিচালকের জীবনে। ব্যপক ট্রোলের শিকার হতে হয় তাঁকে। আলিয়া ভাট্ট থেকে শুরু করে অনন্যা পাণ্ডে সকলকেই লঞ্চ করেছেন তিনি। তাই এবারে প্রিয় বন্ধুর কন্যার বেলা পিছিয়ে এলেন করণ। তাঁর বদলে দায়িত্ব নিলেন ফারহান আখতারের বোন পরিচালক জোয়া আখতার।

সূত্রের খবর অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। একটি আন্তর্জাতিক কমিক গল্পকে পর্দায় রূপ দিতে চলেছেন পরিচালক জোয়া। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে পারে এই ছবি। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে শাহরুখ কন্যা সুহানাকে। সুহানা ছারাও এই ছবির জন্য অনেক কিশোর-কিশোরীর প্রয়োজন। তাই অনুমান করা যাচ্ছে শুধু সুহানা নয় তাঁর পাশাপাশি আরও অনেক নতুন মুখ দেখা যাবে এই ছবিতে।