করিশ্মা কাপুরের পোস্ট করা ছবিতে জমজমাট বরিবার, হাউজ পার্টিতে একাধিক চমক

karishma

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় করিশ্মা কাপুর একটি ছবি পোস্ট করেন। ‘পারফেক্ট সানডে ইভিনিং’ এই ক্যাপশন দিয়ে ছবিটি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন করিশ্মা কাপুর। সেই ছবিতে চাঁদের হাট। একাধিক বলিউড সেলেবদের দেখা মিললো করিশ্মার পোস্ট করা এই ছবিতে। সবাই মিলে রবিবারের সন্ধ্যায় হাউজ পার্টি করেন বলে জানা যায়। সেই আনন্দের মুহূর্তের ছবি ভক্তদের জন্য পোস্ট করলেন করিশ্মা।

ইতিমধ্যেই করিশ্মা কাপুরের করা এই পোস্ট নেটদুনিয়ায় ব্যপক ভাইরাল হয়েছে। করিশ্মার এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে শাহরুখ খান, গৌরি খান, করণ জোহর, করিনা কাপুর খান, অমৃতা আরোরা, মনীষ মালহোত্রা সহ আরও কয়েকজনকে। একই ছবি করণ জোহর এবং মনীষ মালহোত্রাকেও শেয়ার করতে দেখা যায়। তবে ঠিক কোন বিষয়ে পার্টি চলছে তা স্পষ্ট করে জানাননি কেউই।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Karisma Kapoor (@therealkarismakapoor)

 তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, অনুমান করা যাচ্ছে ইতিমধ্যেই ‘বিগ বস ১৫’ শুরু হয়েছে । এই প্রথম বার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে এই জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো। যার সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন করণ জোহর। আর ঠিক সেই কারনেই করণের তরফ থেকে ঘরোয়া পার্টির ব্যবস্থা করা হয়েছিলো বলে মনে করা হচ্ছে। ছবিতে একাধিক কমেন্ট আসতে থাকে। অনেকেই এই চাঁদের হাটের ফ্রেমের তারিফ করেছেন। তবে এই অতিমারি পরিস্থিতিতে এইভাবে একসঙ্গে পার্টি করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি অনেক নেটাগরিকরা।

অভাবের সংসার: পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন বক্সিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন রিতু

Ritu

নিউজ ডেস্ক: সদ্য টোকিও অলিম্পিক থেকে মহিলাদের বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতে দেশে ফিরেছেন লাভলিনা বোর্গেহাই। আসামের মেয়ের পদক নিশ্চিত হওয়ার পরেই আনন্দে ভেসেছে তাঁর গোটা গ্রাম, গ্রামের রাস্তাও পাকা হচ্ছে বলে খবর। অল্পের জন্য পদক মিস করেছেন দেশের আরেক মহিলা বক্সার মেরী কম। ২০১২ সালে ব্রোঞ্জ জেতার পর এবারও পদক পেলে অনন্য নজির গড়তেন তিনি। মণিপুরের এই মেয়েকে নিয়ে গর্বিত গোটা দেশ। অন্যদিকে, ঠিক সেসময়েই বক্সিং রিং থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন আরেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, রিতু।

আরও পড়ুন চোখের জলে বার্সেলোনা ছাড়লেন লিও মেসি

ইন্টার স্কুল বক্সিং প্রতিযোগীতায় দেশে সেরা হয়েছিলেন, নিজের জাত চিনিয়েছিলেন জাতীয় গেমসেও। তারপরেই অভাবের সংসারের হাল ধরতে ক্রমশ রিং থেকে দূরে চলে গেছেন তিনি। বর্তমানে সংসারের দায়িত্ব নিতে চন্ডীগড়ের সেক্টর ২২-এর শাস্ত্রী মার্কেটের পার্কিং লটে পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের কাজ করছেন তিনি।

Chandigarh Boxer Ritu नेशनल बॉक्सिंग की ये खिलाड़ी अब काट

সাড়া জাগিয়ে শুরু করলেও ২০১৭ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বক্সিং ছেড়ে দিতে বাধ্য হন তিনি। ২৩ বছর বয়সী রিতুর কথায়, “২০১৭ সালে আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর অসুস্থতার পর সংসারের দেখভালের দায়িত্ব নেয় আমার তিন ভাই। মোহালি, চন্ডীগড়ে দিনমজুর হিসেবে কাজ করে ওরা। কিন্তু তাতে সংসার না চলায় আমাকেও কাজে নামতে হয়। গত একবছর ধরে এই পার্কিং লটে কাজ করছি। আমার কাজ মূলত গাড়ি গুলির রসিদ সংগ্রহ করা, এর জন্য প্রতিদিন ৩৫০ টাকা করে পাই। সংসারের তাতে সাহায্য হলেও আমার মন পড়ে থাকে বক্সিং রিংয়েই। কিন্তু আমার কিছু করার নেই।”

Boxer Ritu Chandigarh: How will India play like this? Boxer Ritu cutting  off parking slips in Chandigarh to run home - MCE Zone

অলিম্পিক সহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ভালো খেলে লাভলিনা, মীরাবাঈ চানু, পিভি সিন্ধু, রানি রামপালরা দেশের মানুষের বাহবা কুড়োচ্ছেন, ঠিক তখনই অন্য মেরুতে এই প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। অবশ্য শুধু রিতুই নন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভাবের সঙ্গে লড়তে গিয়ে এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে বহু উঠতি প্রতিভা।

ধারাবাহিকের লড়াইয়ে আবারও প্রথম মিঠাই, পিছিয়ে রানী রাসমণি

serials

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বাংলার সেরা ধারাবাহিক লড়াইয়ের ফল প্রকাশ। আবারও মিঠাইয়ের জয়ের ধারা অব্যাহত। ১১.৫ রেটিং নিয়ে সপ্তাহের সেরা ধারাবাহিক মিঠাই। সপ্তাহের নানান চমকই এই জয়ের অন্যতম কারণ। যদিও আগের তুলনায় প্রায় ০.৮ পয়েন্ট কমেছে এই ধারাবাহিকের রেটিং। তবে সবশেষে জয় নিয়েই উচ্ছসিত সেটের সকলে।

সোমবার থেকে রবিবার, সপ্তাহের প্রত্যেকদিনই দর্শকরা রাত ৮ টায় জি বাংলায় এর ধারাবাহিকটি দেখতে পায়। তবে এই সপ্তাহের পর্বগুলোতে ছিল বিশেষ কিছু চমক, যা মন কেড়েছে দর্শকদের। এই প্রথমবার মিঠাইয়ের উচ্ছেবাবু অর্থাৎ সিদ্ধার্থ মোদক হাত মিলিয়েছে হলাপাটি দলের সঙ্গে। মিঠাইয়ের সঙ্গে ফন্দি পেতে বোন শ্রীতমা ও রাতুলের বিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করছে সিদ্ধার্থ। সব মিলিয়ে মিঠাই সিদ্ধার্থের এই নতুন সম্পর্কের হিসেবকে বেশ রসিয়ে উপভোগ করছেন দর্শকরা।

অন্যদিকে সপ্তাহের দ্বিতীয় সেরা ধারাবাহিকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে অপরাজিতা অপু। তাদের রেটিং পয়েন্ট ৯.৪। তৃতীয় স্থানে ৮.১ রেটিং নিয়ে আছে খড়কুটো। এছাড়া সেরা ধারাবাহিকের লড়াইয়ে কৃষ্ণকলি, যমুনা ঢাকি, শ্রীময়ী, মহাপিঠ তারাপীঠ, জীবন সাথী ও দেশের মাটি জায়গা করে নিয়েছে। তবে অত্যন্ত নিরাশাজনকভাবে নবম স্থানে রয়েছে রানী রাসমণি ও দশম স্থানে ডান্স বাংলা ডান্স।

“পরিচালকের সঙ্গে শুইনি বলে কাজ পাই না,” আক্ষেপ অভিনেত্রীর

nargis fakhri

নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই ‘মি-টু’-র কাঁটায় বিদ্ধ দেশের রুপোলি জগতের একাধিক পরিচালক-অভিনেতা-প্রযোজক। তাতেই এবার নতুন করে ঘি ঢাললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। আক্ষেপের সুরে জানালেন যে নগ্ন না হওয়ায়, পরিচালকের সঙ্গে না শোওয়ার ফলে আর কাজ পান না তিনি। অর্থাৎ, বুঝিয়ে দিলেন ‘বস’কে বিছানায় খুশি করলেই কাজ পাওয়া যায় ইন্ডাস্ট্রিতে।

আরও পড়ুন বিশ্লেষণ: বাংলা ওয়েবসিরিজও কিন্তু ‘সেমি পানু’র চেয়ে কম নয়

রণবীর কাপুরের বিপরীতে ‘রকস্টার’ ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন নার্গিস ফাকরি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তিনি। যদিও, বহুদিন ধরেই রুপোলি জগৎ থেকে দূরে আছেন নার্গিস।

আরও পড়ুন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নুসরত, চিন্তায় নেটদুনিয়া

‘রকস্টার’ হিট হওয়ায় পর পরপর বেশকিছু সিনেমা এবং কমার্শিয়ালের অফার আসে তার কাছে। যদিও তারপর ‘মাদ্রাস ক্যাফে’, ‘কিক’, ‘হাউসফুল ৩’-র মতো গাতে গোনা কয়েকটি ছবিতেই কাজ করেছেন তিনি। বছর কয়েক আগে এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছিলেন, স্ক্রিপ্ট এবং তার চরিত্রের গভীরতা দেখে কাজ করেন বলেই তার ঝুলিতে সিনেমার সংখ্যা কম।

Pin on Nargis Fakhri Hot pics

আরও পড়ুন পরমব্রতই ছিল আমার প্রথম ক্রাশ, অকপটে স্বীকার করলেন অভিনেত্রী মানালি

যদিও এবার তাঁর দাবি, ‘নগ্ন হওয়া’, ‘পরিচালকের সঙ্গে রাত কাটানো’ সম্ভব হয়নি বলেই ধীরে ধীরে বলিউডে ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন তিনি। নিজের আদর্শে চলতে বরাবর পছন্দ করেন, তাই তিনি সেসব হাতছানি উপেক্ষা করেছেন। এমনকী তাঁর সঙ্গে না শোওয়ার জন্য এক জনপ্রিয় পরিচালক তাঁকে সিনেমা থেকে শেষ মুহূর্তে বাদ দিয়ে দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন মাদক ও নগ্ন ছবির ব্যবসায় অভিযুক্ত পরীমনির গ্রেফতারে আতঙ্ক টলিপাডায়

শুরুর দিকেও যখন মডেলিং করছিলেন, তখনও তাঁর কাছে একটি ম্যাগাজিনের তরফে এই ধরনের ফোটোশ্যুটের অফার এসেছিল। তাঁর ম্যানেজার তাঁকে সেখানে যাওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু, ম্যাগাজিন ভালো টাকা অফার করারা পরেও তিনি সে কাজ করতে রাজি হননি।

ভারতীয় সেনার জল-স্থল-নৌবাহিনীতে অফিসার পদে প্রচুর নিয়োগ

vacancy indian army

নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার স্থল, জল এবং বায়ুসেনায় প্রচুর কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে৷ এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল৷ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে UPSC-র মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই তিন বাহিনীতে নিয়োগ করা হবে৷ বিজ্ঞপ্তিতে জানা হয়েছে কবে, কীভাবে এবং কীসের ভিত্তিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি হবে৷ তাতে আরও বলা হয়েছে কবের মধ্যে আবেদন করা যাবে৷

কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন, তার খুঁটিনাটি জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে৷ এই কাজের জন্য প্রার্থীর কী অভিজ্ঞতা প্রয়োজন, নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও ফি দিতে হবে কিনা, তাও বিজ্ঞপ্তিতে বলে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত হলে কত টাকা বেতন পাওয়া যাবে এবং আবেদনের সঙ্গে কী কী তথ্য জমা দিতে হবে৷ জেনে নিন নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত খুঁটিনাটি তথ্য৷

বিজ্ঞপ্তি নম্বর : ১১/২০২১সিডিএস-২
আবেদন এই বিজ্ঞপ্তি নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে৷

মোট শূন্যপদ: ৩৩৯ (ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি-১০০, ইন্ডিয়ান নাভাল অ্যাকাডেমি-২২, এয়ারফোর্স অ্যাকাডেমি- ৩২, অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি- ১৮৫টি পদ)।

শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা:
ক) ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি ও অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমির জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি।
খ) ইন্ডিয়ান নাভাল অ্যাকাডেমির জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক। গ) এয়ারফোর্স অ্যাকাডেমির জন্য ফিজিক্স ও অঙ্ক নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পাস বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি আবশ্যক।
ঘ) স্নাতক স্তরের শেষ বর্ষে পাঠরত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

বয়সসীমা:
ক) ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি – ১৮ থেকে ২৩ বছর (অবিবাহিত পুরুষ)
খ) ইন্ডিয়ান নাভাল অ্যাকাডেমি – ১৮ থেকে ২৩ বছর (অবিবাহিত পুরুষ)
গ) ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স অ্যাকাডেমি – ২০ থেকে ২৪ বছর
ঘ) অফিসার ট্রেনিং অ্যাকাডেমি – ১৮ থেকে ২৪ বছর (অবিবাহিত পুরুষ)
ঙ) অফিসার ট্রেনিং অ্যাকাডেমি – ১৮ থেকে ২৪ বছর (অবিবাহিত মহিলা)

আবেদনের ফি:
ক) জেনারেল – ২০০ টাকা
খ) এসসি/এসটি প্রার্থীদের ফি দিতে হবে না।
গ) ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড/নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে ফি জমা দিতে হবে।

আবেদন পদ্ধতি:
১৷ অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২৷ আবেদনের শেষ দিন – ২৪/০৮/২০২১ ৩) আবেদনের সময়ে ২০ থেকে ৩০০ কেবি সাইজের ছবি এবং নিজের সইয়ের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে।

প্রার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা:
১) লিখিত পরীক্ষা (ইংরাজি) – ১০০ নম্বর (২) জেনারেল নলেজ – ১০০ নম্বর (৩) এলিমেন্টারি ম্যাথেমেটিক্স – ১০০ নম্বর (৪) ইন্টারভিউ ও অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমির জন্য ইংরাজি – ১০০ নম্বর (৫) জেনারেল নলেজ – ১০০ নম্বর (৬) ইন্টারভিউ

কোথায় আবেদন: এখানে ক্লিক করুন লিঙ্কে ক্লিক করে আবেদন করা যাবে। এই লিঙ্কে ক্লিক করে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জেনে নিন।

পেগাসাস অতীত, ত্রিপুরা ইস্যুতে সংসদ কাঁপানোর পরিকল্পনা তৃণমূলের

mamata banarjee

নিউজ ডেস্ক: পেগাসাস ইস্যুতে সংসদে কোণঠাসা ভারতীয় জনতা পার্টি। প্রতিদিনই রীতিমতো যুদ্ধের মেজাজে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করছে বিরোধীরা। সেই ধারা বজায় রাখতে গিয়েই সাসপেন্ডও হয়েছিলেন ছয় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। এবার অবশ্য আক্রমণের বিষয় বদলাচ্ছেন তারা। অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা নিয়েই এবার ঝড় তোলা হবে সংসদের বাদল অধিবেশনে।

আরও পড়ুন বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাংলাপক্ষের সমাবেশ

গত সপ্তাহে অভিষেক ত্রিপুরা সফরের সময় বিমানবন্দরের কাছে দলীয় পতাকা লাগাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন দেবাংশু, সুদীপ রাহারা। ফের সোনামুড়া এলাকায় ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রনেতা সুদীপ রাহার গাড়িতে ইট ছোঁড়া হয়। তাঁর মাথায় ইটের আঘাত লেগে মাথা ফেটে যায় তার। সুদীপের সঙ্গে থাকায় আক্রান্ত হন দুই ছাত্রনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য ও জয়া দত্তও। যাবতীয় ঘটনায় অভিযোগের তির সেখানকার শাসকদলের নেতা, কর্মীদের দিকেই।

পরে আবার কারফিউ চলাকালীন মিছিল করতে গিয়ে গ্রেফতার হন তৃণমূলের নেতারা। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছানোর পর খোয়াই চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে জামিন পান যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত এবং সুদীপ রাহারা। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান তাঁরা।

আরও পড়ুন আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা কাঠগড়ায় বিজেপি

এবার সংসদে পরপর ত্রিপুরায় কিভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর আক্রমণ করা হয়েছে তা নিয়েই সরব হবেন সাংসদরা। আইপ্যাকের টিমকে হোটেল–বন্দি করা থেকে শুরু করে ছাত্রনেতাদের উপর হামলা, পরে গ্রেফতার। এই সবকিছু নিয়েই এবার কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়ের কথায়, ‘‌ত্রিপুরায় ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। গণতন্ত্র বলে কিছুই নেই। আমরা পার্টি। শেষ দেখে ছাড়ব। আমাদের যুব নেতাদের উপর যেভাবে হামলা হয়েছে, তারপর তাঁদের যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের অপমান।’‌ তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষও জানিয়েছেন, ”ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ধ্বংস। তরুণ তুর্কীদের উপর কুৎসিত হামলা চলছে। বিজেপির বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা।”

বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাংলাপক্ষের সমাবেশ

Bengla Pakkha in protest of BJP's Bengali partition conspiracy

নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাগের চক্রান্তের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল বাংলাপক্ষ৷ রবিবার বাংলাপক্ষের হুগলি জেলা কমিটির উদ্যোগে ডানকুনিতে একটি প্রতিবাদ সভা করা হয়৷ এদিন ডানকুনির ১৩ নম্বর ওয়ার্ড মিলন সংঘ ক্লাবের সামনে এই সমাবেশে বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে বাঙালিকে একজোট হওয়ার আহ্বান করা হয়৷ পাশাপাশি ভূমিপুত্র সংরক্ষণ তথা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সমস্ত পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগের দাবিও তোলা হয় এই পথসভায়৷ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডক্টর গর্গ চট্টোপাধ্যায় এবং সংগঠনের অন্যতম নেতা কৌশিক মাইতি।

বাংলা ভাগের চক্রান্ত হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি দীর্ঘদিন করছে৷ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে বাংলাকে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ দুই রাজ্যে ভাগ করে গোটা বাঙালি জাতিকে দুর্বল করার প্রক্রিয়া এখনও ভীষণ রকম ভাবে সক্রিয় বলে মনে করে বাংলাপক্ষ৷ এই পরিস্থিতিতেবাঙালি জাতির একতা এবং এই বাংলায় নিজেদের চাকরি বাজার, পুঁজি ব্যবসায় আধিপত্য যদি সুনিশ্চিত করতে হয়, তাহলে বাংলা ভাগ যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করতে হবে বলে এদিনের সভায় উঠে আসে৷

এছাড়াও বাংলার প্রত্যেকটি সরকারি চাকরিতে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করতে বাংলা পক্ষ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন প্রণয়নের দাবিতে জোর সওয়াল করা হয়৷ বাঙালি তথা যেকোনও অহিন্দি জাতির প্রতিনিধিত্ব দিনের পর দিন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারি চাকরি গুলো থেকে কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং হিন্দিতে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে যেভাবে হিন্দি বলয়ের রাজ্যগুলো থেকে সেখানকার বাসিন্দাদের একতরফা চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে, তাতে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে আঘাত নেমে আসছে সেই তথ্য তুলে ধরে বাংলা পক্ষ ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের যেকোনও পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে বাঙালির দীর্ঘমেয়াদি জনমত তৈরি করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়৷

garga chatterjee

এদিনের পথসভায় বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি যেভাবে দিনের-পর-দিন বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে এবং দলীয় সাংসদ বিধায়কদের কাজে লাগিয়ে দিনের-পর-দিন বাংলা ভাগের উস্কানি দিচ্ছে, এটা বাঙালি কোন ভাবে মেনে নেবে না৷ একইসঙ্গে ডানকুনি থেকে শ্রীরামপুর, শিলিগুড়ি পশ্চিম বর্ধমান সহ বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক শিল্প নগরী গড়ে উঠেছে৷ সেখানে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে৷ এই কর্মসংস্থানে ৮৬% চাকরি বাঙালির হতে হবে৷ একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে বাঙ্গালিদের বেদখল করার জন্য বাংলা ভাষায় পরীক্ষা নেওয়া হয় না৷ অথচ হিন্দিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়৷ আমরা কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে বাংলা ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার অধিকার চাই।

Koushik Maity

বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, ভারতের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে নূন্যতম ৭৫ শতাংশ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাস হয়েছে বা তার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাংলা ভারতের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ৷ তাই সব জায়গায় যে বাস্তবতা, সেই বাস্তবতা বাংলাতেও চাই। বাংলা ভাগ করে বাঙালিকে আর্থিকভাবে দুর্বল করার যে ষড়যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি করে চলেছে, তার বিরুদ্ধে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য জেলায় জেলায় বাংলা পক্ষ লড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সমস্ত পরীক্ষায় সেভাবেই হিন্দি বাধ্যতামূলক, সেভাবে বাংলা ভাষাতেও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। বাংলা পক্ষ সমস্ত বিষয়গুলো বাঙালির সামনে তুলে ধরেছে।

বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় কমিটির আরেক সদস্য তথা বাংলা পক্ষ হুগলি জেলার অন্যতম মনন মন্ডল জানিয়েছেন, বাংলা ভাগের চক্রান্ত হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের দীর্ঘদিনের। বাঙালিকে যেনতেন প্রকারে দুর্বল করে সেই জায়গায় বাইরে থেকে নিজেদের লোক এনে বসিয়ে বাংলার সবকিছু দখল করার চেষ্টায় বহিরাগত শক্তিরা অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। বাংলার মাটিতে যদি বাঙালি জাতির প্রতিনিধিত্ব সুনিশ্চিত করতে হয়, তাহলে আমাদের সবকিছুকে যদি আমাদের নিজেদের করে সামলে যত্নে রাখতে হয় তাহলে চাকরি বাজার পুঁজি ব্যবসা টেণ্ডার লাইসেন্স সমস্ত কিছুকে নিজেদের হাতে রাখতে হবে এবং তার জন্য প্রত্যেকদিন একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে। না হলে প্রতিদিন দখলদারি বাড়বে৷ বাঙালি তার মাটিতে সংখ্যাধিক হলেও, আমাদেরকে প্রতিদিন পরাস্ত করার চেষ্টা. আমাদেরকে প্রতিদিন দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে তোলার প্রক্রিয়া বহিরাগত হিন্দি সাম্রাজ্যবাদীরা চালিয়ে যাবে।

ভারতের প্রথম মহিলা পাইলটের জন্মদিনে ‘ডুডলে’ শ্রদ্ধার্ঘ্য গুগলের

thakral

নিউজ ডেস্ক: সদ্য টোকিও অলিম্পিকে ভারতের হয়ে পদক পেয়েছেন তিন মহিলা। মীরাবাঈ চানু, লাভলিনা, সিন্ধুদের কৃতিত্বে মেতে উঠেছে গোটা দেশ। এর মধ্যে ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু আবার পরপর দুটি অলিম্পিকে মেডেল পেয়েছেন। এর আগে ভারতের হয়ে যেই নজির ছিল একমাত্র কুস্তিগির সুশীল কুমারের। ফলে আনন্দে মাতোয়ারা গোটা দেশ। অন্যদিকে গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত লড়াই করেছে ভারতের মহিলা হকি টিম, গলফার অদিতি অশোকরাও। ফলে সেই কথাটি দাবানলের মতো উঠে আসছে, বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়ায়, তার নাম ‘উম্যান এমপাওয়ারমেন্ট’।

আরও পড়ুন কালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস

আজ সেরকমই এক মহিলার জন্মদিন। অবশ্য তার সময় এই শব্দবন্ধের ব্যবহারই শুরু হয়নি, গোটা সমাজই ছিল ভীষণভাবে পিতৃতান্ত্রিক। তিনি ভারতবর্ষের প্রথম মহিলা পাইলট, সরলা ঠকরাল। ১৯৩৬ সালে প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে পাইলটের ‘এ’ লাইসেন্স পান তিনি। তখন বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। লাহোর ফ্লাইং ক্লাব থেকে পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ পান তিনি। প্রাথমিক লাইসেন্স পাওয়ার পর, তিনি লাহোর ফ্লাইং ক্লাবের বিমানে হাজার ঘণ্টা আকাশে উড়েছিলেন তিনি।

তার পাইলট হওয়ার যাত্রা শুরু তারও বছর পাঁচেক আগে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। স্বামী পিডি শর্মা প্রথম ভারতীয় হিসেবে এয়ারমেইল পাইলট লাইসেন্স পেয়েছিলেন। তাঁর পরিবারে মোট ৯জন পাইলট ছিলেন। ১৯৩৯ সালে একটি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুর পরে লাহোর ফিরে এসে মেয়ো স্কুল অব আর্টে ভর্তি হন সরলা ঠকরাল। ফাইন আর্টসের উপর ডিপ্লোমা অর্জন করেন সেখানে। এর পরে পোশাক এবং অলংকারের নকশার কাজ শুরু করে হয়ে ওঠেন সফল ডিজাইনার।

আরও পড়ুন বাংলার প্রথম অভিধান লিখতে সময় লেগেছিল ৪০ বছর

পরে অবশ্য কমার্শিয়াল পাইলটের লাইসেন্সের জন্যে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধর জন্য সিভিল পাইলট প্রশিক্ষণ স্থগিত করা হয়েছিল। আজ তাঁর ১০৭তম জন্মদিন উপলক্ষে সরলাকে সম্মান জানিয়ে আজ বিশেষ ডুডল প্রকাশ করল গুগল।

সোমবার মাঝরাতে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

PM Kisan Samman Nidhi Scheme

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামিকাল, ৯ অগস্ট কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পের (PM Kisan Samman Nidhi Scheme Latest Updates) নবম কিস্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করবেন৷ ফলে এখন কৃষকদের জন্য অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯ অগস্ট রাত সাড়ে ১২ টায় কৃষকদের অ্যাকাউন্টে নবম কিস্তির (PM Kisan Samman Nidhi Scheme) টাকা দেবেন। MyGovIndia- ভারত সরকারের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল (MyGovIndia) থেকে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

PM Kisan Samman Nidhi Scheme

কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি এবং তাদের আয় বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ২০০০ টাকার তিনটি কিস্তি (PM Kisan Yojana Benefits) অর্থাৎ ৬০০০ টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠায়। এখন পর্যন্ত কৃষকদের অ্যাকাউন্টে PM কিষাণ সম্মান যোজনার ৮ কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন পরবর্তী অর্থাৎ নবম কিস্তির টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে আসতে চলেছে। এর আগে অষ্টম কিস্তির টাকা ১৪ মে দেওয়া হয়েছিল।

কী করে জানতে পারবেন আপনার কিস্তির অবস্থান
1. আপনার কিস্তির অবস্থা দেখতে আপনি প্রথমে ওয়েবসাইটে যান।
2. এর পর ডান পাশে Farmers Corner এ ক্লিক করুন।
3. এখন বেনিফিশিয়ারি স্ট্যাটাস অপশনে ক্লিক করুন।
4. এখন আপনার সামনে একটি নতুন পেজ খুলবে।
5. এখানে আপনি আপনার আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর লিখুন।
6. এর পরে আপনি আপনার অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাবেন।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য দেশের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা এবং তাদের সরাসরি আর্থিক সাহায্য করা। পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষায় থাকা কৃষকরা অগস্টে আবার সুখবর পেতে চলেছেন। আপনি যদি এর জন্যও আবেদন করেছেন, তাহলে আপনি এইভাবে তালিকায় আপনার নাম চেক করতে পারেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী বা আয়কর প্রদানকারী কৃষকদের যোগ্য বলে গণ্য করা হয় না। এর বাইরে ১০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পাওয়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সিএ এবং কর্মচারীরাও এই স্কিমে যোগ দিতে পারবেন না।

চোখের জলে বার্সেলোনা ছাড়লেন লিও মেসি

Messi

স্পোর্টস ডেস্ক: সাধের বার্সেলোনায় শেষ মেসি জমানা। ক্যাম্প ন্যু’তে শেষবারের মতো প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়ে দিলেন কাতালুনিয়ার ঘরের ছেলে। দীর্ঘ ১৭ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে অন্য ক্লাবের মহাতারকা লিওনেল মেসি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনার লা মাসিয়া অ্যাকাডেমিতে এসেছিলেন। ফলে বিদায়লগ্নের প্রেস কনাফারেন্সে নিজেকে আর সামলাতে পারলেন না তিনি।

আর্জেন্তিনার হয়ে কোপা জয়ের পর নিজের পারিশ্রমিক অর্ধেক করেও বার্সেলোনার সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজিও হয়ে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কথা ছিল কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারিভাবে মেসির নতুন চুক্তির কথা ঘোষণা করা হবে। কিন্তু শেষ কয়েকদিনে বদলে যায় ছবিটা।

MARCA-র রিপোর্ট অনুযায়ী মেসির এজেন্টদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে আলোচনায় বসে বার্সা বোর্ড। এই আলোচনা সভার পরেই মেসির সঙ্গে চুক্তি বাড়ানোর কথাবার্তা ভেস্তে যায়। ক্লাবের পক্ষ থেকে পরিস্কার করে দেওয়া হয়, বার্সা ছাড়ছেন তাদের ঘরের ছেলে।

সেই সিদ্ধান্তের কথা জানাতেই আজ ক্লাবের পক্ষ আজ প্রেস কনফারেন্সে আসেন মেসি। কনফারেন্স চলাকালীন টিস্যু পেপারে মেসির চোখ মোছার দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। দু’দশক আগে বার্সেলোনার সঙ্গে কিশোর লিওর চুক্তি হয়েছিল টিসু পেপারে সই করেই।

আরও পড়ুন নীরজের বর্শায় সোনার লক্ষ্যভেদ ভারতের

আরও পড়ুন বড়পর্দায় আসছে রুপোর মেয়ে চানুর বায়োপিক

কার্যত তার ইচ্ছের বিরুদ্ধেই ক্লাব ছাড়তে হচ্ছে বলে স্পষ্ট করে দেন মেসি। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এই কঠিন পরিস্থিতির জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর আমি দল ছাড়তে চেয়েছিলাম, কিন্তু এই বছর আমি, আমার পরিবার সকলেই চেয়েছিলাম যাতে এখানেই আমি খেলা চালিয়ে যাই। এটাই আমার বাড়ি। ১৩ বছর বয়সে আমি এখানে এসেছিলাম। আজ ২১ বছর বাদে আমার স্ত্রী এবং তিন সন্তানের সঙ্গে আমি দল ছাড়ছি।’

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নুসরত, চিন্তায় নেটদুনিয়া

Hospital bed

নিউজ ডেস্ক: দরকার ছিল বিশ্রামের, সেই পরামর্শই দিয়েছিলেন ডাক্তারেরা। তা উপেক্ষা করেই অসুস্থ শরীরে শ্যুটিং করছিলেন অভিনেত্রী নুসরত। সেখানেই ঘটে বিপত্তি, তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শ্যুটিং বন্ধ করে তাকে সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। আর সে খবর জানার পর থেকেই চিন্তায় নায়িকার অনুগামীরা।

আরও পড়ুন মাদক ও নগ্ন ছবির ব্যবসায় অভিযুক্ত পরীমনির গ্রেফতারে আতঙ্ক টলিপাডায়

আরও পড়ুন পরমব্রতই ছিল আমার প্রথম ক্রাশ, অকপটে স্বীকার করলেন অভিনেত্রী মানালি

মুম্বইয়ে ‘লাভ রঞ্জন’  সিনেমার শ্যুটিং চলছিল। তার মাঝেই ব্লাড প্রেশার নেমে অসুস্থ হয়ে পড়েন নুসরত বারুচা। জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই ভুগছেন অভিনেত্রী। তবে শ্যুটিং চলাকালীন নুসরতের রক্তচ্চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় একেবারে অনেকটাই নেমে যায়।

প্যায়ার কা পঞ্চনামা খ্যাত অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সিনেমার শ্যুটিং করার সময়ে আমি সেটের কাছাকাছিই এক হোটেলে থাকছিলাম। বর্তমানে, সময় বাঁচানোর জন্য লোকেশনের কাছাকাছি থাকা অনেকটাই সুবিধের। তবে তিন সপ্তাহ শ্যুটিং চলার পর হঠাৎ একদিন শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে। 

আরও পড়ুন বাংলার প্রথম অভিধান লিখতে সময় লেগেছিল ৪০ বছর

আরও পড়ুন বিশ্লেষণ: বাংলা ওয়েবসিরিজও কিন্তু ‘সেমি পানু’র চেয়ে কম নয়

কিছুক্ষন পরেই অসুস্থতা বাড়লে সেটের বাকিরা আমাকে মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় তার ব্লাড প্রেশার ৬৫/৫৫-তে নেমে গিয়েছে। যদিও বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আপাতত ১৫ দিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এই অভিনেত্রীকে।

Forbes: এশিয়ার সেরা সুন্দরীর তালিকায় ছিল পরীমনি

parimani

নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বসের তালিকায় ছিল বাংলাদেশের বিতর্কিত অভিনেত্রী-মডেল পরীমনি৷ ২০২০ সালে এশিয়ার ডিজিটাল তারকাদের তালিকায় উঠেছিল এই অভিনেত্রীর নাম৷ সেখানে বলিউডের খ্যাতনামা অনেক তারকা ও সংগীত শিল্পীর পাশাপাশি ছিল বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমনিও৷ তালিকার শীর্ষে ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়েদের ব্যান্ড ‘ব্ল্যাক পিঙ্ক’৷ প্রকাশিত ওই তালিকায় পরীমনি সম্পর্কে লেখা হয়েছিল, ‘‘ফেসবুকে প্রায় এক কোটি ফলোয়ার রয়েছে পরীমনির৷’’ তার আসল নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি৷

Pori Moni only Bangladeshi on Forbes Asia's Stars' list

সোস্যাল নেটওয়ার্ক তারকাদের শক্তিশালী উপস্থিতি পর্দা ও মঞ্চে তাদের আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে৷ এছাড়া করোনা সংকটের মধ্যেও এই তারকারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত, অনুরাগী ও ফলোয়ারদের সচেতন ও আশাবাদী হতে সাহায্য করেছেন৷

২০১৯ সালে ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সিজেএফবি পারফর্ম্যান্স অ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে সমালোচক পুরস্কার পান পরীমনি৷ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মাণাধীন একটি চলচিত্রসহ বেশ কিছু ছবিতে কাজ করছেন৷

Pori Moni only Bangladeshi on Forbes Asia's Stars' list

মুক্তির আগে ২৩টি চলচিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন এই বাংলাদেশি অভিনেত্রী৷ ছবি মুক্তির আগেই সংবাদমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছিল আলোচনা-সমালোচনা৷ ২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর৷

মডেলিংয়ের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন পরীমনি৷ এছাড়া পরে টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন৷
জন্ম ১৯৯২ সালে সাতক্ষীরায়৷ ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানো পরীমনি বড় হয়েছেন তাঁর নানার কাছে৷ সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের ছাত্রী ছিলেন৷ তবে পরীক্ষা দেননি৷

Tech Tips: কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট ব্যবহার

indian women working

নিউজ ডেস্ক: আপনার কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহার কমিয়ে কি-বোর্ডের ব্যবহার বাড়ান৷ কারণ, মাউসে সমস্যা হলে আপনার কম্পিউটার অকেজো হয়ে পরে৷ তার থেকে মুক্তি পাবেন কিবোর্ড দিয়েই প্রয়োজনীয় কাজগুলি করতে পারলে৷

আর তাছাড়া মাউসের থেকে কি-বোর্ড ব্যবহার করে কাজ করলে আপনার কাজের সময়ও অনেক কমবে৷ মাউস পয়েন্টার নিয়ে সঠিক জায়গায় ক্লিক করে কাজ করতে যা সময় লাগে তার অর্ধেক সময়ে আপনি কি-বোর্ডের ব্যবহারে কাজ করতে পারবেন কম্পিউটারে৷ তাই দ্রুত ভালো কাজের জন্য আপনাকে দেওয়া হল কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট টিপস৷

Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows)
CTRL+C (Copy)
2. CTRL+X (Cut)
3. CTRL+V (Paste)
4. CTRL+Z (Undo)
5. DELETE (Delete)
6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)
7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item)
8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)
9. F2 key (Rename the selected item)
10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)
11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)
12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)
13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)
14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)
SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)

15. CTRL+A (Select all)
16. F3 key (Search for a file or a folder)
17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item)
18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)
19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)
20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)
21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly)
22. ALT+TAB (Switch between the open items)
23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)
24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)
25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)
26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)
27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window)
28. CTRL+ESC (Display the Start menu)
29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command)

30. F10 key (Activate the menu bar in the active program)
31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu)
32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu)
33. F5 key (Update the active window)
34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer)
35. ESC (Cancel the current task)
36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing)
Dialog Box – Keyboard Shortcuts
1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs)
2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs)
3. TAB (Move forward through the options)
4. SHIFT+TAB (Move backward through the options)
5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option)
6. ENTER (Perform the command for the active option or button)
7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box)
8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons)
9. F1 key (Display Help)
10. F4 key (Display the items in the active list)
11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box)

Microsoft Natural Keyboard Shortcuts
1. Windows Logo (Display or hide the Start menu)
2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box)
3. Windows Logo+D (Display the desktop)
4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows)
5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows)
6. Windows Logo+E (Open My Computer)
7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder)
8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers)
9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help)
10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
11. Windows Logo+R (Open the Run dialog box)
12. Windows Logo+U (Open Utility Manager)
13. Accessibility Keyboard Shortcuts
14. Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off)
15. Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off)

16. Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off)
17. SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off)
18. NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off)
19. Windows Logo +U (Open Utility Manager)
20. Windows Explorer Keyboard Shortcuts
21. END (Display the bottom of the active window)
22. HOME (Display the top of the active window)
23. NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder)
24. NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)

MMC Console Windows Shortcut keys
1. SHIFT+F10 (Display the Action shortcut menu for the selected item)
2. F1 key (Open the Help topic, if any, for the selected item)
3. F5 key (Update the content of all console windows)
4. CTRL+F10 (Maximize the active console window)
5. CTRL+F5 (Restore the active console window)
6. ALT+ENTER (Display the Properties dialog box, if any, for theselected item)
7. F2 key (Rename the selected item)
8. CTRL+F4 (Close the active console window. When a console has only one console window, this shortcut closes the console)

Remote Desktop Connection Navigation
1. CTRL+ALT+END (Open the Microsoft Windows NT Security dialog box)
2. ALT+PAGE UP (Switch between programs from left to right)
3. ALT+PAGE DOWN (Switch between programs from right to left)
4. ALT+INSERT (Cycle through the programs in most recently used order)
5. ALT+HOME (Display the Start menu)
6. CTRL+ALT+BREAK (Switch the client computer between a window and a full screen)
7. ALT+DELETE (Display the Windows menu)
8. CTRL+ALT+Minus sign (-) (Place a snapshot of the active window in the client on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing PRINT SCREEN on a local computer.)
9. CTRL+ALT+Plus sign (+) (Place asnapshot of the entire client window area on the Terminal server clipboardand provide the same functionality aspressing ALT+PRINT SCREEN on a local computer.)

Microsoft Internet Explorer Keyboard Shortcuts
1. CTRL+B (Open the Organize Favorites dialog box)
2. CTRL+E (Open the Search bar)
3. CTRL+F (Start the Find utility)
4. CTRL+H (Open the History bar)
5. CTRL+I (Open the Favorites bar)
6. CTRL+L (Open the Open dialog box)
7. CTRL+N (Start another instance of the browser with the same Web address)
8. CTRL+O (Open the Open dialog box,the same as CTRL+L)
9. CTRL+P (Open the Print dialog box)
10. CTRL+R (Update the current Web )

নীরজের বর্শায় সোনার লক্ষ্যভেদ ভারতের

Neeraj chopra

নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছরের অপেক্ষা। অভিনব বিন্দ্রার পর আবার ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতল ভারত। ১৩৩ কোটি ভারতবাসীর মুখে হাসি ফোটালেন নীরজ চোপড়া। শনিবার টোকিও অলিম্পিক্স থেকে দেশকে জ্যাভলিন থ্রো’তে সোনা এনে দিলেন নীরজ। এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী থাকল দেশ। জীবনের প্রথম অলিম্পিক্সেই সোনা ছিনিয়ে নিলেন এই আর্মিম্যান। 

দুর্দান্ত দুই থ্রোয়ে অলিম্পিক্সের ইতিহাসে ভারতের সোনার খরা কাটিয়ে দিলেন এই অ্যাথলিট। অলিম্পিক্সের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের কোনও ইভেন্টে পদক জিতলেন। শনিবার ফাইনালে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৮৭.৫৮ মিটার জ্যাভলিন ছুঁড়ে পদক জিতলেন তিনি। এর আগে অ্যাথলেটিক্সে ভারত কোনও পদকই জেতেনি অলিম্পিক্সে। 

ফাইনালের শুরুতেই প্রথম রাউন্ডে নীরজ ছুঁড়েছিলেন ৮৭.০৩ মিটার, দ্বিতীয় রাউন্ডে নিজেকে ছাপিয়ে ছুড়লেন ৮৭.৫৮ মিটার। ফাইনালে প্রথম তিন প্রচেষ্টার পরেই ছিটকে তিনি ছিটকে জার্মানির জোহানেস ভেটার।

তেরঙা হাতে নীরজ।

ফলে নীরজের লড়াইটা মূলত ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের দুই থ্রোয়ারের সঙ্গে। কিন্তু দু’জনেই শেষ দুটি থ্রোয়ে ফাউল করে বসেন। ফলে নিজের ষষ্ঠ থ্রোয়ের আগেই সোনা জিতে যান নীরজ।

এর আগে অলিম্পিক্সের মঞ্চে মিলখা সিংহ, পি টি ঊষা, অঞ্জু ববি জর্জ, বিকাশ গৌড়ার মতো ক্রীড়াবিদরা কাছে এসেও পদক জিততে পারেননি। ব্যক্তিগত ইভেন্টে একমাত্র সোনা ছিল অভিনব বিন্দ্রার কাছে। বিন্দ্রা ২০০৮ সালে বেজিং অলিম্পিক্সে শুটিংয়ে সোনা পান। ১৩ বছর পর ফের কেউ সেই নজির গড়লেন। তিনিও উচ্ছ্বসিত ভারতের নতুন সোনার ছেলের এই পারফরম্যান্সে।

বাংলার প্রথম অভিধান লিখতে সময় লেগেছিল ৪০ বছর

Haricharan-Banerjee

অনুভব খাসনবীশ: অভিধান বা শব্দকোষ, যেকোনো ভাষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। কারণ, ভাষার আঁধার হল শব্দ। সেই শব্দ এবং তার বিবিধ ব্যবহারই ধরা থাকে অভিধানে। অভিধানবিহীন ভাষার কথ্যরুপে অস্তিত্ব থাকলেও লেখ্যরুপে সেই ভাষার গুরুত্ব থাকে না। ইমারতের ভীতের মতোই যা তৈরী করতে অত্যন্ত আদরে, যত্নে। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে সেই কাজটিই করেছিলেন ভাষা-সাধক হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রায় চল্লিশ বছরের সাধনার ফল ‘বঙ্গীয় শব্দকোষ’।

আরও পড়ুন পচাত্তর পেরিয়ে আজও বাঙালির প্রিয় শালিমার

২৩ জুন, ১৮৬৮ সালে রামনারায়ণপুর, চব্বিশ পরগণায় জন্ম হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পিতা নিবারণ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। মায়ের নাম জগৎমোহিনী দেবী। শৈশবের অনেকটা সময় হরিচরণ মামাবাড়িতে কাটিয়েছেন। তারপর চলে আসেন নিজের পৈত্রিক ভিটেয়, যশাইকাটি গ্রামে। (উইকিপিডিয়া মতে, গ্রামটির নাম মশাইকাটি। আবার, বাংলাপিডিয়ায় তার পৈতৃক গ্রামের নাম লেখা জামাইকাটি।)

আরও পড়ুন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন কলেজের ইতিহাস

সেখানে প্রাথমিক শিক্ষালাভের পর কলকাতায় এসে ভর্তি হন জেনারেল এসেম্বলিজ ইন্সটিটিউশনে। বর্তমানে যার নাম স্কটিশ চার্চ কলেজ। তারপর ভর্তি হন মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশনে বা বর্তমানের বিদ্যাসাগর কলেজে। স্কটিশ চার্চে পড়ার সময়েই তাঁর সঙ্গে পরিচয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। তাদের পরিচয়ের শুরু নাটক থেকে। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে প্রায়ই নাটক হতো। সেখানে অভিনয় করতেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। কিশোর হরিচরণ সে নাটকের খবর পেয়ে ‘বাল্মিকী প্রতিভা’ নাটক দেখতে আসেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। সেখানেই আলাপ কবিগুরুর সঙ্গে।

এই কবিগুরুর সুপারিশেই তিনি ভর্তি হন মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউটে। মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশনের বেতন তখন তিন টাকা। এই বেতন দেওয়া তার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না কিশোড় হরিচরণের পক্ষে। খোঁজ-খবর নিয়ে জানলেন, পটলডাঙার মল্লিক পরিবার এই কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বেতন দেন। সেই বৃত্তির জন্য দরখাস্ত করলেন কলেজের সভাপতির কাছে। ইন্ডিয়ান মিরর পত্রিকার সম্পাদক নরেন্দ্রনাথ সেন তখন সেখানকার সভাপতি। দরখাস্তের সঙ্গে দুটি সুপারিশপত্র জুড়ে দিলেন হরিচরণ। একটি চিকিৎসক চন্দ্রমোহন ঘোষের, আরেকটি রবীন্দ্রনাথের!

আরও পড়ুন কালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস

কিন্তু ভাগ্যের ফেরে পড়া শেষ করতে পারেননি তিনি। বাবা মারা যাওয়ায় পরিবারের দায়িত্ব নিতে চাকরীতে ঢুকতে হয় তাকে। কলকাতা টাউন স্কুলের প্রধান পণ্ডিত নিযুক্ত হন তিনি। বছরখানেকের মধ্যে শিক্ষকতা ছেড়ে সুপারিন্টেনডেন্ট হিসেবে কাজ নিলেন পতিসরের কাচারিতে। পতিসর তখন ঠাকুরবাড়ির জমিদারির অন্তর্গত। ততদিনে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ জমিদারির দেখাশোনা শুরু করেছেন। অর্থাৎ হরিচরণ হয়ে গেলেন রবীন্দ্রনাথদের কর্মচারী।

কাচারি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রবীন্দ্রনাথ সেবছরেই পতিসরে এলেন। হরিচরণের সঙ্গে কথায় কথায় জানতে পারলেন যে শুধু জমিদারি দেখাশোনার কাজই নয়, সংস্কৃতের আলোচনা এবং প্রেসের কপি-পাণ্ডুলিপিও প্রস্তুত করেন তিনি। হরিচরণের লেখা সেই পান্ডুলিপি দেখলেন তিনি। কিছুদিন পর পতিসরের ম্যানেজার শৈলেশচন্দ্র মজুমদারকে জানালেন, সংস্কৃতজ্ঞ সুপারিন্টেন্ডকে যেন তাঁর কাছে শান্তিনিকেতনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ১৯০২ সালে শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্যাশ্রমে সংস্কৃতের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন ‘সুলেখা কালি কলঙ্কের চেয়েও কালো।’, বিজ্ঞাপনে লিখেছিলেন স্বয়ং বিশ্বকবি

সেখানে যোগ দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তাকে রবীন্দ্রনাথ দায়িত্ব দিলেন ‘সংস্কৃত প্রবেশ’ রচনা করার। সেটি শেষ হওয়ার আগেই পেলেন নতুন দায়িত্ব, কবিগুরু তাকে জানালেন, “বাংলা ভাষার কোনো শব্দকোষ নেই, তোমাকে একটি অভিধান লিখতে হবে।” যদিও তখনও সেই হয়নি সংস্কৃত প্রবেশ রচনার কাজ। হরিচরণ সময় চেয়ে নিলেন গুরুর কাছ থেকে। ১৯০৫ সালে তিন খন্ডের সংস্কৃত প্রবেশ রচনা শেষ হয়। তারমধ্যেই রচনা ফেলেছেন একটি ‘পালি প্রবেশ’ও। পালি ভাষা না হলেও, বাংলা ভাষার তৎসম ও তদ্ভব শব্দের সঙ্গে সংস্কৃতের যথেষ্ট মিল রয়েছে। ফলে সংস্কৃত প্রবেশ এবং পালি প্রবেশ লেখার অভিজ্ঞতা তাকে সাহায্য করেছিল বাংলা অভিধান লেখার ক্ষেত্রে।

বঙ্গীয় শব্দকোষ' হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুড়ি বছরের সাধনার ফসল,এই কাজের  জন্যে হারিয়েছিলেন দৃষ্টিশক্তি | Bangla Amar Pran - The glorious hub for  the Bengal ...

যদিও তাঁর কাছে কোনো অভিজ্ঞ আভিধানিকও ছিল না ধারণা পাওয়ার জন্য। সে কথাই তিনি লিখে গেছেন বঙ্গীয় শব্দকোষের ‘সংকলয়িতার নিবেদন’ অংশে। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “অভিধান সংকলনে কেহই আমার পথপ্রদর্শক ছিলেন না; কোন বিজ্ঞ অভিধানিকের সাহায্যলাভের আশাও করিতে পারি নাই। নিজ বুদ্ধিতে যে পথ সহজ বুঝিয়াছিলাম, তাহাই আশ্রয় করিয়া কায্যে অগ্রসর হইয়াছি; অসহায়ভাবে কায্য করার ফলে, ব্যর্থ পরিশ্রমে আমার অনেক সময় নষ্ট হইয়াছে। তখন অভিধান-রচনার অনুরূপ উপকরণসঞ্চয়ের নিমিত্ত প্রস্তুত হইলাম এবং অধ্যাপনার অবসানে নানা বাঙলা পুস্তক পাঠ করিয়া প্রয়োজনীয় বিষয় সংগ্রহ করিতে লাগিলাম। আশ্রমের গ্রন্থাগারে যে সকল প্রাচীন বাঙলা গ্রন্থ ছিল, প্রথমে তাহা হইতেই অনেক শব্দ সংগৃহীত হইল। এই সময়ে প্রাচীন ও আধুনিক প্রায় পঞ্চাশখানি গদ্য-পদ্য গ্রন্থ দেখিয়াছিলাম। তদ্ভিন্ন সেই সময়ে প্রকাশিত বাঙলাভাষার অভিধান, ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা’সমুহে প্রকাশিত প্রাদেশিক শব্দমালা ও বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কৃত ‘শব্দসংগ্রহ’ হইতে অনেক শব্দ সঞ্চিত হইয়াছিল। প্রাকৃতব্যাকরণ হইতেও অনেক বাঙলা শব্দের মূল সংস্কৃত শব্দ ও তদ্ভব শব্দও কিছু লিপিবদ্ধ করিয়াছিলাম। ইহাতে আমার প্রায় দুই বৎসর অতীত হয়। ১৩১৪ সালের ১৬ চৈত্র আমার শব্দ-সংগ্রহের সমাপ্তির দিন।”

১৩১৭ বঙ্গাব্দে গিয়ে সেই সংগ্রহ করা শব্দ সাজানো শেষ হলো। এরপর শুরু হল বাংলার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংস্কৃত শব্দের সংযোজন। সেগুলোর বুৎপত্তি, সত্যিকারের প্রয়োগ ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ইত্যাদিও লিপিবদ্ধ করলেন তিনি। হরিচরণের ভাষায়—ইহাই প্রকৃত শব্দ-সংগ্রহের শুরু। ঠিক সে সময়েই শান্তিনিকেতনে শুরু হল টাকা-পয়সার টানাটানি। বাধ্য হয়ে সেখানকার কাজ ছেড়ে দিয়ে হরিচরণ কলকাতার সেন্ট্রাল কলেজে সংস্কৃত পড়ানোর কাজ নিলেন। তাতে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেল শব্দকোষ লেখার কাজ, হরিচরণের মনও পড়ে রইল শান্তিনিকেতনে।

সেকথা জানতে পেরে রবীন্দ্রনাথ চিঠি লিখলেন মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দীকে। কবিগুরুর অনুরোধে সেসময়ে দানশীল বলে পরিচিত মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী হরিচরণকে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বৃত্তি দেবেন বলে ঠিক করেন। সেই কথামতোই ১৩১৮ থেকে ১৩২৬ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত নয় বছর ৫০ টাকা করে, এবং পরের চার বছর ৬০ টাকা করে বৃত্তি দিয়ে গেছেন হরিচরণকে। ১৩৩০ বঙ্গাব্দ, ইংরেজী ১৯২৩ সালে এসে অভিধান রচনার প্রাথমিক কাজ শেষ হয়। রচিত হয় বঙ্গীয় শব্দকোষ।

এই দেড় দশকে নিজেকে একেবারে নিংড়ে দিয়েছিলেন হরিচরণ। তা বোঝা যায় আনন্দবাজার পত্রিকার সেই সময়ের প্রকাশিত লেখা দেখলে। সুরঞ্জন ঘোষ একটি লেখায় বর্ণনা দিয়েছেন—‘‘প্রতিদিন সান্ধ্য আহ্নিক সেরে লন্ঠনের আলোয় কুয়োর ধারে খড়ের চালাঘরে পশ্চিম জানলার কাছে হরিবাবু কাজ করতেন। ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ও যখনই হরিচরণের বাড়ি যেতেন, দেখতেন তক্তপোষের উপর ডাঁই করে রাখা উর্দু, পার্সি, ইংরেজি, ওড়িয়া, মারাঠি-সহ বিভিন্ন ভাষার অভিধান ছড়ানো রয়েছে।

প্রাথমিক ভাবে অভিধান লেখার কাজ শেষ হওয়ার পর এবার সামনে এসে দাঁড়াল আরেক সমস্যা। সেই অভিধান ছাপাতে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকার মতো লাগবে। কিন্তু ছাপানোর জন্য পয়সা কে দেবে? মনে রাখতে হবে এর আগে বাঙলা ভাষার কোনও অভিধান ছিল না। ফলে এর গুরুত্ব বোঝার মতো লোক সে সময়ে খুব কম ছিল। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের ইচ্ছে ছিল, এই শব্দকোষ বিশ্বভারতী থেকে ছাপা হবে। বিধুশেখর শাস্ত্রী ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দিলেন রবীন্দ্রনাথ।

আরও পড়ুন বাস্তবের সিধুজ্যাঠাই ছিলেন কলকাতার শেষ বাবু

পরবর্তী দশ বছর টাকার খোঁজে লেগে থাকলেন প্রত্যেকে। ফলে ওভাবেই পড়ে রইল পাণ্ডুলিপি। হরিচরণ এই সময়ের মধ্যে তিনি সবটা পাণ্ডুলিপিকে আরো ঘষামাজা করলেন। দশ বছর পর ‘বিশ্বকোষ’ নামে একটি প্রকাশনীর মালিক নগেন্দ্রনাথ বসু রাজি হলেন অভিধানটি প্রকাশ করতে।

No photo description available.

শেষ পর্যন্ত পুরো অভিধানটি প্রকাশিত হয় ১০৫ খণ্ডে। বিশ্বভারতী কোনো ধরনের কমিশন ছাড়াই বিক্রির দায়িত্ব নিল। পরে ১৯৬৬-৬৭ সালে পুরো বঙ্গীয় অভিধানটি সাহিত্য অ্যাকাডেমি দুখণ্ডে প্রকাশ করে। যদিও তার আগেই ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এই ভাষা-সাধকের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৪৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরোজিনী বসু স্বর্ণপদক পান তিনি। ১৯৫৭ সালে তৎকালীন আচার্য জওহরলাল নেহরুর হাত থেকে পান বিশ্বভারতীর সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দেশিকোত্তম।

 

 

উত্তরবঙ্গে বন্যা, মালদায় গিয়ে ছবি তুলে লোক দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী: দিলীপ ঘোষ

Mamata-Dilip

কলকাতা: রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর বাড়ল। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্যার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ডিভিসি-র জল ছাড়াকে দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। তা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ‘বিভ্রান্তিকর তথ্য’ দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন কালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস

এবার একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বসলেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে অন্যদের দোষারোপ করা। তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কি করেছেন? কলকাতাকে বাঁচাতে পারছেন না। ঘাটাল, ময়না ইত্যাদি জায়গার অবস্থা আরও শোচনীয়। উত্তরবঙ্গে বন্যা হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু মালদা গিয়ে জলে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে নিয়ে চলে এসেছিলেন।”

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতিতে রাজ্যের পাশেই আছে কেন্দ্র। প্রয়োজনে সব ধরনের সাহায্য করবে কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়েছি। নবান্নে ফিরে এসে সামগ্রিক রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠাব।’ তা নিয়েও অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি এদিন বলেন, সেচের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিতে না পারায় টাকা দিল্লিতে ফেরত চলে গিয়েছে।

আরও পড়ুন নয় দশক পেরিয়েও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ বোরোলিন

এর পরেই দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের জল ছাড়ার বিষয়ে অভিযোগ জানান। এই বন্যাকে ‘ম্যান মেড’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বলেন, ‘ডিভিসি রাজ্যকে না জানিয়েই জল ছেড়েছে। তার উপর প্রবল বর্ষণের জন্যই রাজ্যে কার্যত বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’ তা নিয়ে কার্যত তৃণমূল সূপ্রিমোকেই দায়ী করেছেন দিলীপ ঘোষ। ‘রাজ্য সরকারকে জানিয়েই জল ছাড়ে ডিভিসি। সমস্ত ঘটনাই রাজ্য সরকার জানে। এখন নাটক করছে”, মন্তব্য দিলীপের।

দিল্লির কৃষক আন্দোলন ভুয়ো, বিরোধীদের মদতপুষ্ট: দিলীপ ঘোষ

Dilip Ghosh

কলকাতা: চলতি বছরের মে মাসেই কৃষকদের টাকা বিলি বন্ধ করা হোক, এই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এবার তিন মাস কাটতে না কাটতেই আবার কৃষকদের বিরুদ্ধে সরব হলেন তিনি। গত বছর থেকেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের এবং তাদের আনা কৃষি বিলের বিরোধিতায় নেমেছে দেশের কৃষকেরা।

এবার সেই কৃষক আন্দোলন নিয়ে সরব হলেন তিনি। তিনি বলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজপথে চলা কৃষক আন্দোলন ভুয়ো। সরাসরি অভিযোগ করলেন, এই আন্দোলন সংগঠিত নয়।, টাকা দিয়ে ভাড়া করে লোককে আনা হয়েছে। এদের শুধু মোদি বিরোধিতা করাই লক্ষ্য।

আরও পড়ুন বাস্তবের সিধুজ্যাঠাই ছিলেন কলকাতার শেষ বাবু

অবশ্য এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার এই অভিযোগ এনেছেন দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপির অন্যান্য নেতানেত্রীরা। কৃষকদের আন্দোলনকে বিরোধীদের মদতপুষ্ট বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারাও। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগে রাজ্যে চালু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি প্রকল্প। প্রথম দফার টাকা পেয়েছেন প্রথম দফায় নথিভূক্ত বাংলার কৃষকরা।

এতদিন রাজ্য সরকার কেন প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি চালু করেনি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা। ২০০–র বেশি আসন নিয়ে হ্যাট্রিক করে রাজ্যের মসনদে বসার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্প চালু করতে ছাড়পত্র দিয়েছেন। এই প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি প্রকল্পে কৃষকদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যে দুর্নীতি হতে পারে বলে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ।

নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি পাঠিয়ে তিনি দিলীপ দাবি করেছিলেন, রাজ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে ২৩ লাখ কৃষক নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন করলেও প্রথম দফার টাকা পেয়েছেন মাত্র ৭ লাখ চাষি। বাকি কৃষকদের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি। এবার সরাসরি কৃষকদের বিরুদ্ধেই তোপ দেগেছেন তিনি। যদিও, দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের মধ্যে বেশিরভাগই উত্তর ভারতের, বাংলার কৃষকরা তাতে অংশ নেয়নি বলেই দাবি বিজেপি শিবিরের।

এবারে ঘরোয়া টোটকায় মুক্তি মিলবে শ্বাসকষ্ট থেকে, মেনে চলুন সহজ কিছু টিপস

breathing

শ্বাসকষ্ট এমন একটি রোগ যা কখনোই নির্মূল করা যায় না। তবে চিকিৎসা দ্বারা এবং নিয়মিত কিছু শরীরচর্চার মাধ্যমে একে নয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব। এছারা বেশ কিছু ঘরোয়া পধতিতেও একে বাগে আনা সম্ভব। বেশির ভাগ সময় রোগী ভয় পেয়ে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়। তবে ছিন্তা না করে যদি কিছু নিয়ম মেনে চলা যায়, তাহলে খুব সহজেই শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে থাকে।

১) ইনহেলার সঙ্গে রাখুন
যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য ইনহেলার খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এতি প্রধানত সংকুচিত শ্বাসনালীকে প্রসারিত করে। এর ফলে খুব সহজেই দেহে অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে। ইনহেলারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। ফলে ইনহেলার সবসময় হাতের কাছে রাখা জরুরি।
২) আদা, কফি, রসুন খেতে পারেন
গরম জলের মধ্যে আদা, মধু আর মেধি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট থেকে স্বস্তি পাবেন। এছাড়াও রসুন ভাজা বা তরকারিতেও খেতে পারেন। শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য রসুন খুবই উপকারী। নিঃশ্বাস নিতে হটাত কষ্ট হছে? তাহলে চটকরে এক কাপ কফি বানিয়ে খেয়ে নিন। মিলবে স্বস্তি।
৩) নিয়মিত ব্রিদিং এক্সাসাইজ করুন
বেশ কিছু ব্রিদিং এক্সাসাইজ আছে যা শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিদিন সঠিক ভাবে কিছু ব্রিদিং এক্সাসাইজ করলে শ্বাসকষ্টের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

চুলে পুষ্টি জোগাতে চাই ডিপ্ কন্ডিশনিং, এবার ঘরোয়া পদ্ধতিতেই ঘটবে ম্যাজিক

hair

শুধু শ্যাম্পু করলেই চুল মনের মতো উজ্জ্বল ও মসৃণ হয় না। তার জন্য চাই কন্ডিশনিং। অনেকসময় দেখা যায়, নিয়মিত কন্ডিশনিং করার পরেও চুল পছন্দ মতো উজ্জ্বল, মসৃণ হয় না। তখন বুঝতে হবে আপনার চুলের চাই আরও পুষ্টি। ডিপ্‌ কন্ডিশনিং-ই চুলে একমাত্র প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগান দিতে পারে।

নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল
৪ চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল একটা বাটিতে নিয়ে সামান্য গরম করবেন। গরম থাকতে থাকতেই ঐ তেল আঙুলের ডগায় নিয়ে চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে মাখুন। পুরো মালিশ চালান ১০ মিনিট ধরে। এরপর একটা বড় তোয়ালে গরম জলে চুবিয়ে নিংড়ে নিন। তোয়ালেটা গরম থাকাকালিন পাগড়ির মতো মাথায় জড়ান। তোয়ালে ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার পাগড়ির মতো মাথায় জড়ান। এভাবে দু’বার করার পর তোয়ালে খুলে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুষ্ক, ডগা চিরে যাওয়া ও ভঙ্গুর চুলের পক্ষে এই কন্ডিশনার খুবই কার্যকরী ।

রেড়ির তেল বা ক্যাস্টর অয়েল
৪ চামচ ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল একটা বাটিতে নিয়ে সামান্য গরম করুন। এরপর আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে মাথার তালুতে অর্থাৎ চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে ৫-১০ মিনিট মালিশ করুন। বাকী তেল সারা চুলে মাখুন।
এরপর চিরুনি দিয়ে মাথা ভালো করে আঁচড়ান। একটা বড় তোয়ালে গরম জলে চুবিয়ে নিংড়ে নিয়ে ঘোমটা দেওয়ার মতো জড়িয়ে সমস্ত চুল সামনের দিকে এনে তোয়ালে দিয়ে মুড়ে রাখুন। ২০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। যাদের চুল খুব পাতলা তাদের পক্ষে এই কন্ডিশনার উপযোগী।

মধু ও অলিভ অয়েল
ডিপ্‌ কন্ডিশনিং করার আগের দিন এই কন্ডিশনার তৈরি করে রাখতে হবে। একটা পরিষ্কার শুকনো শিশিতে ৪ চামচ মধু ও ৪ চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে ১২ ঘন্টা রেখে দিন। পরদিন মিশ্রণটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে আঙুলের ডগার সাহায্যে চুলের গোড়ায় ভালো করে ঘসে ঘসে লাগান ও ৫-১০ মিনিট তালুতে মালিশ করুন। সরু দাড়ার চিরুণি দিয়ে আঁচড়ে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ছড়িয়ে দিন সারা চুলে সমানভাবে।
চুল আঁচড়ানোর পর সাঁতারের টুপি বা পলিথিনের প্যাকেট মাথায় এমনভাবে পরুন, যাতে চুলে বাইরের বাতাস না লাগে। ৩০ মিনিট এভাবে থেকে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নেবেন। যাদের চুল ঘন ও কালো তাদের পক্ষে এই কন্ডিশনার খুবই উপযোগী । চুল উজ্জ্বল ও ঝলমলে হবে।

ডিম ও অলিভ অয়েল
একটা ডিম বাটিতে ফেটিয়ে নিয়ে ২ চামচ অলিভ অয়েল তার সাথে ভালোভাবে মেশান।
পাকা পাতিলেবুর আধ চামচ রস ও আধ চামচ গ্লিসারিন-এর সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ান।
শ্যাম্পু করা চুল ভালোভাবে মুছে মিশ্রণটি আঙুলের সাহায্যে চুলের গোড়ায় ঘসে ঘসে লাগান। বাকী অবশিষ্ট চুলেও লাগান। ১৫ মিনিট বাদে এগ্‌ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সব ধরনের চুলের জন্যই এই কন্ডিশনিং উপযোগী ।

তবে কী বিয়ের পিঁড়িতে যশ-মধুমিতা, এ কোন সাজে প্রকাশ্যে ছবি

bengali movie

তবে কী বিয়ে করে ফেললেন যশ এবং মধুমিতা? বিয়ের সাঁজে ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তোলপাড় নেটদুনিয়া। লাল বেনারসি, কপালে টিপ, গয়াল মালা। একেবারে নববধূ সাজে মধুমিতা। তবে যশ-এর পরনে প্যান্ট-শার্ট। বিষয়টি ঠিক কী? আসলে এসভিএফ-এর ব্যনারে একটি মিউজিক ভিডিওতে আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখা গেলো যশ এবং মধুমিতাকে। ‘ও মন রে’ বলে একটি গানে একসঙ্গে দেখা যাবে তাঁদের।

২০১৩ সালের ব্লকব্লাস্টার ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-তে জুটি বাঁধতে দেখা গেছিলো যশ এবং মধুমিতাকে। সেই সময় ধারাবাহিকটি ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। যশ এবং মধুমিতার জুটি বহু দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা ৩ বছর সফলভাবে স্টার জলসায় সম্পচারিত হয়েছিলো এই ধারাবাহিক। বহুদিন ধরেই অনুরাগীরা অপেক্ষা করছিলেন কবে আবারও ছোটপর্দার সেই সুপারহিট জুটিকে একসঙ্গে দেখা যাবে। এবারে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। এসভিএফ-এর ব্যনারে মিউজিক ভিডিওতে জুটি বাঁধছেন তাঁরা।

এই মিউজিক ভিডিওটি কোরিওগ্রাফ করেছেন বাবা যাদব। গানটি গেয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক তনবীর ইভান। ‘ও মন রে’ গানে মধুমিতা এবং যশের রসায়ন দেখার জন্য মুখীয়ে রয়েছেন অনেকেই। দুজনেই ছোট পর্দা থেকে কেরিয়ার শুরু করে বড় পর্দাতেও নিজেদের প্রমাণ করেছেন। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন ধরেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনে নুসরতকে নিয়ে খবরের শিরনামে থাকছেন যশ। অন্যদিকে সৌরভ দাসের সঙ্গে মধুমিতার সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে টলি-পাড়ায়। তবে আপাতত ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর অরণ্য এবং পাখিকে আবারও একসঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখে খুশি ভক্তরা।