স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড মুলার পরিচিত ছিলেন ‘ডের বোম্বার’ নামে। আজ সন্ধ্যায় প্রয়াত হন জার্মানির এই প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার। তাঁর ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের তরফে টুইটে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘গার্ড মুলারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ এফসি বার্য়ান মিউনিখ। এফসি বার্য়ানের বিশ্বটাই যেন থেমে গিয়েছে। ক্লাব এবং গোটা বিশ্বের তাঁর সমর্থকেরা গার্ড মুলারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।’
১৯৭২ সালে জার্মানিকে ইউরো কাপ দেওয়া মুলার ১৯৭৪ সালে দেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ জেতান। ১৯৭০ এবং ১৯৭৪— এই দু’টি বিশ্বকাপে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। মোট ১৩টি ম্যাচে তাঁর ১৪টি গোল করেছিলেন। দীর্ঘ ৩২ বছর তাঁর এই রেকর্ড বজায় ছিল। ২০০৬ বিশ্বকাপে তাঁকে টপকে যান ব্রাজিলের রোনাল্ডো। ২০১৪ বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর রেকর্ড টপকে যান জার্মানিরই মিরোস্লাভ ক্লোজে। শুধু তাই নয়, মুলারই ছিলেন বায়ার্নের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৬০৭ ম্যাচে ৫২২টি গোল এসেছিল তাঁর পা থেকে।
বায়ার্ন মিউনিখে রীতিমতো কিংবদন্তির মর্যাদা পান তিনি। ক্লাবের হয়ে ৬০৭ ম্যাচে ৫৫২ গোল করেছেন। জার্মানির হয়ে ৬২ ম্যাচে ৬৮ গোল করেছেন। গোটা কেরিয়ারে ৭৮০ ম্যাচে ৭১১ গোল রয়েছে তাঁর। ১৯৭২ সালে এক মরশুমে ৮৫টি গোল করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন মুলার। সেই রেকর্ড টানা ৪০ বছর অক্ষত থাকার পর ২০১২ সালে সেটি ভাঙেন লিওনেল মেসি। দু’টি বিশ্বকাপ খেলে মুলার মোট ১৪টি গোল করেছেন। যেই রেকর্ড অক্ষত ছিল প্রায় ৩২ বছর। বুন্দেশলিগায় এক মরশুমে তাঁর করা ৪০টি গোলের রেকর্ডও টিকে ছিল দীর্ঘদিন। গত মরশুমে রবার্ট লেয়নডস্কি সেই রেকর্ড ভেঙে দেন।
১৯৮২ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার পরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিলেন গার্ড মুলার। বায়ার্ন মিউনিখের ক্লাবের তরফে রিহ্যাব করানো হয়। ২০১৫ সালে বায়ার্নের দ্বিতীয় দলের কোচ থাকাকালীন অ্যালঝাইমার্স রোগেও আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে সত্যি হঠাৎ করেই থমকে গিয়েছে ফুটবল বিশ্ব।
নিউজ ডেস্ক: তালিবানদের হাতে দেশবাসীকে তুলে দিয়ে আফগানিস্তান ছাড়লেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি৷ আফগান কর্মকর্তারা এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন৷ তারা জানাচ্ছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহও দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন৷
তালিবান যোদ্ধারা ঝটিকা অভিযানে আফগানিস্তানের অধিকাংশ এলাকার দখল নেওয়ার পর রবিবার তারা কাবুল শহর ঘিরে ফেলে। এরপর থেকেই পদত্যাগ করার জন্য আশরাফ গনির ওপর চাপ বাড়ছিল। আশরাফ গনি একটি বিমানে করে তাজিকিস্তান চলে গিয়েছেন বলে রয়টার্স সহ কিছু বার্তা সংস্থা রিপোর্ট করেছে। আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এককর্মকর্তাও একথা বলেছেন।
তবে আফগান প্রেসিডেন্টের অফিস বলেছে, নিরাপত্তার কারণে তারা আশরাফ গনির গতিবিধি সম্পর্কে কিছু বলতে পারছে না। রয়টার্স এই কথা তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে৷
এদিকে, তালিবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর থেকেই কাবুলে গুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে৷ রাজধানী শহর কাবুলের বিভিন্ন এলাকা থেকে গুলি চলার খবর জানাচ্ছে রয়টার্স সংবাদ সংস্থা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই খবর জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থাটি৷
অন্যদিকে তালিবানের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তারা মহিলাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাবেন। মুখপাত্রটি বলেন, মহিলাদেরকে একা বাড়ির বাইরে যেতে দেওয়া হবে৷ তাদের শিক্ষা ও কাজের সুযোগও বহাল থাকবে। মনে করা হচ্ছে, তালিবানকে নিয়ে সারা বিশ্বে যে উদ্বেগ রয়েছে তা অবসানের জন্যই এ বিবৃতি।
তবে ইতিমধ্যে তালিবানে দখলে চলে যাওয়া কান্দাহার থেকে খবর পাওয়া গিয়েছে, সেখানে ব্যাংকে কর্মরত মহিলাদের বলা হয়েছে, এখন থেকে তাদের জায়গায় কাজ করবে পুরুষ আত্মীয়রা। আফগানিস্তানের অন্য জায়গা থেকেও মেয়েদের বাইরে যেতে না দেওয়ার এবং বোরকা পরতে বাধ্য করার খবর এসেছে।
রবিবার টোলো নিউজ নামে আফগান বার্তা সংস্থার প্রধান লোৎফুল্লাহ নাজাফিজাদা একটি ছবি টুইট করেছেন – যাতে দেখা যাচ্ছে যে কাবুলের একটি দেওয়ালে থাকা মেয়েদের ছবি সাদা রঙ দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন একজন লোক। তালিবান মুখপাত্র আরও বলেছেন, সংবাদ মাধ্যমকে অবাধে সমালোচনা করতে দেওয়া হবে৷ তবে তারা ‘চরিত্র হননে’ লিপ্ত হতে পারবে না।
দেশের শাসন ক্ষমতা হাতে নিয়েই আফগানিস্তানে তালিবানরাজ শুরু হয়েছে৷ কাবুলের পুল-ই-চরখি কারাগার থেকে তালিবান বন্দীদের মুক্তি দেয়ার ছবির ফুটেজ অনলাইনে পোস্ট করেছে তালিবান সমর্থক একটি সংবাদ সংস্থা। এটি আফগানিস্তানের সর্ববৃহৎ কারাগার। রবিবার আরও আগের দিকে তালিবান সৈন্যরা বাগরামে আমেরিকান সমারিক ঘাঁটির সেনা কারাগারের দখল নেয়। বাগরাম কারাগারে পাঁচ হাজার বন্দী ছিল৷ তাদের মধ্যে ছিল তালিবান সদস্য, উগ্রপন্থী যোদ্ধা এবং ইসলামিক স্টেটের সদস্য। তাদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে৷
স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। শনিবারও এই নিয়ে দফায় দফায় কথা চলে দুই পক্ষের মধ্যে। শ্রী সিমেন্টের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনায় এখনও কোনো সমাধানসূত্র মেলেনি। শোনা যাচ্ছে মূলত দুটো ইস্যুতে সমস্যা-
১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।
২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।
ইস্টবেঙ্গল- আইএসএলের দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।
উপরোক্ত বিষয়গুলো না মিটলে চুক্তি জট আদৌ সমাধান হবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে ইনভেস্টরের দাবি, চুক্তি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। ক্লাব যদি এখন বেঁকে বসে তাহলে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো সম্ভব নয়। ফলে আসন্ন ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল। আগামী ১৬ অগাস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। ফলে তার আগে ঝামেলা না মিটলে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলা অনিশ্চিত।
শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে গত পাঁচদিন আগেই যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে । চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। ফলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা শর্ত শিথিল করার আর্জি জানালেও তা একপ্রকার অসম্ভব বলেই ধরে নেওয়া যায়।
United States Geological Survey (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, তাজ্জিকিস্তানের চুবেক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে এই ভূমিকম্পটি তৈরি হয়েছে। ভূপৃষ্ঠে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। প্রায় গোটা তাজিকিস্তান এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশ জুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ইতিমধ্যেই গোটা আফগানিস্তান জুড়ে ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে তালিবানদের আক্রমণ এবং তার সঙ্গে আতঙ্ক। আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের আগ্রাসন দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী। আমেরিকার সামরিক কার্যালয় পেন্টাগনের তরফ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, তিনমাসের মধ্যেই কাবুল দখল করে ফেলবে তালিবানরা। তারপরেই পিছু হঠতে শুরু করেছে আসরাফ ঘানির সরকার। আফগান সরকারের তরফে তালিবানকে ক্ষমতা ভাগাভাগির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তারমধ্যেই আজ দুপুর থেকে কাবুলে ঢুকে রাজধানী শহর দখল করতে শুরু করে তালিবানরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর কয়েকদিনের মধ্যেই গোটা আফগানিস্তানের দখল নেবে তালিবানরা।
ভুমিকম্পের ফলে কতজন মারা গেছেন এবং কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। এর আগে ২০১৫ সালে হিন্দু কুশে সৃষ্ট ভুমিকম্পে কেঁপেছিল আফগানিস্তান। মারা গিয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। যদিও ইতিমধ্যেই অনেক বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন ভুমিকম্পটি প্রাকৃতিক নয়, কৃত্রিম। ‘হার্প’ প্রযুক্তির সাহায্যে এই ভুমিকম্প ঘটিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। HAARP অর্থাৎ ‘High Frequency Active Auroral Research Project’. এটি আমেরিকার সামরিক বাহিনী পরিচালিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি গোপন পরীক্ষা।
আমেরিকার পাশাপাশি রাশিয়াও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে ভুমিকম্প, সুনামী ঘটানো সম্ভব। টেসলার বিখ্যাত ‘ফ্রী এনার্জি’ থিওরি থেকেই মূলত এই হার্প টেকনোলোজি এসেছে। ২০১৫ সালের ভুমিকম্পকেও কৃত্রিম বলে দাবি করেছিলেন অনেক গবেষক।
নিউজ ডেস্ক: যত বড় তারকাই হোন না কেন, তাঁদের ছবি থেকে বাদ দিতে দু’বার ভাবেন না পরিচালক সঞ্জয়লীলা বনশালী। সম্প্রতি ‘বৈজু বাওরা’ ছবিতে তাঁর প্রিয় দীপিকাকেও বাদ দিয়েছেন। দীপিকা ছবির মেল লিড রণবীর সিংয়ের সমতুল্য পারিশ্রমিক দাবি করেছিলেন।
ফলে ‘গোলিও কি রাসলীলা: রামলীলা’, ‘বাজিরাও মস্তানি’ কিংবা ‘পদ্মাবত’, বনশালীর পরিচালনায় একাধিক ছবিতে বাজিমাত করলেও এবার বাদ দীপিকা। এর আগে রণবীর কাপুরকে ‘সাওয়াড়িয়া’ ছবিতে ব্রেক দেওয়ার পর তিনি যখন ‘গুজারিশ’-এর অফার ফিরিয়েছিলেন, তাঁকে আর ডাকেননি সঞ্জয়। সম্প্রতি ‘বৈজু বাওরা’ ছবিতে তাঁর প্রিয় দীপিকাকেও বাদ দিয়েছেন।
এবার শোনা যাচ্ছে তাঁর স্বপ্নের প্রোজেক্ট ‘হীরা মাণ্ডি’ ছবি থেকে নাকি বাদ পড়েছেন স্বয়ং রেখা। সেই জায়গায় আসতে চলেছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। এর আগে ‘দেবদাস’, ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’-এর মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে সঞ্জয়লীলা বনসালীর পরিচালনায় অভিনয় করেছেন ঐশ্বর্য। বেশ কয়েকবছর পর আবার তাঁরা একসঙ্গে কাজ করবেন।
বিগত কয়েক বছরে রেখাকে নাকি সামলানো কঠিন হয়ে উঠেছে পরিচালক-প্রযোজকদের পক্ষে। ফলে শুরুর দিকে ‘হীরা মাণ্ডি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রর জন্য রেখাকে কাস্ট করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বনসালী। কিন্তু অভিনেত্রীর ট্যানট্রামের কথা ভেবেই তাকে সরিয়ে ঐশ্বর্যকে নিয়ে এলেন তিনি।
এর আগে ঠিক একই কারণে ‘ফিতুর’ থেকে বাদ পড়েছিলেন রেখা। তাঁর জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছিল তাব্বুকে। যদিও, পরিচালক-অভিনেত্রীর সম্পর্কে এখন চিড় ধরেছে, বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কান পাতলে এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।
বায়োস্কোপ: বিতর্ক জেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না শ্রাবন্তীর। নিজের লাভ লাইফ নিয়ে জেরবার অভিনেত্রী। অন্যদিকে তাঁর ছেলে ‘ঝিনুক’ও ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠছে। সম্প্রতি ১৪ অগাস্ট ছিল শ্রাবন্তী পুত্র ঝিনুকের জন্মদিন। আবার তার আগের দিন অর্থাৎ ১৩ অগাস্ট ছিল শ্রাবন্তীর জন্মদিন। ছেলের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। এই পোস্টের মাধ্যমে নিজের ছেলে অভিমন্যু চট্টোপাধ্যায় ওরফে ঝিনুককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান শ্রাবন্তী।
ইনস্টাগ্রামে শ্রাবন্তীর এই পোস্ট রীতিমতো ভাইরাল হয়। অভিনেত্রীর ছেলেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে কমেন্টের ঝড় ওঠে। টলি-পাড়ার একাধিক সেলেবরা এই পোস্টের মাধ্যমে শ্রাবন্তীর পুত্র ঝিনুককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। এখনও পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। তবে শ্রাবন্তী যেখানে সেখানে বিতর্ক হবে না, তা কী হয়? ওই পোস্টের কমেন্টে অভিনেত্রী পার্নো মিত্রকে ‘হ্যাপি বার্থডে ক্লাসমেট’ বলে কমেন্ট করতে দেখা যায়। আর সেই কমেন্ট নিয়েই শুরু হয় জল্পনা।
এই কমেন্টের ফলে নেটিজেনদের কৌতূহল তুঙ্গে পৌঁছয়। তবে কী শ্রাবন্তীর পুত্র ঝিনুক আদতে পার্নোর ক্লাসমেট? এমনই প্রশ্ন তুলছেন নেটাগরিকরা। পার্নো ছারাও অভিনেত্রীর ওই পোস্টে কমেন্টে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শুভশ্রী, নুসরত সহ আরও অনেকেই। তবে পার্নো কেন এমন কমেন্ট করলেন তা এখনও জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী মডেল দামিনীর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন শ্রাবন্তীর পুত্র ঝিনুক। এর আগেও বেশ কয়েকবার খবরের শিরনামে উঠে এসেছিলেন তাঁরা।
বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউডের সাহসী অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বরাবরই সত্যি কথাকে সহজভাবে বলতে পছন্দ করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ একটিভ অভিনেত্রী। নিজের রোজনামচার বিভিন্ন ঝলক ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে পছন্দ করেন শ্রীলেখা। কোনও না কোনও কারণে, হয়তো নিজের অজান্তেই খবরের লাইমলাইটে নিজের জায়গাও করে নেন তিনি।
শুক্রবার ‘শ্রীদেবী’-র জন্মদিনে লাল সিফন শাড়িতে নিজের আইডলের মতো সেজেছিলেন শ্রীলেখা। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়। ভক্তদের বেশ পছন্দ হয় শ্রীলেখার এই লুক। এবারে স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন অর্থাৎ শনিবার আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় তাঁকে। নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে মেকআপহীন লুকে একটি সেলফি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। এই ছবিতে তাঁর ঠোঁটে ধরা পড়েছে ‘লাভ বাইট’-এর চিহ্ন। খুব কাছ থেকে ছবিটা তুলেছেন শ্রীলেখা। যার ফলে তাঁর ঠোঁটে যে ‘লাভ বাইট’ জ্বলজ্বল করছে তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
শ্রীলেখা এই ‘লাভ বাইট’-কে ‘আদরের চিহ্ন’ বলে উল্লেখ করেছেন ওই পোস্টে। ওই পোস্টে অভিনেত্রী জানান, ‘যা ভাবছো তা নয়…. আমার ছানাদের আদরের চিহ্ন…. নখ বেড়েছে…. লোকজন ভাববে, হুম…’। অভিনেত্রীর এই লেখায় পরিষ্কার হয়ে গেলো তাঁর ঠোঁটের চিহ্ন মানুষের দ্বারা হয়নি। অভিনেত্রীর বাড়িতে একাধিক দেশি-বিদেশি কুকুর রয়েছে। আর তাঁরা এখন
১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ব্রিটিশদের দু’শো বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন হয়েছিল ভারত। প্রতি বছর এই দিনটি ভারতে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে মহা সমারোহে উদযাপিত হয়ে আসছে। ভারতবর্ষের এই স্বাধীনতার অন্যতম অংশ ভারতের ‘তেরঙা’ পতাকা। তেরঙা পতাকা দেশের ঐতিহ্য, সংষ্কৃতি ও গর্বের প্রতীক। গেরুয়া, সাদা, সবুজ রঙগুলি ত্যাগ, শক্তি ও উন্নতির প্রতীক। আর তার মাঝে বসা অশোক চক্র ‘ধর্ম চক্র’ হিসাবে পরিচিত। ভারতের জাতীয় পতাকার দীর্ঘ ইতিহাস শুধু রয়েছে এমন নয়, ভারতের আসমুদ্র হিমাচল সবকিছু সঙ্গে এর আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসে একনজরে জেনে নিন ভারতের তেরঙা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।
১৯০৬ সালে ভারতীয় ইউনিয়নের প্রথম পতাকা সামনে আসে। স্বাধীনতা আন্দোলন চলাকালীন সেই পতাকাই ব্যবহার করতেন দেশপ্রমিকরা। ১৯০৬ থেকে ১৯৪৭ সালের মধ্যে মোট পাঁচবার ভারতের পতাকা ডিজাইন ও বদল হয়েছে। শেষপর্যন্ত ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই তেরঙা পতাকার বর্তমান ডিজাইনটাই চূড়ান্ত হয়। এই পতাকা ডিজাইন করেন স্বাধীনতা সংগ্রামী পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়া। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু বলেছিলেন, “তেরঙা শুধু নিজের নয়, দেশের সমস্ত মানুষের স্বাধীনতার প্রতীক।”
১) ১৯০৬ সালের ৭ আগস্ট প্রথমবার উড়েছিল জাতীয় পতাকা। তাও আবার এই কলকাতাতেই। পারসি বানান স্কয়্যারে উত্তোলন করা হয়েছিল সবুজ, হলুদ, লাল রঙের পতাকা।
২) পতাকার বিভিন্ন আকার ভারতের পতাকার ৯টি আলাদা আকার হতে পারে। এই নয়টি নির্দিষ্ট আকার ছাড়া পতাকা তৈরি করা যায় না। তার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাইজটি হল ৬*৪ ও সবচেয়ে বড়টি হল ২১*১৪। তবে আটারি সীমান্তে দেশের সবচেয়ে বড় পতাকাটি উত্তোলন করা হয়েছে যা পাকিস্তানের লাহোর শহর থেকে দেখা যায়। এটি দৈর্ঘ্যে ২৪ মিটার, প্রস্থে ১১০ মিটার ও উচ্চতায় ৩৬০ ফুট উঁচু।
৩) আইনে রয়েছে পতাকা তৈরি করবে একমাত্র খাদি গ্রামোদ্যোগ সংযুক্ত সংঘ। যা হবে সুতির কিংবা রেশম কাপড়ের। বিভিন্ন দেশের পতাকা বিকিনি অথবা অন্তর্বাসে ব্যবহার করা গেলেও ভারতে এমনটা করা যায় না। আইন সেই অনুমতি দেয়নি। তবে ২০০৫ সালে সংশোধনী এনে জাতীয় পতাকাকে পোশাকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তা কোমরের নিচে লাগানো যাবে না। এটাই নির্দেশ রয়েছে।
৪) বিদেশের মাটিতে প্রথম ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভিকাজি রুস্তম কামা। পতাকা উত্তোলন নিয়মে সংশোধন ২০০২ সাল পর্যন্ত স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস বাদে অন্য দিন পতাকা উত্তোসন করা যেত না। তবে শিল্পপতি নবীন জিন্দাল আদালতে পিটিশন দাখিল করে এর বিরোধিতা করেন। বলেন, প্রত্যেক ভারতবাসীর উচিত নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী যখন খুশি পতাকা উত্তোলন করা ও সম্মান জানানো। তারপরই নিয়ম বদল হয়। তবে পতাকার সম্মান যাতে কোনওভাবেই ক্ষুণ্ণ না হয়, সেদিকে নজর রাখতে বারবার বলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, একমাত্র দিনের বেলাতেই উত্তোলন করা যায় ভারতীয় পতাকা। শুধু তাই নয়, যেখানে পতাকা উত্তোলন হবে তার উপরে অন্য কোনও পতাকা বা সিম্বল থাকতে পারবে না।
<
p style=”text-align: justify;”>৫) ১৯৫৩ সালের ২৯ মে প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ভারতীয় পতাকা ওড়ান পর্বতারোহী তেনজিং নোরগে। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে চেন্নাইয়ে ৫০ হাজার স্বেচ্ছ্বাসেবক একসঙ্গে হয়ে পতাকার আকার নিয়ে দাঁড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডস তৈরি করেছে।
অনুভব খাসনবীশ: অঞ্জন দত্ত। তাঁর বহু পরিচয়। যদিও তার মধ্যে সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক, অভিনেতা এবং পরিচালক, এই চারটিই অগ্রগণ্য। সম্প্রতি ইউটিউব ও ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে যারা কনটেন্ট তৈরি করেন, তাঁদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের ‘ট্রেনের হকার’দের সঙ্গে তুলনা করেছেন। শুধু তাই নয়, তাদের ‘মধ্যমেধা’র বলেও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।
অঞ্জনের নতুন সিরিজ ‘মার্ডার ইন দ্য হিলস’ নিয়ে যেসব সমালোচনা ও মিম বানানো হয়েছে, তারই পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালকের এই কটাক্ষ বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও তারপরেই অঞ্জনের কটাক্ষের জবাব দিয়েছেন অনেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটার, বিশিষ্টজনেরাও। বিশেষত ইউটিউবার ঝিলম গুপ্ত এবং গল্পকার-ঔপন্যাসিক বিনোদ ঘোষালের তোপের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এই অঞ্জনই এক সময়ে হকারদের নিয়ে লিখেছিলেন, ‘বসে আছি ইস্টিশানেতে, লেবু লজেন্সের শিশিটা হাতে’ গানটি। এবার ‘ইউটিউবার’দের মধ্যমেধার বলা অঞ্জনই এবার অদ্ভুত ভুল করলেন তাঁর নতুন সিরিজে।
অগাথা ক্রিস্টির ‘মার্ডার ইন দ্য হিলস’ এর নামে ‘হইচই’য়ের সিরিজ পরিচালনা করেছেন ‘বেলা বোস’ এর স্রষ্টা। চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনিই। ওই সিরিজে পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজদ্বীপ গুপ্ত। রাজদ্বীপের চরিত্রের নাম শুভঙ্কর। শুভঙ্কর ‘জেলা পুলিশের কমিশনার’। আদপে পুলিশ কমিশনার কোনও পদ নয়। কমিশনারেটের সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাই হলেন পুলিশ কমিশনার। এবং ‘জেলা পুলিশ কমিশনার’ বলে আদপে কিছুই হয় না। ঠিক এই জায়গাতেই প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক চিত্রদীপ চক্রবর্তী।
অঞ্জন দত্ত এবং রাজদ্বীপ গুপ্ত।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “একজন ক্রাইম রিপোর্টার নিজেকে তদন্তকারী ভাবলে, আর একজন তদন্তকারী নিজেকে ক্রাইম রিপোর্টার ভাবলে যা হয়, পর পর দুটি বাংলা ওয়েব সিরিজ দেখে তাই মনে হলো। মিনিমাম রিসার্চ নেই। ভেবে নেওয়া হলো, আমরা সবজান্তা। যা দেখাবো, দর্শক তাই দেখবে। জেলা পুলিশে কমিশনার পদ বাপের জন্মে শুনিনি। পাহাড় কেন্দ্রীক একটা সিরিজে তাই দেখলাম। সম্মানীয় বিজ্ঞ পরিচালকরা এসব বানানোর আগে গবেষণা না করুন, একটু পড়াশুনো তো করে নিতে পারেন। ক্রাইম থ্রিলারের প্লটকে গাঁজাগলিতে ঢুকিয়ে তা বার করে আনার কৌশলটাও জানতে হয়। আঁতলামি দিয়ে হয় না। আমাকে মূর্খ-হকার সবকিছু বলতে পারেন। মাইরি বলছি, কিচ্ছু মনে করব না।” আরেকজন সেই পোস্টের কমেন্টে লিখেছেন, “ওই থানাতেই কিন্তু এস আই, আই সি ও কমিশনার পোস্টিং আছে ওয়েব সিরিজে, এটা ত্রুটি।”
ফলে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, ইউটিউবারদের মধ্যমেধার বলা অঞ্জন এই ভুল করলেন কী ভাবে। তাঁর এই ভুল কি মধ্যমেধারই ফলA? না পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব? এমনিতেই ওটিটি আসায় আরও কাছাকাছি চলে এসেছেন গল্পকার এবং দর্শকরা। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কন্টেন্টের সংখ্যাও। শিল্প হয়ে যাচ্ছে নিছকই ব্যবসা। ফলে বেশিরভাগ সিরিজই বানানো হচ্ছে খুব কম সময়ে। তাতে যা হওয়ার তাই হচ্ছে। কোনওসময় ভালো অভিনেতা থাকা সত্ত্বেও দুর্বল চিত্রনাট্যের ফলে মান পড়ে যাচ্ছে সিনেমার। আবার কখনও ভালো চিত্রনাট্য পেয়েও নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না অভিনেতারা, কারণ পর্যাপ্ত রিহার্সালের সময় পাননি। যা দেখা গেল ‘মার্ডার ইন দ্য হিলস’ সিরিজেও।
দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে অঞ্জন লিখেছিলেন, ‘‘গুচ্ছের বাংলা পোর্টাল এবং ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম হয়েছে ডিজিটালাইজেশন এর দৌলতে। যারা ক্রমাগত ভুল বাংলা এবং খুব খারাপ ইংরিজিতে কথা বলে নানা বিষয় মন্তব্য করে যায়। কারুর ‘শ’ এর দোষ, কারুর উচ্চারণ পরিষ্কার নয়… আমি এটা লিখছি কারণ সেই ভাবে কেউ আমাকে গালমন্দ করেননি। আর করে থাকলেও সেটা আজকের দুনিয়ায় কোনো মূল্য নেই। আমি লিখছি কারণ এই সামগ্রিক, প্রায় সর্বজনীন মিডিওক্রিটি বা মধ্যমেধা নিয়ে যে কোনো সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে যাবে। কারণ আমার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ক্রমাগত এই অশিক্ষিত নোটিফিকেশনগুলো আসে।’’
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, অঞ্জন দত্তের এই শিশুসুলভ ভুলও তো এই ‘গুচ্ছের’ ওটিটিরই ফসল। তাড়াহুড়োতে তিনি পর্যাপ্ত রিসার্চটাই করার সময় পাননি। অথবা তিনি ‘জেলা পুলিশ কমিশনার’ সম্পর্কে জানতেনই না বা জেনে নেওয়ার প্রয়োজনও মনে করেননি। জনৈক নেটনাগরিক বলছেন, “এইগুলির যে কোনওটিই এই ভুলের কারণ হতে পারে। তবে শুধু অঞ্জনই নন, অনেক পরিচালক-চিত্রনাট্য নির্মাতাই ‘যা ইচ্ছে তাই’ দেখিয়ে যান দর্শককে। তার বাস্তবতা বা সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজনও মনে করেন না। এবং এটি হচ্ছে ‘গুচ্ছের’ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বা ‘গুচ্ছের’ ওয়েব সিরিজ রিলিজের ফলে। অবশ্য সমস্ত ওয়েব সিরিজই যে এরকম তা ভাবার কোনও কারণ নেই। বহু ওয়েব সিরিজই জায়গা করে নিচ্ছেন দর্শকদের মনে।”
নিউজ ডেস্ক: শনিবার ৭.২ মাত্রার শক্তিশালী ভুমিকম্পে কেঁপে উঠল ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্র হাইতির পশ্চিমাঞ্চলে। প্রায় গোটা ক্যারিবীয় দ্বীপপূঞ্জজুড়েই অনুভূত হয়েছে ভুমিকম্প। ভূমিকম্পের ফলে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কতজন মারা গেছেন এবং কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
United States Geological Survey (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হাইতির পেটিট ট্রুও ডি নিপ্পেস থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে ৭.২ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি তৈরি হয়েছে। ভূপৃষ্ঠে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। এটি ২০১০ সালে হাইতিতে হওয়া ভূমিকম্পের চেয়েও শক্তিশালী বলে জানিয়েছে তারা। ২০১০ সালের ওই ভূমিকম্পে প্রায় দু’লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভেঙ্গে পড়েছিল অসংখ্য বাড়িঘর-ভবন। বহু মানুষ গৃহহীন হয়েছিল।
যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ দাবি করেন ২০১০ সালের ভয়াবহ ভুমিকম্প প্রাকৃতিক নয়, কৃত্রিম। ‘হার্প’ প্রযুক্তির সাহায্যে এই ভুমিকম্প ঘটিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। HAARP অর্থাৎ ‘High Frequency Active Auroral Research Project’. এটি আমেরিকার সামরিক বাহিনী পরিচালিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি গোপন পরীক্ষা। তবে আমেরিকার পাশাপাশি রাশিয়াও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে ভুমিকম্প, সুনামী ঘটানো সম্ভব। টেসলার বিখ্যাত ‘ফ্রী এনার্জি’ থিওরি থেকেই মূলত এই হার্প টেকনোলোজি এসেছে। শুধু হাইতিই নয়, ২০১৫ সালে নেপালের ভুমিকম্পকেও কৃত্রিম বলে দাবি করেছিলেন অনেক গবেষক।
ভূমিকম্প হলেও হাইতির সরকারের পক্ষ থেকে হতাহতের বিষয়ে এখনো কিছুই জানানো হয়নি। আশঙ্কা করা হচ্ছে ইতিমধ্যেই প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। ভুকম্পন অনুভূত হওয়া হাইতির প্রতিবেশী দেশ কিউবার গুয়ানতানামো শহরের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ‘সকলে ভীষণ ভীত-সন্ত্রস্ত। দীর্ঘদিন এত শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়নি।’
নিউজ ডেস্ক: তালিবানদের প্রতি আবার দরদ উথলে উঠল বাংলাদেশে ঠাঁই নেওয়া জঙ্গিদের৷ তালিবানদের হয়ে যুদ্ধে করায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তান যাওয়া পথে কিছু মানুষ ভারতে ধরা পড়েছে৷ আর কিছু হেঁটে বিভিন্নভাবে আফগানিস্তানে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে। শনিবার এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলেন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম আজ এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন।
আগামিকাল ১৫ আগষ্ট দেশে শোক দিবসের অনুষ্ঠানস্থল ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয় দেখতে যান ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি)৷ পর্যবেক্ষণ শেষে এদিন সকালে পুলিশ কমিশনার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, অনলাইনে জঙ্গিরা কর্মী সংগ্রহ ও উদ্বুদ্ধ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে৷ সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তালিনের পক্ষ থেকে আফগানিস্তান যুদ্ধে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান হয়েছে। আর বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ ইতিমধ্যে তালিবানদের সঙ্গে যুদ্ধে যোগদানের জন্য উদ্বুদ্ধ হয়েছে। তিনি আরও জানান, সাইবার ওয়ার্ল্ড ডিএমপিসহ সরকারের সব গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।
শফিকুল ইসলাম আরও জানান, ‘গত বৃহস্পতিবার জঙ্গি সংগঠনের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ সে বোমা বিশেষজ্ঞ। অনলাইনে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ দিত। নারায়ণগঞ্জে শক্তিশালী বোমা উদ্ধার হয়েছে৷ সেটাও তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে তৈরি করা। এএ মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশ কিছু জঙ্গি বা নাশকতাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অর্থাৎ তারা যে থেমে নেই, সেটা বলা যায়। কিন্তু পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি, যাতে বাংলাদেশে আর একটি ঘটনাও না ঘটে।’
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘যারা জঙ্গি হামলাগুলি করে, এখন যারা হামলা করার চেষ্টা করছে, তাদের প্রধান কাজই হল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারে আসা। প্রতিটা ঘটনা ঘটিয়েই তাদের আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আসতে চায়। এক্ষেত্রে ১৫ অগস্ট তাদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ ১৫ অগস্টের ভেন্যুর আশপাশে না হোক, তার থেকে দুই কিলোমিটার দূরেও যদি বোমা ফাটাতে পারে, তাতেও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ হবে। এদিক বিবেচনা করে তারা চেষ্টা করছে। কিন্তু যে গ্রুপ ডেভেলপ করে উঠছিল, সেই পুরো ট্র্যাক ধরা পড়ে গিয়েছে। পুলিশে আশঙ্কা রয়েছেই৷ কিন্তু এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করতে পুলিশ সর্তক আছে৷
নিউজ ডেস্ক কলকাতা: শুধু রুপোর গয়নাই নয়৷ ঘর সাজানোর বিভিন্ন জিনিসের অন্যতম সেরা ঠিকানা নিউ মার্কেটের এই দোকান। রুপোর গয়না কিংবা জাঙ্ক জুয়েলারী পছন্দ করেন, কলকাতার এমন প্রত্যেক মহিলাই কোনো না কোনো সময় ঢুঁ মেরেছেন এই দোকানে। ষাট বছর ধরে তিলোত্তমার সুন্দরীদের সাজাচ্ছে ‘চাম্বা লামা’।
৪০-এর দশকের কোনও এক শীতে বাবার হাত ধরে দার্জিলিং থেকে কলকাতায় রুজিরুটির সন্ধানে এসেছিলেন চেতেনইয়াংজম শেরপা। দেখলেন কলকাতায় সবই আছে, কিন্তু এই তিব্বতী পরিবারের কাছে যা আছে তা শহরের কোথাও পাওয়া যায় না। কলকাতায় সেভাবে জুয়েলারি শপের ব্যবসা নেই। কারণ সেকালে কলকাতার মানুষ গয়না বলতে বুঝতেন ভারী ভারী সোনার গয়না, চাঁদি রুপো আর জড়োয়ার সেট, ম্যাক্সিমাম মিনের কাজ। কিন্তু রুপো, হোয়াইট মেটালের চাহিদা থাকলেও তা মেলার কোনও নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই। ফলে সেই বাজার ধরতে গয়না ও হস্তশিল্পের দোকান শুরু করেন চেতেনইয়াংজম।
প্রথমদিকে নিউ মার্কেটে লিন্ডসে স্ট্রিটের ফুটপাথে বসে গয়না বিক্রি করতেন তিনি। এরপর ১৯৫৭ সালে নিউ মার্কেটের ভেতর দোকান করেন, নাম দেন ‘চাম্বা লামা’। দোকানের নাম এসেছে ‘গয়া চাম্বা’ শব্দটি থেকে, যার মানে ‘মৈত্রেয়ীর বুদ্ধের পুনর্জন্ম’। নিউ মার্কেটে দোকান খোলার তিন বছর পর, অর্থাৎ ১৯৬০ সাল থেকে নিজেরাই ‘রুপোর গয়না’ তৈরি করতে শুরু করেন। বর্তমানে দোকান চালান চেতেনইয়াংজম শেরপার মেয়ে শেরিং ইয়াংকি, তাঁর ছেলে সোনম শেরপা এবং পূত্রবধূ নরকিলা শেরপা। দিনকয়েক আগেই প্রয়াত হয়েছেন দোকানের বর্তমান কর্ণধার সোনম থোন্ডুপ শেরপা।
নিউ মার্কেটে দোকান খোলার পর ষাট বছর কেটে গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে গয়নার অলঙ্করণ। ক্রেতাদের চাহিদায় যুক্ত হয়েছে ‘জাঙ্ক জুয়েলারী’ও। একমাত্র ব্যতিক্রম দোকানের অন্দরসজ্জা, বাইরে থেকে দেখলে অ্যান্টিক জিনিসপত্র বিক্রি হচ্ছে দেখে ভ্রম হতেই পারে। এবং এই বিষয়টিই বাড়িয়ে দিয়েছে দোকানের ইউএসপি। দোকানের সাজে ১৯৫০ এর নকশা ধরে রাখলেও আধুনিকতা লুকিয়ে রয়েছে তাদের গয়নার ডিজাইনে। রুপোর গয়না এবং হালের জাঙ্ক জুয়েলারীর বৈচিত্রের কারণেই বেশিরভাগ সময়েই দোকানে ঢুকতে অপেক্ষা করতে হয় ক্রেতাদের। যদিও শুধু গয়না নয়, বাড়ির অন্দরমহল সাজানোর জন্য দুর্দান্ত শো-পিস রয়েছে ‘চাম্বা লামা’র কালেকশনে।
সিটি সেন্টার ওয়ানের পরিচিত রেপ্লিকা কলকাতার ‘ঘোড়ায় টানা ট্রাম’। কামরাটি বর্তমানে চাম্বা লামার নতুন আউটলেট। কিন্ত শহর জুড়ে রুপো এবং জাঙ্ক জুয়েলারীর বহু দোকান থাকতে ‘চাম্বা লামা’র এত জনপ্রিয়তা কেন? নরকিলা শেরপার কথায়, “আমাদের গয়নার নকশাগুলো হিমালয়, নেপালি, তিব্বতী এবং কিছু উপজাতীয় শিল্প দ্বারা অনুপ্রাণিত। প্রতিটি ডিজাইনেই আমরা সেই ছাপটা রাখার চেষ্টা করি। ফলে আমাদের এখানের বেশিরভাগ গয়নাতেই তিব্বতি বৌদ্ধ মোটিফ স্পষ্ট। জাঙ্ক জুয়েলারীর হিমালয়ান স্টাইল বেশিরভাগ ক্রেতাই পছন্দ করছেন। উপরন্তু শহরে পিয়ার্সিং করানোর প্রবণতা বেড়েছে, ফলে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ‘চাম্বা লামা’র ক্রেতাও।”
চাম্বা লামার গয়নার কালেকশন সম্পর্কে নরকিলা বলেন, “গ্রীষ্মে মহিলারা সাধারণত নেকলেস এড়িয়ে যান। তারা বিশাল ঝুমকা (বড় কানের দুল) বা আধা-মূল্যবান পাথরের স্টেটমেন্ট ককটেল রিং পছন্দ করেন। ফলে সেই ধরনের ককটেল রিং নিয়ে আমরা আলাদা আলাদা ডিজাইন বানাচ্ছি। এছাড়াও জাঙ্ক বা কস্টিউম গয়না সস্তা এবং রুপোর গয়নার বিকল্প। কতজন মধ্যবিত্ত মানুষ ভারী রুপোর গয়নার সেট কিনতে পারে? তাছাড়াও এখন অনেকেই রোজ ব্যবহারের জন্য জাঙ্ক জুয়েলারী বেছে নিচ্ছেন। ফলে বহুদিন হলো আমরাও আলাদা আলাদা ডিজাইনের কস্টিউম গয়না বানানো শুরু করেছি।” ক্রেতাদের কথা চিন্তা করেই চাম্বা লামার রয়েছে একটি ফেসবুক পেজও। কলকাতার এই মহিলাতান্ত্রিক ব্যবসা নিউমার্কেটের ছোট্ট পরিসরে টেনে আনছে গোটা দুনিয়াকে। শুধু সাধারণ মানুষই নন, এই দোকানে নিয়মিত আসেন সেলিব্রেটিরাও।
অবশ্য শুধু মহিলারাই নন, পুরুষদের মধ্যেও ক্রমশ বাড়ছে জাঙ্ক জুয়ালারী, রুপোর গয়না প্রভৃতি পরার চল। যদিও রাজস্থানে অনেকদিন ধরেই রুপোর গয়না পরার প্রচলন রয়েছে পুরুষদের মধ্যে, এবং তা রীতিমতো ভারী গয়না। কর্ণধার জানালেন, কলকাতার পুরুষরা নিজেদের জন্য হালকা জুয়েলারীই পছন্দ করছেন। যদিও শুধু ব্রেসলেট নয়, নেকলেস, কানের দুল কিংবা আঙটিও কিনছেন তারা। অনেকেই আবার নিজের সঙ্গিনীর জন্য গয়নাও কিনছেন এই দোকান থেকেই, ডিজাইন বাছতে সাহায্য করছেন স্বয়ং মালকিন। কৌতুহলী ক্রেতার প্রশ্নের উত্তরে বুঝিয়েও দিচ্ছেন প্রত্যেকটি ডিজাইনের উৎস, তিব্বতী কালচারের তাৎপর্য। সবমিলিয়ে ‘নাহুমস’ এর পিছনের এই দোকান যেন কলকাতার মাঝে একটুকরো ‘হিমালয়ান কালচার’।
নিউজ ডেস্ক: পুসরলা ভেঙ্কট সিন্ধু। পরপর দুটি অলিম্পিকে পদক জিতেছেন এই হায়দরাবাদি শাটলার। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন, এবার ২০২০ টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ পেয়ে নজির গড়লেন গোপীচাঁদের এই প্রাক্তন ছাত্রী। এর আগে পরপর দুটি অলিম্পিক থেকে পদক এনেছিলেন কুস্তিগীর সুশীল কুমার। তারপর দ্বিতীয় ভারতীয় অলিম্পিয়ান এবং প্রথম মহিলা হিসেবে এই শিখর ছুঁয়েছেন সিন্ধু। আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টনে তিনিই সবচেয়ে সফল ভারতীয়। ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসে তিনি মিক্সড টিমস ইভেন্টে সোনা জেতেন এবং ব্যক্তিগত বিভাগে রুপো জেতেন। ২০১৯-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি সোনা জেতেন। তিনি এবার চান ভারতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই নিজের ব্যাডমিন্টন ট্রেনিং অ্যাকাডেমি চালু করতে চলেছেন পিভি সিন্ধু। একসময়ের ‘শিক্ষাগুরু’ গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমির ধাঁচেই অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের সহায়তায় বিশাখাপত্তনমে তৈরি হবে সিন্ধুর অ্যাকাডেমি। সিন্ধু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমি কিছুদিনের মধ্যেই বিশাখাপত্তনমে একটি ট্রেনিং অ্যাকাডেমি শুরু করতে চলেছি। এখানে ছোটদের খেলা শেখানো হবে। এই অ্যাকাডেমি তৈরি করতে রাজ্য সরকার সাহায্য করছে। ঠিকমতো উৎসাহ না পাওয়ার ফলে অনেক বাচ্চা ছেলে-মেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। আমি তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই।’
টোকিও থেকে ফিরে তিরুমালা মন্দিরে পুজো দিয়েছেন তারকা শাটলার সিন্ধু। পুজো দিয়ে জানিয়েছেন, “প্রতিবছর প্রভু বালাজির আশীর্বাদ নিতে একবার করে তিরুমালায় আসি আমি। নিজের খেলাতে আরও উন্নতি করতে চাই। ২০২৪-এ প্যারিস অলিম্পিক্সে অংশ নিয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব পদক নিশ্চিত করতে। হাতে কিছুটা সময় আছে। মুহূর্তটা আমি উপভোগ করছি।’
টোকিওতে ইতিহাস গড়ার পর থেকেই অভিনন্দনের বন্যায় ভাসছেন এই শাটলার। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার তাঁকে ৩০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে সিন্ধুর জন্য ২৫ লক্ষ টাকা পুরস্কারের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাও ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।
নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ উত্থান হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অবশ্য সে উত্থান তৃণমূল নেত্রী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিসেবে নয়, কারণ বহুদিন আগেই জাতীয় রাজনীতিতে নিজের গুরুত্ব বাড়িয়েছেন তিনি। এবার তাঁর উত্থান হচ্ছে নরেন্দ্র মোদী বা বিজেপির শিবিরের বদলি হিসেবে।
কয়েকমাস আগেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিপুল ভোটে জিতে তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তারপরেই দেশের একাধিক রাজ্যে নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সদ্য ত্রিপুরা থেকে ফিরেছে তাদের যুব নেতৃত্ব। সেখানে তাদের ওপর হামলা হওয়ায় প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই পড়শি রাজ্যে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে দিল্লি গিয়ে বিরোধী শিবিরের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সেড়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এবার আসন্ন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপিকে টক্কর দিতে তৈরি হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ ভোটের দিকে তাকিয়ে বিরোধী শিবির। তারমধ্যেই যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন পদ্মশিবিরকে চাপে ফেলতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তুলে আনলেন রাজ্যের বিরোধী শিবিরের অন্যতম মুখ এবং রাষ্ট্রীয় লোকদলের নেতা জয়ন্ত চৌধরি। তিনি জানিয়েছেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিরোধী শিবিরকে এককাট্টা হতে হবে। একইসঙ্গে বিজেপির উপর চাপ বাড়াতে সকলে মিলে আমন্ত্রণ জানাক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে।” কিন্তু সেই রাজ্যের অখিলেশ-মায়াবতীকে বাদ দিয়ে কেন মমতা?
আগ্রায় এক সমাবেশে আরএলডি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা, “নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতায় চোখে চোখ রেখে লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় যে ভাবে তিনি ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছেন, তা বিজেপির রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। আর সে কারণেই ২০২২-এর বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে বিরোধী-জোটের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো।”
বেশ কয়েক বছর আগে উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে সক্রিয় হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পরবর্তীকালে অবশ্য তার বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। কিন্তু বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে থেকে তাঁর সক্রিয় বিজেপি-বিরোধিতা এবং নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের বাংলা দখলের সব চেষ্টায় জল ঢেলে রাজ্যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরে আসা অন্য বিরোধী দলগুলির নজর কেড়েছে।
বাংলায় বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে মমতা অন্য বিরোধী দলগুলিকে পাশে নিয়ে নিরন্তর বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ের ডাক দিচ্ছেন। এই অবস্থায় রাজনৈতিক শিবিরের অনেকে বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে ভোটের আগে সব বিরোধী দলকে একজোট করা প্রয়োজন। সেই লড়াইয়ে মমতার বিজেপি-বিরোধী ভাবমূর্তিকে কাজে লাগালে বিজেপির উপরে চাপ অনেকটাই বাড়বে বলে মত তাঁদের।
নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নানা জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে একা লড়ে যাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাকিরা হই হই করলেও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই লড়ছেন মমতা৷ শুক্রবার ত্রিপুরা সফরে গিয়ে এমনটা বললেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু৷
বিজেপিশাসিত ত্রিপুরায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাংলার শাসকদল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা আগরতলায় ঘাঁটি করেছেন৷ এই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের সংসদ সদস্য শান্তনু সেন এবং রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। শুক্রবার সকালে আগরতলায় উড়ে গিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূল সংসদ সদস্য অপরূপা পোদ্দার৷
এদিন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘ত্রিপুরায় বামফ্রন্টের সঙ্গে কোনও জোট হবে না। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বামেদের সঙ্গে এই রাজ্যের বামেদের চরিত্রগত পার্থক্য আছে। তারা মাটির কাছাকাছি থেকে লড়াই করছেন। চাইলে বাম নেতা-কর্মীরা তৃণমূলে আসতে পারেন। তারা জানেন, বিজেপি’র বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’
ব্রাত্য বসু আরও বলেন, ‘প্রয়োজনে বারবার ত্রিপুরায় আসব। স্থানীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা ত্রিপুরার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেব৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়ন ও লড়াকু নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা আমরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’
অন্যদিকে, ত্রিপুরায় বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা তৃণমূলের নেতৃত্বের সফর প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেকোনও রাজনৈতিক দল কর্মসূচির জন্য আসতেই পারেন। আমরা ওদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব।’
ত্রিপুরায় সম্প্রতি তৃণমূল নেতাদের উপরে আক্রমণ ও তাদের গ্রেফতারের ঘটনায় তৃণমূল ও বিজেপি’র মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। তৃণমূলের বক্তব্য, গণতন্ত্রের হত্যাকারী বিজেপিকে পরাজিত করে জিতবে ত্রিপুরা।
নিউজ ডেস্ক: গত বছর থেকেই গোটা বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে করোনার প্রকোপ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা। ফলে, রোজই মুঠো মুঠো সাপ্লিমেন্ট খেয়ে ইমিউনিটি বাড়ানোর চেষ্টায় আছেন বহু মানুষ। কিন্তু ডাক্তারেরা বলছেন, এতে উলটো ফল হতে পারে। ফলে সিন্থেটিক ওষুধ নয়, ভরসা রাখতে হবে প্রতিদিনের খাবারে। বিশেষত শাক-সব্জি এবং ফল-মূল ইমিউনিটি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
যে কোনও ফলের রসই শরীরের পক্ষে ভালো। কিছু ফলের রস আছে যা খেতেও সুস্বাদু আর স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। যেমন আখের রস। ভারত সহ বিভিন্ন দেশেই আখের রস বেশ জনপ্রিয়। শীতকালে এই রস শরীর গরম রাখে আবার গরম কালে শরীর ঠান্ডা করে। আখের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং বহু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা যোগায়। এই রস শরীরকে প্রচুর এনার্জি যোগায় ও শরীর ভালো রাখে। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। জন্ডিস, রক্তাল্পতা, অম্বল জাতীয় রোগে খুব কাজে দেয় আখের রস। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং গ্যাসট্রিক সমস্যাতেও এর জুড়ি নেই।
আখের রসের গুনাগুন-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আখের রস পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে শরীর রক্ষা পায়। করোনার সময়েও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে নিয়মিত আখের রস পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তারেরা।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: আখ আমাদের শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ডায়বেটিস থাকলেও আখের রস পান করা নিরাপদ। আখের রসের মধ্যে প্রাকৃতিক মিষ্টি আছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।
লিভার ভাল রাখে: আখের রস লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি লিভার সুস্থ রাখে এবং লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। জন্ডিসের রোগীদের ডাক্তারেরা আখের রস খেতে বলেন।
ব্রণ দূর করে: আখের রস ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে। আখের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রার সুক্রোজ, যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এটি মুখের দাগ দূর করে এবং শরীরের বিষাক্ত বা টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে।
উজ্জ্বল ত্বক: গ্রীষ্মকালের কড়া রোদ এবং ঘামের কারণে ত্বক উজ্জ্বলতা হারায়। আখের রস ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। আখের মধ্যে থাকা সুক্রোজ শরীরের টক্সিক উপাদান পরিস্কার করে।
ওজন কমায়: আখের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের বিপজ্জনক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে।
হাড় শক্ত করে: আখের রসে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং পটাশিয়াম রয়েছে – এই সমস্ত উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টি বিপুল ভোটে জিতবে, তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাবে। দিনকয়েক আগেই সাংবাদিকদের বলেছিলেন সদ্য তৃণমূলে ফেরা মুকুল রায়। যদিও পরে জানিয়েছিলেন, তা নেহাতই ‘স্লিপ অফ টাং’ ছিল। এবার এক কদম এগিয়ে শুধু বিজেপি নয়, বিজেপির হয়ে কৃষ্ণনগরে তিনিই জিতবেন বলে দাবি করলেন তিনি। ফলে তিনি বিজেপি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে এলেও বিতর্ক তৈরি হয়েই চলেছে।
পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির প্রথম দিনের বৈঠকে থাকতে পারেননি। এদিন দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হওয়ার আধঘন্টা পর পৌঁছন মুকুল রায়। মুকুল রায়ের উপস্থিতির সম্ভাবনাতেই এদিনের বৈঠকও বয়কট করে বিজেপি পরিষদীয় দল। ১.৩০ নাগাদ বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান তৃণমূল নেতা। যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কৃষ্ণনগর থেকে দাঁড়ালে কী তিনি জিতবেন?
আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, “আবারও বিপুল ভোটে জিতব। তবে বিজেপির টিকিটে দাঁড়াতে হবে। তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ালে কী হবে, সেটা মানুষ ঠিক করবে।” স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বললেন না কেন? প্রসঙ্গত, বিজেপির টিকিটে জিতে ১১ জুন তৃণমূলে যোগ দেন মুকুল। তারপরেই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন।
কিন্তু বারবার তৃণমূল নেতার মুখে পদ্মের নাম কেন আসছে? তাহলে কি বিজেপির নেতাদের কটাক্ষ মতোই মুকুলের দেহ তৃণমূলে, কিন্তু মন পড়ে বিজেপিতে। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় মুকুল বলেন, “বিজেপির কাছে প্রশ্ন করা হলে, তার হিসাবেই উত্তর পাবে। অন্য রাজনৈতিক দলের কাছে প্রশ্ন করলে, সে জবাব দেবে। আমি বিজেপি দল হিসাবে বলেছি। আমি এখন স্বাভাবিকভাবে পুরোপুরি তৃণমূলে আছি।”
বায়োস্কোপ ডেস্ক: খুব বেশি দিন হয়নি একসঙ্গে সংসার করছেন দেবলীনা এবং গৌরব। ইতিমধ্যেই তাঁদের জুটি নিয়ে টলিউডে বেশ চর্চা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দুজনেই খুবই একটিভ। নিজেদের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ভক্তদের উপহার দিতে ভালোবাসেন দুজনেই। সম্প্রতি স্বামী গৌরবকে নিয়ে বিয়ের ৮ মাস পর হানিমুনে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন দেবলীনা।
আর হানিমুনের লোকেশন হিসেবে তাঁরা বেঁছে নিয়েছেন সমুদ্র সৈকতের শহর গোয়াকে। গৌরব তাঁর ইনস্টাগ্রামে ইতিমধ্যেই হানিমুনের একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন। নেটিজেনদের কাছ থেকে সেই সব ছবি ভালো রেসপন্সও পেয়েছে। তবে অনেকেই ছবিতে দেবলীনার ছোট পোশাক পরা নিয়ে কটাক্ষও করেছেন। এমনকি ট্রোলের শিকারও হতে হয়েছে গৌরব পত্নীকে।
গোয়ার রিসর্টে পুলে নামে জলকেলি করার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই বিতর্ক দানা বাঁধে। উত্তম কুমারের নাতবউকে এই পোশাকে দেখে মেনে নিতে পারেননি অনেকেই। খোলামেলা ছবি পোস্ট করাতে রীতিমতো ট্রোলের শিকার হতে হয়েছে দেবলীনাকে। এক নেটাগরিক লিখেছিলেন, ‘আর কাপড় খোলা বাকি আছে?’ এবারে হয়তো সেই ট্রোলের জাবাব দিতেই আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করলেন দেবলীনা।
তবে এবারের ছবিতে আরও বেশি খোলামেলা দেবলীনা। কালো বিকিনিতে উষ্ণতার পারদকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিলেন গৌরব ঘরণী। ছবির প্রতিটি পরতে রয়েছে তীব্র শরীরী আকর্ষণ। ছবিটি যে তাঁর স্বামী গৌরব তুলে দিয়েছেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ছবি পোস্ট করে দেবলীনা লিখেছেন, ‘উইকএন্ডের শুরু’। এই ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে দেবলীনা হয়তো ট্রোলারদের বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, তিনি কেমন পোশাক পরবেন তা সম্পূর্ণ তাঁর নিজের ব্যক্তিগত মতামত। উল্লেখ্য বর্তমানে ‘ডান্স বাংলা ডান্স’–এর বিচারকের আসনে তাঁকে দেখা যাচ্ছে।